Green Health

Green Health Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Green Health, Darussalam thana, Mirpur-1 Dhaka, Dhaka.

03/04/2025

ডায়াবেটিস এটা কি আসলেই কোনো রোগ?

একজন সুস্থ মানুষের রক্তের Glucose এর মাত্রা স্বাভাবিক থাকে, রক্তে Glucose এর মাত্রা বেড়ে গেলে তাকে ডায়াবেটিস এর রুগী বলা হয়, কিন্তু কি কারণে এটা বেড়েছে সেটা বুঝিয়ে বলা হয় না, এটা একটা রোগ তাই ওষুধ খেতে পরামর্শ দেয়া হয়, আর সাথে ডায়েট চার্ট দেয়া হয় মুলত ৬ বেলা খেতে বলা হয়, যার একটা মুল অংশ শর্করা যা রক্তে চিনি হিসাবে শোষিত হয় অর্থাৎ ওষুধ খাবে আর বার বার চিনি খাবে, এটাই চিকিৎসা এটা চলবে … দিন দিন ওষুধ বাড়বে, পরে INSULIN লাগবে এভাবেই আজীবন চলতে হবে এবং ওষুধ খেতে খেতে, ইন্সুলিন নিতে নিতে আপনি কবরে যাবেন, এর থেকে মুক্তি নেই এই রোগ কোনদিন ভালো হবে না তি ভয়ংকর ???!!!

কি হতাশাজন একটা পরিস্থিতি অথচ Type 2 ডায়াবেটিস এটা কোনো রোগ না, সহজ ভাবে বললে কোষে জায়গা নেই, রক্তের চিনি কোষে ঢুকতে বাধা পায়, তাই রক্তের চিনি বেড়ে যায়। যেহেতু আমরা বার বার এমন খাবার খাই, যেগুলো খেলে রক্তের চিনি বেড়ে যায়, যেমন ভাত,রুটি, ফল, দুধ ইত্যাদি ।

কোষে জায়গা নেই কেন ?

কারন আমরা বার বার খাই সত‍্যি, তবে সেটাকে ব‍্যায়াম বা কায়িক শ্রমের মাধ‍্যমে বার্ন করি না বা ব্যবহার করি না, তাই কোষে overload হয়, অতিরিক্ত চর্বি জমে যায় ।

কোষ খালি করবো কিভাবে?

আমরা যদি কোষ খালি করি তো রক্তের চিনি সহজে কোষে ডুকবে আর ডায়াবেটিস থাকবে না তাই এটা আসলেই কোনো রোগ না বরং Lifestyle, আমরা যদি কোষ খালি রাখি এটা হতেই পারে না। আমরা পরিমিত আহার করলে, রোজা রাখলে আর নিয়মিত ব্যায়াম করলে মানসিক প্রশান্তির চর্চা করলে পর্যাপ্ত ঘুমালে এই সমস্যা হবে না ।

এতো সহজ সমাধান!!!!

দেখেন কতো সহজ সমাধান অথচ আমরা কতো জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছি, নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি করছি শুধুমাত্র Lifestyle না বোঝার কারণে এটা সত্যি খুবই দুঃখজনক ॥

Dr. Md. Jahangir Kabir
MBBS ( C.U.),
Founder chairman, JKLifestyle Ltd.

আপনার কী অভিজ্ঞতা? নিচে কমেন্ট করুন।
শেয়ার করুন যেন আরও একজন মানুষ ওষুধ মুক্ত জীবনে ফিরে আসতে পারে।

স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কেন?স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কারন,বাথরুমে ঢুকে গোসল করার সময় আমরা প...
03/04/2025

স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কেন?
স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কারন,বাথরুমে ঢুকে গোসল করার সময় আমরা প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজাই যা একদম উচিৎ নয়। এটি একটি ভুল পদ্ধতি।
এইভাবে প্রথমেই মাথায় পানি দিলে রক্ত দ্রুত মাথায় উঠে যায় এবং কৈশিক ও ধমনী একসাথে ছিঁড়ে যেতে পারে। ফলস্বরূপ ঘটে স্ট্রোক অতঃপর মাটিতে পড়ে যাওয়া।
কানাডার মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ট্রোক বা মিনি স্ট্রোকের কারণে যে ধরনের ঝুঁকির কথা আগে ধারণা করা হতো, প্রকৃতপক্ষে এই ঝুঁকি দীর্ঘস্থায়ী এবং আরও ভয়াবহ।
বিশ্বের একাধিক গবেষণা রিপোর্ট অনুযায়ী, গোসলের সময় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। চিকিৎসকদের মতে, গোসল করার সময় কিছু নিয়ম মেনে গোসল করা উচিত।
সঠিক নিয়ম মেনে গোসল না করলে হতে পারে মৃত্যুও। গোসল করার সময় প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজানো একদম উচিৎ নয়। কারণ, মানুষের শরীরে রক্ত সঞ্চালন একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় হয়ে থাকে। শরীরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগে। চিকিৎসকদের মতে, মাথায় প্রথমেই পানি দিলে সঙ্গে সঙ্গে রক্ত সঞ্চালনের গতি বহু গুণ বেড়ে যায়। সেসময় বেড়ে যেতে পারে স্ট্রোকের ঝুঁকিও।
তা ছাড়া মাত্রাতিরিক্ত রক্তচাপের ফলে মস্তিষ্কের ধমনী ছিঁড়ে যেতে পারে।
গোসলের_সঠিক_নিয়মঃ-
প্রথমে পায়ের পাতা ভেজাতে হবে। এরপর আস্তে আস্তে উপর দিকে কাঁধ পর্যন্ত ভেজাতে হবে। তারপর মুখে পানি দিতে হবে। সবার শেষে মাথায় পানি দেওয়া উচিত।
এই পদ্ধতি যাদের উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং মাইগ্রেন আছে তাদের অবশ্যই পালন করা উচিৎ।
ইসলামিক নিয়ম
১) দুই নাকের নরম স্থান পর্যন্ত আজুর ন্যায় পানি দেওয়া
২)গড়গড়া সহকারে কুলি করা
৩) পরিস্কার পানি দিয়ে সমস্ত শরীর ধৌত করা,,,
এই তথ্যগুলো বয়স্ক মা-বাবা এবং আত্মীয় প্রিজনদের অবশ্যই জানিয়ে রাখুন.
সংগৃহীত!

হিজামা কি?হিজামা (حِجَامَة ) একটি নববী চিকিৎসা ব্যবস্থা।এটি আরবী শব্দ ‘আল-হাজম’ থেকে এসেছে। যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া।...
19/03/2022

হিজামা কি?
হিজামা (حِجَامَة ) একটি নববী চিকিৎসা ব্যবস্থা।
এটি আরবী শব্দ ‘আল-হাজম’ থেকে এসেছে। যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া।
হিজামাতে সকল প্রকার আধ্যাত্মিক, মানসিক ও শারিরিক সুস্থতা বিদ্যমান।আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় কাপিং থেরাপি (Wet Cupping Therapy)বলে।
হিজামার মাধ্যমে নেগেটিভ প্রেসার দিয়ে কাপ বসিয়ে টেনে স্কিন স্ক্র্যচকরা হয়, এতে দূষিত রক্ত (Toxin), ইউরিক এসিড, রোগের জন্য দায়ী জীবাণু প্লাজমা বা ফ্লুইডের সাথে বের হয়ে আসে।এতে শরীরের মাংসপেশী সমূহের রক্ত প্রবাহ দ্রুততর হয়। পেশী, চামড়া, ত্বক ও শরীরের ভিতরের অরগান সমূহের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।
বডিতে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরী হয়।শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়।
হিজামা বা Wet_Cupping_Therapy_Alternative_Treatment হিসাবে এখন বিশ্বের জনপ্রিয় চিকিতৎসা গুলোর মধ্যে একটি।এটিতে কোন ধরনের ঔষধের প্রয়োজন হয় না।
রাসুল (স:) বলেছেন- ‘রোগমুক্তি তিনটি জিনিসের মধ্যে নিহিত।
এগুলো হলো— #হিজামা_লাগানে #মধু_পান_করা ও আগুন দিয়ে গরম সেঁক দেওয়া। তবে আমি আমার উম্মতকে আগুন দিয়ে গরম দাগ দিতে নিষেধ করি।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৬৮১)
রাসূলুল্লাহ (স:) বলেছেন-
#আমি_মিরাজের_রাতে_ফিরিস্তাদের_মাযখান_দিয়ে_গিয়েছি_তাদের_সবাই_বলেছেন_আপনার_উম্মতকে_হিজামার_আদেশ_দিবেন।
সুনান তিরমিযী হ/২০৫৩.
আবুহুরারা (রা:) থেকে বর্নিত রাসুল_স:_বলেছেন জিবরীল (আ:) আমাকে জানিয়েছেন
#মানুষ_চিকিৎসার_যতসব_উপায়_অবলম্বন_করে_তার_মধ্যে_হিজামাই_হলো_সর্বোত্তম ।
আল_হাকীম-৭৪৭০।
হিজামা_বা_wet_Cupping Therapy দ্বারা যে সব রোগের চিকিৎসা করা হয়ে থাকেঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
১। দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা(মাইগ্রেনসহ)
২। রক্তদূষণ
৩। উচ্চরক্তচাপ(হাই প্রেসার)
৪। যেকোন ধরনের ব্যাথা
৫। ঘুমের ব্যাঘাত
৬। পায়ে ব্যথা
৭। বাতের ব্যথা
৮। জয়েন্ট পেইন
৯। আথর্রাইটিজ পেইন
১০। কালো যাদু
১১। ত্বকের বর্জ পরিস্কার
১২। লিভার ডিজিজ
১৩। দীর্ঘ মেয়াদী চর্ম রোগ
১৪। কিডনী রোগ
১৫। ক্রনিক কফ
১৬।গেটে বাত
১৭।ঘাড়ে ব্যথা
১৮।মাংস পেশীর ব্যথা(Muscle pain)
১৯।হাড়ের স্হানচু্তি জনিত ব্যথা
২০।সাইনুসাইটিস(nasal sinus)
২১।হাঁপানি (Asthma)
২২।হৃদরোগ(Cardiac Disease)
২৩।মানসিক প্রশান্তি
২৪।অবস(প্যরালাইসিস)
২৫।মহিলাদের মাসিক সমস্যা
২৬।বাচ্চা না হওয়া
২৭।মুঠিয়ে যাওয়া(Obesity)
২৮।থাইরয়েড
২৯।গ্যাস্ট্রিক পেইন,এসিডিটি
৩০।শারিরিক দুর্বলতা.
৩১।হরমোনজনিত সমস্যা
৩২।বিভিন্নরকম চর্মরোগ
৩৩।চুল পড়া
৩৪।সাইনুসাইটিস
৩৫।ব্রন
ইত্যাদি বিভিন্ন রোগ...
#শেয়ার করে অন্যকে জানিয়ে দিতে পারেন...
can with others...

26/05/2021
08/03/2021

#সেরোটোনিন, #অক্সিটোসিন এবং #ডোপামিন।

মাদার তেরেসা বলেছিলেন,
“When you stop to judge people, you start to love them ❤️”

মানুষের সাথে সুসম্পর্ক তৈরী করার মূলমন্ত্র হলো - তাকে তার ভুলত্রূটি নিয়েই গ্রহণ করা। যখন আমরা কোনো মানুষকে অপছন্দ করি, তাকে নিচু করতে ভালোবাসি, তখন তার ভুলত্রূটির বস্তা খুলে বসি। অথচ আমরা জানিনা এই বস্তা আমাদেরকেই কাঁধে নিয়ে ঘুরতে হয়। যার ভুলত্রূটির বস্তা আমাদের কাছে আছে, তাদেরকে কখনো সেই বস্তা বহন করতে হয়না। ইনফ্যাক্ট তাদের মধ্যে কেউ কেউ সেই বস্তার খবর জানেও না।

সেরোটোনিন, অক্সিটোসিন এবং ডোপামিন বলে তিনটি হরমোন আছে আমাদের শরীরে। এই তিন হরমোন আপন ভাইবোন। এদের একজনকে ছাড়া আরেকজনের অস্তিত্ব অর্থহীন হয়ে যায়। এই তিনটি হরমোনকে বলা হয় লাভ হরমোন।এই তিনটির যৌথ প্রযোজনা ছাড়া ভালোবাসা হয়না।এদের ছাড়া ভালোবাসার অস্তিত্ব তৈরিই হবেনা। এই হরমোনগুলোর কাজ হলো আমাদেরকে সুখী এবং সুস্থ্য রাখা।

এই হরমোনগুলো ভেবাচেকা খেয়ে যায় যখন আমরা কোনো খারাপ সংবাদ পাই। ফলে তখন আমাদের দুর্বল দুর্বল লাগে। এই হরমোনগুলো আমাদের মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ স্লো করে দেয়, যখন আমরা রেগে যাই। এজন্য আমাদের প্রেসার বেড়ে যায়, ব্রেন স্ট্রোকও হতে পারে অতিরিক্ত রাগ বা স্ট্রেস থেকে। এই হরমোন কমে গেলে এঞ্জাইটি এটাক হয়, ফলস্বরূপ আমাদের অত্যাধিক ঠান্ডা লাগে, তাই যখন আমরা ভয় পাই আমাদের শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়, লোম দাঁড়িয়ে যায়।

এই হরমোন সবচেয়ে বেশি কমে যায়, একেবারে নিম্ম লেভেলে চলে যায় খুন, ধর্ষণ জাতীয় গহির্ত কাজ করার সময়। ঠিক একই লেভেলে এই হরমোন কমে যায় যখন কেউ আত্মহত্যা করে বা করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই হরমোন প্যারামিটারে কমের দিকে থাকে যখন আমরা মিথ্যা বলি এবং ভণ্ডামি করি বা কাউকে ঠকাই।

এইগুলো খুব সাধারণ উদাহরণ।

অসাধারণ উদাহরণ হলো, এই হরমোন সর্বোচ্চ পর্যায়ে চলে যায় ইন্টারকোর্স, ব্রেস্ট ফিডিং এবং লেবার পেইন টাইমগুলোতে। আরো অনেক সময় এই হরমোনেরা আমাদের শরীরে নাচানাচি করে, তবে এই তিনটি মুহূর্ত মানবজীবনের অসাধারণ মুহূর্ত হিসেবে ধরা হয়। তার প্রমাণস্বরূপ থেকে যায় এই তিন হরমোনের উচ্চ মাত্রার প্যারামিটার।

সোজা বাংলায় আমাদের শরীরে অক্সিটোসিন সুখের উৎস খুঁজে, সেরোটোনিন সুখের উপাদান তৈরী করে আর ডোপামিন সুখানুভুতি ছড়ায়।

যেকোনো মানসিক রোগের ঔষুধে সেরোটোনিন ডোপামিন আর্টিফিশিয়াল ভাবে দেয়া হয়। কিন্তু তবুও সব মানসিক রোগ ঔষুধ খেলেই কেন চলে যায়না? কারণ অক্সিটোসিন এখানে বাগড়া বাজায়। অক্সিটোসিন কৃত্রিমভাবে তৈরী করা যায়না। এখনো পর্যন্ত রিসার্চ ফিসার্চ করে মেডিকেল সাইন্টিস্টরা বলেছেন অক্সিটোসিন তৈরী হতে পারে - এক্ট অব কাইন্ডনেসে, সোশ্যাল বন্ডিং এবং প্রেম ভালোবাসায়।

কাইন্ডনেস দিয়েই মানুষ তার শরীরে অক্সিটোসিন বাড়িয়ে ফেলতে পারে? অক্সিটোসিন বাড়ালে কি হবে?
প্রথমেই যা হবে তাহলো আপনার ডিপ্রেশন কমে যাবে এবং আপনি যদি নিয়মিত এই চর্চা করেন তবে ডিপ্রেশন পুরোপুরি চলে যাবে। দৈনন্দিন জীবনের রুটিনে অল্প একটু হলেও যদি আপনি মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারেন, আপনার স্ট্রোকসহ , ব্লাড প্রেসার, সুগার, ডিপ্রেশন, এঞ্জাইটি, প্যানিক স্ট্রেস (নট এটাক) সম্ভাবনা কমে যাবে।

অদ্ভূত না? আমাদের জন্মই হয়েছে অন্যের প্রতি দয়াশীল হবার জন্য। আমাদের সুস্থ্যভাবে বেঁচে থাকা নির্ভর করে আমরা কতখানি অন্যের পাশে যেয়ে দাঁড়ালাম সেটার উপরে।

প্রকৃতি এখনো মানুষকে কেনো আর্টিফিশিয়াল অক্সিটোসিন বানানোর ক্ষমতা দেয়নি? মেডিকেল সাইন্স আমরা কত এগিয়ে আছি। তাইনা ?তবুও প্রকৃতি কেনো কাইন্ডনেসের সম্পূরক আর কোনকিছুতে করতে দেয়নি?

সমস্যা হলো করোনার মধ্যে ঘরে বসে আর কতইবা কাইন্ডনেস গিরি করা যায়?

সেটার সমাধান লেখার প্রথমেই বলা হয়েছে...কাইন্ডনেস শুধু শীতের শাল বিতরণ বা মরণাপন্ন রোগীকে সাহায্য করার মধ্যে সীমাবদ্ধ না। ঘরে বসে, ফেসবুকের স্ক্রিনে, কারো কোনো উপকার করতে না পারলেও অক্সিটোসিন বাড়ানো যায় শুধু মাত্র মানুষকে তার ভুলত্রূটিসহ গ্রহণ করার মাধ্যমে।

মানুষের অতীতের গল্প, অতীতের কর্মের যে ভলান্টারি হিসাবের বস্তা আপনার ঘরে বা ঘাড়ে আছে, সেই বস্তাটা ফেলে দেন। দেখবেন অক্সিটোসিন প্রবল উৎসাহে তার ভাই বোন সেরোটোনিন আর ডোপামিনকে নিয়ে আপনার মস্তিস্ক মাখামাখি করে ফেলবে।

সব ডিপ্রেশন ডিভোর্স বা সেপারেশন থেকে হয়না।
সব ডিপ্রেশন বাবা মা বা কাছের মানুষের মৃত্যুতে হয়না।
সব ডিপ্রেশন পরীক্ষার ফেল করার জন্য হয় না।
সব ডিপ্রেশন অর্থনৈতিক দুরাবস্থার জন্য হয়না।

আমেরিকার, ইউনিভার্সিটি অফ কলোরাডো ২০১৭ সালে একটি রিসার্চ পেপার বের করেছিল। সেখানে বলা হয়েছে আমেরিকাতে ৬৫% ভাগ ডিপ্রেশন হয় শরীরের অক্সিটোসিন ইমব্যালেন্স। মানুষের প্রতি মানুষের রাগ, ক্রোধ, হিংসা, জাজমেন্টাল চিন্তাই মানুষকে মানসিকভাবে অসুস্থ্য করে দিচ্ছে।

আজব ! ৬৫% মানুষের ছোট বড় মাঝারি মানসিক রোগ ভালো হয়ে যেতে পারে শুধুমাত্র অন্য মানুষকে আমরা বিচার করা বন্ধ করে ফেলতে পারলে?

ভালো মানুষ হবার জন্য খুনি, ধর্ষক, ভন্ড, মিথ্যাবাদী না হওয়াটা যেমন জরুরি, তেমনি অন্য মানুষকে তার ভুলত্রূটি দিয়ে বিচার না করাটাও সম পরিমান জরুরি।

অতএব এই লেখাটি যদি উপদেশের মতন শোনায়, সেজন্য দুঃখিত। আমি আসলে অনুরোধ করতে চেয়েছি আর যাই করেন মানুষকে তার পুরোটা না জেনে জাজ করবেননা।

এই অনুরোধ যারা করতে পারেনা, তাদের হয়ে আমি করে ফেললাম। প্লাস জাজ না করলে আপনার মস্তিস্ক কতখানি সুস্থ থাকবে তার একটি সহজ ব্যাখ্যাও দিয়ে দিলাম।

সবার শরীরে অক্সিটোসিন তার ভাই বোন নিয়ে আনন্দে বিচরণ করুন। আমাদের শরীর ও মস্তিষ্কে এদের মাত্রা ভয়াবহ বেড়ে যাক, এই কামনায়। 💖💜💙

(collected)

Address

Darussalam Thana, Mirpur-1 Dhaka
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Green Health posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram