ENT & Head Neck Cancer Care

ENT & Head Neck Cancer Care •This is a community based private health service center.
•We serve to increase awareness in peo

“নাকের পলিপাস”  নিয়ে ভীতি,  অপচিকিৎসা অত:পর “ব্যাবসা”....===================================বিগ ১০ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে...
19/11/2021

“নাকের পলিপাস” নিয়ে ভীতি, অপচিকিৎসা অত:পর “ব্যাবসা”....

===================================
বিগ ১০ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে সহজ বাংলায় কিছু কথা বলতে চাই।

সরকারী হাসপাতালে নাক কান গলা বহির্বিভাগে নাকের যত রোগী আসে তার আনুমানিক ২০% রোগী আসে “পলিপাস ভীতি” নিয়ে।এক্ষেত্রে একদম সমাজের উচ্চশিক্ষিত ও উচ্চবিত্ত থেকে শুরু করে অশিক্ষিত ও নিম্মবিত্ত পর্যন্ত মোটামুটি একই অবস্থা।
নাকে কমবেশী সর্দী বা মাঝেমধ্যে নাক বন্ধ থাকলেই সবাই প্রথমেই “নাকের পলিপাস” সন্দেহ করে ভীত হয়ে আশেপাশের ফার্মেসীওয়ালা, হোমিওপ্যাথী,কবিরাজ, পল্লীচিকিৎসক ..... ইত্যাদি লোকজনের শরনাপন্ন হন। আর এই ভীতিকে পূঁজি করেই ভূয়া চিকিৎসকরা করেন অপচিকিৎসা এবং ব্যাবসা। আর তখনই ভীতি বেড়ে দ্বিগুন হয়।এই ”ভয়” এখন ব্যাক্তি থেকে পরিবার ও সমাজ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে।
নাক দেখেই উনারা রোগীদের নাকে পলিপাস হয়েছে বলে সিদ্ধান্ত জানান।এবং এর জন্য নানাবিধ দেশজ, ভেষজ ও আধ্যাত্বীক চিকিৎসার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।এবং যে চিকিৎসার পুরোটাই মারাত্বক ধরনের অপচিকিৎসা। এই ধরনের ভূয়া চিকিৎসকরা মানুষের অজ্ঞতা, সরলতা ও ভীতির সুযোগে সারা দেশের হাজার হাজার মানুষকে ভয দেখিয়ে চালাচ্ছে “পলিপাস চিকিৎসা” নামক এক ধরনের ধান্দা তথা ব্যাবসা। যত ভয় তত রোগী,তত ব্যাবসা।

#আবার এই অপচিকিৎসার দোষ পুরোটাই এই ভূয়া চিকিৎসকদের দেয়া ঠীক হবে না, কিছুটা দায় অবশ্যই এই অসচেতন জনগনের উপরেও বর্তায়।ক্রিমিনালরা আপনার অসচেতনতার সুযোগ নিবে,এটাই স্বাভাবিক।

#যেখানে সরকারী নাক কান গলা গলা বিশেষায়িত হাসপাতালগুলিতে হাজারে ১০ টা লোকেরও নাকের পলিপাস পাওয়া যায় না সেখানে হোমীও, কবিরাজ আর ফার্মেসীওয়ালাদের চেম্বারে কিভাবে প্রতিদিন শত শত নাকের পলিপাস রোগীর লাইন লেগে থাকে এ বিষয়ে কি জনগনের মনে একটুও সন্দেহ জাগে না?

#যেখাান সরকারী হাসপাতালে ১০ টাকা টিকিট কেটেই আপনি জানতে পারেন আপনার পলিপাস হলো কিনা, সেখানে না গিযে আপনারা চিলে কান নিয়ে যাওয়ার মতো ভয় পেয়ে দৌড়াচ্ছেন এসব অপচিকিৎসার পিছে।

#কেন অপচিকিৎসা বলছি?

কারন:-
**নাকের ভিতরের যে বস্তুটিকে উনারা পলিপাস বলছেন ওটা আদৌ পলিপাস-ই নয়।
**ওটা হলো নাকের ভেতরের একটা স্বাভাবিক স্ট্রাকচার যাকে বলে “নাকের টার্বিনেট”। ওটা উপর থেকে নিচে মোট ৩ জোড়া থাকে।হাত দিয়ে নাক উঁচু করলেই যেটা দেখা যায় সেটা হলো নিচের এক জোড়া টার্বিনেট।
**আপনার আমার যেমন এক জোড়া চোখ আছে, কান আছে, কিডনী আছে, ফুসফুস আছে .... ঠীক তেমনি আপনার আমার নাকের ভিতরের টাার্বিনেটগুলিও আমাদের শরীরের স্বাভাবিক প্রতঙ্গ। নাক দিয়ে শ্বাস প্রশ্বাসের ক্ষেতে এই টার্বিনেটের গুরত্বপূর্ন ভূমিকা আছে। ওটা স্বাভাবিকভাবেই ছোট বড় হতে পারে, আবার নাকের ভিতরে হাঁড়বাকা ও এলার্জিক কন্ডিশনেও এটি বড় হতে পারে।
**এই বড় টার্বিনেট যদি কখনো নিযমিত নাক বন্ধের কারন হয় তখন কিছু ঔষধ বা কিছু মাইনর সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে এর সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা দেয়া হয়।
**কিন্ত এটা কখনোই “নাকের পলিপাস” নয়। এবং পলিপাস সম্পূর্ন ভিন্ন জিনিস। পলিপাস কোন স্বাভাবিক প্রত্যঙ্গ নয়। এটা নাকের ভিতরের মিউকােসা আবরন থেকে বিশেষ কিছু কারনে স্যাগিং আউট হয়ে তৈরী হয।পলিপাসের জন্যও সুনির্দিষ্ট মেডিক্যাল ও সার্জিক্যাল চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে।
**”নাকের ফুলা টার্বিনেট” ও “ নাকের পলিপাস” এই দুটোর চিকিৎসাও আলাদা।
**আপনার শরীরে ম্যালেরিয়া রোগ হলে যদি ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা দেয়া হয় তাহলে যে মারাত্বক অপচিকিৎসা হবে ঠীক তেমনই “নাকের স্বাভাবিক টাার্বিনেট”কে নাকের “পলিপাস” নাম দিয়ে চলছে দেশজুড়ে অপচিকিৎসার রমরমমা ব্যাবসা।

#সচেতন রোগীদের প্রতি আহবান:-

যিনি আপনার নাক দেখে “পলিপাসের” চিকিৎসা নিতে পরামর্শ দিচ্ছেন তাকে জিজ্ঞাস করুন যে “পলিপাস” কি, কাকে বলে? পলিপাস কেন বলছেন? যিনি “পলিপাস” বলছেন উনার ডাক্তারী সার্টিফিকেট আছে কি? সার্টিফিকেট না থাকলে উনি কিভাবে পলিপাসের চিকিৎসা দিচ্ছেন? এসবের উত্তর না পেলে বুঝবেন আপনি ভুল জায়গায় এসেছেন।
রোগ নির্নয় ভুল হলে চিকিৎসাও ভুল। আর ভুলের মাশুল একমাত্র রোগীকেই গুনতে হয়।

#আশা করি এই লেখাটা মনযোগ দিয়ে পড়লে এখন থেকে আর পলিপাস নিয়ে ভীতি থাকবে না। কারন নাকের ভিতরে যে কয়েক প্রকারের পলিপাস হয় সেগুলি খুব কমন নয়, অর্থাৎ যত্রতত্র সবার হয় না। এগুলি খুব কম মানুষের হয়,৪% এর বেশী নয়। পলিপাসের ভীতি নিয়ে যারা আসেন তাদের আনুমানিক ৯৫% এরই দেখা যায় এলার্জিজনিত নাকের সমস্যা,নাকের হাড়বাঁকা বা নাকের ফুলা টার্বিনেট বা শুধুই ভীতি।চিকিৎসা ও উপদেশ মানলে যা সহজেই নিয়ন্ত্রনে রাখা সম্ভব।

#আর পলিপাসের জন্য যে ভয়টা নিযে লোকজন বেশী আসে তা হলো পলিপাস থেকে ক্যান্সার হয়ে যায় কিনা? কারন ভূয়া চিকিৎসকগন পলিপাসের চিকিৎসা না করালে রোগীকে ক্যান্সারের ভয় দেখিয়ে চেম্বারে আসতে উৎসাহ দেন।
— উত্তরটি স্পস্ট ভাষায় শুনে রাখুন,
“পলিপাস থেকে ক্যান্সার হওযার কখনোই কোন সম্ভাবনা নাই”।
কারন এটা নন-ক্যান্সারাস মিউকোসাল স্যাগিং।

#অতএব, নিজে সচেতন হোন এবং অপরকেও সচেতন করুন। আর ভূয়া চিকিৎসক ও অবৈজ্ঞানিক অপচিকিৎসা থেকে দূরে থাকুন।

**** গ্রামে গন্জে হাট বাজারে যত্রতত্র ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠা পলপাস চিকিৎসা কেন্দ্রের অপচিকিৎসার নমুনা দেখাতে নিচে একটি ১৬ বছরের মেয়ের (পার্মিশানসহ) ছবি দেয়া হলো।চিকিৎসার আগে ও পরের ছবি দেখে যে কেউ এর মারাত্মক পরিনতি সম্পর্কে কিন্চিৎ ধারনা পাবেন বলে আশা করা যায়।

অতএব সচেতন হোন,সুস্থ্য থাকুন।

(জনসচেতনতা বাড়াতে পোস্টটি অবিকৃতভাবে শেয়ার করতে পারেন)

ডা:মাহফুজ আহমেদ
জাতীয় নাক কান গলা ইনস্টিটিউট হাসপাতাল।
#চেম্বার:-
ই.এন.টি এন্ড হেড-নেক ক্যান্সার কেয়ার।
৭৮,রজনীগন্ধা সুপার মার্কেট (২য় তলা ), কচুক্ষেত বাজার, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট,ঢাকা।
(01319643969)

11/11/2020





আপনি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। সে সময়ে বুকের এক্সরে বা CT scan এ সমস্যা ছিল। করোণা থেকে আপনি মুক্তি পেয়েছেন এবং মাসখানেক সময় পারও হয়ে গেছে রোগ শুরু হওয়ার সময় থেকে। কিন্তু আপনি লক্ষ্য করছেন আপনি আর আগের মতো নেই, অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠছেন, শ্বাসকষ্টটা আগের চেয়ে কম হলেও যেন রয়েই গেল। অথবা এক-দেড়-দুই মাস পর যদি পুনরায় আবার সিটিস্ক্যান করিয়ে থাকেন দেখা গেলো সেখানকার স্পটগুলি পুরোপুরি যায়নি, কবে যাবে বা আদৌ চলে যাবে কিনা সেটাও নিশ্চিত না।

ILD নামের ফুসফুসের এক ক্ষত রোগকে নতুন ভাবে নতুন ঘরানায় আবার পরিবেশন করতে যাচ্ছে এই করোনা। ফলোআপ CT scan এ অনেকের ফুসফুসের Spot গুলি clear হয়ে গেলেও কেউ কেউ কোভিড থেকে আরোগ্য লাভের পরেও ফুসফুসের ক্ষত থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না। লক্ষণ ও সিটি স্ক্যানে ILD তে যা হয় করণা সংক্রমণ পরবর্তী ফুসফুসের জটিলতায় ঠিক তেমনটি পাওয়া যাচ্ছে। এ এক নতুন ফেনোমেনন, Post COVID-ILD বা scarring.

করোনায় আক্রান্ত হয়ে বেঁচে যাওয়া বা মরে যাওয়াটাই শেষ কথা নয়। এর মাঝে আরেকটা ধূসর area আছে যেখানে কারো কারো ফুসফুসে ক্ষত থেকেই যায়। হয়তো মাসের পর মাস, অথবা বছরের-পর-বছর।

রেসপিরেটরি মেডিসিন ডিপার্টমেন্ট, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, এর তত্ত্বাবধানে অনলাইনে Post COVID Fibrosis Clinic এর কার্যক্রম চলছে।
COVID-19 থেকে আরোগ্য লাভের পরেও যাদের শ্বাসকষ্ট, কাশি কমছে না বা HRCT Chest এ (বুকের সিটি স্ক্যানে) abnormality থেকেই যাচ্ছে তারা নীচের মোবাইল নাম্বারে SMS বা WhatsApp এ মেসেজ বা ইমেইলের মাধ্যমে জানাবেন। ডিপার্টমেন্ট থেকে patient এর সাথে যোগাযোগ করা হবে।

উল্লেখ্য কনসালটেশন হবে অনলাইনে এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
মোবাইল নম্বরটি কারো ব্যক্তিগত নয়, এটি ডিপার্টমেন্টের নাম্বার।
আপনার চেনাজানা এরূপ কোন রোগীকে নাম্বার ও তথ্যটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি।

===
SMS/WhatsApp message: 01737287308
==
Email: dpldclinicrmd@gmail.com

Courtesy: Respiratory Medicine Department, DMCH

22/06/2020
20/06/2020

প্রসঙ্গঃ ওরস্যালাইন

খুব সহজ একটা নাম। কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে, ভুল ব্যবহারে এটিই হতে পারে জীবননাশী।শিশু ডায়রিয়া ওয়ার্ডে প্রায়ই এরকম রোগী পাওয়া যায়। সবসময় বাচানো যায়না, কারণ ততক্ষণে অনেক দেরী হয়ে যায়।

কি বন্ধুরা, গা ঝাড়া দিল নাকি? নতুন কিছু শুনছো?
আমি কিন্তু নতুন কিছু বলছিনা।এরকম ঘটে প্রায়ই। রোগটার নাম HYPERNATREMIC DEHYDRATION.

সাধারণত অজ্ঞ, অশিক্ষিতদের ক্ষেত্রেই ঘটে এটা, তবে অনেক উচ্চশিক্ষিত আপাত সচেতন মহলেও ঘটতে পারে। আমরা যে বাচ্চাগুলি বাচাতে পারিনি তার মধ্যে একটি বাচ্চা ছিল, একটি খ্যাতনামা ঔষধ কোম্পানীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার একমাত্র সন্তান। কিচ্ছু করার ছিলনা আমাদের।

বন্ধুরা, আমরা সবাই জানি এক প্যাকেট ওরস্যালাইন আধা লিটার (৫০০মিলি) পানিতে গুলতে হয়। মানিতো সবাই???
(কিছু স্যালাইন অবশ্য এক লিটার বা ২৫০ মিলির থাকতে পারে, সেক্ষেত্রে উচিত হবে প্যাকেট এর গায়ে কতটুক পানির কথা লিখা আছে তা দেখে নেয়া।। কমনলি এটা আধা লিটারেরই হয়)

মায়েরা যে ভুলটা করেন তা হল, বাচ্চা স্যালাইন খেতে চায়না দেখে পুরা প্যাকেট স্যালাইন অল্প পানিতে গুলে থাকেন। উনাদের ধারণা, স্যালাইন তো যাচ্ছেই, পানি কম হলেই বা কি!!

না মা, হাতজোড় অনুরোধ করি এটা করবেন না।এতে করে স্যালাইনের ঘনত্ব বেড়ে যায়, অসমোটিক লোড বেড়ে যায়। যার ফলে মস্তিষ্কের কোষগুলি চুপসে যায়। খারাপ প্রভাব পড়তে পারে কিডনিসহ শরীরের অন্য জায়গাতেও। দ্রুত এবং কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে না পারলে জীবন পড়ে যায় হুমকির মুখে।

এটা একটা manmade phenomenon, যা আমাদের ভুলে হয়ে থাকে, আমরা চাইলে এটি ফিরাতে পারি। তবে hypernatremic dehydration অন্য কারণেও হতে পারে।

চল দেখে নিই, ওরস্যালাইন এর ব্যবহার বিধি।
১. এক প্যাক স্যালাইন আধা লিটার পানিতেই গুলতে হবে, কম বেশী করার সুযোগ নাই একদম।
২. একবার বানানো স্যালাইন ১২ ঘন্টার বেশি রাখা যাবেনা। যদি রয়ে যায়, তবে তা ফেলে দিয়ে নতুন করে বানাতে হবে।

মাত্রাঃ ডায়রিয়ার ক্ষেত্রে

৫০-১০০ মিলি (এক বছরের নীচে)
১০০-২০০ মিলি ( ১-৫ বছর)

ঔষধের চামচে এক চামচ = ৫ মিলি

স্যালাইন জোর করে বা দ্রুত খাওয়াতে গেলে বাচ্চা বমি করতে পারে,এতে হিতে বিপরীত হবে। সময় নিয়ে ধীরে ধীরে খাওয়াতে হবে। ডাক্তারের কাছ থেকে অবশ্যই মাত্রা এবং ফ্রিকুয়েন্সি বুঝে নিতে হবে।

মনে রাখতে হবে, এই ওরস্যালাইন কিন্তু ডায়রিয়া ভাল হওয়ার জন্য না। বরঞ্চ ডায়রিয়ার জন্য শরীর থেকে যে পানি ও লবণ বেরিয়ে যাচ্ছে, তা পূরণের জন্য।

বেশীর ভাগ ডায়রিয়াই ভাইরাল, মাত্র ১৫% ব্যাক্টিরিয়াজনিত। তাই এন্টিবায়োটিক এর রোল কম। ধৈর্য ধরলে ৩-৫ দিনে নিজে নিজেই সেরে যায়।

কিছু বিপদ চিহ্নঃ
বাচ্চা নেতিয়ে পড়া বা দুর্বল হয়ে যাওয়া,
প্রস্রাব কমে যাওয়া,
তালু ডেবে যাওয়া,
অতিরিক্ত বমি বা এত বেশি পায়খানা যা স্যালাইন দিয়ে পূরণ সম্ভব না,
পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়া,
তীব্র জ্বর।
এসব লক্ষণ দেখলে মোটেও কালক্ষেপণ করবানা।

সবার নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।

ডা:খন্দকার মোবাশ্বের আহমেদ
এম.বি.বি.এস, এফ.সি.পি.এস
শিশু বিশেষজ্ঞ

19/06/2020

Covid নিয়ে কিছু প্রশ্ন সবার মাথায় আসতেছে।দেখে নিন আপনার উত্তরটা নিচে আছে কিনা-

১)একজন কভিড পজিটিভ /suspected covid কভিড রোগীর সংস্পর্শে আসার কতদিনের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে???
উত্তর:৩-১১ দিনের মধ্যে/ average ৫ দিনের মধ্যে
২)কারও শরীরে কভিড এর জীবাণু কতদিন থাকে/একজন কভিড পজিটিভ রোগীর সুস্হ হতে কতদিন লাগে??
উত্তর:১০-১৪ দিন।তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ১৮-২২ দিন ।
৩)জীবাণু ঢুকার পর সবচেয়ে বেশি Risky সময় কোনটা??
উত্তর:৭-১০ দিন।(বেশিরভাগের মৃত্যু এই সময়ে হয়)
৪)লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার পর কোনদিন টেস্ট করলে রিপোর্ট পজিটিভ পাব??
উত্তর:৩-৫ দিনের মধ্যে
৫)কভিড পজিটিভ রোগীর রিপোর্ট পজিটিভ আসার কতদিনের মধ্যে সে জীবাণুমুক্ত হবে??
উত্তর:৭-১০ দিনের মধ্যে
৬)কভিড পজিটিভ রোগীর রিপোর্ট পজিটিভ আসার কতদিনের মধ্যে তার রিপোর্ট নেগেটিভ হবে??
উত্তর:১০ দিনের মধ্যে হওয়ার কথা তবে অনেকের শরীরে করোনার কিছু নিষ্ক্রিয় RNA থাকতে পারে তাই ৩৭-৪২ দিন পর্যন্ত পজিটিভ থাকতে পারে।
৭) রোগীর শরীরে করোনার কিছু নিষ্ক্রিয় RNA থাকতে পারে তাই পজিটিভ হওয়ার ১০ দিন পরও অনেকের পজিটিভ থাকতে পারে।সে কি অন্যের জন্য ক্ষতিকর??
উত্তর:না। নিষ্ক্রিয় RNA infectious না।
৮)কভিড পজিটিভ হওয়ার ১০ দিন পর কি আবার টেস্ট করা উচিত??
উত্তর: যদি নেগেটিভ রিপোর্ট ছাড়া আপনার চাকরিজীবন বা জনজীবনে কোন সমস্যা হয় তাহলে করান।অন্যথায় দরকার নেই।

(Collected)
ডা:সুযত পাল
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
বিভাগীয় প্রধান
মেডিসিন বিভাগ।

 #খালি পেটে শিশুদেরকে লিচু খেতে দিবেন নাঃ-গত কয়েক বছর লিচু খেয়ে বাচ্চাদের Encephalitis রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা কীটনাশক ...
13/06/2020

#খালি পেটে শিশুদেরকে লিচু খেতে দিবেন নাঃ-

গত কয়েক বছর লিচু খেয়ে বাচ্চাদের Encephalitis রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা কীটনাশক বা বাদুর চাটা নয় বরং লিচু নিজেই এর জন্য দায়ী। সমস্যাটিকে বলা হচ্ছে Acute Encephalitis Syndrome যার অনেক কারণের মধ্যে Lychee toxicity. লিচুতে থাকা কিছু টক্সিন ( Hypoglycin A, MCPG) যা আমাদের শরীরে গ্লুকোজ তৈরী হওয়া (gluconeogenesis) ও beta oxidation of fatty acid এ বাধা দেয়। অনেক সময় শিশুরা রাতে না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে, সকালে উঠে একসাথে অনেকগুলো লিচু খেয়ে ফেলে। বিশেষ করে যেসব শিশু হাল্কা পাতলা গড়নের বা অপুষ্টিজনিত সমস্যা আছে ও বয়স ২ থেকে ১০ বছরের মধ্যে, তাদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশী। এতে শরীরে গ্লুকোজ এর হঠাৎ অভাব দেখা দেয় এবং ব্রেইন এ এই টক্সিন গুলোর প্রভাব হয়। মাথাব্যথা, ঘাম হওয়া, খিচুনি, বমি, অজ্ঞান ও অবশ হয়ে যাওয়া থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ এসব জায়গায় যেখানে লিচু চাষ হয় সেখানে দরিদ্র পরিবার এর, লিচু চাষীদের শিশুরা আক্রান্ত হয় বেশি। আধাপাকা, কাঁচা লিচুতে হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে।

চিকিৎসার জন্য আক্রান্ত শিশুকে অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠাতে হবে। সেখানে শরীরে দ্রুত গ্লুকোজ প্রতিস্থাপন, খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ, শরীরে লবণ, পানির ভারসাম্য রক্ষা ও পিএইচ লেভেল মেইনটেইন করার জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করা হবে। ঠিক কয়টি লিচু খেলে এই সমস্যা হবে তার নির্ধারিত সংখ্যা রিসার্চ এ নির্নীত হয়নি। তবে ভরা পেটে দিনের বেলা বাচ্চারা ৫/৬ টি লিচু একসাথে খেলে সমস্যা হওয়ার কথা না। তাই আক্রান্ত হওয়ার আগে সচেতন থাকাই ভাল। সুস্থ থাকুক সকল শিশু।

Courtesy:-
Dr.Abedur Rahman Zimi
SSNIMCH

রাজধানী ঢাকায় বাড়ি থেকে করোনা স্যাম্পল কালেকশনের জন্য কোথায় যোগাযোগ করবেন জেনে  নিন......
03/06/2020

রাজধানী ঢাকায় বাড়ি থেকে করোনা স্যাম্পল কালেকশনের জন্য কোথায় যোগাযোগ করবেন
জেনে নিন......

ঢাকায় করোনার টেস্ট স্যাম্পল কালেকশনের জায়গাসমূহ:-
03/06/2020

ঢাকায় করোনার টেস্ট স্যাম্পল কালেকশনের জায়গাসমূহ:-

করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় এখন প্লাজমা থেরাপি শুরু হয়েছে। করোনা জয়ী রোগীর শরীরের রক্ত থেকে  প্লাজমা নিয়ে করোনা ভাইরাস আক্রা...
31/05/2020

করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় এখন প্লাজমা থেরাপি শুরু হয়েছে। করোনা জয়ী রোগীর শরীরের রক্ত থেকে প্লাজমা নিয়ে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত অন্য রোগীর শরীরে দিয়ে ভালো ফল পাওয়া যাচ্ছে। এখন আমরা করোনা ভাইরাস পজিটিভ রোগীদের কে অনুরোধ করছি, উৎসাহ দিচ্ছি যাতে তারা প্লাজমা দান করেন। কিন্তু আমরা কি ভেবে দেখেছি কিছুদিন আগে এই রোগী গুলি যখন করোনা আক্রান্ত হয়েছিল তখন তাদের সাথে আমরা কি আচরন করেছিলাম? আমাদের কি মনে আছে এই সমাজ, এলাকার লোকজন তাদের কে কিভাবে দেখেছিলাম। তাদের কে সাহায্য না করে আমরাই কিন্তু সেদিন তাদের দেখে দৌড়ে পালিয়ে ছিলাম। সাহায্য তো দূরের কথা তাদের কে চরম বিপদের মধ্যে ঠেলে দিয়েছিলাম, তাদের কেউ মারা গেলে জানাযায় পর্যন্ত যাই নাই, এলাকায় লাশ দাফন পর্যন্ত করতে দেই নাই। এখন আবার আমরাই সেই মানুষ গুলির কাছে প্লাজমা ভিক্ষা চাচ্ছি। আমরা কতটুকু স্বার্থপর?!

Courtesy:-Dr.Abedur Rohman Buiya

যারা কোভিড-১৯ পজিটিভ হয়েছেন,কিন্তু সামাজিক কারনে অন্যকে বলতে ভয় পাচ্ছেন,তাদেরকে বলছি।১) আপনি আলাদা একটি ঘরে অবস্থান করুন...
26/05/2020

যারা কোভিড-১৯ পজিটিভ হয়েছেন,কিন্তু সামাজিক কারনে অন্যকে বলতে ভয় পাচ্ছেন,তাদেরকে বলছি।
১) আপনি আলাদা একটি ঘরে অবস্থান করুন।
২) জ্বর থাকলে প্যারাসিটামল খান। এগুলো Ace XR, Napa Extend, Renova, Reset ইত্যাদি নামে পাওয়া যায়।
৩) হাচি,কাশি হলে Tab. Fenadin/Fexo/Fixal, 120mg প্রতিদিন ১ টি করে খান। পাশাপাশি
Tab. Montelukast 10 mg প্রতিদিন একটি করে খান।
৪) মাস্ক ব্যবহার করুন। বেশি করে ফ্লুইড জাতীয় হালকা গরম খাবার খান।
৫) আপনার রিপোর্টটি যত্নের সাথে রাখুন। প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হলে এটি অবশ্যই লাগবে।
৬) আপনার পরিবারের অন্য সদস্যদেরকেও কোভিড-১৯ টেস্ট করান।
৭) যদি শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়, কিংবা হাত পা নীল হবার উপক্রম হয়, শ্বাসের গতি বেড়ে যায় দ্রুত কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালে যান। যাবার সময় অবশ্যই আপনার রিপোর্ট নিতে ভুল করবেন না।
৮) মধু, কালিজিরা, আজোয়া খেজুর, জমজমের পানি খান।
৯) মিডিয়ায়, ফেইসবুকে দেখে কোন মেডিসিন সেবন করা থেকে বিরত থাকুন।
১০) আল্লাহর কাছে আরোগ্য লাভের জন্য দোয়া করুন। ফি আমানিল্লাহ।
ডা.দিপু
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ,
ফেলো,বিসিপিএস
মেম্বার,এসিপি।

রক্ত দিন জীবন বাঁচান ......
21/05/2020

রক্ত দিন জীবন বাঁচান ......

Address

78, Rajanigondha Super Market (2nd Floor), , Kochuket Bazar, Cantonment
Dhaka
DHAKA-1206

Opening Hours

Monday 17:00 - 22:00
Tuesday 17:00 - 22:00
Thursday 17:00 - 22:00

Telephone

+8801319643969

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ENT & Head Neck Cancer Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ENT & Head Neck Cancer Care:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram