আল ফারাবী হোমিও চিকিৎসালয়

আল ফারাবী হোমিও চিকিৎসালয় আল ফারাবী হোমিও চিকিৎসালয়, একটি উন্নত সেবার বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

10/12/2024

আল ফারাবি হোমিও চিকিৎসায়ে ৩০ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত হয় রেপার্টরি সেমিনার।

আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। আগামী ৩০ নভেম্বর রোজ শনিবার আল-ফারাবি হোমিও চিকিৎসালয়ে ...
29/11/2024

আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। আগামী ৩০ নভেম্বর রোজ শনিবার আল-ফারাবি হোমিও চিকিৎসালয়ে রেপার্টরি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।

24/08/2023

নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল।

22/08/2023

সবার জন্য ডায়েটের আদর্শ চার্ট "ডাক্তার জাহাঙ্গীর কবির " স্যার এর।

04/08/2023
https://youtu.be/JDbMlBtX4ts
04/08/2023

https://youtu.be/JDbMlBtX4ts

সাবিত ইন্টারন্যাশনাল একটি ট্রেনিং সেন্টার। যারা বিভিন্ন ধরনের ডিপ্রেশনে কষ্ট পাচ্ছেন, পার্সোনাল এবং প্রফেশনাল ...

অনিয়মিত মাসিকপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের মাসিক একটি স্বাভাবিক বিষয়। মাসিকের মাধ্যমে একজন মেয়ের প্রজনন ক্ষমতা তৈরি হয়। মাস...
21/05/2023

অনিয়মিত মাসিক

প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের মাসিক একটি স্বাভাবিক বিষয়। মাসিকের মাধ্যমে একজন মেয়ের প্রজনন ক্ষমতা তৈরি হয়। মাসিক অনিয়মিত হলে তার শরীরে বিভিন্ন সমস্যার ইঙ্গিতে দেয়। বিভিন্ন কারণে মাসিক অনিয়মিত হয়। আমরা ধারাবাহিকভাবে তা নিচে আলোচনা করবো।

মাসিক কি ?

মাসের নির্দিষ্ট সময়ে মেয়েদের প্রজনন রাস্তা দিয়ে যে রক্তস্রাব বের হয় তাকে মাসিক বলে। এই মাসিক মেয়েদের কারও ৩ দিন কারও ৭দিন পর্যন্ত থাকতে পারে।

অনিয়মিত মাসিক কি ?

প্রতি মাসের একটি নির্দিষ্ট সময়ে প্রত্যেক মেয়ের মাসিক হয়। মাসিক যদি নির্দিষ্ট সময়ের আগে বা পরে হয় তাহলে তাকে আমরা অনিয়মিত মাসিক বলে থাকি। সাধারণত ২১ দিনের আগে এবং ৩৫ দিনের পরে যদি মাসিক হয় তাহলে তাকে অনিয়মিত মাসিক বলা হয়। আবার মাসিক যদি ৭ দিনের বেশি থাকে তাহলে তাকেও আমরা অনিয়মিত মাসিক বলি।

অনিয়মিত মাসিকের লক্ষণ :

- কারো ২/৩ মাস পর পর মাসিক হয়।
- কারো আবার মাসে ২ বার মাসিক হয়।
- কারো আবার দুটি মাসিকের মধ্যবর্তী সময়ে রক্তক্ষরণ হতে পারে।
- কারো আবার সহবাসের পর রক্তক্ষরণ হয়।
- কিশোরী মেয়েদের বয়োসন্ধি কালে মাসিকের সূচনা লগ্নে অনিয়মিত মাসিকের লক্ষণ ফুটে ওঠে।
- মেনপজের ২/৩ বছর আগে থেকে মাসিক অনিয়মিত হতে দেখা যায়।

অনিয়মিত মাসিকের কারণ :

- শরীরের ওজন বৃদ্ধি পেলে মাসিক অনিয়মিত হতে পারে।
- মানসিক চাপ, অপসাদ গ্রস্ততা ইত্যাদি মানসিক কারণে মাসিক অনিয়মিত হতে পারে।
- শরীরে কোন প্রকার হরমোন জনিত পরিবর্তনের কারণে মাসিক অনিয়মিত হয়।
- থাইরয়েডের হরমোন জনিত সমস্যার কারণে মাসিক অনিয়মিত হতে দেখা যায়।
- শরীরে বিভিন্ন রকম হরমোনের তারতমের কারণে অর্থাৎ হরমোনের কম বেশি হওয়ার কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- প্রসূতি মায়েদের প্রলেকটিন হরমোনের কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। মায়ের বুকে দুধ আসার সাথে সাথে প্রলেকটিন হরমোন নির্গত হয়। বাচ্চা দুধ পান করে এবং বাচ্চার এক বছর বয়স পর্যন্ত প্রলেক্টিন হরমোনের দাপট শরীরে থাকে।
- এবরশন হলে মাসিক অনিয়মিত হয়।
- পলিসিসটিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের কারণে মাসিক অনিয়মিত হতে দেখা যায়।
- কন্ট্রাসেপটিভ পিল খাওয়া এবং জন্মনিরোধক বিভিন্ন ইনজেকশন নিলে মাসিক অনিয়মিত হতে পারে।

প্রাথমিক চিকিৎসা :

শরীরের ওজন কমাতে হবে। এতে শরীরের অনেক জটিলতা কমে আসবে।

মেডিকেল পরীক্ষা :

আল্ট্রাসনোগ্রাম, বিভিন্ন হরমোনাল টেস্ট, থাইরয়েড পরীক্ষার মাধ্যমে অনিয়মিত মাসিকের কারণ নির্ণয় করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

স্থায়ী চিকিৎসা :

হোমিও রেজিস্টার্ড ডাক্তারগণ প্রয়োজনে মত বিভিন্ন মেডিকেল পরীক্ষা নিরীক্ষার ফলাফলের আলোকে এবং বর্তমান শারীরিক ও মানসিক কষ্টের আলোকে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। এভাবে রোগীকে চিকিৎসা দিয়ে স্থায়ীভাবে সুস্থ করে তোলা সম্ভব।

চেম্বার :
ডাঃ তাহমিনা খানম
ডাঃ মোহছেন মাহমুদ

আল ফারাবী হোমিও চিকিৎসালয়।
মোহাম্মদিয়া সুপার মার্কেট, সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৭।
যোগাযোগ : ০১৯১২ ৬২৬২৯২

একজিমা বা বিখাউজ কি ? একজিমা একটি এলার্জি জাতীয় চর্ম রোগ। এই রোগকে ইংরেজিতে একজিমা এবং বাংলায় বিখাউজ বলা হয়। সকল বয়স...
20/05/2023

একজিমা বা বিখাউজ কি ?

একজিমা একটি এলার্জি জাতীয় চর্ম রোগ। এই রোগকে ইংরেজিতে একজিমা এবং বাংলায় বিখাউজ বলা হয়। সকল বয়সের মানুষের মধ্যেই
এরোগ হতে দেখা যায়। এটি একটি জটিল চর্ম রোগ। রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে সঠিক চিকিৎসা নিলে রেহাই পাওয়া যায়। কিন্তু রোগটি জটিল পর্যায়ে চলে গেলে তা সারাতে অনেক সময় লাগে। ধৈর্য ধরে অনেক দিন পর্যন্ত চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হয়। এই অবস্থায় চিকিৎসায় অনেকের ধৈর্য থাকে না।

একজিমা কি ?
একজিমা হচ্ছে চামড়া বা ত্বকের এক ধরনের প্রদাহ জনিত রোগ। একজিমা শরীরের সকল স্থানে হতে পারে। তবে বেশি দেখা যায় হাতে।

কারা ঝুঁকিতে ?
গৃহিণীরা ঘরের ধোয়া মোছার কাজ করেন, ডিটারজেন্ট ইত্যাদি পাউডার ব্যবহার করেন। মাছ ব্যবসায়ী, কসাই তাদের হাত পেশাগত কারণে সব সময় ভেজা থাকে। যার কারণে তারা অনেক বেশি একজিমার ঝুঁকিতে থাকেন।

কোন ঋতুতে বেশি হয় -
সকল ঋতুতেই একজিমা হতে পারে দাড়ি তবে শীতকালে চামড়া শুষ্ক থাকে তখন একজিমার প্রকোপ বেড়ে যায় দাড়ি

প্রকারভেদ:
উপসর্গ ভেদে একজিমাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা শুষ্ক একজিমা স্যাঁতসেঁতে একজিমা

লক্ষণ:
- প্রচন্ড চুলকায় একজিমার জায়গাটি।
- চামড়া শুকিয়ে খসখসে হয়ে যায়।
- দানা দানা ফুসকুড়ি হয়।
- জায়গাটিতে অনেক সময় পুঁজ সৃষ্টি হয়। অনেকের ক্ষেত্রে জায়গাটি ভেজা ভেজা থাকে।
- চুলকানোর কারণে চামড়ায় ক্ষত তৈরি হয়, চামড়া ফেটে যায় এবং চামড়াটি ধীরে ধীরে মোটা ও শক্ত হয়ে যেতে থাকে।

কারণ:
- বংশগত কারণে একজিমা হয়।
- পরিবেশগত কারণেও হয়।

বংশগত একজিমা চেনার উপায় -

বংশগত একজিমা শিশু বয়স থেকেই শরীরে প্রকাশ পেতে থাকে। বাচ্চার ২/৩ বছর হওয়ার পর থেকে তার হাত, পা বা কপালে যে জায়গায় চুলকাতে পারে সেখানে লাল ফুসকুড়ি দেখা দেয়। এগুলো চুলকায়। লক্ষ্য করলে দেখবেন বাচ্চার নিকট আত্মীয় বা বংশের কারো কারো এজমা রয়েছে। তাদের চামড়া শুষ্ক থাকে। খাবারে এলার্জি থাকে প্রচুর। এগুলো হচ্ছে বংশানুক্রমিক একজিমার বৈশিষ্ট্য।

পরিবেশগত একজিমা চেনার উপায় -

পরিবেশের সংস্পর্শে আসার ফলে এ ধরনের একজিমা হয়। যেমন - কেউ জুতা পড়লেন। জুতার ঘষা খেয়ে পায়ের চামড়ায় আঘাত লেগে ধীরে ধীরে একজিমা হয়ে গেল। আবার যাদের এলার্জির সমস্যা খুব প্রবল তাদের মশা, মাছি কামড়ালেও একজিমা হতে দেখা যায়।

প্রতিরোধের উপায়:
- ত্বক বা চামড়া তৈলাক্ত রাখতে হবে। এজন্য গ্লিসারিন বা লোসন ব্যবহার করা যেতে পারে।
- সাবানের ব্যবহার সীমিত করতে হবে। গ্লিসারিন যুক্ত সাবান ব্যবহার করা যেতে পারে।
- শরীর অতিরিক্ত ঘষামাজা থেকে বিরত থাকতে হবে।
- চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।

চিকিৎসা:
একজিমার এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় যে সকল ঔষধ ব্যবহার করা হয় এসবের অনেক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয়। কখনো রোগ চলে গেলে আবার তা বার বার ফিরে আসে।
একজিমা হচ্ছে ক্রনিক ডিজিজ। ক্রনিক ডিজিজের ক্ষেত্রে হোমিও চিকিৎসা সেরা। হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমে একজিমা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্ত হওয়া যায়। আপনাদের সমস্যার সমাধানে অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকগণের শরণাপন্ন হতে পারেন।

- - - - - -
ডাঃ মোঃ মোহছেন মাহমুদ
ডাঃ তাহমিনা খানম
আল ফারাবী হোমিও চিকিৎসালয়।
মোহাম্মদিয়া সুপার মার্কেট, সোবহান বাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা - ১২০৭।
যোগাযোগ: ০১৯১৮ ২৩২৩৬৬

হাইপোক্সেমিয়া এবং হাইপোক্সিয়াকি ? পৃথিবীতে অক্সিজেনের প্রাচুর্য থাকলেও গুরুতর রোগীরা স্বাভাবিকভাবে বাতাস থেকে অক্সিজেন...
03/04/2023

হাইপোক্সেমিয়া এবং হাইপোক্সিয়া
কি ?
পৃথিবীতে অক্সিজেনের প্রাচুর্য থাকলেও গুরুতর রোগীরা স্বাভাবিকভাবে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারেনা। রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে নিচে নেমে গেলে যে অবস্থা তৈরি হয় তাকে "হাইপোক্সেমিয়া" বলে। রক্তে অক্সিজেনের স্বাভাবিক মাত্রা হলো ৭৫ থেকে ১০০ মিলিমিটার অব মার্কারি। আবার হাইপোক্সেমিয়া থেকে "হাইপোক্সিয়া" হতে পারে। হাইপোক্সিয়া হচ্ছে শরীরের কোষে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যাওয়া।
রক্তে অক্সিজেন কমে গেলে শরীরের কি কি ক্ষতি হয় ?
শরীরে অক্সিজেনের অভাব হলে বিভিন্ন প্রকার লক্ষণ প্রকাশ পায়। এবং সাথে সাথে মস্তিষ্ক, লিভার সহ শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
রক্তে অক্সিজেন স্বল্পতার লক্ষণ:
★ শ্বাসকষ্ট।
★ দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস।
★ মাথা ঘুরানো বা জ্ঞান হারানো।
★ মাথা ব্যাথা।
★ ঠোঁট, কানের লতি, বা নখ নীল দেখায়।
★ মুখে জড়তা আসে।
★ উচ্চ রক্তচাপ।
★ বিভ্রান্তি। রোগ বাড়ার সাথে সাথে বিভ্রান্তীও বাড়তে থাকে।
★ দৃষ্টি সমস্যা।
রক্তে অক্সিজেন স্বল্পতার কারণ:
- হৃদপিন্ডের কোন প্রকার রোগ হলে রক্তে অক্সিজেন স্বল্পতা দেখা দিতে পারে।
- ফুসফুসে কোনরূপ সমস্যা দেখা দিলে রক্তে অক্সিজেন সল্পতা দেখা দেয়।
- শরীরে বড় ধরনের আঘাতের ফলে অক্সিজেন স্বল্পতার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- কোন কারণে রাতে ঘুম কম হওয়া বা নিদ্রাহীনতা হলেও রক্তে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ানোর উপায়:
ঘরোয়া পদ্ধতি -
-যেখানে গাছপালা আছে, সেখানে গিয়ে কিছুক্ষণ বসে থাকতে পারেন। কারণ গাছপালা প্রচুর অক্সিজেন যোগান দেয়।
-শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতে পারেন। যেমন - বুক ভরে শ্বাস নেওয়ার পর তা ধীরে ধীরে ছাড়তে পারেন। এইভাবে ১০ থেকে ১৫ বার করতে পারেন।
-হালকা শারীরিক ব্যায়াম করতে পারেন।
-সমুদ্র তীরে কিছু সময় কাটিয়ে আসতে পারেন। সমুদ্র তীরে প্রচুর অক্সিজেন থাকে।
খাবার -
এমন অনেক খাবার আছে যা রক্তে অক্সিজেনের স্বল্পতা দূর করে। যেমন -
কাঁচা মরিচ - এই খাবারে 'ক্যাপসাইসিন' নামে এক ধরনের উপাদান পাওয়া যায়, যা রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ করতে সাহায্য করে। কাঁচা মরিচ রান্না করলে এর গুনাগুন কমে যায়। তাই ভাতের সাথে দৈনিক একটি কাঁচা মরিচ খেতে পারেন। তাই যথেষ্ট।
ডালিম - গবেষণায় দেখা গেছে, ডালিম কাঁচা মরিচের মতোই ধমনী এবং শিরাকে প্রসারিত করে অক্সিজেন সারা শরীরিয়ে পৌঁছে দেয়।
দারুচিনি - এতে 'এন্টি অক্সিডেন্ট' রয়েছে। অক্সিজেন মিশ্রিত রক্ত সরবরাহ করতে এটি বিশেষ ভূমিকা রাখে। পাতলা দারুচিনি চায়ের সাথে খেতে পারেন। আবার রান্নায় ব্যবহার করেও খেতে পারে।
পেঁয়াজ - শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন এক টুকরো কাঁচা পেঁয়াজ ভাতের সাথে খেতে পারেন।
রসুন - পেঁয়াজের মত রসুনও একই কাজ করে। তাই দৈনিক দুই এক খোয়া কাঁচা রসুন ভাতের সাথে খেতে পারেন।
আরো এমন কিছু খাবার আছে যা শরীরের ধমনী এবং শিরাকে প্রসারিত করে শরীরে রক্ত চলাচলের পথকে সুগম করে। যেমন - হলুদ, গোলমরিচ, সব ধরনের শাক, লেবু, আখরোট, টমেটো, কালোজাম ইত্যাদি
চিকিৎসা:
রক্তে অক্সিজেন সরবরাহকারী খাবার এবং ব্যায়ামের পাশাপাশি রোগ লক্ষণের বিশ্লেষণ করে হোমিও চিকিৎসা দেয়া যায়। এছাড়াও রক্তের বিভিন্ন সমস্যার আধুনিক সুনির্দিষ্ট ঔষধ হোমিওতে রয়েছে। রোগীদেরকে এসব ঔষধ ব্যবহার করে আমরা আমাদের চেম্বারে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালিয়ে আসছি।
চেম্বার:
ডাঃ মোঃ মোহছেন মাহমুদ
ডাঃ তাহমিনা খানম
আল ফারাবি হোমিও চিকিৎসালয়
মোহাম্মাদিয়া সুপার মার্কেট, সোবহান বাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা - ১২০৭। যোগাযোগ: ০১৯১৮ ২৩২৩৬৬

রমজান মাসে সেহরি ও ইফতার কেমন হওয়া উচিত ? প্রথমে আমাদের রোজা ও রমজান মাস সম্পর্কে ধারণা থাকা  দরকার। এ পর্যায়ে আমরা রম...
29/03/2023

রমজান মাসে সেহরি ও ইফতার কেমন হওয়া উচিত ?

প্রথমে আমাদের রোজা ও রমজান মাস সম্পর্কে ধারণা থাকা দরকার। এ পর্যায়ে আমরা রমজান মাস ও রোজা সম্পর্কে আলোচনা করব। এবং ততপরে সেহরি ও ইফতার নিয়ে আমরা আমাদের পরবর্তী আলোচনায় আসব।

রোজা কি ?
রোজা ফার্সি শব্দ। রোজার আরবি প্রতিশব্দ সাওম। সাওমের বহুবচন হচ্ছে সিয়াম। সিয়াম অর্থ হচ্ছে বিরত থাকা।

রমজান অর্থ হচ্ছে জ্বালিয়ে দেওয়া বা পুড়িয়ে দেওয়া।

নবী ( সা:) বলেন, "রোজা রাখো, যাতে তোমরা সুস্থ থাকতে পারো।" -তাবারানি।
নবী (সা:) আরো বলেন, "সবকিছুর জন্যই যাকাত রয়েছে। শরীরের যাকাত হচ্ছে রোজা।" - ইবনে মাজাহ।

একজন মানুষ সারা বছর যে আনলিমিটেড খাওয়া-দাওয়া করেন। ফলে শরীরে বিভিন্ন রকম টক্সিন সৃষ্টি হয়। এসব টক্সিন শরীরে মারাত্মক রোগ-সুগ সৃষ্টি করে এবং শরীরে ভয়ানক জটিলতা তৈরি হয়।

বিজ্ঞানীরা গবেষণায় দেখিয়াছেন - রোজা শরীরকে শুকায় বা হালকা করে। এভাবে বহু রোগের বিনাশ সাধন করে রোজা। কাজেই শরীরের সুস্থতার জন্য রোজার ভূমিকা অপরিসীম।

অনেকেই রোজা রেখে ইফতারের সময় অনেক বেশি খাওয়া-দাওয়া করেন। ফলে রোজায় শরীর শুকানোর পরিবর্তে বরং শরীরের ওজন আরো বেড়ে যায়। বৈজ্ঞানিক যুক্তিতে যেমন এটি ঠিক নয়। তেমনি এটি রোজার শিক্ষাও নয়।

রোজা রাখার উপকারিতা:

- শরীরের ওজন কমে।
- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ হয়।
- লিভার, কিডনির সমস্যা দূর হয়।
- মস্তিষ্কের উন্নতি হয়।
- ক্রনিক রোগ চিকিৎসায়, চিকিৎসা বিজ্ঞানী ইবনে সিনা নাথেমে ২১ দিন পর্যন্ত রোজা রাখার নির্দেশ দিতেন রোগীকে। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে একটি প্রমাণিত।

সেহরিতে খাবার মেনু:

সারাদিন শরীরকে ঝরঝরে রাখার জন্য সেহরিতে নিম্নোক্ত খাবার খেতে পারেন। যথা -
- অল্প ভাত, সাথে সবজি দিয়ে খেতে পারেন।
- চিড়া দইও খেতে পারে।
- ৩/৪ টি খেজুর খেতে পারেন। সাথে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে পারেন।
- আবার দুধ খেতে পারেন।

যেসব খাবার সেহরিতে খাওয়া উচিত নয় !!!

- অতিরিক্ত মাছ, মাংস, ডিম খাওয়া পরিহার করা দরকার।
- ভাজা-পোড়া, ফাস্টফুড সেহরিতে খাওয়া উচিত নয়। এসব খাবারে অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়ে।

ইফতারের খাবার মেনু:

- ৩/৪টি খেজুর ভালোভাবে চিবিয়ে খেতে পারেন। সাথে পর্যাপ্ত পানি পান করুন। দেখবেন সারাদিনের ক্লান্তি দূর হবে। আমাদের নবী মুহাম্মদ (সা:) খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার করতেন। খেজুরের গ্লুকোজ সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে দেয়।
- ফলমূল খেতে পারেন। ঘরে বানানো ফলমূলের জুসও খেতে পারেন।
- সাথে কাঁচা ছোলা রাখতে পারেন।

ইফতারে যা খাওয়া উচিত নয় -

- অতিরিক্ত ভোজন ক্ষতিকর।
- চিনির শরবত পরিহার করা উচিত।
- ডুবু তেলে ভাজা খাবার। যেমন -
পেয়াজু, বেগুনি, ছোলা ভাজা ইত্যাদি। এসব শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

রাতের খাবার:
আমরা সারা বছর যেভাবে খাবার খাই, সেভাবে রাতের খাবার সারতে পারেন। যেমন - মাছ, মাংস, ডিম, শাক-সবজি ইত্যাদি পেট ভরে খেতে পারেন। সালাত খেতে পারেন।

– - - - - -
ডা: মো: মোহছেন মাহমুদ
ডা: তাহমিনা খানম
আল ফারাবি হোমিও চিকিৎসালয় মোহাম্মদিয়া সুপার মার্কেট, ধানমন্ডি, ঢাকা - ১২০৭।

লাল শাকলাল শাক বাঙালির একেবারে নিজস্ব সবজি। জনপ্রিয়তাও আকাশ ছোঁয়া।  গ্রাম বাংলায় এর ব্যাপক চাষ হয়।  খেতে খুবই রুচিসম...
21/03/2023

লাল শাক

লাল শাক বাঙালির একেবারে নিজস্ব সবজি। জনপ্রিয়তাও আকাশ ছোঁয়া। গ্রাম বাংলায় এর ব্যাপক চাষ হয়। খেতে খুবই রুচিসম্মত একটা শাক। রান্না করা শাক দিয়ে ভাত মাখলে ভাত টকটকে লাল হয়। দেখলেই জিভে পানি আসে, খেতে ইচ্ছা করে। মুখে দিলে শাকের সাদ খুবই অপূর্ব লাগে।
লালশাক কি ?
লাল শাক দেখতে বেশ আকর্ষণীয়। টকটকে রক্তের মত লাল এই শাক। দেখতে ডাটা শাকের মত। একজন মানুষের ৩০ বছর বয়সের পর তার শরীরের ভাঙ্গন আটকাতে লাল শাক অগ্রণী ভূমিকা রাখে। এই শাকের পুষ্টিগুণ খুব উচ্চমাত্রার।
পুষ্টিগুণ:
লাল শাকে আছে ক্যালসিয়াম, শর্করা, প্রোটিন, স্নেহ বা চর্বি, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি, কেরুটিন, বিভিন্ন খনিজ উপাদান ইত্যাদি
উপকারিতা:
- চুলকে স্বাস্থ্যবান রাখে।
- রক্তে কোলেস্টেরল স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
- ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।
- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে।
- কিডনির জন্য খুবই উপকারী।
- রক্তশূন্যতা রোধ করে। এতে প্রচুর আয়রন রয়েছে।
- ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর করে। বিশেষ করে, গর্ভবতী মায়েদের ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর করতে টনিক এর মত কাজ করে।
খাওয়ার নিয়ম -
এই শাক কেবল রান্না করে খেতে হয়। পালং শাকের মতো লালশাক কাঁচা খাওয়া যায় না। জুস করে খাওয়া যায় না।
- - - - - -
ডাঃ মোঃ মোহছেন মাহমুদ
ডাঃ তাহমিনা খানম
আল ফারাবি হোমিও চিকিৎসালয়
মোহাম্মদিয়া সুপারমার্কেট, সোবহান বাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা - ১২০৭।

Address

Mohammadia Super Market, Sohbanbag, Dhanmondi, Dhaka/
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 10:30 - 20:30
Wednesday 10:30 - 20:30
Thursday 10:30 - 20:30
Friday 10:30 - 20:30
Saturday 10:30 - 20:30
Sunday 10:30 - 20:30

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল ফারাবী হোমিও চিকিৎসালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share