Dr. Mohammad Iftekhar Alam

Dr. Mohammad Iftekhar Alam অর্থোপেডিক এবং ট্রমা সার্জন
🎓সহকারী অধ্যাপক (অর্থোপেডিক বিভাগ)

📞 ০১৯৬৪৪৯২৪৪২ (Hot Line) 🚨 সিরিয়াল পেতে কল করুনঃ ০১৯৬৪৪৯২৪৪২
(3)

রমজান আমাদের একটা জিনিস খুব গভীরভাবে শেখায় - ধৈর্য আর ধারাবাহিকতা।পরিবর্তন কখনো একদিনে আসে না। প্রতিদিন একটু একটু করে নি...
07/03/2026

রমজান আমাদের একটা জিনিস খুব গভীরভাবে শেখায় - ধৈর্য আর ধারাবাহিকতা।

পরিবর্তন কখনো একদিনে আসে না। প্রতিদিন একটু একটু করে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা, নিয়ম মেনে চলা এবং নিজের ভেতরকে গড়ে তোলার মধ্যেই বড় উন্নতির শুরু।

আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন,
সূরা আল-বাকারা:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ

অর্থ: হে বিশ্বাসীগণ, তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতের উপর ফরজ করা হয়েছিল, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।

তাকওয়া মানে শুধু ভয় নয়। এটি সচেতনতা। নিজের দায়িত্বের প্রতি সচেতন থাকা, নিজের আচরণকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করা। নিয়মিত এই চর্চাই মানুষকে ভেতর থেকে শক্ত করে তোলে।

এই পবিত্র মাস আমাদের সবার জন্য হোক আত্মশুদ্ধি, ধৈর্য এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের সময়।

ডা. মোহাম্মদ ইফতেখার আলম
অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন
📞 +88001964492442

আলহামদুলিল্লাহ 🤲একজন অভিভাবকের কৃতজ্ঞতা—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।ইনশাআল্লাহ , মানুষের সেবা করতে পারা এবং তাদের সুস...
06/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ 🤲
একজন অভিভাবকের কৃতজ্ঞতা—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
ইনশাআল্লাহ , মানুষের সেবা করতে পারা এবং তাদের সুস্থতার পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করাই আমাদের লক্ষ্য।
আপনাদের বিশ্বাস ও দোয়া আমাদের কাজের শক্তি।
ধন্যবাদ আমাদের উপর আস্থা রাখার জন্য। 🤍

06/03/2026

মাত্র ৮ দিন বয়সে শিশুটিকে প্রথমবার নিয়ে আসা হয়েছিল। তখন পায়ের হাড় পুরোপুরি পিছনের দিকে বাঁকানো ছিল। দেখে সত্যিই মনে হচ্ছিল যেন হাড় ভেঙে গেছে এবং পা দুটো একে অপরের সাথে লেগে আছে।

অনেকেই এমন অবস্থাকে ক্লাবফুট মনে করেন, আবার অনেক জায়গা থেকে প্লাস্টার করার পরামর্শও দেওয়া হয়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সমস্যাটি ছিল Congenital Posterior Medial Bowing, যেখানে হাড় জন্মগতভাবেই পিছনের দিকে বাঁকানো থাকে। এখানে প্লাস্টার করলে উপকার হয় না, কারণ সমস্যাটি হাড়ের গঠনগত অবস্থানের।

প্রথম দিন থেকেই অভিভাবকদের বিস্তারিত কাউন্সেলিং করা হয়। বলা হয় যে প্লাস্টার লাগবে না, বরং নিয়মিত চিকিৎসা এবং ব্যায়ামই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর বয়স একটু বাড়ার পর একটি মডিফাইড জুতা দেওয়া হয়, যাতে পা সঠিক পজিশনে থাকে।

আজ আলহামদুলিল্লাহ, পা অনেকটাই সোজা হয়ে এসেছে। এক পা সামান্য ছোট, প্রায় এক ইঞ্চির মতো, তবে হাঁটা বা দৌড়ানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কোনো সমস্যা নেই। শুরু থেকেই সঠিক গাইডলাইন অনুসরণ না করলে গ্যাপ অনেক বেশি হয়ে যেতে পারত এবং বড় ধরনের অপারেশনের প্রয়োজন হতো।

এই কেসটি শেয়ার করার উদ্দেশ্য একটাই। সব বাঁকা পা প্লাস্টার দিয়ে ঠিক হয় না। সঠিক রোগ নির্ণয়, ধৈর্য, নিয়মিত ব্যায়াম এবং সময়মতো ফলোআপ অনেক বড় জটিলতা এড়াতে সাহায্য করতে পারে।

ডা. মোহাম্মদ ইফতেখার আলম
অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন
📞 +88001964492442

05/03/2026

বাচ্চার বাম পায়ে সমস্যা ছিল। বাম পা ছিল ক্লাবফুট ধরনের, আর ডান পা সম্পূর্ণ ভালো।

বাম পায়ের জন্য পাঁচটি প্লাস্টার করা হয়েছিল। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, এখন পা পুরোপুরি ভালো, কোনো ডিফরমিটি বা ইকুইনাস নেই। মিটফুট ক্রিজও নেই, অর্থাৎ পায়ের গঠন এবং ফাংশন ঠিক আছে।

বয়স মাত্র কয়েক মাস হলেও, সঠিক সময়ে চিকিৎসা এবং নিয়মিত ফলোআপের কারণে এমন ভালো ফলাফল এসেছে।

ডা. মোহাম্মদ ইফতেখার আলম
অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন
📞 +88001964492442

রমজান শুধু উপবাসের মাস নয়, এটি আমাদের মন এবং ইচ্ছাশক্তি ভালো কাজের দিকে টানে।রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনإِذَا جَاءَ رَمَضَانُ ف...
04/03/2026

রমজান শুধু উপবাসের মাস নয়, এটি আমাদের মন এবং ইচ্ছাশক্তি ভালো কাজের দিকে টানে।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন
إِذَا جَاءَ رَمَضَانُ فُتِّحَتْ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ النَّارِ وَسَفِّدَتِ الشَّيَاطِينُ
অর্থ: যখন রমজান আসে, তখন জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ করা হয় এবং শয়তানগুলো শিকলবদ্ধ করা হয়।

ভাবুন তো, আল্লাহ আমাদের জন্য এমন একটা সুযোগ তৈরি করেছেন যেখানে খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকা আর ভালো কাজ করা সহজ হয়ে যায়। জান্নাতের দরজা খোলা, শয়তান শিকলবদ্ধ - আমাদের কাজ শুধু সঠিক পথে এগোতে থাকা।

রমজান শেখায় ছোট ছোট ভালো কাজের গুরুত্ব, ধৈর্য এবং নিয়মিত চেষ্টা। প্রতিটি ভালো কাজ ধীরে ধীরে জীবনে বড় পরিবর্তন আনে। নিয়মিত ইবাদত, নিজের নিয়ন্ত্রণ এবং আল্লাহর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাসই রোজার আসল রহমত।

ডা. মোহাম্মদ ইফতেখার আলম
অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন
📞 +88001964492442

03/03/2026

এই ছোট্ট যোদ্ধার গল্পটা অনেক অভিভাবকের জন্য আশার গল্প।

অনেকেই মনে করেন, সিপি বাচ্চা যদি বড় বয়স পর্যন্ত হাঁটতে না পারে, তাহলে হয়তো আর সম্ভব না। কিন্তু বাস্তবতা সবসময় আলাদা হতে পারে। প্রায় সাড়ে ছয় বছর বয়সে যখন এই বাচ্চাটি প্রথম আসে, তখন সে একেবারেই হাঁটতে পারতো না, দাঁড়িয়েও থাকতে পারতো খুব অল্প সময়।

নিয়মিত চিকিৎসা শুরু হওয়ার মাত্র দুই মাস পর থেকেই পরিবর্তন দেখা যায়। আজ আলহামদুলিল্লাহ সে নিজে হাঁটার চেষ্টা করছে, কিছুটা হাঁটছে, পড়ে গেলেও আবার উঠে দাঁড়াচ্ছে। আগে যেখানে দাঁড়ানোই কঠিন ছিল, এখন সেখানে হাঁটার সাহস তৈরি হয়েছে।

এই অগ্রগতি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, বয়স একটু বেশি হলেও সঠিক চিকিৎসা, নিয়মিত ব্যায়াম, ডিভাইস ব্যবহার এবং পরিবারের ধৈর্য থাকলে উন্নতি সম্ভব। প্রতিটি ছোট পরিবর্তনই বড় পথচলার অংশ।

ডা. মোহাম্মদ ইফতেখার আলম
অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন
📞 +88001964492442

02/03/2026

প্রতিটি শিশুর সমস্যা এক রকম হয় না, তাই চিকিৎসাও সবার জন্য একই হতে পারে না।

যখন কোনো শিশুর ডেভেলপমেন্টাল বা চলাফেরার সমস্যা থাকে, তখন তার কমপ্লিকেশন অনুযায়ী চিকিৎসার পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। কারও ক্ষেত্রে নিউরোলজি সাপোর্ট দরকার হয়, কারও ক্ষেত্রে অর্থোপেডিক চিকিৎসা, আবার অনেক সময় ফিজিওথেরাপি ও বিশেষ ডিভাইস একসাথে ব্যবহার করতে হয়। সবকিছু সমন্বয় করেই একটি পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা প্রক্রিয়া তৈরি করা হয়।

অনেক অভিভাবক ভাবেন চিকিৎসা খুব জটিল বা বারবার হাসপাতালে আসতে হবে। আসলে নিয়মিত ফলোআপ ও বাসায় সঠিকভাবে নির্দেশনা মেনে চলাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় ধরে সঠিকভাবে মেইনটেইন করলেই ধীরে ধীরে উন্নতি দেখা যায়।

মনে রাখবেন, চিকিৎসা শুধু ক্লিনিকে নয়, পরিবারের নিয়মিত যত্ন ও সচেতনতাই শিশুর অগ্রগতির বড় অংশ।

ডা. মোহাম্মদ ইফতেখার আলম
অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন
📞 +88001964492442

01/03/2026

আগে হাঁটতে পারতো না | এখন একটু সাপোর্ট দিলেই পেশেন্ট দাঁড়াতে পারছে আলহামদুলিল্লাহ!

28/02/2026

এটা আমাদের লিটল ফ্রেন্ডের ভিডিও, বিগত ছয় মাস আগে যে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারতো না ।

কিন্তু সেই সময় এখন আর নেই। নিয়মিত চিকিৎসা, ডিভাইস ব্যবহার এবং পরিবারের সহায়তায় এখন আলহামদুলিল্লাহ নিজে দাঁড়াতে পারছে, হাঁটার চেষ্টা করছে, এবং ধীরে ধীরে স্বাভাবিক গতিতে এগোচ্ছে।

ভিডিওতে দেখুন কিভাবে সে নিজে দাঁড়াচ্ছে, হাটছে, এবং নিজের ইচ্ছার মাধ্যমে অগ্রগতি করছে। এমন ছোট ছোট প্রচেষ্টা একদিন বড় পরিবর্তনে পরিণত হয়।

ডা. মোহাম্মদ ইফতেখার আলম
অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন
📞 +88001964492442

27/02/2026

ছয় মাস আগে এই শিশুটি ঠিকমতো হাঁটতে পারত না। শুধু সামান্য দাঁড়াতে পারত, কিন্তু একা একা হাঁটা তার দ্বারা হতো না।

নিয়মিত চিকিৎসা ও ফলোআপের পর এখন আল্লাহর রহমতে ধীরে ধীরে হাঁটার চেষ্টা করছে। আগে একদমই পারত না, আর এখন কিছুটা হাঁটে। মাঝেমধ্যে পড়ে যায়, কিন্তু সেটাই তো অগ্রগতির অংশ।

আগে মুখ দিয়ে লালা পড়ার সমস্যাও ছিল। ওষুধ ও নিয়মিত চিকিৎসার পর তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। কথা বলার ক্ষেত্রেও আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে। এখন অনেক কিছু বুঝতে পারে এবং আগের তুলনায় ভালোভাবে কথা বলার চেষ্টা করে।

এই ধরনের অগ্রগতি একদিনে আসে না। ধাপে ধাপে আসে। প্রতিটি মাস গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ফলোআপ, সঠিক চিকিৎসা এবং পরিবারের সহযোগিতা থাকলে শিশুর সম্ভাবনা ধীরে ধীরে ফুটে ওঠে।

ডা. মোহাম্মদ ইফতেখার আলম
অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন
📞 +88001964492442

26/02/2026

সিলেটের হবিগঞ্জ থেকে এই শিশুটি চার বছর ধরে নিয়মিত ফলোআপে আছে। শুরুতে অবস্থা ছিল বেশ জটিল। খিচুনি হতো, ঠিকমতো দাঁড়াতে পারত না, হাঁটাও ছিল খুব সীমিত। মাত্র পাঁচ থেকে ছয় মিনিট হাঁটতে পারত, তারপর আর সম্ভব হতো না।

ধীরে ধীরে নিয়মিত চিকিৎসা, ডিভাইস ব্যবহার এবং থেরাপির মাধ্যমে অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এখন আলহামদুলিল্লাহ এক থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত জুতা ও ডিভাইস পরে হাঁটার চেষ্টা করতে পারে। আগে দাঁড়াতেই পারত না, আর এখন দুই থেকে তিন মিনিট শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে।

খিচুনির সমস্যা এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ওষুধ চলছে। হাঁটা চলার উন্নতির পাশাপাশি পেশীর শক্তভাবও কমেছে, শরীর আগের তুলনায় নরম ও নিয়ন্ত্রিত হয়েছে।

এ ধরনের ক্ষেত্রে একাধিক বিভাগের সমন্বিত চিকিৎসা প্রয়োজন। নিউরোলজি খিচুনি দেখবে, চোখের সমস্যা থাকলে চক্ষু বিশেষজ্ঞ দেখবেন, আর হাঁটা চলা ও ডিভাইস ব্যবস্থাপনা আমরা পর্যবেক্ষণ করি।

ডিভাইস প্রতিদিন কমপক্ষে ছয় ঘণ্টা ব্যবহার করা জরুরি। যাদের দাঁড়াতে সমস্যা হয়, তাদের জন্য বাস বা রডের সহায়তায় নিয়মিত দাঁড়ানোর অনুশীলন খুব কার্যকর। এতে কোমর ও পায়ের শক্তি বাড়ে এবং ব্যালেন্স উন্নত হয়।

ডা. মোহাম্মদ ইফতেখার আলম
অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন
📞 +88001964492442

25/02/2026

পায়ের বাঁকা সমস্যা বা Clubfoot চিকিৎসার পাশাপাশি নিয়মিত ডিভাইস বা বিশেষ জুতা পরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনেক সময় বাচ্চারা জুতা পরতে চায় না, অস্বস্তি বোধ করে বা নিয়ম মেনে চলতে চায় না। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় ডিভাইস নিয়মিত ব্যবহার না করলে পা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারে।

প্রতিদিন নির্ধারিত সময়, কমপক্ষে ৬ ঘন্টা, ডিভাইস পরা প্রয়োজন। চাইলে সময় ভাগ করে পরানো যেতে পারে, তবে মোট সময় অবশ্যই পূর্ণ করতে হবে।

নিয়মিত ব্যবহার করলে বাচ্চাদের হাঁটা সুন্দর হয়, খেলাধুলা সহজ হয় এবং পায়ের গঠন সঠিক থাকে।

তাই চিকিৎসার পাশাপাশি নিয়মিত ও যথাযথভাবে ডিভাইস ব্যবহার নিশ্চিত করুন।

ডা. মোহাম্মদ ইফতেখার আলম
অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন
📞 +88001964492442

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Mohammad Iftekhar Alam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Mohammad Iftekhar Alam:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category