Hijama Service in old Dhaka.

Hijama Service in old Dhaka. Hijama is a sunnah treatment.

হিজামা অতি প্রাচীন চিকিৎসাপদ্ধতি। হিজামা আরবি শব্দ ‘আল-হাজম’ থেকে এসেছে। অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া।হিজামা প্রাচীন চিকিৎসা ...
12/10/2024

হিজামা অতি প্রাচীন চিকিৎসাপদ্ধতি। হিজামা আরবি শব্দ ‘আল-হাজম’ থেকে এসেছে। অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া।হিজামা প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে বিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয়। এই চিকিৎসাপদ্ধতি আরব, আফ্রিকা, চীন, ভারত ও আমেরিকায় বহু আগে থেকেই প্রচলিত ছিল।হিজামার মাধ্যমে দূষিত রক্ত, ইউরিক অ্যাসিড, রোগের জন্য দায়ী জীবাণু প্লাজমা বা ফ্লুইডের সঙ্গে বের করে নিয়ে আসা হয়। এর ফলে শরীরের মাংসপেশিগুলোর রক্তপ্রবাহ দ্রুততর হয়। পেশি, চামড়া, ত্বক ও শরীরের ভেতরের অরগানগুলোর কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় এবং শরীর সতেজ ও শক্তিশালী হয়।হিজামার মাধ্যমে যে দূষিত প্লাজমা বেরিয়ে আসে, তাতে থাকে একাধিক রোগের জীবাণু। যেমন ঠাণ্ডা, কাশি, বিষণœতা, আর্থ্রাইটিস, চিন্তা, ঘুমের সমস্যা, মাংসপেশির ব্যথা এবং অন্যান্য রোগের জীবাণু বেরিয়ে এসে যেকোনো রোগের তীব্রতা কমিয়ে দেয়। হিজামার মাধ্যমে বর্তমানে অনেক সংক্রামক রোগের চিকিৎসা করা হচ্ছে। এ ছাড়া অসংক্রামক অনেক রোগও ভালো হয় নিয়মিত হিজামা করালে।হিজামার মাধ্যমে ব্যাকপেইন, উচ্চ রক্তচাপ, পাব্যথা, হাঁটুব্যথা, মাথাব্যথা (মাইগ্রেন), ঘাড়ব্যথা, কোমরব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা, আর্থ্রাইটিস, জাদু, বাত, ঘুমের ব্যাঘাত, থাইরয়েড ব্যাঘাত, জ্ঞান এবং স্মৃতিশক্তিহীনতা, ত্বকের বর্জ্য পরিষ্কার, অতিরিক্ত স্রাব নিঃসরণ বন্ধ করা, অর্শ, অণ্ডকোষ ফোলা, পাঁচড়া, ফোঁড়া ইত্যাদি প্রতিরোধ হয়।

হিজামা একটি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি, যা নবী সা:নিজেও নিয়েছেন এবং অন্যদেরকে এটার প্রতি উৎসাহিত করেছেন।আবূ কাবশাহ আল-আনমারী...
29/01/2024

হিজামা একটি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি, যা নবী সা:নিজেও নিয়েছেন এবং অন্যদেরকে এটার প্রতি উৎসাহিত করেছেন।

আবূ কাবশাহ আল-আনমারী বর্ণনা করেন: নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মাথার মাঝখানে এবং দু'কাঁধের মাঝ বরাবর রক্তমোক্ষণ করাতেন এবং বলতেন: যে ব্যক্তি নিজ দেহের এ অংশ থেকে রক্তমোক্ষণ করাবে, সে তার কোন রোগের চিকিৎসা না করালেও তার কোন ক্ষতি হবে না।
হযরত আনাস রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন, “আমি মেরাজের রাতে যাদের মাঝখান দিয়ে গিয়েছি, তাদের সবাই আমাকে বলেছে, হে মুহাম্মদ, আপনি আপনার উম্মতকে হিজামার আদেশ করবেন।” সুনানে তিরমিযী হাদীছ নম্বর: ২০৫৩
হজরত ইবনে আব্বাস (রা.)-এর সূত্রে নবী করিম (সা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রোগমুক্তি তিনটি জিনিসের মধ্যে নিহিত। এগুলো হলো- হিজামা করা , মধু পান করা এবং আগুন দিয়ে গরম দাগ দেওয়া। তবে আমি আমার উম্মতকে আগুন দিয়ে গরম দাগ দিতে নিষেধ করি।’ –সহিহ বোখারি: ৫৬৮১

হযরত আবদৃল্লাহ্ বিন আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত আছে, রাসূল সা. বলেছেন, “হিজামাকারী কতইনা উত্তম লোক। সে দূষিত রক্ত বের করে মেরুদন্ড শক্ত করে ও দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে।” সুনানে তিরমিযী, হাদীস নম্বর: ২০৫৩ রাসুল সঃ এর গৃহে বাসকারি সালমা রা. বলেন, “যখনই কেউ রাসুল সা. এর কাছে মাথা ব্যথার কথা বলতেন, তিনি তাদেরকে হিজামা (কাপিং) করার উপদেশ দিতেন।” [সহীহ সুনান আবু দাউদ (৩৮৫৮)]
হিজামা’র কিছু উপকারিতাঃ
শরীরের জয়েন্টগুলোতে ব্যাথা,ঘাড়, হাটু এবং কোমর ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে।
মাথা ব্যথার জন্য বিশেষ উপকারী।
শরীর থেকে ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ/Toxin বের করে নিয়ে আসে,
শরীরের ব্যথা/ জ্বালাপোড়া হৃাস করে,
ত্বক পরিষ্কার করে।
রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে,
ঘুমের উন্নতি করে
শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে,
কিডনি ও লিভারকে পরিস্কার করে ,
হৃদ রোগের ঝুকি কমায় এবং হার্ট সুস্থ রাখে,
বৃদ্ধ মানুষের বাত/ব্যথা নিপীড়ন করে।
হিজামার জন্য ইনবক্সে নক করুন । হোম সার্ভিস ও দেয়া হয় ।

হিজামা (حِجَامَة) একটি নববী চিকিৎসা ব্যবস্থা। এটি আরবী শব্দ ‘আল-হাজম’ থেকে এসেছে। যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া। আধুনিক পর...
15/11/2022

হিজামা (حِجَامَة) একটি নববী চিকিৎসা ব্যবস্থা। এটি আরবী শব্দ ‘আল-হাজম’ থেকে এসেছে। যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া। আধুনিক পরিভাষায় Cupping (কাপিং)। হিজামার মাধ্যমে দূষিত রক্ত (Toxin) বের করা হয়। এতে শরীরের মাংসপেশী সমূহের রক্ত প্রবাহ দ্রুততর হয়। পেশী, চামড়া, ত্বক ও শরীরের ভিতরের অরগান সমূহের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। ফলে শরীর সতেজ ও শক্তিশালী হয়।

হিজামা বা Wet Cupping অতি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি হিসাবে আরব বিশ্বে জনপ্রিয়। নির্দিষ্ট স্থান থেকে সূঁচের মাধ্যমে নেগেটিভ প্রেশার দিয়ে (টেনে/চুষে) নিস্তেজ প্রবাহহীন দূষিত রক্ত বের করে আনা হয়।

এ হিজামা থেরাপী ৩০০০ বৎসরেরও পুরাতন চিকিৎসা পদ্ধতি। মধ্যপ্রাচ্য থেকে উৎপত্তি হ’লেও চিকিৎসা পদ্ধতি হিসাবে চীন, ভারত ও আমেরিকায় বহু পূর্বে থেকেই এটি প্রচলিত ছিল। ১৮ শতক থেকে ইউরোপেও এর প্রচলন রয়েছে।
হিজামার ফযীলত : হিজামার ফযীলত সম্বলিত বহু হাদীছ রয়েছে। নিম্নে এ সম্পর্কে কিছু হাদীছ উল্লেখ করা হ’ল।-

عَنْ حُمَيْدٍ قَالَ سُئِلَ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ عَنْ كَسْبِ الْحَجَّامِ فَقَالَ احْتَجَمَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم حَجَمَهُ أَبُو طَيْبَةَ فَأَمَرَ لَهُ بِصَاعَيْنِ مِنْ طَعَامٍ وَكَلَّمَ أَهْلَهُ فَوَضَعُوا عَنْهُ مِنْ خَرَاجِهِ وَقَالَ إِنَّ أَفْضَلَ مَا تَدَاوَيْتُمْ بِهِ الْحِجَامَةُ أَوْ هُوَ مِنْ أَمْثَلِ دَوَائِكُم-

হুমাইদ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, আনাস বিন মালিক (রাঃ)-এর নিকট হিজামার উপার্জন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হ’লে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হিজামা লাগিয়েছেন। আবু তায়বা তাকে হিজামা করেছেন। তিনি তাকে দুই ছা‘ (প্রায় ৫ কেজি) খাদ্যদ্রব্য দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং তার মালিকদের সাথে আলোচনা করেন। এতে তারা তার উপর ধার্যকৃত কর কমিয়ে দেয়। তিনি আরও বলেন, তোমরা যেসব পদ্ধতিতে চিকিৎসা করাও হিজামা সেগুলোর মধ্যে উত্তম ব্যবস্থা অথবা (বলেছেন) এটি তোমাদের ঔষধের মধ্যে অধিক ফলদায়ক’।

عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ قَتَادَةَ حَدَّثَهُ أَنَّ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللهِ رضى الله عنهما عَادَ الْمُقَنَّعَ ثُمَّ قَالَ لاَ أَبْرَحُ حَتَّى تَحْتَجِمَ فَإِنِّىْ سَمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُوْلُ إِنَّ فِيْهِ شِفَاءًٌ-

আছেম বিন ওমর বিন ক্বাতাদা থেকে বর্ণিত আছে যে, জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) অসুস্থ মুকান্নাকে দেখতে যান। এরপর তিনি বলেন, আমি সরব না, যতক্ষণ না তুমি শিঙ্গা লাগাবে। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলতে শুনেছি, নিশ্চয়ই এর (হিজামার) মধ্যে নিরাময় রয়েছে’

ইবনু আববাস (রাঃ)-এর সূত্রে নবী করীম (ছাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রোগমুক্তি তিনটি জিনিসের মধ্যে নিহিত। শিঙ্গা লাগানো, মধু পান করা এবং আগুন দিয়ে গরম দাগ দেয়ার মধ্যে। তবে আমি আমার উম্মাতকে আগুন দিয়ে গরম দাগ দিতে নিষেধ করি’।

عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ قَتَادَةَ قَالَ جَاءَنَا جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللهِ فِي أَهْلِنَا وَرَجُلٌ يَشْتَكِي خُرَاجًا بِهِ أَوْ جِرَاحًا فَقَالَ مَا تَشْتَكِي قَالَ خُرَاجٌ بِي قَدْ شَقَّ عَلَيَّ فَقَالَ يَا غُلَامُ ائْتِنِي بِحَجَّامٍ فَقَالَ لَهُ مَا تَصْنَعُ بِالْحَجَّامِ يَا أَبَا عَبْدِ اللهِ قَالَ أُرِيدُ أَنْ أُعَلِّقَ فِيهِ مِحْجَمًا قَالَ وَاللهِ إِنَّ الذُّبَابَ لَيُصِيبُنِي أَوْ يُصِيبُنِي الثَّوْبُ فَيُؤْذِينِي وَيَشُقُّ عَلَيَّ فَلَمَّا رَأَى تَبَرُّمَهُ مِنْ ذَلِكَ قَالَ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنْ كَانَ فِي شَيْءٍ مِنْ أَدْوِيَتِكُمْ خَيْرٌ فَفِي شَرْطَةِ مِحْجَمٍ أَوْ شَرْبَةٍ مِنْ عَسَلٍ أَوْ لَذْعَةٍ بِنَارٍ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمَا أُحِبُّ أَنْ أَكْتَوِيَ قَالَ فَجَاءَ بِحَجَّامٍ فَشَرَطَهُ فَذَهَبَ عَنْهُ مَا يَجِدُ-

আছেম বিন ওমর বিন ক্বাতাদা হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) আমাদের বাড়ীতে আসেন। বাড়ির একজন লোক তার ক্ষত রোগের কথা বলল। জাবির (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি সমস্যা? সে বলল, ক্ষত হয়েছে যা আমার কাছে অসহনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাবির (রাঃ) বলেন, বৎস! আমার কাছে একজন হিজামাকারী ডেকে নিয়ে এসো। সে বলল, হে আবু আবদুল্লাহ! হিজামাকারীকে দিয়ে কি করবেন? তিনি বললেন, ক্ষতস্থানে শিঙ্গা লাগাতে চাই। সে বলল, আল্লাহর শপথ! মাছি আমাকে উত্যক্ত করবে কিংবা (ক্ষতস্থানে) কাপড় লেগে গেলে আমার কষ্ট হবে। হিজামা করাতে তার অসম্মতি দেখে জাবির (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ছাঃ)-কে বলতে শুনেছি, ‘যদি তোমাদের কোন ঔষধে কল্যাণ থেকে থাকে তাহ’লে তা আছে (১) হিজামা করানো (২) মধু পান করা এবং (৩) আগুনের টুকরা দিয়ে দাগ দেয়া’। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আরও বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে আগুন দিয়ে দাগ লাগানো পসন্দ করি না। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি হিজামাকারীকে আনালেন। অতঃপর সে তাকে হিজামা করল। এতেই সে আরোগ্য লাভ করল’।

হিজামার গুরুত্ব : জাবির (রাঃ) হ’তে বর্ণিত যে, নবী করীম (ছাঃ)-এর (পায়ে) যে ব্যথা ছিল, তার জন্য তিনি ইহরাম অবস্থায় হিজামা লাগিয়েছিলেন।

قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِيْنَ عُرِجَ بِهِ مَا مَرَّ عَلَى مَلَإٍ مِنْ الْمَلاَئِكَةِ إِلاَّ قَالُوْا عَلَيْكَ بِالْحِجَامَةِ-

ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মি‘রাজে যাওয়ার সময় তিনি ফিরিশতাদের যে দলের নিকট দিয়ে অতিক্রম করেন তারা বলেন, ‘আপনি অবশ্যই হিজামা করাবেন’।

عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ حَدَّثَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ لَيْلَةَ أُسْرِىَ بِهِ أَنَّهُ لَمْ يَمُرَّ عَلَى مَلإٍ مِنَ الْمَلاَئِكَةِ إِلاَّ أَمَرُوْهُ أَنْ مُرْ أُمَّتَكَ بِالْحِجَامَةِ-

ইবনু মাসঊদ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, মি‘রাজের রাত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন যে, এই রাতে ফিরিশতাদের যে দলের সম্মুখ দিয়েই তিনি যাচ্ছিলেন তারা বলেছেন, ‘আপনার উম্মতকে হিজামার নির্দেশ দিন’।

হিজামা ফেরেশতাদের দ্বারা সুফারিশকৃত : হিজামা একটি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি, যা আমরা পূর্বেই উল্লেখ করেছি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও তাঁর উম্মতের জন্য এটি ফেরেশতাদের দ্বারা সুপারিশকৃত একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। এজন্য কেউ বলতে পারে না যে, এই প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি বর্তমান আধুনিক যুগে অচল। বরং এটি সাফল্যপূর্ণ প্রতিষেধক সমস্ত বিশ্ববাসীর জন্য। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরণ করা হয়েছে।
হিজামার মাধ্যমে যেসব রোগ প্রতিরোধ হয় : ব্যাক পেইন, উচ্চ রক্তচাপ, পায়ে ব্যথা, হাঁটুর ব্যথা, মাথাব্যথা (মাইগ্রেইন), ঘাড়ে ব্যথা, কোমরে ব্যথা, জয়েন্টে পেইন, আর্থ্যাইটিজ, যাদু, বাত, ঘুমের ব্যাঘাত, থাইরয়েড ব্যঘাত, জ্ঞান এবং স্মৃতিশক্তিহীনতা, ত্বকের বর্জ্য পরিষ্কার, অতিরিক্ত স্রাব নিঃসরণ বন্ধ করা, অর্শ, অন্ডকোষ ফোলা, পাঁচড়া, ফোঁড়া ইত্যাদি প্রতিরোধ হয়
হিজামার জন্য যােগাযোগ:মুফতি মো:সালেহীন।
মোবাইল :01913756405 (including Whats App)

Hijama service in old Dhaka !😍😍অতিরিক্ত বাহিরের খাবার গ্রহন,অতিরিক্ত ওষুধ গ্রহন এবং বিভিন্ন বাজে অভ্যাসের কারনেই শরীরে ট...
09/11/2022

Hijama service in old Dhaka
!😍😍
অতিরিক্ত বাহিরের খাবার গ্রহন,অতিরিক্ত ওষুধ গ্রহন এবং বিভিন্ন বাজে অভ্যাসের কারনেই শরীরে টক্সিন জমা হয়..টক্সিন একটি নিরব ঘাতক যা আমাদের দেহের বেশিরভাগ রোগের জন্যই দায়ী।এই টক্সিন শরীর থেকে রিমুভ করতে হিজামা বা কাপিং সবচেয়ে ভালো কাজ করে..
অনেকেই ভেবে থাকে ব্লাড বের হয় তো রোগ কিভাবে ভালো হয়,অথচ কাপিং যারাই লাইফে প্রয়োগ করেছে তারাই এর মূল কাজ বুজেছে,,বুজেছে এটি কতটুকু কার্যকর।ব্যাথায় সারাজীবন ওষুধ খেয়েছে আর ৩-৪ বার কাপিং এই তারা ওষুধ কে বিদায় দিতে পেরেছে...
টক্সিন দূর করতে এটি কে কেবল সুন্নতই বলা যায় না পাশাপাশি এটি একটি মিরাকল ও...
কেন হিজামা করাবেনঃ
১)সুস্থ থাকতে আর শরীরের টক্সিন দূর করতে বছরে ২-৩ বার হিজামা করতে পারেন
২)যাদের শরীরে ব্যাথা ও জালাপোড়া করে তারা হিজামা নিতে পারেন।
৩)যারা শরীরের অতিরিক্ত টক্সিন বের করতে চান তারা হিজামা নিতে পারেন..
৪)যাদের খেলাধুলা ও পরিশ্রমের ফলে শরীর ব্যাথা করে এবং নিজের ফিটনেস ধরে রাখতে চান তারা হিজামা নিতে পারেন।
৫)যাদের অতিরিক্ত চুল পরে,ঘুম কম হয় ও ক্লান্তি লাগে তারা হিজামা নিতে পারেন...
হিজামা করাতে চাইলে যোগাযোগঃ01913756405
01795744755
🎄🎄এখন বাসায় গিয়ে হিজামা করা হয়।
ঠিকানা:চক বাজার,ঢাকা

আজকে আমাদের সাথি ভাই মোহাম্মদ ওমর ফারুক তার পিঠে ও কোমরে ব্যথার জন্য হিজামা গ্রহণ করেছেন।
26/10/2021

আজকে আমাদের সাথি ভাই মোহাম্মদ ওমর ফারুক তার পিঠে ও কোমরে ব্যথার জন্য হিজামা গ্রহণ করেছেন।

•• #হিজামা_cupping_therapy এর ইতিহাস-হিজামা একটি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি যাহা প্রাচীন সময় থেকে চীন এবং মিসরে প্রচলিত ছিল।...
05/06/2021

•• #হিজামা_cupping_therapy এর ইতিহাস-

হিজামা একটি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি যাহা প্রাচীন সময় থেকে চীন এবং মিসরে প্রচলিত ছিল।আমাদের নবী সা:বিভিন্ন সময় এই চিকিৎসা নিয়েছেন এবং সাহাবাদেরকে এটার আদেশ করেছেন।বর্তমানে আরব আমিরাত সৌদি মিসর জার্মান ইংল্যন্ড চায়না ইত্যাদি সহ বিভিন্ন দেশে এটাকে আধুনিক চিকিৎসা হিসেবে গ্রহন করা হয়েছে।

# #হিজামার পদ্ধতি # #

হিজামা দ্বারা শরীর থেকে নিস্তেজ প্রবাহহীন দূষিত রক্ত বের করে নেয়া হয়।যার দ্বারা শরীর এর মাংসপেশ সমূহের রক্ত প্রবাহ দ্রুততর হয়।পেশী চামড়া ত্বক ওশরীরের ভেতরের অরগান সমূহের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়.ফলে শরীর সতেজ ওকর্মক্ষম হয়।শরীর এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।শরীর হাল্কা ওসুস্থ বোধ হয় মনে প্রশান্তি আসে।স্বরন শক্তি বৃদ্ধি পায়।

★★হিজামা কি :-
**হিজামা হচ্ছে এমন প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি, যাতে মানুষের সকল প্রকার শারীরীক, মানসিক ও আধ্যাত্নিক সুস্থ্যতা বিদ্যমান রয়েছে।
হযরত আনাস রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “আমি মেরাজের রাতে যাদের মাঝখান দিয়ে গিয়েছি, তাদের সবাই আমাকে বলেছে, হে মুহাম্মদ, আপনি আপনার উম্মতকে হিজামার আদেশ করবেন।” সুনানে তিরমিযী হাদীছ নম্বর: ২০৫৩
হযরত জাবির রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে।” সহীহ মুসলিম, হাদীছ নম্বর: ২২০৫
হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিত, হুজুর (স) বলেছেন, জিবরাঈল (আ) আমাকে জানিয়েছেন যে, মানুষ চিকিৎসার জন্য যতসব উপায় অবলম্বন করে,তন্মধ্যে হিজামা ই হলো সর্বোত্তম। (আল-হাকিম : ৭৪৭০)
হযরত আব্দু্ল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্নিত: রসুলু্ল্লাহ (স) বলেছেন, হিজামাকারী কতই উত্তম লোক। সে দূষিত রক্ত বের করে মেরুদণ্ড শক্ত করে ও দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে। (সুনানে তিরমিযী,২০৫৩)
হযরত আনাস (রা) হতে বর্নিত ; হুজুর (স) এরশাদ করেন, গরম বৃদ্ধি পেলে হিজামার সাহায্য নাও। কারন, কারো রক্তচাপ বৃদ্ধি পেলে তার মৃত্যু হতে পারে। (আল- হাকিম :৭৪৮২)

#সুন্নাহ_হিজামা বা ওয়েট কাপিং ঃ হিজামাই ডিটক্সিফিকেশনের একমাত্র নেচারাল পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে শরীর থেকে দূষিত রক্ত বের করা হয় যা শরীর কে সতেজ ও অধিক কর্মক্ষম করা।
Contact with us-01795744755

27/10/2020
18/10/2020

মাথায় হিজামা করে যে সকল সমস্যায় উপকার হয়ঃ

১। সাধারণ মাথাব্যাথা
২। মাইগ্রেন
৩। উচ্চরক্তচাপ (Hypertension)
৪। ঘুমের ব্যাঘাত (insomnia)
৫। স্মৃতিভ্রষ্টতা (Memory loss)
৬। ঘাড়ে ব্যাথা
৭। মাংসপেশীর ব্যাথা (muscle strain), মাসল পুল
৮। থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা
৯। সাইনুসাইটিস
১০। দাঁত/মুখের/জিহ্বার সংক্রমন
১১। মুটিয়ে যাওয়া (obesity)
১২। ভার্টিব্রাল ডিস্ক প্রোল্যাপ্স/ হারনিয়েশান
১৩। মানসিক সমস্যা (Psychological disorder)
১৪। চুল পড়া (Hair fall)
১৫। পারকিনসন্স ডিজিজ
১৬। কানের সমস্যা
১৭। স্পোর্টস ইঞ্জুরি (খেলোয়াড়, আর্মি, কনট্যাক্ট স্পোর্টস)
১৮। ব্রেইন ডিজিজ ও ডিজঅর্ডার
১৯। ব্রন
২০। অনিয়মিত মাসিক ও অন্যান্য মেয়েলী সমস্যা
২১। এডিকশান/ ডিপেন্ডেন্সি (স্লিপিং পিল, ড্রাগস, কফ সিরাপ, জর্দা, সিগারেট, এলকোহল ও অন্যান্য নেশাদ্রব্য)
২২। TMJ Dysfunction Syndrome
২৩। প্যারালাইসিস (স্ট্রোক, মেরুদন্ডে আঘাত, গিয়েন বারে সিন্ড্রোম, ফেসিয়াল প্যারালাইসিস বা বেল'স পলসি প্রভৃতি)
২৪। ক্যান্সারের ব্যাথা নিয়ন্ত্রন
২৫। Erectile Dysfunction (ED), ও অন্যান্য যৌন সমস্যা
২৬। হরমোনাল সমস্যা
২৭। চোখের সমস্যা
২৮। সিজোফ্রেনিয়া
..এবং আরও অনেক রোগ।

বাত ব্যাথার জন্য সুন্নাহ ট্রিটমেন্ট Hijama service in old Dhaka !😍😍অতিরিক্ত বাহিরের খাবার গ্রহন,অতিরিক্ত ওষুধ গ্রহন এবং ...
18/10/2020

বাত ব্যাথার জন্য সুন্নাহ ট্রিটমেন্ট
Hijama service in old Dhaka
!😍😍

অতিরিক্ত বাহিরের খাবার গ্রহন,অতিরিক্ত ওষুধ গ্রহন এবং বিভিন্ন বাজে অভ্যাসের কারনেই শরীরে টক্সিন জমা হয়..টক্সিন একটি নিরব ঘাতক যা আমাদের দেহের বেশিরভাগ রোগের জন্যই দায়ী।এই টক্সিন শরীর থেকে রিমুভ করতে হিজামা বা কাপিং সবচেয়ে ভালো কাজ করে..
অনেকেই ভেবে থাকে ব্লাড বের হয় তো রোগ কিভাবে ভালো হয়,অথচ কাপিং যারাই লাইফে প্রয়োগ করেছে তারাই এর মূল কাজ বুজেছে,,বুজেছে এটি কতটুকু কার্যকর।ব্যাথায় সারাজীবন ওষুধ খেয়েছে আর ৩-৪ বার কাপিং এই তারা ওষুধ কে বিদায় দিতে পেরেছে...
টক্সিন দূর করতে এটি কে কেবল সুন্নতই বলা যায় না পাশাপাশি এটি একটি মিরাকল ও...

কেন হিজামা করাবেনঃ
১)সুস্থ থাকতে আর শরীরের টক্সিন দূর করতে বছরে ২-৩ বার হিজামা করতে পারেন
২)যাদের শরীরে ব্যাথা ও জালাপোড়া করে তারা হিজামা নিতে পারেন।
৩)যারা শরীরের অতিরিক্ত টক্সিন বের করতে চান তারা হিজামা নিতে পারেন..
৪)যাদের খেলাধুলা ও পরিশ্রমের ফলে শরীর ব্যাথা করে এবং নিজের ফিটনেস ধরে রাখতে চান তারা হিজামা নিতে পারেন।
৫)যাদের অতিরিক্ত চুল পরে,ঘুম কম হয় ও ক্লান্তি লাগে তারা হিজামা নিতে পারেন...

হিজামা করাতে চাইলে যোগাযোগঃ01913756405
01795744755

🎄🎄এখন বাসায় গিয়ে হিজামা করা হয়।

ঠিকানা:চক বাজার,ঢাকা

Address

Chawk Bazaar
Dhaka
1211

Telephone

+8801795744755

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hijama Service in old Dhaka. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Hijama Service in old Dhaka.:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram