RuqyahTreatment.

RuqyahTreatment. জ্বিন যাদু, কালো যাদু, বদনজর সহ শারীরিক ও মানসিক সমস্যার জন্য কোরআন-সুন্নাহ মোতাবেক রুকইয়াহ ও হিজামা চিকিৎসা করা হয়।

শরীয়াহ্ ভিত্তিক রুকইয়া চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করা হয় ।

29/01/2026

জ্বিন ও যাদুর রোগীরা যখন প্রচুর পরিমাণ বদনজর ও হাসাদে (হিংসা) আক্রান্ত হয় তখন তাদের অসুস্থতা চরম পর্যায়ে পৌছে যায়। এক্ষেত্রে বদনজর ও হাসাদ বেড়ে যাওয়ায় মূল কারন'ই হয়ে থাকে যাদু। যার ফলে রোগীর উপরে এর প্রভাব দিনের পর দিন বৃদ্ধি পেতে'ই থাকে। এ সকল রোগীদেরকে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা দিয়ে সুস্থতো করা যায়'ই না বরং পরিস্থিতি আরো বেশি জটিল আকার ধারণ করতে থাকে। পেশেন্টকে অন্য সব ধরণের চিকিৎসা শেষে যদি রুকইয়াহ'ও করা হয় তখনো অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় রোগীকে কন্ট্রোল করা যাচ্ছে না। অসুস্থতা আরো বেড়ে যাচ্ছে। এমন রোগীদের ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ রাক্বীর পরামর্শে প্রথমে'ই পর্যাপ্ত বদনজর ও হাসাদের রুকইয়াহ করতে হবে এবং সাথে সাথে বদনজর ও হাসাদ নষ্টের জন্য নিয়মিত রুকইয়াহ গোসল, মধু, অলিভ অয়েল, কালোজিরা সহ রুকইয়াহ'র ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সাপ্লিমেন্টগুলো ব্যবহার ও খেতে হবে। এভাবে বেশ কিছুদিন বদনজর ও হাসাদের রুকইয়াহ করার পরে অন্য রুকইয়াহ শুরু করলে ইনশাআল্লাহ রোগীর মূল সমস্যা নষ্ট হতে শুরু করবে এবং রোগী দ্রুত সুস্থতার দিকে ধাবিত হতে থাকবে আল্লাহর ইচ্ছায়।

এমনটা হবার কারন হচ্ছে, এমন রোগীদের ক্ষেত্রে যাদুর সমস্যা থাকলে'ও বদনজর ও হাসাদের প্রভাব থাকে অনেক অনেক বেশি। এক কথায় বলতে গেলে এটা হচ্ছে শায়াত্বিনের তৈরি হিজাবুল আইন ও হাসাদ। যা কিনা শ্বায়াতিন জ্বিন তৈরি করে এবং রোগীর উপর প্রয়োগ করে থাকে। তাই প্রথমে'ই রোগীকে বদনজর ও হাসাদের রুকইয়াহ করে মোটামুটি সুস্থতার পর্যায় আনতে হবে তারপর অন্যান্য বিষয়ের উপর বিষয় ভিত্তিক রুকইয়াহ'তে জোর দিতে হবে। কারন রোগীর বর্তমান অত্যধিক অসুস্থতার মূল কারণ'ই হলো বদনজর ও হাসাদ।

এই পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে বিশেষ কিছু রোগীদের ক্ষেত্রে যা কিনা একজন রাক্বী তার অভিজ্ঞতার আলোকে বুঝতে পারবেন। সকল রোগীদের ক্ষেত্রে উল্লিখিত পদ্ধতি প্রয়োগ করা উচিত হবে না। হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই রাক্বীকে সতর্কতার সাথে পুরো পদ্ধতিটা প্রয়োগ করতে হবে।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖

26/01/2026

যখন বিছানায় ঘুমোতে যাবে আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে, তাহলে আল্লাহ্'র পক্ষ থেকে তোমার উপর সব সময় একজন হেফাজতকারী ফেরেশতা নিযুক্ত থাকবে এবং ভোর পর্যন্ত শয়তান তোমার ধারে কাছেও আসতে পারবে না।

¤ সহীহ বুখারীঃ ৫৩০।
➖➖➖➖➖➖➖

হাদিসে কুদসিতে এসেছে, মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা বলেন, "কুদৃষ্টি হলো শয়তানের বিষাক্ত তীর৷ যে আমার ভয়ে তা বর্জন ক...
26/01/2026

হাদিসে কুদসিতে এসেছে, মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা বলেন,
"কুদৃষ্টি হলো শয়তানের বিষাক্ত তীর৷ যে আমার ভয়ে তা বর্জন করে, আমি তার ঈমানকে পরিবর্তন করে দিই, যাতে সে তার অন্তরে ঈমানের স্বাদ উপলব্ধি করতে পারে।"

¤ আত-তারগিবঃ ১১৯৪।
➖➖➖➖➖➖➖➖

24/01/2026

"আইনুল মুতরাকিমাহ" বা "জমে থাকা বদনজর" যা কিনা একজন মানুষকে জ্বিন ও জাদুর থেকেও বেশি ক্ষতি করতে পারে। এই ধরনের বদনজরের প্রভাবে একজন মানুষের জীবনের অনেক বিষয় স্থবির হয়ে যায়।

'আইনুল মুতরাকিমাহ' বা 'জমে থাকা বদনজর' এর প্রভাবে একজন ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার প্রকোপ দিন দিন বাড়াতেই থাকে। অন্যদের চোখে তার চেহারা মলিন দেখায়, তার কাজকর্ম সবার কাছে বিরক্তিকর মনে হয়, এমনকি সে সবার জন্য ভালো কিছু করলেও। পারিবারিক ও দাম্পত্য জীবনে অশান্তি লেগেই থাকে। মোটামুটি সব ধরনের ভালো সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুরত্ব তৈরি ও বিচ্ছেদ হতে থাকে‌। তার আয়, উপার্জন, উন্নতি, অর্থ নষ্ট হতে থাকে এবং যেখানেই সে যায় সেখানেই তাকে ছোট বড় সমস্যার মধ্যে সম্মুখিন হতে হয়। শয়তান তার কাছে তাড়াতাড়ি আসতে পারে এবং তার শরীরে বাসা বাঁধে। যার ফলে তার জীবন ওলটপালট হয়ে ধ্বংসের দিকে যেতে থাকে।

'শরীরে জমে থাকা বদনজর' বা 'আইনুল মুতরাকিমাহ' এর প্রাথমিক রুকইয়াহ চিকিৎসা হচ্ছে,

১) 'আইনুল মুতারাকিমা' সহ সকল প্রকার মানুষ, জ্বিন ও শ্বায়াতিনের সমস্ত প্রকার বদনজর ধ্বংসের নিয়াতে ৩ সপ্তাহ বা ২১ দিন দৈনিক রুকইয়াহ করা পানি দিয়ে গোসল করা।
২) দৈনিক নির্ধারিত একটি সময়ে ৩০ মিনিট বা আরো বেশি সময় ধরে 'আইনুল মুতারাকিমাহ' সহ সকল প্রকার মানুষ, জ্বিন ও শ্বায়াতিনের সমস্ত প্রকার বদনজর ধ্বংসের নিয়াতে সূরা ফালাক তেলোয়াত করা।
৩) নিয়মিত স্থায়ীভাবে নিরাপত্তা বা হেফাজতের জন্য মাসনুন আমলগুলো করা।
৪) একজন শরীঈ রাক্বীর পরামর্শে সরাসরি রুক‌ইয়াহ ও হিজামা চিকিৎসা গ্রহণ করা।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖

23/01/2026

শয়তানের মূল উদ্দেশ্য'ই হচ্ছে আমাদের ঈমান নষ্ট করা।
যার প্রধান হাতিয়ার হল কালো যাদু বা
ব্লাক ম্যাজিক।

আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত মারাত্মক ভুল ধারণা রয়েছে। যাকিনা প্রায়'ই অনেকে'ই বলে থাকে,“অমুকের সাথে একটা জ্বিন আছে কিন্তু স...
22/01/2026

আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত মারাত্মক ভুল ধারণা রয়েছে। যাকিনা প্রায়'ই অনেকে'ই বলে থাকে,“অমুকের সাথে একটা জ্বিন আছে কিন্তু সেটা ভালো জ্বিন। সেই জ্বিন তাকে কোনো ক্ষতি করে না, তাকে উপকার করে"। এটি একটি সম্পূর্ণ অজ্ঞতাপূর্ণ ও মারাত্মক ভুল কথা। মানুষের শরীরে প্রবেশ করা'ই তো জ্বিনদের জন্য নিষিদ্ধ ছিলো। আর যে জ্বিন সেই নিষিদ্ধ কাজটি'ই করলো সে আবার ভালো জ্বিন হয় কী করে ⁉️

জ্বিন অনেক রোগীর শরীরে প্রবেশ করে বলে নামাজ আদায় করতে, কুরআন পড়তে, ভালো ভালো কথা বলে আর এতেই রোগী ও রোগীর অভিভাবক এবং আশপাশের লোকজন ধোকায় পড়ে যায়। মনে রাখবেন, এ ধরণের জ্বিনগুলো অনেক বেশি মারাত্মক ধরনের খারাপ হয়ে থাকে, অনেক ধূর্ত শায়াত্বিন জ্বিন এরা। উপরে উপরে ভালো সেজে ভিতরে ভিতরে এরা রোগীকে ঈমান হারা করে ছাড়ে, সাথে সাথে রোগীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে ধ্বংস করে জীবনটাকে পঙ্গু করে ফেলে। এমনটা শুধু রোগীর সাথে'ই করে না বরং এরা রোগীর পরিবার সহ আশপাশের মানুষজন সবাইকে ঈমান হারা করে ছাড়ে।

শায়াত্বিনের মূল উদ্দেশ্যে'ই থাকে মানুষকে ঈমান হারা করা। সেটা যেভাবেই হোক না কেন। তাই আমাদের সবাইকে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে শায়াত্বিনের ষড়যন্ত্র থেকে।

মহান আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন এবং শায়াত্বিনের ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজতে রাখুন, আমীন।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖

আমাদের মধ্যে অনেকে'ই ঘুমের মধ্যে অথবা তন্দ্রা অবস্থায় সপ্নে অনেক কিছু'ই খেয়ে থাকি। বিশেষ করে যারা জ্বিন ও যাদুতে আক্রান্...
19/01/2026

আমাদের মধ্যে অনেকে'ই ঘুমের মধ্যে অথবা তন্দ্রা অবস্থায় সপ্নে অনেক কিছু'ই খেয়ে থাকি। বিশেষ করে যারা জ্বিন ও যাদুতে আক্রান্ত তাদের ক্ষেত্রে এমনটা অনেক বেশি'ই হয়ে থাকে। স্বপ্নে খাওয়ানোর মাধ্যমে শায়াত্বিন জ্বিন মূলত মানুষকে যাদু করে থাকে।

✔ স্বপ্নে খেলে যা করবেনঃ

💊 প্রথমত ইস্তিফরাগ (রুক‌ইয়াহ'র নিয়ম অনুযায়ী বমি) করবেন।
💊 ঘুম থেকে উঠে যাদু নষ্টের নিয়াতে এক গ্লাস পড়া পানি খেয়ে নিবেন। সম্ভব হলে সাথে একই নিয়াতে মধু ও কালোজিরা খেয়ে নিবেন।

✔ নিয়মিত স্বপ্নে খেলে করণীয়ঃ

💊 ঘুমের আগে ওযু করে নিবেন।
💊 ঘুমের আগে হেফাজতের/নিরাপত্তার মাসনূন আমলগুলো অবশ্যই করবেন।
💊 সুরা কাহাফের শেষ চার (৪) আয়াত নিয়াত করে পড়ে ঘুমাবেন।
💊 ঘুমানোর আগে ঠোঁটে পড়া অলিভ অয়েল ও সম্ভব হলে সাথে হালকা করে আতর দিয়ে ঘুমাবেন।
💊 পড়া কালোজিরা চিবিয়ে খেয়ে ঘুমাবেন।

এগুলো করলে ইনশাআল্লাহ্ স্বপ্নে খাওয়া কমে যাবে।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖➖

"গুরুত্বপূর্ণ দোয়া"➖➖➖➖➖🔘 শত্রু এবং শক্তিধর ব্যক্তির সাক্ষাতকালে পড়ার দোয়াঃاَللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِهِمْ...
17/01/2026

"গুরুত্বপূর্ণ দোয়া"
➖➖➖➖➖

🔘 শত্রু এবং শক্তিধর ব্যক্তির সাক্ষাতকালে পড়ার দোয়াঃ

اَللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِهِمْ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْ

"আল্লা-হুম্মা, ইন্না- নাজ’আলুকা ফী নু’হূরিহিম ওয়া না’ঊযুবিকা মিন শুরূরিহিম।"

"হে আল্লাহ্‌, আমরা আপনাকে তাদের কণ্ঠদেশে রাখছি এবং আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি তাদের অকল্যাণ থেকে।"

▫️আবু দাউদঃ ১৫৩৭।

🔘 কারো ক্ষতির আশঙ্কা করলে আত্মরক্ষার দোয়াঃ

اَللَّهُمَّ اكْفِنِيْهِمْ بِمَا شِئْتَ

"আল্লা-হুম্মাক্‌ ফিনীহিম বিমা-শিতা।"

"হে আল্লাহ্‌, আপনি যেভাবে ইচ্ছা আমাকে তাদের থেকে সংরক্ষণ করুন।"

▫️মুসলিম ৪/২৩০০, ৩০০৫।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖

পানি পড়া তৈরি করার সহজ নিয়ম।প্রথমে'ই ৫/১০ লিটার অথবা আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী পানি নিবেন তারপর,১) দুরূদে ইব্রাহীম ৩/৫/৭ ব...
17/01/2026

পানি পড়া তৈরি করার সহজ নিয়ম।

প্রথমে'ই ৫/১০ লিটার অথবা আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী পানি নিবেন তারপর,

১) দুরূদে ইব্রাহীম ৩/৫/৭ বার,
২) সূরা ফাতিহা ৩/৫/৭ বার,
৩) আয়াতুল কুরসি ৩/৫/৭ বার,
৪) সুরা ইখলাস ৩/৫/৭ বার,
৫) সুরা ফালাক ৩/৫/৭ বার,
৬) সুরা নাস ৩ /৫/৭ বার,
৭) দুরূদে ইব্রাহীম ৩/৫/৭ বার করে পাঠ করে পানিতে তিনবার ফু দিবেন।

১) দৈনিক দুই থেকে তিনবার নিয়াত করে এই পানি পান করবেন। শেষ হয়ে গেলে আবার নতুন করে পড়ে নিবেন।

২) যে সমস্যার জন্য পড়া পানি পান করছেন তার জন্য নির্দিষ্ট করে নিয়াত করে নিবেন, যেন সেই সমস্যা পুরোপুরি দূর হয়ে যায় এবং আল্লাহ্'র রহমতে দ্রুত পরিপূর্ণ সুস্থতা লাভ হয়।

৩) এছাড়াও আপনি যদি বেশি কার্যকরী করার জন্য কুরআনের অন্যান্য আয়াতগুলো পড়তে চান তাহলে সুরা বাকারা, সুরা ইয়াসিন ও সুরা কাহাফ পাঠ করে পানিতে ফু দিতে পারেন।

৪) এই পানি পড়া রুকইয়াহ জন্য ব্যবহার করা হয় এমন সমস্ত কাজে ব্যবহার করা যাবে। যেমনঃ পান করা, গোসল, পানি ছিটানো ইত্যাদি এমন সমস্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে ইনশাআল্লাহ।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖➖

জ্বিন ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে আত্মরক্ষার জন্য সহায়ক কিছু উপায়।১) যেকোনো খাবার খাওয়ার পূর্বে অবশ্যই 'বিসমিল্লাহ্' বলে খাবার...
15/01/2026

জ্বিন ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে আত্মরক্ষার জন্য সহায়ক কিছু উপায়।

১) যেকোনো খাবার খাওয়ার পূর্বে অবশ্যই 'বিসমিল্লাহ্' বলে খাবার খাওয়া। কেননা আল্লাহর নাম ব্যতীত কেউ যখন খাবার খেতে শুরু করে তখন সেই খাবারে শয়তান শরিক হয় এবং ওই খাবার খেয়ে মানুষের সাথে থাকা শয়তান হৃষ্টপুষ্ট হয়। সুতরাং শয়তানকে দূর্বল করতে খাবার শুরুতে 'বিসমিল্লাহ্' বলে খাবার খেতে হবে।

¤ আল আদাবুল মুফরাদ/১০৯৬।

২) যদি কেউ খাবার শুরুতে 'বিসমিল্লাহ্' বলতে ভুলে যায় তবে যখনই মনে পড়বে তখনই এই দুয়াটা পড়বে,

بِسْمِ اللهِ أَوَّلَهُ وَآخِرَهُ‏.‏

উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি আওয়ালাহু ওয়া আ'খিরাহু।

¤ জামি তিরমিযি ও আবু দাউদ, রিয়াদুস সলিহীন, কিতাব নং ৩, হাদিস-৭২৯।

৩) 'বিসমিল্লাহ্' বলে ডান পা দিয়ে বাসায় প্রবেশ করা। কেননা যদি 'বিসমিল্লাহ্' বলা ব্যতিত কেউ বাসায় প্রবেশ করে তবে সেই বাসায় শয়তানও তার সাথে প্রবেশ করতে পারে এবং থাকতে পারে।

¤ আল আদাবুল মুফরাদ/১০৯৬।

৪) বাসা থেকে বের হওয়ার সময় বাম পা আগে দিয়ে বের হওয়া এবং সাথে 'বিসমিল্লাহ্' সহ এই দুয়াটা পড়বে,

بسم الله توكلت على الله، ولا حول ولا قوة إلا بالله

উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহি, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ্।

এতে সে আল্লাহর পক্ষ থেকে হিদায়াতের উপর থাকবে, হেফাজতে থাকবে, তার উপর আক্রমণ প্রতিহত করা হবে।

¤ তিরমিযি ও আবু দাউদ, রিয়াদুস সলিহীন কিতাব নং ১, হাদিস নং ৮৩।

৫) পোশাক পাল্টাবার আগে 'বিসমিল্লাহ্' বলা। কারণ 'বিসমিল্লাহ্' বলার দ্বারা মানুষের সতর ও জ্বিনদের দৃষ্টির সামনে পর্দা সৃষ্টি হয়ে যায়। যদি 'বিসমিল্লাহ্' না বলা হয় তবে জ্বিন মানুষদের দিকে দৃষ্টি দিতে পারে এবং সহজেই আকৃষ্ট হয়ে যেতে পারে।

¤ জামি তিরমিযি - ৬০৬।

৬) ওয়াশরুমে ও টয়লেটে প্রবেশের আগে দুয়া পড়া, কারণ এসব নোংরা জায়গায় সাধারনত খবিস জ্বিন থাকে। ওয়াশরুমে ও টয়লেটে প্রবেশের দুয়াঃ

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল খুবসি ওয়াল খাবাইস।

ওয়াশরুম থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসা, বেশিক্ষণ না থাকা। বের হয়ে غوفراناكا 'গুফরানাকা' পড়া। ওয়াশরুমে একা একা কথা না বলা। অনেক সময় এই কথা বলার মধ্যে জ্বিন শরিক হয়।

¤ জামি তিরমিযি ৬০৬।

৭) দরজা, জানালা 'বিসমিল্লাহ্' বলে খোলা ও বন্ধ করা, কেননা যে দরজা বা জানালা বন্ধ করার সময় আল্লাহর নাম নেয়া হয় সে দরজা শয়তান খুলতে পারে না।

¤ সুনান আবু দাউদ ৩৭৩১।

৮) খাবার 'বিসমিল্লাহ' বলে ঢেকে রাখা, এমনকি একটি কাঠি দিয়ে হলেও ঢেকে রাখবেন এবং এর উপর আল্লাহর নাম নিবেন। একইভাবে পানির পাত্রের মুখও বন্ধ করে দিবেন আল্লাহর নাম নিয়ে। কারণ যে পাত্রের মুখ এভাবে আল্লাহর নাম নিয়ে ঢাকা থাকে তা শয়তান উন্মুক্ত করতে পারে না।

¤ সুনান আবু দাউদ ৩৭৩১।

৯) রাতে ঘরের বাতি নেভানোর সময় 'বিসমিল্লাহ্' বলে নিভাবে। গ্যাসের চুলা, সিলিন্ডার থাকলে সতর্কতার সাথে 'বিসমিল্লাহ্' বলে বন্ধ করে দিবেন।

¤ সুনান আবু দাউদ ৩৭৩১।

১০) যথাযথভাবে পর্দা করা। কারণ জ্বিনেরাও মানুষের প্রতি আকৃষ্ট হয়। বাসার নিরাপত্তা তো হলো কিন্তু বাহিরে যেতে পর্দা সহকারে বের না হলেও জ্বিন দ্বারা আক্রান্তের সম্ভাবনা থাকে।

১১) মুশরিক/কাফিরদের উপসনালয় থেকে দূরে থাকা। কারণ এসব শির্কের আস্তানায় শয়তানের আনাগোনা হয় খুব বেশি। অনেকের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায় এরকম কোন উপসনালয়ের পাশ দিয়ে যাওয়ার/গমণের পর জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে।

হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন ‘তোমরা মুশরিকদের উপাসনালয়ে তাদের উৎসবের দিনগুলোতে প্রবেশ করো না। কারণ, সেই সময় তাদের উপর আল্লাহর পক্ষ থেকে গজব নাজিল হতে থাকে।’

¤ বায়হাক্বী।

১২) বাসায় সুরা বাকারাহ্ তিলাওয়াত করা। শয়তান এমন ঘরে প্রবেশ করে না যাতে সুরা বাকারাহ তিলাওয়াত করা হয়।

¤ জামি তিরমিযি,খন্ড ৫/কিতাব ৪২/হাদীস ২৮৭৭।

বিশেষ করে সুরা বাকারার শেষ ৩ আয়াত পড়া। এটা পড়া দ্বারা বাসা থেকে শয়তান দূর হয়।

¤ সুনান আবু দাউদ/১৩৯৭, সুনান ইবনু মাজাহ।

১৩) বাসায় কোন প্রকার প্রানীর ছবি না রাখা। দরকারে যেহেতু ছবি তুলতে হয় সেহেতু ছবি উন্মুক্ত জায়গায় রাখবেন না। কারণ এমন ঘরে ফেরেশতা প্রবেশ করে না যে ঘরে প্রাণীর ছবি থাকে।

¤ সুনান আন-নাসায়ী ৫৩৪৭ সহিহ।

১৪) বাসায় কোনো প্রকার প্রানীর মূর্তি বা মূর্তিজাতীয় কিছু না রাখা।

¤ সহিহ বুখারী ৩২৩৮, সুরা মুদ্দাসসির ১-৫।

১৫) বাসায় কুকুর না রাখা।

¤ সুনান আন-নাসায়ী ৫৩৪৭,সহিহ।

১৬) বাসায় পর্দাহীনতা যেন না হয় তা খেয়াল রাখা। যেমন টিভিতে, পত্রিকায়, ম্যাগাজিনে এরকম কিছু থাকলে তা বন্ধ করা, ঢেকে রাখতে হবে। ভাল হয় এসবের উৎস বন্ধ করতে পারলে।

১৭) গোসল ফরজ হলে দ্রুত গোসল করে নেয়া। কারণ জুনুব ব্যক্তি যে ঘরে থাকে তাতেও ফেরেশতা প্রবেশ করে না মর্মে হাদীসে উল্লেখিত হয়েছে।

¤ সুনান আন-নাসায়ী খন্ড ১/কিতাব ১/ হাদীস ২৬২।

আবার অপবিত্র অবস্থায় থাকার জন্য জ্বিনদের আক্রমন করাও সহজ হয়ে যায়।

১৮) অধিক রাগ, শোক ও খুশির অবস্থায় আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল না হওয়া। বিশেষ করে রাগের সময়। এই সময় মানুষ জ্বিনের দ্বারা আক্রমনের শিকার হবার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তাই রাগ উঠলেই 'আউযুবিল্লাহি মিনাশ শায়তনির রজিম' পড়তে হবে বার বার।

১৯) বাচ্চাদের মাগরিবের ১০/১৫ মিনিট আগে ও পরে বাইরে বিচরণ করতে না দেয়া। কেননা এই সময়ে জ্বিনরা খুব বেশি বিচরণ করে থাকে।

এই লেখাটায় সব উপায়ই আনা হয়েছে তা নয়। আরো পয়েন্ট থাকতে পারে, এগুলো ছাড়া কারো কিছু জানা থাকলে কমেন্ট করে জানাবেন। এছাড়াও হাদিসে বর্ণিত সকল প্রকার অনিষ্ট থেকে নিরাপদ ও হেফাজত থাকতে মাসনুন আমলগুলো নিয়মিত স্থায়ীভাবে করতে হবে।

নিরাপত্তা ও হেফাজতের জন্য মাসনুন আমলের লিংকঃ
https://www.facebook.com/share/p/19iTg9NsVE/

মহান রাব্বে কারিম আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা আমাদেরকে উল্লিখিত আমলগুলো করার তাওফিক দান করুন এবং সর্বদা জ্বিন ও শয়তান সহ সকল প্রকার অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন, আমীন।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖➖

যাদের জ্বীনের সমস্যা আছে তার জ্বীন কে শরীর থেকে বের করে দিতে এই আয়াত গুলো উভয় হাত কে মাথায় চেপে ধরে প্রায় প্রতিদিন কমসে ...
13/01/2026

যাদের জ্বীনের সমস্যা আছে তার জ্বীন কে শরীর থেকে বের করে দিতে এই আয়াত গুলো উভয় হাত কে মাথায় চেপে ধরে প্রায় প্রতিদিন কমসে কম ২৫/৩০ মিনিট করে পড়ুন,যদি জ্বীন বের না হয়ে অথবা খুব বেশি অস্থির বা অসুস্থ হয়ে পড়েন তাহলে অবশ্যই রাক্বি দ্বারা চিকিৎসা করতে হবে।

কয়েক বার আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ে শুরু করুন।

১] দুরুদ শরিফ.

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلىٰ مُحَمَّدٍ، وَعَلىٰ آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيْمَ، وَعَلىٰ آلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ، اللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلىٰ مُحَمَّدٍ وَّعَلىٰ آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلىٰ إِبْرَاهِيْمَ وَعَلىٰ آلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْد

২] সুরা ফাতেহা.
أَعُوذُ بِاللّٰهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعٰلَمِیْنَ ﴿۱﴾ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ﴿۲﴾ مٰلِكِ یَوْمِ الدِّیْنِ ﴿۳﴾ اِیَّاكَ نَعْبُدُ وَ اِیَّاكَ نَسْتَعِیْنُ ﴿۴﴾ اِهْدِ نَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِیْمَ ﴿۵﴾ صِرَاطَ الَّذِیْنَ اَنْعَمْتَ عَلَیْهِمْ۬ۙ غَیْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَیْهِمْ وَلَا الضَّآ لِّیْنَ ﴿

এবং সূরা ফাতেহা এই অংশটি বেশী বেশী পাঠ করুন.
اِيَّا كَ نَعْبُدُ وَاِ يَّا كَ نَسْتَعِيْنُ

৩] সূরা বাকারাহ'র ১৪৮ নং আয়াত.

وَ لِکُلٍّ وِّجۡہَۃٌ ہُوَ مُوَلِّیۡہَا فَاسۡتَبِقُوا الۡخَیۡرٰتِ ؕ؃ اَیۡنَ مَا تَکُوۡنُوۡا یَاۡتِ بِکُمُ اللّٰہُ جَمِیۡعًا ؕ اِنَّ اللّٰہَ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ قَدِیۡرٌ ﴿۱۴۸﴾

সুরা বাকারাহ'র -১৪৮ এইখান টা বেশী বেশী পড়ুন.
اَيْنَ مَا تَكُوْنُوْا يَأْتِ بِكُمُ اللّٰهُ جَمِيْعًا

৪] সূরা বাকারাহ'র ৩৯ নং আয়াত.

وَا لَّذِيْنَ كَفَرُوْا وَكَذَّبُوْا بِـاٰيٰتِنَاۤ اُولٰٓئِكَ اَصْحٰبُ النَّا ر ۚ هُمْ فِيْهَا خٰلِدُون
সুরা বাকারাহ'র -৩৯ এইখান টা বেশী বেশী পড়ুন.
اُولٰٓئِكَ اَصْحٰبُ النَّا ر

৫] সূরা বাকারাহ'র ১৬৫ নং আয়াত.

وَمِنَ النَّا سِ مَنْ يَّتَّخِذُ مِنْ دُوْنِ اللّٰهِ اَنْدَا دًا يُّحِبُّوْنَهُمْ كَحُبِّ اللّٰهِ ۗ وَا لَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اَشَدُّ حُبًّا لِّـلّٰهِ ۗ وَلَوْ يَرَى الَّذِيْنَ ظَلَمُوْۤا اِذْ يَرَوْنَ الْعَذَا بَ ۙ اَنَّ الْقُوَّةَ لِلّٰهِ جَمِيْعًا ۙ وَّاَنَّ اللّٰهَ شَدِيْدُ الْعَذَا بِ
সুরা বাকারাহ'র -১৬৫ এইখান টা বেশী বেশী পড়ুন.
وَا لَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اَشَدُّ حُبًّا لِّـلّٰهِ
এবং এটাও পড়ুন একাধিক বার.
اَنَّ الْقُوَّةَ لِلّٰهِ جَمِيْعًا

৬] সূরা বাকারাহ'র ২৫৫ নং আয়াত.

اللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ الْحَـيُّ الْقَيُّوْمُ ۚ لَا تَأْخُذُهٗ سِنَةٌ وَّلَا نَوْمٌ ۗ لَهٗ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَمَا فِى الْاَ رْضِ ۗ مَنْ ذَا الَّذِيْ يَشْفَعُ عِنْدَهٗۤ اِلَّا بِاِ ذْنِهٖ ۗ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ اَيْدِيْهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۚ وَلَا يُحِيْطُوْنَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهٖۤ اِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمٰوٰتِ وَا لْاَ رْضَ ۚ وَلَا يَــئُوْدُهٗ حِفْظُهُمَا ۚ وَ هُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيْمُ
সুরা বাকারাহ'র ২৫৫ এইখান টা বেশী বেশী পড়ুন.
وَلَا يَــئُوْدُهٗ حِفْظُهُمَا ۚ وَ هُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيْمُ

৭] সূরা বাকারাহ'র ২৫৭ নং আয়াত.

اَللّٰهُ وَلِيُّ الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا يُخْرِجُهُمْ مِّنَ الظُّلُمٰتِ اِلَى النُّوْرِ ۗ وَا لَّذِيْنَ كَفَرُوْۤا اَوْلِيٰۤــئُهُمُ الطَّا غُوْتُ ۙ يُخْرِجُوْنَهُمْ مِّنَ النُّوْرِ اِلَى الظُّلُمٰتِ ۗ اُولٰٓئِكَ اَصْحٰبُ النَّا رِ ۚ هُمْ فِيْهَا خٰلِدُوْنَ

৮] সূরা হিজর ৩৪ নং আয়াত.
قَا لَ فَا خْرُجْ مِنْهَا فَاِ نَّكَ رَجِيْمٌ

৯] সূরা হিজর ৩৫ নং আয়াত.
وَّاِنَّ عَلَيْكَ اللَّعْنَةَ اِلٰى يَوْمِ الدِّيْنِ
"বিচার দিবস পর্যন্ত তোমার উপর থাকল লা‘নত।’"

১০] সূরা আত তারিক ৭ নং আয়াত.

يَّخْرُجُ مِنْۢ بَيْنِ الصُّلْبِ وَا لتَّرَآئِبِ
"যা বের হয় শিরদাঁড়া ও পাঁজরের মাঝখান থেকে।"

১১] সূরা ইব্রাহিম ১৩ নং আয়াত.
لَـنُخْرِجَنَّكُمْ مِّنْ اَرْضِنَاۤ
‘আমরা তোমাদেরকে আমাদের দেশ থেকে অবশ্য অবশ্যই বের করে দেব।

১২] ইব্রাহিম ৫ নং আয়াত.

وَلَـقَدْ اَرْسَلْنَا مُوْسٰى بِاٰ يٰتِنَاۤ اَنْ اَخْرِجْ قَوْمَكَ مِنَ الظُّلُمٰتِ اِلَى النُّوْرِ ۙ
"আর অবশ্যই আমি মূসাকে আমার নিদর্শনসমূহ দিয়ে পাঠিয়েছিলাম আর বলেছিলাম, তোমার জাতিকে অন্ধকার থেকে আলোতে বের করে আন।

১৩] সূরা আরায ১৮ নং আয়াত.

قَا لَ اخْرُجْ مِنْهَا مَذْءُوْمًا مَّدْحُوْرًا ۗ لَمَنْ تَبِعَكَ مِنْهُمْ لَاَ مْلَــٴَــنَّ جَهَنَّمَ مِنْكُمْ اَجْمَعِيْنَ
তিনি বললেন,ধিকৃত আর বিতাড়িত হয়ে এখান থেকে বেরিয়ে যা,তাদের মধ্যে যারা তোকে মান্য করবে তোমাদের সবাইকে দিয়ে আমি অবশ্যই জাহান্নাম ভর্তি করব।

১৪] সূরা কাসাস ২০ নং আয়াত.

‎ فَا خْرُجْ اِنِّيْ لَـكَ مِنَ النّٰصِحِيْن

১৫] সূরা আরাফ ১৩ নং আয়াত.

قَا لَ فَاهْبِطْ مِنْهَا فَمَا يَكُوْنُ لَـكَ اَنْ تَتَكَبَّرَ فِيْهَا فَا خْرُجْ اِنَّكَ مِنَ الصّٰغِرِيْنَ

১৬] সূরা আরাফ ২৫ নং আয়াত.

قَا لَ فِيْهَا تَحْيَوْنَ وَفِيْهَا تَمُوْتُوْنَ وَمِنْهَا تُخْرَجُوْنَ

১৭] সূরা ইখলাস.
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
قُلْ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ ﴿۱﴾ اللّٰهُ الصَّمَدُ ﴿۲﴾ لَمْ یَلِدْ ۙوَ لَمْ یُوْلَدْ ﴿۳﴾ وَ لَمْ یَكُنْ لَّہٗ كُفُوًا اَحَدٌ ﴿۴

১৮] সুরা ফালাক.
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ﴿۱﴾ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿۲﴾ وَ مِنْ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَ ﴿۳﴾ وَ مِنْ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِی الْعُقَدِ ﴿۴﴾ وَ مِنْ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ﴿۵

১৯] সুরা নাস.
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ﴿۱﴾ مَلِكِ النَّاسِ ﴿۲﴾ اِلٰهِ النَّاسِ ﴿۳﴾ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ ۙالْخَنَّاسِ ﴿۴﴾ الَّذِیْ یُوَسْوِسُ فِیْ صُدُوْرِ النَّاسِ ﴿۵﴾ مِنَ الْجِنَّةِ وَ النَّاسِ ﴿۶

অধিক পরিমাণে এই আয়াত গুলো পাঠ করুন।
আয়াত গুলো পড়ার সময় যদি আপনার শরিরে শয়তান কনট্রোল নিতে চায় তাহলে পড়া বন্ধ করে দিন। দ্রুত রাক্কি শরণাপন্ন হয়ে আপনার সমস্যার আপডেট গুলো জানান।

রাক্কি বা অভিজ্ঞদের পরামর্শ ব্যতীত রুকইয়াহ্ না করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এতে সমস্যা আরো জটিল আকার ধারণ করতে পারে অজ্ঞতার কারণে।

আমাদের কাছে সরাসরি রুকইয়াহ করতে চাইলে ইনবক্সে এ মেসেজ দিন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ নক করতে পারেন।

এপ্যায়েন্টমেন্ট নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুন।
☎️ +8801981681952. WhatsApp

অথবা বিজিট করুন ⤵️
Raqi Abrar Hosen মেছেনঞ্জার।

যেকোনো পরিস্থিতিতে দোয়াতে হাল ছাড়বেন না। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলেও দোয়া করতে থাকুন, থামবেন না। ধৈর্য্য আর সালাতের মাধ্যমে ...
09/01/2026

যেকোনো পরিস্থিতিতে দোয়াতে হাল ছাড়বেন না। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলেও দোয়া করতে থাকুন, থামবেন না।

ধৈর্য্য আর সালাতের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য চান।

দোয়া কবুলের সময়গুলো খেয়াল রাখুন।

ইস্তিগফার আর দুরুদকে রুটিন বানিয়ে নিন।

আসমানের দরজা খুলে গেলেই আপনার দোয়া আরশে পৌঁছে গিয়ে কবুল হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

মুমিন কখনো দোয়া করে নিরাশ হয়না। 💞

নিরাশ হওয়া মানে'ই দোয়া আরশ থেকে ফিরে আসা। 💔

Raqi Kamrul Haider
➖➖➖➖➖➖➖

Address

নামাপাড়া, খিলক্ষেত।
Dhaka
1229

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 08:00 - 23:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801688309115

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RuqyahTreatment. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to RuqyahTreatment.:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram