ইবনেসিনা ইউনানী মেডিকেল -01714-244253

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • ইবনেসিনা ইউনানী মেডিকেল -01714-244253

ইবনেসিনা ইউনানী মেডিকেল -01714-244253 নারী পুরুষের যে কোন ধরণের জটিল ও গোপনীয় রোগের সুচিকিতসা করা হয়।মোবাইল -8801714-244253

কিডনির সমস্যা নিমেষেই দূর করবে মেথির তেল! জানুন এর অন্যান্য স্বাস্থ্য উপকারিতাখাবারের গন্ধ ও স্বাদ বাড়াতে মেথির জুড়ি ম...
27/01/2021

কিডনির সমস্যা নিমেষেই দূর করবে মেথির তেল! জানুন এর অন্যান্য স্বাস্থ্য উপকারিতাখাবারের গন্ধ ও স্বাদ বাড়াতে মেথির জুড়ি মেলা ভার। তবে শুধু খাবারের স্বাদ নয়, মেথির স্বাস্থ্য উপকারিতাও অঢেল। মেথির স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে আমরা এর আগে জেনেছি। আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় এটির ব্যবহার সর্বাধিক। ব্লাড সুগার, ঋতুস্রাবের সময় পেটে ব্যথা, খুশকি, ব্রণ, ত্বক ও চুলের সমস্যা, হার্টের সমস্যা, পেটের সমস্যা, বাতের ব্যথা, ইত্যাদি দূর করতে মহৌষধ হিসেবে ব্যবহার হয় মেথি। আজ আমরা জানব মেথির তেলের গুণাগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে। মেথির বীজ থেকে তৈরি হয় মেথির তেল। এটি পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যের পক্ষেও খুব ভাল। অ্যারোমা থেরাপির সময়ও মেথির তেল ব্যবহার করা হয়। আজ, আমরা আপনাকে জানাব মেথির তেল ব্যবহারের ফলে স্বাস্থ্যের কী কী উপকার হয় এবং কী ধরনের সমস্যা হয়। মেথির তেল কিডনির পক্ষে ভাল মেথির তেল কিডনির জন্য খুব উপকারি। এটি কিডনি এবং অগ্ন্যাশয়ের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই, আপনি যদি কিডনির কোনও সমস্যায় পড়ে থাকেন, তবে আপনি মেথির তেল ব্যবহার করতে পারেন। ডায়াবেটিসের জন্য মেথি তেল ডায়াবেটিসের চিকিৎসার জন্য মেথি তেল ব্যবহার করা ভাল। মেথি রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস করে। এছাড়া মেথি তেল বিটা কোষের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করতে পারে। ইনসুলিনকেও উৎপাদন করে। আপনি মেথির তেলের সঙ্গে এক টেবিল চামচ তিলের তেল মিশ্রিত করে গ্রহণ করতে পারেন। আরাম পাবেন। মেথির তেল ব্রণ ঠিক করতে পারে আপনি যদি ব্রণর সমস্যায় ভুগছেন, তবে আপনি মেথির তেল ব্যবহার করতে পারেন। এর জন্য কয়েক ফোঁটা মেথি তেল নিয়ে জোজোবা তেলের সাথে মিশিয়ে মুখে লাগান। এটি পিম্পলের সমস্যা দূর করবে। এছাড়াও এটি ব্ল্যাকহেডসের বৃদ্ধি হ্রাস করে ব্রণ প্রতিরোধে সহায়তা করে। মেথির তেল ওজন কমাতে খুব কার্যকর মেথির তেল মেটাবলিজম বাড়াতে পারে। এটি ওজন কমাতেও খুব কার্যকর। যদি আপনি এটি গ্রহণ করেন তবে রক্তে সঞ্চিত ফ্যাট বেরোতে শুরু করে এবং খিদে কমে, যা ওজন হ্রাস করতে সহায়তা করে।

পেঁপে পাতার রস বহু অসুখের মহৌষধ! জেনে নিন এর স্বাস্থ্য উপকারিতাক্রান্তীয় অঞ্চলের ফসল পেঁপে। খুব সহজেই এই গাছ হয়, ফলনও হ...
27/01/2021

পেঁপে পাতার রস বহু অসুখের মহৌষধ! জেনে নিন এর স্বাস্থ্য উপকারিতা

ক্রান্তীয় অঞ্চলের ফসল পেঁপে। খুব সহজেই এই গাছ হয়, ফলনও হয় অনেক। বিশ্বে এই ফল পছন্দের তালিকায় রয়েছে উপরের দিকে। পেঁপে এমন একটি গাছ যার প্রায় প্রতিটি অংশই ব্যবহার করা যায়। পেঁপেতে রয়েছে ভিটামিন ই, সি এবং বিটা ক্যারোটিন। এর বীজে রয়েছে ফ্যাটি অ্যাসিড। তবে আমরা অনেকেই যেটা জানি না সেটা হল পেঁপে পাতা সম্পর্কে। এরও উপকারিতা প্রচুর। আজ এই আর্টিকেলে আমরা পেঁপে পাতার গুনাগুণ সম্পর্কে আলোচনা করব।

পেঁপে পাতা স্বাস্থ্যের জন্য যেমন উপকারী তেমন স্কিনের জন্য। পেঁপে পাতায় রয়েছে পাপাইন, যা হজমে সাহায্য করে। পেট ফুলে যাওয়া এবং অন্যান্য হজম সংক্রান্ত ব্যাধি প্রতিরোধ করে। হজমের পাশাপাশি কারপেইনের মতো শক্তিশালী যৌগ খুশকি ও চুল পড়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কার্যকর ভূমিকা নেয়। এছাড়া পেঁপে পাতায় ভিটামিন এ, সি, ই, কে ও বি এবং ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, সোডিয়াম ম্যাগনেশিয়াম ও আয়রন প্রচুর পরিমাণে থাকে। তাহলে জেনে নিন পেঁপে পাতার জুসের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা।

১) ডেঙ্গু মোকাবিলা করে পেঁপে পাতা
১) ডেঙ্গু মোকাবিলা করে পেঁপে পাতা
ডেঙ্গু আক্রান্ত সব রোগীদের পেঁপে পাতার রস খেতে বলা হয়। ডেঙ্গু হলে প্লেটলেট কাউন্ট কমতে শুরু করে, পেঁপে পাতার রস প্লেটলেট বাড়াতে সাহায্য করে।

২) অ্যান্টি-ম্যালেরিয়া উপাদান
২) অ্যান্টি-ম্যালেরিয়া উপাদান
পেঁপে পাতায় রয়েছে অ্যান্টি-ম্যালেরিয়া উপাদান। এতে থাকা এসিটোজেনিন যৌগ ডেঙ্গুর পাশাপাশি ম্যালেরিয়া সারিয়ে তুলতেও সাহায্য করে।

৩) লিভারের জন্য ভালো
৩) লিভারের জন্য ভালো
লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে পেঁপে পাতার রস। তাই এই রস প্রতিদিন খেলে লিভারের অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। জন্ডিস এবং লিভার সিরোসিস হওয়ার ভয় থাকে না।

৪) হজমে সাহায্য

৪) হজমে সাহায্য
পেঁপে পাতায় থাকা এনজাইম প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেড এবং মিনারেলকে ভেঙে হজমে সাহায্য করে। এর উচ্চ অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান পেট এবং মলাশয়ের প্রদাহকে হ্রাস করে। পেঁপে পাতার রস খেলে আলসার নিরাময় হয়।

৫) রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস করে
৫) রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস করে
ডায়াবেটিসে দারুন কাজ করে পেঁপে পাতার রস। এটি ইনসুলিন উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে যার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক থাকে। এর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান কিডনি ড্যামেজ এবং ফ্যাটি লিভারের মতো ডায়াবেটিসের ফলে যে জটিলতা দেখা দেয় তা কমিয়ে আনতে সহায়তা করে।

কিডনির সমস্যা নিমেষেই দূর করবে মেথির তেল! জানুন এর অন্যান্য স্বাস্থ্য উপকারিতা

৬) মাসিকের ব্যথা কম করে
সুরক্ষিত করুন নিজেকে, বিস্তারিত জানুন

সুরক্ষিত করুন নিজেকে, বিস্তারিত জানুন


৬) মাসিকের ব্যথা কম করে
পিরিয়ডের সময় পেটের যন্ত্রণা প্রায় সবার হয়। পেঁপে পাতার রস খেলে ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এই রস হরমোন এবং মাসিক চক্র ঠিক রাখে।

৭) ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে
৭) ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে
পেঁপে পাতায় থাকা এসিটোজেনিন যৌগ অ্যান্টি-ক্যান্সার উপাদান। এথনোফার্মাকোলজির জার্নালের সমীক্ষা অনুসারে, পেঁপে পাতায় থাকা এনজাইমগুলি লিভার ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সার, অগ্ন্যাশয় ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। পেঁপে পাতার অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান প্রদাহ এবং কেমোথেরাপির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হ্রাস করতে সহায়ক হতে পারে।

৮) স্কিনের সমস্যা দূর করে
৮) স্কিনের সমস্যা দূর করে
পেঁপে পাতার রসে ভিটামিন সি এবং এ থাকে, যা ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং আপনাকে স্বাস্থ্যকর এবং উজ্জ্বল ত্বক দেয়। পেঁপে পাতার রস ফ্রি র‌্যাডিক্যালসের ক্রিয়াকে দমন করে। কারপাইন যৌগের উপস্থিতি অতিরিক্ত অণুজীবের বৃদ্ধি পরীক্ষা করে এবং ত্বক পরিষ্কার করে। ত্বকের সমস্যাগুলি যেমন পিম্পলস, ফ্রিকেলস এবং ব্রণ থেকে সুরক্ষা দেয়।

৯) চুল ভালো রাখে

৯) চুল ভালো রাখে
ত্বকের পাশাপাশি চুল ভালো রাখতেও পেঁপে পাতার রস কাজ করে। চুল পড়া, চুল পাতলা হয়ে যাওয়া আটকায় পেঁপে পাতার রস। খুশকি দূর করতেও দারুন কাজ করে। এছাড়াও, স্ক্যাল্প থেকে ধুলো-ময়লা ও তেল দূর করে।

কলাপাতায় খেতে ভালোবাসেন! জেনে নিন কলা পাতায় খাওয়ার উপকারিতাঅনেক অনুষ্ঠান বাড়িতে গিয়েই আমরা দেখি কলাপাতার থালায় খাবার ...
16/01/2021

কলাপাতায় খেতে ভালোবাসেন! জেনে নিন কলা পাতায় খাওয়ার উপকারিতা

অনেক অনুষ্ঠান বাড়িতে গিয়েই আমরা দেখি কলাপাতার থালায় খাবার পরিবেশন, তবে এই প্রচলন তুলনামূলক দক্ষিণ ভারতে অনেকটাই বেশি। কিন্তু কেনই বা এই প্রচলন? এটা নিয়ে বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন মত আছে। আসলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন কলা পাতার মধ্যে রয়েছে পলিফেলন জাতীয় উপাদান। যা আমাদের খাবারের সাথে শরীরের ভিতরে ঢোকে, আর এটাই এন্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এখানেই শেষ না কলাপাতার রয়েছে বিশেষ বিশেষ গুণ। যা আমাদের শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী। যদি কলাপাতায় দৈনিক খাবার খাওয়া যায় তাহলে ত্বককে ভেতর থেকে সুস্থ রাখে।

কলাপাতার এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেটা শরীরের ভেতর থেকে টক্সিক পদার্থ বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। যার ফলে এই ত্বক হয়ে ওঠে আরও উজ্জ্বল ও সতেজ। দক্ষিণ ভারতের বিশেষ করে কেরালার মানুষজন ত্বক পরিচর্যার ক্ষেত্রে কলাপাতা ব্যবহার করে থাকে। এর মধ্যে থাকা পলিফেনোল ও অ্যালোএন্টাইন পেটের রোগ সারাতে সাহায্য করে।

কলাপাতার বিশেষ গুণ রয়েছে যার মধ্যে ইন্টার স্টাইন পেইন খাবার হজম এমনকি পেট ব্যথা ও জ্বর কমাতেও সাহায্য করে। কলাপাতা মানুষের ইমিউন পাওয়ার বৃদ্ধি করে ও ভাইরাস ঘটিত রোগের থেকে মুক্তি দেয়।

দেখুন মাঝ রাতে যদি খিদে পায় তাহলে কি খাবেন আর কি খাবেন নাআমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছে যারা রাত্রের খাবার খুব তাড়াতাড়ি খ...
16/01/2021

দেখুন মাঝ রাতে যদি খিদে পায় তাহলে কি খাবেন আর কি খাবেন না

আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছে যারা রাত্রের খাবার খুব তাড়াতাড়ি খেয়ে নেন। কিন্তু তাদের ঘুমাতে যাওয়ার আগে বা মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে গিয়ে তাদের খিদে পায়। তখন তারা বুঝতে পারে না যে কোন খাবারটা খেলে তাদের স্বস্তি অনুভব হবে। কারন অনেকেই মনে করে যে রাত্রে বেলায় যে কোনো ভারী খাবার খেলে হয়তো গুরুপাক হয়ে যেতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক মাঝ রাতে যদি আমাদের খিদে পায় তাহলে আমরা কি কি ধরনের খাবার খেতে পারি?

স্মুদি- সেই সময়ের জন্য উপযুক্ত খাবার হল স্মুদি। ফুল ফ্যাট দই, ফল, সবজি যে কোন কিছু দিয়ে স্মুদি বানিয়ে খেয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমানোর যেতে পারে।

ডিম- আমরা অনেকেই মনে করি রাত্রে বেলায় ডিম খেলে অনেক সময় এসিডিটি হতে পারে। তেমন ধারনা ভুল কারণ ডিম দিনের যেকোনো সময় খাওয়া যেতে পারে। রাত্রে বেলায় ডিম সিদ্ধ করে বা পচ করে খাওয়া যেতে পারে। একটি ডিমের মধ্যে থাকা প্রোটিন ও ভিটামিন ক্ষুধা নিরাময় সাহায্য করে এবং ডিম খেলে পেটে খুব একটা বেশি ভরেনা।

চিজ- চিজের মধ্যে থাকা কার্বোহাইড্রেট এবং হেলদি ফ্যাট পেট ভর্তি হতে সাহায্য করে। এছাড়া চিজ খেলে শরীরে প্রোটিন যুক্ত হয়।

দই- রাত্রে খিদে পেলে দই খেতে পারেন। দুই প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে তাই দই খেলে রাতে সহজেই ঘুম চলে আসে। রাত্রে যদি কখনো মুচমুচে কিছু খাওয়ার ইচ্ছা হয় তাহলে স্যালাড খেতে পারেন।

প্রোটিন বার- প্রোটিন বার হল খুবই স্বাস্থ্য উপযোগী একটি খাদ্য। রাত্রে যদি খিদে পায় তাহলে নিশ্চিন্তে খেতে পারেন আমন্ড, আখরোট, ফ্লাক্সসিড, চিয়াসিড।

হার্ট অ্যাটাকে পুরুষ ও মহিলাদের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা উপসর্গ থাকে! জানুন লক্ষণ গুলোঅনেক সময় আমাদের বুকে ব্যথা হয়। বুকে ...
15/01/2021

হার্ট অ্যাটাকে পুরুষ ও মহিলাদের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা উপসর্গ থাকে! জানুন লক্ষণ গুলো

অনেক সময় আমাদের বুকে ব্যথা হয়। বুকে ব্যথা হলেই আমরা অনেকেই মনে করি এটা হার্ট অ্যাটাক। কিন্তু তা ঠিক নয়। হার্ট অ্যাটাকের বুকে যন্ত্রণা একটু অন্যধরনের। মহিলাদের সাথে পুরুষদের যেমন শারীরিক গঠন ওয়ালা তেমন হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গ আলাদা। আজকে জেনে নেওয়া যাক মহিলাদের যদি হার্ট অ্যাটাক হয় তাহলে কি কি উপসর্গ হতে পারে।

হৃদবিশেষজ্ঞরা বলেন নারীর বাহুতে বা পিঠে ব্যাথা বা বমি বমি ভাব দেখা দিলে তারা প্রথমে বুঝতে পারেন না যে তাদের হার্ট অ্যাটাক হবার সম্ভাবনা আছে। চিকিত্‍সকের কাছে গেলেও অনেক সময় তারা হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে নির্ণয় করতে পারেন না।

এই প্রসঙ্গে ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টারের হৃদবিশেষজ্ঞ মায়ং এইচ পার্ক জানিয়েছেন, হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গ হল, বুকে প্রচণ্ড চাপ বা বুকের মধ্যখানে মোচড়ানোর মত প্রচণ্ড ব্যাথা, এই ব্যাথা বুকের বাঁ দিকে হতে পারে আবার সারা বুকেও হতে পারে। কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে এই উপসর্গ একটু অন্য রকম হতে পারে। হার্ট অ্যাটাক হলে অনেক নারীদের বুকে ব্যথা অনুভব হলেও ৪৩% নারীদের বুকে ব্যথা অনুভব হয় না তাদের চেয়ে উপসর্গগুলি হয় সেগুলি হল- শ্বাসকষ্ট, দুর্বলতা বোধ, অস্বাভাবিক ক্লান্তি,বমিভাব, মাথা ঝিমঝিম, নিচ বুকে অস্বস্তি, ওপর পেটে চাপ বা অস্বস্তি, বদহজম, ও পিঠে ব্যথা।। অনেকে আবার এগুলিকে বদহজমের জন্য হচ্ছে বলে ভুল করে থাকেন।

আজ নারীরা হাট গৃহবন্দী নন সে উন্মুক্ত পরিবেশে নানা অফিসে কাজ করার সাথী নিজের সংসার সামলায়। তাই অন্যের পরিচর্যা করতে গিয়ে নিজের দিকে খেয়াল রাখতে তারা ভুল করে ফেলে। তাই পুরুষদের তুলনায় নারীদের হার্ট অ্যাটাক চিহ্নিত কম হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন নারীদের বদহজম হলে এমন যদি কোন উপসর্গ দেখা দেয় যা আগে কখনো ঘটেনি তাহলে তাদের উচিত যত দ্রুত সম্ভব একটি চিকিত্‍সকের পরামর্শ নেওয়া। হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে যদি দেরি করা হয় তাহলে হৃদপেশির বেশি ক্ষতি হবে, এমনকি হার্ট নিষ্ক্রিয় হওয়ার মত আশঙ্কাও রয়েছে।

তাই হার্ট অ্যাটাক সন্দেহ হলে নারীদের উচিত নিজেই ডাক্তারের কাছে গিয়ে খোলাখুলি জানানো। কিছু পরীক্ষার মাধ্যমেই হার্ট অ্যাটাক হয়েছে কিনা তা জানা যায় যেমন- অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকায়, এসপিরিন বড়ি, রক্ত পরীক্ষা (ট্রপোনিন, সিপিকে) ইসিজি এবং পৌঁছানোর মিনিট কয়েকের মধ্যে কার্ডিয়াক মনিটরে হার্ট রেট মাপা।

প্রতি রাতেই ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে? তবে দেখে নিন এই খাবার গুলি যা আপনার ঘুম পরিপূর্ণ করবেরাত্রে ঠিক ঠাক ঘুম না হলে পরদিনের ক...
15/01/2021

প্রতি রাতেই ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে? তবে দেখে নিন এই খাবার গুলি যা আপনার ঘুম পরিপূর্ণ করবে

রাত্রে ঠিক ঠাক ঘুম না হলে পরদিনের কাজে তালা লেগে যায়।অফিসে গিয়ে কাজে মন বসে না আর বসের খিটখিট শুনতে হয়। তবে শুধুমাত্র এই কটি সমস্যাই নয় ভালো ঘুম না হওয়ার প্রভাব পড়ে স্বাস্থ্যের ওপরেও। দীর্ঘদিন এভাবে চলতে থাকলে হাইপ্রেসার, মাথার সমস্যা, চোখের সমস্যা হয়ে যায়। তাই বাধ্য হয়ে অনেকেই ঘুমের ওষুধের শরনাপন্ন হন। কিন্তু চিকিত্‍সকদের মতে ঘুমের ওষুধের থেকে ভালো ঘুমের মোক্ষম ওষুধ প্রকৃতিতেই রয়েছে। জেনে নিন সেগুলি কি কি-

কাজুবাদাম- কাজুবাদাম অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ একটি খাবার। এটি শরীরের ব্যালান্স ডায়েট ঠিক রাখে। তারসঙ্গে কাজুবাদাম রাতে ঘুম ভালো করার ক্ষেত্রেও বিশেষ কাজ দেয়।

মধু- ফ্যাট ঝড়ানো ও সর্দিকাশি ভালো করার পাশাপাশি মধু রাতে ভালো ঘুমের জন্যও মোক্ষম দাওয়াই। মধুর মধ্যে উপস্থিত উপাদান রাতের ঘুম বাড়িতে তোলে।

কলা- কলায় থাকা কার্বোহাইড্রেড ও ফাইবার শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। এর ফলে রাতে ভালো ঘুম হয়।

চেরি ফল- যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা আছে তাদের জন্য চেরি ফল ভীষনই উপাদেয়। তারসঙ্গে যাদের ভালো ঘুম হয় না তাঁরা যদি প্রতিদিন একটি করে চেরিফল খেতে পারেন তাহলে ভীষন উপকার পাবেন।

দুধ- শরীরের সমস্ত পুষ্টির ঘাটতি মেটায় এই প্রাণীজ প্রোটিনটি। তাই রাতে শোওয়ার আগে এক গ্লাস করে পান করলে টানা ঘুম হয়।

মাইগ্রেনের ব্যথা খুব কষ্টদায়ক এবং দীর্ঘস্থায়ী, কিন্তু জানেন কি মাইগ্রেনের সমস্যা কেন হয়মাইগ্রেনের ব্যথা খুব কষ্টদায়ক এবং...
15/01/2021

মাইগ্রেনের ব্যথা খুব কষ্টদায়ক এবং দীর্ঘস্থায়ী, কিন্তু জানেন কি মাইগ্রেনের সমস্যা কেন হয়

মাইগ্রেনের ব্যথা খুব কষ্টদায়ক এবং দীর্ঘস্থায়ী। এই ব্যথা মাথার এক পাশ থেকে শুরু হয় এবং ক্রমশ বাড়তে থাকে। মাইগ্রেনের ব্যথার ফলে শরীরের অসস্থি এবং বমি বমি ভাবও আসে। মাইগ্রেনের সমস্যা হল বংশগত।

মাইগ্রেনের ব্যথার কারণগুলি দেখে নিন। দীর্ঘসময় ধরে যদি আপনি খালি পেটে থাকেন তবে মাইগ্রেনের সমস্যা দেখা দিয়ে পারে। অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার খেলে শরীরে সুগারের পরিমান বাড়তে থাকে।

আবার সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশি পরিমাণে ইনসুলিন ক্ষরিত হয়। এরফলে রক্তে সুগারের মাত্রা কমতে থাকে। সুগারের এই তারতম্যের ফলে মাইগ্রেনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অতিরিক্ত রোদে বেশি সময় ধরে ঘোরাঘুরি করার ফলে মাইগ্রেনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বেশি আওয়াজে গান শুনলে মাইগ্রেনের সমস্যা বাড়ে।

যারা অতিরিক্ত কফি খান তাঁরা যদি হটাত্‍ করে কফি খাওয়া ছেড়ে দেন, তার ফলে মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়তে পারে।

ঘুম খাওয়া দাওয়ায় অনিয়ম হলে মাইগ্রেনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত পরিমানে ঘুমের জন্যও মাইগ্রেনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

দেখে নেওয়া যাক এমন কিছু অভ্যাস যা আমাদের লিভারের ক্ষতি করছেলিভার আমাদের শরীরের একটি অত্যন্ত গুরত্বপূর্ন অঙ্গ। শরীরকে সুস...
14/01/2021

দেখে নেওয়া যাক এমন কিছু অভ্যাস যা আমাদের লিভারের ক্ষতি করছে

লিভার আমাদের শরীরের একটি অত্যন্ত গুরত্বপূর্ন অঙ্গ। শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে লিভারের খেয়াল রাখতেই হবে। আমাদের শরীরে ক্ষতিকারক টক্সিন জমে যায়, সেই টক্সিন শরীর থেকে ছেকে বের করে দেয় লিভার।

কিন্তু লিভারের সমস্যা দেখা দিলে টক্সিন শরীরেই থেকে যায়। এরফলে দেখা দেয় বিভিন্ন সমস্যা। বিকল হতে থাকে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। বিভিন্ন অভ্যাসের কারণে আমাদের অজান্তেই ক্ষতি হতে পারে লিভারের। দেখে নেওয়া যাক এমন কিছু অভ্যাস, যা লিভারের ক্ষতি করছে

১. অতিরিক্ত পরিমানে মদ্যপান করলে লিভার নষ্ট হতে পারে।অ্যালকোহল আমাদের শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে।

২. বেশি মাত্রায় ওষুধ খেলে লিভার নষ্ট হতে পারে। বিশেষ করে ব্যথার ওষুধ লিভারের পক্ষে খুব ক্ষতিকর।

৩. দেরি করে ঘুমোতে যাওয়া বা দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, দুক্ষেত্রেই লিভারের পক্ষে ক্ষতিকর।

৪. অতিরিক্ত পরিমানে কাঁচা খাবার খাওয়া লিভারের ক্ষতি করে ।

৫. অনেকেই সকালে উঠে আলস্যের কারণে পায়খানা-প্রস্রাব চেপে রাখেন। এটি লিভারের খুব ক্ষতি করে।

৬. মাত্রাতিরিক্ত পরিমানে খাওয়া দাওয়া করা লিভারের পক্ষে ক্ষতিকর।

৭. ক্ষতিকর রাসায়নিক রং যুক্ত খাবার খাওয়ায় লিভার ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

৮. বেশি তৈলাক্ত খাবার বা খারাপ তেলে ভাজা খাবার লিভারের ক্ষতি করে।

৯. সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেক্ষন ধরে না খেয়ে থাকার ফলেও লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

হার্ট অ্যাটাক হলেই এনজিওপ্লাস্টি করা কি জরুরী, জানুন এর কিছু সুবিধা এবং অসুবিধাআমরা সকলেই জানি, নতুন বছর পড়তে না পড়তেই...
14/01/2021

হার্ট অ্যাটাক হলেই এনজিওপ্লাস্টি করা কি জরুরী, জানুন এর কিছু সুবিধা এবং অসুবিধা

আমরা সকলেই জানি, নতুন বছর পড়তে না পড়তেই আমাদের শুনতে হয়েছে একটি দুঃসংবাদ। আমাদের সকলের প্রিয় ক্রিকেটার প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী বুকের ব্যথা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন হাসপাতালে। পরে জানা যায় যে, তার মাইল্ড হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। করোনারি আর্টারিতে এনজিওপ্লাস্টি করতে হয়েছে তার। তবে এ কথা শোনার পর অনেকেই বলেছেন যে, এই এনজিওপ্লাস্টি আসলে কি? তাই আজকে এই প্রতিবেদনে আপনাকে বলব, এনজিওপ্লাস্টি কিছু সুবিধা এবং অসুবিধা।

এনজিওপ্লাস্টি হলো এমন একটি চিকিত্‍সা যার ফলে হৃদপিন্ডের পেশী গুলিতে রক্ত সরবরাহকারী রক্তনালীগুলো খুলে দেওয়া হয়। চিকিত্‍সা ভাষায় কই রক্তনালী গুলিকে বলা হয় করোনারি ধমনী। কখনো হার্ট অ্যাটাক হলে চিকিত্‍সকেরা এনজিওপ্লাস্টি র পদ্ধতি অবলম্বন করেন।

এই পদ্ধতি অবলম্বন করতে চিকিত্‍সকের লাগে এক থেকে দেড় ঘণ্টার মত। অনেক ক্ষেত্রে চিকিত্‍সকরা এনজিওপ্লাস্টির পরে রক্তনালী গুলিকে করোনারি আর্টারি স্টেন্ট গুলিতে প্রবেশ করেন। এখানে শিরা গুলিতে রক্তপ্রবাহ পুনরুদ্ধার করার কাজ চলে।
হার্ট অ্যাটাক হবার পরে, এক থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যে এনজিওপ্লাস্টি করে নেওয়া উচিত।

মেডিকেল সাইন্স অনুযায়ী, এক ঘণ্টার মধ্যে যদি এনজিওপ্লাস্টি করা যায়, তাহলে মৃত্যুর হার অনেক কমে যায়। হৃদরোগের ঝুঁকি কম হয়। তিন ধরনের এঞ্জিওপ্লাস্টি করা যায়। বেলুন এনজিওপ্লাস্টি, লেজার এঞ্জিওপ্লাস্টি এবং অ্যাথেরেডমি এনজিওপ্লাস্টি।

উপকারিতা: সোসাইটি ফর কার্ডিওভাসকুলার এনজিওগ্রাফি অ্যান্ড ইনট্রেভলনশন সোসাইটির রিপোর্ট অনুযায়ী, এনজিওপ্লাস্টি একজন ব্যক্তির জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে। হার্ট অ্যাটাকের পর বুকে ব্যথা হলেও এনজিওপ্লাস্টি স্বস্তি দেয়। রক্ত জমাট বাঁধা এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও কমিয়ে দিতে পারে।

এঞ্জিওপ্লাস্টি র অসুবিধা: প্রত্যেক চিকিত্‍সা পদ্ধতিতে কিছু সুবিধা এবং অসুবিধা থাকে। এই সমস্যা রোগীদের এনজিওপ্লাস্টি তে ব্যবহৃত কিছু উপাদান এর সাথে সাথে অ্যালার্জি হতে পারে। এছাড়াও ব্লক ধমনীতে রক্ত পাত, জমাটবাঁধা অথবা ক্ষতবিক্ষত মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনকি অস্ত্রপচার করার পর অনিয়মিত হার্টবিট হতে পারে সেই রোগীর।

রক্তনালী হার্টের ভাল্ব এমনকি ধমনীর ক্ষতির কারণ হতে পারে এই এঞ্জিওপ্লাস্টি। এছাড়াও কিডনি ও ক্ষতিগ্রস্ত হবার সম্ভাবনা থাকে। যাদের আগে থেকে কিডনির সমস্যা রয়েছে, তাদের আরো বেশি করে সাবধান হওয়া উচিত।

এঞ্জিওপ্লাস্টি করার পর কিছু অবহেলা এড়াতে হবে। আগের থেকে অনেক বেশি যত্নবান হতে হবে নিজের প্রতি। চিকিত্‍সকের পরামর্শমতো ওষুধ খেতে হবে। ধূমপানে আসক্ত হলে অবিলম্বে ত্যাগ করা উচিত। একটি হেলদি ডায়েট এর মধ্যে থাকতে হবে রোগীকে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে এই স্বাস্থ্যকর বিশেষ কিছু রুটিভারতবর্ষে বেশিরভাগ মানুষ এখন ডায়াবেটিসের রোগী। ডায...
14/01/2021

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে এই স্বাস্থ্যকর বিশেষ কিছু রুটি

ভারতবর্ষে বেশিরভাগ মানুষ এখন ডায়াবেটিসের রোগী। ডায়াবেটিসের কারণে অন্যান্য রোগ সহজে বাসা বাঁধতে পারে আমাদের শরীরে।শরীর ক্ষীণ হয়ে যাওয়া থেকে আরম্ভ করে দৃষ্টি কমে যাবার মতো লক্ষণ দেখা যায় ডায়াবেটিস থাকলে। ডায়াবেটিস থাকলে আমাদের উচিত বেশি করে প্রোটিন এবং ফাইবার যুক্ত খাবার খাওয়া। তাহলে ডায়াবেটিস অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে আমাদের।

ডায়েটে বেশি করে রুটি খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। তবে যে রুটি আমরা নিয়মিত খাই, অর্থাত্‍ আটা অথবা ময়দার রুটি তার থেকেও স্বাস্থ্যকর বিশেষ কিছু রুটি রয়েছে যা খেলে আমাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তাহলে দেখে নেওয়া যাক, সেই বিশেষ ধরনের রুটি গুলি কি কি।
রাগী আটার রুটি: রাগী আটা তে পরিমাণে ফাইবার থাকে। ফাইবার আমাদের পেট ভর্তি রাখতে সাহায্য করে। ফলে অতিরিক্ত খেয়ে ফেলা থেকে আমরা বিরত থাকি। ডায়াবেটিস এর ক্ষেত্রে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রচন্ড জরুরি। বারবার না খেলে আমাদের অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

অ্যান্টি ডায়াবেটিক নামে পরিচিত এই আটার রুটি। এর মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল, প্রোটিন এবং ভিটামিন। এগুলি ডায়াবেটিস এর পক্ষে খুবই উপকারী।

বার্লির রুটি: যে কোন রোগীর পথ্য হিসাবে বার্লি বহুদিন ধরেই পরিচিত। এই রুটি খেলে মেটাবলিজিম বৃদ্ধি পায়। তাই ডায়াবেটিস রোগী কে অনায়াসে দেওয়া যায় বার্লি র রুটি।

ছোলার আটা: এই ধরনের আটা তে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, এছাড়া সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে থাকে ছোলার আটা খেলে।

শীতের মরশুমে নিজেকে সতেজ রাখতে আজই আপনার ডায়েটে যোগ করুন এই জিনিসগুলিপ্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক : আপনার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্...
24/11/2020

শীতের মরশুমে নিজেকে সতেজ রাখতে আজই আপনার ডায়েটে যোগ করুন এই জিনিসগুলি

প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক : আপনার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সহজেই ঋতুগত পরিবর্তন এবং দিনের বেলা তাপমাত্রা হ্রাসের সাথে প্রভাবিত হয়। আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এবং অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এই সময়ে, আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বজায় রাখতে একটি কঠোর ব্যবস্থা অনুসরণ করা প্রয়োজন। আপনার ডায়েটের পরিবর্তনগুলি সহায়ক হবে যেমন আপনার ডায়েটে আরও শীতের খাবার এবং স্যুপ অন্তর্ভুক্ত করুন। ৩ টি ভিন্ন রেসিপি যুক্ত খাবার আপনাকে অসুস্থ্য থেকে বাঁচাতে পারে, এটি আয়ুর্বেদিক শনাক্ত যা আপনার স্নায়ুর জন্য সূক্ষ্ম হবে, আপনার মনকে শান্ত করে এবং ইমিউন বুস্টার হিসাবে কাজ করে।

নিয়মিত ফ্লু, সর্দি এবং কাশির জন্য ডিকোশন:

রেসিপি: এলাচ, দারচিনি, আদা এবং গোল মরিচ একসাথে পিষে দু' কাপ ফুটন্ত জলে মিশিয়ে নিন। প্রায় ৪-৫ টি তুলসী পাতা যুক্ত করুন এবং এটি ৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন। আপনি চাইলে মধু যোগ করতে পারেন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ডিকোশন:

রেসিপি: ফুটন্ত জলে ১ টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়ো এবং ৫-৬ টি গোল মরিচ মিশিয়ে নিন। এটি ৫-মিনিট রান্না করুন এবং এতে নারকেল তেল, মধু এবং ৫-৬ ফোটা লেবুর রস যুক্ত করুন।

হজমে উন্নতির জন্য ডিকোশন:

রেসিপি: কিছু মৌরি, জিরা এবং সেলারি একসাথে পিষে এবং দুই কাপ ফুটন্ত জলে মিশিয়ে নিন। এই ডিকোশনটিতে ৭-৮ পুদিনা পাতা রাখুন এবং এটি ৫ মিনিটের জন্য সিদ্ধ হতে দিন।

Address

Sakhipur, Tangail
Dhaka

Telephone

+8801714244253

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইবনেসিনা ইউনানী মেডিকেল -01714-244253 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share