Sarf Pharmaceuticals Ltd.

Sarf Pharmaceuticals Ltd. Sarf Pharmaceuticals (Unani) Bangladesh Ltd.

19/12/2021
17/09/2021

রোগ সারাতে পারছে না অনেক অ্যান্টিবায়োটিক

লিভার বা যকৃৎ, শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সলিড অর্গান। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরে লিভারের ওজন হয়ে থাকে ১ থেকে ১.৫০ ...
25/07/2021

লিভার বা যকৃৎ, শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সলিড অর্গান। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরে লিভারের ওজন হয়ে থাকে ১ থেকে ১.৫০ কেজি। আমরা যা কিছু খাই, সেই খাবারগুলো পরিপাকতন্ত্রে প্রাথমিক হজমের জন্য পিত্তরস অপরিহার্য। এই পিত্তরস শুধু লিভার কোষ তৈরি করে। লিভার প্রক্রিয়াজাত খাদ্য উপাদানগুলোকে শরীরের জন্য ব্যবহার উপযোগী করে নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে সরবরাহ করে। রক্তের সঞ্চালন এবং জমাট বাঁধার ক্ষমতা একমাত্র লিভারের কার্যক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল। আপদকালীন ব্যবহারের জন্য ভিটামিন এ, ডি, ই-কে লিভারে জমা থাকে। মোট কথা, লিভার এতসব কাজ করে থাকে যা বর্ণনা দিয়ে শেষ করা যায় না এবং এমন সব কাজ করে যা আমরা জানি না।
সুস্থ থাকতে লিভারের অবশ্যই খেয়াল রাখতেই হবে। ওজন বেড়ে যাওয়া, হার্টেররোগ, ক্লান্তি অনুভব করা, হজমের সমস্যা, এলার্জি-সহ বিভিন্ন অসুখ দেখা দিতে পারে অসুস্থ লিভারের কারণে।
উল্লেখযোগ্য, লিভারের অসুখের লক্ষণাদি সহসাই প্রকাশ পায় না, কারণ লিভারের ১১ ভাগের একভাগ অংশ যদি কারও ভালো থাকে, তবে লিভারের অসুখ প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা কম। লিভারের অসুখ-বিসুখের মধ্যে প্রধানতম রোগ হলো—ভাইরাল হেপাটাইটিস যা সাধারণের মাঝে জন্ডিস নামে অধিক পরিচিত। এই ভাইরাস পরিবারকে নামকরণ করা হয়েছে— হেপাটাইটিস এ, বি, সি, ডি এবং ই। দূষিত পানি কিংবা খাদ্যবস্তু গ্রহণের ২ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে হেপাটাইটিস এ এবং ই দ্বারা আক্রান্ত হলে লক্ষণ দেখা যায়। অপরদিকে হেপাটাইটিস বি এবং সি রোগের লক্ষণ দূষিত রক্ত কিংবা সিরিঞ্জের মাধ্যমে রোগ সংক্রমিত হওয়ার ৪ থেকে ৬ মাসের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। রোগের লক্ষণ দিয়ে বোঝার উপায় নেই কোনো ভাইরাস দ্বারা জন্ডিস হয়েছে। জন্ডিসের অন্যতম লক্ষণ হলো—হঠাত্ করে বমিভাব, কিংবা তীব্র বমি হওয়া। খাদ্য গ্রহণে অরুচি, অনীহা কিংবা তীব্র দুর্বলতা, কখনও কখনও জ্বর জ্বর ভাব বা জ্বরের মাধ্যমেও রোগের সূত্রপাত হতে পারে।
লিভারের ওজনের পাঁচ থেকে দশ ভাগের বেশি চর্বি দিয়ে পূরণ হলে যে রোগটি হয় তাকে ফ্যাটি লিভার বলে। পশ্চিমা বিশ্বে সাধারণত মদ্যপানের কারণে ফ্যাটি লিভার হয়ে থাকে। তবে বহুমূত্র, শর্করা জাতীয় খাদ্যের আধিক্য,রক্তে চর্বির আধিক্য, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা ইত্যাদি কারণে ফ্যাটি লিভার হয়। লিভারে জমা চর্বি অনেক সময় স্থানীয় প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং এ প্রদাহ থেকে কিছুসংখ্যক রোগীর লিভার সিরোসিস, এমনকী কোনো কোনো ক্ষেত্রে লিভার ক্যান্সারও হতে পারে। প্রাথমিক অবস্থায় এই রোগের কোনো উপসর্গ থাকে না, অন্য রোগের পরীক্ষা করার সময় সাধারণত রোগটি ধরা পড়ে। কখনো কখনো পেটের উপরিভাগের ডানদিকে ব্যথা,অবসন্নতা, ক্ষুধামান্দ্য ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
ফ্যাটি লিভারের সমস্যা এড়াতে অতিরিক্ত মদ্যপান, তেল-মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত্ ঠিকই, তবে লো ফ্যাট ফুড হইতে সাবধান। সুপারমার্কেটে গিয়ে লো ফ্যাট বা ৯৯ শতাংশ লোয়ার ইন ফ্যাট লেখা ফুড কেনা অবিলম্বে ত্যাগ করুন। এই সব খাবার থেকে ফ্যাট বাদ দেওয়া হয় ঠিকই, কিন্তু স্বাদ ধরে রাখতে যোগ করা হয় প্রচুর পরিমাণ চিনি। এতে লিভারের সমস্যা আরও বেড়ে যায়।
লিভার সুস্থ রাখতে স্ট্রেসের সময় খাবার ছোঁবেন না। এই সময় হজম ঠিক মতো হয় না। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও বেশ কিছু গাছের মূল রয়েছে যা লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ড্যানডেলিওন, মিল্ক থিসল বা হলুদের মূল লিভারের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে।
প্রোটিন বা ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার সময় সতর্ক থাকুন। এমন সাপ্লিমেন্ট বাছুন যা লিভার ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি লিভার পরিষ্কার রাখে। প্রোটিনের মধ্যে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিডও লিভার পরিষ্কার রাখার জন্য ভাল। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। বেশি কিছু ওষুধ লিভারের ক্ষতি করে। এ সব ওষুধ থেকে দূরে থাকুন। কিছু পেনকিলার, যেমন টাইলেনল বা কোলেস্টেরলের ওষুধ লিভারের প্রভূত ক্ষতি করে।
গবেষণা জানাচ্ছে, নিয়মিত কফি খেলে লিভারের অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অন্তত ১৪ শতাংশ কমে যায়। ত্বকে বিষক্রিয়া লিভারের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে। ত্বকের মাধ্যমে বিষ রক্তে শোষিত হয়। তাই স্প্রে, টক্সিন থেকে দূরে থাকুন।
• আমাদের দেশে যেসব লিভার রোগ হয় তার বেশিরভাগই প্রতিরোধযোগ্য, যেমন—হেপাটাইটিস এ এবং ই। যেখানে-সেখানে খোলা খাবার গ্রহণের অভ্যাস ত্যাগ করলেই এই দুটি রোগ হবে না।
• হেপাটাইটিস এ রোগের টিকা এখন পাওয়া যায়। তাই শিশুদের হেপাটাইটিস এ টিকা দিতে ভুলবেন না।
• প্রাণঘাতী রোগ হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের টিকা সর্বত্র পাওয়া যায়। তাই সব বয়সের মানুষের এ টিকা অবশ্যই নেয়া উচিত। পরিবারের কোনো সদস্যের হেপাটাইটিস বি হলে অন্য সবাইকে প্রতিষেধক টিকা নেয়া জরুরি।
• হেপাটাইটিস সি-এর প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কার হয়নি। তাই সাবধানতাই বর্তমানে এ রোগ থেকে বাঁচার উপায়।
• রক্ত গ্রহণের আগে পরীক্ষা করে নিতে হবে হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি মুক্ত কিনা।
• ইনজেকশন নেয়ার সময় দূষিত সুঁই ব্যবহার করবেন না।
লিভারের রোগ নির্ণয়, চিকিত্সার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং অভিজ্ঞ চিকিত্সক সবই আছেন। এজন্য অযথা হয়রানি না হয়ে লিভারের যেকোন জটিল অবস্থায় ইউনানী চিকিৎসা কার্যকর ভুমিকা পালন করে।

স্কয়ার ফার্মার একটি ইঞ্জেকশন সেফট্রন ১ গ্রাম-এর দাম ১৯০ টাকা। একই ইঞ্জেকশন হেলথ কেয়ার ফার্মার অরিসেফ ১ গ্রাম-এর দাম ৩২...
13/07/2021

স্কয়ার ফার্মার একটি ইঞ্জেকশন সেফট্রন ১ গ্রাম-এর দাম ১৯০ টাকা। একই ইঞ্জেকশন হেলথ কেয়ার ফার্মার অরিসেফ ১ গ্রাম-এর দাম ৩২০ টাকা। ঠিক একই ইঞ্জেকশন রেডিয়ান্ট ফার্মার রফেসিন ১ গ্রাম-এর দাম ৪১৫ টাকা।
হয় স্কয়ার ফার্মা নিম্মমানের কাঁচামাল দিয়ে ইঞ্জেকশন বানাচ্ছে অথবা রেডিয়ান্ট ফার্মা বেশি লাভে মার্কেটে মাল ছাড়ছে...! রেডিয়ান্ট কোম্পানির বক্তব্য- আমরা মাল্টিন্যশনাল কোম্পানি, কিন্তু ওষুধ বানায় গাজীপুরে।
নিউরো বি স্কয়ার বিক্রি করছে প্রতি ট্যাবলেট ৮ টাকা করে; সেই ওষুধ জিস্কা ফার্মা নিউবিন বিক্রি করছে ৫ টাকায়।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে- ১ গ্রাম সেফট্রন ভালো মানের কাঁচামাল দিয়ে প্রস্তুত করতে খরচ পড়ে ২০ থেকে ৩০ টাকা আর সেই ইঞ্জেকশন ভোক্তার হাতে যেতে দাম পড়ে ১৯০ থেকে ৪১৫ টাকা।
একটা এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ মিলিগ্রাম ট্যাব প্রস্তুত করে ফ্যাক্টরি থেকে বের হলে দাম পড়ে মাত্র ৩ টাকা। সেই এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ মিগ্রা-কে ভোক্তার কিনতে হয় ৩৫ টাকা/৫৫ টাকায়।
একেক কোম্পানি একেক ধরনের টেকনোলজি ব্যবহার করে এবং একেক কোম্পানি একেক সোর্স থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করে। বাস্তবে তারা সঠিক কাঁচামাল দিয়ে বানাচ্ছে তো?
বাজারে যেসব ওষুধ আছে, সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব টেস্ট করা হোক। তারা ১ গ্রাম ইঞ্জেকশন-এর স্থানে ৮৯০ মিলিগ্রাম দেয়নি তো? .
©শাহীদুল হক চৌধুরী

তুলসী (ইংরেজি: holy basil, বা tulasī) (বৈজ্ঞানিক নাম: Ocimum Sanctum) একটি ঔষধিগাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই। তুলসী গাছ ...
12/07/2021

তুলসী (ইংরেজি: holy basil, বা tulasī) (বৈজ্ঞানিক নাম: Ocimum Sanctum) একটি ঔষধিগাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই। তুলসী গাছ লামিয়াসি পরিবারের অন্তর্গত একটি সুগন্ধী উদ্ভিদ।
তুলসী একটি ঘন শাখা প্রশাখা বিমিষ্ট ২/৩ ফুট উঁচু একটি চিরহরিৎ গুল্ম। এর মূল কাণ্ড কাষ্ঠল, পাতা ২-৪ ইঞ্চি লম্বা হয়। পাতার কিনারা খাঁজকাটা, শাখাপ্রশাখার অগ্রভাগ হতে ৫ টি পুষ্পদণ্ড বের হয় ও প্রতিটি পুষ্পদণ্ডের চারদিকে ছাতার আকৃতির মত ১০-২০ টি স্তরে ফুল থাকে। প্রতিটি স্তরে ৬টি করে ছোট ফুল ফোটে। এর পাতা, ফুল ও ফলের একটি ঝাঁঝাল গন্ধ আছে। বাতাসে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ করে ৷
বাংলাদেশ ও ভারতের প্রায় সর্বত্র দেখা যায়। ভারতে বাণিজ্যক ভাবে চাষ হয়। জুলাই আগষ্ট বা নভেম্বর ডিসেম্বর এতে মঞ্জরী দেখা দেয়।
তুলসী গাছের নানা ঔষধি ব্যবহার রয়েছে। সর্দ্দি, কাশি, ঠাণ্ড লাগা ইত্যাদি নানা সমস্যায় তুলসী ব্যবহার করা হয়। এ গাছের রস কৃমি ও বায়ুনাশক। ঔষধ হিসাবে এই গাছের ব্যবহার্য অংশ হলো এর রস, পাতা এবং বীজ। বাংলাদেশে যে চার প্রকার তুলসী গাছ দেখা যায় সেগুলি হলো: বাবুই তুলসী, রামতুলসী, কৃষ্ণ-তুলসী, ও শ্বেত তুলসী।, ঔষধের কাজে একটির পরিবর্তে আরেকটি ব্যবহার করা যায়।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন। আপনার সচেতনতাই সুরক্ষা দিবে প্রিয়জনদের। সচেতন থাকুন, সবাইকে সচেতন করুন।
27/06/2021

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন। আপনার সচেতনতাই সুরক্ষা দিবে প্রিয়জনদের। সচেতন থাকুন, সবাইকে সচেতন করুন।

Address

379 East Rampura
Dhaka
1219

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Friday 15:00 - 18:00

Telephone

+8801817590724

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sarf Pharmaceuticals Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Sarf Pharmaceuticals Ltd.:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram