TA Center BD

TA Center BD এই পেইজে আত্মশক্তি’র TA-র কাজকর্ম প্র?

10/10/2020

আপনার মনের যত্ন নিন। আপনার মনের যত্ন নিন। আপনার মনের যত্ন নিন।
সবাইকে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের শুভেচ্ছা।

৯.১০.২০২০। টিএ আড্ডার বিষয়: স্বীকৃতির লেন-দেন।সময়: রাত ৮টা - ১০টা। সকলের জন্য উন্মুক্ত।🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴২.১০.২০২...
09/10/2020

৯.১০.২০২০। টিএ আড্ডার বিষয়: স্বীকৃতির লেন-দেন।
সময়: রাত ৮টা - ১০টা। সকলের জন্য উন্মুক্ত।
🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴

২.১০.২০২০ টিএ আড্ডার বিষয় ছিল আপনার শিশুকাল আপনার দুঃখ কষ্টের অন্যতম কারন। অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের বিগত সাত দিনের দুঃখ, রাগ, ভয়ের কথা মনে করেন। সেটা শেয়ার করেন এবং ছোটবেলায় সেই অনুভুতির উৎপত্তি কবে হয়েছিলো সেটা মনে করার চেষ্টা করেন।

প্রত্যেকেই যে অভিজ্ঞতা লাভ করেন তা হলো, কারো জীবনে দুঃখ, কারো জীবনে রাগ, কারো জীবনে ভয় হলো প্রধান কষ্ট। এবং এই কষ্টের বীজ বপন করা হয়েছে শিশুকালে।

সব শেষে আমরা এন.এল.পির এনকোরিং এর মাধ্যমে আমাদের খারাপ লাগার অনুভুতি এবং খারাপ স্মৃতিটাকে ভালো লাগার স্মৃতি দ্বারা রিপ্লেইস করি। সকলে একটা সুখকর অনুভুতি নিয়ে আড্ডা শেষ করি।

কেপি এন.এল.পির এনকোরিং এর মত গুরুত্বপুর্ন একটি মেথড আমাদের কাছে দুটি সেশনে হাতে-কলমে বুঝিয়ে দেন।

০২.১০.২০২০ টিএ আড্ডা বিষয়: রাবারবেন্ড: সকল দুঃখ-কষ্টের কারণ। সন্ধ্যা ৭.৩০। সকলের জন্য উন্মুক্ত। লিংক TA Adda Link Sharin...
01/10/2020

০২.১০.২০২০ টিএ আড্ডা বিষয়: রাবারবেন্ড: সকল দুঃখ-কষ্টের কারণ। সন্ধ্যা ৭.৩০। সকলের জন্য উন্মুক্ত। লিংক TA Adda Link Sharing মেসেঞ্জার গ্রুপে
️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️
২৫.৯.২০২০ এর প্রতিবেদন। লিখেছেন কয়েকজন।
♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️
গত শুক্রবারের সেশনের ঘোষিত বিষয় ছিল নোঙর করা। তবে সঞ্চালকের অঘোষিত উদ্দেশ্য ছিল ‘আমি’ থেকে ‘আমরা’ হয়ে ওঠা। সেশনে আমরা সকলে কাজ করেছি। প্রতিবেদনও আমরা অনেকে লিখেছি। পাঠক, আপনিই বলুন, যারা কাজ করেছেন, অবদান রেখেছেন, তাঁরা প্রত্যেকে ‘আমি’কে ছাড়িয়ে ‘আমরা’ হয়ে ওঠার অনুশীলন করেছেন কি-না? অভিনন্দন আমাদেরকে।
♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️

প্রতিবেদনে মারজানা Marzana Rashid লিখেছেন ♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️
কেপিকে ধন্যবাদ।

২৫.৯.২০২০ টিএ আড্ডার বিষয় ছিলো এন.এল.পি-র এনকোরিং। আড্ডার শুরুতে আমরা এনকোরিং কি এবং কিভাবে কাজ করে তা নিয়ে আলোচনা করি এবং এরপর আমরা নিজেদের অতীত স্মৃতি থেকে নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য শক্তি নেয়ার জন্য এনকোরিং করি। অতীত স্মৃতিতে গিয়ে কার কি অনুভুতি হলো সেটা শেয়ারিং হয়। আমরা অনেকেই এমন অনেক কিছু অনুভব ও অনুধাবন করি যা আমরা আগে কখনো খেয়ালই করিনি।

বহু এএলপি সেশনে যোগদানের অভিজ্ঞতা থেকে আমার মনে হয়, কেপির এনএলপি সেশন ওয়ান্ডারফুল। কেপি তাঁর সেশনে মানুষকে অনেক বেশি কানেকটেড করতে পারেন। মানুষ কানেকটেড ফিল করে। কেপিকে ধন্যবাদ।
♦️♦️️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️

ডা. অসীম Ashim Kanti Roy লিখেছেন ♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️
আটকে পড়া শিশুর মুক্তির স্বাদ।

তখন জানতাম না, এমনি করে কোন এক শুক্রবারের আড্ডার ‘নোঙর করা’ সেশনে সুরমা নদীর পাড়ে সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানার গবিন্দনগরের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে। মুক্তশিশুর অনুভূতি নিয়ে। একটি বাড়ি। সামনের উঠোন পেরোলে নদী, পেছনের উঠোন পেরোলে পুকুর, তারপর মাঠ, মাঠের যেন শেষ নেই। গাছ, ঘাস, শস্য, ফুল আর ফল। সকলে মিলেমিশে যেন এক সোনার সংসার। আমি যখন যেখানে গিয়েছি, এরা আমার সাথে সাথে রয়েছে।

কোলকাতা শহরের শীতহীন শীতের সকালে আমার বাড়ির পেছনের বারান্দায় বসে আজও গায়ে শিহরণ জাগে, গায়ের ছোট্ট নদীটি সামনে ভেসে উঠে। আবার, বর্ষাকালে আকাশ অন্ধকার করা প্রচণ্ড বৃষ্টির দিনে যখন বারান্দায় বসি তখন আম গাছটি আমার সামনে এসে দাঁড়ায়। গাছটি এর ডালে বসে বৃষ্টির শব্দ শুনতে আহ্বান করে।

এদের ভালবাসার আহ্বানে প্রতিবারই আমার চোখে জল আসে। অপূর্ব এক অনুভূতিতে আমার মন ভরে ওঠে। এভাবে হাসি-কান্নার পরশ নিয়ে আমি আর আমার শৈশবস্মৃতিরা গোপন মনে নিজেদের মধ্যে ভালই ছিলাম। হঠাৎ কেপি এনকোরিং সেশনে সকলের মাঝে আমাদের রূদ্ধ দুয়ার উন্মুক্ত করে দিলেন। এই প্রথম এরা বাইরে এল। এ যেন আটকে পড়া মুক্ত শিশু নতুন করে মুক্তির স্বাদ পেল। ধন্যবাদ সেশনের সকলকে। কৃতজ্ঞতা কেপির কাছে।
♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️

হাসিনা আখতার Hasina Akter লিখেছেন ♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️
কাঁঠালচাপার নোঙর

রাতের আঁধার কেটে ভোরের আধো আধো আলো আসতেই আব্বা জানালা খুলে পর্দা সরিয়ে দিতেন। সকালের বাতাস সুস্থতার জন্য জরুরী । রাতের প্রশান্তির ঘুম শেষে দিনের প্রথম কাজ প্রকৃতি রূপ দেখা। আমরা দুই বোন বেরিয়ে পড়তাম। শিশির ভেজা রাস্তায় একচ্ছত্র আধিপত্য থাকত। ভোরের সজীব হাওয়ায় প্রথম ফোঁটা গোলাপ ও পদ্ম ফোঁটা দৃশ্য দেখার সৌন্দর্য উপভোগ করতাম। একরাশ ভালোবাসা নিয়ে দিন শুরু হত। বাড়ির পাশে ছিল এক হিন্দু ব্রাহ্মণ বাড়ি। তাদের বিশাল বাগান বাড়ির একপাশে ছিল শান বাঁধানো পুকুর পাড়। পাশেই ছিল কাঁঠাল চাপা ফুলের গাছ। ঝড়া ফুল পানিতে ভাসমান অবস্থায় অসম্ভব সুন্দর লাগতো। শৈশবের সেই ভালোলাগা যে আমার ভালো থাকার প্রেরণা হয়ে উঠবে আমি বুঝতেই পারিনি। নোঙর সেশনটি আমাকে সেই অনুভূতি আবার ফিরিয়ে দিয়েছে। আমি কাঁঠালচাপার সাথে নোঙর করেছি। চোখ বন্ধ করে আমি এখন কাঁঠালচাপার গন্ধ পাই। আমি কাঁঠালচাপাকে ভালোবাসি। সকলকে কাঁঠালচাপার শুভেচ্ছা।
(এলবামে দেখুন, তাঁরই পাঠানো কাঁঠালচাপা ফুঁটেছে)।

♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️
ফাহমিদা Fahmida Yeasmin লিখেছেন ♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️
বাবাকে দেখতে পাচ্ছিলাম

অতীত শক্তির স্মৃতির সাথে নোঙর করতে গিয়ে আমি আমার বাবাকে দেখতে পাচ্ছিলাম । বাবা অফিসে যাবার সময় অর্ধেকটা ভাত খেতেন আর অর্ধেকটা আমাদের জন্য রেখে দিতেন । আমরা ভাই-বোনরা বাবার প্লেটের ভাত খাবার জন্য অস্থির হয়ে থাকতাম‌। বাবা আমাকে স্ংগ্ৰাম করতে শিখিয়েছেন । আমাকে সবসময় বলতেন, মেয়েদের শিক্ষিত হওয়াটা খুব জরুরি। মেয়েদের স্বাবলম্বীও হতে হবে । আমি আজ চাকরি করছি । উপার্জন করছি । শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী দুটোই হয়েছি। কিন্তু বাবা নেই । বাবা যদি বেঁচে থাকতেন অনেক খুশি হতেন‌।
♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️

রোকসানা Ruksana Begum লিখেছেন ♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️
আমি পারবো

০৫ মাস ১৫ দিন মা কে দেখিনা। গত শুক্রবারের এ্যানকেরিং সেশনে কেপি যখন স্মৃতি থেকে শক্তি সংগ্রহ করতে বললেন, তখনও ভালোমত বুঝতে পারিনি, আমি আসলে কী করতে যাচ্ছি। একটা সময় অনুভব করতে পারলাম মা-আব্বা দুজনেই আমার কাছে এসে বসলেন। বললেন, আমরা ভালো আছি... সেই আগের মত। স্নেহভরা চুমু দিয়ে বললেন, তুমি কেন এমন করছো, মা? তুমি সোজা হয়ে দাঁড়াও, সামনে এগিয়ে যাও, তুমি পারবে। তুমি ভালো থাকলে আমাদের শান্তি লাগবে। আগের মতই সাহস আর শক্তি দিয়ে আমাকে এগিয়ে যেতে বললেন।
মা শেষ সময়টাতে যখন কথা বলতে পারতেন না, শুধু প্রচণ্ড শক্তি দিয়ে আমার হাতটা চেপে নিজের বুকের মধ্যে চেপে রেখে চুপ হয়ে যেতেন, সেই চাপ এখনো আমাকে শক্তি দেয়। মা-বাবা আমার শক্তি হয়েই থাকবেন আমার বাকী জীবন। আমি পারবো। এই অনুভূতি অনুভব করতে করতে সবার সামনে প্রকাশ্যে ব্যকুল হয়ে কেঁদেছি। কে দেখছে, কি ভাবছে, সেটা নিয়ে ভাবিনি। আমি নিজেকে প্রকাশ করতে পেরেছি। শক্তি নিয়েছি। উপলব্ধি করেছি, আমি পারবো।
♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️

সাজ্জাদ Md. Sazzad Hossain লিখেছেন ♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️
আমার ঘুরে দাঁড়ানোর দিনগুলো

নোঙর সেশন করতে গিয়ে আমার মনের পুঞ্জিভূত কষ্ট কান্নার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। জীবনে চলার পথে অনেক সংগ্রামের কথা ভেসে উঠেছে। এতে নিজেকে অনেক হাল্কা মনে হচ্ছে। ঢাকার রাস্তায় যখন উদাসীন মনে হাঁটতাম তখন নিজেকে বড় অসহায় মনে হতো। এমনই এক সময় আমার এক জুনিয়র ভাই বললো, কিছু একটা নিয়ে শুরু করতে। আমিও তাই করেছিলাম। সেই যে কিছু একটা করার মন্ত্র, তা আজ আমাকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে এসেছে। সেই উদাসীন মনের কষ্টগুলো কখনও পুরোপুরি মনে পড়তো না। নোঙর আমাকে সেখানে নিয়ে যেতে পেরেছে। আমি আমার ঘুরে দাঁড়ানোর দিনগুলোতে আবার নোঙর করতে পেরেছি। কেপিকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️

মিলি বেগম Mili Begum লিখেছেন ♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️
“তোমরা ভুলেই গেছো মল্লিকাদির নাম।”

গানটি শোনার সাথে সাথে যে মুখটি ভেসে উঠে তিনি হলেন আমার লাভলি আপা,আমার পাড়াতুতো বড় বোন, আমার বন্ধু, আমার গাইড, আমার প্রেরণা।

ছোটবেলা সময়ে অসময়ে ছুটে যেতাম ঐ বাড়িটায় যেখানে থাকতেন আমার লাভলি আপা। যে বাড়ির বাগানে আমায় নিয়ে চড়ুইভাতির আয়োজন করতেন, চড়ুইভাতি শেষে বিকালে আপাদের উঠানেপাল্লা দিয়ে দড়ি-লাফানো (স্কিপিং), দাড়িয়া-বাঁধা, গোল্লাছুট, আরোও কত কি। তিনি ছিলেন আমার সকল খেলার সাথী।

একটু বড় হ্ওয়ার পর আপা বললেন ভাল রেজাল্ট করতে হলে পড়তে হবে। রুটিন করে পড়া, দায়িত্ব-কর্তব্য, বিপদে ধৈর্য্য ধরা সবই আমি তার কাছ থেকে শিখি। এই শিক্ষা যেমন আমায় বড় বড় সমস্যা ধৈর্য্য ধরে মোকাবেলা করতে সহায়তা করেছে তেমনি সহায়তা করছে দুই সন্তানকে ভালোভাবে মানুষ করতে ।

আমার পড়াশুনা, আমার কাজ, আমার সংসারজীবনের সর্বক্ষেত্রে যার নির্দেশনা ছিল তিনি হলেন আমার মেজভাই। জীবন চলার পথে প্রতিটি কাজে তার দিকনির্দেশনা আমায় এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। সুখ- দুঃখে সর্বক্ষেত্রে তার সহায়তার হাতটি বাড়িয়ে রাখেন সবসময়। তার কাছে গেলে উদ্বুদ্ধ হই। নতুন করে কাজ করার প্রেরণা পাই। তার নির্দেশনা না পেলে হয়ত এই সেশনেও আমার থাকা হতোনা। তার পরামর্শেই আমি টিএ-১০১ করেছিলাম।

আমার জীবনে রিসোর্স পার্সনদের মধ্যে কেপিও একজন। আমি তাঁর কাছ থেকে শিখেছি নিজের জন্য ভাবতে আর নিজেকে ভালবাসতে। শিখেছি নতুন করে স্বপ্ন দেখতে, কাজ করতে। ধন্যবাদ কেপি। আপনার নোঙর সেশনে এসে আজ আমার এতাসব কথা মনে হলো। শক্তি পেলাম।

🎀♦️🍁২৫.৯.২০২০. সন্ধ্যা ৭.৩০। টিএ আড্ডার বিষয়, আসুন, নোঙর করি (Anchoring)। যোগ দিন। সুখস্মৃতির সাথে সাথে নোঙর করুন। জীবনে...
25/09/2020

🎀♦️🍁২৫.৯.২০২০. সন্ধ্যা ৭.৩০। টিএ আড্ডার বিষয়, আসুন, নোঙর করি (Anchoring)। যোগ দিন। সুখস্মৃতির সাথে সাথে নোঙর করুন। জীবনের জন্য শক্তি নিন। সকলের জন্য উম্মুক্ত। লিংক পাবেন TA Adda Link Sharing মেসেঞ্জার গ্রুপে।
🎀♦️🍁🎀♦️🍁🎀♦️🍁🎀♦️🍁🎀♦️🍁🎀♦️🍁🎀♦️🍁🎀♦️🍁
১৮.৯.২০২০ এর আড্ডার বিষয় ছিল ‘পারস্পরিক নির্ভরশীলতার সম্পর্ক।’ আমরা দেখেছি পরনির্ভরশীলতা, আত্মনির্ভরশীলতা থেকে কীভাবে পারস্পরিক নির্ভরশীলতায় যেতে হয়। এটাই টেকসই সম্পর্কের প্যারাডাইম। এখানেই সম্ভব উইন-উইন। এই প্যারাডাইম এমনি এমনি আসে না। অর্জন করতে হয়। তাই শিখতে হয়। পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ছাড়া বড়ো কাজ সম্ভব হয় না।
আড্ডার পদ্ধতি ছিলো অংশগ্রাহী । জমেও উঠেছিল আড্ডা। সকল অংশগ্রহণকারীকে অভিনন্দন।

♦️♦️০৪.০৯.২০২০ শুক্রবারের আড্ডা ছিলো উইন-উইন রিলেশন ৩য় পর্ব। প্রথম পর্বে উইন-উইনের সাথে পরিচয়, দ্বিতীয় পর্বে ছিল কীভাবে ...
11/09/2020

♦️♦️০৪.০৯.২০২০ শুক্রবারের আড্ডা ছিলো উইন-উইন রিলেশন ৩য় পর্ব। প্রথম পর্বে উইন-উইনের সাথে পরিচয়, দ্বিতীয় পর্বে ছিল কীভাবে পৌঁছবো উইন-উইনে? প্রয়োজন, বিবেচনাবোধ ও সাহসের ভারসাম্য। তৃতীয় পর্বে ছিল, এই ভারসাম্যের জন্য কী চাই? চাই অন্যকে শোনা, তাকে বোঝা (বিবেচনাবোধ)। নিজের কথা বলা। আন্যের কাছে নিজেকে উপস্থাপন করা ও গ্রহণ করানো (সাহস)।🍁
🔻🔻কেপির অসুস্থতাজনিত কারণে আজ ১১.০৯.২০২০ এর আড্ডা স্থগিত থাকবে। ১৮’০৯.২০২০-এ আড্ডা হবে বিষয়: পারস্পরিক নির্ভরশীলতা বা Interdependence

03/09/2020

🔻🍁প্রশ্ন হলো: কীভাবে উইন-উইনের জন্য নিজের মধ্যে সাহস আর বিবেচনাবোধের ভারসাম্য আনবেন? জানতে পারবেন ৪.৯.২০২০ এর আড্ডায়।🔻🍁️ উইন-উইন রিলেশনের ৩য় পর্বে।
🎀🔻️ ২১.৮.২০২০ থেকে শুরু হয় উইন-উইন সম্পর্ক নিয়ে আড্ডা।🎀🔻🍁❣️ সেদিন ছিলো ১ম পর্ব। উপস্থাপিত হলো ৬ রকমের সম্পর্ক্। এর মধ্যে উইন-উইন সম্পর্ক্ কেন চাই?🎀🔻🍁❣️
🍁❣️ ২৮.৮.২০২০ শুক্রবার একই বিষয়ের ২য় পর্ব। আড্ডার বিষয় ছিল উইন-উইন রিলেশনে পৌঁছবো কীভাবে?🔻🍁️ পৌঁছার একমাত্র পথ ‘সাহস’ আর ‘বিবেচনাবোধ’-এর ভারসাম্য। আপনার যদি সাহস বেশি আর বিবেচনাবোধ কম হয় তবে আপনি পৌঁছাবেন উইন-লস-এ। আপনি জিতবেন অন্যকে হারাবেন। সম্পর্ক টিকবে না। টিকলেও স্বাস্থ্যপ্রদ হবে না। বিবেচনাবোধ বেশি, সাহস কম হলে আপনি পৌঁছাবেন লস-উইন-এ। আপনি হেরে যাবেন অন্যে জিতে যাবে। তখন আপনি হতাশায় ভুগবেন। মনোদৈহিক অসুখ হবে। 🔻🍁❣️ আপনার মধ্যে কেবল সাহস আর বিবেচনাবোধের ভারসাম্য থাকলেই আপনি পৌঁছবেন উইন-উইন-এ। আপনি জিতবেন, অন্যকেও জিততে দিবেন।
🎀🔻🍁❣️ প্রশ্ন হলো: কীভাবে নিজের মধ্যে সাহস আর বিবেচনাবোধের ভারসাম্য আনবেন? জানতে পারবেন ৪.৯.২০২০ এর আড্ডায়।🎀🔻🍁❣️
🎀🔻️ আড্ডা সকলের জন্য উন্মুক্ত। লিংক দেওয়া থাকবে TA Adda Link Sharing মেসেঞ্জার গ্রুপে। আপনিও যোগ দিন।️

🔻🍁প্রশ্ন হলো: কীভাবে উইন-উইনের জন্য নিজের মধ্যে সাহস আর বিবেচনাবোধের ভারসাম্য আনবেন? জানতে পারবেন ৪.৯.২০২০ এর আড্ডায়।🔻🍁️...
03/09/2020

🔻🍁প্রশ্ন হলো: কীভাবে উইন-উইনের জন্য নিজের মধ্যে সাহস আর বিবেচনাবোধের ভারসাম্য আনবেন? জানতে পারবেন ৪.৯.২০২০ এর আড্ডায়।🔻🍁️ উইন-উইন রিলেশনের ৩য় পর্বে।

🎀🔻️ ২১.৮.২০২০ থেকে শুরু হয় উইন-উইন সম্পর্ক নিয়ে আড্ডা।🎀🔻🍁❣️ সেদিন ছিলো ১ম পর্ব। উপস্থাপিত হলো ৬ রকমের সম্পর্ক্। এর মধ্যে উইন-উইন সম্পর্ক্ কেন চাই?🎀🔻🍁❣️

🍁❣️ ২৮.৮.২০২০ শুক্রবার একই বিষয়ের ২য় পর্ব। আড্ডার বিষয় ছিল উইন-উইন রিলেশনে পৌঁছবো কীভাবে?🔻🍁️ পৌঁছার একমাত্র পথ ‘সাহস’ আর ‘বিবেচনাবোধ’-এর ভারসাম্য। আপনার যদি সাহস বেশি আর বিবেচনাবোধ কম হয় তবে আপনি পৌঁছাবেন উইন-লস-এ। আপনি জিতবেন অন্যকে হারাবেন। সম্পর্ক টিকবে না। টিকলেও স্বাস্থ্যপ্রদ হবে না। বিবেচনাবোধ বেশি, সাহস কম হলে আপনি পৌঁছাবেন লস-উইন-এ। আপনি হেরে যাবেন অন্যে জিতে যাবে। তখন আপনি হতাশায় ভুগবেন। মনোদৈহিক অসুখ হবে। 🔻🍁❣️ আপনার মধ্যে কেবল সাহস আর বিবেচনাবোধের ভারসাম্য থাকলেই আপনি পৌঁছবেন উইন-উইন-এ। আপনি জিতবেন, অন্যকেও জিততে দিবেন।

🎀🔻🍁❣️ প্রশ্ন হলো: কীভাবে নিজের মধ্যে সাহস আর বিবেচনাবোধের ভারসাম্য আনবেন? জানতে পারবেন ৪.৯.২০২০ এর আড্ডায়।🎀🔻

🎀🔻️ আড্ডা সকলের জন্য উন্মুক্ত। লিংক দেওয়া থাকবে TA Adda Link Sharing মেসেঞ্জার গ্রুপে। আপনিও যোগ দিন।️

🔻🔻২৮.৮.২০২০। শুক্রবার। সন্ধ্যা ৭.৩০। টিএ আড্ডা। বিষয়: উইন-উইন রিলেশনে কীভাবে পৌঁছবো? সকলের জন্য উন্মুক্ত। লিংক  Adda Lin...
26/08/2020

🔻🔻২৮.৮.২০২০। শুক্রবার। সন্ধ্যা ৭.৩০। টিএ আড্ডা। বিষয়: উইন-উইন রিলেশনে কীভাবে পৌঁছবো? সকলের জন্য উন্মুক্ত। লিংক Adda Link Sharing মেসেঞ্জার গ্রুপ।
🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻
🔻২১.৮.২০২০। আড্ডার বিষয় ছিলো Win-Win relationship বা আমিও জিতবো তুমিও জিতবে সম্পর্ক।
🔻সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রত্যেক মানুষের ১টা প্যারাডাইম থাকে। বিশেষজ্ঞরা মোট ৬টি প্যারাডাইমের কথা বলেছেন। এর কোনো একটি আপনারও আছে। 🔻🔻
🍁🎀 ১। Win-win বা আমিও জিতব, তুমিও জিতবে।
🍁🎀 ২। Win-lose বা আমি জিতবো, তুমি হারবে।
🍁🎀 ৩। Lose-Win বা আমি হারবো, তুমি জিতবে।
🍁🎀 ৪। Lose-lose বা আমিও হারবো, তুমিও হারবে।
🍁🎀 ৫। Win বা আমি জিতবো।
🍁🎀 ৬। Win Win or no deal বা আমিও জিতবো, তুমিও জিতবে নাহলে করবোনা। 🔻🔻
🔻সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই ৬ টি প্যারাডাইম ব্যাখ্যা করা হলো এবং আমরা কে কোন প্যারাডাইমে আছি সেটা নিয়ে আলোচনা হলো। পার্সোনাল এক্সপেরিয়েন্স শেয়ারিংও হলো। কেপি উপস্থাপন, ব্যাখ্যা ও প্রশ্নের উত্তর দিলেন। সকলেই এটা বুঝলাম যে দীর্ঘস্থায়ী ও স্বাস্থ্যকর সম্পর্কের জন্য ১ অথবা ৬ নম্বর প্যারাডাইমে পৌঁছানো দরকার।
🔻উইন-উইন রিলেশনে পৌঁছবার পথ নিয়ে আলোচনা হবে আগামী শুক্রবার।

21/08/2020

🍁🟥🎀🍒😂🔻🍐🍁🟥🎀🍒😂🍁🟥🍒😂🔻🍐🍁🟥
২১.০৮.২০২০। আজকের আড্ডা: বিষয় : আমিও জিতবো, তুমিও জিতবে সম্পর্ক (Win-Win Relationship): সন্ধ্যা ঠিক ৭.৩০ মিনিটে। সকলের জন্য উন্মুক্ত।
লিংক পাবেন TA Adda Link Sharing মেসেঞ্জার গ্রুপ এবং Marzana Rashid
🍒😂🔻🍐🍁🟥🎀🍒😂🔻🍐🍁🟥🎀🍒😂🔻🍐🍁🟥🎀

১৪.০৮.২০২০ এর আড্ডার বিষয় : ডা. অসীমের প্রবাসে বেড়ে ওঠা এবং গেইম রিভিউ।🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻০৭.০৮.২০২০ এর আড্ডা যেমন ছিল...
21/08/2020

১৪.০৮.২০২০ এর আড্ডার বিষয় : ডা. অসীমের প্রবাসে বেড়ে ওঠা এবং গেইম রিভিউ।
🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻🔻
০৭.০৮.২০২০ এর আড্ডা যেমন ছিলো।
লিংক TA Adda Link Sharing এবং Marzana Rashid
🍒😂🔻🍐🍁🟥🎀🍒😂🔻🍐🍁🟥🎀🍒😂🔻🍐🍁

Address

Dhaka
1205

Telephone

+8801711200835

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TA Center BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to TA Center BD:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram