Medi Kindred

Medi Kindred Treatment in Indian best branded Hospitals, Telemedicine, Patient Consultancy, Oxygen supply, Abroad

জামালপুর মেডিকেল হাসপাতালের এই অ'দ'ক্ষ ক'র্মীদের জন্য . #যে_শিশুটি_তার_ডান_হাতটি হা'রা'লো এবং তার পরিবার যে ভো'গা'ন্তি ভ...
23/01/2026

জামালপুর মেডিকেল হাসপাতালের এই অ'দ'ক্ষ ক'র্মীদের জন্য . #যে_শিশুটি_তার_ডান_হাতটি হা'রা'লো এবং তার পরিবার যে ভো'গা'ন্তি ভুগলো এই দায় ভার কে নিবে ?

আজকাল ভাইরাল না হলে বি'চা'র পাওয়া যায়না তাই আপনাদের
কাছে আকুল আবেদন এই পোস্টটি শেয়ার করে ভা'ই'রা'ল করে দিন ।

সুশীল সমাজ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মানবাধিকার কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

জামালপুর সদর উপজেলার ১ নং কেন্দুয়া ইউনিয়নের একটি পরিবারের সদ্যজাত শিশুর চিকিৎসাজনিত অবহেলা/ত্রু'টি'র কারণে ডান হাত হা'রা'নো'র (ম'র্মা'ন্তি'ক) ঘ'টনা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। ঘটনাটি শুধু একটি পরিবারের অপূরণীয় ক্ষ*তি নয়—ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে সঠিক ত'দ'ন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরু'রি।

ছবিতে যে অ'স'হা'য় শিশুটি দেখতে পারছেন গত ২ মাস আগে সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে জন্ম গ্রহণ করে । ২ সপ্তাহ আগে ঠান্ডা সর্দি জনিত সমস্যা নিয়ে একটা প্রাইভেট হসপিটালে ডাক্তার দেখানো হয়। ডক্টর শিশুটিকে জামালপুর জেনারেল হসপিটালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেন এবং তাকে ভর্তি করানো হয় । ভর্তি করানোর পর কিছু অ'দ'ক্ষ নার্স তার পায়ে ক্যানোলা লাগায় এবং যখন পা ফুলে যা তখন আবার শিশুটির ডান হাতে ক্যানোলা লাগানো হয় আর তখন থেকে শিশুটির হাত বেগুনি রং ধারণ করতে থাকে । শিশুটির বাবা মামা যখন হাতের এই অবস্থা নার্সদের বলে তারা বলে এটা ঠিক হয়ে যাবে । এখানে একটু বলে রাখি আসলে হাত বেগুনি রং ধারণ করার কারণ হতে পারে কেনোলা রক্ত নালিতে না দিয়ে মাংস পেশিতে দেওয়া অথবা ভুল মেডিসিন দেওয়াতে ইন'ফে'কশন করা । জ'ন্মের পর হাতে পায়ে কোনো সমস্যা ছিল না ।

তিন চার দিন পর তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল হসপিটালে রেফার করা হয় । সেখানে একদিন থাকার পর তাকে ঢাকা শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী হাসপাতালে রেফার করে। কিন্তু ভ্যাগ্যের নি'র্ম'ম পরিহাস ৩ দিন পর ডাক্তার বলে এই হাত কে'টে ফেলতে হবে আর সেই জন্য তাকে ঢাকা পু'ঙ্গ হাসপাতালে রেফার করে । পু'ঙ্গ হাসপাতাল শিশুটিকে ভর্তি না করে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে রেফার করে ।

গত ১৭/১২/২৫ ঢাকা মেডিকেলে আনার পর শিশুটিকে ভর্তি না করে আগে একটা টেস্ট (ডুপ্লেক্স স্টাডি অফ আপার লিম্ব ) করে আনতে বলে সেটা আবার হসপিটালে হয়না তাই ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতাল থেকে টেস্ট করে নিয়ে আবার ঢাকা মেডিকেল হসপিটালে ইমার্জে'ন্সি'তে নিয়ে যাওয়া হয় । সেখানেও অনেক কাহিনীর পর শিশুটিকে ভর্তি করানো হয় এবং রাতের মধ্যে আরো অনেক টেস্ট করে ১ ব্যাগ র'ক্ত ম্যানেজ করে পরদিন ১৮/১২/২৫ শিশুটির ডান হাত কে*টে ফেলা হয় ।

এখন প্রশ্ন হলো জামালপুর মেডিকেল হাসপাতালের এই অ'দ'ক্ষ ক'র্মীদের জন্য যে শিশুটি তার ডান হাতটি হা'রা'লো এবং তার পরিবার যে ভো'গা'ন্তি ভুগলো এই দায় ভার কে নিবে ?

ভুক্তভুগীর পরিবার এই নির্মম ঘটনার সুষ্ঠ ত'দ'ন্ত ও বিচার চেয়ে হাসপাতালের পরিচালক বরাবর আকুল আবেদন করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আজ ২০ ২৫ দিন যাবৎ খালি এই অসহায় পরিবারকে হয়'রা'নি করতাছে ।

এখন আপনারাই বলেন এই পরিবারকে এখন কি করা উচিৎ । আমরা এমন একটা দেশে বাস করি যেখানে জন্ম'গ্রহণ করার পরপরি জীব'ননা'শ ও হ'য়রা'নির শিকা'র হইতে হয় ।

আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি কি পথক্ষেপ নিলে এই শিশুটি তার ভবিষৎ নিশ্চয়তা পাবে এবং ভবিষতে এরকম ঘ'ট'না যাতে না ঘটে এইসব তথ্য দিয়ে সাহায্য করবেন ।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, গণমাধ্যম ও সচেতন নাগরিকদের অনুরোধ—বিষয়টি মানবিক ও দায়িত্বশীলভাবে দেখার পাশাপাশি পরিবারকে ন্যায্যতা পেতে সহায়তা করুন।😢😢
©️

ছবি দেখে তো কলিজা মোচড় দিলো না জানি বাবু টার কতো কষ্ট হচ্ছে বাবা মার বুকের মানিক আল্লাহ সব বাবা মা বাবুদের ভালো রাখুন হ...
19/01/2026

ছবি দেখে তো কলিজা মোচড় দিলো না জানি বাবু টার কতো কষ্ট হচ্ছে বাবা মার বুকের মানিক আল্লাহ সব বাবা মা বাবুদের ভালো রাখুন হেফাজতে রাখুক
এক সেকেন্ডের ভুল, সারা জীবনের কা*ন্না: রান্নাঘরের নীরব ঘাত*ক

ছুটির আনন্দের মাঝে হঠাৎ করেই পুরো বাড়িতে কান্নার রোল পড়ে গেল,
৫ বছরের ছোট্ট শি*শু আয়ান (ছদ্মনাম), মা রান্নাঘরে ইলেকট্রিক মিট গ্রাইন্ডারে মাংস কিমা করছিলেন। মাত্র এক মুহূ*র্তের জন্য মা অন্যদিকে তাকিয়েছিলেন মসলার কৌটা নিতে- কৌতূহলী আয়ান ভাবলো ওটা হয়তো কোনো খেলনা, সে মেশিনের মুখে তার ছোট্ট হাতটা ঢুকিয়ে দিল। চোখের পলকে ঘটে গেল এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা।
​আজকের এই পোস্টটি কোনো ভয়ের গল্প নয়, এটি আমাদের হাসপাতালের জরুরি বিভাগের এক করুণ বাস্তব চিত্র।
​আমরা অনেকেই রান্নাঘরে কাজ সহজ করতে মিট গ্রাইন্ডার বা ইলেকট্রিক ব্লেন্ডার ব্যবহার করি। কিন্তু আমরা ভুলে যাই, এই যন্ত্র*গুলো শিশুদের জন্য কতটা বিপজ্জনক। শিশু*দের হাত খুব ছোট ও নরম হয়, তাই মেশিনের সামান্য টানেই পুরো হাত ভেতরে চলে যায়।

​কেন এমন হয়?
এই মেশিনগু*লোর শক্তি অনেক বেশি। এগুলো হাড় ও মাংস মুহূর্তের মধ্যে পিষে ফেলার জন্য তৈরি। যখন কোনো শিশুর হাত এতে ঢুকে যায়, মেশিনটি থামার আগেই আঙুলের হাড়, মাংসপেশি এবং স্না*য়ু (Ne*rve) মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে ‘ক্রাশ ইন*জুরি’ (Crush Injury) বলা হয়।

​চিকিৎসা ও বাস্তবতা:
দুঃখজনক হলেও সত্য, এই ধরণের আঘাতে অনেক সময় শত চেষ্টা করেও হাত আগের মতো করা সম্ভব হয় না। হাড়গুলো এমনভাবে গুঁড়ো হয়ে যায় যে, অনেক ক্ষেত্রে আঙু*ল বা হাতের অংশ কেটে ফেলা (Amp*utation) ছাড়া চিকিৎসকদের আর কোনো উপায় থাকে না। শিশুটি সারা জীবনের জন্য পঙ্গু*ত্ব বরণ করে। দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা ও ফিজিওথেরাপি প্রয়োজন হয়, যা পরিবারের জন্য মানসিক ও আর্থিকভাবে অত্যন্ত কষ্টের।

​সতর্কতাই একমাত্র বাঁচার উপায়:
১. গ্রাই*ন্ডার বা ব্লে*ন্ডা*র ব্যবহারের সময় শিশু*দের কখনোই রান্নাঘরে ঢুকতে দেবেন না।
২. কাজ শেষ হওয়ামাত্রই প্লাগ খুলে ফেলুন এবং তার গুছিয়ে রাখুন। সুইচ বন্ধ থাকলেও শি*শুরা অনেক সময় বোতাম টিপে মেশিন চালু করে ফেলতে পারে।
৩. যন্ত্রগুলো সবসময় শিশু*দের নাগালের অনেক ওপরে বা তালাবদ্ধ জায়গায় রাখুন।
৪. মনে রাখবেন, এটি কোনো খেলনা নয়, এটি একটি ইন্ডা*স্ট্রিয়াল যন্ত্রের মতোই শক্তিশালী।
​আপনার সামান্য অসত*র্কতা যেন আপনার সন্তানের সারা জীবনের কান্নার কারণ না হয়। সচেতন হোন, শিশু*কে নিরাপদ রাখুন।

(C)



সকাল/ দুপুর/ রাতঃ  কোন্ খাবার কখন খাবেন জেনে নিন।
14/01/2026

সকাল/ দুপুর/ রাতঃ কোন্ খাবার কখন খাবেন জেনে নিন।

Successful emergency single medical visa for  Cardiac patient Mokhleshur Rahman bhaiya.  Thanks for choosing Medikindred...
14/01/2026

Successful emergency single medical visa for Cardiac patient Mokhleshur Rahman bhaiya. Thanks for choosing Medikindred visa services & medical Tourism services from us.

✅হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হলে সিপিআর (CPR) দরকার হয়। হঠাৎ পড়ে গিয়ে কিংবা আকস্মিক কোনো ঘটনায় রোগীর সাড়াশব্দ না পাওয়া, নাড...
13/01/2026

✅হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হলে সিপিআর (CPR) দরকার হয়। হঠাৎ পড়ে গিয়ে কিংবা আকস্মিক কোনো ঘটনায় রোগীর সাড়াশব্দ না পাওয়া, নাড়ির স্পন্দন না পাওয়া, শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া হলো হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ। এই অবস্থায় সিপিআর পদ্ধতিতে অনেক সময় জীবন বাঁচানো সম্ভব।
✅যেভাবে সিপিআর প্রয়োগ করবেনঃ
সবার উচিত সিপিআর সম্পর্কে ধারণা রাখা। আগে থেকে জানা থাকলে যে কেউ-ই সিপিআর প্রয়োগ করতে পারবেন এবং অল্প সময়ের মধ্যে কারও জীবন বাঁচাতে সাহায্য করতে পারবেন। প্রথমেই কেউ অজ্ঞান হয়ে গেলে চিৎকার দিয়ে অন্য কারো সাহায্য চাইতে হবে। দুজন হলে সহজে কাজগুলো করা যাবে।
১. প্রথমেই আক্রান্ত ব্যক্তির আশপাশের অবস্থা দেখে নিতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তি কোনো বিপদসংকুল পরিবেশে থাকলে তা দূর করা। যেমন বৈদ্যুতিক তার বা কোনো বিষাক্ত কিছু আশপাশে থাকলে তা সরিয়ে নেয়া।
২. এরপর দেখতে হবে আক্রান্ত ব্যক্তির জ্ঞান আছে কিনা। জ্ঞান থাকলে তাকে স্বাভাবিকভাবে চিৎ করে শুইয়ে দিতে হবে। যাতে তিনি ধীরস্থিরভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারেন।
৩. জ্ঞান না থাকলে তার শ্বাস নেয়ার পথ যেমন:- নাক, মুখ ও গলার ভেতরের অংশ পরিষ্কার আছে কিনা দেখতে হবে। তার মাথা পেছনের দিকে টেনে, থুঁতনি ওপরের দিকে তুলে শ্বাসনালি খুলে দিতে হবে। যদি কফ-রক্ত বা অন্য কোনো কিছু এপথে আটকে থাকে, তবে তা সরিয়ে শ্বাস নেয়ার পথ করে দিতে হবে এবং সিপিআর প্রয়োগ শুরু করতে হবে।
৪. ব্যক্তির একপাশে এসে বুক বরাবর বসে এক হাতের তালুকে বুকের মাঝ বরাবর স্থাপন করতে হবে। তার উপর অপর হাত স্থাপন করে উপরের হাতের আঙুল দিয়ে নিচের হাতকে আঁকড়ে ধরতে হবে। হাতের কনুই ভাঁজ না করে সোজাভাবে বুকের ওপর চাপ দিতে হবে।
৫. এমন গতিতে চাপ প্রয়োগ করতে হবে যেন প্রতি মিনিটে ১০০-১২০টি চাপ প্রয়োগ করা যায়। এভাবে প্রতি ৩০টি চাপ প্রয়োগের পর আক্রান্তের মুখে মুখ রেখে দু’বার ফুঁ দিতে হবে। এমনভাবে চাপ প্রয়োগ করতে হবে যেন বুকের পাঁজর ২ থেকে ২.৫ ইঞ্চি নিচে নামে। যাতে চাপ হৃৎপিণ্ডের ওপর চাপ পড়ে।
৬. হাসপাতালে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত বা জ্ঞান ফিরে আসা অথবা স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস চালু হওয়া পর্যন্ত একইভাবে সিপিআর চালিয়ে যেতে হবে।
৭. জ্ঞান ফিরলে বা শ্বাস-প্রশ্বাস চালু হলে তাকে একপাশে কাত করে শুইয়ে দিতে হবে। এরপর হাসপাতালে নিয়ে পরবর্তী চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
(তথ্য সংগৃহীত)

🔵 ভিটামিন B12 ও মানসিক স্বাস্থ্যভিটামিন B12 (কোবালামিন) শুধু রক্ত ও স্নায়ুর জন্যই নয়, মানসিক সুস্থতার জন্যও অত্যন্ত গুরু...
13/01/2026

🔵 ভিটামিন B12 ও মানসিক স্বাস্থ্য
ভিটামিন B12 (কোবালামিন) শুধু রক্ত ও স্নায়ুর জন্যই নয়, মানসিক সুস্থতার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে মস্তিষ্কের কার্যক্রম ব্যাহত হয়, যার প্রভাব পড়ে মুড, স্মৃতিশক্তি ও আচরণে ।

🔬 ভিটামিন B12 কীভাবে মানসিক স্বাস্থ্যে কাজ করে❓

ভিটামিন B12 মূলত ৪টি গুরুত্বপূর্ণ কাজে যুক্ত—

1️⃣ নিউরোট্রান্সমিটার তৈরি
🔹B12 সাহায্য করে—
🔹সেরোটোনিন (মুড ভালো রাখে)
🔹ডোপামিন (উদ্দীপনা ও আনন্দ)
🔹নোরএপিনেফ্রিন (মনোযোগ ও শক্তি)
👉 এগুলোর ভারসাম্য নষ্ট হলে ডিপ্রেশন, উদ্বেগ, মন খারাপ বাড়ে ।

2️⃣ স্নায়ুর আবরণ (Myelin Sheath) রক্ষা: B12 স্নায়ুর চারপাশে থাকা মাইলিন স্তরকে সুরক্ষা দেয় ।

❌ ঘাটতি হলে—
▪নার্ভ দুর্বল হয়
▪মস্তিষ্কে সংকেত আদান–প্রদান ধীর হয়ে যায়
➡️ ফলে ব্রেইন ফগ, স্মৃতি সমস্যা, মানসিক বিভ্রান্তি দেখা দেয় ।

3️⃣ হোমোসিস্টেইন নিয়ন্ত্রণ: B12 হোমোসিস্টেইন নামক ক্ষতিকর অ্যামিনো অ্যাসিড কমায় ।
🔺 বেশি হলে—
▪মস্তিষ্কে প্রদাহ
▪ডিপ্রেশন ও কগনিটিভ সমস্যা বাড়ে

4️⃣ অক্সিজেন সরবরাহে ভূমিকা: B12 রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে ।
ঘাটতিতে → অ্যানিমিয়া → মস্তিষ্কে অক্সিজেন কম →
😵‍💫 ক্লান্তি, মাথা ভার, মানসিক অবসাদ
⚠️ ভিটামিন B12 ঘাটতির মানসিক লক্ষণ

🛑ভিটামিন B12 কম হলে নিচের মানসিক সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে—
😔 দীর্ঘস্থায়ী মন খারাপ / ডিপ্রেশন
😰 অকারণ দুশ্চিন্তা ও Anxiety
🧠 স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া
😶 মনোযোগে সমস্যা
😴 অতিরিক্ত ঘুম বা অনিদ্রা
😕 সিদ্ধান্ত নিতে কষ্ট
😠 বিরক্তি ও মুড সুইং
🧩 বিভ্রান্তি / ডিলিউশন (গুরুতর ক্ষেত্রে)
❗ অনেক সময় ডিপ্রেশনের মতো উপসর্গ আসলে B12 ঘাটতির কারণেই হয় ।

♦🧪 কারা বেশি ঝুঁকিতে❓
🥦 নিরামিষ বা ভেগান
👵 বয়স্ক ব্যক্তি
🤰 গর্ভবতী নারী
💊 দীর্ঘদিন PPI / Antacid / Metformin সেবনকারী
🍺 অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণকারী
🩺 গ্যাস্ট্রিক / IBS / গাট সমস্যা আছে এমন ব্যক্তি

⏩ ভিটামিন B12-এর খাদ্য উৎস
প্রাকৃতিকভাবে B12 পাওয়া যায় প্রাণিজ উৎসে—
🥩 গরু/খাসির কলিজা
🐟 মাছ (ইলিশ, টুনা)
🥚 ডিম
🥛 দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
🍗 মাংস
❌ শাকসবজিতে প্রায় নেই

💊📢 মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য B12 Supplement
🔹 Methylcobalamin (স্নায়ু ও মস্তিষ্কের জন্য সবচেয়ে কার্যকর)
🔹 Cyanocobalamin (সাধারণ ও সাশ্রয়ী)

📌 সাধারণ ডোজ (চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী):
গুরুতর ঘাটতিতে → ইনজেকশন প্রয়োজন হতে পারে

🧠 B12 + মানসিক চিকিৎসা
যাদের আছে—
▪দীর্ঘদিনের ডিপ্রেশন
▪ওষুধে কাজ হচ্ছে না
▪ক্লান্তি + মন খারাপ একসাথে
👉 তাদের ক্ষেত্রে B12 পরীক্ষা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।

🌱 উপসংহার
ভিটামিন B12 কেবল একটি ভিটামিন নয়—
👉 এটি মস্তিষ্কের জ্বালানি ।
এর ঘাটতি মানে শুধু শারীরিক নয়, মানসিক ভেঙে পড়ার ঝুঁকি । তাই মানসিক সমস্যা হলে রক্তে B12 লেভেল পরীক্ষা করা বুদ্ধিমানের কাজ ।
©

১৯৬৪ সালের ঘটনা। ১৭ বছর বয়সী Randy Gardner দেখতে চেয়েছিলেন একজন মানুষ না ঘুমিয়ে সর্বোচ্চ কতক্ষণ থাকতে পারে। সে এর উত্তর ...
13/01/2026

১৯৬৪ সালের ঘটনা। ১৭ বছর বয়সী Randy Gardner দেখতে চেয়েছিলেন একজন মানুষ না ঘুমিয়ে সর্বোচ্চ কতক্ষণ থাকতে পারে। সে এর উত্তর খুজতে তার দুজন বন্ধুকে নিয়ে নিজের উপরেই এই ভয়ংকর পরিক্ষা শুরু করে।
প্রথম কয়েকদিন ভালো মতো গেলেও আস্তে আস্তে তার শারীরিক ও মানসিক অবাস্থা খারাপ হতে শুরু করে। এমনকি শেষ সময় সে সাধারণ অংকও ভালো করে করতে পারছিল না। Randy Gardner টানা ১১ দিন ২৪ মিনিট না ঘুমিয়ে ছিলেন। তার থেকেও অবাক করা বিষয় হলো, সে এই সময় কোনো কফি বা ঔষধ সেবন করেন নি। পরিক্ষা শেষে তিনি ১৪ ঘন্টা ৪৬ মিনিট ঘুমিয়েছিলেন। এবং পরবর্তী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন।

যদিও তার পরে অনেকেই তার এই রেকর্ড ভেঙ্গেছিল। যেমন Robert Mcdonald ১৯৮৬ সালে সর্বোচ্চ রেকর্ড ১৮ দিন ২১ ঘন্টা ৪০ মিনিট না ঘুমিয়ে ছিলেন। তবে এই রেকর্ডটি unofficial হওয়ার কারনে এটি তেমন গ্রহণযোগ্যতা পায়নি।
©

কিডনি ভালো রাখতে রোজ কত লিটার পানি খাবেন?কিডনি সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত পানি খাওয়া যে জরুরি, তা সবারই জানা। দেহের ভেতরে চলমা...
13/01/2026

কিডনি ভালো রাখতে রোজ কত লিটার পানি খাবেন?

কিডনি সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত পানি খাওয়া যে জরুরি, তা সবারই জানা। দেহের ভেতরে চলমান নানা জীবনপ্রক্রিয়া এবং প্রতিদিন তৈরি হওয়া বর্জ্য শরীর থেকে বের করে দিতে পানির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণভাবে বলা হয়, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে আট গ্লাস বা প্রায় দুই লিটার পানি পান করা উচিত। কিন্তু এই নিয়ম কি সবার জন্য এক?

প্রতিদিন শরীরে তৈরি হওয়া বর্জ্য কিডনির মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। কিডনি ঠিকভাবে কাজ করতে না পারলে এসব বর্জ্য ও অতিরিক্ত পানি শরীরে জমতে থাকে, যা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। সমস্যা জটিল হলে ডায়ালাইসিসের প্রয়োজনও দেখা দিতে পারে। তাই প্রতিদিন কতটা পানি প্রয়োজন, তা জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

একজন মানুষের পানির চাহিদা বয়স, দেহের গড়ন, শারীরিক পরিশ্রম, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক অবস্থা ও পরিবেশের তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। সে কারণে সবার জন্য একটাই পরিমাণ নির্ধারণ করা যায় না।

কম বা বেশি পানি দুটোই ঝুঁকিপূর্ণ
খুব কম পানি খেলে প্রস্রাবে সংক্রমণ, কিডনি বা মূত্রনালিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। আবার অতিরিক্ত পানি খেলে রক্তে লবণের মাত্রা কমে গিয়ে বমিভাব, পেশিতে খিঁচ, খিঁচুনি এমনকি অজ্ঞান হওয়ার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।

নিজের শরীর থেকেই বুঝুন
আপনার জন্য পানির পরিমাণ ঠিক আছে কি না, তা বুঝতে প্রস্রাবের রং খেয়াল করুন। হালকা খড়ের মতো হলদে রং হলে ধরে নিতে পারেন পানি যথেষ্ট। গাঢ় রং, প্রস্রাবের পরিমাণ কম, দিনে চারবারের কম প্রস্রাব, মুখ শুকিয়ে যাওয়া বা অকারণ ক্লান্তি এসব পানিশূন্যতার লক্ষণ।

অন্যদিকে প্রস্রাব একেবারে স্বচ্ছ, পরিমাণে বেশি বা দিনে আটবারের বেশি হলে বুঝতে হবে আপনি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পানি পান করছেন।
গরম আবহাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম, কঠোর শারীরিক পরিশ্রম বা জ্বর হলে পানির চাহিদা বাড়ে। ঠান্ডা আবহাওয়ায় সাধারণত কম পানিতেই শরীর স্বচ্ছন্দ থাকে। কিডনিতে পাথরের ইতিহাস থাকলে, চিকিৎসকের নিষেধ না থাকলে দিনে অন্তত তিন লিটার পানি পান করা উপকারী।

কেবল পানিই নয়
স্যুপ, ডাল, পাতলা ঝোল, ফলমূল ও পানি-সমৃদ্ধ সবজি থেকেও শরীর পানি পায়। তবে কোমল পানীয়, এনার্জি ড্রিংক ও অ্যালকোহল কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায়, তাই এগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো। অতিরিক্ত ক্যাফেইন প্রস্রাব বাড়িয়ে পানিশূন্যতা তৈরি করতে পারে এই ক্ষেত্রে হারবাল চা বা ডিক্যাফ কফি তুলনামূলক ভালো বিকল্প।

সব মিলিয়ে, শরীরের চাহিদা বুঝে পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ করলেই সুস্থ থাকবে আপনার কিডনি।

SOURCE: dr berg
আপনার ফিটনেস জার্নি সঠিক পথে রাখতে আমি দিচ্ছি কমপ্লিট পার্সোনালাইজড গাইডলাইন:
# আপনার লাইফস্টাইল অনুযায়ী কাস্টমাইজড ডায়েট চার্ট
# ম্যাক্রো (কার্ব, প্রোটিন, ফ্যাট) ব্যালেন্সড মিল প্ল্যানিং
# বাসায় কিংবা জিমে করার মতো ইফেক্টিভ ওয়ার্কআউট রুটিন
# ফুল বডি রিকভারি ও স্লিপ গাইডলাইন
# প্রয়োজনীয় সাপ্লিমেন্ট ও হাইড্রেশন চার্ট
# Men’s Hormonal Health অপ্টিমাইজেশন ও সল্যুশন
নিজেকে ফিট ও কনফিডেন্ট দেখতে চান? আপনার পার্সোনালাইজড প্ল্যানটি বুঝে নিতে আজই ইনবক্স করুন!

মহিলার বয়স মাত্র ২৯ বছর। সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দেয়ার কয়েকদিন পর  গাইনী ডিপার্টমেন্টে চিকিৎসকের শরণাপন্...
13/01/2026

মহিলার বয়স মাত্র ২৯ বছর। সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দেয়ার কয়েকদিন পর গাইনী ডিপার্টমেন্টে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন জ্বর নিয়ে এবং এর সাথে তখনই/পরবর্তীতে Diarrhoea দেখা দেয়।
ঐ সময় জ্বরের কারণ হিসেবে underlying Infection চিন্তা করে পেশেন্ট কে হসপিটালে ভর্তির পরামর্শ দেয়া হয়। সেলাইয়ের জায়গার একটা অংশ কিছুটা আদ্র থাকায় সেখানে ইনফেকশন চিন্তা করা হয়। প্রথমে এম্পেরিয়াল এন্টিবায়োটিক শুরু করা হয় কিন্তু রোগীর তেমন উন্নতি নেই। বরং শরীরের গলার নিচে-বুকে-পিঠে বিভিন্ন জায়গায় Rash দেখা। গাইনোকলজিস্ট Antibiotic এর Drug Reaction চিন্তা করে Antibiotic বন্ধ করেন।

পরবর্তীতে আদ্র জায়গা থেকে Swab নিয়ে কালচারের জন্য পাঠানো হয় কিন্তু কালচারে কোন গ্রোথ ছিল না। পরবর্তীতে কয়েক দফায় এন্টাবায়োটিক পরিবর্তন করা হয়। এর পাশাপাশি ব্লাড কালচার করা হয় সেখানেও কোনো গ্রোথ পাওয়া যায় নি। এছাড়া জ্বরের কারণ খোঁজার জন্য টিবি সহ সম্ভাব্য অন্যান্য পরীক্ষাও করা হয় কিন্তু কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি।

যেহেতু ডেঙ্গু সিজন চলছে ডেঙ্গু টেস্টও করা হয়েছিল ডেঙ্গু টেস্ট নেগেটিভ, Platelet count নরমাল।

এর মধ্যে মেডিসিন ডিপার্টমেন্টে কল দেয়া হয় মেডিসিনের সিনিয়র ডাক্তার এসেও কোনো ক্লোজ খুঁজে পাচ্ছেন না।
এন্টিবায়োটিক পরিবর্তন করা হল কিন্তু উন্নতি নেই।

এর মধ্যে রোগীর CBC পরীক্ষায় দেখা যায় যে wbc কাউন্ট দিন দিন কমে যাচ্ছে। জন্ডিস দেখা দিয়েছে, বিলিরুবিন বেশি। এলবুমিন ও কমে যাচ্ছে।

Procalcitonin level, HBsAg, Anti HCV সহ অনেক টেস্ট করা হয়েছিল সব নরমাল। এদিকে Albumin দিয়েও Albumin লেভেল নরমালে রাখা যাচ্ছে না বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ট্রাই করেও রোগীর কোন উন্নতি হচ্ছে না
কিন্তু কেন এমন হলো তার কোন ব্যাখ্যা ও দিতে পারছেন না ডাক্তাররা।

সবশেষে উনারা বলেন যে, Septicemia থেকে Multiorgan failure এর দিকে যাচ্ছে পেশেন্ট।

ঐ মুহূর্তে ডা. খাইরুল ভাইয়ার ডাক পড়ে। ভাইয়া ওয়ার্ডে গিয়ে পেশেন্ট কে দেখেন। একেবারে শুরু থেকে হিস্ট্রি নেন এবং প্রশ্ন করে পাওয়া একটা ক্লু থেকে ডায়াগনোসিস করেন। সেই মুহূর্তে ভাইয়া মোবাইলে থাকা পেশেন্টের Rash এর ছবি টা আমাকে দেখান।

পেশেন্টের হিস্ট্রি + Rash এর ছবি টা দেখে আমার মনে পড়ে যায় ১/২ বছর আগে বিশিষ্ট হেমাটোলজিস্ট Prof. Dr. Akhil Ranjon Biswas স্যারের শেয়ার করা দুটি কেইস হিস্ট্রি পড়েছিলাম Haematology Society of Bangladesh এর ওয়েবসাইটে। এবং এই পেশেন্টের Rash ও স্যারের শেয়ার করা পেশেন্টের Rash এর ছবির সাথে মিলে যাচ্ছে।

তখন ভাই কে জিজ্ঞেস করলাম, উনার ডায়াগনোসিস কি Blood Transfusion Associated GVHD(Graft Versus Host Disease)?

তখন ভাই জানালেন যে পেশেন্টের সিজারের সময় ব্লাড ডোনেট করে তার আপন ভাই। কেউ আসলে সেই হিস্ট্রি টা নেন নি। সবাই আসলে সিজার পরবর্তী জ্বরের কারণ হিসেবে Infective cause চিন্তা করছিলেন। তাই কোনো কনক্লুসনে আসতে পারছিলেন না কেইস টি নিয়ে। যেহেতু অনেক টেস্ট অলরেডি করা হয়ে গেছে এবং ভাইয়াও অতীতে এমন কেইস দেখেছেন তাই উনি আগ বাড়িয়ে ব্লাড ট্রান্সফিউসন হিস্ট্রি নিয়েছেন এবং ডায়াগনোসিস করতে পেরেছিলেন। আর বাইরে থেকে এলবুমিন দেয়া সত্ত্বেও পেশেন্টের এলবুমিন লেভেল কমে যাচ্ছিল তার কারণ হিসেবে ভাইয়া বললেন এক্ষেত্রে Protein loosing Enteropathy হয়।

কিন্তু GVHD এর মর্টালিটি রেইট যেহেতু অনেক বেশি, এই পেশেন্ট আসলে সার্ভাইভ করার সম্ভাবনা খুব কম ছিল। (আমি পূর্বে যে দুটো কেইস পড়েছিলাম সেই দুজনই মারা যান। একজনের ক্ষেত্রে ব্লাড ডোনার ছিলেন আপন ভাই, আরেকজনের ক্ষেত্রে আপন ছেলে।)

এই মহিলার শেষ CBC তে WBC count ছিল মাত্র ২৩০/মাইক্রো লিটার (!!!)। Neutrophil 08%, Lymphocyte 90%. ESR= 45.

পরবর্তীতে তাকে হেমোটলজি ওয়ার্ডে ট্রান্সফার করা হয়। ভাইয়া আমাকে নিয়ে যান হেমোটলজি ওয়ার্ডে ভর্তি এই পেশেন্ট দেখানোর জন্য এবং ঐ সময় অধ্যাপক ডা. আখিল রন্জন বিশ্বাস স্যারও ওয়ার্ডে রাউন্ড দিচ্ছিলেন। কিন্তু এই পেশেন্টের বেডে গিয়ে পেশেন্ট কে পাওয়া যায় নি। কারণ উনিও GVHD এর মত একটি Grievous condition এর নিকট হার মেনে মৃত্যুবরণ করেছেন।

আল্লাহ মেহেরবানী করে রোগী কে বেশেহত নসীব করুন।
ডা. খাইরুল ভাইয়া কে অসংখ্য ধন্যবাদ কেইস টি শেয়ার করার জন্য। এর আগে TA-GVHD এর সেইম আরেকটি কেইস ভাইয়া ডায়াগনোসিস করেন যেখানে Open Heart Surgery এর পর পেশেন্টের জ্বর এবং Rash দেখা দেয়। সার্জারীর সময় নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেন ঐ পেশেন্ট এবং কয়েকদিনের মধ্যেই মরণঘাতী এই রোগে মৃত্যুবরণ করেন।

Take_Home_Message:
নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। নিকটাত্মীয়ের রক্ত মৃত্যুর কারণ হতে পারে। সাধারনত Blood Transfusion এর ২ দিন থেকে ৩০ দিন পর এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। Immunocompromised গ্রহীতার ক্ষেত্রে রিস্ক সবচেয়ে বেশি থাকে, তবে দৃশ্যত সুস্থ গ্রহীতার ক্ষেত্রেও Rarely এমনটা ঘটে থাকে।

এর বিস্তারিত ব্যাখা দিতে গিলে অনেক বড় হয়ে যাবে লেখা। সংক্ষেপে বললে, নিকটাত্মীয়ের সাথে আপনার HLA matching থাকায় আপনার রক্তে থাকা T cell(প্রতিরক্ষা কোষ) ডোনারের রক্তে থাকা T cell কে নিজের/Self হিসেবে মনে করবে, তাই তাকে কিছু করবে না। কিন্তু ডোনারের T cell আপনার শরীরে প্রবেশের পর আপনার দেহ কোষগুলো কে Non self/Foreign হিসেবে মনে করবে এবং বিভিন্ন অঙ্গের কোষ গুলো ধ্বংস করতে শুরু করবে। যাতে মৃত্যুর সম্ভাবনা উন্নত বিশ্বেই ৯০% এর বেশি। তবে মাত্র ১% এরও কম কেইসে এটা ঘটে থাকে, অর্থাৎ খুব রেয়ার। কিন্তু হলে যেহেতু রক্ষা নেই, তাই নিকটাত্মীয়ের রক্ত এভয়েড করাই যুক্তিযুক্ত।

বোঝার সুবিধার্থে সাধারন ভাষায় বললে,
বাইরের রাষ্ট্রের কেউ বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে গেলে বিজিবি তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কিন্তু ধরুন বাংলাদেশ বিজিবির পোশাক পরে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের সৈনিকরা এদেশে প্রবেশ করল এবং বাংলাদেশ বিজিবি ঐ সকল সৈনিক কে নিজেদের লোক মনে করে কিছুই করল না। এই সুযোগে ঐ সৈনিকরা এদেশে বংশবৃদ্ধি করলো এবং বাংলাদেশের সাধারন মানুষ দের মারতে থাকলো। ঠিক এটাই ঘটে TA-GVHD তে।
*বিজিবি= গ্রহীতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ)
*সৈনিক= দাতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ)

♦বিশেষ করে আপন ভাই/বোন, বাবা /মা, ছেলে/ মেয়ে, ভাতিজা/ভাতিজি, ভাগিনা/ভাগিনী থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। আপন ভাতিজা থেকে রক্ত নিয়ে TA-GVHD হয়ে মারা গেছেন এমন কেইসও আছে।

এফসিপিএস মেডিসিনে গোল্ড মেডেল পাওয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক Dr. Khairul Islam (MBBS,MCPS,FCPS) ভাই। ভাই শুধু ডিগ্রীধারী বিশেষজ্ঞই নন, ক্লিনিসিয়ান হিসেবেও খুবই ভালো। একাডেমিক ও মানবিক একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। ভাইয়ের সাথে দেখা হলে সবসময় বিভিন্ন কেইস নিয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। কেইস নিয়ে কৌতুহল থাকায় শুনতে/জানতে ভালো লাগে এবং থিংকিং ক্যাপাবিলিটি বাড়ানোর চেষ্টা করি। সেদিন ভাইয়া একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

বি: দ্র: ইংরেজিতে একটা কথা আছে,, Knowledge increases by Sharing, not by Saving! এই সিরিজের সবগুলো লিখাই একাডেমিক আলোচনার জন্য। প্রাসঙ্গিক কোনো তথ্য/অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাইলে করতে পারেন।
Dr. Fahim Uddin
Khulna Medical College
Session: 2012-2013

♣যদি ইমার্জেন্সি সিচুয়েশনে কোনো ডোনার খুঁজে না পাওয়া যায় তখন নিকটাত্মীয় থেকেও বাধ্য হয়ে ব্লাড নিতে হয়, তবে সেক্ষেত্রে ডোনারের ব্লাড Irradiation করে গ্রহীতার শরীরে দেওয়া হয়।

পড়াশেষে Done লিখুন এবং জনস্বার্থে শেয়ার করুন।

আপনার কি ইন্ডিয়ান ভিসা প্রয়োজন? 🇮🇳বর্তমানে চালু আছে শুধুমাত্র✅ Medical Visa 🏥✅ Double Entry Visa ✈️📌 যারা ইউরোপের 🇫🇷🇩🇪🇮🇹...
13/01/2026

আপনার কি ইন্ডিয়ান ভিসা প্রয়োজন? 🇮🇳
বর্তমানে চালু আছে শুধুমাত্র
✅ Medical Visa 🏥
✅ Double Entry Visa ✈️

📌 যারা ইউরোপের 🇫🇷🇩🇪🇮🇹 বিভিন্ন দেশের Work Permit বা Student Visa নিয়ে দিল্লির এম্বাসি ফেস করতে যাচ্ছেন, তাদের অবশ্যই Double Entry Visa নিতে হবে।

📌 গুরুতর অসুস্থ্য রোগীদের জন্য রয়েছে Indian Medical Visa, যাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ভারতে যাওয়া সম্ভব হয়।

⚠️ বর্তমানে ইন্ডিয়ান ভিসার Appointment Slot পাওয়া কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ।

🎯 তাই সময় বাঁচাতে আমরা দিচ্ছি –
🔹 দ্রুততম সময়ে
🔹 নির্ভুলভাবে
🔹 ঝামেলাহীনভাবে
Indian Visa Processing Service 🇮🇳📄

📞 এখনই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে!

* মেডিকেল ভিসা করতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট *
✅ পাসপোর্ট ( মিনিমাম ৭ মাসের মেয়াদ)।
✅ জাতীয় পরিচয় পত্র।
✅ ইলেকট্রিক বিলের কপি।
✅ প্রফেশনাল ডকুমেন্ট ( চাকরিজিবিদের জন্য এনওসি, ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স, স্টুডেন্টদের স্টুডেন্ট আইডি কার্ড। যারা কিছুই করে না বা বাড়ি ভাড়া পায় - তাদের জন্য বাড়ির বা জমির পর্চা কপি দিবেন।
✅ ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট অথবা ডলার এন্ড্রসমেন্ট ট্রাভেল কার্ড।
✅ বাংলাদেশে দেখানো ডাক্তারে সকল কাগজ ও টেস্ট রিপোর্ট।
✅ ইন্ডিয়ার ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট লেটার ও আইউশ।
✅ সকল পুরাতন পাসপোর্ট।

ইয়ামিন (ছদ্মনাম), বয়স মাত্র ১৫। এই বয়সে সবার মতো তারও ইচ্ছা ছিল নিজেকে একটু পরিপাটি আর সুন্দর দেখানোর। বয়ঃসন্ধিকালের স্ব...
02/01/2026

ইয়ামিন (ছদ্মনাম), বয়স মাত্র ১৫। এই বয়সে সবার মতো তারও ইচ্ছা ছিল নিজেকে একটু পরিপাটি আর সুন্দর দেখানোর। বয়ঃসন্ধিকালের স্বাভাবিক পরিবর্তনের কারণে কপালে দু-একটি ব্রন দেখা দিয়েছিল। আর সেই ছোট্ট সমস্যা দূর করতেই সে বেছে নিয়েছিল বাজারের নামহীন, তথাকথিত "ফর্সা হওয়ার জাদুকরী" একটি ক্রিম।
সে জানত না, স্বল্প সময়ে ফর্সা হওয়া বা ব্রন কমানোর সেই ক্রিমে লুকিয়ে ছিল ক্ষতিকর স্টেরয়েড। কয়েকদিন ব্যবহারেই হয়তো ব্রন কমে গিয়েছিল, কিন্তু আসল সর্বনাশ শুরু হলো ক্রিমটি ছাড়ার পর। এখন ইয়ামিনের কপাল জুড়ে যে দগদগে ক্ষত আর পুঁজভর্তি বড় বড় ব্রন দেখছেন, তার প্রধান কারণ ওই স্টেরয়েড যুক্ত ক্রিম। এটি তার চামড়াকে পাতলা করে দিয়েছে এবং প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে ফেলেছে।

সচেতনতা কেন জরুরি?

আমাদের আশেপাশে ইয়ামিনের মতো হাজারো কিশোর-কিশোরী না বুঝে ইউটিউব বা ফেসবুকের বিজ্ঞাপন দেখে এসব ক্রিম ব্যবহার করছে। স্টেরয়েড ক্রিম সাময়িকভাবে ত্বক ফর্সা করলেও দীর্ঘমেয়াদে যা করে:

* ত্বকের চামড়া পাতলা করে ফেলে।
* অস্বাভাবিক ও ব্রন বা ঘায়ের মতো ক্ষত তৈরি করে।
* মুখে স্থায়ী দাগ এবং অবাঞ্ছিত লোম গজাতে পারে।
* এমনকি কিডনি বা চোখেরও ক্ষতি করতে পারে।

আমাদের করণীয়:

১. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ক্রিম নয়: ব্রন একটি সাধারণ সমস্যা। এর জন্য কোনোভাবেই পার্লার বা ওষুধের দোকানের পরামর্শে স্টেরয়েড ক্রিম (যেমন: Betnovate, Dermovate ইত্যাদি যা অনেকেই না বুঝে মুখে মাখেন) ব্যবহার করবেন না।
২. বিজ্ঞাপনে প্রলুব্ধ হবেন না: রাতারাতি ফর্সা হওয়ার কোনো নিরাপদ উপায় নেই।
৩. বিশেষজ্ঞের কাছে যান: ইয়ামিনের মতো অবস্থা হলে দেরি না করে দ্রুত একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের (Dermatologist) শরণাপন্ন হতে হবে।

আপনারা কি জানেন, মশা তাড়াতে আমরা যে মশার কয়েল জ্বালাই, সেটার ধোঁয়া আমাদের শরীরের জন্যকতটা ক্ষতিকর হতে পারে❓একটি পরিচিত ব...
01/01/2026

আপনারা কি জানেন, মশা তাড়াতে আমরা যে মশার কয়েল জ্বালাই, সেটার ধোঁয়া আমাদের শরীরের জন্য
কতটা ক্ষতিকর হতে পারে❓

একটি পরিচিত বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, একটি মশার কয়েল জ্বালালে যে পরিমাণ ক্ষতিকর সূক্ষ্ম কণা বাতাসে ছড়ায়, তা প্রায় ৭৫ থেকে ১৩৭টি সিগারেটের ধোঁয়ার সমান । সহজ করে বললে, অনেকেই এটাকে প্রায় ১০০টি সিগারেটের সঙ্গে তুলনা করেন ।

এই সূক্ষ্ম কণাগুলো শ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসের গভীরে ঢুকে যায় । এর ফলে শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা বেড়ে যেতে পারে । দীর্ঘদিন এভাবে থাকলে ফুসফুসের গুরুতর সমস্যাও তৈরি হতে পারে । বন্ধ ঘরের ভেতরে কয়েল জ্বালালে ক্ষতির ঝুঁকি আরও বেশি হয় ।
মশা থেকে বাঁচতে গিয়ে যেন নিজের স্বাস্থ্যের ক্ষতি না করি । একটু সচেতন হলেই নিরাপদ থাকা সম্ভব ।

মশা তাড়ানোর জন্য ভালো বিকল্প হতে পারে:
১. মশারি ব্যবহার ।
২. কম ধোঁয়াযুক্ত লিকুইড ভ্যাপোরাইজার বা স্প্রে ।
৩. ঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা ।
৪. জানালা ও দরজায় নেট লাগানো ।
স্বাস্থ্যই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ ।

সূত্র : Environmental Health Perspectives

Address

52 B, Malibagh Chowdhury Para
Dhaka

Telephone

+8801677646240

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Medi Kindred posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Medi Kindred:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram