Doctor Bari

Doctor Bari Allah Cure, We Care

ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে চিন্তিত!!!আমাদের পিপলস হসপিটালে একঝাঁক দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সমন্বয়ে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রি...
20/09/2022

ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে চিন্তিত!!!

আমাদের পিপলস হসপিটালে একঝাঁক দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সমন্বয়ে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রিয়জনের অসুস্থতায় আস্থা রাখুন "পিপলস হসপিটালে" 🥰

সিরিয়াল অথবা পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুনঃ
019 5858 6905



07/06/2022
ল্যাপারোস্কপিক মেশিনের মাধ্যমে পিত্তথলির পাথর অপারেশন করা হয়। লিভার, অগ্নাশয়, পিত্তথলী ও পিত্তনালীর যে কোন রোগের সার্জার...
03/06/2021

ল্যাপারোস্কপিক মেশিনের মাধ্যমে পিত্তথলির পাথর অপারেশন করা হয়। লিভার, অগ্নাশয়, পিত্তথলী ও পিত্তনালীর যে কোন রোগের সার্জারী ও পরামর্শ দেয়া হয়।

চিকিৎসা প্রদান করেন,
সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ আখতার আহমেদ শুভ
MBBS, BCS( Health) FCPS(Surgery)
FIBS (Thailand)
MS (Hepatobiliary Surgery)
FACS (USA)
Associate Professor & Head
Department of Hepatobiliary & Pancreatic Surgery( SSMCH)

Appointment & Emergency: 01611622500

13/04/2020

কার্ডিয়াক সমস্যা নিয়ে ভাবছেন, আর নেই দুশ্চিন্তা রাজধানী ঢাকার মগবাজারেই রয়েছে রাশমনো স্পেশালাইজড হাসপাতাল,এক ছাদের নিচে রাশমনো কার্ডিয়াক সেন্টার। 24 ঘন্টা কার্ডিয়াক ইমাজেন্সী, কনসালটেন্ট এবং এডমিশন।
24 ঘন্টা কার্ডিয়াক এভালুয়েশন এবং ECG,ECHO,Holter,ABG,Top-I সহ সব ধরনের পরীক্ষা।
নিওনেটাল এন্ড পেডিয়াট্রিক ইকো
সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন: 01708458104,01708458111

21/01/2020

Now available this plastic & cosmetic surgery procedures in our " Hospital 01963500530
* Breast Implant, Reconstruction, Augmentation, Reduction surgery
* vaginataiting surgery
*Burn Repair Surgery
*Congenital Defect Repair: Cleft Palate(Free)
*Extremity Defect Repair
*Lower Extremity Reconstruction
*Hand Surgery
*Scar Revision Surgery
*Rhinoplasty, Chin, or Cheek Enhancement.
* Facelift, Eyelid Lift, Neck Lift, Brow Lift
* Body Contouring: Tummy Tuck, Liposuction, Gynecomastia (male big breast) Treatment

20/10/2019

Best service provide is our Commitment (ICU, HDU, NICU & PICU)
01977727400, 02222227267, 01963500530

05/05/2019

কোরআন হাদিসের আলোকে রোযার গুরুত্ব, তাৎপর্য ও ফজিলত
মহান আল্লাহ তাআলার বাণী- “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতের মত তোমাদের উপরও রোযা ফরজ করা হয়েছে, যাতে তোমরা তাকওয়ার অধিকারী হতে পার।” (সুরা বাকারা-১৮৩
❑ রাসুল (সাঃ) বলেছেন,যে ব্যাক্তি রমজান মাস পেল অথচ নিজের গোনাহ মাফ করাতে পারলো না, সেই ব্যাক্তি ধ্বংস হোক।
❑ রাসূলুল্লাহ (সাঃ)বলেনঃ বিনা ওযরে রামাযানের সিয়াম ত্যাগকারী কাফির। [আবূ ইয়ালা, দায়লামী,ফিকহুস সুন্নাহ]
❑ যে ব্যক্তি শরীয়তের ওযর ছাড়া এ মাসের একটি রোযাও ছেড়ে দিবে সে যদি সারা বছর সিয়াম পালন করে তবুও তার পাপের খেসারত হবে না।[বুখারি শরীফ]
❑ আবূ হোরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসুল (সঃ) ইশরাদ করেছেন, (গুনাহ হতে বাঁচার জন্য) রোযা ঢাল স্বরূপ। সুতরাং রোযাদার অশ্লীল কথা বলবে না বা জাহেলী আচরণ করবে না। কেউ তার সাথে ঝগড়া করতে উদ্যত হলে অথবা গালমন্দ করলে সে তাকে দুই বার বলবে, আমি রোযাদার। তিনি আরো বলেন, যার হাতে আমার জীবন সেই সত্তার শপথ! রোযাদারের মুখের দুর্গন্ধ মহান আল্লাহর নিকট কস্তুরীর সুগন্ধ হতেও অতি উৎকৃষ্ট। আল্লাহ বলেন, রোযাদার খাদ্য ,পানীয়,ও কামভাব পরিত্যাগ করে আমার উদ্দেশেই রোযা রাখে। সুতরাং আমি তাকে বিশেষভাবে রোযার পুরস্কার দান করবো। আর নেক কাজের পুরস্কার দশ গুণ পর্যন্ত দেয়া হবে। (ছহীহ বোখারী,প্রথম খন্ড,পৃষ্টা ৩৩৩)
যে ঈমান ও বিশ্বাস সহকারে সওয়াবের আশায় রমজানের রোযা রাখে।
❑ হাদীস : আবু হোরায়রা (রাঃ) বলেন, নবী করীম (সঃ) ইশরাদ করেছেন, যে ঈমান ও বিশ্বাস সহকারে সওয়াবের আশায় শবে কদরে নামায পড়ে এবং রমজানের রোযা রাখবে,তার অতীতের সকল গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। (বোখারী,১/৩৩৪)
ঈদের দু’টি মাসই ঊনত্রিশ দিন হয় না।
❑ হাদীস : আবু বাকরা (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে রেওয়ায়াত করেন,নবী করীম (সঃ) ইশরাদ করেছেন,এমন দু’টি মাস আছে যার উভয়টি (পর পর) ঘাটতি অর্থাৎ ঊনত্রিশ দিন হয় না।আর তা হল ঈদের দু’টি মাস রমজান এবং যিলহজ্ব। (বোখারী,১/৩৩৪)
রমজানের একদিন বা দু’দিন পূর্বে রোযা রাখা যাবে না।
❑ হাদীস : আবু হোরায়রা (রাঃ) বলেন, নবী করীম (সঃ) ইশরাদ করেছেন, তোমাদের কেউ রমজানের একদিন বা দু’দিন পূর্বে নফল রোযা রাখা যাবে না। তবে কেউ যদি প্রতিমাসে এ রোযা রাখতে অভ্যস্ত ,তাহলে রাখতে পার। (বোখারী,১/৩৩৪)
সেহরী ও ফজরের নামাজের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান।
❑ হাদীস: যায়েদ বিন সাবেত (রা বলের, আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সা এর সাথে সেহরী খেয়েছি। তার পর নামায পড়তে দাড়িঁয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি যায়দ ইবনে সাবেত (রাঃ)- কে জিজ্ঞাসা করলাম,সেহরী ও আযানের মাঝখানে কত সময়ের ব্যবধান ছিল? তিনি বললেন,পঞ্চাশ আয়াত পাঠ করার মত সময়ের ব্যবধান ছিল। (বোখারী,১/৩৩৫)
সেহরী খাওয়ার কল্যাণ বরকত লাভ হয়।
❑ হাদীস : হযরত আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) বলেন, নবী করীম (সঃ) বলেছেন, তোমরা সেহরী খাও। কেননা সেহরী খাওয়ায় বরকত লাভ হয়। (বোখারী,১/৩৩৫)
রোযাদার ভূলবশতঃ পানাহার করলে,তার হুকুম।
❑ হাদীস ; আবু হোরায়রা (রাঃ) বলেন, নবী করীম (সঃ) বলেছেন, রোযাদার যদি ভুল করে কিছু খায় বা পান করে, তা হলে সে (ইফতার না করে) রোযা পূর্ণ করবে।কেননা আল্লাহ তায়ালা তাকে পানাহার করিয়েছেন। (বোখারী, ১/৩৩৫)
সফরে রোযা রাখা না রাখা উভয়ের অনুমতি আছে।
❑ হাদীস : হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, হামযা ইবনে আমরুল আসলামী (রাঃ) অধিক মাত্রায় রোযা রাখতে অভ্যস্ত ছিলেন। তিনি নবী করীম (সঃ) – কে বললেন, হে রাসুল (সঃ)! আমি সফরেও রোযা রেখে থাকি। নবী করীম (সঃ) বললেন, সফর অবস্থায় তুমি ইচ্ছা করলে রোযা নাও রাখতে পার। (বেখারী , ১/৩৩৫)
মৃত ব্যক্তির ফরয রোযার কাজা থাকলে করণীয়।
❑ হাদীস : হযরত আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, মৃত ব্যক্তির উপর রোযার কাজা থাকলে অভিভাবক তার পক্ষ থেকে তা আদায় করবে। (বোখারী,১/৩৩৬)
সূর্যাস্তের সাথে সাথে অনতিবিলম্বে ইফতার করা।
❑ হাদীস : সাহল ইবনে সা’দ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) ইশরাদ করেছেন, যতদিন লোকেরা তাড়াতাড়ি (সূর্যাস্তের সাথে সাথে) ইফতার করবে , ততদিন কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হবে না। (ছহীহ বোখারী শরীফ,১/ ৩৩৬)
প্রতি মাসের ১৩,১৪,১৫ তারিখে রোযা রাখা।
❑ হাদীস : হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, আমার পরম বন্ধু নবী করীম (সঃ) আমাকে তিনটি বিষয়ের অসিয়ত করে গেছেন, (১) আমি যেন প্রতি মাসের (১৩,১৪,১৫,তারিখে) তিনটি রোযা রাখি, (২) চাশতের সময় দু’রাকাত নামায পড়ি, (৩) রাত্রে নিদ্রা যাওয়ার আগেই বেতেরের নামায আদায় করি। (বোখারী, ১/৩৩৭)
জুমআর দিন রোযা রাখা।
❑ হাদীস : আবু হোরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, আমি নবী করীম (সঃ) -কে বলতে শুনেছি ,তোমাদের কেউ যেন কখনো শুধু জুমআর দিনে রোযা না রাখে। (যদি রাখতে হয়) তবে জুমআর আগের কিংবা পরের দিনও যেন রোযা রাখে। (বোখারী, ১/৩৩৭)
তারাবীহ নামাযের ফযীলত
❑ হাদীস : আবু হোরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-বলতে শুনেছি,যে ব্যক্তি রমযানের রাতে ঈমান ও বিশ্বাসের সাথে সওয়াবের আশায় তারাবীহর নামাযে দাঁড়ায় (নামায আদায় করে), তার পূর্ববর্তী সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়। (বোখারী, ১/৩৩৮)
লাইলাতুল কদরের ফযীলত।
❑ হাদীস : হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সঃ) ইশরাদ করেছেন,যে ব্যক্তি ঈমান ও বিশ্বাসের সাথে এবং সওয়াবের আশায় রমযানের রোযা রাখে , শবে কদরের রাত্রে দাঁড়ায়, তার আগেকার সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। (বোখারী,১/৩৩৮)
রোজার ঐতিহাসিক তাৎপর্য়।
রোযা মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তাআলার সান্নিধ্য লাভের অন্যতম মাধ্যম। আদি কাল থেকেই রোযা মানুষের আত্মসুদ্ধির পথ হিসেবে প্রচলন আছে।যেমন মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন-”হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোযা ফরজ করা হয়েছে, যেমনটি ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববরতীদের ওপর,যাতে তোমরা তোমরা মুত্তাকী হতে পারো।” এ আয়াত দ্বারা প্রমাণিত হয় যে,রোযা পূর্ববর্তী যুগেও ফরজ ছিল। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট অনুসারে রোযার ইতিকথা নিম্নে তুলে ধরা হলো - * হযরত আদম (আঃ)-এর যুগে রোযা পৃথিবীর বুকে সর্বপ্রথম কে রোযা রেখেছিলেন? এ প্রশ্নের জবাবে হযরত খিযির ইবনে হুবাইশ (রহঃ) বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম- আইয়্যামে বীজ কি? উত্তরে তিনি বললেন-আল্লাহ পাকের নিষিদ্ধ ফল খেয়ে হযরত আদম (আঃ) জান্নাত থেকে দুনিয়ায় প্রেরিত হন এবং তাঁর দেহের রং পরিবর্তন হয়ে যায়। তাঁর এই দুর্দশায় ফেরেশতাগণ আল্লাহর সমীপে কান্নাকাটি করে হযরত আদম (আঃ)-এর মুক্তি কামনা করেন। ফলে আল্লাহ পাক হযরত আদম (আঃ)-এর নিকট এই মর্মে ওহী পাঠালেন যে, আপনি চন্দ্রমাসের ১৩,১৪,১৫ তারিখে রোযা রাখুন। হযরত আদম (আঃ) তা-ই করলেন। ফলে তাঁর দেহের রং আবার উজ্জ্বল হয়ে উঠল। একারনে এই তিনটি আইয়্যামে বীজ বা উজ্জ্বল দিন বলা হয়। * হযরত নূহ (আঃ)-এর যুগে রোযা হাদিস শরীফে হযরত নূহ (আঃ)-এর যুগে রোযার প্রমাণ পাওয়া যায়। হযরত রাসুল (সাঃ) ইশরাদ করেন- “ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিন ছাড়া হযরত নূহ (আঃ) সারা বছর রোযা রাখতেন।” (ইবনে মাজাহ্ ) তাফসীরে ইবনে কাসীরে উল্লেখ আছে, হযরত নূহ (আঃ)-এর যুগে প্রতিমাসে তিনদিন রোযা রাখার হুকুম ছিল। হযরত রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর যুগ পর্যন্ত বহাল ছিল। শুরুতে মুসলমানগণও মাসে তিন দিন রোযা রাখতেন।মাহে রমজানের একমাস রোযা পালনের হুকুম সম্বলিত আয়াত নাযিল হলে, তা রহিত হয়ে যায়।(তাফসীরে ইবনে কাসীর) * হযরত মুসা (আঃ)-এর যুগে রোযা * হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) হিজরত করে মদীনায় আগমণ করার পর দেখলেন যে, ইয়াহুদীরা আশুরার দিন রোযা পালন করছে। তখন তিনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন- এটি কি ধরনের রোযা ? জবাবে তারা বলল, এটি আমাদের জন্য একটি পবিত্র দিন। এদিনে আল্লাহ তা’আলা তাঁর দুশমন ফির’আউনকে তার দলবলসহ ডুবিয়ে হত্যা করে বনী ইসরাঈলকে নাজাত দিয়েছেন। তাই এ দিনে শুকরিয়াস্বরূপ হযরত মুসা (আঃ) রোযা রাখতেন।(বোখারী শরীফ) এ হাদীস দ্বারা প্রমানিত হয় যে, হযরত মুসা (আঃ)-এর যুগেও রোযা ছিল এবং সে ধারা বনি ইসরাইল ও ইয়াহুদীদের মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর যুগ পর্যন্ত বজায় ছিল। * হযরত দাউদ (আঃ)-এর যুগে রোযা ইমাম বোখারী (রহঃ) একটি হাদীস উদ্ধৃত করেছেন যে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস (রাঃ) কে নবী করীম (সাঃ) বললেন-”তুমি হযরত দাউদ (আঃ)-এর অনুরূপ রোযা রাখ। তিনি [হযরত দাউদ (আঃ)] একদিন রোযা রাখতেন এবং একদিন বিরতি দিতেন।” (বোখারী শরীফ) * হযরত দাউদ (আঃ)-এর যুগে রোযা * হযরত দাউদ (আঃ)-এর জন্মের সময় কৌতুহলী জনতা তাঁর মাতা মারইয়ামকে তাঁর জন্ম সম্পর্কে প্রশ্ন করতে থাকলে, উত্তরে তিনি বললেন -”আমি দয়াময় আল্লাহর উদ্দেশ্যে মান্নত করে রোযা রেখেছি। সুতরাং আমি কোন কিছুতেই কোন মানুষের সঙ্গে বাক্যলাপ করবো না। “ (সুরাহ্ মারইয়াম,২৬) জাহেলী যুগে কুরাইশ ও মুশরিকদের রোযা উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন-’জাহেলী যুগে কুরাইশরা আশূরার দিনে রোযা রাখত।’ (বোখারী শরীফ) সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে,রামাজানের একমাস সিয়াম সাধনা নির্দিষ্ট হবার পূর্বে বিশ্বের সকল জাতিই কম-বেশি রোযার সাথে পরিচিত। ** ইসলামের রোযা ইসলামী শরীযতে রামাজানের রোযা ফরজ হয় দ্বিতীয় হিজরী সনের শা’বান মাসের মাঝামাঝি সময়ে। এর পূর্বে মুসলমানদের ওপর রোযা ফরজ ছিল কি-না, এব্যাপারে মতভেদ আছে । কারো কারো মতে, রামাজানের পূর্বে কোন রোযা ফরজ ছিল না। আবার কারো কারো মতে, আশুরার রোযা ফরজ ছিল। আবার কারো কারো মতে,আইয়্যামে বীজের রোজা ফরজ ছিল। পরবর্তীতে রামাজানের বিধান অবতীর্নের পর তা রহিত হয়ে যায়। ইসলামের সেই প্রাথমিক রোযার সময়ে নিয়ম ছিল যে, সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার করার সময় থেকে নিয়ে ঘুমাবার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত পানাহার ও স্বামী-স্ত্রী সহবাস করা যাবে। কিন্তু রাতে একবার ঘুমিয়ে পড়লে, তার জন্য সবকিছু নিষিদ্ধ হয়ে যেত। এতে অনেক সাহাবী (রাঃ) নানা রকম অসুধিবার সম্মুখীন হন। সাহাবায়ে কেরামের এসব সমস্যার সমাধানকল্পে আল্লাহ তা’আলা আয়াত নাযিল করেন-”তোমাদের জন্য রামাজানের রাতে স্ত্রী সহবাস বৈধ করা হয়েছে——- আর খাও এবং পান কর, যতক্ষণ না কালো রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা (সুবেহ সাদিক) তোমাদের নিকট পরিস্ফুট হয়ে ওঠে।” (সুরাহ্ বাকারা, আয়াত ১৮৭) আবার শুরু যামানায় রোযা না রেখে ফিদইয়া দেয়ার অনুমতিও ছিল। পরে তা রহিত হয়ে যায়। তবে অতি বৃদ্ধ (যারা রোযা রাখতে অক্ষম) এবং চিররুগ্ন ব্যক্তির জন্য এ বিধান এখনো বহাল আছে। তারা প্রতিটি রোযার জন্য একজন দরিদ্র ব্যক্তিকে দু’বেলা পেট ভরে তৃপ্তি সহকারে খানা খাওয়াবেন অথবা সদকায়ে ফিতর পরিমান খাদ্যদ্রব্য বা টাকা দান করবেন। উপরোক্ত আলোচনা হতে প্রতীয়মান হয় যে,রোযার তাৎপর্য বা গুরুত্ব অনেক। আমাদের সৌভাগ্য যে,আমাদের জন্যই একমাস ব্যাপী রোযা ফরজ করা হয়েছে। মাহে রমজান মাসের প্রতিটি ফরজ অন্য যে কোন মাসের ৭০টি ফরজের সমান। রোজা আমাদের জন্য রহমত,মাগফেরাত, এবং নাজাত’রে সুসংবাদ নিয়ে হাজির। আমরা যেন,রোজার হক যথাযথ ভাবে আদায় করতে পারি এই কামনাই করি। আল্লাহ আমাদের রামাজানের পুরস্কারে পুরস্কৃত করুন, আমিন।
রোযার ফজিলত।
রোযার ফজিলত আমরা নিন্মের কয়েকটি হদিস থেকে আমরা জেনে নেই।
১. হযরত আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন,রাসুল সা. বলেছেন : যে লোক রমযান মাসে রোযা রাখবে ঈমান ও চেতনা সহকারে তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী গুনাহ মাফ হয়ে যাবে।(বুখারী ও মুসলিম)
২. হযরত আবু সাঈদ খুদরী রা: হতে বর্ণিত। তিনি বলেন আমি রাসুলুল্লাহ সা: কে বলতে শুনেছি, যে লোক একটি দিন রোযা রাখবে, আল্লাহ তার মুখমন্ডল জাহান্নাম হতে সত্তর বছর দূরে সরিয়ে রাখবেন। (বুখারী ও মুসলিম)
৩. হযরত সাহল ইবনে সাদ রা. থেকে বর্ণিত নবী কারীম সা. বলেন, জান্নাতে রাইয়ান নামক একটি বিশেষ দরজা রয়েছে। সে দরজা দিয়ে শুধুই রোযাদাররাই প্রবেশ করবে।
৪. হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন : তোমাদের নিকট রমযান মাস সমুপস্থিত । তা এক অত্যান্ত রবকতময় মাস । আল্লাহ এ মাসে তোমাদের প্রতি রোযা ফরয করেছেন। এ মাসে আকাশের দরজসুমূহ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় শয়তানগুলো আকট করে রাখা হয়। এ মাসে একটি রাত আছে যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। যে লোক এ মাসে তার মহা মহাকল্যাণ লাভ হত বঞ্চিত থাকল, সে সত্যিই হতভাগা। (নাসাঈ ও বায়হাকী)
তাকওয়া অর্জন, আল্লাহ কাছে নিজেকে তাঁর প্রিয় এক বান্দা হিসেবে উপস্থাপন, নিজের গুনাহসমূহ মাফ করানো,বেশী বেশী ইবাদাত করা, নফল নামাজ আদায় করা, আল্লাহর রাস্তায় দান খয়রাত ইত্যাদি কাজ করে আল্লহার নৈকট্য হাসিল করার তাওফিক দান করুক। আমিন।

07/04/2019

কৃপণতা বিষয়ে কী বলেছে কোরআন
যারা কৃপণতা করে এবং অন্যকে কৃপণতার নির্দেশ দেয় আল্লাহতায়ালা তাদের জন্য অপমানজনক শাস্তি প্রদানের ঘোষণা দিয়েছেন। আল্লাহতায়ালা বলেন, যারা নিজেরা কার্পণ্য করে এবং অন্যকে কৃপণতার নির্দেশ দেয় আর যা আল্লাহতায়ালা আপন অনুগ্রহে তাদের দান করেছেন তা গোপন করে এসব নাফরমানের জন্য আমি অপমানজনক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি।
(সূরা নিসা : ৩২)
অনেক কৃপণ কৃপণতা করাকে তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য মঙ্গলজনক মনে করে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি তাদের জন্য মঙ্গল নয়। তারা যেসব ধনসম্পদ আল্লাহর পথে এবং প্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় না করে জমা করে রাখে কেয়ামতের দিন সেসব ধনসম্পদকে বেড়ি বানিয়ে তাদের গলায় ঝুলিয়ে দেয়া হবে। আল্লাহতায়ালা বলেন, আল্লাহ তাদের নিজের অনুগ্রহে যা দান করেছেন তাতে যারা কৃপণতা করে, এ কার্পণ্য তাদের জন্য মঙ্গল হবে বলে তারা যেন ধারণা না করে। বরং এটি তাদের পক্ষে একান্তই ক্ষতিকর। যাতে তারা কার্পণ্য করে সেসব ধনসম্পদকে কেয়ামতের দিন তাদের গলায় বেড়ি বানিয়ে পরানো হবে। আর আল্লাহ হচ্ছেন আসমান ও জমিনের পরম স্বত্বাধিকারী। আর যা কিছু তোমরা কর; আল্লাহ সে সম্পর্কে জানেন।
(সূরা আল ইমরান : ১৮)
যেসব সম্পদশালী আল্লাহর পথে ব্যয় করতে কার্পণ্য করে তারা প্রকৃতপক্ষে নিজের ক্ষতিই করে। আল্লাহতায়ালা কারও সম্পদের প্রতি মুখাপেক্ষী নন। বরং সবাই তার মুখাপেক্ষী। কেউ আল্লাহর পথে খরচ করতে কার্পণ্য করলে তাতে আল্লাহতায়ালার কিছু আসে-যায় না। তিনি অন্য কারও মাধ্যমে দান করার ব্যবস্থা করেন। আল্লাহতায়ালা বলেন, তোমরাই তো তারা, যাদের আল্লাহর পথে ব্যয় করার আহ্বান জানানো হচ্ছে, অতঃপর তোমাদের কেউ কেউ কৃপণতা করছে। যারা কৃপণতা করছে, তারা নিজেদের প্রতিই কৃপণতা করছে। আল্লাহ অভাবমুক্ত এবং তোমরা অভাবগ্রস্ত। যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে তিনি তোমাদের পরিবর্তে অন্য জাতিকে প্রতিষ্ঠিত করবেন, তারা তোমাদের মতো হবে না।
(সূরা মুহাম্মাদ : ৩৮)
অন্য আয়াতে আল্লাহতায়ালা বলেন, যারা কৃপণতা করে এবং মানুষকে কৃপণতার প্রতি উৎসাহ দেয়, যে দান করা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তার জানা উচিত, আল্লাহ অভাবমুক্ত, প্রশংসিত।
(সূরা হাদিদ : ২৪)
যারা মনের কার্পণ্য থেকে মুক্তি লাভ করে মুক্ত হস্তে দান-সদকা করে আল্লাহতায়ালা তাদের এ কাজকে কল্যাণজনক এবং তাদের সফলকাম বলে ঘোষণা করেছেন। আল্লাহতায়ালা বলেন, অতএব তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় কর, শুন, আনুগত্য কর এবং ব্যয় কর। এটি তোমাদের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। যারা মনের কার্পণ্য থেকে মুক্ত, তারাই সফলকাম।
(সূরা তাগাবুন : ১৬)
মদিনার আনসার সাহাবিরা মনের কার্পণ্য দূর করে মুহাজিরদের মুক্ত হস্তে সাহায্য করেছিলেন এবং নিজেদের প্রয়োজনের চেয়ে মুহাজিরদের প্রয়োজনকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। তাই আল্লাহতায়ালা তাদের সফলকাম হিসেবে ঘোষণা করেছেন, যারা মুহাজিরদের আগমনের আগে মদিনায় বসবাস করেছিল এবং বিশ্বাস স্থাপন করেছিল, তারা মুহাজিরদের ভালোবাসে, মুহাজিরদের যা দেয়া হয়েছে, তারা ঈর্ষাপোষণ করে না এবং নিজেরা অভাবগ্রস্ত হলেও তাদের অগ্রাধিকার দান করে। যারা কৃপণতা থেকে মুক্ত, তারাই সফলকাম।
(সূরা হাশর : ৯)
আল্লাহর পথে যারা খরচ করতে কার্পণ্য করে কেয়ামতের দিন তাদের এ জন্য অনেক আফসোস করতে হবে। তারা আবার এ দুনিয়াতে এসে দান-সদকা করার জন্য আকাঙ্ক্ষা করবে। কিন্তু তাদের সে আকাক্সক্ষা পূরণ হবে না। আল্লাহতায়ালা বলেন, আমি তোমাদের যা দিয়েছি, তা থেকে মৃত্যু আসার আগেই ব্যয় কর। অন্যথায় সে বলবে : হে আমার পালনকর্তা, আমাকে আরও কিছুকাল অবকাশ দিলে না কেন? তা হলে আমি সদকা করতাম এবং সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত হতাম। প্রত্যেক ব্যক্তির নির্ধারিত সময় যখন উপস্থিত হবে, তখন আল্লাহ কাউকে অবকাশ দেবেন না। তোমরা যা কর, আল্লাহ সে বিষয়ে খবর রাখেন।
(সূরা মুনাফিকুন : ১-১১)
আল্লাহতায়ালা আমাদের কৃপণতা থেকে রক্ষা করুন এবং বেশি বেশি দান-সদকা করার তাওফিক দান করুন।
মুহাম্মাদ আবু আখতার
লেখক : প্রাবন্ধিক

Address

Mogbazar, Wairless
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Doctor Bari posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category