Prof. Dr. Haradhan Deb Nath

Prof. Dr. Haradhan Deb Nath MBBS, MS (Neuro Surgery) Stroke Specialist, Neuro & Spinal Surgeon.
(2)

ব্রেন টিউমার হল মস্তিষ্ক বা মস্তিষ্কের আশেপাশের কোষের একটি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি।এটি দুই ধরণের হতে পারে:1. বিনাইন (সৌম্য) টি...
03/02/2026

ব্রেন টিউমার হল মস্তিষ্ক বা মস্তিষ্কের আশেপাশের কোষের একটি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি।

এটি দুই ধরণের হতে পারে:
1. বিনাইন (সৌম্য) টিউমার: সাধারণত ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং অনেক সময় চিকিৎসার মাধ্যমে পুরোপুরি সরানো যায়।
2. ম্যালিগন্যান্ট (ক্যান্সারাস) টিউমার: দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং আশেপাশের টিস্যুকে আক্রমণ করে।

কারণ (Causes):
1. জেনেটিক মিউটেশন।
2. অতিরিক্ত রেডিয়েশন এক্সপোজার।
3. পরিবেশগত বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শ।
4. পরিবারে ব্রেইন টিউমারের ইতিহাস।

লক্ষণ (Symptoms):
1. তীব্র মাথাব্যথা (Severe headache)।
2. দৃষ্টিশক্তি বা শোনার সমস্যা (Vision or hearing issues)।
3. ভারসাম্য হারানো (Loss of balance)।
4. মানসিক পরিবর্তন (Cognitive changes)।
5. খিঁচুনি (Seizures)।
6. বমি বা বমি বমি ভাব (Nausea or vomiting)।

চিকিৎসা (Treatment):
1. সার্জারি (Surgery): টিউমার অপসারণ করা।
2. রেডিওথেরাপি (Radiotherapy): ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা।
3. কেমোথেরাপি (Chemotherapy): ওষুধের মাধ্যমে কোষ ধ্বংস।
4. ইমিউনোথেরাপি (Immunotherapy): শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা।
5. সাপোর্টিভ থেরাপি (Supportive therapy): লক্ষণগুলোর নিয়ন্ত্রণ।

স্ট্রোক একটি বিপজ্জনক স্বাস্থ্যঝুঁকি, যা দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে জীবনহানির কারণ হতে পারে। এটি মূলত মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ ব...
28/01/2026

স্ট্রোক একটি বিপজ্জনক স্বাস্থ্যঝুঁকি, যা দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে জীবনহানির কারণ হতে পারে। এটি মূলত মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বন্ধ হওয়া বা রক্তক্ষরণের কারণে ঘটে। স্ট্রোকের লক্ষণ দ্রুত চিহ্নিত করে সঠিক ব্যবস্থা নিলে অনেক মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব।

স্ট্রোকের প্রধান লক্ষণসমূহ:
1. মুখ বা শরীরের একপাশ দুর্বল বা অবশ হয়ে যাওয়া।
2. কথা বলার অসুবিধা বা কথা জড়িয়ে যাওয়া।
3. দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া বা কিছু না দেখতে পারা।
4. হঠাৎ ভারসাম্যহীনতা, হাঁটতে অসুবিধা।
5. মাথায় তীব্র ব্যথা বা মাথা ঘোরা।

যা করবেন:
• সময় নষ্ট করবেন না: লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যান।
• জরুরি সেবা নিন: নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
• সচেতন থাকুন: স্ট্রোক প্রতিরোধে স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অনুসরণ করুন।

আপনার পদক্ষেপই জীবন বাঁচাতে পারে! স্ট্রোক সম্পর্কে জানুন, সতর্ক থাকুন।

#স্ট্রোক #জরুরি_চিকিৎসা #সচেতনতা


#অধ্যাপক_ডা_হারাধন_দেব_নাথ

26/01/2026

পিটুইটারি গ্ল্যান্ড আমাদের ব্রেনের সামনের দিকে নাকের ৩-৪ ইঞ্চি ভেতরে এবং ব্রেনের তলার দিকে থাকে।
পিটুইটারি গ্ল্যান্ডকে মাস্টার গ্ল্যান্ড বলা হয়ে থাকে। যত ব্রেন টিউমার আছে, তার শতকরা ৫-১০ ভাগ হলো পিটুইটারি টিউমার। পিটুইটারি গ্ল্যান্ডের হরমোন শরীরের বেশিরভাগ শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
পিটুইটারি টিউমার নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরো সার্জারি বিভাগের সম্মানিত অধ্যাপক ড.হারাধন দেব নাথের একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।
#পিটুইটারি_টিউমার


#অধ্যাপক_ডা_হারাধন_দেব_নাথ

মা সরস্বতীর আশীর্বাদে আপনার জীবন সুখ,সমৃদ্ধি এবং শান্তিতে ভরে যাক।সবাইকে সরস্বতী পুজো এবং বসন্ত পঞ্চমীরঅনেক শুভেচ্ছা।
23/01/2026

মা সরস্বতীর আশীর্বাদে আপনার জীবন সুখ,
সমৃদ্ধি এবং শান্তিতে ভরে যাক।
সবাইকে সরস্বতী পুজো এবং বসন্ত পঞ্চমীর
অনেক শুভেচ্ছা।

হাইড্রোসেফালাস হলো একটি স্নায়ুজনিত অবস্থা, যেখানে মস্তিষ্কে অতিরিক্ত সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড (CSF) জমে যায়। এই তরল স্বা...
22/01/2026

হাইড্রোসেফালাস হলো একটি স্নায়ুজনিত অবস্থা, যেখানে মস্তিষ্কে অতিরিক্ত সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড (CSF) জমে যায়। এই তরল স্বাভাবিকভাবে মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের চারপাশে ঘোরাফেরা করে, তবে যদি তা সঠিকভাবে নিষ্কাশন না হয়, তবে চাপ সৃষ্টি করে যা মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে। যখন এই অবস্থা জন্মের সময় থেকেই থাকে, তখন একে জন্মগত (Congenital) হাইড্রোসেফালাস বলা হয়।

🧬 কারণসমূহ (Causes)
জন্মগত হাইড্রোসেফালাস সাধারণত গর্ভাবস্থায় মস্তিষ্কের বিকাশজনিত সমস্যার কারণে হয়। এর প্রধান কারণগুলো হল:

🟥 জেনেটিক বা বংশগত ত্রুটি
যেমন: একুয়েডাক্টাল স্টেনোসিস (Aqueductal stenosis) – যেখানে মস্তিষ্কের তরল বের হওয়ার পথ সংকুচিত হয়ে যায়।

🟥 জন্মের আগে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ
সাধারণত অপরিণত শিশুদের (premature babies) ক্ষেত্রে হয়ে থাকে।

🟥 ইনফেকশন
গর্ভাবস্থায় মা যদি টক্সোপ্লাজমোসিস, রুবেলা, সিফিলিস, সাইটোমেগালোভাইরাস বা হার্পিস এ আক্রান্ত হন, তবে শিশুর মস্তিষ্কের স্বাভাবিক গঠন ব্যাহত হতে পারে।

🟥 নিউরাল টিউব ডিফেক্ট
যেমন স্পাইনা বাইফিডা (Spina Bifida), যেখানে মেরুদণ্ডের বিকাশ অসম্পূর্ণ থাকে।

⚠️ লক্ষণসমূহ (Symptoms)
👉 নবজাতক বা শিশুদের মধ্যে হাইড্রোসেফালাসের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:
👉 অস্বাভাবিকভাবে বড় মস্তিষ্কের গড়ন (Head enlargement)
👉 মাথার উপরের কোমল অংশ (Fontanel) ফুলে ওঠা
👉 ত্বকের নিচে মস্তিষ্কের শিরা স্পষ্টভাবে দেখা যাওয়া
👉 কান্নার সময় বা সাধারণত শিশুর চোখ নিচের দিকে চলে যাওয়া (setting sun sign)
👉 খাওয়ায় অনীহা, বমি করা
👉 ঝিম ধরা বা অস্বাভাবিক ঘুম
👉 দৃষ্টির সমস্যা বা খিঁচুনি
👉 বিকাশজনিত দেরি (Motor delays)

🩺 নির্ণয় (Diagnosis)
📍 আল্ট্রাসনোগ্রাফি (Ultrasound) – গর্ভকালীন বা জন্মের পর করা যায়।
📍 সিটিস্ক্যান (CT Scan) ও এমআরআই (MRI) – মস্তিষ্কে তরলের পরিমাণ ও কোন অংশে বাধা আছে তা নির্ধারণ করে।
📍 ফান্ডোস্কপি – চোখের ফান্ডাস পরীক্ষা করে মস্তিষ্কে চাপের লক্ষণ বোঝা যায়।

🧠 চিকিৎসা (Treatment)
জন্মগত হাইড্রোসেফালাসের জন্য চিকিৎসার প্রধান পদ্ধতিগুলো হলো:

১. শান্ট সার্জারি (Shunt Surgery)
সবচেয়ে প্রচলিত চিকিৎসা। এতে একটি পাতলা টিউব (shunt) মস্তিষ্ক থেকে শরীরের অন্য অংশে (সাধারণত পেটের ভেতরে) তরল নিষ্কাশনের জন্য স্থাপন করা হয়।
২. এন্ডোস্কোপিক থার্ড ভেন্ট্রিকুলোস্টমি (ETV)
একটি ছোট ছিদ্র করে তরল নির্গমন করানোর বিকল্প পদ্ধতি, কিছু ক্ষেত্রে কার্যকর।
৩. সংক্রামণ প্রতিরোধ
শান্ট বসানোর পর সংক্রমণ প্রতিরোধে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে।

💡 পরবর্তী যত্ন ও সাবধানতা
👨‍🔬 চিকিৎসার পর শিশুর বিকাশ ও মানসিক বিকাশ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
👨‍🔬 সময়মত ফলো-আপ ও শান্ট কাজ করছে কি না তা নিশ্চিত করা জরুরি।
👨‍🔬 মাথার আকার, খিঁচুনি ও আচরণে পরিবর্তন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

জন্মগত হাইড্রোসেফালাস একটি গুরুতর কিন্তু চিকিৎসাযোগ্য রোগ। সময়মতো নির্ণয় ও চিকিৎসার মাধ্যমে শিশুর জীবন রক্ষা ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করা সম্ভব। সচেতনতা ও দ্রুত পদক্ষেপ এই রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে প্রধান হাতিয়ার।

#হাইড্রোক্যাফালাসে


#অধ্যাপক_ডা_হারাধন_দেব_নাথ

ফেসিয়াল বেলস পালসি হলো একটি স্নায়বিক সমস্যা, যেখানে মুখের একপাশ আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যায়। এই অবস্থায়...
21/01/2026

ফেসিয়াল বেলস পালসি হলো একটি স্নায়বিক সমস্যা, যেখানে মুখের একপাশ আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যায়। এই অবস্থায় মুখের পেশীগুলো দুর্বল বা অবশ হয়ে যেতে পারে। এটি সাধারণত সাময়িক এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহ বা মাসের মধ্যে ভালো হয়ে যায়।
________________________________________
কেন হয়?
বেলস পালসির সঠিক কারণ সবসময় জানা যায় না, তবে বেশ কিছু বিষয় এটি ঘটানোর সম্ভাবনা বাড়ায়, যেমন:
1. ভাইরাসের সংক্রমণ: হারপেস সিমপ্লেক্স ভাইরাস, যা ঠোঁটের ফুসকুড়ি ঘটায়, এই সমস্যার মূল কারণ হতে পারে।
2. ইনফেকশন: কান, মুখ বা শ্বাসনালির সংক্রমণের কারণে ফেসিয়াল নার্ভে প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে।
3. ইমিউন সিস্টেমের দুর্বলতা: দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হলে নার্ভ সংবেদনশীল হয়ে যায়।
4. স্ট্রেস বা ঠাণ্ডা আবহাওয়া: অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা ঠাণ্ডার কারণে নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
________________________________________
লক্ষণসমূহ:
1. মুখের একপাশ নড়াচড়া করতে না পারা।
2. চোখ বন্ধ করতে অসুবিধা।
3. মুখের একপাশ ঢলে পড়া।
4. লালা বা চোখের পানি বেড়ে যাওয়া।
5. খাওয়ার সময় মুখের পেশীর দুর্বলতা।
________________________________________
চিকিৎসা:
ফেসিয়াল বেলস পালসির চিকিৎসা নির্ভর করে লক্ষণগুলোর তীব্রতার ওপর। সাধারণত চিকিৎসার পদ্ধতিগুলো হলো:
1. ওষুধ:
o স্টেরয়েড (Prednisolone): প্রদাহ কমানোর জন্য দেওয়া হয়।
o এন্টি-ভাইরাল ওষুধ: যদি ভাইরাসের সংক্রমণ থাকে, তবে এটি ব্যবহার করা হয়।
2. থেরাপি:
o সাধারন থেরাপি: মুখের পেশীগুলো সচল রাখতে বিশেষ ব্যায়াম।
o ইলেকট্রোথেরাপি: নার্ভ উত্তেজনা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
3. চোখের সুরক্ষা:
o চোখের পানি শুকিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকলে লুব্রিকেটিং ড্রপ ব্যবহার করতে হয়।
o রাতে চোখ ঢেকে রাখার জন্য প্যাচ ব্যবহার করা যায়।
4. শল্যচিকিৎসা (সার্জারি): খুব বিরল ক্ষেত্রে, যদি নার্ভ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তবে সার্জারি প্রয়োজন হতে পারে।




#অধ্যাপক_ডা_হারাধন_দেব_নাথ

🏥 পিএলআইডি বিশেষজ্ঞ, নিউরো ও স্পাইনাল সার্জন! 🧠✨প্রফেসর ডাঃ হারাধন দেব নাথরোগীদের সেবা দিচ্ছেন নিয়মিত।যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা...
18/01/2026

🏥 পিএলআইডি বিশেষজ্ঞ, নিউরো ও স্পাইনাল সার্জন! 🧠✨
প্রফেসর ডাঃ হারাধন দেব নাথ
রোগীদের সেবা দিচ্ছেন নিয়মিত।
যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা:
📜 এমবিবিএস, এমএস (নিউরো সার্জারি), এফএসিএস (আমেরিকা)
👨⚕️ সদস্য, AO স্পাইন অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস, নিউ দিল্লি, ভারত
🎓 অধ্যাপক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল)
চেম্বার:
📍 ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৯
⏰ সময়: প্রতিদিন বিকাল ৪:০০ - ৭:৩০
বিশেষজ্ঞতা:
✅ কোমর ব্যাথা (PLID)
✅ ব্রেইন টিউমার
✅ পিটুইটারি টিউমার
✅ হাইড্রোসেফালাস
✅ ঘাড়ে ব্যাথা (Cervical Spondylosis)
✅ স্ট্রোক ও মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা
👨⚕️ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞ হাতে চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন!
📞 এপয়েন্টমেন্ট: 10606
📞 সরাসরি যোগাযোগ: 01711-354120

বর্তমানে মাথা ব্যথা একটি কমন রোগে পরিনত হয়েছে। অনেক কারনেই মাথা ব্যথা হতে পারে।আমাদের ভিতর অনেকেই মনে করেন যে প্রচণ্ড মা...
17/01/2026

বর্তমানে মাথা ব্যথা একটি কমন রোগে পরিনত হয়েছে। অনেক কারনেই মাথা ব্যথা হতে পারে।
আমাদের ভিতর অনেকেই মনে করেন যে প্রচণ্ড মাথা ব্যথা মনেই মাইগ্রেনের ব্যথা। কিন্তু বিষয়টা আসলে মোটেও তা না।
মাথা ব্যথা অনেক কারনেই হতে পারে। মাইগ্রেন যেমন একটি কারন, তেমনি ব্রেইন টিউমার সহ আরো অনেক কারন রয়েছে।
তাই আজকের আলোচনায় থাকছে মাথা ব্যথার সাধারন কিছু কারন ও তার প্রতিকার সম্পর্কে।

বর্তমানে সাধারন মাথা ব্যথার কিছু কারন নিম্নরূপঃ
• চোখের পাওয়ারে পরিবর্তন, বা একটানা কম্পিউটার বা ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকা।
• মদ্যপান, ও অতিরিক্ত ব্ল্যাক কফি পান।
• অতিরিক্ত ঠাণ্ডা খাবার খওয়া।
• অতিরিক্ত রাত জাগা।
• রাতে ঘুমানোর সময় ভুলবশত ঘাড়ে চাপ লাগা এবং এ থেকে মাথা ব্যথা।
• অনেক সময় ধরে খালি পেটে থাকা।
• অতিরিক্ত মানসিক চাপ থেকে।
• হঠাৎ করে অ্যালার্জি সৃষ্টি হওয়া।
• ধূপ বা মশার কয়েল অথবা কোনো সুগন্ধির কড়া গন্ধ।
• দীর্ঘক্ষন খুব টাইট করে চুল বেঁধে রাখা বা আঁটসাঁট টুপি বা ক্যাপ পরে থাকলে।
• একটানা অতিরিক্ত ভ্রমন করলে ইত্যাদি কারনে মাথা ব্যথা হয়।
উপরোক্ত কারনে যদি মাথা ব্যথা হয়। সে ক্ষেত্রে কী করবেন চলুন জেনে নেওয়া যাক।
• পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
• কখনো খালি পেটে থাকবেন না
• খুব কড়া গন্ধ, যেখান থেকে মাথা ব্যথা হতে পারে সেখান থেকে দূরে থাকুন।
• মোবাইল বা কম্পিউটারের পর্দা থেকে নির্দিষ্ট সময় অন্তর কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম নিন
• অতিরিক্ত রাত জাগা থেকে বিরত থাকতে হবে।
• টানা ভ্রমন শেষে ভালভাবে গোসল করে পর্যাপ্ত পরিমান বিশ্রাম নিতে হবে। এবং চাইলে একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন এতে ভ্রমনের ক্লান্তি কেটে গিয়ে ব্রেইন উজ্জীবিত হবে।
এসবেও মাথা ব্যথা না কমলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

মাথা ব্যথা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করুন-
অধ্যাপক ডা. হারাধন দেবনাথ ।
এমবিবিএস, এমএস ( নিউরো সার্জারি )
ব্রেইন টিউমার, স্পাইন সার্জারি , শিশু নিউরো সার্জারিতে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।
অধ্যাপক, নিউরো সার্জারি বিভাগ।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল), ঢাকা।
চেম্বার : ধানমন্ডি ল্যাবএইড হসপিটাল
ফোন নাম্বার : ০১৭১১৩৫৪১২০
#মাথা_ব্যথা #মাইগ্রেন #ব্রেইন_টিউমার


#অধ্যাপক_ডা_হারাধন_দেব_নাথ

12/01/2026

Clipping পদ্ধতির মাধ্যমে ব্রেন এনিউরিজমের সফল সার্জারি!
:
অধ্যাপক ডা. হারাধন দেবনাথ (অধ্যাপক, নিউরোসার্জারি বিভাগ), বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়।

মস্তিষ্ক ও স্পাইনাল কর্ডের চারপাশে থাকা সূক্ষ্ম আবরণকে মেনিনজেস বলা হয়। এই আবরণে সংক্রমণজনিত প্রদাহ হলে তাকে মেনিনজাইটিস...
10/01/2026

মস্তিষ্ক ও স্পাইনাল কর্ডের চারপাশে থাকা সূক্ষ্ম আবরণকে মেনিনজেস বলা হয়। এই আবরণে সংক্রমণজনিত প্রদাহ হলে তাকে মেনিনজাইটিস বলা হয়। এটি একটি প্রাণঘাতী রোগ, যা দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসা না হলে মৃত্যু বা স্থায়ী প্রতিবন্ধিতার কারণ হতে পারে।

মেনিনজাইটিসের ধরনঃ

১. ব্যাকটেরিয়াল: নিসেরিয়া মেনিনজাইটিস, স্ট্রেপ্টোকক্কাস নিউমোনি-ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে ছড়ায়, সবচেয়ে বিপজ্জনক।
২. ভাইরাল: হাঁচি-কাশি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ছড়ায়, তুলনামূলক কম প্রাণঘাতী।
৩. ফাঙ্গাল: বিরল, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে ঝুঁকি বেশি।
৪. প্যারাসাইট: অত্যন্ত বিরল কিন্তু মারাত্মক।
অসংক্রামক: ক্যানসার, লুপাস, কিছু ওষুধ, মাথায় আঘাত বা অস্ত্রোপচারের কারণে হতে পারে।

প্রধান লক্ষণঃ
তীব্র মাথাব্যথা, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, বমি, আলোর দিকে তাকাতে না পারা, বিভ্রান্তি, অজ্ঞান হওয়া, অতিরিক্ত ঘুম, শরীরে দাগ ইত্যাদি।
(বয়সভেদে উপসর্গ ভিন্ন হতে পারে)

রোগ নির্ণয়ঃ
১। রক্ত পরীক্ষা
২। লাম্বার পাংচার (CSF পরীক্ষা)
৩। সিটি স্ক্যান

চিকিৎসাঃ
-ব্যাকটেরিয়াল: অ্যান্টিবায়োটিক (যেমন সেফালোস্পরিনস)
-ভাইরাল: সহায়ক চিকিৎসা
-ফাঙ্গাল: দীর্ঘমেয়াদি উচ্চমাত্রার অ্যান্টিফাঙ্গাল

⚠️ ব্যাকটেরিয়াল মেনিনজাইটিসে চিকিৎসার সময় খুবই সীমিত (২৪ ঘণ্টার কম)- তাই প্রতিরোধ হিসেবে মেনিনগোকক্কাল ভ্যাকসিন (A, C, W-135, Y) নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিউরোলজিস্টের শরণাপন্ন হোন।

#মেনিনজাইটিস

#অধ্যাপক_ডা_হারাধন_দেব_নাথ

পিটুইটারি টিউমার হলো পিটুইটারি গ্রন্থিতে অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধি, যা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ হরমোনগুলোর নিঃসরণে প্রভাব ফেলে। এ...
06/01/2026

পিটুইটারি টিউমার হলো পিটুইটারি গ্রন্থিতে অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধি, যা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ হরমোনগুলোর নিঃসরণে প্রভাব ফেলে। এই গ্রন্থির হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও কার্যপ্রক্রিয়ায় পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

উল্লেখযোগ্য লক্ষণঃ

১. মাথাব্যথা: টিউমারের চাপ বৃদ্ধি পেলে তীব্র বা স্থায়ী মাথাব্যথা হতে পারে।

২. দৃষ্টিবিভ্রাট: অপটিক নার্ভে চাপ পড়লে দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া বা দৃষ্টিসীমা সংকুচিত হওয়া।

৩. হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: ক্লান্তি, ওজন পরিবর্তন, মানসিক পরিবর্তনসহ শরীরে নানা উপসর্গ দেখা দেয়।

৪. প্রজনন সমস্যা: নারীদের মাসিক চক্রের অনিয়ম, পুরুষদের টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়া, উভয়ের ক্ষেত্রেই বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি বাড়া।

চিকিৎসা পদ্ধতিঃ

১. ওষুধ: প্রোল্যাকটিনোমাসহ নির্দিষ্ট কিছু হরমোন-সংশ্লিষ্ট টিউমার ওষুধে কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

২. রেডিয়েশন থেরাপি: ছোট বা অবশিষ্ট টিউমার ধীরে ধীরে সংকুচিত করতে ব্যবহৃত হয়।

৩. সার্জারি: বড় বা জটিল টিউমার অপসারণে সাধারণত নাকের ভেতর দিয়ে ট্রান্সসফেনয়ডাল সার্জারি করা হয়, যা তুলনামূলক নিরাপদ এবং দ্রুত পুনরুদ্ধারযোগ্য।

সার্জারির পরবর্তী অবস্থাঃ
সার্জারির পর কিছুদিন মাথাব্যথা, দৃষ্টির পরিবর্তন বা হরমোনের সাময়িক অসামঞ্জস্য দেখা দিতে পারে। নিয়মিত ফলো-আপ এবং প্রয়োজনে হরমোন থেরাপির মাধ্যমে অধিকাংশ রোগী স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন।

পরামর্শ
যেকোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে নিউরোসার্জন বা হরমোন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। দ্রুত চিকিৎসা রোগীর সুস্থতার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে।

#পিটুইটারি_টিউমার


#অধ্যাপক_ডা_হারাধন_দেব_নাথ

06/01/2026

Address

House-1-6, Road No 4
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prof. Dr. Haradhan Deb Nath posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Prof. Dr. Haradhan Deb Nath:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category