Health Advice

Health Advice Take care of your health�

💫ভয় পেলে শরীরের লোম দাঁড়ায় কেন?ভুতের সিনেমা দেখার সময় শরীরটা কেমন শিউরে ওঠে খেয়াল করেছো? ভয় লাগলে শরীরের লোম সব খাড়া হয়ে...
26/07/2023

💫ভয় পেলে শরীরের লোম দাঁড়ায় কেন?
ভুতের সিনেমা দেখার সময় শরীরটা কেমন শিউরে ওঠে খেয়াল করেছো? ভয় লাগলে শরীরের লোম সব খাড়া হয়ে যায়। শুধু ভয় না, স্নান করার সময়, শীত লাগলে, কান্না করলেও আমাদের শরীরের লোম খাড়া হয়ে যায়।

মানে প্রচণ্ড আবেগের পরিস্থিতিতে লোমকূপ ফুলে উঠে এবং লোম খাড়া হয়। কিন্তু এটি কেন হয় জানো?

ত্বকের ক্ষুদ্র মাংসপেশির সংকোচন প্রতিটি চুলকে সংযুক্ত করে।
প্রতিটি সংকুচিত মাংসপেশি ত্বকের উপরিভাগে একটি অগভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি করে; যার ফলে ওই অঞ্চল উদ্দীপ্ত হয়। মাংসপেশির এই সংকোচনের ফলেই ঠাণ্ডা লাগলে লোম খাড়া হয়ে যায়।

পুরু লোমওয়ালা প্রাণীদের ক্ষেত্রে খাড়া হয়ে যাওয়া লোম বাতাস নিরোধক হিসেবে কাজ করে। খাড়া পুরু লোম তাদের শরীরের তাপমাত্রা নির্দিষ্ট পরিমাণে বজায় রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে এটি হয় না। কারণ আমাদের লোম এতোটা পুরু নয়।
এবার আসল কথায় ফেরা যাক, বিভিন্ন আবেগের অবস্থার কথা বলছিলাম; বিভিন্ন আবেগ বা অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তির সম্মুখীন হলে অবচেতভাবে স্ট্রেস হরিমোন নিঃসৃত হয় যার নাম বৃক্করস। এটি কেবলমাত্র ত্বকের পেশিকেই সংকুচিত করে না অন্যান্য শরীবৃত্তীয় প্রতিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।

ঠাণ্ডা লাগলে, ভয় পেলে বা শক্তিশালী আবেগের অবস্থার মুখোমুখি হলে বৃক্করস নিঃসৃত হয়। বৃক্করসের প্রতিক্রিয়া হচ্ছে- লোম খাড়া হয়ে যাওয়া, চোখের জল, ঘাম, উচ্চ রক্তচাপ, হৃৎপিণ্ডের গতি বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি।

🔴🔴 লেবুর শরবতের উপকারিতা।⭕এক গ্লাস পানিতে ১টি লেবুর রস মিশিয়ে নিলে ১৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি ও ৬৫ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম ছাড়াও...
19/07/2023

🔴🔴 লেবুর শরবতের উপকারিতা।

⭕এক গ্লাস পানিতে ১টি লেবুর রস মিশিয়ে নিলে ১৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি ও ৬৫ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম ছাড়াও মিলবে প্রোটিন, ক্যালোরি ও কার্বোহাইড্রেট।

🔴🔴উপকারীতা:-
১। ডিহাইড্রেশন থেকে দূরে রাখবে।

ডিহাইড্রেশনের কারণে ক্লান্তি, মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা কিংবা হিট স্ট্রোক পর্যন্ত হতে পারে। গরম আবহাওয়ায় ব্যায়াম করার সময়ও বাড়তি পানির চাহিদা তৈরি হয়। প্রচণ্ড গরমে এক গ্লাস লেবু-পানি আপনাকে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচাতে পারে।

২। ভিটামিন সি এর উৎস।

ভিটামিন সি এর চমৎকার উৎস লেবু। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি এবং ফ্ল্যাভোনয়েড প্রতিরক্ষামূলক যৌগ হিসেবে কাজ করে। নিয়মিত লেবু-পানি পান করলে তাই হুট করে ঠান্ডা লেগে যাওয়া বা সর্দি হওয়ার মতো লক্ষণগুলো ব্যাপক আকারে আপনাকে বিড়ম্বনায় ফেলবে না।

৩। ত্বক ভালো রাখে।

ভিটামিন সি শরীরের কোলাজেন তৈরি করতে সাহায্য করে। এছাড়া ত্বক উজ্জ্বল ও টানটান রাখতে ভূমিকা রাখে লেবুতে থাকা উপকারী কিছু উপাদান।তাই শরীরে বয়সের ছাপ কমাতে লেবু খাদ্য তালিকায় থাকা চাই।

৪। হজমে সাহায্য করে।

সকালে খালি পেটে এক গ্লাস লেবু-পানি পান করলে হজমশক্তি বাড়ে। ২০১৯ সালে করা একটি সমীক্ষা বলছে, লেবু-পানি পলিফেনল সমৃদ্ধ পানীয় যা অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখে। এছাড়া অন্ত্রে বয়স-সম্পর্কিত পরিবর্তনগুলোকে বিলম্বিত করে।

৫। কিডনিতে পাথর প্রতিরোধে সাহায্য করে।

লেবুর রসে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড ক্যালসিয়াম অক্সালেট তৈরি করে। এটি কিডনিতে পাথর প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া পানির অতিরিক্ত তরল হাইড্রেশন বজায় রাখতে এবং সম্ভাব্য পাথর দূর করতে সাহায্য করে।

আশা করি উপকৃত হবেন ধন্যবাদ💞

#লেবু_পানি।
#শরবত
©Dr.Habib

19/07/2023
➡️পা ফুলে গেলে দুশ্চিন্তায় ভ্রু কুঁচকানোরই কথা। কারও দুই পা ফুলতে পারে, আবার কারও এক পা। কারও সব সময়ই পা ফুলে থাকে, কারও...
16/07/2023

➡️পা ফুলে গেলে দুশ্চিন্তায় ভ্রু কুঁচকানোরই কথা। কারও দুই পা ফুলতে পারে, আবার কারও এক পা। কারও সব সময়ই পা ফুলে থাকে, কারও সাময়িক—যেমন দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে বা ভ্রমণ করলে।

⚫এটা আমি আমার বাবার ক্ষেত্রে খেয়াল করলাম।

যাঁদের উচ্চতা অনুযায়ী শরীরের ওজন অনেক বেশি, তাঁদের পা একটু ফোলা থাকতে পারে। যাঁরা একনাগাড়ে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে কাজ করেন, তাঁদেরও এমন সমস্যা হতে পারে। দীর্ঘ সময় পা ঝুলিয়ে বসে থাকলে বা দীর্ঘ সময়ের বসা ভ্রমণের (৪ ঘণ্টার বেশি) ক্ষেত্রেও এমনটা হতে পারে। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থার শেষ চার মাস সময়ে অনেকের পা ফুলতে পারে, এটা স্বাভাবিক। ব্যথানাশক ওষুধ, উচ্চ রক্তচাপে ব্যবহৃত কিছু ওষুধ এবং জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ সেবনের প্রভাবেও পা ফুলতে পারে। তবে এসব নিরীহ কারণ ছাড়াও পা ফোলাটা হতে পারে গুরুতর কিছু রোগের পূর্বাভাস বা উপসর্গ। তাই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া ভালো।
প্রথম দিকে অনেকে পা ফোলার বিষয়টা খেয়াল না–ও করতে পারেন। আবার খেয়াল করলেও অনেকে আমলে নেন না। কিন্তু যেকোনো পা ফোলাকেই গুরুত্ব দেওয়া উচিত। চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। কারণ, পা ফোলা অনেক অসুখের প্রাথমিক উপসর্গ। সময়মতো একে গুরুত্ব না দিলে সঠিক কারণ নির্ণয় ও চিকিৎসা বিলম্ব হতে পারে।

পা ফোলা আর কিছুই নয়, শরীরে পানি জমার একটি লক্ষণ। শরীরের সর্বনিম্ন অংশ হওয়ার কারণে পায়ের পাতা ও গোড়ালিতে এর উপস্থিতি আগে বোঝা যায়। গোড়ালির একটু ওপরে ভেতরের দিকে হাতের বুড়ো আঙুল দিয়ে কমপক্ষে ১৫ সেকেন্ড চেপে ধরে রাখলে আঙুল দেবে যাওয়ার চিহ্ন দেখা যেতে পারে। কেউ ঘরে বসেই পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। তবে স্বল্প পরিমাণ পানি জমলে তা নির্দিষ্টভাবে এভাবে না–ও বোঝা যেতে পারে।

আমাদের শরীরের পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে হৃদ্‌যন্ত্র, রক্তনালি, কিডনি ও লিভার সমন্বিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই শরীরে পানি জমার কোনো লক্ষণ পাওয়া গেলে এসব অঙ্গ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখার দরকার পড়ে। শরীরে পানি জমার পরিমাণ বাড়তে থাকলে পা ছাড়াও পেট বা মুখ দেখলে ফোলা মনে হতে পারে। পেটে পানি জমার উপস্থিতি চিকিৎসক পরীক্ষা করে দেখলে বুঝতে পারেন।

-সংগৃহীত

🔻গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়ার নিয়মগ্যাস্ট্রিকের যন্ত্রনা ভোগ করেননি এমন মানুষ খুব কমই আছে। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি...
12/07/2023

🔻গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়ার নিয়ম
গ্যাস্ট্রিকের যন্ত্রনা ভোগ করেননি এমন মানুষ খুব কমই আছে। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমরা সাধারনত বিভিন্ন ঔষধ খেয়ে থাকি। আজ শিখে নিন গ্যাস্ট্রিকের ঔষধের প্রকারভেদ এবং গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ খাওয়ার নিয়ম।
আমরা সাধারনত দুই ধরনের গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ খাই।
এসিড নিউট্রালাইজার যা সাধারণত অ্যান্টাসিড নামে পরিচিত

২। এসিড ক্ষরণ বাধা প্রদানকারী। এগুলো আবার দুই ধরনের। Proton Pump Inhibitor (PPI) এবং H2 Blocker।

এসিড নিউট্রালাইজার বা এন্টাসিড
এই জাতীয় ঔষধ পাকস্থলীতে পূর্বে থেকেই থাকা এসিড নিউট্রালাইজ করে। এই ধরনের সবচেয়ে পরিচিত ওষুধগুলো হচ্ছে এন্টাসিড এবং এন্টাসিড প্লাস।

এছাড়াও ম্যাগালড্রেট (যেমনঃ মারলক্স) এবং অ্যালজিনেট (যেমনঃ অ্যালজিসিড, অ্যাসিন্টা) এই জাতীয় ঔষধ। এই জাতীয় ঔষধ খাবারের ১০ থেকে ১৫ মিনিট পূর্বে খেতে হয় বা যখন এসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয় তখন খেতে হয়।

এসিড ক্ষরণ বাধাদানকারী ঔষধ
এই ঔষধগুলো পাকস্থলীতে অ্যাসিড ক্ষরণে বাধা প্রদান করে। এগুলো দুই প্রকার।

PPI বা Proton Pump Inhibitor:
এগুলো এসিড ক্ষরণের সর্বশেষ ধাপে কাজ করে এবং এগুলো গ্যাস্ট্রিকের সবচেয়ে কার্যকরী ঔষধ। PPI সাধারণত চার ধরনের হয়

১। ওমিপ্রাজল (Omeprazole) যেমন সেকলো, ওমেপ, ওপি ইত্যাদি।

২। ইসমিপ্রাজল (Esomeprazole) যেমন নেক্সাম, এক্সিয়াম, ম্যাক্সপ্রো ইত্যাদি।

৩। প্যানটোপ্রাজল (Pantoprazole) যেমন পেন্টানিক্স, প্যান্টিড ইত্যাদি

৪। র‍্যাবেপ্রাজল (Rabeprazole) যেমন রেব, ব্যারেগাট, ফিনিক্স ইত্যাদি

PPI খাবারের আগে সাধারণত ৩০ মিনিট আগে বা কমপক্ষে ১০-১৫ মিনিট আগে খেতে হয়।

H2 blocker: এই ঔষধগুলো হিস্টামিন রিসেপ্টর এর উপর কাজ করে এসিড ক্ষরণ কমায়। H2 Blocker কয়েক ধরনের হয়। তবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় রেনিটিডিন (যেমন রেনিটিড, নিউট্যাক) এবং ফ্যামোটিডিন (যেমন ফেমোট্যাক)।

H2 Blocker ও PPI এর মতো খাবার ৩০ মিনিট পূর্বে বা কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পূর্বে খেতে হয়।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:
PPI এবং H2 Blocker খাবারের আগে খেতে ভুলে গেলে যখন মনে পড়বে তখন খাওয়া যায়। তবে সবচেয়ে ভালো ফলাফলের জন্য খাবারের আগে খেতে হবে।

© ডেইলি বাংলাদেশ

সুস্থ নবজাতকেরও এক সপ্তাহ বয়সের মধ্যে এমন কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা মা-বাবাকে উদ্বিগ্ন করে তোলে। এসব উপসর্গ অবশ্য অ...
12/07/2023

সুস্থ নবজাতকেরও এক সপ্তাহ বয়সের মধ্যে এমন কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা মা-বাবাকে উদ্বিগ্ন করে তোলে। এসব উপসর্গ অবশ্য অসুখের পর্যায়ে পড়ে না। এর জন্য চিকিৎসারও প্রয়োজন নেই। তবে বিজ্ঞানসম্মত ধারণা থাকা দরকার। নয়তো কুসংস্কারে আচ্ছন্ন হয়ে অনেকে নানা কাজ করে বসেন। এমন ১০টি সমস্যা হলো:

১. মিলিয়া: জন্মের প্রথম কয়েক দিনের মধ্যে ত্বকের ঘর্মগ্রন্থির মুখগুলো শিশুর নাকে ও মুখে সাদাটে গুটি হিসেবে দেখা দিতে পারে। এগুলো কিছুদিনের মধ্যে আপনা-আপনি সেরে যায়।

২. ইরিথেমা টক্সিকাম: চলতি ভাষায় একে বলে মাসিপিসি। জন্মের দ্বিতীয় বা তৃতীয় দিনে মুখ, বুক ও পিঠে এগুলো দেখা দেয়। দেখতে লালচে আভামণ্ডিত দানা। কখনো কখনো গুটির মুখে সাদাটে পুঁজ থাকতে পারে। এটিও আপনাতেই সেরে যায়।

৩. মঙ্গোলিয়ান ব্লু স্পট: নীলচে কালো এই দাগ, বিশেষ করে পিঠে ওঠে। এতেও ভয়ের কিছু নেই। এই স্পটের সঙ্গে ডাউন সিনড্রোমের মিল থাকলেও কোনো সম্পর্ক নেই। সাধারণত এটিও নিজে নিজে সেরে যায়।

৪. এপস্টেইন পার্ল: মুক্তার মতো দেখতে এপিথেলিয়েল কোষকলার সমষ্টি মুখের ভেতরে তালুতে বা শিশ্নের অগ্রভাগে থাকতে পারে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।

৫. ফোলা স্তন: ছেলে বা মেয়ে উভয় ধরনের নবজাতকেরই ফোলা স্তন দেখা যেতে পারে। গর্ভাবস্থায় মায়ের কাছ থেকে পাওয়া হরমোনের প্রভাবে এটি ঘটে থাকে। এগুলোরও কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন নেই।

৬. যোনিপথে রক্তক্ষরণ: সদ্যোজাত মেয়েশিশুর যোনিপথে মাসিক হওয়ার মতো রক্তক্ষরণ হওয়া কিন্তু অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। তবে মা-বাবা এতে অত্যন্ত চিন্তিত হয়ে পড়েন। গর্ভকালে মায়ের শরীর থেকে শিশুর শরীরে যাওয়া ইস্ট্রোজেন হরমোনের কারণে এমনটা ঘটে থাকে। কয়েক দিনের মধ্যেই এটি বন্ধ হয়ে যায়।

৭. যোনিমুখের নিঃসরণ: গর্ভকালে মায়ের থেকে পাওয়া হরমোনের প্রভাবে সদ্যোজাত মেয়েশিশুর যোনিপথে সাদা ঘন নিঃসরণ ঘটতে পারে। এটিও আপনা থেকেই সেরে যায়।

৮. নেটাল টুথ: চলতি ভাষায় একে বলে গর্ভদাঁত। সাধারণভাবে নিচের পাটির মাঝখানে থাকে। একে অশুভ বা অলক্ষুনে ভাবার কোনো কারণ নেই। দুধদাঁত ওঠার আগেই এটি ঝরে যায়। তবে যদি নড়বড়ে থাকে বা বুকের দুধ চুষে খেতে সমস্যা হয়, তাহলে তুলে ফেলা যায় এটি।

৯. ফাইমোসিস: এ সমস্যায় সদ্যোজাত শিশুর শিশ্নের অগ্রভাগের চামড়া এমনভাবে সেঁটে থাকে, মূত্রনালির অগ্রভাগও খুব সরু থাকে বা দেখা যায় না বললেই চলে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘পিন হোল মিয়াটাস’ বলে। শিশুর প্রস্রাবে কোনো সমস্যা না থাকলে এ নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই।

১০. ফিজিওলজিক্যাল জন্ডিস: একে নির্দোষ জন্ডিস বলে। সদ্যোজাত শিশুর ৬০-৮০ শতাংশে এ সমস্যা দেখা যায়। জন্ডিস ছাড়া শিশুর আর কোনো অসুবিধা থাকে না। প্রস্রাবের রং সাদা থাকে। ১০-১২ দিন বয়সে এটি চলে যায়।

ফুসফুসের ক্যান্সারে এই লক্ষণ Lung Cancer Symptoms: প্রথম পর্যায়ে চিকিৎসা পাওয়া গেলে ফুসফুসের ক্যান্সারে বেঁচে থাকার সম...
11/07/2023

ফুসফুসের ক্যান্সারে এই লক্ষণ
Lung Cancer Symptoms: প্রথম পর্যায়ে চিকিৎসা পাওয়া গেলে ফুসফুসের ক্যান্সারে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু ফুসফুসের ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেঁচে থাকার হার কমতে শুরু করে।
How Long You Live With Spreading Lung Cancer: ফুসফুসের ক্যান্সার হয় যখন ক্যান্সার সৃষ্টিকারী এজেন্ট ফুসফুসে অস্বাভাবিক কোষ তৈরি করে। সিগারেট ধূমপান সবচেয়ে সাধারণ এবং গুরুতর ফুসফুসের ঝুঁকির কারণগুলির মধ্যে একটি। যাইহোক, এই ধরনের ক্যান্সার অধূমপায়ীদের মধ্যেও বিকশিত হতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার ধরা পড়লে, ঠিক হওয়ার সম্ভাবনা ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ, যা অন্যান্য অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ার কারণে হ্রাস পেতে থাকে।

ফুসফুসের ক্যান্সার দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এর প্রধান কারণ বলা যেতে পারে ধূমপান। এছাড়াও, তামাক চিবানো, ধোঁয়ার সংস্পর্শে আসা, বাড়িতে বা কর্মক্ষেত্রে অ্যাসবেস্টস বা রেডনের মতো বিপজ্জনক পদার্থের সংস্পর্শ এবং পারিবারিক ইতিহাস সহ আরও অনেক কারণ থাকতে পারে।
ফুসফুসের ক্যান্সারের লক্ষণ কখন দেখা যায়?
বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু লোকের মধ্যে ফুসফুসের ক্যান্সারের লক্ষণ দেখা দিতে এক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কারণ ফুসফুস ক্যানসারের উপসর্গ দেখা যায় না যতক্ষণ না এই ক্যান্সার শেষ পর্যায়ে না পৌঁছায়। যাইহোক, এই টিউমারগুলি তাদের প্রাথমিক পর্যায়ে ক্রমাগত কাশি, শ্বাস নিতে অসুবিধা বা শ্বাস নেওয়ার সময় ব্যথা হিসাবে উপস্থিত হতে পারে। বেশিরভাগ মানুষই প্রাথমিক পর্যায়ে ফুসফুসের ক্যান্সার সম্পর্কে জানতে পারেন না এবং এ কারণে এর সঠিক চিকিৎসা করা যায় না। চিকিৎসার পরিবর্তে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে ফুসফুসের ক্যান্সারের সঠিক চিকিৎসা করা যায় এবং এর রোগীর জীবন বাঁচানো যায়।
আসুন জেনে নিই ফুসফুসের ক্যান্সারের চারটি প্রধান লক্ষণ যা একেবারেই উপেক্ষা করা উচিত নয়।ফুসফুসের ক্যান্সারের লক্ষণ-
দীর্ঘ সময় ধরে কাশি এবং কাশি থেকে রক্ত ​​বের হওয়া
ক্রমাগত কাশি ফুসফুসের ক্যান্সারের একটি বড় কারণ হতে পারে। যদিও কাশিকে রোগ বলা যায় না, তবে যদি ক্রমাগত কাশির সঙ্গে শ্লেষ্মা হতে থাকে এবং কাশিতে রক্ত ​​আসতে শুরু করে, তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারি পরীক্ষা করাতে হবে। যাইহোক, যখন কাশি হয়, ডাক্তাররা সনাক্ত করতে পারেন না যে এটি ফুসফুসের ক্যান্সার কারণ এটিকে লুকানো পর্যায় বলা হয়। যদি কাশি চার সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলতে থাকে, তাহলে ডাক্তারের কাছে পরীক্ষা করাতে হবে।

বুকে ব্যাথা এবং শ্বাস নিতে অসুবিধা
বুকে ব্যাথা এবং যে কোন সময় শ্বাস নিতে অসুবিধা বোধ করাও ফুসফুসের ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। যদি একজন ব্যক্তি বেশি ধূমপান করেন, তবে তার এবং তার কাছের লোকদের এই লক্ষণগুলি উপেক্ষা করা উচিত নয়। যদি তার বুকে ব্যথা হয়, পাশাপাশি শ্বাস নিতে গিয়ে শ্বাসকষ্ট হয়, তাহলে বুঝতে হবে ফুসফুসে সমস্যা আছে।

ক্লান্ত বোধ করা, হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া
ফুসফুসের ক্যান্সারের উপসর্গের মধ্যে রয়েছে কোনো কারণ ছাড়াই ক্লান্ত বোধ করা। বেশি কাজ না করেও সারাক্ষণ ক্লান্ত থাকাও এর লক্ষণ হতে পারে। মানসিকভাবেও ব্যক্তি ক্লান্ত এবং দুর্বল বোধ করে। কোনো কিছুতেই তার আগ্রহ নেই। ব্যক্তির ওজন হঠাৎ কমতে থাকে এবং সে দুর্বল বোধ করতে থাকে। সে তার ক্ষুধা হারায় এবং মাথা ঘোরা শুরু করে। এসব ক্লান্তি, দুর্বলতা হতে পারে ফুসফুসের ক্যান্সারের লক্ষণ।

মাথায়, কাঁধে, পিঠে ব্যথা
ক্রমাগত মাথায় ব্যথা, বুকে, কাঁধে বা পিঠে ক্রমাগত ব্যথা এবং অসময়ে জ্বরকেও ফুসফুসের ক্যান্সারের লক্ষণ বলা যেতে পারে। যদি একজন ব্যক্তির ক্রমাগত দুর্বলতা এবং কাশি সহ জ্বর হয়, তবে একটি ডাক্তারি পরীক্ষা করা উচিত। যারা ক্রমাগত ধূমপান করেন, তারা যদি এই অবস্থার সঙ্গে লড়াই করে থাকেন, তাহলে এগুলোকে ফুসফুসের ক্যান্সারের লক্ষণ বলা যেতে পারে।

ফুসফুসের ক্যান্সার কোন অংশে ছড়িয়ে পড়ে?
ফুসফুসের ক্যান্সারে, মেটাস্ট্যাসিস প্রায়ই মস্তিষ্ক, লিম্ফ নোড, লিভার এবং অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিগুলিকে প্রভাবিত করে। কিন্তু এটি সাইনোভিয়াল টিস্যু সহ শরীরের প্রায় কোথাও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

হাঁটু ক্যান্সারের লক্ষণ

ব্যথা
ফোলা
দাঁড়ানো সমস্যা
হাঁটু সোজা করতে অসুবিধা
ফুসফুসের ক্যান্সার হাঁটু পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ার পরে রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা
গবেষকদের মতে, ফুসফুসের কার্সিনোমা সাধারণত হাঁটু জয়েন্টের সাইনোভিয়াল টিস্যুকে প্রভাবিত করে। সাইনোভিয়াল টিস্যু শরীরের জয়েন্টগুলির চারপাশের প্রতিরক্ষামূলক ঝিল্লিতে একটি সংযোগকারী টিস্যু। এটি জয়েন্টগুলিকে ভালভাবে লুব্রিকেটেড রাখে, যা জয়েন্ট ফাংশনের জন্য অপরিহার্য। এমতাবস্থায় ফুসফুসের ক্যান্সার এখানে পৌঁছালে তা মারাত্মক আকার ধারণ করে। এর পর রোগীর কাছে গড়ে ৫ মাস সময় থাকে।
কীভাবে ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়
ফুসফুসের ক্যান্সার এড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল সিগারেটের ধোঁয়া এবং দূষিত বাতাসে শ্বাস নেওয়া এড়ানো। এর পাশাপাশি আপনার ফুসফুসকে সুরক্ষিত রাখতে ফলমূল ও শাকসবজি সমৃদ্ধ খাবার এবং নিয়মিত ব্যায়াম অপরিহার্য।

Disclaimer: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য। এটি কোনোভাবেই কোনো ওষুধ বা চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে না। আরও বিস্তারিত জানার জন্য সর্বদা আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।

সূত্র :অনলাইন (সংগ্রহীত)

🎀লাল আটার পুস্টিগুন🎀আটা শর্করাজাতীয় খাবার। শর্করা দেহে শক্তি জোগায়। আটা ও ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার যেমন বিস্কুট, ব্রেড, প্যা...
11/07/2023

🎀লাল আটার পুস্টিগুন🎀
আটা শর্করাজাতীয় খাবার। শর্করা দেহে শক্তি জোগায়। আটা ও ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার যেমন বিস্কুট, ব্রেড, প্যাটিস, শিঙাড়া, সমুচা ইত্যাদি মুখরোচক খাবার। এখন এসব খাবার তৈরিতে রিফাইন্ড বা পরিশোধিত আটা ব্যবহার হয়। লাল আটা আনরিফাইন্ড বা অপরিশোধিত। গম থেকে আটা তৈরির সময় গমের বাইরের আবরণ, যাকে ইংরেজিতে ‘ব্রান’ বলে তা সহ আটা প্রস্তুত হয়। তাই আটার রং লাল বা বাদামি হয়। এই আটা স্বাস্থ্যসম্মত ও খুবই পুষ্টিকর।

🔴 লাল আটার পুষ্টিগুণ

গমের বাইরের লাল বা বাদামি আবরণে অনেক পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। এই আবরণ ম্যাগনেশিয়াম নামক খাদ্য উপাদানে ভরপুর। এটি এক ধরণের খনিজ উপাদান, যা আমাদের দেহের প্রায় ৩০০ রকমের এনজাইমের কাজ পরিচালনা করে। লাল আটায় প্রচুর অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ রয়েছে। এ ছাড়া ফলিক এসিড, ফসফরাস, জিংক, কপার, ভিটামিন বি১, বি২ এবং বি৩-এর ভালো উৎস।

লাল আটা আনরিফাইন্ড হয়ে থাকে তাই এই আটা থেকে প্রাপ্ত শর্করা ধীরে ধীরে রক্তে মেশে। তাই লাল আটা খেলে রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ থাকে।

🔴 সুস্বাস্থ্যের জন্য লাল আটা

✴ গবেষণায় দেখা গেছে, লাল আটার অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

✴ এই আটায় লিগনান নামক এক ধরণের উপাদান রয়েছে, যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

✴ লাল আটার অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ ডায়াবেটিস রোগের জন্য উপকারী। কারণ এটি রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

✴ হৃদযন্ত্রের জন্যও উপকারী।

✴ প্রচুর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকায় দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

✴ লাল আটা ওজন কমাতে সহায়তা করে।

✴ কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করে।

🔴 লাল আটা ও ডায়াবেটিস

লাল আটা দিয়ে তৈরি খাবারে গ্লাইসেমিক ইনডেক্সও কম থাকে। সাধারণত খাবার খাওয়ার পর তা কত তাড়াতাড়ি রক্তে শোষিত হয় তা নির্ধারণের ইউনিট হচ্ছে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স। শর্করাজাতীয় খাবার যেমন বিস্কুট, কেক, পিৎজা ইত্যাদি খাওয়ার অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। অন্যদিকে লাল আটা খুব অল্প রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের লাল আটার রুটি খেতে পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।

🔴 উচ্চ রক্তচাপ নিরাময়ে লাল আটা

রিফাইন্ড আটায় দেহের জন্য উপকারী ভিটামিনস ও মিনারেলসের ঘাটতি থাকায় তা দেহের রক্ত চাপ বাড়িয়ে দেয়। ফলে আমরা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হই। তাই উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে লাল আটা দিয়ে তৈরি খাবার খেতে হবে।

🔴 ত্বক সুরক্ষায় লাল আটা

অতিরিক্ত পরিশোধিত আটা দিয়ে তৈরি খাবার খেলে ত্বক ভালো থাকে ব্রণের সমস্যা কম হয়। কারণ লাল আটায় বিদ্যমান খাদ্য আঁশ শরীরের টক্সিন-জাতীয় উপাদান বের করে দিতে সাহায্য করে।
লেখা-সংগৃহীত
সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন নিরাপদে থাকুন।
ধন্যবাদ।

ডেংগু এর প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে।ডেংগু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যাও  বাড়ছে প্রতিদিন । বদলেছে ডেংগু জ্বরের প্রকটতা ও লক্ষন।জ্...
10/07/2023

ডেংগু এর প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে।ডেংগু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে প্রতিদিন । বদলেছে ডেংগু জ্বরের প্রকটতা ও লক্ষন।

জ্বর, গা ব্যাথা,র‍্যাশ দেখা দিলেই ডাক্তার দেখান ও প্লাটিলেট কাঊন্ট পরীক্ষা করেন।ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাবেন না।

১০২/১০৩ বার তার বেশি জ্বর আসলে নাপা/প্যারাসিটামল ছয় ঘন্টা পর পর খেতে পারেন।

জ্বরে বেশি বেশি পানি,ডাবের পানি, ও স্যালাইন খেতে হবে যত পারা মুখে খেতে হবে এতে ডিহাইড্রেট হবার সম্ভাবনা কমে যায়। ডিহাইড্রেশন দেখা দিলে নিকটস্থ কোন হসপিটালের ডাক্তার দেখান,প্রয়োজনে স্যালাইন দিন। ডেংগু ভাল হবার পর ১ সপ্তাহ পর্যন্ত ফলোআপে থাকুন।

এসির পানি, বাসার টবে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিস্কার করুন।মশা/ডেংগু মুক্ত থাকুন।আপনার একটু সচেতনতার জন্য বাচতে পারে একটি জীবন।

তাসনিমা হক
নিঊট্রিশনিষ্ট, হেলথ এন্ড নিঊট্রিশন অর্গানাইজেশন
চীফ কোওর্ডিনেট, এইচ এন ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার

Address

Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health Advice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram