SUO XI Healthcare Diagnostic Lab

SUO XI Healthcare Diagnostic Lab SUO XI Healthcare Diagnostic Lab is an advanced Centre for diagnostic and medical services in BD.
(3068)

শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব

শশী হাসপাতাল বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের ভোর আলোকিত করেছে । আমাদের লক্ষ্য জনগনের স্বাস্থ্যকরভাবে বেঁচে থাকার নতুন প্রচেষ্টাকে অনুপ্রাণিত করা। আমাদের যত্ন এবং পরিষেবার উচ্চ মান যা আপনাকে প্রাথমিকভাবে আমাদের কাছে আকর্ষণ করে। চাইনিজ মেডিসিন, আকুপাংচার, ফিজিওথেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি এবং চীনা প্রাচীন চিকিৎসা সবই শশী হাসপাতালে সম্মিলিতভাবে অনুশীলন করা হয়। শশী হাসপাতাল এই চাইনিজ আকুপাংচার পদ্ধতিটি বাংলাদেশের সহ সারা বিশ্বের মানুষের ব্যবহারের জন্য তৈরি করেছে। জানুয়ারী ২০১৯ সালে, শশী হাসপাতাল তার দুঃসাহসিক কাজ শুরু করে। বর্তমান সময়ে এটি বাংলাদেশের একটি উচ্চ মানের হাসপাতালে মর্যাদা অর্জনে সমর্থ হয়েছে।

শশী হাসপাতাল আকুপাংচারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা গুলির দিকে নজর দিতে শুরু করেছে। বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষ শশী হাসপাতালে আকুপাংচার চিকিৎসা নিতে আসে। তাদের অধিকাংশই কাঙ্খিত ফলাফল পেতে সফল হয় এবং প্রফুল্লভাবে বাড়ি ফিরে যায়। আমরা আমাদের মূল্যবান রোগীদের প্রত্যেককে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করি। হাসপাতালের ভর্তি রোগীদের জন্য আকুপাংচার থেরাপি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অবশ্যই এই পরিষেবা প্রদানের সময় আকুপাংচার থেরাপি, সম্ভাব্য হাসপাতালের আকুপাংচার আবেদন এবং অনুমানযোগ্য ফলাফলগুলিকে প্রভাবিত করে। এর পাশাপাশি রোগীর শারীরিক অবস্থা, বর্তমান অবস্থা এবং চিকিৎসা প্রদানের পর অবস্থা সম্পর্কে গবেষণার পর একটি সিদ্ধান্তে আসি এবং সে অনুযায়ী আমরা রোগীদের চিকিৎসা প্রদানের চেষ্টা করি।

সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে শশী হাসপাতাল নিয়ে এসেছে ১ম শ্রেণীর সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ল্যাব ব্যবস্থা। যা শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব নামে পরিচিত। ডায়াগনস্টিক ল্যাবগুলি হল এমন সুবিধা যেখানে রোগ নির্ণয়, নিরীক্ষণ এবং প্রতিরোধের জন্য চিকিৎসা পরীক্ষা এবং বিশ্লেষণ করা হয়। এই ল্যাবগুলি রোগীর যত্ন এবং চিকিৎসার সিদ্ধান্তে সহায়তা করার জন্য সঠিক এবং সময়োপযোগী ফলাফল প্রদান করে স্বাস্থ্যসেবায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব সম্পর্কিত কিছু সাধারণ বিবরণ এবং দিক রয়েছে যেগুলো রোগীদের কঠিন রোগ নির্ণয় এবং প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে চলেছে।

পরিষেবাসমূহঃ

শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাবে যে সমস্ত পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়েছে তার তালিকা সমূহঃ

● রক্ত পরীক্ষা (RBS Test),
● প্রস্রাব পরীক্ষা (Urine Test)
● ইমেজিং পরীক্ষা (Imaging Test)
● হেমাটোলজির বিভিন্ন পরীক্ষা (CBC/HB Test)
● প্যাথলজি পরীক্ষা (Pathologycal Test)
● জেনেটিক পরীক্ষা (GeneticTest)
● কিডনি পরীক্ষা (Kritinin Urea Test)
● লিভার পরীক্ষা (ALT,AST Test)
● কোলেস্টেরল পরীক্ষা (Chol. Test)
● মাংসপেশির বিভিন্ন রোগ পরীক্ষা (CK2 Test)
● ট্রাই গ্লিসারিড পরীক্ষা (Trigly Test)
● বাত ব্যথা সম্পর্কিত পরীক্ষা (RF2 Test)
● ডায়াবেটিক রোগীদের সুগার পরীক্ষা (Gluc GP Test)
● জন্ডিস পরীক্ষা (T-bil Test)
● ক্যালসিয়াম পরীক্ষা (Calcium Test)
● ইউরিক অ্যাসিড পরীক্ষা (Uric Acid Test)
● মাইক্রোবায়োলজির বিভিন্ন পরীক্ষা (Microbiologycal Tests)
● থাইরয়েড পরীক্ষা (Thyroid Test)
● ভিটামিন ডি পরীক্ষা (Vitamin D)

এছাড়া আরও অনেক কিছু সহ বিস্তৃত পরিসরে শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। এছাড়া এখানে অত্যাধুনিক যন্ত্রাদি ধারা ইলেক্ট্রোলাইট পরীক্ষা করা হয়। এটা শরীরে লবণের পরিমাণ নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

এছাড়া এখানে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় মেশিনের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। উন্নত বিশ্বে মানবদেহের পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য যেই উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় সেগুলো রয়েছে এই শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাবে। বাংলাদেশের আরো বিভিন্ন হাসপাতালে এরকম ল্যাব ব্যবস্থা রয়েছে কিন্তু প্রথম শ্রেণীর স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা এই প্রথম। এখানে দক্ষ টেকনিশিয়ান দ্বারা মানব দেহের বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা নিরীক্ষা গুলি সম্পন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি টিম রয়েছে যারা এই পরীক্ষাগুলি নিশ্চিত করেন। বর্তমানে মানুষের কথা চিন্তা করে শশী হাসপাতাল এই সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ল্যাব ব্যবস্থা নিয়ে এসেছে। এখানে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি এবং দক্ষ কারিগর দ্বারা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হচ্ছে। আকুপাংচার এর পাশাপাশি শশী হাসপাতাল এখন বিভিন্ন রোগ নির্মূলে সর্বদা স্বয়ংক্রিয় এবং সম্পূর্ন।

নমুনা সংগ্রহঃ

শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাবে প্রশিক্ষিত ফ্লেবোটোমিস্ট বা টেকনিশিয়ান রয়েছে, যারা রোগীদের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে। রক্তের নমুনা, প্রস্রাবের নমুনা, টিস্যুর নমুনা বা অন্যান্য শারীরিক তরল পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করা হয়।





পরীক্ষার পদ্ধতিঃ

শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাবে সঠিকভাবে নমুনা বিশ্লেষণ করতে বিভিন্ন কৌশল এবং যন্ত্র ব্যবহার করা। এর মধ্যে রয়েছে,

● স্বয়ংক্রিয় বিশ্লেষক
● মাইক্রোস্কোপ
● PCR Machine
● Sysmex Machine, Japan
● Thermo Fisher Scientific Machine, Finland
● Automated ESR Machine
● Fully Automated Cell Counter Machine
● Biochemistry automated analyzer Machine

এবং নির্দিষ্ট পরীক্ষার জন্য বিশেষ সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

গুণমানের নিশ্চয়তাঃ

নির্ভুল এবং নির্ভরযোগ্য পরীক্ষার ফলাফল নিশ্চিত করতে শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাবে সর্বদা কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনুসরণ করে। তারা মানসম্মত প্রোটোকল মেনে চলে, দক্ষতার সাথে পরীক্ষা-নিরীক্ষা গুলো করা হয়, যথাযথ ডকুমেন্টেশন বজায় রাখে এবং নিয়মিত পরিদর্শন ও সার্টিফিকেশনের মধ্য দিয়ে যায়। তাই পরীক্ষা-নিরীক্ষার গুণগত মান বজায় রাখার জন্য শশী হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব সর্বদা দৃঢ় প্রত্যয়ী।

টার্ন অ্যারাউন্ড টাইমঃ

পরীক্ষার ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ এবং সরবরাহ করতে যে সময় লাগে তা পরীক্ষার জটিলতা এবং ল্যাবের কাজের চাপের উপর নির্ভর করে। এক্ষেত্রে শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব সর্বদা সচেতন এবং নির্দিষ্ট সময়ে তারা কাজ সম্পন্ন করতে সর্বদা সচেষ্ট থাকেন। জরুরী পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় পরিবর্তন হতে পারে এবং তা রোগীর রোগের উপর নির্ভর করে। কোন কোন বিশেষ ক্ষেত্রে সময় এর পরিবর্তিত হতে পারে।

স্বীকৃতি এবং শংসাপত্রঃ

স্বনামধন্য ডায়াগনস্টিক ল্যাবগুলি প্রায়শই কলেজ অফ আমেরিকান প্যাথলজিস্টস (সিএপি), ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি ইমপ্রুভমেন্ট অ্যামেন্ডমেন্টস (সিএলআইএ), বা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন (আইএসও) এর মতো স্বীকৃত সংস্থাগুলির কাছ থেকে স্বীকৃতি চায়। এই স্বীকৃতিগুলি গুণমান এবং কর্মক্ষমতার উচ্চ মানের আনুগত্য নিশ্চিত করে। শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব তাদের গুণগত মানের জন্য বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম। অদূর ভবিষ্যতে তারা তাদের এই লক্ষ্য পূরণে সফল হবে।
গোপনীয়তাঃ

শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব রোগীর গোপনীয়তাকে অগ্রাধিকার দেয় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হেলথ ইন্স্যুরেন্স পোর্টেবিলিটি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যাক্ট (HIPAA) এর মতো কঠোর গোপনীয়তা বিধি মেনে চলে। রোগীর তথ্য এবং পরীক্ষার ফলাফল অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে পরিচালনা করা হয় এবং প্রতিটি রোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পূর্ণ নির্ভুল এবং সঠিক সময়ে প্রদানের জন্য তাদের রয়েছে বিশেষ সুনাম।

শেষ কথা

এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে ডায়াগনস্টিক ল্যাব সম্পর্কে নির্দিষ্ট বিবরণ দেশ, অঞ্চল এবং পৃথক ল্যাবের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে। আপনি যদি বিশেষভাবে একটি অত্যাধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় ডায়াগনস্টিক ল্যাব খুঁজছেন, তবে এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব সর্বদা আপনার পাশেই রয়েছে। যেকোনো সময়ে রোগীরা আমাদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়া আমাদের পরিষেবা, চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে সঠিক এবং আপ-টু-ডেট তথ্য পেতে আমাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। সুস্বাস্থ্য ও মানবতার সেবায় শশী হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব সর্বদা দৃঢ় প্রত্যয়ী।

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ এবং ভাইরাস জ্বর পার্থক্য...
03/02/2026

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ এবং ভাইরাস জ্বর পার্থক্য...

02/02/2026

কিডনি সমস্যা দূর করার উপায় | Health tips | Animation

রোজা রেখে ল্যাব টেস্ট নিয়ে ভুল ধারণা ভাঙুন...          #
02/02/2026

রোজা রেখে ল্যাব টেস্ট

নিয়ে ভুল ধারণা ভাঙুন...

#

লিভারের রোগ হওয়ার কাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ...
01/02/2026

লিভারের রোগ হওয়ার কাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ...

31/01/2026

স্বাস্থ্য পরামর্শ...

গ্যাসট্রিকের সমস্যা নির্ণয়ে যেসব পরীক্ষা হয়...
31/01/2026

গ্যাসট্রিকের সমস্যা নির্ণয়ে যেসব পরীক্ষা হয়...

হেপাটাইটিস রোগ কী এবং কিভাবে ছড়ায়?হেপাটাইটিস হলো লিভারের (যকৃতের) একটি রোগ, যেখানে লিভারে প্রদাহ বা ইনফেকশন হয়। এই রোগ হ...
29/01/2026

হেপাটাইটিস রোগ কী এবং কিভাবে ছড়ায়?

হেপাটাইটিস হলো লিভারের (যকৃতের) একটি রোগ, যেখানে লিভারে প্রদাহ বা ইনফেকশন হয়। এই রোগ হলে লিভার ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। হেপাটাইটিস সাধারণত ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে, তবে কিছু ক্ষেত্রে ওষুধ, অ্যালকোহল বা অন্যান্য কারণেও হতে পারে। হেপাটাইটিস ভাইরাসের ধরন অনুযায়ী একে হেপাটাইটিস A, B, C, D ও E নামে ভাগ করা হয়।

হেপাটাইটিস কিভাবে ছড়ায়?
হেপাটাইটিস A ও E সাধারণত দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে ছড়ায়। অপরিষ্কার পানি পান করা বা নোংরা খাবার খেলে এই ধরনের হেপাটাইটিস হওয়ার ঝুঁকি বেশি। অন্যদিকে হেপাটাইটিস B, C ও D ছড়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত, বী/র্য বা শরীরের অন্যান্য তরলের মাধ্যমে। যেমন— অপরিষ্কার সুচ বা সিরিঞ্জ ব্যবহার, রক্ত সঞ্চালনের সময় সংক্রমিত ব্যক্তির রক্ত নেওয়া, অসুরক্ষিত যৌ/ন সম্পর্ক অথবা আক্রান্ত মায়ের কাছ থেকে শিশুর শরীরে ভাইরাস প্রবেশের মাধ্যমে।

সতর্কতা: পরিষ্কার খাবার ও পানি ব্যবহার, একবার ব্যবহারযোগ্য সিরিঞ্জ ব্যবহার, নিরাপদ যৌ/ন সম্পর্ক এবং প্রয়োজন অনুযায়ী টিকা গ্রহণ করলে হেপাটাইটিসের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

বাচ্চা সুস্থ থাকার চেনার উপায়...
28/01/2026

বাচ্চা সুস্থ থাকার চেনার উপায়...

আর নয় দেরি রমজানের আগেই করুন স্বাস্থ্য পরীক্ষা...
27/01/2026

আর নয় দেরি রমজানের আগেই করুন স্বাস্থ্য পরীক্ষা...

গর্ভধারণের সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়গর্ভধারণে সমস্যা বর্তমানে অনেক দম্পতির জন্য একটি সাধারণ কিন্তু সংবেদনশীল বিষয়। সঠিক স...
26/01/2026

গর্ভধারণের সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়

গর্ভধারণে সমস্যা বর্তমানে অনেক দম্পতির জন্য একটি সাধারণ কিন্তু সংবেদনশীল বিষয়। সঠিক সময়, শারীরিক সুস্থতা, মানসিক প্রস্তুতি, বয়সজনিত ও জীবনযাপনের ওপর গর্ভধারণ অনেকটাই নির্ভরশীল। কিছু সচেতনতা ও সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।

১. সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ:
গর্ভধারণের জন্য শরীরকে সুস্থ ও প্রস্তুত রাখা জরুরি। নিয়মিত শাকসবজি, ফলমূল, দুধ, ডিম, মাছ, ডাল ও পর্যাপ্ত পানি পান করা প্রয়োজন। ফলিক অ্যাসিড, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন–ডি গর্ভধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে

২. নিয়মিত মাসিক চক্র পর্যবেক্ষণ:
মাসিক চক্র নিয়মিত না হলে গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে। ওভুলেশনের সময় (ডিম্বাণু নিঃসরণের সময়) সম্পর্কে ধারণা থাকলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ে

৩. মানসিক চাপ কমানো:
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে, যা গর্ভধারণে বাধা সৃষ্টি করে। পর্যাপ্ত ঘুম, বিশ্রাম ও পছন্দের কাজে সময় দিলে মানসিক স্বস্তি পাওয়া যায়

৪. স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন:
ধূমপান, মাদক গ্রহণ ও অতিরিক্ত ক্যাফেইন গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমিয়ে দিতে পারে। নিয়মিত হালকা ব্যায়াম শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

৫. ওজন নিয়ন্ত্রণ:
অতিরিক্ত কম বা বেশি ওজন হরমোনজনিত সমস্যার কারণ হতে পারে। সঠিক ওজন বজায় রাখলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ে

৬. সংক্রমণ ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা চিকিৎসা:
থাইরয়েড, ডায়াবেটিস, পিসিওএস (PCOS) বা অন্যান্য সংক্রমণ থাকলে সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। এসব সমস্যা গর্ভধারণে প্রভাব ফেলতে পারে

আমাদের এই পোস্টটির মাধ্যমে যদি আপনি উপকৃত হয়ে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে লাইক এবং আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না।

25/01/2026

ধূমপান ❌

কিডনি রোগের কারণ...
24/01/2026

কিডনি রোগের কারণ...

Address

SUO XI Hospital (Acupuncture), 24/1 Shaan Tower, Chamelibag, Shantinagar
Dhaka
1217

Opening Hours

Monday 08:00 - 20:00
Tuesday 08:00 - 20:00
Wednesday 08:00 - 20:00
Thursday 08:00 - 20:00
Friday 08:00 - 20:00
Saturday 08:00 - 20:00
Sunday 08:00 - 20:00

Telephone

+8809613100600

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SUO XI Healthcare Diagnostic Lab posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to SUO XI Healthcare Diagnostic Lab:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram