Doc Pedi

Doc Pedi নবজাতক ও শিশু রোগ, শিশু পুষ্টি, শিশুদের জটিল রোগ ও কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য যোগাযোগ করুন।

বাবারা যদি প্রতিদিন অল্প সময়ও সন্তানকে দেন, তাতে তাদের মানসিক বিকাশ অনেকটাই এগিয়ে যায়। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন...
07/12/2025

বাবারা যদি প্রতিদিন অল্প সময়ও সন্তানকে দেন, তাতে তাদের মানসিক বিকাশ অনেকটাই এগিয়ে যায়। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, স্বল্প সময়ের মনোযোগী খেলাধুলা ভাষা শেখা এবং মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ায়। নিয়মিত এই যোগাযোগ শিশুর মস্তিষ্কে প্রাথমিক সংযোগগুলো আরও শক্ত করে।

দিনে মাত্র পনেরো মিনিট একসঙ্গে খেললে শিশুর সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ও আবেগ বোঝার ক্ষমতা বাড়ে। বই পড়া, ব্লক সাজানো বা সহজভাবে কথা বলা—এ ধরনের ছোট ছোট মুহূর্তই তার চিন্তা ও শেখার ভিত্তি গড়ে তোলে। গবেষকেরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত এই সময় দেওয়ার ফলে শিশুর প্রাথমিক বিকাশে প্রায় বিশ শতাংশ পর্যন্ত উন্নতি দেখা যায়।

03/12/2025

#শিশু_স্বাস্থ্য #শিশু_বিশেষজ্ঞ #ডাক্তার #শিশু_চিকিৎসা #পেডিয়াট্রিক #শিশু_সেবা #শিশুর_স্বাস্থ্য_পরামর্শ #মায়েদের_জন্য_টিপস

বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস ২০২৫: প্রতিটি শ্বাস রক্ষা করুন, প্রতিটি জীবন বাঁচানপ্রতি বছর ১২ নভেম্বর বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস পালি...
12/11/2025

বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস ২০২৫: প্রতিটি শ্বাস রক্ষা করুন, প্রতিটি জীবন বাঁচান

প্রতি বছর ১২ নভেম্বর বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস পালিত হয় জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে। এ বছর প্রতিপাদ্য— “সুস্থ সূচনা, আশার ভবিষ্যৎ (Healthy Beginnings, Hopeful Futures)”।

নিউমোনিয়া একটি ফুসফুসজনিত সংক্রমণ, যা শিশু ও বয়স্কদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। সঠিক চিকিৎসা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিলে এটি পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য।

নিউমোনিয়ার লক্ষণ:
জ্বর, কাশি ও কফ, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, ক্লান্তি, ক্ষুধামন্দা এবং দীর্ঘস্থায়ী কাশি। এসব উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

কারণ:
ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও মাঝে মাঝে ছত্রাকের সংক্রমণে নিউমোনিয়া হয়। বিশেষ করে Streptococcus pneumoniae এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস সবচেয়ে সাধারণ কারণ। দুর্বল ইমিউনিটি, ধূমপান বা দূষিত পরিবেশে থাকা ঝুঁকি বাড়ায়।

প্রতিরোধ:

টিকাদান (নিউমোকক্কাল, হিব, ইনফ্লুয়েঞ্জা)

একচেটিয়া বুকের দুধ খাওয়ানো ও পুষ্টিকর খাদ্য

ধূমপান ও দূষিত বাতাস এড়ানো

নিয়মিত হাত ধোয়া ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা

গুরুত্ব:
বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস মনে করিয়ে দেয়—প্রতিরোধযোগ্য এই রোগে কোনো প্রাণহানি মেনে নেওয়া যায় না। টিকা, প্রাথমিক চিকিৎসা ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অসংখ্য জীবন বাঁচানো সম্ভব।

চলুন সবাই মিলে গড়ি নিউমোনিয়ামুক্ত বিশ্ব, যেখানে প্রতিটি শ্বাস নিরাপদ এবং প্রতিটি জীবন মূল্যবান।

টাইফয়েড ভ্যাকসিন নিয়ে বিস্তারিত...
08/11/2025

টাইফয়েড ভ্যাকসিন নিয়ে বিস্তারিত...

রোটা ভাইরাস ভ্যাকসিন দুটি ধরণের দেওয়া হয়:1) RotaTeq (RV5):এটি মোট ৩ ডোজে দেওয়া হয়।বয়স অনুযায়ী ডোজগুলোর সময় হচ্ছে:১ম ডোজ:...
07/11/2025

রোটা ভাইরাস ভ্যাকসিন দুটি ধরণের দেওয়া হয়:

1) RotaTeq (RV5):
এটি মোট ৩ ডোজে দেওয়া হয়।
বয়স অনুযায়ী ডোজগুলোর সময় হচ্ছে:

১ম ডোজ: ২ মাস

২য় ডোজ: ৪ মাস

৩য় ডোজ: ৬ মাস

প্রতিটি ডোজের মধ্যে কমপক্ষে ৪ সপ্তাহ বিরতি রাখতে হবে।

2) Rotarix (RV1):
এটি মোট ২ ডোজে দেওয়া হয়।

১ম ডোজ: ২ মাস

২য় ডোজ: ৪ মাস

এক্ষেত্রেও দুই ডোজের মধ্যে কমপক্ষে ৪ সপ্তাহের ব্যবধান রাখতে হবে।

রোটা ভাইরাস ভ্যাকসিনের সব ডোজ ৮ মাস বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই সম্পূর্ণ করতে হবে।
৮ মাসের পর এই ভ্যাকসিন আর দেওয়া যায় না।
#শিশু_স্বাস্থ্য #শিশু_বিশেষজ্ঞ #ডাক্তার #শিশু_চিকিৎসা #পেডিয়াট্রিক #শিশু_সেবা #শিশুর_স্বাস্থ্য_পরামর্শ #মায়েদের_জন্য_টিপস

ফেসবুকে টাইফয়েড ভ্যাকসিন সংক্রান্ত একটি লেখা ভাইরাল হয়েছে। লেখাটি যিনি লিখেছেন তিনি চিকিৎসক বা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ নন এ...
17/10/2025

ফেসবুকে টাইফয়েড ভ্যাকসিন সংক্রান্ত একটি লেখা ভাইরাল হয়েছে। লেখাটি যিনি লিখেছেন তিনি চিকিৎসক বা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ নন এবং ডিজিজ এপিডেমিওলজি সম্পর্কে তার কোন ধারনা নেই। তার ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে পরে বলছি, প্রথমে তার লেখার দাবিগুলো ডিবাংক করি।

লেখক দাবী করেছেন আইসিডিডিআরবি নাকি গবেষণায় পেয়েছে দেশে টাইফয়েড আক্রান্তের হার ১% এবং সেখান থেকে বলতে চেয়েছেন ১০০ জনে ৯৯ জনেরই প্রাকৃতিকভাবে টাইফয়েড হয়না। প্রথমত, আইসিডিডিআরবি এ ধরনের কোন গবেষণা করেনি। এটা আমার কথা না, জানিয়েছেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের এসিস্টেন্ট সায়েন্টিস্ট ডা: গাজী সালাহউদ্দীন মামুন। বরং তাদের ACORN-HAI গবেষণায় তারা দেখেছেন ২ বছরে (২০২৩-২৪) হাসপাতালে ডায়রিয়া ও অন্যান্য ইনফেকশন নিয়ে ভর্তি হওয়া ৮২৯ জন রোগীর মাঝে ২৪৯ জনের (৩০% এর বেশি) রক্তে টাইফয়েড জীবানু বিদ্যমান।

এ সংক্রান্ত সবচেয়ে বড় গবেষণাটি হয়েছে বাংলাদেশ, নেপাল ও পাকিস্তান এই তিন দেশ মিলিয়ে "এশিয়া প্রজেক্ট"-এ। ২০১৬-২০১৯ সাল পর্যন্ত ঢাকার ২টি হাসপাতালের আউটডোরে যারা ৩ বা তার চেয়ে বেশি দিনের জ্বর নিয়ে এসেছে, ইনডোরে যারা সম্ভাব্য টাইফয়েড জ্বর নিয়ে ভর্তি হয়েছেন এবং কোন রকম আঘাত ছাড়া ক্ষুদ্রান্তের ছিদ্র নিয়ে ভর্তি হয়েছেন এবং এমন ১৭,৪৪১ জনের মাঝে ৪৮৭৩ জনের (২৮%) রক্তে নিশ্চিতভাবে টাইফয়েডের জীবানু পাওয়া গেছে।

নেপালে ২২% এবং পাকিস্তানে ২৫% লোকের ক্ষেত্রে টাইফয়েডের জীবাণু পাওয়া গেছে। এই গবেষণায় আরও বলেছে বাংলাদেশে সমগ্র জনগোষ্ঠীতে নতুনভাবে টাইফয়েড (ইনসিডেন্স) রোগে আক্রান্তের হার প্রতি লাখে ৯১৩ জন (~১%)। ভাইরাল লেখাটির লেখক মূলত এই হিসাবটিই দিয়েছেন। এবং এখান থেকেই দাবী করেছেন ৯৯% লোক টাইফয়েড আক্রান্ত হয়না প্রাকৃতিকভাবে। গবেষণাটি আইসিডিডিআরবির নয়।

১% ব্যাপারটি খুবই কম মনে হতে পারে আপাত দৃষ্টিতে। তাই চলুন অন্যান্য রোগের সাথে তুলনা করি। বাংলাদেশে ১৯৯০ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বিভিন্ন রোগের হার ভিত্তিক সবচেয়ে বড় গবেষণা যেটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিখ্যাত জার্নাল ল্যানসেটে প্রকাশিত হয়েছে তার একজন ক্ষুদ্র সহলেখক ছিলাম আমি। আমাদের সেই গবেষণায় দেখা গেছে ২০১৯ সালে বাংলাদেশে সকল ধরনের ক্যান্সার এর হার প্রতি লাখে "মাত্র" ৫৩০ জন (০.৫৫%), সকল ধরনের হৃদরোগের হার প্রতি লাখে "মাত্র" ৪৩৫৫ জন (৪.৫%), স্ট্রোকের হার প্রতি লাখে "মাত্র" ৮৩৪ জন (০.৮৭%)।

এই হিসাব থেকে কি বলা যায় যে প্রাকৃতিকভাবে দেশের ৯৯.৪৫% লোকের ক্যান্সার হবে না, ৯৫.৫% লোকের হৃদরোগ হবে না কিংবা ৯৯.১৩% লোকের স্ট্রোক হবে না? না, এটা বলা যায় না কারন মানুষের বয়স, ঝুকি, লিঙ্গ, অভ্যাস, ইত্যাদি নানা কিছুর ভিত্তিতে ঝুকির মাত্রা পরিবর্তি হয়। সহজ একটি উদাহরন দেই, ল্যানসেটে প্রকাশিত আমাদের গবেষণাটিতে আমরা পেয়েছি বাংলাদেশে ২০১৯ সালে সব ধরনের কারন জনিত মৃত্যুর হার ছিলো প্রতি লাখে ৭১৪ জন (০.৭১%)। তাহলে কি বলা যায় বাংলাদেশে ৯৯.২৯% লোকের কখনো মৃত্যু হবে না?!

অদ্ভূত শোনাচ্ছে না? ঠিক তাই, রাজিব সাহেবের হিসাবও একই রকম বাস্তবতা বিবর্জিত। বাস্তবে বর্তমান সময়ে প্রতি ৪ জনে ১ জন (২৫%) ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার ঝুকিতে আছেন। ২০১৯ সালে সকল মৃত্যুর কারনে মাঝে স্ট্রোক ছিলো ১ নাম্বার, ২য় কারন হৃদরোগ, ৩য় প্রধান কারন শ্বাসতন্ত্রের ক্রনিক রোগ।

ল্যানসেটে প্রকাশিত গবেষণাটিতে আমরা দেখেছি বাংলাদেশে প্রতি লাখে ৫ জন টাইফয়েডে মৃত্যুবরণ করে যা মোট জনসং্খ্যার হিসেবে বছরে প্রায় ৮০০০ জন। এদের মাঝে ৬৮% শিশু, অর্থাৎ ৫৪৪০ জন শিশু। টাইফয়েড টিকার কার্যকারিতা ৮৫%, তাহলে এই ৬৮০০ জনের অন্তত ৪৬২৪ জন শিশু টিকার কারনে বেচে যাবে। এছাড়াও আরও হাজার হাজার শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে বাচবে।

টাইফয়েড রোগের কেস ফ্যাটালিটি রেট অর্থাৎ এই রোগে মৃত্যুর সম্ভাবনা ২.৫% অর্থাৎ প্রতি ১০০ জনে আড়াই জন মারা যেতে পারে। কোভিডের শুরুর দিকে এই হার ছিলো ২-৫% আর তাতেই সারা বিশ্ব বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। ভাগ্য ভালো যে টাইফয়েড হাচি কাশি বা বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় না। মৃত্যু ছাড়াও এই রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেকের ক্ষুদ্রান্ত্র ছিদ্র হয়ে যাওয়া, রক্তপাত, লিভার ফেইলউর, সেপসিস এমনকি পার্মানেন্ট ব্রেইন ড্যামেজ হয়ে যেতে পারে।

নিকটাত্মীয়দের মাঝে আমার বড় মামার টাইফয়েড জনিত কারনে পার্মানেন্ট ব্রেইন ড্যামেজ হয়ে গিয়েছিলো। খুজলে এমন আরও অনেককেই পাবেন। আধুনিক যুগে শক্তিশালী এন্টিবায়োটিক এর কারনে টাইফয়েড এর চিকিৎসা সহজ হয়েছে কিন্তু ঘন ঘন অপিরিমিত মাত্রায় এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারনে জীবাণুরা এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে পড়ছে। দেখা গেছে আগে ছোট খাট এন্টিবায়োটিক খেলে সেরে যেত কিন্তু এখন উচ্চমাত্রা দামী রিসার্ভ এন্টিবায়োটিক দিতে হচ্ছে। ফলে চিকিৎসার খরচ ও বাড়ছে।

লেখক দাবী করেছেন টাইফয়েডের ভ্যাকসিন ইউরোপ আমেরিকায় দেয়া হয়না। ঠিক, কেননা সে দেশে টাইফয়েড এর জীবানু নেই। টাইফয়েড এর জীবাণু দক্ষিন এশিয়ায় বেশি তাই এখানে টিকা দেয়া হয়। এটাই গণ টিকার নিয়ম, যে দেশে যে রোগ বেশি সে দেশে সেই টিকা। একই কারনে ইউরোপ আমেরিকায় যক্ষার টিকা দেয়া হয়না।

আমি ইংল্যান্ডে ৪ বছর থেকেছি, বর্তমানে কানাডায় আছি। এসব যায়গায় গণটিকা দেয়া হয় মিজেলস, মামপ্স, হেপাটাইটিস, রুবেলা, ডিপথেরিয়া, টিটেনাস সহ নানা রোগের বিরুদ্ধে। এছাড়াও প্রতি সিজনে ইনফ্লুয়েঞ্জা এর টিকাও দেয়া হয় বিনামূল্যে, বয়স্কদের দেয়া হয় হার্পিস জুস্টারের টিকা। আমাদের দেশে এগুলোর প্রচলন নেই। অনেকে নিজ পয়সায় কিনে নেন। টাইফয়েড অনেক মানুষ বিশেষ করে শিশুদের আক্রান্ত করে বলেই সরকার পয়সা খরচ করে বিনামূল্যে টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করেছে।

লেখক রাজিব সাহেব বলছে এতে ওষুধ কোম্পানির লাভ। টাইফয়েড এই টিকার দাম ২-৩ হাজার টাকা বড়জোর, অন্যদিকে টাইফয়েড আক্রান্ত হলে ৭-১৪ দিনের এন্টিবায়োটিক, জ্বর ও অন্যান্য লক্ষণ নিরাময় মিলিয়ে ওষুধের মোট খরচ এর চেয়ে অনেক বেশি। হাসপাতালে ভর্তি হলে সেটার আলাদা খরচ এবং রোগ জটিল হলে সামগ্রিক খরচ বেড়ে লক্ষাধিক টাকা হয়ে যেতে পারে। সুতরাং ভ্যাকসিন দিয়ে সবাইকে সুরক্ষিত করাটা ওষুধ কোম্পানির জন্য বেশি লাভজনক নাকি এন্টিবায়োটিক ও অন্যান্য ওষুধ বিক্রি করা বেশি লাভ জনক?

টাইফয়েডের যে ভ্যাকসিনটি বাংলাদেশে দেয়া হচ্ছে সেটি বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত। এটি কোন পরীক্ষালব্ধ ভ্যাকসিন নয়। এর কার্যকারিতা প্রমানিত। এটি নেপাল ও পাকিস্তানেও দেয়া হয়েছে, ভারতের অনেকগুলো রাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়া, মায়ানমার, ইরাক, ঘানা, লাইবেরিয়া, জিম্বাবুয়ে সহ বহু দেশে এই ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে। কানাডায় টাইফয়েড জীবাণু নেই তবে কানাডিয়ানরা এই সব দেশের কোনটিতে যেতে চাইলে ভ্রমণ সতর্কতা হিসেবে টাইফয়েড ভ্যাকসিন নিতে বলে।

এবার আসি লেখক রাজিব আহামেদ এর কথায়। এই ব্যক্তি চিকিৎসক বা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ নন। তিনি একজন সেলস ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট অর্থাৎ ব্যবসায়িক পণ্য বিপনন সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ। সেলস নিয়ে তিনি কর্পোরেট ট্রেনিং দেন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমবিএ ও জার্নালিজম ডিপ্লোমা। তিনি নিজেকে স্বাস্থ্য গবেষক বলে পরিচয় দেন কিন্তু তার কোন প্রকাশিত গবেষণা পত্র নেই। তবে তিনি বাংলায় স্বাস্থ্য বিষয়ক ও মার্কেটিং বিষয়ক নানা বই লিখেছেন। তিনি স্বাস্থ্য বিষয়ক বই লেখা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্পোরেট কর্মশালার আয়োজন করেন যার ফি ২০০০ টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত! অর্থাৎ তার একটি সেশনের মূল্য টিকার দামের চেয়ে বেশি।

অবধারিতভাবেই তিনি তার স্বাস্থ্য বিষয়ক নানা প্রপাগান্ডা বিশ্বাসযোগ্য করতে ধর্মের আশ্রয় নেন। অথচ টাইফয়েড টিকা গ্রহণের ব্যাপারে উৎসাহিত করে বক্তব্য দিয়েছেন ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ও ইসলামি পন্ডিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বনামধন্য জনাব আ ফ ম খালিদ হোসেন (লিংক কমেন্টে)। ধর্মীয় রেফারেন্সের ক্ষেত্রে খালিদ হোসেনে ভরসা রাখবেন নাকি মার্কেটিং গুরু রাজীব আহামেদে?

এবার আমার পরিচয় দেই। আমি একজন চিকিৎসক, এমবিবিএস এর পর জনস্বাস্থ্য বিষয়ক MPH (রোগতত্ত্ব) সম্পন্ন করে, মলিকুলার মেডিসিন বিষয়ে যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে MSc শেষ করে বর্তমানে ক্যান্সার বিষয়ে পিএইচডি ক্যান্ডিডেট একই বিশ্ববিদ্যালয়ের। এখন আমি আমার এই শিক্ষাগত পরিচয়ের বিপরীতে রাজিব আহমেদের এমবিএর পরিচয় দিয়ে যদি বলি আমার কথা বিশ্বাস করেন সেটা হবে "আপিল টু অথরিটি" ফ্যালাসি।

তবে আমি যেহেতু বাংলাদেশে থাকি না, বাংলাদেশে রোগীদের চিকিৎসায় যুক্ত নই, কোন ওষুধ কোম্পানির সাথে জড়িত নই, স্বাস্থ্য বিষয়ক কোন বই লিখি না বা ২৫ হাজার টাকার ওয়ার্কশপ করাই না তাই এই লেখার পেছনে আমার কোন কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট বা স্বার্থ জড়িত নেই। রাজিব আহমেদ এর ক্ষেত্রে আছে। তবুও আমার কথা বিশ্বাস করার প্রয়োজন নেই। আপনি চাইলে নিজেই খুজে দেখতে পারেন, আমি কমেন্টবক্সে আমার দেয়া তথ্যের রেফারেন্স যোগ করেছি। গবেষণা প্রবন্ধ পড়ার অভ্যাস না থাকলে আপনি চ্যাট জিপিটিকেও জিজ্ঞেস করতে পারেন।

মোদ্দাকথা হচ্ছে ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক দেখে কোন ইনফ্লুয়েন্সার এর কথায় বিভ্রান্ত হবেন না বিশেষ করে স্বাস্থ্য তথ্যের ব্যাপারে। তথ্য দেখলে তা যাচাই করুন নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে যেমন বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা, সিডিসি, এফডিএ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সেবা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বৈজ্ঞানিক জার্নাল। শিক্ষিত হোন, সচেতন হোন যেন কেউ আপনাকে নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে।

ডা. মো: মারুফুর রহমান
চিকিৎসক ও গবেষক
দ্যা ইউনিভার্সিটি অফ শেফিল্ড, যুক্তরাজ্য

আজকের শিশুদের জীবনে মোবাইল ফোন, ট্যাব আর টিভি যেন অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রিনের সামনে ক...
22/08/2025

আজকের শিশুদের জীবনে মোবাইল ফোন, ট্যাব আর টিভি যেন অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রিনের সামনে কাটাচ্ছে, যা প্রথমে নিরীহ মনে হলেও আসলে তা শিশুর জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম শিশুর দৃষ্টিশক্তিকে দুর্বল করে, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় এবং শারীরিক কার্যক্রম কমিয়ে দেয়। এর ফলে স্থূলতা, ক্লান্তি, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া, মনোযোগের ঘাটতি এবং সামাজিক দক্ষতা হ্রাসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার কারণে মস্তিষ্কের বিকাশেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, যা শিশুর শেখার ক্ষমতা ও মানসিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

তাই প্রতিটি অভিভাবকেরই উচিত শিশুদের স্ক্রিন ব্যবহারে সচেতন হওয়া। বয়স অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা, তাদেরকে বই পড়তে উৎসাহিত করা, খেলাধুলায় অংশ নিতে দেওয়া এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর অভ্যাস গড়ে তোলা—এসবই শিশুকে সুস্থ, প্রাণবন্ত ও মানসিকভাবে দৃঢ় হয়ে উঠতে সাহায্য করবে।

মনে রাখবেন, এখনই সঠিক পদক্ষেপ নিলে ভবিষ্যতে বড় ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। আপনার সন্তানের সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য সময়মতো সঠিক পরামর্শ নিন।
#শিশু_স্বাস্থ্য #শিশু_বিশেষজ্ঞ #ডাক্তার #শিশু_চিকিৎসা #পেডিয়াট্রিক #শিশু_সেবা #শিশুর_স্বাস্থ্য_পরামর্শ #মায়েদের_জন্য_টিপস

20/08/2025

জন্মের পর নবজাতক সবকিছু সাদা-কালোভাবে দেখে। কয়েক সপ্তাহ পর তারা প্রথমবারের মতো লাল রং চিনতে পারে। ধীরে ধীরে রঙের জগতে তাদের দৃষ্টি প্রসারিত হয়, আর প্রায় ৬ মাস বয়সে তারা বড়দের মতো সব রং স্পষ্টভাবে দেখতে শুরু করে।

জন্মের পর তাদের দৃষ্টি ঝাপসা থাকে এবং তারা মাত্র ২০–৩০ সেন্টিমিটার দূর পর্যন্ত দেখতে পারে। এ সময় তারা কাঁদলেও চোখ দিয়ে পানি পড়ে না, কারণ টিয়ার ডাক্ট সম্পূর্ণ তৈরি হতে প্রায় ২–৩ মাস সময় লাগে।

প্রথম দুই মাসে শিশুর হাসি মূলত ঘুমের মধ্যে রিফ্লেক্স হিসেবে দেখা যায়। জেগে থেকে সচেতনভাবে হাসা শুরু হয় দুই মাসের পর থেকে।

প্রাকৃতিক রিফ্লেক্সের কারণে অনেক নবজাতক পানিতে সাঁতার কাটার মতো অঙ্গভঙ্গি করতে পারে। পানিতে ডুবালে তারা শ্বাস বন্ধ রাখতে পারে, তবে এই ক্ষমতা সাধারণত ৬ মাস বয়স পর্যন্ত থাকে। এরপর ধীরে ধীরে তা হারিয়ে যায়, আর ২–৩ বছর বয়সে আবার নতুন করে সাঁতার শিখতে হয়।
#শিশু_স্বাস্থ্য #শিশু_বিশেষজ্ঞ #ডাক্তার #শিশু_চিকিৎসা #পেডিয়াট্রিক #শিশু_সেবা #শিশুর_স্বাস্থ্য_পরামর্শ #মায়েদের_জন্য_টিপস

09/08/2025

👨‍⚕️ অ্যান্টিবায়োটিক সিরাপ
মুখ খোলার পর ৭-১০ দিনের মধ্যে ব্যবহার শেষ করুন। সময় পেরিয়ে গেলে ওষুধের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।

👨‍⚕️ প্যারাসিটামল সিরাপ
মুখ খোলার পর ১৪-২১ দিনের মধ্যে ব্যবহার করুন। নির্দিষ্ট সময়ের পর ওষুধের গুণাগুণ নষ্ট হতে পারে।

👨‍⚕️ কাশির সিরাপ
মুখ খোলার পর ১৪-২১ দিনের মধ্যে ব্যবহার করুন। দীর্ঘ সময় রেখে দিলে ওষুধ অকার্যকর হতে পারে।

📌 মনে রাখবেন: মুখ খোলার পর সিরাপ সবসময় ঠান্ডা ও শুষ্ক জায়গায়, শিশুর নাগালের বাইরে সংরক্ষণ করুন।

26/07/2025
একজন শিশু চিকিৎসক হিসেবে সবচেয়ে বেশি শুনি—“বাচ্চা কিছুই খায় না।”কিন্তু ওই বাচ্চাই আবার চিপস বা দোকানের জুস দিব্যি খায়! ত...
26/07/2025

একজন শিশু চিকিৎসক হিসেবে সবচেয়ে বেশি শুনি—“বাচ্চা কিছুই খায় না।”
কিন্তু ওই বাচ্চাই আবার চিপস বা দোকানের জুস দিব্যি খায়! তাহলে সমস্যা কোথায়?
সমস্যা হলো যখন মায়েরা খাবারকে রুচি মনে করে। সমস্যা খাবারে নয়, অভ্যাসে।
খাবার ‘রুচি’র বিষয় নয়, এটি এক ধরনের অভ্যাস। যদি খাবার সত্যিই অপছন্দ হতো, তাহলে বাইরের খাবারও খাওয়ার কথা না।
অনেক মা বলেন—“বাহিরের খায়, কিন্তু বাসার খায় না।”

📌 শিক্ষণীয় বিষয়:

বাবা-মা ঠিক করবেন, বাচ্চা কী খাবে।

বাচ্চা ঠিক করবে, কখন খাবে (ক্ষুধা লাগলে)।

এখন উল্টো চিত্র-
বাচ্চা বলে, "আমি চিপস, আইসক্রিম খাব।"
আর বাবা-মা বলেন, "বাচ্চা তো কিছুই খায় না।" ফলে ২০-৩০ মিনিট পরপর খাবার নিয়ে হাজির হয়ে শুধু পরিস্থিতি খারাপ করেন। জোর করলে বাচ্চা বমি করে।

✅ সমাধান:

খাবারের মাঝে গ্যাপ দিন

ক্ষুধা লাগতে দিন

ঘরের খাবারে অভ্যাস গড়ে তুলুন

রুচি বাড়ানোর ওষুধ নয়, সঠিক অভ্যাসই সমাধান।
#শিশু_স্বাস্থ্য #শিশু_বিশেষজ্ঞ #ডাক্তার #শিশু_চিকিৎসা #পেডিয়াট্রিক #শিশু_সেবা #শিশুর_স্বাস্থ্য_পরামর্শ #মায়েদের_জন্য_টিপস

Address

Diabetic Association Medical College, Faridpur
Dhaka

Telephone

+8801765429229

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Doc Pedi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Doc Pedi:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram