Khan Zahan

Khan Zahan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Khan Zahan, Medical and health, Dhaka.

Medical Technologist | Lab Test Awareness Educator | Health Guide
১৫+ বছরের Lab Experience থেকে—ভুল রিপোর্ট, ভুল ব্যাখ্যা আর অপ্রয়োজনীয় টেস্ট থেকে মানুষকে সচেতন করি। আমি Khan Zahan, একজন Medical Technologist।
১৫ বছরের বেশি সময় ধরে আমি Laboratory তে রোগ নির্নয়ের কাজ করে আসছি ।
এই পেজে আমি সহজ ভাষায় বুঝাই—
কোন test কেন করা হয়, report কী বলে, আর কোথায় মানুষ সবচেয়ে বেশি ভুল করে।

ছেলেদের প্রজনন স্বাস্থ্য এবং শারীরিক সক্ষমতার কথা উঠলে দুটি পরীক্ষার নাম সবার আগে আসে— Testosterone Hormone এবং Semen An...
01/02/2026

ছেলেদের প্রজনন স্বাস্থ্য এবং শারীরিক সক্ষমতার কথা উঠলে দুটি পরীক্ষার নাম সবার আগে আসে— Testosterone Hormone এবং Semen Analysis (বীর্য বিশ্লেষণ)। ল্যাবরেটরি মেডিসিনে কাজ করার সময় আমি অনেক পুরুষকে দেখেছি যারা এই দুটি পরীক্ষাকে সম্পূর্ণ আলাদা মনে করেন। কিন্তু সত্য হলো, এদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে এবং একটি ছাড়া অন্যটি প্রায় অসম্পূর্ণ।

আজ একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে আমি আপনাদের জানাবো, এই দুই পরীক্ষার সম্পর্ক এবং কেন এগুলো পুরুষদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

টেস্টোস্টেরন এবং সিমেন অ্যানালাইসিসের সম্পর্ক
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, টেস্টোস্টেরন হলো একটি 'জ্বালানি' আর সিমেন বা শুক্রাণু হলো সেই জ্বালানির 'ফলাফল'।

১. শুক্রাণু উৎপাদন: অণ্ডকোষে শুক্রাণু তৈরির প্রক্রিয়াটি সরাসরি টেস্টোস্টেরন হরমোনের ওপর নির্ভর করে। যদি রক্তে এই হরমোনের মাত্রা কমে যায় (Low T), তবে শুক্রাণুর সংখ্যা (S***m Count) এবং গুণগত মানও কমে যায়।
২. যৌন ইচ্ছা ও সক্ষমতা: টেস্টোস্টেরন হরমোন যৌন আকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণ করে, অন্যদিকে সিমেন অ্যানালাইসিস প্রজনন ক্ষমতা নিশ্চিত করে। একটির ঘাটতি থাকলে অন্যটির ওপর তার প্রভাব পড়ে।
৩. বন্ধ্যাত্ব নির্ণয়: যখন কোনো দম্পতি সন্তান নিতে সমস্যায় পড়েন, তখন সিমেন অ্যানালাইসিসে যদি শুক্রাণু কম পাওয়া যায়, তবে তার কারণ খুঁজতে আমরা টেস্টোস্টেরন হরমোন পরীক্ষা করি।

কেন এই পরীক্ষাগুলো করা জরুরি?
প্রজনন ক্ষমতা যাচাই: আপনি বাবা হতে পারবেন কি না বা শুক্রাণুর গতিশীলতা ঠিক আছে কি না, তা জানতে সিমেন অ্যানালাইসিস একমাত্র পথ।

শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন: হরমোন কমে গেলে অকারণে ক্লান্তি, পেশি কমে যাওয়া, মেজাজ খিটখিটে হওয়া এবং চুল পড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হয়। টেস্টোস্টেরন পরীক্ষার মাধ্যমে এর সমাধান সম্ভব।

যৌন স্বাস্থ্য: লিঙ্গ উত্থানে সমস্যা বা যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়ার প্রকৃত কারণ হরমোনাল নাকি মানসিক, তা এই ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়।

আমার প্রফেশনাল পরামর্শ:
১. সিমেন অ্যানালাইসিসের নিয়ম: সঠিক রিপোর্টের জন্য পরীক্ষার আগে অন্তত ৩ থেকে ৫ দিন সহবাস বা বীর্যপাত থেকে বিরত থাকতে হবে। আবার ৭ দিনের বেশি দেরি করাও ঠিক নয়।
২. হরমোন টেস্টের সময়: টেস্টোস্টেরন হরমোন পরীক্ষার জন্য সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে রক্ত দেওয়া সবচেয়ে ভালো, কারণ এই সময় শরীরে হরমোনের মাত্রা সর্বোচ্চ থাকে।

ল্যাবরেটরিতে আমরা দেখি, অনেক পুরুষ সংকোচে এই পরীক্ষাগুলো করতে চান না। কিন্তু মনে রাখবেন, সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় আপনাকে দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক ও মানসিক কষ্ট থেকে মুক্তি দিতে পারে।

আপনার কি প্রায়ই অতিরিক্ত ক্লান্তি লাগে বা প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো প্রশ্ন আছে? সংকোচ না করে কমেন্টে জানাতে পারেন। পুরুষদের স্বাস্থ্য সচেতনতায় পোস্টটি শেয়ার করুন।

বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোর কার্যকারিতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। ল্যাবরেটরি...
01/02/2026

বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোর কার্যকারিতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। ল্যাবরেটরি মেডিসিনে কাজ করার সময় আমি দেখেছি, বয়োজ্যেষ্ঠদের অনেক রোগই প্রাথমিক অবস্থায় কোনো লক্ষণ দেখায় না। যখন ধরা পড়ে, তখন রোগটি অনেক জটিল হয়ে যায়। অথচ নিয়মিত চেকআপের মাধ্যমে বার্ধক্যজনিত অনেক সমস্যাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

আজ একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে আমি আপনাদের জানাবো, ৫০ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য বছরে অন্তত একবার কোন ল্যাব টেস্টগুলো করা অত্যন্ত জরুরি।

১. ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের পরীক্ষা (HbA1c ও Lipid Profile)
বয়স বাড়লে রক্তে সুগার এবং চর্বির মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। HbA1c টেস্টের মাধ্যমে গত ৩ মাসের গড় সুগার বোঝা যায়। আর Lipid Profile দেখে বোঝা যায় রক্তনালীতে চর্বি জমে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি আছে কি না।

২. কিডনি ফাংশন টেস্ট (Serum Creatinine & Urine R/E)
বয়স বাড়লে কিডনি ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে, বিশেষ করে যাদের উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস আছে। সিরাম ক্রিয়েটিনিন এবং প্রস্রাব পরীক্ষার মাধ্যমে কিডনির অবস্থা শুরুতেই বোঝা যায়।

৩. লিভার ও হাড়ের সুস্থতা (LFT, Vitamin D & Calcium)
লিভার ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা জানতে LFT জরুরি। এছাড়া বার্ধক্যে হাড় ক্ষয় হওয়া বা অস্টিওপরোসিস রুখতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি লেভেল চেক করা প্রয়োজন।

৪. সিবিসি ও ইএসআর (CBC & ESR)
রক্তস্বল্পতা বা শরীরের কোথাও দীর্ঘমেয়াদী ইনফেকশন আছে কি না, তা এই সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমেই শনাক্ত করা যায়।

৫. ক্যানসার স্ক্রিনিং (PSA ও কালোনস্কোপি)
পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রোস্টেট ক্যানসার বুঝতে PSA এবং নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে অন্ত্রের সমস্যা বুঝতে মাঝে মাঝে মলের বিশেষ পরীক্ষা (Stool Occult Blood) করা উচিত।

আমার প্রফেশনাল পরামর্শ:
আপনার বাবা-মা বা পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠরা যদি কোনো শারীরিক সমস্যার কথা না-ও বলেন, তবুও তাদের নিয়মিত চেকআপে নিয়ে যান। ল্যাবরেটরিতে আমরা দেখি, সময়মতো চেকআপ করলে অনেক বড় অপারেশন বা দীর্ঘমেয়াদী ভোগান্তি এড়ানো যায়। মনে রাখবেন, বয়স্কদের ক্ষেত্রে 'প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম'।

আপনার পরিবারের বড়দের শেষ কবে ফুল বডি চেকআপ করিয়েছেন? কোনো রিপোর্টে কি অস্বাভাবিক কিছু ছিল? কমেন্টে জানাতে পারেন। প্রিয়জনদের সুস্থ রাখতে পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে সচেতন করুন।

এই গাউন, এই হ্যাট, আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরির সামনে এই ছবি—এগুলো কি শুধুই কিছু স্মৃতি? নাকি এর ওজন আরও অনেক বেশি?ম...
01/02/2026

এই গাউন, এই হ্যাট, আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরির সামনে এই ছবি—এগুলো কি শুধুই কিছু স্মৃতি? নাকি এর ওজন আরও অনেক বেশি?
মাঝে মাঝে নিজেকে প্রশ্ন করি, আমরা আসলে কেন ডিগ্রি অর্জন করি? শুধুই কি একটা ভালো চাকরি, বিয়ে, আর দু'বেলা দু'মুঠো খেয়েপড়ে বাঁচার জন্য? নাকি আমার এই অর্জিত জ্ঞানের অংশীদার আমার সমাজ, আমার দেশ, আর আমার আশেপাশের মানুষ গুলোও ?

শিক্ষার আসল সার্থকতা তো সেখানেই, যখন আমরা আমাদের জ্ঞানের আলো চারদিকে ছড়িয়ে দিতে পারি। সার্টিফিকেটের কাগজের চেয়ে অভিজ্ঞতার মূল্য অনেক বেশি, যদি সেই অভিজ্ঞতা দিয়ে একজন মানুষেরও উপকার করা যায়। আমি বিশ্বাস করি, আমার অর্জিত জ্ঞান যদি মানুষের কল্যাণে না লাগে, তবে এই 'গ্রাজুয়েশন' অসম্পূর্ণ।
সেই দায়বদ্ধতা থেকেই আমি চেষ্টা করছি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দিয়ে আপনাদের পাশে থাকার। নিয়মিত স্বাস্থ্য /রোগ নির্নয় বিষয়ক কন্টেন্ট ও পরামর্শ দিয়ে সবাইকে স্বাস্থ্য সচেতন করে তোলাই এখন আমার অন্যতম লক্ষ্য।
আমার এই প্রচেষ্টায় আপনারা পাশে থাকলে কৃতজ্ঞ থাকবো। স্বাস্থ্য / রোগ নির্নয় বিষয়ক যেকোনো পরামর্শ ও তথ্যের জন্য আমার পেজটির সাথেই থাকুন।

👉 Khan Zahan

Note: Picture 53 Convocation , DU
Institute : Bangladesh Shishu Hospital & Institute ,
8th Batch (Laboratory Medicine)

আল্ট্রাসনোগ্রাম করার আগে আমাদের ল্যাবরেটরিতে রোগীরা প্রায়ই একটি সাধারণ প্রশ্ন করেন— "ভাই, পেটের পরীক্ষার সাথে খাওয়ার সম্...
01/02/2026

আল্ট্রাসনোগ্রাম করার আগে আমাদের ল্যাবরেটরিতে রোগীরা প্রায়ই একটি সাধারণ প্রশ্ন করেন— "ভাই, পেটের পরীক্ষার সাথে খাওয়ার সম্পর্ক কী?" অনেকে আবার না খেয়ে থাকতে কষ্ট হয় বলে কিছুটা বিরক্তও হন। কিন্তু আমি দেখেছি, খালি পেটে আল্ট্রাসনোগ্রাম করা এবং না করার মধ্যে রিপোর্টের মানে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হতে পারে।

আজ একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে আমি আপনাদের জানাবো, পেটের আল্ট্রাসনোগ্রামের (বিশেষ করে USG of Whole Abdomen বা Upper Abdomen) আগে কেন অন্তত ৬-৮ ঘণ্টা খালি পেটে থাকতে বলা হয়।

১. পিত্তথলি (Gallbladder) পরিষ্কার দেখা
খালি পেটে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার প্রধান কারণ হলো পিত্তথলি। আমরা যখন কিছু খাই, তখন পিত্তথলি থেকে পিত্তরস হজমের জন্য বের হয়ে যায় এবং থলিটি চুপসে ছোট হয়ে যায়। ফলে পিত্তথলিতে পাথর বা কোনো ছোট টিউমার থাকলে তা মেশিনে ধরা পড়ে না। খালি পেটে থাকলে পিত্তথলি রসে পূর্ণ ও স্ফীত থাকে, যা রোগ নির্ণয়ে সাহায্য করে।

২. পেটে গ্যাসের বাধা কমানো
খাবার খাওয়ার পর পরিপাক প্রক্রিয়ার কারণে পেটে প্রচুর গ্যাস তৈরি হয়। আল্ট্রাসনোগ্রামের শব্দতরঙ্গ (Sound Waves) গ্যাসের ভেতর দিয়ে যেতে পারে না। ফলে গ্যাসের কারণে লিভার, অগ্ন্যাশয় বা কিডনির ছবি ঝাপসা আসে। খালি পেটে থাকলে পেটে গ্যাস কম থাকে এবং অঙ্গগুলো স্বচ্ছ দেখা যায়।

৩. লিভার ও প্যানক্রিয়াসের সঠিক চিত্র
খাবার খাওয়ার পর পাকস্থলী ভরে যায় এবং এটি লিভার ও অগ্ন্যাশয়কে (Pancreas) আড়াল করে ফেলে। এতে প্যাথলজিস্ট বা রেডিওলজিস্টের পক্ষে এই অঙ্গগুলোর সূক্ষ্ম সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

আমার প্রফেশনাল পরামর্শ:
খালি পেটের সময়: পরীক্ষার আগে অন্তত ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা কিছু না খাওয়া সবচেয়ে ভালো। তবে আপনি কেবল পানি পান করতে পারেন (চিনি বা দুধ ছাড়া)।

প্রস্রাবের চাপ: মনে রাখবেন, জরায়ু বা প্রস্রাবের থলি (USG of Lower Abdomen/KUB) দেখার জন্য আবার প্রচুর প্রস্রাবের চাপের প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে খালি পেটে থাকার পাশাপাশি প্রচুর পানি পান করতে হবে।

ল্যাবরেটরিতে আমরা সবসময় চেষ্টা করি যেন আপনার রিপোর্টটি ১০০% নির্ভুল হয়। তাই সঠিক রিপোর্ট পেতে এই ছোট নিয়মগুলো মেনে চলা আপনার সুস্বাস্থ্যের জন্যই জরুরি।

আপনি কি কখনো ভরা পেটে আল্ট্রাসনোগ্রাম করে বিপাকে পড়েছেন বা আপনার রিপোর্টে কি 'Gas Shadow'-এর কারণে কিছু ঝাপসা এসেছিল? কমেন্টে জানান। জনসচেতনতায় এই জরুরি তথ্যটি শেয়ার করুন।

অনেকে ডায়াবেটিস না থাকলেও শরীরে মেদ জমা, সারাক্ষণ ক্লান্তি বা মিষ্টি খাওয়ার প্রচণ্ড ইচ্ছা অনুভব করেন। ল্যাবরেটরি মেডিসি...
01/02/2026

অনেকে ডায়াবেটিস না থাকলেও শরীরে মেদ জমা, সারাক্ষণ ক্লান্তি বা মিষ্টি খাওয়ার প্রচণ্ড ইচ্ছা অনুভব করেন। ল্যাবরেটরি মেডিসিনে কাজ করার সময় আমি দেখেছি, অনেক রোগীর সুগার রিপোর্ট স্বাভাবিক থাকলেও তাদের শরীরে ভেতরে ভেতরে রক্তে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যায়। এই অবস্থাকেই বলা হয় ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স। আর এটি মাপার সবচেয়ে বৈজ্ঞানিক ও জনপ্রিয় পরীক্ষা হলো HOMA-IR।

আজ একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে আমি আপনাদের সহজভাবে জানাবো HOMA-IR আসলে কী এবং কেন এটি আপনার করা প্রয়োজন।

HOMA-IR কী?
HOMA-IR এর পূর্ণরূপ হলো Homeostatic Model Assessment for Insulin Resistance। এটি একটি গাণিতিক হিসাব যা আপনার রক্তে থাকা ইনসুলিন এবং গ্লুকোজের (সুগার) পরিমাণের মধ্যে সম্পর্ক বের করে।

সহজ কথায়, আপনার শরীরে থাকা চিনি বা গ্লুকোজকে শক্তিতে রূপান্তর করতে আপনার প্যানক্রিয়াসকে কতটা বেশি ইনসুলিন তৈরি করতে হচ্ছে, তা এই পরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা যায়।

এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
১. টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ: রক্তে সুগার বাড়ার অনেক বছর আগেই HOMA-IR টেস্টের মাধ্যমে বোঝা সম্ভব যে আপনার ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি আছে কি না।
২. পিসিওএস (PCOS): যেসব নারীদের পিসিওএস সমস্যা আছে, তাদের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। এই টেস্টটি তাদের জন্য খুবই জরুরি।
৩. ওজন নিয়ন্ত্রণ: যাদের পেটে চর্বি জমে এবং অনেক চেষ্টা করেও ওজন কমছে না, তাদের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকার সম্ভাবনা থাকে।
৪. হৃদরোগের ঝুঁকি: ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স দীর্ঘমেয়াদে উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগের কারণ হতে পারে।

রিপোর্টের মান কেমন হয়?
১.০ বা তার কম: আপনার শরীর ইনসুলিনের প্রতি বেশ সংবেদনশীল (খুবই ভালো)।

১.৯ এর বেশি: আপনি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের দিকে যাচ্ছেন।

২.৯ এর বেশি: এটি নিশ্চিতভাবে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স নির্দেশ করে।

আমার প্রফেশনাল পরামর্শ:
HOMA-IR পরীক্ষার জন্য আপনাকে অন্তত ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা সম্পূর্ণ খালি পেটে ল্যাবরেটরিতে রক্ত দিতে হবে। এই টেস্টের জন্য রক্তে একই সাথে 'ফাস্টিং ইনসুলিন' এবং 'ফাস্টিং গ্লুকোজ' মাপা হয়। ল্যাবরেটরিতে আমি অনেককে দেখেছি যারা কেবল সুগার চেক করে নিশ্চিন্ত থাকেন, কিন্তু আসলে তাদের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের কারণে ভেতর থেকে শরীর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই সময় থাকতে এই চেকআপটি করিয়ে নিন।

আপনার কি ওজন কমানোতে সমস্যা হচ্ছে বা সবসময় ক্লান্তি লাগে? আপনি কি কখনো ইনসুলিন লেভেল চেক করেছেন? কমেন্টে জানাতে পারেন। স্বাস্থ্য সচেতনতায় এই আধুনিক টেস্টটি সম্পর্কে সবাইকে জানাতে পোস্টটি শেয়ার করুন।

31/01/2026

আপনাদের এত এত ভালোবাসা আজ আমাকে মন থেকে আরো শক্তিশালী করেছে,
লিখার পাশা পাশি ভিডিও দিলে আপনাদের জন্য কেমন হয়??
সঠিক উত্তর পেলে নিজেকে সেভাবে গড়ে তুলার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ

সন্তান লাভে বিলম্ব হওয়া বা ইনফার্টিলিটি বর্তমানে অনেক দম্পতির জন্য একটি উদ্বেগের বিষয়। ল্যাবরেটরি মেডিসিনে কাজ করার সময় ...
31/01/2026

সন্তান লাভে বিলম্ব হওয়া বা ইনফার্টিলিটি বর্তমানে অনেক দম্পতির জন্য একটি উদ্বেগের বিষয়। ল্যাবরেটরি মেডিসিনে কাজ করার সময় আমি দেখেছি, অনেক দম্পতি সঠিক পরীক্ষা না করার কারণে দীর্ঘ সময় হতাশায় ভোগেন। বন্ধ্যাত্বের কারণ কেবল শারীরিক গঠনগত ত্রুটি নয়, বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর পেছনে থাকে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা।

আজ একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে আমি আপনাদের জানাবো, ইনফার্টিলিটির কারণ বুঝতে পুরুষ ও মহিলাদের কোন কোন হরমোন টেস্টগুলো করা জরুরি।

মহিলাদের জন্য জরুরি হরমোন টেস্ট:
১. AMH (Anti-Mullerian Hormone): এটি ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণুর মজুদ বা 'ওভারিয়ান রিজার্ভ' বুঝতে সাহায্য করে। এটি বর্তমানে ইনফার্টিলিটি নির্ণয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
২. FSH ও LH: মাসিকের দ্বিতীয় বা তৃতীয় দিনে এই টেস্টগুলো করা হয়। ডিম্বাণু বড় হওয়া এবং ওভুলেশন বা ডিম্বাণু নিঃসরণ ঠিকমতো হচ্ছে কি না, তা এখান থেকে বোঝা যায়।
৩. Prolactin: রক্তে প্রোল্যাকটিন হরমোনের মাত্রা বেড়ে গেলে ওভুলেশন বাধাগ্রস্ত হয় এবং গর্ভধারণে সমস্যা তৈরি করে।
৪. TSH (Thyroid): থাইরয়েড হরমোনের সামান্য তারতম্যও মাসিকের অনিয়ম এবং বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে।
৫. Progesterone: মাসিকের ২১তম দিনে এই টেস্টটি করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে সে মাসে ডিম্বাণু সফলভাবে নির্গত হয়েছে কি না।

পুরুষদের জন্য জরুরি হরমোন ও ল্যাব টেস্ট:
১. Semen Analysis: এটি হরমোন টেস্ট না হলেও বন্ধ্যাত্ব নির্ণয়ের প্রথম ধাপ। এতে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা, গঠন এবং গতিশীলতা দেখা হয়।
২. Testosterone: পুরুষের যৌন ক্ষমতা এবং শুক্রাণু তৈরির প্রধান হরমোন এটি। এর মাত্রা কমে গেলে প্রজনন ক্ষমতা কমে যায়।
৩. FSH ও LH (Males): পুরুষদের ক্ষেত্রেও এই হরমোনগুলো শুক্রাণু তৈরির সংকেত দেয়।

আমার প্রফেশনাল পরামর্শ:
ইনফার্টিলিটির চিকিৎসার ক্ষেত্রে সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ। ল্যাবরেটরিতে এই টেস্টগুলো করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট সময় মেনে চলতে হয়। যেমন—মহিলাদের হরমোন টেস্টগুলো সাধারণত মাসিকের নির্দিষ্ট দিনে (২য় বা ৩য় দিন) করতে হয়। আবার বীর্য পরীক্ষার জন্য অন্তত ৩ থেকে ৫ দিন সহবাস থেকে বিরত থাকা জরুরি।

মনে রাখবেন, বন্ধ্যাত্ব কোনো অভিশাপ নয়, বরং সঠিক সময়ে হরমোন পরীক্ষার মাধ্যমে এর মূল কারণ শনাক্ত করে চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব।

আপনার কি সন্তান লাভে সমস্যা হচ্ছে বা কোনো হরমোন রিপোর্টে অস্বাভাবিকতা পেয়েছেন? কমেন্টে আপনার প্রশ্ন করতে পারেন। সচেতনতা বাড়াতে পোস্টটি শেয়ার করুন।

31/01/2026

আমি সহজ ভাষায় আপনাদের রিপোর্ট এর ব্যাখ্যা করে দিয়ে আমার সীমা লংঘন করেছি??
আমি কি অন্যায় করছি?
প্রশ্ন থাকলো আপনাদের কাছে,,,

লিভার সিরোসিস এমন একটি অবস্থা যেখানে লিভারের সুস্থ কোষগুলো নষ্ট হয়ে স্থায়ীভাবে ক্ষত বা স্কার টিস্যু তৈরি হয়। ল্যাবরেটরি ...
31/01/2026

লিভার সিরোসিস এমন একটি অবস্থা যেখানে লিভারের সুস্থ কোষগুলো নষ্ট হয়ে স্থায়ীভাবে ক্ষত বা স্কার টিস্যু তৈরি হয়। ল্যাবরেটরি মেডিসিনে কাজ করার সময় আমি দেখেছি, অনেকেই মনে করেন জন্ডিস হওয়া মানেই সিরোসিস। আসলে সিরোসিস হলো লিভারের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির চূড়ান্ত পর্যায়। এই মরণব্যাধিটি প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করতে প্যাথলজি ল্যাবের ভূমিকা অপরিসীম।

আজ একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে আমি আপনাদের জানাবো, লিভার সিরোসিস শনাক্তে আমরা ল্যাবরেটরিতে কোন কোন পরীক্ষাগুলো করে থাকি।

১. লিভার ফাংশন টেস্ট (LFT)
এটি লিভারের প্রাথমিক অবস্থা বোঝার জন্য করা হয়।

SGPT (ALT) ও SGOT (AST): লিভারের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে রক্তে এই এনজাইমগুলোর মাত্রা বেড়ে যায়।

Bilirubin: লিভার রক্ত থেকে বর্জ্য পরিষ্কার করতে না পারলে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে জন্ডিস দেখা দেয়।

Albumin: লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হলে প্রয়োজনীয় প্রোটিন (অ্যালবুমিন) তৈরি করতে পারে না, যার ফলে রক্তে এর মাত্রা কমে যায়।

২. প্রোথ্রোমবিন টাইম (PT/INR)
রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো লিভার তৈরি করে। সিরোসিস হলে লিভার এগুলো তৈরি করতে পারে না, ফলে রক্ত জমাট বাঁধতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগে। এটি সিরোসিসের তীব্রতা বোঝার অন্যতম সেরা পরীক্ষা।

৩. সিবিসি (CBC)
সিরোসিস রোগীদের ক্ষেত্রে সাধারণত প্লাটিলেট (Platelet) কাউন্ট অনেক কমে যায়। একে বলা হয় থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া। এছাড়া রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া আছে কি না তাও এখান থেকে বোঝা যায়।

৪. আলফা-ফেটোপ্রোটিন (AFP)
লিভার সিরোসিস থেকে অনেক সময় লিভার ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এই ঝুঁকির মাত্রা বুঝতে AFP নামক ক্যানসার মার্কার টেস্টটি করা হয়।

৫. ফাইব্রোস্ক্যান (FibroScan)
যদিও এটি ইমেজিং টেস্টের মতো, তবে বর্তমানে অনেক ল্যাবে এটি করা হয়। এটি লিভারের কঠোরতা বা লিভার কতটা শক্ত (Scarring) হয়ে গেছে তা নিখুঁতভাবে পরিমাপ করে।

আমার প্রফেশনাল পরামর্শ:
লিভার সিরোসিস একদিনে হয় না। অতিরিক্ত মদ্যপান, ফ্যাটি লিভার কিংবা হেপাটাইটিস-বি ও সি ভাইরাসের দীর্ঘস্থায়ী আক্রমণের ফলে এটি ঘটে। আপনি যদি নিয়মিত পেটে পানি জমা, চোখ বা প্রস্রাব হলুদ হওয়া কিংবা চরম ক্লান্তি অনুভব করেন, তবে দেরি না করে এই টেস্টগুলো করিয়ে নিন। শুরুতেই ধরা পড়লে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে লিভারের বাকি অংশকে রক্ষা করা সম্ভব।

আপনার বা আপনার পরিচিত কারো কি লিভারের সমস্যা আছে? শেষবার এলএফটি (LFT) রিপোর্টে কোনো অস্বাভাবিকতা ছিল কি? কমেন্টে জানান। লিভার সচেতনতায় এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি শেয়ার করুন।

31/01/2026

উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশারকে বলা হয় ‘সাইলেন্ট কিলার’ বা নিরব ঘাতক। ল্যাবরেটরি মেডিসিনে কাজ করার সময় আমি অনেক রোগী...
31/01/2026

উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশারকে বলা হয় ‘সাইলেন্ট কিলার’ বা নিরব ঘাতক। ল্যাবরেটরি মেডিসিনে কাজ করার সময় আমি অনেক রোগী পেয়েছি যারা জানতেনই না যে তাদের রক্তচাপ অনিয়ন্ত্রিত, যতক্ষণ না তাদের কিডনি বা হার্টে বড় কোনো সমস্যা ধরা পড়েছে। রক্তচাপ কেবল মেপে দেখলেই হয় না, এটি শরীরের ভেতর অন্য কোনো অঙ্গের ক্ষতি করছে কি না, তা বুঝতে নিয়মিত কিছু ল্যাব টেস্ট করা অত্যন্ত জরুরি।

আজ একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে আমি আপনাদের জানাবো, উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের নিয়মিত কোন পরীক্ষাগুলো করানো উচিত।

১. সিরাম ক্রিয়েটিনিন (Serum Creatinine)
উচ্চ রক্তচাপের সবচেয়ে বড় শিকার হয় কিডনি। দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত প্রেশার কিডনির সূক্ষ্ম রক্তনালীগুলোকে নষ্ট করে দেয়। তাই কিডনি কতটা সচল আছে তা দেখতে বছরে অন্তত দুবার ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক।

২. লিপিড প্রোফাইল (Lipid Profile)
রক্তে কোলেস্টেরল বেশি থাকলে রক্তনালী সরু হয়ে যায়, যা রক্তচাপ আরও বাড়িয়ে দেয় এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি তৈরি করে। প্রেশারের রোগীদের জন্য রক্তে চর্বির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা জীবন রক্ষার সমান।

৩. ইউরিন আর/ই (Urine R/E)
প্রস্রাবের সাথে প্রোটিন বা অ্যালবুমিন যাচ্ছে কি না, তা এই সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা যায়। প্রস্রাবে প্রোটিন যাওয়া মানে হলো আপনার উচ্চ রক্তচাপ আপনার কিডনিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে শুরু করেছে।

৪. ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (ECG)
দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপ থাকলে হার্টের আকার বড় হয়ে যেতে পারে (Left Ventricular Hypertrophy)। হার্টের ছন্দ ঠিক আছে কি না এবং কোনো ব্লকেজের প্রাথমিক লক্ষণ আছে কি না, তা ইসিজি-র মাধ্যমে বোঝা যায়।

৫. ইলেকট্রোলাইটস (Serum Electrolytes)
অনেক সময় রক্তে সোডিয়াম বা পটাশিয়ামের ভারসাম্যহীনতার কারণেও রক্তচাপ ওঠানামা করে। বিশেষ করে যারা প্রেশারের নিয়মিত ওষুধ খান, তাদের শরীরে লবণের ভারসাম্য ঠিক আছে কি না তা দেখতে এই পরীক্ষাটি জরুরি।

আমার প্রফেশনাল পরামর্শ: উচ্চ রক্তচাপ কেবল একটি রোগ নয়, এটি অনেক রোগের প্রবেশদ্বার। ল্যাবরেটরিতে আমরা দেখি, যারা নিয়মিত এই চেকআপগুলো করেন, তারা অনেক বড় বড় শারীরিক জটিলতা থেকে বেঁচে যান। কেবল ওষুধ খেয়ে প্রেশার কমিয়ে রাখলেই হবে না, শরীরের ভেতরের অঙ্গগুলো সুস্থ আছে কি না তা বছরে অন্তত একবার বা দুইবার পরীক্ষা করে নিশ্চিত হোন।

আপনি কি উচ্চ রক্তচাপের জন্য নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছেন? আপনার শেষ ক্রিয়েটিনিন বা কোলেস্টেরল রিপোর্ট কবে করা হয়েছে? কমেন্টে জানাতে পারেন। আপনার পরিচিত উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের সচেতন করতে পোস্টটি এখনই শেয়ার করুন।

প্রথমেই অসংখ্য ধন্যবাদ জানায় আমার সেই ৪৩ জন কে, যারা গত সপ্তাহ এ আমার ওয়েবসাইট থেকে এই ২ টা প্রডাক্ট অর্ডার করেছেন .আপনা...
31/01/2026

প্রথমেই অসংখ্য ধন্যবাদ জানায় আমার সেই ৪৩ জন কে, যারা গত সপ্তাহ এ আমার ওয়েবসাইট থেকে এই ২ টা প্রডাক্ট অর্ডার করেছেন .
আপনাদের এই ভালোবাসা ও বিশ্বাস এর মর্জাদা রাখবো ইনশা-আল্লাহ...
আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন না আমার একটা Business আছে, আমি Khan Biotech এর Founder & MD, ল্যাব এর সকল প্রডাক্ট এর পাশাপাশি আমরা হোম কেয়ার Equipment's provide করে থাকি..
কমেন্ট বক্স এ প্রডাক্ট লিংক এবং ওয়েবাসাইট দেওয়া থাকবে . যদি আপনার প্রয়োজনীয় কোন প্রডাক্ট থাকে তাহলে নিশ্চিন্তে অর্ডার করতে পারেন....
সম্পুর্ণ Cash On Delivery তে ঘরে বসেই পেয়ে জাবেন ইনশা-আল্লাহ, প্রডাক্ট চেক করে দেখে তারপর মুল্য পরিশোধ এর সুযোগ থাকবে....
এভাবে আমার পাশে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ সবাইকে...
সবার সু-স্বাস্থ্য কামনা করছি...
Body Massage Gun -990.00
Digital Blood Pressure Machine - 1990.00

যোগাযোগ- 01749-781239

Address

Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khan Zahan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Khan Zahan:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram