Prof. Dr. Haradhan Deb Nath

Prof. Dr. Haradhan Deb Nath MBBS, MS (Neuro Surgery) Stroke Specialist, Neuro & Spinal Surgeon.
(1)

05/03/2026

এন্ডোস্কোপিক পিএলআইডি সার্জারি অথবা এন্ডোস্কোপিক লাম্বার ডিস্কেকটমি (Endoscopic Lumbar Discectomy) হলো-
কোমর ব্যথা ও পিএলআইডি (PLID) সমস্যার আধুনিক ও নিরাপদ সমাধান।
ছোট্ট কাটার মাধ্যমে অত্যাধুনিক ক্যামেরা ব্যবহার করে এই অস্ত্রোপচার করা হয়, যেখানে রক্তক্ষরণ কম, ব্যথা কম এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব।
যারা দীর্ঘদিন ধরে কোমর ব্যথা বা সায়াটিকা সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য এটি হতে পারে কার্যকর চিকিৎসা। এখন বাংলাদেশেই সফলভাবে এই সার্জারি হচ্ছে।

অনেককে বলতে শোনা যায়, তাঁর মেরুদণ্ডের হাড় সরে গেছে। আসলে হাড় নয়, মেরুদণ্ডের কশেরুকার মধ্যবর্তী নরম ডিস্ক নানা কারণে সরে ...
04/03/2026

অনেককে বলতে শোনা যায়, তাঁর মেরুদণ্ডের হাড় সরে গেছে। আসলে হাড় নয়, মেরুদণ্ডের কশেরুকার মধ্যবর্তী নরম ডিস্ক নানা কারণে সরে যেতে পারে। ফলে ব্যথাসহ নানা উপসর্গ দেখা দেয়। একে বলে ডিস্ক হার্নিয়েশন।

ডিস্ক হার্নিয়েশন নিয়ে আরো বিস্তারিত পরুন প্রথম আলো পত্রিকায়-
https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/hsitxd0vu1

#ঘাড়ব্যথা #কোমরব্যাথা

অধ্যাপক ডা. হারাধন দেব নাথএমবিবিএস, এমএস. (নিউরো সার্জারি)অধ্যাপক, নিউরো সার্জারি বিভাগবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ব...
02/03/2026

অধ্যাপক ডা. হারাধন দেব নাথ
এমবিবিএস, এমএস. (নিউরো সার্জারি)
অধ্যাপক, নিউরো সার্জারি বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
ব্রেন টিউমার, স্পাইন সার্জারি, পেডিয়াট্রিক নিউরো
সার্জারিতে বিশেষ প্রশিক্ষিত !
অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস, নিউ দিল্লি ভারত
(সদস্য AO স্পাইন)
সেবা সমুহঃ
• ব্রেইন টিউমার অপারেশন
• এন্ডোস্কপিক পিটুইটারি টিউমার অপারেশন
• হাইড্রোসেফালাস (বড় মাথার শিশু) চিকিৎসা।
• PLID জনিত কোমর ব্যাথার চিকিৎসা
• মাইক্রোস্কোপিক PLID সার্জারি।
• শিশুদের মেরুদন্ডের জন্মগত ক্রটির অপারেশন।
• ব্রেইন স্ট্রোক, ব্রেইন অ্যানিউরিজম
• ঘাড়ব্যথা বা সার্ভিকাল স্পন্ডাইলোসিস ট্রিটমেন্ট
• মৃগী ও স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতাজনিত সমস্যা।
• স্পাইন ইনজুরি রোগীদের সাভাইকেল ও স্পাইনাল ও থোরাকোলাম্বার স্পাইনাল ফিক্সোশাস অপারেশন ইত্যাদি।
রোগী দেখেনঃ
চেম্বার-১ প্রতিদিন বিকাল ৩ টা থেকে সন্ধ্যা ৬.৩০ পর্যন্ত
চেম্বারঃ ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৯
এপয়েন্টমেন্ট নিতে ফোন করুনঃ10606
চেম্বার-২ প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত (শুক্রবার ব্যাতীত)
চেম্বার : পদ্মা ডায়াগনেস্টিক সেন্টার।
২৪৫/২ নিউ সার্কুলার রোড মালিবাগ, ঢাকা।
এপয়েন্টমেন্ট নিতে ফোন করুনঃ 09611113355
চেম্বার-৩ প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত
চেম্বারঃ ডক্টরস ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড (ময়মনসিংহ শাখা) ১৭১, চরপাড়া, ময়মনসিংহ
এপয়েন্টমেন্ট নিতে ফোন করুনঃ ০১৭১১৩৫৪১২০

ব্রেইন অ্যানিউরিজম এমন একটি অবস্থা যেখানে আপনার মস্তিষ্কের রক্তনালীর যে বেলুনিং বা বুলিং (ballooning or bulging) রয়েছে ...
02/03/2026

ব্রেইন অ্যানিউরিজম এমন একটি অবস্থা যেখানে আপনার মস্তিষ্কের রক্তনালীর যে বেলুনিং বা বুলিং (ballooning or bulging) রয়েছে তা ফেটে গিয়ে মস্তিষ্কে হঠাৎ রক্তক্ষরণ হওয়া। এটিকে হেমোরজিক স্ট্রোক(hemorrhagic stroke) বলা হয়।

ব্রেন অ্যানিউরিজমের কারণগুলি
• বংশগত সম্পর্ক ।
• উচ্চ রক্তচাপ।
• মাথার গুরুতর আঘাত।
• ধূমপান।

ব্রেন অ্যানিউরিজমের লক্ষণ :-
বেশিরভাগ মস্তিষ্কের অ্যানিউরিজমগুলি ফাটে না এবং লক্ষণগুলি বোঝা যায় না। অতএব, এই লক্ষণগুললি সহজ সনাক্তকরণ নয়। এই বিঘ্নিত অ্যানিউরিজমগুলি অন্যান্য অবস্থার জন্য প্রায়শই পরীক্ষার সময় সনাক্ত করা হয়।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের অ্যানিউরিজমগুলি ফেটে গেলেই তার লক্ষণ প্রকাশ পায়। এর মধ্যে রয়েছে:
• হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা
• ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া ।
• বমি বমি ভাব।
• চোখের কাছে বা পেছনে ব্যথা।
• অস্পষ্ট দৃষ্টি / দ্বিগুণ দৃষ্টি
• মুখের একপাশ অবশ হওয়া বা অসাড়তা।

মস্তিষ্কের অ্যানিউরিজমের ফলে সাবআরকনয়েড হেমোরেজ বা রক্তক্ষরণ হতে পারে এবং এই রোগীদের ভেতর প্রতি ৫ জনের মধ্যে প্রায় ৩ জন রোগীই ২ সপ্তাহের মধ্যেই মারা যায়।

রোগ নির্ণয় :
অ্যাঞ্জিওগ্রাম হ’ল অ্যানিউরিজম সনাক্তকরণের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা। এটি আপনার রক্তনালীগুলির দুর্বল দাগগুলি চিত্রিত করে। আপনার চিকিৎসক আপনার পায়ের রক্তনালীগুলির মাধ্যমে একটি ক্যাথেটার নামক একটি ছোট নমনীয় নল প্রবেশ করিয়ে দেবেন। তিনি বা তিনি আপনার ঘাড়ের রক্তনালীগুলিতে মস্তিষ্ক পর্যন্ত প্রসারিত ক্যাথেটারকে গাইড করবেন। আপনার মস্তিষ্কের সমস্ত রক্তনালীগুলি দেখতে কনট্রাস্ট ডাই ইনজেকশনের পরে তিনি এক্স-রে নেবেন। এটি চিকিৎসককে সহজেই মস্তিষ্ক অ্যানিউরিজমের অবস্থান নির্ণয় করতে সহায়তা করে।
এছাড়াও ব্রেন অ্যানিউরিজম সনাক্তের জন্য এমআরআই,
সিটি স্ক্যা্ন,
সিএসএফ পরীক্ষা করা হয়ে থাকে।

চিকিৎসা:
মাথায় রক্তক্ষরণের বিপদ শুধুমাত্র অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দূর করা সম্ভব৷ একটি পন্থা হল পেশেন্টের কুঁচকি দিয়ে ক্যাথিটার ঢুকিয়ে মগজের সংশ্লিষ্ট ধমনি পর্যন্ত চলে যাওয়া৷
ওই ক্যাথিটার দিয়েই অ্যানিউরিজমে প্ল্যাটিনামের অতি সূক্ষ্ম প্যাঁচানো তার ঢোকানো হয়, যার ফলে ফোলা জায়গাটাতে আর কোনো রক্ত ঢুকতে পারে না৷ অ্যানিউরিজমটিকে মস্তিষ্কের রক্তচলাচল থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়, তার ভেতরের রক্তও আর জমাট থাকে না, বরং তরল হয়ে আসে৷
অন্য উপায়টি হল সরাসরি মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার৷ সেজন্য সবচেয়ে কাছ দিয়ে অ্যানিউরিজম অবধি পৌঁছানো দরকার৷ অতি সাবধানে কাজ করতে হয় – অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে অ্যানিউরিজমটায় টাইটানের তৈরি ক্লিপ লাগাতে হয়৷
চাপ বাঁধা জায়গাটার ঠিক তলায় ক্লিপ বসিয়ে ফোলা জায়গাটাতে আর যাতে রক্ত না ঢোকে, তার ব্যবস্থা করা হয়।

#ব্রেন_অ্যানিউরিজম



#অধ্যাপক_ডা_হারাধন_দেব_নাথ

28/02/2026
অনেকেই ভাবেন, স্পাইনাল ডিস্কে সমস্যা (Disc Injury) মানেই অপারেশন করতেই হবে। কিন্তু প্রকৃত সত্য হলো—সব ধরনের ডিস্ক সমস্যা...
23/02/2026

অনেকেই ভাবেন, স্পাইনাল ডিস্কে সমস্যা (Disc Injury) মানেই অপারেশন করতেই হবে। কিন্তু প্রকৃত সত্য হলো—সব ধরনের ডিস্ক সমস্যার জন্য অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয় না।

👉 ক্ষতিগ্রস্ত ডিস্ক, যাকে সাধারণত হার্নিয়েটেড ডিস্ক বা স্লিপ ডিস্ক বলা হয়, তা অনেক ক্ষেত্রেই প্রাকৃতিকভাবে নিরাময় হতে পারে—সঠিক চিকিৎসা, বিশ্রাম ও লাইফস্টাইল পরিবর্তনের মাধ্যমে।
________________________________________
🧠 কীভাবে সুস্থ হওয়া সম্ভব?
✅ বিশ্রাম ও সচেতন চলাফেরা
✅ ফিজিওথেরাপি ও ব্যায়াম
✅ ব্যথানাশক ও হট-কম্প্রেস
✅ লাইফস্টাইল পরিবর্তন
✅ শরীরের আত্মনিরাময় ক্ষমতা
________________________________________
❗কখন অপারেশন দরকার হতে পারে?
• দীর্ঘমেয়াদী তীব্র ব্যথা
• পা অবশ হয়ে যাওয়া
• প্রস্রাব/পায়খানার নিয়ন্ত্রণ হারানো

এসব ক্ষেত্রে সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে।
________________________________________
অপারেশন কোনো ডিস্ক সমস্যার একমাত্র সমাধান নয়। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিলে প্রাকৃতিকভাবে আরোগ্য লাভ সম্ভব।
নিজের শরীরের প্রতি যত্নশীল হোন, সচেতন থাকুন।



২১শে ফেব্রুয়ারি- বাংলা ভাষার জন্য আত্মোৎসর্গ করা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। তাদের আত্মত্যাগেই আজ আমরা বাংলা ভাষায় কথা...
21/02/2026

২১শে ফেব্রুয়ারি- বাংলা ভাষার জন্য আত্মোৎসর্গ করা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। তাদের আত্মত্যাগেই আজ আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারি, লিখতে পারি।

বাংলা আমার অহংকার, বাংলা আমার গর্ব!

#মাতৃভাষা_দিবস
#শ্রদ্ধাঞ্জলি
#একুশ_আমার_গর্ব

18/02/2026
দিন দিন ব্রেন এজিং আক্রান্ত লোকের সংখ্যা বাড়ছে। ব্রেন এজিং মস্তিষ্কে বার্ধক্য চলে আসাকে বোঝায়। এর প্রধান লক্ষণ হলো স্মৃত...
18/02/2026

দিন দিন ব্রেন এজিং আক্রান্ত লোকের সংখ্যা বাড়ছে। ব্রেন এজিং মস্তিষ্কে বার্ধক্য চলে আসাকে বোঝায়। এর প্রধান লক্ষণ হলো স্মৃতিশক্তি কমে যেতে থাকা। এই সমস্যা শুরু হলে মস্তিষ্কের আয়তন কমতে থাকে। অর্থাৎ ব্রেন শুকিয়ে যেতে থাকে। এই শুকিয়ে যাওয়ার মানে মস্তিষ্কে থাকা কোষগুলো আস্তে আস্তে অকার্যকর হতে থাকে এবং ব্রেনের আয়তন কমে। কোষের আয়তন কমতে থাকলে মানুষের স্মৃতিশক্তি, বুদ্ধি ও দক্ষতার ওপর প্রভাব ফেলে।
কারণ: মস্তিষ্ক যদি কাজ না করে অলসভাবে দিন কাটায়, তাহলে ব্রেন এজিংয়ের প্রক্রিয়াও শুরু হবে অনেক আগে এবং দ্রুত হারে। কিন্তু ব্রেন যদি সক্রিয় থাকে, তাহলে এজিংয়ের প্রক্রিয়া কিন্তু তুলনায় অনেক ধীর গতিতে হয়। যারা অনেক পড়াশোনা করেছেন বা পেশার কারণে পড়াশোনা বা ফিল্ড ওয়ার্কের কাজে যুক্ত রয়েছেন তাদের এজিং প্রসেস দেরিতে শুরু হয়। বংশগত কারণেও ব্রেন এজিং হতে পারে। পরিবারে যদি নিকট আত্মীয়দের মধ্যে অল্প বয়সেই মস্তিষ্কে বার্ধক্য আসার প্রবণতা থাকে তাহলে পরবর্তী বংশধরদের মধ্যেও এটা সংক্রমিত হতে পারে। আবার মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া এবং হরমোনাল কারণও এজিং প্রসেস প্রভাবিত হয়।
লক্ষণ: ব্রেন এজিংয়ের অন্যতম প্রধান লক্ষণ স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া। প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে কোনো ঘটনা, জিনিস বা কারোর নাম, ঠিক সময়ে ঠিক শব্দটা সহজে মনে পড়তে চায় না। এতে বুঝতে হবে মস্তিষ্কের যে জায়গায় শব্দগুলোর ভা-ার, সেখান থেকে ঠিক সময়ে তা বেরিয়ে আসছে না। এরপর দেখা যায় ছোটখাটো কাজ করতে বেশ সমস্যা হয়।
পরবর্তীতে পর্যায়, খুব সাধারণ কাজ যেমন- কোনো একটা জিনিস বিছানা থেকে টেবিলে সরিয়ে রাখা, এগুলো করতেও অসুবিধা হতে পারে। এ ধরনের কাজ খুব সহজ মনে হলেও এতে কিন্তু চোখ, হাত এবং মাথার কো-অর্ডিনেশনের প্রয়োজন। অর্থাৎ এক্ষেত্রে চোখে দেখে বিষয়টা বুঝে হাত দিয়ে জিনিসটা সরিয়ে রাখতে হয়। ব্রেনের কোষগুলো শুকিয়ে যেতে থাকলে এগুলো করতেও বেশ অসুবিধা হয়।
বয়স্কদের মধ্যে প্রায়ই দেখা যায় জায়গার জিনিস জায়গায় রাখতে পারছেন না। বই বা চাবি যেখানে থাকে সেখানে না রেখে অন্য কোথাও রাখছেন। এরই সঙ্গে কমে আসে বিচার ক্ষমতা। কখন কী করা উচিত, সে বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসতে পারেন না। এরই হাত ধরে আসে ডিপ্রেশন। সবার সঙ্গে মেলামেশা বা কর্মক্ষেত্রে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। ব্রেনের ক্ষয় যত বাড়তে থাকে এই লক্ষণগুলো ততই প্রকট হতে শুরু করে। মস্তিষ্কের মনে রাখার অংশটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এই লক্ষণগুলো আবার দু-ভাবে দেখা দেয়।
কিছু কিছু অসুখ রয়েছে যাতে সাময়িকভাবে স্মৃতিশক্তি হ্রাস পেতে পারে। যেমন, মাথায় টিউমার, স্ট্রোক, থাইরয়েড, এনকেফেলাইটিস ইনফেকশন জাতীয় অসুখে সাময়িকভাবে স্মৃতি লোপ পেতে পারে। এক্ষেত্রে রোগীর মধ্যে ভুলে যাওয়ার প্রাথমিক লক্ষণগুলোও প্রকাশ পায়। এছাড়া বিভিন্ন ভিটামিনের অভাব থেকেও সাময়িক স্মৃতিশক্তি লোপ পায়। মানসিক সমস্যা, অত্যধিক স্ট্রেস, অ্যাংজাইটি, হতাশা থেকেও ভুলে যাওয়া, বিচার করার ক্ষমতা কমে যাওয়া ইত্যাদি দেখা দেয়।
অসুখজনিত কারণে স্মৃতিলোপ হলে তার চিকিৎসা সম্ভব। ঠিকমতো চিকিৎসা হলে স্মৃতিশক্তি আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে। আবার অসুখের কারণে স্মৃতিলোপ না হলে ভুলে যাওয়ার লক্ষণগুলোকে ব্রেন এজিং বা ব্রেন ডিজেনারেশন বলেই ধরতে হবে। এক্ষেত্রে স্মৃতিশক্তি স্থায়ীভাবে লোপ পায়।
চিকিৎসা: ব্রেন এজিংয়ের সেরকম কোনো চিকিৎসা এখনো নেই। তবে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এনে এজিং প্রসেসের গতি কমিয়ে দেওয়া সম্ভব। এর জন্য খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে। খাদ্যাভাসে পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্রেন এজিং প্রসেস থামানো বা কিছুটা রোধ করা সম্ভব। আমাদের মস্তিষ্ক আমাদের খাদ্যের ওপর নির্ভরশীল। ভিটামিন বি-১২, ভিটামিন-এ, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেলে আমাদের মস্তিষ্ক সুস্থ থাকে। মস্তিষ্ক সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে দুটো জিনিস সবসময় মেনে চলতে হবে একটি হলো চিনি এড়িয়ে চলা এবং লো কার্বোহাইড্রেট ডায়েটে থাকা। আর কাজের মাধ্যমে মস্তিষ্ক সচল রাখা এবং নিয়মিত নিউরো বিশেষজ্ঞের পরামর্শে থাকা।



#অধ্যাপক_ডা_হারাধন_দেব_নাথ

ব্রেন টিউমার (Brain Tumor) হলো মস্তিষ্ক বা মস্তিষ্কের আশেপাশের কোষে অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত কোষ বৃদ্ধির ফল। এটি যেকোনো ...
15/02/2026

ব্রেন টিউমার (Brain Tumor) হলো মস্তিষ্ক বা মস্তিষ্কের আশেপাশের কোষে অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত কোষ বৃদ্ধির ফল। এটি যেকোনো বয়সে হতে পারে এবং সময়মতো শনাক্ত ও চিকিৎসা না হলে গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

🔎 ব্রেন টিউমারের ধরন
🛑 বিনাইন (সৌম্য) টিউমার
• সাধারণত ধীরে বৃদ্ধি পায়।
• আশেপাশের টিস্যুতে আক্রমণ করে না।
• অনেক ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সম্পূর্ণ অপসারণ সম্ভব।

🛑 ম্যালিগন্যান্ট (ক্যান্সারাস) টিউমার
• দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
• পার্শ্ববর্তী সুস্থ টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়ে।
• জটিল চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
⚠️ সম্ভাব্য কারণ (Causes)

👉 জেনেটিক মিউটেশন বা বংশগত ত্রুটি
👉 অতিরিক্ত রেডিয়েশন এক্সপোজার
👉 পরিবেশগত বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শ
👉 পরিবারে ব্রেন টিউমারের ইতিহাস

🚨 লক্ষণ (Symptoms)
১. তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা
২. দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণ সমস্যার সৃষ্টি
৩. শরীরের ভারসাম্য হারানো
৪. স্মৃতিশক্তি বা আচরণগত পরিবর্তন
৫. খিঁচুনি
৬. বমি বা বমি বমি ভাব
লক্ষণ টিউমারের অবস্থান ও আকারের ওপর নির্ভর করে ভিন্ন হতে পারে।

🏥 চিকিৎসা পদ্ধতি (Treatment)
👨‍🔬 সার্জারি (Surgery): টিউমার অপসারণ
👨‍🔬 রেডিওথেরাপি (Radiotherapy): ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা
👨‍🔬 কেমোথেরাপি (Chemotherapy): ওষুধের মাধ্যমে কোষ ধ্বংস
👨‍🔬 ইমিউনোথেরাপি (Immunotherapy): শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো
👨‍🔬 সাপোর্টিভ থেরাপি: ব্যথা, খিঁচুনি ও অন্যান্য উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ

🧠 সচেতনতা ও দ্রুত চিকিৎসাই হতে পারে জীবন রক্ষার প্রধান উপায়।
যেকোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেকোনো সময় যে কারও সঙ্গে ঘটতে পারে। তবে শিশুদের ব্যাপারে একটু বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। শিশুরা খেলতে গিয়ে...
10/02/2026

অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেকোনো সময় যে কারও সঙ্গে ঘটতে পারে। তবে শিশুদের ব্যাপারে একটু বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। শিশুরা খেলতে গিয়ে, লাফালাফি করতে গিয়ে মাথায় আঘাত পেতে পারে। চেয়ার, টেবিল, খাট থেকে পড়ে যেতে পারে। ছুটতে গিয়ে দেয়ালে বা আসবাবে মাথা ঠুকে যেতে পারে। নানাভাবেই শিশু মাথায় আঘাত পেতে পারে। তাই আগে থেকে জেনে রাখা দরকার, শিশু মাথায় আঘাত পেলে কী করবেন।

আঘাতে কী হতে পারে
 মাথা ফুলে যেতে পারে।
 কেটে রক্ত বের হতে পারে।
 বেশি আঘাতে মাথার খুলি ভেঙে যেতে পারে।
 এমনকি খুলির ভেতরে মস্তিষ্ক ফুলে যেতে পারে।

উপসর্গ
 শিশু বেশি কাঁদবে।
 নিশ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে।
 কথা বলতে বা দেখতে অসুবিধা হতে পারে।
 নাক, কান, মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে পারে।
 বমি ও খিঁচুনি হতে পারে।
 এমনকি অচেতন হয়ে যেতে পারে।

কী করবেন
 প্রথমেই শিশুকে শুইয়ে দিয়ে মাথায় আঘাতের বা ফোলা স্থানে আইসপ্যাক (বরফ) লাগাতে পারেন।
 চামড়া কেটে রক্ত বের হতে থাকলে রক্তপাত বন্ধে কাটা স্থান চেপে ধরে রাখতে হবে।
 উল্লিখিত উপসর্গগুলো দেখা দিলে নিউরোসার্জনের পরামর্শ নিয়ে মাথার সিটি স্ক্যান করাতে হবে।
কখন হাসপাতালে নেবেন
 শিশু অজ্ঞান হয়ে গেলে।
 ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বমি করলে।
 খিঁচুনি হলে।
 রক্তপাত বন্ধ না হলে।

সাবধানতা
 মাথায় আঘাত গুরুতর না হলেও পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা শিশুর ওপরে নজর রাখুন।
 শিশুর কান্না থামানোর জন্য কখনো জোরে ঝাঁকাবেন না।
 সাইকেল চালানো, স্কেটিং বা ক্রিকেট খেলার সময় মাথায় হেলমেট পরানোর অভ্যাস করুন।


#অধ্যাপক_ডা_হারাধন_দেব_নাথ


বর্তমানে যারা দীর্ঘদিন ধরে কোমর, পিঠ বা ঘাড়ের ব্যথায় ভুগছেন, বিশেষ করে যাঁদের PLID (Pr*****ed Lumbar Intervertebral Disc...
08/02/2026

বর্তমানে যারা দীর্ঘদিন ধরে কোমর, পিঠ বা ঘাড়ের ব্যথায় ভুগছেন, বিশেষ করে যাঁদের PLID (Pr*****ed Lumbar Intervertebral Disc) বা ডিস্ক স্লিপের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য সুখবর – এখন আছে মিনিমালি ইনভেসিভ স্পাইন সার্জারি (Minimally Invasive Spine Surgery)।

🔍 এটি কী?
এটি একটি আধুনিক সার্জারি পদ্ধতি, যেখানে খুব ছোট কাটা দিয়ে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে মেরুদণ্ডের অপারেশন করা হয়। ফলে রোগীর শরীরে বড় কোনো ক্ষত হয় না এবং খুব দ্রুত আরোগ্য লাভ সম্ভব।

✅ এই পদ্ধতির সুবিধাসমূহঃ
• ছোট কাটা
• দ্রুত আরোগ্য লাভ
• কম ব্যথা
• দাগ কম পড়ে
• রক্তপাতের পরিমাণ খুবই কম
• সহজে চলাফেরা করা যায়
• উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার
• রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি না করেও করা যায়
• জটিলতার সম্ভাবনা কম
• চিকিৎসার ফলাফল আরও ভালো

👨‍⚕️প্রফেসর হারাধন দেবনাথ
নিউরো ও স্পাইনল সার্জন,
অধ্যাপক, নিউরো সার্জারি বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

📍 রোগী দেখেন:
প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮.৩০ (শুক্রবার ব্যতীত)
ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫
🟢 এপয়েন্টমেন্ট: ১০৬০৬
📞 ০১৭১১ ৩৫৪১২০

Address

House-1-6, Road No 4
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prof. Dr. Haradhan Deb Nath posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Prof. Dr. Haradhan Deb Nath:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category