ডাক্তার সাবরিনা সুমি

ডাক্তার সাবরিনা সুমি আমি সাবরিনা। সবাইকে সাহায্য করতে চাই।

মেয়েদের যৌন আগ্রহ কমে যাওয়ার কারণ | চিকিৎসাসহ জেনে নিন কেন নারীরা সহবাসে অনীহা দেখায় তা আলোচনা করা হল।অনেক ভাইও বোনের...
27/04/2020

মেয়েদের যৌন আগ্রহ কমে যাওয়ার কারণ | চিকিৎসাসহ জেনে নিন কেন নারীরা সহবাসে অনীহা দেখায় তা আলোচনা করা হল।

অনেক ভাইও বোনেরা প্রশ্ন করেছেন ইনবক্সে, কি কারনে সেক্স এর ইচ্ছা কমে যায়,এই প্রশ্নগুলুর প্রেক্ষাপটে নিচে তুলে ধরা হলল।

১. আপনার স্ত্রী কি গর্ভনিরোধের জন্য পিল (oral contraceptives) ব্যবহার করেন? গর্ভনিরোধোক বড়ির প্রভাবে শরীরে অনেক সময় টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে গিয়ে যৌনইচ্ছা কমে যেতে পারে। আপনারা পিল ছেড়ে অপর কোন গর্ভনিরোধ ব্যবহার করে দেখতে পারেন। মনে রাখবেন পিল খাওয়া ছেড়ে দিলেও শরীরে তার প্রভাব পড়তে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

২. সঙ্গমের সময় কি আপনার স্ত্রীর ব্যাথা লাগছে, বা শারীরিক কোন কষ্ট হচ্ছে? অনেক সময় বিভিন্ন কারণে মহিলাদের যোনিপথ ঠিকমত লুব্রিকেটেড হয়না। এমতাবস্থায় সেক্স কষ্টদায়ক হতে পারে ও তার ফলস্বরূপ মনে সেক্সের ইচ্ছা জাগেনা। নিশ্চিন্ত হোন যে আপনার স্ত্রীর এমন কোন সমস্যা নেই। সমস্যা থাকলে স্ত্রী-রোগবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

৩. প্রেগন্যান্সি, সন্তানের জন্ম, সন্তান পালন, বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো ইত্যাদির সময়ও শরীরে হরমোনের মাত্রার তারতম্যের ফলে যৌনইচ্ছা কমে যেতে পারে। এছাড়া ওই সময় বাচ্চার দেখভাল করতে করতে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তিও যৌনজীবনে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। গর্ভাবস্থা ও সন্তানের জন্মের পর অনেকের শরীরেই বিভিন্ন প্রকার পরিবর্তন হয় (যেমন মোটা বা রোগা হয়ে যাওয়া, যৌনাঙ্গের পরিবর্তন ইত্যাদি)। এর ফলে নিজের শরীর সম্মন্ধে আত্মবিশ্বাস কমে যায়। তার থেকেও যৌনইচ্ছা কমতে পারে।

৪. মেনোপজের কিছু আগে থেকেই মহিলাদের শরীরে যৌন হরমোনের মাত্রা কমতে শুরু করে। এর ফলে যৌন চাহিদা কমে যেতে পারে, যোনিতে লুব্রিকেশন ঠিক না হবার দরুন সঙ্গমকালে ব্যাথা লাগতে পারে। দুটোই সুস্থ যৌনজীবন ব্যহত হবার কারণ।

৫. বিভিন্ন মানসিক রোগ যেমন মানসিক অবসাদ, দুশ্চিন্তা, আত্মবিশ্বাসের অভাব, পূর্বের খারাপ যৌন অভিজ্ঞতা ইত্যাদির ফলেও মহিলাদের মন সেক্সের প্রতি বিরূপ হতে পারে।

৬. আপনার স্ত্রীর সাথে আপনার সম্পর্কে সমস্যা থাকলেও যৌন জীবনে সমস্যা হওয়া খুবই সম্ভব। নিজেদের মধ্যে ঠিকমত কথাবার্তা না বলতে পারলে বা একের চাহিদা, সমস্যা অপরে বুঝতে না পারলে, কোন অমীমাংসিত ঝগড়া-ঝাটি থাকলে তার প্রভাব যৌন জীবনে পড়তে বাধ্য। আপনি যেভাবে সেক্স করতে চান হয়তো সেটা আপনার স্ত্রীর পছন্দ নয়। এমতাবস্থায় নিজেদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা একান্ত প্রয়োজন।
প্রয়োজন হলে কোন সেক্স থেরাপিস্ট বা মানসিক রোগ চিকিৎসকের সাহায্য নিতে পারেন।
(মনে রাখবেন মানসিক রোগ মানে কিন্তু কেবল পাগল হয়ে যাওয়া নয়!)

ঘরে থাকুন , ভালো থাকুন :)করোনা থেকে বাঁচতে সরকারি নির্দেশনা মেনে আমরা সবাই ঘরে আছি এখন । কিন্তু রাজ্যের দুশ্চিন্তা আমাদে...
26/04/2020

ঘরে থাকুন , ভালো থাকুন :)
করোনা থেকে বাঁচতে সরকারি নির্দেশনা মেনে আমরা সবাই ঘরে আছি এখন । কিন্তু রাজ্যের দুশ্চিন্তা আমাদের মনে ।
ক্যারিয়ার , লেখাপড়া , জব , বেকারত্ব , অভাব অনটন , ভবিষ্যত নিয়ে দুশ্চিন্তা পারিবারিক অশান্তি ...... অনেক কিছু নিয়ে টেনশন / দুশ্চিন্তা !!
গবেষকরা বলছেন ঘরে থাকার মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব প্রকট। ঘরে থাকা ব্যক্তির দুশ্চিন্তা বা উদ্বেগ, রাগ, ঘুমের সমস্যা, বিষণ্ণতা/ ডিপ্রেসন দেখা দেয় এমনকি পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার (পিটিএসডি) হতে পারে।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয়, হতাশা, বিরক্তি, সমর্থনের অভাব, গুজব, ভুয়া তথ্য, আর্থিক ক্ষতি বা সোশ্যাল স্টিগমা এই সময়ে ঘরে থাকা রোগীর মানসিক রোগের কারণ হতে পারে। এ মানসিক চাপ বা ঝুঁকি, যাদের মানসিক রোগ রয়েছে এবং যাদের মানসিক রোগ নেই উভয়কেই সমানভাবে প্রভাবিত করে।
★ কি কি উপসর্গ হতে পারে ?
১) নিজের ও পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য নিয়ে ভয় বা উদ্বেগ
২) অনিদ্রা বা বেশি ঘুম
৩) খাবারে অনীহা
৪) দীর্ঘমেয়াদী অভ্যাসের পরিবর্তন
৫) ধুমপান, মদ বা নেশাজাত দ্রব্যের ব্যবহার বেড়ে যাওয়া।
৬) পারিবারিক কলহ বেড়ে যাওয়া ।
৭) ভবিষ্যত নিয়ে উৎকণ্ঠা বেড়ে যাওয়া।
৮) সকল কাজে অনিহা তৈরি হওয়া ।
৯) অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়া ।
১০) মনোদৈহিক সমস্যা তৈরি হওয়া ( যেমন: অরুচি ,IBS মত উপসর্গ , বুক ধড়ফড় করা , হজমে সমস্যা হওয়া ইত্যাদি ।
★ কি করবেন?
১)সময় মতো গোসল, আহার, পরিষ্কার কাপড় পরুন।
২) নিজেকে সুস্থ ও স্বাভাবিক মনে করুন।
৩) নিজেকে ব্যস্ত রাখুন নানা কাজে ।
৪) বইপড়া, হাতের ছোটখাটো কাজ, ল্যাপটপে বা ডেস্কটপে কাজে ব্যস্ত থাকুন।
৫) আনন্দদায়ক কাজ করুন।
৬) ধর্মীয় বিধিবিধান মেনে চলুন
৭) হালকা ব্যায়াম করুন।
৮) প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান ।
৯) পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন।
১০)সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন।
১১)মিথ্যা-বিভ্রান্তিকর তথ্য, গুজব, ভিত্তিহীন সংবাদ অস্থিরতা তৈরি করে যা মানসিক রোগের কারণ। তাই ভিত্তিহীন সংবাদ পরিহার করুন।
১২) দিনের নির্দিষ্ট সময় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO ), সিডিসি, ডিজিএইচএস, আইইডিসিআর, ইত্যাদি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য নিন ।
১৩) রিলাক্সেশন ব্যায়াম / মেডিটেশন করুন ।
১৪) পজেটিভ চিন্তা করুন। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের পর সুস্থ হয়েছেন, এমন লোকদের অভিজ্ঞতা জানার চেষ্টা করুন।
১৫) ঘরের বাইরে যাবেন না । বাইরের মানুষদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। আপনার সুস্থতা বাড়ির অন্য সদস্যদের নিরাপত্তা ও সুস্থতা নিশ্চিত করবে।
১৬) ক্যারিয়ার গঠনের জন্য বা দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য অনলাইনে ফ্রি কোর্স করতে পারেন
১৭) ইউটিউবে আপনার পছন্দের বক্তার লেকচার শুনতে পারেন । মোটিভেশনাল লেকচার শুনতে পারেন । অথবা ওয়াজ নসিহত শুনে সময় কাটাতে পারেন অথবা আপনার ভালো লাগে এমন কোনো প্রোগ্রাম দেখতে পারেন ।
১৮) মানসিক ভাবে খুব বেশি সমস্যা বোধ করলে প্রফেশনাল কারো সাথে অনলাইনে / ফোনে পরামর্শ নিন ।

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, সম্ভাব্য জটিলতা ও প্রতিকারঃগর্ভকালীন ডায়াবেটিস কাকে বলে?উত্তর : গর্ভাবস্থায় যে কোনো সময়ে ডায়াবেটিস ...
25/04/2020

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, সম্ভাব্য জটিলতা ও প্রতিকারঃ

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস কাকে বলে?
উত্তর : গর্ভাবস্থায় যে কোনো সময়ে ডায়াবেটিস শুরু হলে বা প্রথমবারের মত ধরা পড়লে তাকে গর্ভকালীন বা Gestational ডায়াবেটিস বলে।
এটি দুই ধরণের হতে পারে :
প্রথমত, পূর্ব হতেই ডায়াবেটিস থাকা ( Pre-existing gestational diabetes)
দ্বিতীয়ত, গর্ভজনিত ডায়াবেটিস (Gestational overt Diabetes)

কারা গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন?
উত্তর : যে কোনো মানুষ যে কোনো বয়সে যে কোনো সময় এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। কিন্তু নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য উপস্থিত থাকলে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে বেড়ে যায় :
প্রথমত, যাদের বংশে ও রক্ত সম্পর্কের নিকট আত্মীয় কেউ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত
দ্বিতীয়ত, যাদের শারীরিক ওজন অনেক বেশি
তৃতীয়ত, যারা ব্যায়াম বা কোনো ধরণের শারীরিক পরিশ্রম করেন না
চতুর্থত, যারা বহুদিন স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবন করেন
পঞ্চমত, যাদের নিম্নে উল্লেখিত কোনো ঘটনার history আছে :
ক) ৪ কেজি বা তার বেশি ওজনের সন্তান
খ) জন্মগত ত্রুটিযুক্ত সন্তান
গ) পুনঃ পুনঃ গর্ভপাত হয়
ঘ) গর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু যার কারণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস নির্ণয়(screening) :
গর্ভের যে কোনো পর্যায়ে যে কোনো বয়সের মায়েরই ডায়াবেটিস হওয়া সম্ভব। তাই লক্ষণ প্রকাশের পূর্বেই screening পরীক্ষার মাধ্যমে এ রোগ শনাক্ত করা যায়।

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস screening এর জন্য উপযুক্ত সময় :
১)ঝুঁকিপূর্ণ মায়েদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থার প্রথম পর্যায় থেকেই
২)ঝুঁকিমুক্ত অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের জন্য ২৪ থেকে ২৮ সপ্তাহ অর্থাৎ ছয় থেকে সাত মাস

মায়ের সম্ভাব্য জটিলতা :
ক)জরায়ুতে অতিরিক্ত পানির উপস্থিতি বা পলিহাইড্র্যামনিওস (Polyhydramnios)
খ)উচ্চ রক্তচাপ
গ)খিঁচুনি
ঘ)গর্ভপাত
ঙ)গর্ভস্থ সন্তানের মৃত্যু

সন্তানের সম্ভাব্য জটিলতা :
ক)সন্তানের গ্লুকোজের মাত্রা অস্বাভাবিক কমে যাওয়া বা হাইপোগ্লাইসেমিয়া (Hypoglycaemia)
খ)অতিরিক্ত ওজনের শিশু বা ম্যাক্রোসোমিয়া(Macrosomia)
গ)কম ওজনের শিশু বা Intrauterine Growth Retardation (IUGR)
ঘ)জন্ডিস
ঙ)রক্তের ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হ্রাস পাওয়া (Hypocalcoemia and Hypomagnesemia)
চ)শ্বাসকষ্ট (Respiratory Distress Syndrome)
ছ)জন্মগত ত্রুটি (Congenital Anomaly) ইত্যাদি।
জটিলতা প্রতিরোধের উপায়সমূহ:
একজন অন্তঃসত্ত্বা মা তাঁর সম্পূর্ণ গর্ভাবস্থায় সর্বমোট ১০ থেকে ১১ কেজি ওজন স্বাভাবিকভাবে gain করবেন। এজন্য তাঁকে প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ গ্রাম শর্করা, ৭৫ গ্রাম প্রোটিন এবং ৩০ শতাংশ চর্বি জাতীয় খাদ্যগ্রহণ করতে হবে।মায়ের সুষম পুষ্টি ও ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে দিনের সম্পূর্ণ খাদ্যকে মোট ছয়ভাগে ভাগ করে গ্রহণ করতে হবে।ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের জন্য নিম্নলিখিত নিয়মাবলী মেনে চলতে হবে।
প্রথমত, নিয়মিত, সঠিক সময়ে, পরিমাণ মতো সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে।
দ্বিতীয়ত, চিনি,মিষ্টি, গুড়,মধু অর্থাৎ সরল শর্করা (simple carbohydrate) জাতীয় সকল খাদ্য পুরোপুরিভাবে বাদ দিতে হবে।
তৃতীয়ত, নিয়মিত ব্যায়াম বা দৈহিক পরিশ্রম করতে হবে।
চতুর্থত, রক্তের শর্করা পরিমাপক যন্ত্র দ্বারা (গ্লুকোমিটার) নিজের রক্তের শর্করা পরিমাপ করা শিখে নিতে হবে।
পঞ্চমত, শারীরিক যে কোনো অসুবিধা দেখা দিলে অতি দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
খাওয়া নিষেধ :
সহজ শর্করা (simple carbohydrates) ও উচ্চ ক্যালোরি সমৃদ্ধ খাদ্য যেমন :
১) চিনি দ্বারা তৈরি শরবত ও খাবার
২) কেক,পেস্ট্রি, জ্যাম,মিষ্টি বিস্কিট
৩) গুড়,গুড়ের মোয়া,গুড়ের পায়েস
৪) কোমল পানীয়, জ্যুস
৫) গ্লুকোজ, গ্লুকোজের শরবত
৬) মধু
৭) খেজুর,তাল বা আখের রস
৮) মিছরি
বিশেষ সতর্কতা :
পরিবারের অন্য কোনো সদস্য যিনি কাছে থাকবেন তাকেও গ্লুকোমিটার দ্বারা রক্তের শর্করা পরিমাপ করা শিখে নিতে হবে এবং বাসায় গ্লুকোজ রাখতে হবে যেন ইনসুলিন দেওয়ার পর বা অন্য কোনো ভাবে রক্তের শর্করা কমে গেলে (হাইপোগ্লাইসেমিয়া)হলে জীবন বাঁচাতে রোগীকে গ্লুকোজ খাওয়াতে পারেন। হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণসমূহের মধ্যে খিটখিটে মেজাজ, মাথা ঘোরানো,মাথা ব্যথা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়াও হতে পারে।

চুলের সমস্যাঃ১. মাথায় তেল মাখার সঙ্গে চুলের স্বাস্থ্যের কোনো সম্পর্ক নেই। ২. তেল না মাখলে চুল পাকা , চুল ওঠা , মাথাধরা ...
24/04/2020

চুলের সমস্যাঃ

১. মাথায় তেল মাখার সঙ্গে চুলের স্বাস্থ্যের কোনো সম্পর্ক নেই।
২. তেল না মাখলে চুল পাকা , চুল ওঠা , মাথাধরা কোনোটাই হয় না।
৩. পেটের রোগ , লিভারের অসুখ , খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে চুলের অকালপক্কতা বা ঝরে যাবার কোনো সম্পর্ক নেই।
৪. নিয়মিত শ্যাম্পু জরুরী। বিশেষত শহরে।
৫. রোজ ৬০ থেকে ১০০ টি চুল ঝরে যাওয়া স্বাভাবিক।
৬. ন্যাড়া হয়ে চুলের কোনো উপকার হয় না।

গলা ব্যথা হলে নিম্নলিখিত টিপস ফলো করুন:1। গরম একগ্লাস পানিতে 1 চা চামচ লবণ নিয়ে দিনে 2-3 বার গরগরা / গার্গল করুন । এটা ...
23/04/2020

গলা ব্যথা হলে নিম্নলিখিত টিপস ফলো করুন:

1। গরম একগ্লাস পানিতে 1 চা চামচ লবণ নিয়ে দিনে 2-3 বার গরগরা / গার্গল করুন । এটা খুবই আটপৌরে চিকিৎসা , কিন্তু এটা খুব ভালো রেজাল্ট আসে।
2। সম পরিমাণে মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে ফেলুন । এবার 30 মিনিট অন্তর 1 চা-চামচ খেলে গলা ব্যথায় আরাম পাবেন ।
3। ঠান্ডা পানি একদম খাবেন না । গরম পানি খান।
4। ক্যাপসুল - নিমুলেন্ট ( হামদর্দ কোম্পানির) অথবা ক্যাপসুল ইকোল্ড ( ইবনে সিনা কোম্পানির ) দুইটি করে ক্যাপসুল প্রতিদিন সকালে ও রাতে খাবার পর খাবেন ( ৭দিন )

হাঁচি , সর্দি কমানোর জন্য এন্টিহিষ্টামিন জাতীয় ঔষধ যেমনঃ হিষ্টাসিন বয়স ও ওজন অনুসারে নির্দিষ্ট মাত্রায় দেয়া যেতে পার...
22/04/2020

হাঁচি , সর্দি কমানোর জন্য এন্টিহিষ্টামিন জাতীয় ঔষধ যেমনঃ হিষ্টাসিন বয়স ও ওজন অনুসারে নির্দিষ্ট মাত্রায় দেয়া যেতে পারে । পূর্ণ বয়স্কদের জন্য একটি করে প্রতিদিন দুই থেকে তিনবার খাবার পর খাওয়া যেতে পারে । এই ওষুধ খেলে অনেক সময় শরীর ক্লান্ত লাগা ও ঘুম ঘুম ভাব হয়। বাচ্চাদের জন্য সিরাপ আকারে বাজারে পাওয়া যায় ।

মধু ও কালিজিরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় :) সমপরিমাণ মধু ও কালিজিরা মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার সকালে ও রাতে ১ চা ...
21/04/2020

মধু ও কালিজিরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় :)
সমপরিমাণ মধু ও কালিজিরা মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার সকালে ও রাতে ১ চা চামুচ করে খাবার পরে খান ।
গর্ভবতীদের জন্য ও ডায়েবেটিস রোগীদের জন্য নিষেধ।

ডায়াবেটিস ও রোজা।রমাদান মোবারাক। বেশির ভাগ ডায়াবেটিস রোগীরা প্রতি বছরের মত এ বার ও রোজা রাখবেন, ইনশাআল্লাহ । আগের বছরের ...
20/04/2020

ডায়াবেটিস ও রোজা।
রমাদান মোবারাক। বেশির ভাগ ডায়াবেটিস রোগীরা প্রতি বছরের মত এ বার ও রোজা রাখবেন, ইনশাআল্লাহ । আগের বছরের মত রোগীরা বারডেম, অথবা বিভিন্ন ডাক্তার দের চেম্বারে গিয়ে যেভাবে উপদেশ নিতেন, এবার করোনা পরিস্থিতির কারনে সেটা অত জোড়ালো ভাবে হচ্ছে না। যদি ও বারডেম হাসপাতাল খোলা। কিন্তু লক ডাউনে রোগীরা আসতেই পারছে না। যেহেতু ডায়াবেটিস রোগীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাই আমরা ও চাই না, এ পরিস্থিতিতে উনারা বাসার বাহিরে আসুক।
এ বছর রোজায় দিনের প্রায় ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে হবে, তাপমাত্রা ও বেশি থাকবে। রাতের ৯ থেকে ১০ ঘন্টার ভিতরে ইফতার, রাতের খাবার, আর সেহরি খেতে হবে। সামনের ১ মাস সুস্থ থাকতে হলে খাবারের পরিমান ও মোট ক্যালরি, রোজার আগে যা ছিলো তাই রাখতে হবে। বেশি খেলে গ্লুকোজ বেড়ে যাবে, কম খেলে অসুস্থ হয়ে যাবেন। ডায়াবেটিস গাইড বইতে দেখে নিন, আপনার জন্য কত ক্যালরি ঠিক করা আছে। ১৮০০ ক্যালরি থাকলে রোজায় আপনি সে পরিমানই রাতে খাবেন, এবং গাইড বই থেকে রোজার খাদ্য তালিকা বুঝে নিন।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাক্তার সাবরিনা সুমি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share