Ayurmedic

Ayurmedic Ayurveda is a system of medicine based on the idea that disease is caused by an imbalance or stress in a person's consciousness.

আসন্ন রমজান মাসে সুস্থতা এবং সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে ইফতারে ফল খেতে পারেন... এতে শরীরে ভিটামিন, মিনারেল, পানি এবং সুগার...
18/03/2022

আসন্ন রমজান মাসে সুস্থতা এবং সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে ইফতারে ফল খেতে পারেন... এতে শরীরে ভিটামিন, মিনারেল, পানি এবং সুগারের ঘাটতি দ্রুত পূরণ হবে..

18/01/2022

শুধু রান্নার পদ্ধতিতে ভুলের কারণে অনেক সময় সবজির পুষ্টিমান নষ্ট হয়ে যায়। শাকসবজিতে আছে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। আর এসব পুষ্টি উপাদান শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রমের জন্য দরকারি। কিন্তু রান্না করতে গিয়ে অজান্তেই আমরা সেগুলো নষ্ট করে ফেলি। জেনে নেয়া ঢ়াক শাকসবজির পুষ্টিমান অটুট রেখে রান্নার উপায়—
* শাকসবজি বেশি কুচি কুচি করে কাটবেন না। আস্ত রাখার চেষ্টা করবেন। সম্ভব হলে খোসাসহ রান্না করুন। খোসার ভেতরের অংশ আলো ও বাতাসের সংস্পর্শে আসে না বলে তাতে পুষ্টিমান বেশি থাকে। ছুরি বা বঁটি দিয়ে খোসা পুরু করে না কেটে ছিলে বা চেঁছে নিলে ভালো। এতে আঁশ পাবেন বেশি।
* সবজি ঢেকে রান্না করলে ভিটামিন সি অনেকখানি রক্ষা পাবে। কাটার পর শাকসবজি পানিতে দীর্ঘ সময় ভিজিয়ে রাখলে গুণাগুণ অনেকটাই চলে যায়। তাই কেটে বেছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রান্না করে নিন।
* ভিটামিন সি তাপে সংবেদনশীল। তাই বেশি সেদ্ধ করলে নষ্ট হয়ে যায়। কম পানিতে কম তাপে রান্না করা বা ভাপে সেদ্ধ করে খাওয়া সবচেয়ে ভালো।
* রান্না করা সবজি বারবার গরম করলেও খাদ্যগুণ নষ্ট হয়। তাই তাজা খাওয়াই ভালো। রোদে ফেলে রাখলে খাদ্যগুণ ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত নষ্ট হতে পারে।
* তামার পাত্রে রান্না করলে ভিটামিন সি একেবারেই থাকে না।
* তেলে ভেজে খাওয়ার চেয়ে রান্না করে খাওয়াই ভালো। তবে একেবারে সেদ্ধ সবজি খাওয়া ভালো নয়। কিছু ভিটামিন আবার তেলে দ্রবণীয়। তাই খানিকটা তেল দিয়ে রান্না করা উচিত।

- সংগৃহীত..

ফুলকপি ব্রাসিকেসি পরিবারভুক্ত ব্রাসিকা অলেরাসিয়া (Brassica oleracea) প্রজাতির সবজিগুলোর একটি। এটি একটি বার্ষিক ফসল যা ব...
22/12/2021

ফুলকপি ব্রাসিকেসি পরিবারভুক্ত ব্রাসিকা অলেরাসিয়া (Brassica oleracea) প্রজাতির সবজিগুলোর একটি। এটি একটি বার্ষিক ফসল যা বীজের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে। সাধারণতঃ ফুলকপির পুষ্পাক্ষ অর্থাৎ সাদা অংশটুকুই খাওয়া হয় আর সাদা অংশের চারপাশে ঘিরে থাকা ডাঁট এবং পুরু, সবুজ পাতা দিয়ে স্যুপ রান্না করা হয় অথবা ফেলে দেওয়া হয়। ফুলকপি খুবই পুষ্টিকর একটি সবজি; এটি রান্না বা কাঁচা যে কোন প্রকারে খাওয়া যায়, আবার এটি দিয়ে আচারও তৈরি করা যায়।

ফুলকপিতে রয়েছে ভিটামিন ‘বি’, ‘সি’, ‘কে’, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও জিংক। একটি মাঝারি আকারের ফুলকপিতে রয়েছে শক্তি-২৫ কিলোক্যালরি, কার্বোহাইড্রেট-৪.৯৭ গ্রাম , প্রোটিন-১.৯২ গ্রাম , ফ্যাট-০.২৮ , আঁশ-২ গ্রাম, ফোলেট-০.৫৭ মাইক্রোগ্রাম, নিয়াসিন-০.৫০ মাইক্রোগ্রাম, থায়ামিন-০.০৫ , প্যানটোথানিক এসিড-০.৬৬৭ মাইকোগ্রাম..

12/12/2021

প্রকৃতির কাছাকাছি থাকুন, সুস্থ থাকুন। আয়ুর্মেডিক এর পেজ'এ চোখ রাখুন..

08/12/2021

ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের উপকারীতা :

স্মৃতিভ্রম: আরকাইভস্ অব নিউরোলজিতে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট-এ দেখা যায় যাদের শরীরে উচ্চ মাত্রায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড আছে তাদের স্মৃতিভ্রম হওয়ার সম্ভাবনা যাদের শরীরে নিম্ন মাত্রার ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড আছে তাদের চাইতে শতকরা ৪৭ ভাগ কম।

প্রোস্টেট/কোলোরেকটাল ক্যান্সার: সুইডেনের ক্যারোলিনা ইন্সটিটিউট অব স্টকহোম কর্তৃক প্রকাশিত জার্নাল থেকে জানা যায় সপ্তাহে ১-২গ্রাম ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড খেলে প্রোস্টেট ক্যান্সার এর সম্ভাবনা শতকরা ৪৩ ভাগ কমে যায়। আমেরিকান জার্নাল অব ইপিডেমিওলোজি থেকে জানা যায় যারা নিয়মিত ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সেবন করে তাদের কোলোরেকটাল ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অন্য যারা সেবন করে না তাদের চাইতে শতকরা ৪১ ভাগ কম। এই গবেষণাটি ১৪৫৫ জনের উপর পরিচালিত এবং সেবন মাত্রা ছিল সপ্তাহে ৩-৫ গ্রাম।
.সমাপ্ত।

05/12/2021

ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের আরও কিছু উপকারী ভুমিকা :

চোখে ছানি পড়া: আরকাইভস অব অফথেলমোলজিতে প্রকাশিত নিবন্ধ থেকে জানা যায়, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড বয়সের কারণে বা নির্দিষ্ট বয়সের আগেই চোখে ছানি পড়ার হার কমিয়ে দেয়। উল্লেখ্য ৫০ বছরের অধিক বয়সী মানুষের অন্ধত্বের প্রধান কারণ চোখে ছানি পড়া এবং বিশ্বের প্রায় ৩০ মিলিয়ন লোক এ সমস্যায় আক্রান্ত। আরকাইভস-টি থেকে আরও জানা যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড খেলে বয়সজনিত ছানি পড়া শতকরা ৭৫ ভাগ কমে যায়।

মনোযোগহীনতা: ১০০ বালকের উপর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা যায় যাদের শরীরে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড এর পরিমাণ কম তাদের পড়াশোনায়ও মনোযোগ কম, এরা খুব সহজেই ভুলে যায়। অন্যদিকে যাদের শরীরে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড এর পরিমাণ বেশি তাদের কাজ/পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ বেশ তীক্ষ্ণ এবং তাদের স্মরণশক্তিও বেশি।

রোদের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে ত্বক রক্ষা: জার্নাল অব ইনভেস্টিগেশন ডার্মাটোলজি থেকে জানা যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ইপিডার্মাল ও ডার্মাল স্কিন সেলকে সূর্যের ক্ষতিকারক অতি বেগুনী রশ্মি থেকে রক্ষা করে।

মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিঃ আমাদের মস্তিষ্কের শতকরা ৬০ ভাগ ফ্যাটি বস্তু । মস্তিষ্কের কোষের কাজের এর জন্য ইপিএ (ইকোছাপেনটানোইক এসিড) বিশেষভাবে প্রয়োজন। তাই ওমেগা-৩ মস্তিষ্কের কার্য্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
..চলবে...

04/12/2021

ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের আরও কিছু উপকারী ভুমিকা :

স্তন ক্যান্সার: ৩৫,০০০ মধ্যবয়সী নারীর উপর পরিচালিত গবেষণার ফলাফলে দেখা যায় যারা নিয়মিত ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড গ্রহণ করেন তাদের স্তন ক্যান্সারের হার শতকরা ৩২ ভাগ কমে যায়।

ডিপ ভেইন থ্রোম্বোসিস: ১৫,০০০ রোগীর উপর ১২ বছর ধরে পরিচালিত গবেষণায় দেখা যায় যারা সপ্তাহে অন্তত ১ গ্রাম ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড খান তাদের ডিপ ভেইন থ্রোম্বোসিসের ঝুঁকি শতকরা ৩০-৪৫ ভাগ কমে যায়।

হার্ট এ্যাটাক: জাপানে ৮০-৬০ বছরের ৪১ হাজার ৪৭৮ জন পুরুষের উপর ১৯৯০ থেকে ২০০১ পর্যন্ত পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা যায় যারা সপ্তাহে অন্তত ১ গ্রাম ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড খান তাদের হার্ট এ্যাটাক এর হার শতকরা ৫৬ ভাগ কমে যায়। তবে ডোজ বাড়িয়ে দৈনিক ২ গ্রাম করলে হার্ট এ্যাটাক এর হার শতকরা ৬৫ ভাগ কমে যায়।

স্ট্রোক: যারা নিয়মিত সপ্তাহে ৫ গ্রাম ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড খায় তাদের ইসকেমিক স্ট্রোক এর ঝুঁকি শতকরা ৩১ ভাগ কমে যায়।
..চলবে...

01/12/2021

পূর্ববর্তী পোস্টে আমরা ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সম্পর্কে জেনেছি। এবার দেখা যাক শরীরে ওমেগা-৩ এর কী কী উপকারিতা আছে।

হাইপারট্রাইগ্লাইসেরাইডেমিয়া: ৮৪ জন হাইপারট্রাইগ্লাইসেরাইডেমিয়ার (উচ্চমাত্রার টিজি) রোগীর উপর ১৬ সপ্তাহ ধরে পরিচালিত এক গবেষণার ফলাফলে দেখা যায় রোজ ৪ গ্রাম করে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সেবনকারীদের ট্রাইগ্লাইসেরাইড বেসলাইন থেকে শতকরা ৪৪.৯ ভাগ কমে গিয়েছিল। এই রোগীদের সকলেরই এইচডিএল (ভালো কোলস্টেরল) )-এর পরিমাণ প্রায় ৯% বেড়েছিলো। ২৫৪ জন রোগীর উপর পরিচালিত আরেক গবেষণায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড এর সঙ্গে স্ট্যাটিন গ্রপ-এর ড্রাগ এবং শুধু স্ট্যাটিন গ্রপ-এর ড্রাগের ব্যবহার করা হয়েছিল। ৮ সপ্তাহ পরে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড-এর সাথে স্ট্যাটিন গ্রপ-এর ড্রাগ ব্যবহারকারীদের ট্রাইগ্লাইসেরাইড শতকরা ৪৩.৬ ভাগ কমে গিয়েছিল।

অস্বাভাবিক হৃদকম্পন: করোনারী আর্টারি বাইপাস সার্জারির কিছু রোগীর উপর পরিচালিত গবেষণায় দেখা যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড দৈনিক ২ গ্রাম ডোজ-এ শতকরা ৫৪ ভাগ রোগীর অস্বাভাবিক হৃদকম্পন কমিয়ে দিয়েছিলো ।

করোনারি আর্টারি ডিজিজ: এক স্টাডির ফলাফলে দেখা যায় দৈনিক ১ গ্রাম করে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড খেলে হঠাৎ করে হৃদরোগে মৃত্যু ঝুঁকি শতকরা ৫৪ ভাগ হ্রাস পায়।
..চলবে...

28/11/2021

ফ্যাটি এসিডগুলোর মধ্যে আমাদের শরীরের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড।
একটি গবেষণায় দেখা যায় অষ্টাদশ শতাব্দীর চেয়ে একবিংশ শতাব্দীতে খাদ্যে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড গ্রহণ প্রায় ছয় ভাগের ১ ভাগে নেমে এসেছে, অন্য আরেকটি গবেষণায় দেখা যায়, বর্তমানে আমরা আমাদের প্রয়োজনের এক দশমাংশ ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড খাচ্ছি এবং শতকরা ২০ ভাগ লোকের ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড গ্রহণমাত্রা আশঙ্কাজনক ভাবে কম।
ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় এমন খাবারের মধ্যে আছে বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ (স্যামন, হ্যালিবাট, টুনা, সারডিন্যাস, ম্যাকেরেল, হেরিং), ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ ডিম ও বিভিন্ন প্রকার শাক সবজি। ইলিশ, রুপচাঁদা ও পাঙ্গাশ মাছে খুব অল্প পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড পাওয়ার প্রমাণ মেলে। ওমেগা-৬ সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে আছে তিল, তিশি, বাদাম, মিষ্টিকুমরা, দুগ্ধজাত পণ্য, শস্য জাতীয় খাদ্য, সূর্য্যমুখীর তেল প্রভৃতি। আমাদের খাদ্য তালিকায় যে পরিমাণ এবং যে প্রজাতির মাছ থাকে তা থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড পাবার আশা করা যায় না।
এক্ষেত্রে খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন আনা খুবই জরুরি।
চলবে...

মুলা। শীতকালীন সবজির মধ্যে একটি। যদিও এখন সারাবছরই কম-বেশি এই সবজি পাওয়া যায়। তবে সাধারণ সবজি মনে করে এটিকে অনেকেই পছন্দ...
24/11/2021

মুলা। শীতকালীন সবজির মধ্যে একটি। যদিও এখন সারাবছরই কম-বেশি এই সবজি পাওয়া যায়। তবে সাধারণ সবজি মনে করে এটিকে অনেকেই পছন্দ করেন না। আবার অনেকে এতটাই পছন্দ করেন। কেউ কেউ সালাদেও কাঁচা মুলা ব্যবহার করেন।
বছরের অন্য সময়ের থেকে শীতকালে অনেক বেশি রকমের ফল ও সবজি পাওয়া যায়। সেরকমই একটা সবজি হলো মুলা। বছরের অন্য সময় এটি পাওয়া গেলেও শীতকালেই এই সবজি বেশি পরিমাণে খাওয়া হয়।
এবার আমরা জানবো মুলার উপকারিতা সম্পর্কে-

* বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা মেটাতে শীতের এই সবজির জুড়ি মেলা ভার। মুলা রক্ত পরিশোধন করে। শরীর থেকে বিষাক্ত বর্জ্য বের করতে সহায়তা করে। এটি জন্ডিসের চিকিৎসায় ভীষণ কার্যকরী। কারণ এটি রক্তে বিলিরুবিন নিয়ন্ত্রণ করে এবং শরীরে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়।
* মুলার পাতা অনেকেই ফেলে দেন। কিন্তু এই পাতাও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। মুলার পাতায় ভিটামিন এ, বি, সি-র পাশাপাশি ক্লোরিন, ফসফরাস, সোডিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি বর্তমান। এগুলো পেটের জন্য ভালো। পাশাপাশি মূত্র রোগ সারিয়ে তুলতেও অত্যন্ত কার্যকরি।
* এই সবজি খেলে ওজন খুব একটা বাড়ার সম্ভাবনা নেই। তাই ওজন কমাতে চাইলে মুলা খাওয়া শুরু করতে পারেন। শীতে হজম প্রক্রিয়া বাড়ায় মুলা। এতে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে ফাইবার, যা কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে। মুলার রসে লেবু ও লবণ মিশিয়ে খেলে ওজন কমানো যেতে পারে। মুলা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে। যার ফলে সময়-অসময়ে খাওয়ার ইচ্ছে জাগে না। তাই ওজন কমাতে চাইলে মুলা খাওয়া শুরু করতে পারেন।
* কিডনি ভালো রাখতে সাহায্য করে মুলা। কারণ, এই সবজি মূত্রবর্ধক প্রাকৃতিক উপাদানে সমৃদ্ধ। এছাড়া এটি রক্তে বিষাক্ত পদার্থের পরিমাণ কমিয়ে দেয়।
* হার্ট বা হৃদয়কে সুস্থ রাখে মুলা। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পটাসিয়াম রয়েছে, যা আমাদের দেহে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। যাদের উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যা আছে তাদের জন্যও মুলা খুব উপকারী। অ্যান্টি-হাইপারটেনসিভ বৈশিষ্ট্যযুক্ত মুলা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
* এই সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার চিকিৎসায় কার্যকরী মুলা। বিশেষ করে কোলন, কিডনি, ক্ষুদ্রান্ত্র, পেট এবং মুখের ক্যান্সারে খুবই কাজ দেয়।
* জন্ডিস রোগীদের জন্য প্যানিসিয়া হিসাবে কাজ করে। এতে উপস্থিত উপাদানগুলো ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণেও কাজ করে।
* মুলার পাতা ভাজা বা মুলা ভাজা খেলে সর্দি লাগে না। মুলা ও এর পাতা চিবিয়ে খেলে দাঁত ও মাড়ির সমস্যা দূর হয়। এর পাতায় উপস্থিত অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল গুণ ফোলাভাব ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। পাইলসের রোগীরা মুলা বা এর পাতার তরকারি খেলে স্বস্তি পেতে পারেন।
* মুলা খেলে শরীরে ইউরিন প্রডাকশন বেড়ে যায়। এছাড়াও ইউরিনারী ট্র্যাকে জ্বালা যন্ত্রণা কমাতেও সাহায্য করে। একই সঙ্গে কিডনি আর ইউরিনারী সিস্টেম পরিষ্কার রাখে। নিয়মিত মূলো খেলে লিভার, গলব্লাডার ইনফেকশন আর আলসারের হাত থেকে বাঁচা যায়।

হালকা গরম পানির সাথে মধু মিশিয়ে পান করুন, শীতে সুস্থতায় মধু অতুলনীয়। এর সাথে আদা, কাঁচা হলুদ, গোলমরিচ, রসুন, তুলসি ইত্যা...
21/11/2021

হালকা গরম পানির সাথে মধু মিশিয়ে পান করুন, শীতে সুস্থতায় মধু অতুলনীয়। এর সাথে আদা, কাঁচা হলুদ, গোলমরিচ, রসুন, তুলসি ইত্যাদি স্বাস্থ সম্মত পরিমানে গ্রহন করা যেতে পারে..

Address

Dhaka
1211

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801755528611

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ayurmedic posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ayurmedic:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram