Dr. Tajul Islam

Dr. Tajul Islam Integrated & Functional Medicine,
Trained in Diabetic(I&II), Cardiac Arrests & kidney diseases. I, Dr. MD.

Homeopathic and naturopathy medicines are prepared from tiny amounts of proven healing substances derived mainly from plants based food, natural hurbs. They are given in very minute doses so that they are non-toxic, and are very safe. Unlike antibiotics and other medicines, also homeopathic medicines will not hamper digestion; will not lower immune resistance; will not produce allergic reactions and are safe in the long term, if taken as directed by a qualified homeopath. Homeopathic and naturopathy medicines are safe for everyone because there is no risk of toxicity or side-effects. Homeopathy is ideal for all life stages including pregnant and lactating women. You can Reverse Lifestyle Diseases & Metabolic Disorders ( Diabetes, Hypertension, Heart diseases, Digestive disorders, Skin disease, Thyroid disease, Bone disorders, Cancer & Obesity) by just implementing our natural Diet Protocol. Tajul Islam is here, to serve you with professional expertise and experienced feedback for your treatment.

19/02/2026

থাইরয়েডের জন্য রান্নাঘরের সহজ উপায়

থাইরয়েডের জন্য খুব উপকারী তিনটি জিনিস আমাদের রান্নাঘরেই আছে:
গোলমরিচ, শুকনা আদা (সোঁঠ) এবং মগ পিপ্পল (লম্বা পিপুল)।

তিনটি সমান পরিমাণে নিয়ে গুঁড়ো করে নিন।

ব্যবহার পদ্ধতি:
এক চিমটি সকালে
এক চিমটি সন্ধ্যায়
মুখে দিয়ে ধীরে ধীরে চুষে নিন।

যদি আপনি ১০০–১৫০ মি.গ্রা. থাইরয়েডের ওষুধও নিয়ে থাকেন,
তাহলে ১–২ মাসের মধ্যে তা ৫০ বা ২৫ মি.গ্রা. পর্যন্ত নেমে আসতে পারে।

19/02/2026

ক্যান্সারের ঝুঁকি বোঝাতে সাহায্য করে এমন ৫টি মেটাবলিক রক্ত পরীক্ষা

HOMA-IR:
এই টেস্ট বলে শরীরে কত গ্লুকোজ ও ইনসুলিন আছে। রক্তে সুগার অর্থাৎ গ্লুকোজ ও ইনসুলিন যত বেশি বাড়বে, ক্যান্সার বাড়ার ঝুঁকিও তত বেশি হবে।

সিরাম LDH (ল্যাক্টেট ডিহাইড্রোজেনেজ):
যখন কোষগুলো অক্সিজেন ছাড়া বেশি পরিমাণে গ্লুকোজ নিয়ে শক্তি তৈরি করে, তখন তারা বেশি ল্যাকটিক অ্যাসিড তৈরি করে। ল্যাক্টেট বেশি উৎপাদন ক্যান্সার কোষের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য।

সিরাম ফেরিটিন লেভেল:
শরীরে আয়রন স্টোর যত বেশি হবে, ক্যান্সারের ঝুঁকিও তত বাড়বে। কারণ আয়রন অক্সিডাইজ হয়ে মাইটোকন্ড্রিয়ার ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর পাশাপাশি অ্যালবুমিন ও গ্লোবুলিনের অনুপাতও গুরুত্বপূর্ণ। অ্যালবুমিন যত কম এবং গ্লোবুলিন যত বেশি হবে, এই অনুপাত খারাপ হলে ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি পায়।

CRP এবং ESR:
এগুলো ইনফ্লেমেশন বা প্রদাহের মার্কার। শরীরে প্রদাহ যত বাড়বে, ক্যান্সার বাড়ার ঝুঁকিও তত বাড়বে।

আমি প্রবাসে থাকলেও মন পড়ে থাকে নিজের দেশে, নিজের মানুষের কাছে। আগামীকাল আমাদের জাতীয় ভোট ও গণভোট—এটি শুধু একটি রাজনৈতিক ...
11/02/2026

আমি প্রবাসে থাকলেও মন পড়ে থাকে নিজের দেশে, নিজের মানুষের কাছে। আগামীকাল আমাদের জাতীয় ভোট ও গণভোট—এটি শুধু একটি রাজনৈতিক ঘটনা নয়, এটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।

একজন চিকিৎসক হিসেবে আমি সবসময় মানুষের সুস্থতা, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীল সমাজ কামনা করি। তাই দেশের সকল নাগরিকের কাছে অনুরোধ—

🗳️ সচেতনভাবে ভোট ও গণভোটে অংশ নিন
🤝 শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখুন
🇧🇩 দেশের কল্যাণ ও স্থিতিশীলতাকে প্রাধান্য দিন

প্রবাসে থেকেও হৃদয় সবসময় দেশের সাথে। একটি সুন্দর, নিরাপদ ও সুষ্ঠু আগামীর প্রত্যাশা রইল।

11/02/2026

❗ ব্রেকফাস্ট স্কিপ করা মানেই অজান্তে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ানো

অনেকেই মনে করেন, ব্রেকফাস্ট না খেলে তেমন সমস্যা নেই। কিন্তু বাস্তবতা হলো—নিয়মিত ব্রেকফাস্ট এড়িয়ে গেলে টাইপ–২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ধীরে ধীরে বাড়তে পারে।

এটা শুধু সুগারের বিষয় নয়। আমাদের প্যানক্রিয়াসের একটি স্বাভাবিক সার্কাডিয়ান রিদম (জৈবিক ছন্দ) আছে। যখন আমরা ব্রেকফাস্ট স্কিপ করি, এই ছন্দ বিঘ্নিত হয়। এর ফলে ইনসুলিনের কাজ ব্যাহত হয় এবং সময়ের সাথে সাথে শুধু ডায়াবেটিস নয়, আরও নানা মেটাবলিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

✅ সুস্থ থাকতে প্রতিদিন সময়মতো ব্রেকফাস্ট করুন,
✅ প্রোটিন, ফাইবার ও হেলদি ফ্যাট রাখুন,
✅ দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকবেন না,

আপনার দিনের শুরু ঠিক হলে, শরীরও ঠিকভাবে কাজ করবে।

11/02/2026

হালিম বীজ (Garden Cress Seeds) আয়রন ডেফিসিয়েন্সি অ্যানিমিয়ার জন্য একটি কার্যকর প্রাকৃতিক সহায়তা হতে পারে। যদি আপনি ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত চুল পড়া, দুর্বল হাড় বা কম হিমোগ্লোবিনের সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে হালিম বীজ আপনার জন্য উপকারী হতে পারে।

এই ছোট লালচে বীজগুলোতে আয়রন ও ফলেট খুব সমৃদ্ধ। প্রতিদিন মাত্র আধা চা-চামচ হালিম বীজ হিমোগ্লোবিন, এনার্জি লেভেল ও চুল পড়া উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে। এছাড়াও—

• ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক ও ভিটামিন সি হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে
• ইমিউনিটি বাড়াতে সহায়ক
• আয়রন শোষণ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে

এতে থাকা ফাইবার হজম ভালো রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে।

একটি নিয়ম মনে রাখবেন: হালিম বীজ একা না খেয়ে নারকেল তেল, ঘি বা দুধের সাথে খেলে শোষণ ও হজম আরও সহজ হয়।

ডায়াবেটিস হঠাৎ হয় না — ধীরে ধীরে তৈরি হয়অনেকে বলেন, “সুগার একটু বাড়ে, কিন্তু ডায়াবেটিস না”আবার কেউ বলেন, “HbA1c ঠিক আছে,...
05/02/2026

ডায়াবেটিস হঠাৎ হয় না — ধীরে ধীরে তৈরি হয়

অনেকে বলেন, “সুগার একটু বাড়ে, কিন্তু ডায়াবেটিস না”
আবার কেউ বলেন, “HbA1c ঠিক আছে, তাই সমস্যা নেই”

আসলে সত্যটা হলো — রোগ শুরু হয় অনেক আগে, ধরা পড়ে অনেক পরে।

HbA1c (৩ মাসের গড় সুগার)
Normal:

30/01/2026

স্কিন কেয়ার কি শুধু লাগানোর জিনিস?
না ডক্টর, স্কিন কেয়ার খাওয়াও যায়।

আপনি যে দামি সিরাম, অ্যাসিড, রেটিনল খুঁজছেন
প্রকৃতি সেটা অনেক আগেই খাবারের ভেতর রেখে দিয়েছে।

Retinol (Vitamin A)
🥕 গাজর
🎃 মিষ্টি কুমড়া
ত্বক রিপেয়ার করে, ব্রণ কমায়, উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

Niacinamide (Vitamin B3)
🌿 হলুদ
ত্বকের ইনফ্ল্যামেশন কমায়, দাগ হালকা করে, স্কিন ব্যারিয়ার শক্ত করে।

Salicylic Acid (Natural source)
🌿 তুলসি
🌿 নিম পাতা
ব্রণ, অতিরিক্ত তেল আর ইনফেকশনের জন্য দারুণ।

Alpha Hydroxy Acid (AHA)
🥣 টক দই
ডেড স্কিন রিমুভ করে, স্কিন সফট ও স্মুথ করে।

Hydrating Serum
🥥 নারকেল বাটার
ত্বক গভীরভাবে হাইড্রেট করে, ড্রাইনেস কমায়।

Anti-aging Serum
🌰 আমন্ড অয়েল
🥛 বাদাম দুধ
ফাইন লাইন কমাতে, স্কিন ইলাস্টিসিটি বাড়াতে সাহায্য করে।

👉 বাইরে যা লাগান, ভেতর থেকে যদি সাপোর্ট না দেন
তাহলে স্কিন হেলথ অসম্পূর্ণ থেকেই যায়।

প্রাকৃতিক খাবার + ফাংশনাল নিউট্রিশন + ইন্ডিভিজুয়াল কেয়ার
এই তিনটাই আসল স্কিন কেয়ার।

প্রকৃতির সাথে থাকুন।
স্কিন নিজেই কথা বলবে। 🌿✨

——————————————
ডা. মোঃ তাজুল ইসলাম ।
ইন্ট্রিগ্রেটেড এন্ড ফাঙ্কশনাল মেডিসিন

🌱 ম্যাগনেসিয়াম বেশি খেলে যেসব সতর্ক সংকেত দেখা দিতে পারে:ম্যাগনেসিয়াম ঘুম, হার্ট ও মাংসপেশির জন্য উপকারী হলেও অতিরিক্ত...
24/01/2026

🌱 ম্যাগনেসিয়াম বেশি খেলে যেসব সতর্ক সংকেত দেখা দিতে পারে:

ম্যাগনেসিয়াম ঘুম, হার্ট ও মাংসপেশির জন্য উপকারী হলেও অতিরিক্ত হলে ক্ষতিও হতে পারে।

⚠️ ৫টি ওয়ার্নিং সাইন:
1️⃣ ডায়রিয়া ও পেটের সমস্যা
2️⃣ অস্বাভাবিক ক্লান্তি ও কনফিউশন
3️⃣ লো ব্লাড প্রেসার, মাথা ঘোরা
4️⃣ প্রস্রাবের সমস্যা
5️⃣ ম্যাগনেসিয়াম টক্সিসিটি (জরুরি অবস্থা)

👉 খুব বেশি ডোজ (৫,০০০ mg+/দিন) নিলে মারাত্মক ঝুঁকি হতে পারে।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ কথা:
ইদানীং সাপ্লিমেন্টের ব্যবহার অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, অথচ জোর দেওয়া উচিত ছিল নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য ব্যবস্থার উপর। খাবার থেকেই ভিটামিন-মিনারেল পাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ ও টেকসই উপায়। সাপ্লিমেন্ট কখনোই খাবারের বিকল্প নয়—শুধু প্রয়োজনে, সচেতনভাবে ব্যবহার করা উচিত।

🥗 ডোজ বাড়ানোর আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

23/01/2026

ডায়াবেটিস শুধু ম্যানেজ নয়, রিভার্স করার দিকে ভাবুন:

এমন তিনটি সাপ্লিমেন্ট আছে, যেগুলো নিয়ে সাম্প্রতিক গবেষণা ও ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় আশাব্যঞ্জক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে এগুলো মেটফরমিনের মতো কাজ করে, তবু বাস্তবে অনেক ডাক্তার রুটিনভাবে এগুলো প্রিসক্রাইব করেন না। সঠিকভাবে ও ব্যক্তিভেদে ব্যবহার করলে ব্লাড সুগার কন্ট্রোলে আসতে শুরু করতে পারে।

১️⃣ বারবেরিন (Berberine HCl):
একটি প্রাকৃতিক হার্ব, যা মেটফরমিনের মতো মেকানিজমে কাজ করে।
– ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে,
– ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায়,
– গাট হেলথ উন্নত করে,

২️⃣ আলফা লিপোইক অ্যাসিড (ALA):
– ডায়াবেটিক নার্ভ পেইন কমাতে কার্যকর
– ব্লাড সুগারের রিডিং উন্নত করতে সহায়ক

৩️⃣ ম্যাগনেশিয়াম:
– প্রায় ৮০% ডায়াবেটিস রোগীর শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি থাকে
– গ্লুকোজ ট্রান্সপোর্ট ও ইনসুলিন ফাংশনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

ডায়াবেটিস মানেই আজীবন ওষুধ নয়। সঠিক জ্ঞান, লাইফস্টাইল চেঞ্জ এবং প্রয়োজনে সাপ্লিমেন্ট
—সবকিছু মিলিয়ে ভিন্নভাবে ভাবার সময় এসেছে।

👉 কোনো কিছু শুরু করার আগে অবশ্যই আপনার চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন।

23/01/2026

বাংলাদেশে ফলের উপর প্রায় ১৩২% আমদানি শুল্ক কর আরোপ করা হয়েছে যা হওয়া উচিৎ ছিলো প্রায় শুন্য এবং জনস্বাস্থ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে গভীরভাবে পুনর্বিবেচনার দাবি রাখে। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে ফলকে একটি মৌলিক পুষ্টি উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাই সেখানে ফল সহজলভ্য ও তুলনামূলকভাবে সস্তা। অথচ বাংলাদেশে এই উচ্চ করের কারণে ফল সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকা থেকে ধীরে ধীরে বাদ পড়ে যাচ্ছে।

এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে মানুষের প্রাকৃতিক পুষ্টি গ্রহণের উপর। ফল থেকে পাওয়া ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গঠনে অপরিহার্য। যখন মানুষ ফল খেতে পারে না, তখন স্বাভাবিকভাবেই ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্থূলতা ও দীর্ঘমেয়াদি নানান জটিল অসুখের ঝুঁকি বাড়ে।

এই শূন্যস্থান পূরণ করছে ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি, যারা ক্রমাগত নতুন নতুন সিনথেটিক ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট বাজারজাত করছে। কিন্তু এগুলো কখনোই পূর্ণাঙ্গ প্রাকৃতিক পুষ্টির বিকল্প হতে পারে না। বরং দীর্ঘমেয়াদে অতিরিক্ত সাপ্লিমেন্ট নির্ভরতা নতুন স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি করতে পারে।

অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। ফলের উপর কর কমানো হলে জনগণের স্বাস্থ্য উন্নত হবে, চিকিৎসা ব্যয় কমবে এবং উৎপাদনশীলতা বাড়বে। অর্থাৎ স্বল্পমেয়াদে রাজস্ব কিছুটা কমলেও দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রই উপকৃত হবে।

জনস্বার্থে তাই ফলকে বিলাসপণ্য নয়, বরং মৌলিক খাদ্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। ফলের উপর অতিরিক্ত শুল্ক ও কর হ্রাস করে প্রাকৃতিক পুষ্টিকে সহজলভ্য করাই হতে পারে একটি টেকসই ও বিজ্ঞানভিত্তিক জনস্বাস্থ্য নীতি।


ডা. মোঃ তাজুল ইসলাম
ইন্টিগ্রেটেড মেডিসিন ও প্রিভেন্টিভ হেলথ.

19/01/2026

ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD): স্টেজভিত্তিক হোমিওপ্যাথিক দৃষ্টিভঙ্গি

সবকিছুই নির্ভর করে রোগটি কোন স্টেজে আছে তার ওপর। CKD সাধারণত স্টেজ ১ থেকে স্টেজ ৫ পর্যন্ত ভাগ করা হয়।

স্টেজ ১
এই পর্যায়ে সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি কনস্টিটিউশনাল চিকিৎসাই যথেষ্ট। ডোজ কম ও বিরতিতে দিতে হয়। সাথে অবশ্যই রেনাল ডায়েট মেনে চলা খুব জরুরি।

স্টেজ ২
যদি একদম শুরুর দিকের স্টেজ ২ হয়, তাহলে কেবল কনস্টিটিউশনাল চিকিৎসাই যথেষ্ট।
কিন্তু যদি শুধু ক্রিয়াটিনিন বা সিস্টাটিন-C নয়, বরং ইলেকট্রোলাইট, ফসফরাস বা ক্যালসিয়াম মেটাবলিজমে সমস্যা দেখা যায়, তখন ধীরে ধীরে অর্গান রেমেডি যোগ করা যায়।
কিডনির ওপর কাজ করে এমন বহু অর্গান রেমেডি আছে, তবে বাস্তবে ৫–১০টিই বেশি কার্যকর।
• এডিমা থাকলে:
• ডিপেন্ডেন্ট পার্টে এডিমা → Urea pura
• খুব বেশি এডিমা বা এলিফ্যান্টিয়াসিসের মতো অবস্থা → Apis, Apocynum (LM বা সেন্টেসিমাল পোটেন্সিতে, মাদার টিংচার এড়ানো ভালো)

স্টেজ ৩ (ক্রিয়াটিনিন ১০–১৫)
এখানে সাধারণত সব প্যারামিটারই খারাপ থাকে। প্রস্রাবে প্রোটিন, ব্যাপক এডিমা দেখা যায়।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস ও হাইপারটেনশন সহ-রোগ হিসেবে থাকে।
• হাইপারটেনশন + ডায়াবেটিস + অ্যালবুমিনিউরিয়া → Rhus aromatica
• রিকারেন্ট ইউরিনারি ইনফেকশন বা পাস → Terebinthina, Thlaspi bursa pastoris, Barosma

ইউরেমিক গ্যাস্ট্রাইটিস
বমি, বমিভাব, ক্ষুধামন্দা থাকলে ভাবতে হবে ইউরেমিক গ্যাস্ট্রাইটিস।
উপকারী রেমেডি: Cadmium sulph, Arsenicum album, Creosote, Digitalis
খুব বেশি ও ওঠানামা করা ক্রিয়াটিনিনে আমি Creatinine 1M ব্যবহার করেছি।

অটোইমিউন কারণ
SLE বা IgA nephropathy-এর মতো রোগে কিডনি ফেইলিউর হলে চিকিৎসা তুলনামূলক কঠিন।
এই ক্ষেত্রে আমার পদ্ধতি:
• সোমবার–বৃহস্পতিবার: কনস্টিটিউশনাল রেমেডি
• শুক্রবার–শনিবার: ইন্টারকারেন্ট রেমেডি

টিবির ইতিহাস বা টিউবারকুলার মায়াজম থাকলে Cochs lymph (LM বা সেন্টেসিমাল) খুব গুরুত্বপূর্ণ।

স্টেজ ৪ ও ৫
এ পর্যায়ে শ্বাসকষ্ট, অ্যাসাইটিস, ব্যাপক এডিমা, শুতে না পারা, ফুসফুসে রেলস, ক্ষুধাহীনতা ও বমি দেখা যায়।
• ড্রপসিকাল অবস্থা + রেনাল ফেইলিউর → Antimonium arsenicosum
• শ্বাসকষ্টসহ ড্রপসি → Eucalyptus
• Aconitum ferox কখনও উপকারী হতে পারে, তবে ক্রিয়াটিনিন নিয়ন্ত্রণে সীমাবদ্ধতা আছে।

খুব গুরুত্বপূর্ণ রেমেডি
• Eel serum: হাইপারটেনশন, এডিমা, রেনাল ফেইলিউর
এই তিনটির সমন্বয়ে দারুণ কাজ করে।
• Juniperus communis: প্রস্রাবের রং, সেডিমেন্ট, হাইপারটেনশন বা ইনফেকশনজনিত CKD-তে খুব কার্যকর।
• কিছু ক্ষেত্রে আমি “Kidney” নামের অর্গান রেমেডিও বিভিন্ন পোটেন্সিতে ব্যবহার করি।

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন:
ডায়াবেটিস বা হাইপারটেনশন থাকলে কি শুধু কনস্টিটিউশনাল ওষুধেই কভার করা যাবে, নাকি আলাদা কিছু দিতে হবে?
আমার অভিজ্ঞতায়, সম্ভব হলে comorbidity তে কনস্টিটিউশনাল রেমেডিতেই কভার করা ভালো।

একসাথে একাধিক মাদার টিংচার দেওয়া ঠিক নয়। যেমন কিডনি ফেইলিউরের জন্য একটি মাদার টিংচার দিলে ডায়াবেটিসের জন্য আরেকটি দেওয়া সংঘর্ষ তৈরি করতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ গ্রুপ:
• Ammonium ও Magnesium গ্রুপ
• বিশেষ করে Ammonium carbonicum ইউরেমিয়া ও comorbidity খুব উপকারী।

Plumbum বা Alumina silicate?
Plumbum কিছু ক্ষেত্রে কাজে আসতে দেখেছি।
কিন্তু Alumina silicate আমি ব্যবহার করি না। এর আলাদা কোনো প্রপার প্রুভিং নেই। সিলিসিয়া আর অ্যালুমিনা মিশিয়ে লক্ষণ বানানো বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। তাই এই ওষুধের ওপর আমার আস্থা নেই।

এগুলোই CKD নিয়ে আমার ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতার সংক্ষিপ্ত রূপ। ডা. এফ জে মাস্টার.

🌿 প্রাকৃতিক সৌন্দর্য: বাইরে নয়, ভেতর থেকে 🌿প্রতিটি নারীই সুন্দর দেখতে চায়—ত্বক, চুল, শরীর সব দিক থেকেই। কিন্তু একটা কথা ...
14/01/2026

🌿 প্রাকৃতিক সৌন্দর্য: বাইরে নয়, ভেতর থেকে 🌿

প্রতিটি নারীই সুন্দর দেখতে চায়—ত্বক, চুল, শরীর সব দিক থেকেই। কিন্তু একটা কথা আমাদের বুঝতে হবে,
👉 ত্বকে যে সমস্যা দেখা যায়, বেশিরভাগ সময় সেটা ত্বকের নয়—ভেতরের সমস্যা।

চুল পড়া, চুল পেকে যাওয়া, ত্বক রুক্ষ হওয়া—এসবই ইনসাইড ইমব্যালেন্সের ফল। তাই সমাধানও ভেতর থেকেই আসতে হবে।

✨ কী করলে ন্যাচারাল গ্লো আসবে?
• প্রতিদিন সকালে রোদে থাকা,
• রেড ও গ্রিন জুস নিয়মিত খাওয়া,
• বিশেষ করে বিটরুট জুস—এটা একটা প্রাকৃতিক টনিক তবে যাদের প্রেসার লো তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন ।
➡️ দেখবেন এক মাসের মধ্যেই ত্বকের গ্লো চোখে পড়বে ।

🚫 মুখে লোশন বা কেমিক্যাল কেন এড়িয়ে চলবেন?
ত্বকে যা লাগান, তা পোরস দিয়ে রক্তে ঢুকে যায়।
যে জিনিস খাওয়ার যোগ্য না, সেটা ত্বকেও লাগানো উচিত নয়।
কেমিক্যাল গ্লো সাময়িক, কিন্তু ক্ষতি দীর্ঘমেয়াদি।

🍽️ খাওয়ার সময়ও খুব গুরুত্বপূর্ণ
আমরা নিশাচর নই’
👉 সূর্যাস্তের আগে খাবার খাওয়া শরীরের জন্য স্বাভাবিক।
এই নিয়ম মানলে আলাদা করে ক্রিম বা কিছু ঢাকার প্রয়োজন পড়ে না।

🌱 প্রকৃত সৌন্দর্য মানে ফিল্টার নয়,
ভেতর সুস্থ হলে, বাইরে আপনাতেই আলো আসবে।
————————————-
ডা.মোঃ তাজুল ইসলাম

Address

Glow Health, Bawnia, Uttara
Dhaka
1230

Opening Hours

Monday 16:00 - 21:00
Tuesday 16:00 - 21:00
Wednesday 16:00 - 21:00
Thursday 16:00 - 21:00
Friday 16:00 - 21:00
Saturday 16:00 - 21:00
Sunday 16:00 - 21:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Tajul Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Tajul Islam:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category