22/11/2025
পাঁচ বছর ধরে যাকে আমি নিজের মনে জায়গা দিয়ে রাখছি। যাকে আমি পাঁচ বছর ধরে ভালোবাসে গেছিলাম।আজ তার পাশে অন্য এক নারীকে দেখে আমি থমকে দাঁড়ায়। হ্যাঁ সে আর কেউনা আমার বড় ভাইয়ার বন্ধু নাফরাজ চৌধুরী। তাকে আমি মনে প্রাণে ভীষণ ভাবে ভালোবাসি। আপনারা বুঝতেছেন নাতো। তাহলে চলুন পরিচয়টা দেয়।
( আমি প্রিয়া রহমান। এইবার ভার্সিটিতে ভর্তি হলাম। বয়স ১৯ রানিং, দেখতে লাম্বা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি, ব্রাউন চোখ, কোমড় সমান লাম্বা সিল্কি চুল, হাসলে গালে ট্রোল পড়ে। ফর্সা ওও না শ্যমলা ও না হালকা বাদামি গায়ে রং।
বাবা আজিম রহমান বিখ্যাত ব্যবসায়িক মধ্যে একজন। মা আতিয়া খান তিনি গৃহিনি। আর আমি তাদের একমাত্র মেয়ে। আমার দুই ভাই আছে। বড় ভাইয়া পিয়াল রহমান বয়স ২৯, পড়াশোনা শেষ করে এখন চট্টগ্রাম ভার্সিটির টিচার, দেখতে ভীষণ কিউট প্রথম দেখাতে যে কেউ প্রেমে পড়ে যাবে। ছোট ভাইয়া নিহাল রহমান, বয়স ২৪ এইবার অনাস শেষ করবে।সেও দেখতে কিউট আর একটু দুষ্টু। আমি তাদের চোখের মণি।)
বড় ভাইয়ার বন্ধু যাকে আমি ভীষণ ভালোবাসি।
( নাফরাজ চৌধুরী, বয়স ২৯, সেও পড়াশোনা শেষ করে ভাইয়া সাথে ভার্সিটির টিচার হিসাবে আছে। তার বাবা নাফিজ চৌধুরী তিনিও একজন বিখ্যাত ব্যবসায়িক। তারচেয়ে বড় কথা আজিম রহমান আর নাফিজ চৌধুরী তারা একে ওপরের বন্ধু। মা তাহিয়া চৌধুরী। তারা দুই ছেলে এক মেয়ে। নাফরাজ চৌধুরী _ নাফির চৌধুরী _ নাজ চৌধুরী। নাজ সবার আদরের একমাত্র মেয়ে। আর নাজ আমার বেষ্টফ্রেন্ড।)
এইবার ফেরা যাক গল্পে। নিজের প্রিয় মানুষকে অন্য নারীর পাশে দেখে। আমার যেন দুনিয়ায় থমকে গেল। তাও আবার সে নারীর হাত ধরে বসে কী নিয়ে যেন কথা বলছে আর হাসাহাসি করছে। আর নাফরাজ ভাইয়া সে মেয়ের দিকে মুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে আছে।
এইসব দেখে আমার যেন বুকটা ফেটে যাচ্ছে। চোখের জল টলমল করতেছে। যাকে এত বছর ধরে ভালোবাসে গেলাম। সে মানুষটার পাশে অন্য নারীকে আমার কোনে রকমে সহ্য হচ্ছে না।
তাহলে নাফরাজ ভাইয়া প্রিয় নারী আছে। তার জন্য তিনি আমার সাথে কথা বলেন না। আমাকে অপমান করেন। তার জন্য আমার ভালেবাসা গ্রহন করেছিলেননা।
আমি আর আমার দুই বেস্টু মিলে আসছিলাম একটা পার্কে ঘুরতে। এসে দেখি এইসব, আমি আর এক মিনিটও ওই কানে দাড়ালাম না। দৌড়তে শুরু করলাম কোনো দিক না দেখে। আমাকে কে দৌড়তে দেখে নাজ আর মিথা আমার নাম ধরে ডাকতে থাকে।
তোমাতে_হারিয়ে_যায়
লেখিকা: প্রিয়া রহমান
পব: ১