Pharmacist

Pharmacist pharmocological advice

03/12/2025

উচ্চ রক্তচাপ শুধু শারীরিক সমস্যাই নয় এটি মানসিক স্বাস্থ্যের সাথেও গভীরভাবে জড়িত। দীর্ঘদিন মানসিক চাপ, রাগ, ভয়, দুশ্চিন্তা, ভয় ও অস্থিরতা শরীরে স্ট্রেস হরমোন বাড়িয়ে দেয়, যা সরাসরি রক্তচাপকে আরো বেশি বাড়িয়ে দেয়। এছাড়াও উচ্চ রক্তচাপ নিজেও রোগীর মনে হতাশা, ভয়, উৎকন্ঠা তৈরি করে। একন্য উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও দীর্ঘমেয়াদি জটিলতা প্রতিরোধে মানসিক শান্তি বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আমরা যখন মানসিক চাপে থাকি তখন হৃদস্পন্দন খুব দ্রুত হয়, স্ট্রেস হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যায়, রক্তনালি সংকুচিত হয়। যারফলে সাময়িক ভাবে রক্তচাপ বেড়ে যায় তবে এই অবস্থা যদি দীর্ঘদিন থাকে তবে স্থায়ী উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, হৃদরোগ ও কিডনি ক্ষতির ঝুঁকি বহুগুন বেড়ে যায়।
উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীর মানসিক শান্তি বজায় রাখার কার্যকর উপায়ঃ-
✔️ Deep Breathing Exercise:
বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত যে, ধীরে ধীরে গভীর শ্বাস নিলে প্যারাসিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম সক্রিয় হয় এবং হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ কমে। দিনে ২ - ৩ বার ৫ - ১০ মিনিটের জন্য এই এক্সারসাইজ করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।
✔️ নিজের জন্য সময় রাখুন:
সারাদিনের কাজ, দুশ্চিন্তা, দায়িত্বের মাঝে নিজের জন্য প্রতিদিন অন্তত ২০ - ৩০ মিনিট সময় রাখুন। এই সময়ে মোবাইল, টিভি, কম্পিউটার চালানো এড়িয়ে চলুন। এসময়ে হালকা স্ট্রেচিং করতে পারেন বা শখের কোনো কাজ করতে পারেন।
✔️ রোগ সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখুন:
অজানা ভয় মানসিক চাপের অন্যতম কারন। প্রথমেই ঘাবড়ে না গিয়ে আগে বুঝুন উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণযোগ্য একটি রোগ। নিয়ম মেনে চললে এবং ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চললে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব। জ্ঞান বাড়লে ভয় কমে আর ভয় কমলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
✔️ রাগ ও আবেগ নিয়ন্ত্রণের অভ্যাস গড়ে তুলুন:
হঠাৎ রাগ রক্তচাপ হঠাৎ অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে। এতে হার্ট এট্যাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। রাগ হলে জায়গা বদলান, কয়েকবার গভীর শ্বাস নিন।
✔️ নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করুন:
ব্যায়াম শুধু শরীরকে নয় মনকেও শান্ত করে।সপ্তাহে অন্তত ৫দিন ৩০ মিনিট হাঁটা, হালকা জগিং, সাইক্লিং, ইয়োগা করতে পারেন।
✔️ মানসম্পন্ন ঘুম নিশ্চিত করুন:
অনিয়মিত এবং অপর্যাপ্ত ঘুম মানসিক অস্থিরতা বাড়ায়, রক্তচাপকে বাড়িয়ে দেয়। প্রতিদিন ৭ - ৮ ঘন্টা ঘুম নিশ্চিত করুন, একই সময় ঘুমানো এবং ওঠার চেষ্টা করুন, ঘুমের আগে মোবাইল ও ক্যাফেইন এড়িয়ে চলুন।
উচ্চ রক্তচাপের সফল চিকিৎসার জন্য ওষুধের পাশাপাশি শরীর, মন, জীবনযাপন সবকিছুর প্রতিই খেয়াল রাখতে হবে।
ডা. মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

মাত্র ১০ টাকায় অসাধারণ চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় ঢাকার এই হাসপাতালগুলোতে।  নাম, ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দেওয়া হলো, যেখানে মা...
02/12/2025

মাত্র ১০ টাকায় অসাধারণ চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় ঢাকার এই হাসপাতালগুলোতে। নাম, ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দেওয়া হলো, যেখানে মাত্র ১০ টাকার টিকিটে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়।
১. কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
ঠিকানা: কুর্মিটোলা, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা-১২১৬
ফোন: +880-2-55062350
ওয়েবসাইট: http://kurmitolahospital.gov.bd
২. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল
ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭
ফোন: 02-58151368, 02-48120079
ইমেইল: nins@hospi.dghs.gov.bd
ওয়েবসাইট: https://www.nins.gov.bd
৩. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইএনটি (নাক-কান-গলা) অ্যান্ড হসপিটাল
ঠিকানা: লাভ রোড, বেগুনবাড়ি, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮
ফোন: 02-8878155
ইমেইল: nient@hospi.dghs.gov.bd
ওয়েবসাইট: https://nient.gov.bd
৪. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (DMCH)
ঠিকানা: বকশিবাজার, ঢাকা-১২০৩
ফোন: 02-9668690
ওয়েবসাইট: https://www.dmc.gov.bd
৫. মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ঠিকানা: মুগদা, ঢাকা-১২১৪
ফোন: 02-7215400
ওয়েবসাইট: https://mmch.gov.bd
৬. শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭
ফোন: 02-9122560
ওয়েবসাইট: https://shsmc.gov.bd
৭. জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭
ফোন: 02-9137292
ওয়েবসাইট: https://www.nhf.gov.bd
৮. জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
ঠিকানা: মহাখালী, ঢাকা-১২১২
ফোন: 02-9893491
ওয়েবসাইট: https://www.nicrh.gov.bd
এই হাসপাতালগুলোতে সকাল বেলা বহির্বিভাগে (OPD) মাত্র ১০ টাকায় টিকিট কেটে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যায়। ওষুধও অনেক সময় বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়।
৯. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল
ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭, বাংলাদেশ
ফোন নম্বর:
০২-৫৮১৫১৩৬৮
০২-৪৮১২০০৭৯
০২-৪৮১১৮৮০৮
ইমেইল: nins@hospi.dghs.gov.bd
ওয়েবসাইট: https://www.nins.gov.bd
১০. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইএনটি (নাক-কান-গলা) অ্যান্ড হসপিটাল
ঠিকানা: লাভ রোড, বেগুনবাড়ি, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
ফোন নম্বর: ০২-৮৮৭৮১৫৫
ইমেইল: nient@hospi.dghs.gov.bd
ওয়েবসাইট: https://nient.gov.bd
নিজে দেখুন এবং একটি শেয়ার করো অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন।
পিজি হাসপাতালের তথ্য

National institute of ENT

17/11/2025
11/11/2025
10/11/2025

পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে নিচের চারটি কাজ অবশ্যই বর্জন করুন
১। পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা জল, কোমল পানীয় এবং নারিকেল খাবেন না।
-
২। এইসময় মাথায় শ্যাম্পু ব্যাবহার করবেন না। কারণ পিরিয়ডের সময় চুলের গোড়া আলগা হয় ফলে লোমকূপ উন্মুক্ত হয়ে পড়ে।শ্যাম্পু ব্যবহার এসময় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী
মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।
-
৩। এইসময় শশা খাবেন না। কারণ শশার মধ্যে থাকারস পিরিয়ডের রক্তকে জরায়ু প্রাচীরে আটকে দিতে পারে। যার ফলে আপনার বন্ধ্যা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
-
৪। এছাড়াও লক্ষ্য রাখবেন, পিরিয়ডের সময় যেন শরীরে শক্ত কিছুর আঘাত না লাগে, বিশেষত পেটে। পিরিয়ডের সময়টায় জরায়ু খুব নাজুক থাকে ফলে অল্প আঘাতেই মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। যার ফলে পরবর্তীতে জরায়ু ক্যান্সার, জরায়ুতে ঘাঁ কিংবা বন্ধ্যাত্যের ঝুঁকি থাকে।
-
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা জল পান করার ফলে পিরিয়ডের রক্ত বের না হয়ে জরায়ু প্রাচীরে জমাট বাঁধতে পারে। যা পরবর্তী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে জরায়ু টিউমার বা ক্যান্সারের আকার ধারণ করতে পারে। তাই কুসুম কুসুম গরম জল খাবেন।
-
দয়াকরে এই তথ্যটুকু আপনার স্ত্রী, মা, বোন, কন্যা সকলের কাছে পৌঁছে দিন যেকোন কিংবা কারো মাধ্যমে। আপনার মাধ্যমে যদি একজন নারীও উপকৃত হয় সেটাও পরম পাওয়া।
জরায়ু ক্যান্সার ও বন্ধ্যান্ত মুক্ত হোক আমাদের মা, বোনেরা।

03/07/2025

বয়স বাড়ার সাথে সাথে দুটো জিনিস নিয়মিত চেক করুন।
১) ব্লাড প্রেসার।
২) ব্লাড সুগার।
তিনটি জিনিস একেবারেই ভুলে যান।
১) বয়স বাড়ছে এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা,
২) অতীত নিয়ে অনুশোচনা,
৩) সবসময় দুঃখে কাতর হওয়া।
চারটি জিনিস খাবার থেকে যত পারুন কমিয়ে নিন।
১) লবন,
২) চিনি,
৩) দুগ্ধ /ডিম জাতীয় খাবার,
৪) স্ট্রাচি/কার্ব জাতীয় খাবার।
চারটি জিনিস খাবারে যত পারুন বাড়িয়ে নিন।
১) সব রকমের সবুজ শাক
২)সব রকম সবুজ সব্জি , সীম বা মটরশুটি ইত্যাদি
৩) ফলমূল,
৪) বাদাম।
সুখে কিংবা দুখে চারটি জিনিস সবসময় সাথে রাখুন।
১) একজন প্রকৃত ভালো বন্ধু,
২) নিজের পরিবার,
৩) সবসময় সুচিন্তা,
৪) একটি নিরাপদ ঘর কিংবা আশ্রয়।
পাঁচটি জিনিসের চর্চা রাখুন।
১) রোজা রাখা,
২) সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা,
৩) মানুষের সাথে ভালো আচরণ করা,
৪)নিয়মিত শরীর চর্চা করা,
৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
ছয়টি জিনিস এড়িয়ে চলুন।
১) কর্য,
২) লোভ,
৩) আলস্য,
৪) ঘৃণা,
৫) সময়ের অপচয়,
৬) পরচর্চা।
ছয়টি জিনিস কখনোই করবেন না।
১) অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ে খেতে যাওয়া,
২) অতিরিক্ত পিপাসায় কাতর হয়ে পানি পান করা,
৩) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে ঘুমোতে যাওয়া,
৪) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে বিশ্রাম নেয়া,
৫) একেবারে অসুস্থ হয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়া,

• ঘন ঘন প্রস্রাব কখন চিন্তার? • প্রস্রাব চেপে রাখা কেন খারাপ? • পলিইউরিয়া ও নকচুরিয়া কখন ধরা হয়?• প্রস্রাব কি ঘন ঘন হ...
28/06/2025

• ঘন ঘন প্রস্রাব কখন চিন্তার? • প্রস্রাব চেপে রাখা কেন খারাপ? • পলিইউরিয়া ও নকচুরিয়া কখন ধরা হয়?

• প্রস্রাব কি ঘন ঘন হয়? না কি খুব কম হয়? দিনে কত বার প্রস্রাব হওয়া স্বাভাবিক, সেই মাপকাঠিটা জানেন কি? অর্থাৎ, কতটা কম বা বেশি হলে তখন সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন আছে, তা জেনে রাখা ভাল।

ঘন ঘন প্রস্রাব বা রাতে বার বার শৌচাগারে যাওয়া— এমন উপসর্গ দেখা দিলে সকলেই শঙ্কিত হন। তার মানে কি ডায়াবিটিস হয়েছে? বয়স্কদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি। অন্তঃসত্ত্বারাও এ সমস্যায় ভোগেন। অনেকেই ভাবেন, ঘন ঘন প্রস্রাব মানেই তা ক্ষতিকর। কিন্তু ঘন ঘন বলতে তা ঠিক কতটা বা কত বার বোঝায়?

• দিনে কত বার স্বাভাবিক?

প্রস্রাব দিনে কত বার হওয়া স্বাভাবিক, তার একটা মাপ আছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্‌থের গবেষণাপত্র বলছে, এক জন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দিনে ৬ থেকে ৭ বার প্রস্রাব হওয়াকে স্বাভাবিকই বলা যায়। প্রস্রাব কত বার হবে, তা নির্ভর করে সেই ব্যক্তি কতটা জল বা তরল খাবার খাচ্ছেন, তার উপর। সে দিক থেকে দিনে ৪ থেকে ১০ বার প্রস্রাব হওয়াকে চিকিৎসকেরা স্বাভাবিকই বলে থাকেন। কিন্তু গোল বাধে এর বেশি বা কম হলে। সেটা কেমন?

ধরুন, দিনে ১০ বারের বেশি প্রস্রাব হচ্ছে, আর প্রতি ৩০ মিনিট অন্তর প্রস্রাবের বেগ আসছে। তখন বুঝতে হবে, কিছু একটা সমস্যা হচ্ছে। আবার যদি দিনে ৪-৬ বারের কম প্রস্রাব হয়, প্রস্রাবের সময়ে জ্বালা বা যন্ত্রণা হয়, তখনও সতর্ক হতে হবে।

• কখন তা রোগ?

এক জন সুস্থ পূর্ণবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে মূত্রাশয়ে ২০০ মিলিলিটার পরিমাণ প্রস্রাব জমা হলেই মূত্রত্যাগের প্রয়োজন অনুভূত হয়। সুস্থ অবস্থায় মূত্রাশয় ৩৫০ থেকে ৫৫০ মিলিলিটার মূত্র ধরে রাখতে সক্ষম। যাঁরা দীর্ঘ সময়ে প্রস্রাব চেপে রাখেন, তাঁদের সমস্যা বেশি হয়। সে ক্ষেত্রে শ্রোণিতল বা পেলভিক ফ্লোরের পেশি দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তখন মূত্রথলিতে চাপ পড়ে, সেই জায়গার পেশির সঙ্কোচন ও প্রসারণ বাধা পায়, ফলে নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। যেমন— মূত্রনালিতে সংক্রমণ হতে পারে, ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ আসতে পারে, হাঁচি বা কাশির সময়েও প্রস্রাব বেরিয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ, প্রস্রাব ধরে রাখতেও সমস্যা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।
এক জন পূর্ণবয়স্ক মানুষ দিনে তিন থেকে সাড়ে তিন লিটার জল পান করলে ভাল। তবে রোগব্যাধি থাকলে এই পরিমাণ আলাদা হবে। চিকিৎসকেরা বলেন, দিনে ১০ বারের বেশি প্রস্রাব হতে থাকলে তা অস্বাভাবিক। তখন একে বলা হবে 'পলিইউরিয়া'। প্রয়োজনের অতিরিক্ত জল খেলে, ক্যাফিন যুক্ত পানীয় ঘন ঘন খেতে থাকলে, অ্যালকোহল বেশি খেলে তখন এমন হতে পারে। কর্মসূত্রে অনেককেই রাত জেগে কাজ করতে হয়। রাতভর যদি ঘন ঘন চা বা কফি খেতে থাকেন, তখন এমন সমস্যা হতে পারে।

• রাতে কত বার প্রস্রাব হওয়া স্বাভাবিক?

রাতে শুলেই প্রস্রাব পায়, বার বার উঠতে হয়— এমন সমস্যা অনেকেরই। খেয়াল রাখতে হবে, রাতে এক বার বা নিদেনপক্ষে দু’বার প্রস্রাবের বেগ এলে তা স্বাভাবিকই ধরা হবে। কিন্তু যদি প্রতি ঘণ্টায় প্রস্রাবের বেগ আসে, তা হলে অস্বাভাবিক। এই সমস্যাকে চিকিৎসার পরিভাষায় বলে ‘নকচুরিয়া’।

• কাদের হয়:
১) অ্যান্টি সাইকিয়াট্রিক ড্রাগ বা কিডনির ওষুধ খেলেও প্রস্রাব বেশি পায়।

২) চল্লিশের পরে নকচুরিয়ায় ভোগেন অনেকে, বয়স্কদের সমস্যা বেশি হয়।

৩) মহিলাদের গর্ভাবস্থায় বা রজোনিবৃত্তির পরে এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়।

৪) হার্টের অসুখ, কিডনিতে স্টোন বা প্রস্টেটের রোগ থাকলেও এমন হতে পারে।

৫) ডায়াবিটিস থাকলে এই সমস্যা হতে পারে।

৬) শরীরে থাইরয়েড হরমোন বা কর্টিসল হরমোনের আধিক্য হলেও হতে পারে।

৭) স্নায়ুর রোগ বা মূত্রথলির ক্যানসার হলেও হতে পারে।

প্রস্রাবের সমস্যা হলে চিকিৎসকের কাছে তো যেতেই হবে, পাশাপাশি জীবনযাপনেও বদল আনা জরুরি। মদ্যপান, চা-কফি বা বেশি ক্য়াফিন যুক্ত খাবার খাওয়া ছাড়তে হবে। বেশি মশলাদার খাবার খাওয়া যাবে না। পাশাপাশি, শরীরচর্চা নিয়ম মেনে করতে হবে। হাঁটাহাঁটি, দৌড়নো, সাঁতার বা যোগব্যায়াম নিয়মিত করলে পেলভিক পেশির ব্যায়াম হবে। ফলে মূত্রথলির যে কোনও সমস্যা দূরে থাকবে।

Address

Dhaka
1340

Telephone

01728398376

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pharmacist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Pharmacist:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram