ডাঃ আদনান রহমান

ডাঃ আদনান রহমান মানুষের সেবাই মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্?

08/10/2020

আফগানিস্তানে ধর্ষণের শাস্তি,
এরকম আমাদের বাংলাদেশে যদি হতো,
তাহলে কেউ কোনদিন ধর্ষণের কথা ভাবতই না।

14/09/2020

লেবু পানির আটটি স্বাস্থ্য উপকারিতা জানুন বিস্তারিত:::?


করোনাকালে সুস্থ থাকাটাই বড় কথা। আর সুস্থ থাকতে হলে আপনাকে বাড়াতে হবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। নিশ্চয়ই এতদিন ধরে শুনে আসছেন ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এই ভিটামিন সি’র বড় যোগানদাতা কিন্তু লেবু।

লেবু সাধারণত মানুষ খাবারদাবারের সঙ্গে খায়। তাতে আর কতটুকু ভিটামিন সি শরীরে ঢোকে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলে লেবু খাওয়ার পরিমাণ বাড়াতে হবে। তা কীভাবে বাড়াবেন? এর সর্বোত্তম পন্থা হলো পানিতে লেবু চিপে সরবত করে খাওয়া। তবে এই সরবতে চিনি না নিলেই বেশি উপকার।


লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। তাই লেবুপানি তৈরিতে ছোট হলে একটা লেবুর রস ৮ আউন্স উষ্ণ বা স্বাভাবিক পানিতে মেশান। স্বাস্থ্যকর পানীয় তৈরির জন্য ফিল্টারের পানি এবং টাটকা লেবু ব্যবহার করা জরুরি।

*** জেনে নিন লেবু পানির উপকারিতা :--

** শরীর আর্দ্র রাখে

শরীর আর্দ্র রাখার সর্বোত্তম উপায় পানি পান করা। কিন্তু অনেকের পানি পানে অনীহা রয়েছে। তাদের জন্য পরামর্শ- পানির সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে পর্যাপ্ত পানি পান করা হবে এবং শরীর আর্দ্র থাকবে। সেই সঙ্গে লেবু শরীরের টক্সিক পদার্থ বার করে দেয়। তাই যেকোনো অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। শরীরের অনেক জীবাণুকে ধ্বংস করতে পারে লেবুপানি।

** ভিটামিন সি’র ভালো উৎস

লেবুতে প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের কোষগুলোকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। ভিটামিন সি ঠান্ডা, সর্দি থেকে মুক্তি দেয়। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের দৈনিক ভিটামিন সি এর চাহিদা ৬৫-৯০ মিলিগ্রাম। একটি লেবু থেকে ১৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি পাওয়া যায়। দিনে দুই থেকে তিন বার লেবুপানি আপনি খেতেই পারেন। তাতে দেহে ভিটামিন সি’র চাহিদা পূর্ণ হবে।

** ওজন কমায়

গবেষণায় দেখা গেছে যে, পলিফেনল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর ভালো উৎস লেবু। এটি ওজন বাড়তে দেয় না এবং স্থূলতা কমাতে সাহায্য করে। তাই যারা ওজন কমাতে চান, তাদেরকে লেবুর রস হালকা গরম পানির সঙ্গে খেতে হবে।

** ত্বক সুরক্ষা করে

লেবুতে থাকা ভিটামিন সি ত্বকে বলিরেখা পড়তে দেয় না। সূর্যের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।

** হজমে সহায়ক

প্রতিদিন সকালে কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে। গরম বা উষ্ণ লেবু পানি পান করলে হজম প্রক্রিয়াকে চাঙ্গা করতে সাহায্য করে। আর খালি পেটে লেবুপানি পানের ফলে লিভার পরিষ্কার থাকে। এতে পরবর্তীতে খাবারগুলো ভালোভাবে হজম হয়। কারও কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে, তা থেকেও পরিত্রাণ পেতে পারেন।

** নিশ্বাসে সজীবতা আনে

খাওয়ার পর অনেক সময় মসলা- পেঁয়াজ, রসুন বা মাছের গন্ধ মুখে লেগে থাকে। মুখের দুর্গন্ধ বা নিশ্বাসের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে খাওয়ার পর এক গ্লাস লেবুর পানি পান করতে পারেন। এক্ষেত্রে সকালে পান করলেও ফল পাওয়া যায়। এছাড়া লেবু পানিতে কুলকুচি করলেও মুখ সতেজ ও সুস্থ থাকে।

** কিডনির পাথর প্রতিরোধ করে

লেবুতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড কিডনিতে পাথর জমা প্রতিরোধ করে। এই সাইট্রিক অ্যাসিড কিডনিতে পাথর প্রতিরোধের পাশাপাশি জমে থাকা পাথর বের করতেও সাহায্য করে।

** লেবুপানি খেতে পারেন দিনের যে কোনো সময়, খালি পেটেও। তবে লেবুর অ্যাসিডিক মাত্রা বেশি তাই খালি পেটে খেতে খাবেন না। সেক্ষেত্রে হালকা গরম পানিতে লেবু মিশিয়ে খেলে অ্যাসিডিটি আক্রমণ করতে পারে না। লেবুর মধ্যে থাকা ভিটামিন সি ও তার অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট আপনাকে বাঁচাতে পারে অনেক অসুখ থেকেও।

14/09/2020

পেটের মেদ কমানোর জন্য অত্যন্ত কার্যকর যেসব পানিয় জানুন বিস্তারিত::::?


অনেক মানুষই পেটের মেদ বাড়া নিয়ে চিন্তিত। অনেক সময় দেখা যায় যে শরীর ফিট থাকলেও পেটের মেদ বেড়ে গিয়ে সমস্যা তৈরি করেছে। খাবার নিয়ন্ত্রণ ও ব্যায়ামের পাশাপাশি ঘরে প্রতিদিন কয়েকটি পানীয় পান করলে এই সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

** জেনে নিন তেমন কয়েকটি পানীয় সম্পর্কে:--

** আদা ও লেবুর পানি

এক ইঞ্চি মতো আদা কুচি করুন তারপর এটি এক কাপ ঠাণ্ডা পানির সঙ্গে মেশান। এর মধ্যে এক চা চামচ লেবুর রস এবং আধা চা চামচ ভাজা জিরার গুড়া দিন। তারপর নেড়ে মিশিয়ে এটি পান করুন।

** ইনস্ট্যান্ট ওজন কমানোর কফি

দৈনিক ওজন কমানোর কফি পানেও উপকার মেলে। এক চা চামচ কফি পাওডার এক কাপ গরম পানিতে ভালো করে মেশান। এর মধ্যে স্বাদের জন্য ডার্ক চকোলেট মেশাতে পারেন।

** গিন টি ও পুদিনা

একটি পাত্র নিন। এতে এক কাপের বেশি পানি দিয়ে ভালো করে ফুটান। তারপর এর মধ্যে ৫-৭টি পুদিনা পাতা মেশান। তারপর পাঁচ মিনিট ফুটান। তারপর গ্রিন টি মিশিয়ে আবার দশ মিনিট জ্বাল দিন। আর টি ব্যাগ হলে সাধারণভাবেই পান করুন।

** মেথি পান করুন

প্রথমে দুই চামচ মেথি বীজ সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে একটি শসা ব্লেন্ড করে মেথির পানির মধ্যে দিন এবং আধা কাপ পানি যোগ করুন। তারপর একটু বিট লবন দিয়ে ভালোভাবে মেশান। তারপর পান করুন।

** নারকেলের পানি

এক কাপ ফ্রেশ আনারসের জুস এবং এক কাপ নারকেলের পানির সঙ্গে আধা কাপ মৌরি বীজ ও বিট লবন মিশিয়ে পান করুন।

** টমেটো ও লেবুর রসের পানীয়

টমেটো ব্লেন্ড করা এক কাপ পানীয়, এক কাপ লেবুর রস এবং বিট লবন ভালোভাবে মিশিয়ে পান করুন।

** মধু এবং লেবুর রস

হালকা গরম এক কাপ পানি, একটি লেবুর রস এবং এক চা চামচ মধু মিশিয়ে সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পান করুন।

** হুইট গ্রাস ও আঙ্গুর

এক কাপ হুইট গ্রাস কুচি এবং আধা কাপ আঙ্গুর ব্লেন্ড করুন। তারপর এর মধ্যে অল্প করে বিট লবন দিয়ে পান করুন।

14/09/2020

ঘরোয়া উপায়ে দূর হবে শরীরের ফাটা দাগ:::?


ত্বকে বা শরীরের চামড়ায় ফাটা দাগ জনিত সমস্যা বা স্ট্রেচ মার্কের সমস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন। শরীরের ত্বকের বিভিন্ন অংশে এই ফাটা দাগ গুলো দেখা যায়। অনেকের মতে এই সমস্যা বাড়তি ওজনের জন্য হয়। শরীরের আয়তন যখন বেড়ে যায়, ত্বক তখন স্ট্রেচ করে বাড়তি আয়তনকে ঢাকতে। ফলে তৈরি হয় এই দাগ।
ঘরোয়া কিছু কার্যকরী উপায়ে এটি দূর করা সম্ভব।

** জেনে নিন উপায় গুলো।

** প্রতিদিন নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে আমন্ড অয়েল মিশিয়ে নিন। এরপর সেই মিশ্রণ ফাটা দাগ উপর লাগিয়ে ফেলুন। কয়েক মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।


** লেবুর রসের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এরপর ফাট দাগের উপর ব্যবহার করুন ওই মিশ্রণ। উষ্ণ পানি দিয়ে ধুয়ে মশ্চারাইজার লাগান।

** ফাটা দাগ দূর করতে লেবুর রসও ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন ফাটা দাগের উপর লেবুর রস মেখে নিন। এরপর ১০ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে মশ্চারাইজার লাগান।

** একটি বোতলে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার ভরে নিন। এরপর প্রতিদিন ফাটা দাগের উপর সেটা স্প্রে করুন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যবহার করুন অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। এরপর সকালে তা ধুয়ে ফেলুন।

** ফাটা দাগ নির্মূল করতে হলুদও বেশ উপকারী। দই এর সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে যদি ফাটা দাগের উপর ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে উপকার পাবেন। প্রতিদিন ওই মিশ্রণ ফাটা দাগের উপর লাগাতে হবে এবং ধুয়ে ফেলতে হবে হালকা গরম পানি দিয়ে। এরপর সেখানে মশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।

** অ্যালোভেরা জেল দাগ তোলার জন্য ভীষণ উপকারী। অ্যালোভেরা জেল ফাটা জায়গায় কিছু সময় ম্যাসাজ করে শুকাতে দিন। এভাবে প্রতিদিন দু’বার ব্যবহার করলে দাগ উঠে যাবে।

তবে শরীরের ফাটা দাগ দূর করতে ম্যাসাজ করার পাশাপাশি যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। যেমন- মাছ, মাংস, ডিমের সাদা অংশ, দই, বাদাম ও সূর্যমুখী তেলের বীজ। খেয়াল রাখতে হবে শরীরে যাতে কোনোভাবেই পানি ও প্রোটিনের ঘাটতি না হয়।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাঃ আদনান রহমান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category