Hijama Home Service

Hijama Home Service অভিজ্ঞ লোকের মাধ্যমে নিয়ম মেনে হিজামা করুন। সুস্থ থাকুন। হিজামার প্রতি পয়েন্ট কাপ বসানো বাবদ চার্জ 100 টাকা।
অবস্থা ভেদে একটু সুযোগ দেয়া যেতে পারে।

15/11/2025

হিজামা সম্পর্কে কতিপয় হাদীসঃ
১- রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম): “জিবরাঈল আমাকে জানিয়েছেন যে, মানুষ চিকিৎসার জন্য যতসব উপায় অবলম্বন করে, তম্মধ্যে হিজামাই হল সর্বোত্তম।” (আল-হাকিম নিশাবুরী, হাদীস নম্বর ৭৪৭০)।

২- রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম): “কেউ হিজামা করতে চাইলে সে যেন আরবী মাসের ১৭, ১৯ কিংবা ২১ তম দিনকে নির্বাচিত করে। রক্তচাপের কারণে যেন তোমাদের কারো মৃত্যু না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখবে।” (সুনানে ইবনে মাজা, হাদীস ৩৪৮৬)।

৩- রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম): “আমি মেরাজের রাতে যাদের মাঝখান দিয়ে গিয়েছি, তাদের সবাই আমাকে বলেছে, হে মুহাম্মদ! আপনি আপনার উম্মতকে হিজামার আদেশ করবেন।” (সুনানে তিরমিযী, হাদীস ২০৫৩)।

৪- রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম): “গরম বৃদ্ধি পেলে হিজামার সাহায্য নাও। কারণ, কারো রক্তচাপ বৃদ্ধি পেলে তার মৃত্যু হতে পারে।” (আল-হাকিম নিশাবুরী, হাদীছ ৭৪৮২)।

৫- রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম): “নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে।” (সহীহ মুসলিম, হাদীস ২২০৫)।

৬- রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম): “খালি পেটে হিজামাই সর্বোত্তম। এতে শেফা ও বরকত রয়েছে এবং এর মাধ্যমে বোধ ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়।” (সুনানে ইবনে মাজা, হাদীস ৩৪৮৭)।

৭- রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম): “হিজামাকারী কতই উত্তম লোক। সে দূষিত রক্ত বের করে মেরুদন্ড শক্ত করে ও দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে।” (সুনানে তিরমিযী, হাদীস ২০৫৩)।

৮- রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম): “আমি যখন সপ্তম আসমানে উঠলাম তখন আমার কাছ থেকে কোন ফেরেস্তা অতিক্রম করেনি। তখন শুধু একটি আওয়াজ আসে, হে মুহাম্মাদ! হিজামা করো! এবং তোমার উম্মতকে হিজামা করতে এবং কালো জিরা ও কাস্টাস এসপি (Costus sp) খেতে নির্দেশ দাও।” ( বিহারুল আনওয়ার, খন্ড ৬২, পৃঃ নং ৩০০, বাব নং ৮৯)।

৯- রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম): “পাঁচটি জিনিস নবীদের সুন্নত হিসেবে বিবেচিত:
এক: লজ্জা
দুই: মেসওয়াক
তিন: সুগন্ধি ব্যবহার
চার: হিজামা
পাঁচ: সহিষ্ণুতা।” (আল কাফি, খন্ড ৬, পঃ নং ৪৮৪)।

১০- ইমাম আমিরুল মুমিনীন আলী (আ.): “নি:সন্দেহে হিজামা দেহকে সুস্থ রাখে এবং আক্বল বুদ্ধিকে শক্তিশালী করে।” (বিহারুল আনওয়ার, খন্ড ৬২, পৃঃ নং ১১৪ এবং খন্ড ১০, পৃঃ নং ৮৯)।

১১- ইমাম আলী ইবনে মুসা আর রিদ্বা (আ.): “ আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছেন, যদি কোন কিছুতে শেফা বা আরোগ্য থেকে থাকে তাহলে তা হিজামাতে আছে অথবা মধুর শরবতে বিদ্যমান।” (ওয়াসায়িলুশ শিয়া, খন্ড ১৭, পৃঃ নং ৫৪)।

১২-রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম): “হিজামা করার ব্যাপারে জিবরাঈল আমাকে এতবার তাগিদ দিয়েছে যে, মনে করেছিলাম হিজামা করা ফরজ হয়ে গেছে।” (বিহারুল আনওয়ার, খন্ড ৬২, পৃঃ নং ১২৬)।

১৩- রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম): “আমার উম্মতের শেফা তিনটি জিনিসের মধ্যে নিহিত:
এক: আল্লাহর আয়াতের মধ্যে।
দুই: মধুর শরবতে।
তিন: হিজামা-তে।” (বিহারুল আনওয়ার, খন্ড ৯২, পৃঃ নং ১৭৬)।

১৪- রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম): “নিঃসন্দেহে হিজামা শেফা ও আরোগ্য দান করে।” (বিহারুল আনওয়ার, খন্ড ৬২, পৃঃ নং ১৩৫)।

স্বাভাবিক অবস্থায় হিজামার সময়ঃ
১। যে কোন আরবী মাসের ১৭, ১৯ ও ২১-এর যে কোন তারিখ।
২। সোম, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবারের যে কোন দিন। উল্লেখ্য, তারিখ ও দিনের মধ্যে বিরোধ হলে তারিখকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
৩। সকালে খালি পেটে হিজামা করা উত্তম।
৪। ফজরের পর হতে দুপুর ১২টার মধ্যে হিজামা করা উত্তম।
৫। হিজামার আগের ও পরের দিন সঙ্গম না করা উত্তম।

হিজামার নির্দিষ্ট স্থানসমূহঃ
১. মাথার উপরিভাগ তথা মধ্যভাগ।
২. মাথার ঠিক মাঝখানে।
৩. ঘাড়ের উভয় পাশে।
৪. ঘাড়ের নীচে উভয় কাঁধের মাঝখানে।
৫. উভয় পায়ের উপরিভাগে।
৬. মাথার নীচে চুলের ঝুটির স্থলে।
মাসআলাঃ রোযাদার ব্যক্তি হিজামা করলে রোজা নষ্ট হবে না।
হিজামা -এর মাধ্যমে যে সব রোগের চিকিৎসা করা হয়ে থাকেঃ
১। মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা
২। রক্তদূষণ
৩। উচ্চ রক্তচাপ
৪। ঘুমের ব্যাঘাত (insomnia)
৫। স্মৃতিভ্রষ্টতা (perkinson’s disease)
৬। অস্থি সন্ধির ব্যাথা/ গেটে বাত
৭। ব্যাক পেইন
৮। হাঁটু ব্যাথা
৯। দীর্ঘমেয়াদী সাধারন মাথা ব্যাথা
১০। ঘাড়ে ব্যাথা
১১। কোমর ব্যাথা
১২। পায়ে ব্যাথা
১৩। মাংসপেশীর ব্যাথা (muscle strain)
১৪। দীর্ঘমেয়াদী পেট ব্যথা
১৫। হাড়ের স্থানচ্যুতি জনিত ব্যাথা
১৬। থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা
১৭। সাইনুসাইটিস
১৮। হাঁপানি (asthma)
১৯। হৃদরোগ (Cardiac Disease)
২০। রক্তসংবহন তন্ত্রের সংক্রমন
২১। টনসিলাইটিস
২২। দাঁত/মুখের/জিহ্বার সংক্রমন
২৩। গ্যাস্ট্রিক পেইন
২৪। মুটিয়ে যাওয়া (obesity)
২৫। দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ (Chronic Skin Diseses)
২৬। ত্বকের নিম্নস্থিত বর্জ্য নিষ্কাশন
২৭। ফোঁড়া-পাঁচড়া সহ আরো অনেক রোগ।
২৮। ডায়াবেটিস (Diabetes)
↯↻↯↻↯
*🌐ইমামিয়া পাক দরবার শরীফ*

02/06/2024

বিবেচনায় নেয়া উচিত।

আজকে একটা ভয়ানক পোস্ট পেলাম।
ভাবলাম পোস্টটা এখানে আপলোড করি। আপলোড করতে গিয়ে দেখি লেখার অবস্থা খুবই বাজে। পরে সেটাকে কিছুটা পরিমার্জন করে আপলোড করলাম।
পোস্টটি বেশ সতর্কতামূলক।

আমার মনে হলো যে আপনাদের কাছে পোস্ট টি শেয়ার করলে উপকারেই আসবে।

ডাক্তারদের পরামর্শ হলো
"ইচ্ছে মাফিক ব্যথানাশক মেডিসিন খেয়ে কিডনি কে হত্যা করবেন না।
কিন্তু কে শুনে কার কথা।

সর্বোচ্চ বিক্রিত মেডিসিনের তালিকায় ব্যথা নাশক ঔষধ গোষ্ঠী প্রথম স্থান দখল করে আছে।

যাহোক ডাক্তার ও রোগীর কথোপকথনে আসি।
ডাক্তার চেম্বারে একজন রোগী এসেছে।
ডাক্তার জিজ্ঞাসা করলেন কি সমস্যা? রোগী বলতেছে কিডনি ড্যামেজ। ডাক্তার বলল কিভাবে নিশ্চিত হলেন।
রোগী বলল আমি এর আগে একজন ডাক্তার দেখিয়েছি তিনি কয়েকটি টেস্ট দিয়েছিলেন, টেস্টগুলো করিয়ে উনাকে দেখালে, উনি বললেন ক্রিয়েটিনিন লেভেল ১৪, হিমোগ্লোবিন রেট ৮.৪ ইত্যাদি।
আপনার কিডনি ড্যামেজ।

ডাক্তার জিজ্ঞাসা করেছেন আপনি এখানে এসেছেন কেন। রোগীর সোজা সাপটা উত্তর, আরো ভালো চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য।

আচ্ছা, কতদিন হয় এই সমস্যা ধরা পড়েছে।
স্যার ১ মাস হলো ধরা পরছে।
আপনার কিডনি ড্যামেজ করলেন কিভাবে? এর আগে আপনি কি কি ওষুধ খেয়েছেন বা অন্যান্য বদ-অভ্যাস থাকলে বলুন।
স্যার মাঝে মধ্যে গা হাত পা ব্যথা হইতো পরে ফার্মেসি থেকে নাপা ও ব্যথার ওষুধ কিনে খাইতাম। খাইলেই ভালো হইয়া যাইতাম। কিন্তু এই বারকার সমস্যা একটু বেশি ছিল। বমি বমি ভাব ও পা গুলা ফুলা লাগায় ডাক্তার এর কাছে গেলে ডাক্তার রক্তের ক্রিয়েটিনিন লেভেল পরীক্ষা করে দেখে ১৪। এটা দেখে ডাক্তার সাহেব বলছে ডায়লাইসিস করার জন্য।

ডাক্তার, আহ! কি ক্ষতিটাই না করলেন। কে বলছে আপনাকে কথায় কথায় নাপা, নাপা এক্সট্রা ও ব্যথা নাশক খেতে??

স্যার, এগুলাতো অনেকেই খায় তাই আমিও খাইতাম, খাইলে একটু ভালো থাকতাম।

ডাক্তার, আমি আমার এইটুকু বয়সে যতো কিডনি রোগী দেখেছি এর মধ্যে ৭০-৮০% রোগী হয়তো নিয়মিত ব্যাথার ওষুধ খেয়েছে, না হয় নাপা, নাপা এক্সট্রা, প্যারাসিটামল খেয়েছে। না হয় এলার্জির ঔষধ দীর্ঘ দিন খেয়েছে।

রোগী, আগে জানলে কি আর খাইতাম!
স্যার এই কথা বলনের মানুষ পাই নাই, তাই জানতামও না। যা হোক ডাক্তার রোগীর কথোপকথন শেষ।

"সময় থাকতে বুঝলে ভালো।
না হয় যখন বুঝবেন তখন অনেক দেরি হয়ে যাবে।

সংগৃহীত ও পরিমার্জিত।

হিজামা হোম সার্ভিসে আপনাকে স্বাগতম :✓এখানে  #অভিজ্ঞ_হিজামা_থেরাপিস্টের মাধ্যমে হিজামা করা হয়।✓ ঢাকা ও এর আশপাশের নিকটবর...
02/06/2024

হিজামা হোম সার্ভিসে আপনাকে স্বাগতম :

✓এখানে #অভিজ্ঞ_হিজামা_থেরাপিস্টের মাধ্যমে হিজামা করা হয়।
✓ ঢাকা ও এর আশপাশের নিকটবর্তী স্থানে হিজামা করতে ইচ্ছুক এমন সম্মানিত ব্যক্তিদের জন্য।

হিজামা হোম সার্ভিসে আপনাকে স্বাগতম!
02/06/2024

হিজামা হোম সার্ভিসে আপনাকে স্বাগতম!

12/03/2024

*🔊রমযান মাসে খাবার নিয়ে কিছু জরুরী কথাঃ*
🌺🌺🌺🌺🌺

*👁‍🗨সাহরী না খেয়ে বা শুধু পানি খেয়ে রোযা রাখবেন না।*

*👁‍🗨খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে ধীরে ধীরে খাবেন, যা আপনার হজমে সহায়ক হবে।*

*👁‍🗨ইফতার ও সাহরীর সময়ের মধ্যে অন্তত পক্ষে আট থেকে দশ গ্লাস পানি পান করুন।*

*👁‍🗨রান্নার কাজে খাবারে ডালডার পরিবর্তে সয়াবিন তেল ব্যবহার করুন, তবে যতটা সম্ভব কম পরিমাণে ব্যবহার করুন।*

*👁‍🗨অতিরিক্ত লবণ ও লবণাক্ত খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।*

*👁‍🗨ঘুমানোর আগে ও সাহরীর পরে অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করবেন।*

*👁‍🗨রোযা রাখা অবস্থায় সকালে ব্যায়াম না করে ইফতারের আগে সামান্য ব্যায়াম করা উচিত।*
↯↻↯↻↯
*🌐ইমামিয়া পাক দরবার শরীফ*

11/03/2024

✅🌿🍃🎄🌺
মাহে রমজান হচ্ছে বেশী করে দোয়া ও প্রার্থনা করার মাস। বেশী করে ইবাদত ও বন্দেগী করার মাস। রাত জাগার মাস। রাতে সাহরীর ওয়াক্তে জাগতিক ও আধ্যাত্মিক খাদ্য গ্রহণ ও পরিবেশনের মাস। তাই আসুন! নিচের দোয়াগুলো প্রতিটি ফরজ নামাজের পর এবং সাহরীর সময় তিলাওয়াত করিঃ

🌻হে আল্লাহ! তুমি আমাদের সকল প্রকার গুনাহ মাফ করে দাও।

🌻হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি পরকালবাসীদের আনন্দ ও সুখের ফুল্গধারায় প্রবাহিত করে দাও।

🌻হে আল্লাহ! তুমি সকল অভাবী ব্যক্তির অভাব দূর করে দাও।

🌻হে আল্লাহ! তুমি সকল ক্ষুধার্তের ক্ষুধা মিটিয়ে দাও।

🌻হে আল্লাহ! তুমি সকল বস্ত্রহীন ব্যক্তির, বস্ত্রের ব্যবস্থা করে দাও।

🌻হে আল্লাহ! তুমি

সকল ঋণী ব্যক্তির ঋণ পরিশোধের তৌফিক দিয়ে দাও।

🌻হে আল্লাহ! তুমি সকল দুশ্চিন্তাগ্রস্থ ব্যক্তির দুশ্চিন্তামুক্ত করে দাও।

🌻হে আল্লাহ! তুমি সকল অসহায় ব্যক্তিকে তার নিজ গন্তব্যস্থলে পৌছিয়ে দাও।

🌻হে আল্লাহ! তুমি অন্যায়ভাবে আটককৃত সকল নিরাপরাধ মানুষকে মুক্ত করে দাও।

🌻হে আল্লাহ! তুমি মুসলমানদের মাঝ থেকে সকল প্রকার দূর্নীতি দূর করে দাও।

🌻হে আল্লাহ! তুমি সকল রোগীদের আরোগ্য দান করে দাও।

🌻হে আল্লাহ! তুমি আমাদের মন্দ অবস্থাকে ভালো অবস্থায় পরিবর্তন করে দাও।

🌻হে আল্লাহ! তুমি আমাদের ঋণ পরিশোধ করে দাও এবং আমাদের অভাব মোচন করে দাও। কেননা, তুমি যে সর্বশক্তিমান ও মহাক্ষমতাবান।

🌻হে আল্লাহ! তুমি এ বছর এবং প্রতি বছর হজ্বে গিয়ে তোমার পবিত্র ঘর আর তোমার নবীর কবর যিয়ারত করার তৌফিক দিয়ে দাও। আর তাঁর উপর এবং তাঁর আলের উপর তোমার অফুরন্ত দরুদ ও সালাওয়াত বর্ষন করো।

🌻হে আল্লাহ! তুমি আমাদের দুনিয়া ও আখেরাতের সকল হাজত পূরণ করে দাও।

🌻হে আল্লাহ! তুমি ক্বদরের রাত্রিতে তোমার প্রিয় বান্দাদের জন্যে যা নির্ধারণ করে থাকো তা আমাদের জন্যেও নির্ধারণ করে দাও। আর তোমার পবিত্র ঘরের যিয়ারতকারী হিসেবে অবশ্যই আমাদের নাম লিপিবদ্ধ করে দাও।

🌻হে আল্লাহ! তুমি আমাদের আয়ু বৃদ্ধি করে দাও এবং আমাদের রিযিকের বিস্তৃতি ঘটাও।

🌻হে সকল দয়াবানদের চেয়েও অতিশয় দয়াময়! তোমার রহমতের উসিলায় তুমি আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও এবং আমাদেরকে তোমার জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দাও।
↯↻↯↻↯‎
🌐 *ইমামিয়া পাক দরবার শরীফ*

11/03/2024

*🍀মাহে রমযান শুরু হবার পূর্বেই রোযা সংক্রান্ত কিছু জরুরী মাসআলা-মাসায়িল জেনে নিন:👇*

*❇️রোযার মাসআলা নং ০৭:*
*✍️ধুমপান রোযা নষ্ট করে দেয়।*

*❇️রোযার মাসআলা নং ০৮:*
*✍️শরীরের খাদ্য হিসেবে স্বীকৃত অথবা পুষ্টি বৃদ্ধির জন্যে ইনজেকশন শরীরে পুশ করলে রোযা ভেঙ্গে যায়।*

*❇️রোযার মাসআলা নং ০৯:*
*✍️জেনে শুনে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে অথবা খাময়োলী করে যদি গাঢ় ধুলা-বালি গলাধঃকরণ করা হয় তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে।*

*❇️রোযার মাসআলা নং ১০:*
*✍️পেটের ভিতর থেকে কোন খাদ্যদানা যদি মুখের ভিতর এসে যায় তাহলে কর্তব্য হচ্ছে, সেটা বাইরে ফেলে দেয়া। আর তা না হলে যদি তা আবার গিলে ফেলা হয় তাহলে রোযা ভেঙ্গে যায়।*

*❇️রোযার মাসআলা নং ১১:*
*✍️দিনের বেলায় স্বপ্নদোষ হলে রোযা ভাঙ্গবে না। কিন্তু দ্রুত পাক হয়ে যাওয়া রোযাদারের কর্তব্য।*

*❇️রোযার মাসআলা নং ১২:*
*✍️রোযার দিনে অতিরিক্ত গরমের কারণে মাত্রাতিরিক্ত গোসল করা রোযার সাওয়াব কম হয়ে যাওয়ার কারণ।*

*❇️রোযার মাসআলা নং ১৩:*
*✍️রোযা রাখা অবস্থায় যে কোন পেষ্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করলে রোযা নষ্ট হবে না বটে, কিন্তু সেই পেষ্টের স্বাদ ও ফেনা যদি গলাধঃকরণ হয়ে যায় তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। তাই রোযা অবস্থায় পেষ্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ না করাই উত্তম।*
↯↻↯↻↯
*🌐ইমামিয়া পাক দরবার শরীফ*

11/03/2024

*🍀মাহে রমযান শুরু হবার পূর্বেই রোযা সংক্রান্ত কিছু জরুরী মাসআলা-মাসায়িল জেনে নিন:👇*

*❇️মাসআলা নং ০৪:*
*"সূরা আল বাক্বারার ১৮৭ নং আয়াত অবলম্বনে প্রতিদিনের রোযার সময়সীমা হচ্ছে ফাজরে সাদ্বিক থেকে রাত্রি পর্যন্ত। যারা সন্ধ্যাকে রাত্রির মধ্যে গণ্য করেন তারা সন্ধ্যা ও রাত্রির দুইটি সময়কে এক করে ফেলেছেন। সন্ধ্যা দিনেরও অংশ না, রাত্রিরও অংশ না। সন্ধ্যাবেলা নিজেই একটা সময়। অর্থাৎ দিনের শেষে সন্ধ্যা শুরু হয় এবং রাত শুরুর পূ্র্বে সন্ধ্যা শেষ হয়। তাই, সন্ধ্যা শেষ হয়ে গেলেই অর্থাৎ রাত শুরু হলেই একজন রোযাদার ইফতার করার অনুমতি পায়। রাত শুরুর আগে পানাহার করলে রোযা অপূর্ণ থেকে যায়। আর এ বিষয়টি জানা-বুঝার পরো যদি কোন রোযাদার রাত আগমনের পূর্বেই ইফতারী করে নেয় তাহলে গুনাহর পাশাপাশি তাকে এর জন্যে কাফফারাও দিতে হবে। আর যদি না জেনে কাজটি করে তাহলে তাকে রমযান মাসের পর একটি রোযার বদলে একটি রোযা ক্বাজা আদায় করে নিতে হবে।"*

*❇️রোযার মাসআলা নং ০৫:*
*✍️রোজার সময়সীমার ভিতরে রোজা ভঙ্গের যে কোন একটি কারণ সম্পাদন করলেই রোজা নষ্ট হয়ে যাবে। তাই, রোজা ভঙ্গের কারণগুলোর যে কোন একটি রাতের বেলা সম্পাদন করলেই ধরা হবে যে, সে ইফতার করেছে। তবে ইফতার না করলেও রাত হবার সঙ্গে সঙ্গে রোযা রাখার সময়সীমা শেষ হয়ে যায়।*

*❇️রোযার মাসআলা নং ০৬:*
*✍️রোজা ভঙ্গের কারণসমূহঃ*
*একঃ পানাহার (অনিচ্ছাকৃতভাবে অথবা বাধ্য হয়ে পানাহার করলেও রোজা ভেঙ্গে যাবে। তবে না জেনে অথবা ভুলে পানাহার করলে রোজা ভাঙ্গবে না)।*

*দুইঃ স্বামী-স্ত্রীর যৌন মিলন।*

*তিনঃ ইচ্ছাকৃতভাবে বীর্য বের করা।*

*চারঃ আল্লাহ, রাসূল ও তাঁর আহলে বাইতের কারো ব্যাপারে মিথ্যা আরোপ করা।*

*পাঁচঃ পুকুরে অথবা নদীতে মাথা ডুবিয়ে গোসল করা।*

*ছয়ঃ জেনেশুনে বা ইচ্ছাকৃতভাবে রোজার রাত্রিতে ফজরের সময়ের পূর্ব পর্যন্ত জানাবাতের নাপাকির হালতে থাকা।*

*সাতঃ ইচ্ছাকৃতভাবে অথবা কোন চিকিৎসা কারণ ছাড়াই বমি করা।*
↯↻↯↻↯
*🌐ইমামিয়া পাক দরবার শরীফ*

11/03/2024

*🍀মাহে রমযানের রোযা সংক্রান্ত কিছু জরুরী মাসআলা-মাসায়িল:👇*

*📘রোযার মাসআলা নং ০২:*
যে কোন কাজের আগে সেই কাজের নিয়ত করা ফরজ। তবে মনে মনে অথবা কি করছে তা স্মরণ করে শুরু করলেই নিয়ত হয়ে যায়। নিয়তের জন্যে মুখে উচ্চারণ করা জরুরী নয়। তবে কেউ যদি মুখেও বলতে চায় তাতেও কোন আপত্তি নেই। আর এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন ভাষায় নিয়ত করা ফরজ নয়।

*📓রোযার মাসআলা নং ০৩:*
রমযান মাসের রোযার নিয়ত রমযান মাসের প্রথম রাত্রিতে অর্থাৎ ১ম রোযার পূর্ব রাত্রিতে সাহারীর সময়ে ভোজনের পর পুরো মাসের রোযা রাখার নিয়ত করা যেতে পারে। তবে এর সাথে প্রতি দিনের রোযার নিয়ত প্রতিদিন আলাদা আলাদাভাবেও করার মধ্যে কোন আপত্তি নেই।
↯↻↯↻↯
*🌐ইমামিয়া পাক দরবার শরীফ*

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 07:00 - 19:00
Tuesday 07:00 - 19:00
Thursday 07:00 - 19:00

Telephone

+8801553032201

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hijama Home Service posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Hijama Home Service:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram