ইবাদত মেডিকেল সেন্টার

ইবাদত মেডিকেল সেন্টার আপনার সেবায় আমরা....

যদি কারো পরিচিত এমন কেউ থাকে যার হাটুর উপরে অথবা নিচের দিকে পা কাটা আছে, তাকে অবশ্যই "পঙ্গু হাসপাতাল (NITOR) এর ৩য় তলায় ...
26/09/2020

যদি কারো পরিচিত এমন কেউ থাকে যার হাটুর উপরে অথবা নিচের দিকে পা কাটা আছে, তাকে অবশ্যই "পঙ্গু হাসপাতাল (NITOR) এর ৩য় তলায় (শ্যামলী, ঢাকা)" এসে যোগাযোগ করতে বলবেন। সেখানে বিনামূল্যে কৃত্রিম পা লাগানো হবে।

এজন্য বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞরা এসেছেন এবং ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত থাকবেন।

যদি কারো পরিচিত জনের এই সমস্যা থাকে তাহলে অতি দ্রুত সেবাটি গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি।

আপনার এটুকু তথ্য হয়তো কোন এক প্রতিবন্ধীর জন্য তার পা হারানোর বেদনা হতে ক্ষাণিক পরিত্রাণ পেতে সাহায্য করবে।

জরুরী রক্তের প্রয়োজনে কল করতে পারেন,এই নম্বর গুলোতে।
25/09/2020

জরুরী রক্তের প্রয়োজনে কল করতে পারেন,এই নম্বর গুলোতে।

ইউরোপে দ্বিতীয় বারের মতো আঘাত হেনেছে করোনা ভাইরাস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতের শুরুতে দ্বিতীয় ধাপে আঘাত হানবে বাংলাদেশেও। আ...
23/09/2020

ইউরোপে দ্বিতীয় বারের মতো আঘাত হেনেছে করোনা ভাইরাস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতের শুরুতে দ্বিতীয় ধাপে আঘাত হানবে বাংলাদেশেও।

আপনাদের জ্বর ও কাশি থাকলে অবহেলা করবেন না।

আপনাদের সেবায় পাশে আছে ইবাদত মেডিকেল সেন্টার। কানাডা- বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা রয়েছে আপনাদের সেবায়। যেকোনো রোগের জন্য চলে আসুন..... নিচের ঠিকানায়....

23/09/2020
"হঠাৎ কেউ স্ট্রোক করলে কি করবেন"
22/09/2020

"হঠাৎ কেউ স্ট্রোক করলে কি করবেন"

 #প্রসংগঃ  #নিকট_আত্মীয়_রক্তদান।পরিচিত এক আংকেল এর  সার্জারী হলো। সার্জারীর সময় রক্তের প্রয়োজন হয়েছিলো। তার আপন ছোটভাই ছ...
21/09/2020

#প্রসংগঃ #নিকট_আত্মীয়_রক্তদান।
পরিচিত এক আংকেল এর সার্জারী হলো। সার্জারীর সময় রক্তের প্রয়োজন হয়েছিলো। তার আপন ছোটভাই ছুটে এলেন রক্ত দিতে। সার্জারী সাকসেসফুল হলো। ৬ দিন পর আংকেল রিলিজ নিয়ে খুশি খুশি বাড়ি চলে আসলেন। ১১তম দিনে উনার শরীরে কিছু র‌্যাশ দেখা দিলো। ধীরে ধীরে জ্বর, হলকা জন্ডিস এবং আস্তে আস্তে তার শরীর খুব খারাপ দিকে টার্ন নিলো।

পুনরায় হাসপাতালে ভর্তী হলেন।

বড় বড় বেশ অনেকজন ডাক্তার তাকে দেখলেন এবং অনেক কষ্টে রোগ নির্নয় হলো।

কিন্তু দুঃখজনক, শেষ পর্যন্ত তিনি মারা ই গেলেন।

রোগ টা কি ছিলো?

রোগটার নাম 𝐓𝐀-𝐆𝐕𝐇𝐃..

অর্থাৎ 𝐓𝐫𝐚𝐧𝐬𝐟𝐮𝐬𝐢𝐨𝐧 𝐀𝐬𝐬𝐨𝐜𝐢𝐚𝐭𝐞𝐝 𝐆𝐫𝐚𝐟𝐭 𝐕𝐬 𝐇𝐨𝐬𝐭 𝐃𝐢𝐬𝐞𝐚𝐬𝐞.

রক্ত নেবার পর এই রোগ হয় অনেকের।
এই রোগ টি হবার বেশ অনেকগুলো কারন আছে, তবে তার মাঝে একটি কারন হলো নিকট আত্মীয় থেকে যদি কেউ রক্ত গ্রহন করে।

যেমন এই আংকেল কে তার ছোটভাই রক্ত দিয়েছিলেন।😥

চমকে উঠলেন??? ভাবলেন এ আবার কি বিপদ!!

আপনি তো কতবার নিজের পরিবারের সদস্যদের রক্ত দিয়েছেন। কই কিছুই তো হয় নি!!
সারাজীবন তো জেনে এসেছেন যে কাছের লোকেরা রক্ত দিলেই নিরাপদ!!

আপনি সামান্য ভুল জেনে এসেছেন। আসলেই এমন ঘটনা হয়। তবে খুব খুব রেয়ার।

কিন্তু রোগ টা খুব রেয়ার হলেও মৃত্যুহার ৯০-৯৫%..
অর্থাৎ এটি হলে মারা যাবার চান্স খুবই বেশী।

আচ্ছা এবার ব্যাখ্যা করি যে এটি কেন হয়। শরীরের ইমুন সিস্টেম সম্পর্কে যাদের ভালো জ্ঞান আছে তারা ভালো বুঝবেন।

আমাদের সবার শরীরেই রক্তের মাঝে ইমিউন সিস্টেমের অংশ হিসেবে কিছু সৈন্য সামন্ত ঘুরে বেড়ায়। এদের মাঝে বিখ্যাত একজনের নাম টি লিম্ফোসাইট (T Lymphocyte) বা টি সেল (T Cell)।
আচ্ছা, আজকে আদর করে ওকে টিলু ভাই ডাকা হোক। শিখাও হবে, মজাও হবে।

তো টিলু ভাই করে কি, যখনি শরীরে কোন অপরিচিত কেউ ঢুকে, তখনি তাকে এট্যাক করে মেরে ফেলে।
যেমন ধরুন আজ ঠুস করে কোন ম্যাচিং ফ্যাচিং না করে আপনার কিডনী আমার শরীরে ফিট করে দিলাম।
আমার রক্তের টিলু ভাই সাথে সাথে বিদ্রোহ ঘোষনা করবে। ঐ অপরিচিত কিডনী কে সে মেরে ফেলবে।

কিন্তু ম্যাচিং করে যদি কিডনী নেই আমি, তাহলে আমার নতুন কিডনী আর আমার টিলুভাই শান্তিপূর্নভাবে বসবাস করবে। মাঝে মাঝে একে অপরকে জিজ্ঞাসা করবে, "বাবু খাইসো?"

এবার বিষয়টা আরেকভাবে চিন্তা করুন,

ধরুন আপনার রক্ত আমার শরীরে নিলাম।

আপনার রক্তে ভেসে বেড়ানো আপনার শরীরের টিলু ভাই রা আমার শরীরে ঢুকে পড়লো।

ঢুকার সাথে সাথে তার মেজাজ হট হয়ে যাবে।
কারন সে দেখবে ডাইনে বায়ে উপর নীচে সব শত্রু আর শত্রু। যেহেতু সে আপনার শরীর থেকে এসেছে, তার কাছে মনে হবে আমার কিডনী লিভার ফুসফুস বোন মেরো.. সবই শুত্রু।

তখন সে শুরু করবে আমার বিভিন্ন অঙ্গ কে এট্যাক করা।

কিন্তু সে বেশিক্ষন এট্যাক করতে পারবে না। কারন আমার শরীরের ইমুন সিস্টেম সহ আমার শরীরের টিলুভাই রা তাকে দেখে ফেলবে। দেখেই বুঝবে যে এরা ভিন্ন শরীর থেকে আসা টিলুভাই গ্যাং। তখন আমার শরীরের ইমুনিটি সাথে সাথে ওদের কে কান ধরে নিয়ে এসে থাপড়ায়া মেরে ফেলবে।

ব্যাস, সমস্যার সমাধান।

এভাবেই আমরা রক্ত গ্রহন করার পর ডোনার এর রক্তের সাথে ভেসে আসা টিলুভাই এর আক্রমন থেকে বেচে যাই।

কিন্তু,
এখন ধরুন আপনাকে রক্ত দিলো আপনার বোন।
যেহেতু আপনারা ভাইবোন, তাই কিছুটা সম্ভাবনা থাকে আপনার বোনের রক্তের টিলুভাই এবং আপনার রক্তের টিলুভাই অবিকল একই রকম দেখতে।

সুতরাং আপনার বোন এর রক্তের টিলুভাই আপনার শরীরে ঢুকে যখন গ্যান্জাম শুরু করবে, তখন আপনার শরীরের ইমুন সিস্টেম তাকে চিনতে পারবে না। কারন দেখতে অবিকল নিজের ঘরের টিলুভাই এর মতই।

এভাবে এরকম আপনজনের মুখোশ পড়ে আপনার বোন এর রক্তের টিলুভাই রা মনের সুখে আপনার শরীর ধ্বংস করতে থাকবে।
এদিকে আপনার ইমিউন সিস্টেম বোকার মত চুপচাপ বসে থাকবে। শত্রুকে চিনতেই পারবে না।

এভাবে আস্তে আস্তে হয়তো আপনি মারা যাবেন।

এই যে এই কন্ডিশনটা, এই বিশেষ রোগটার নাম ই TA GVHD..

আশা করি বুঝাতে পেরেছি।

বুঝেন আর না বুঝেন, TA GVHD সংক্রান্ত নীচের কয়েকটা পয়েন্ট শুধু মনে রাখেন।

১। জ্বী হ্যা। নিকট আত্মীয় রক্ত দিলে TA GVHD নামক ভয়ংকর একটি রোগ হওয়া সম্ভব। তবে খুব রেয়ার সম্ভাবনা। খুব রেয়ার।

২। হ্যা, এটা সত্যি যে এ রোগের চিকিৎসা নেই। ৯০-৯৫% লোকই। মারা যায়। তবে আবার মনে করিয়ে দেই, এটি একটি রেয়ার রোগ।

৩। রেয়ার সম্ভাবনা হলেও, যেহেতু এটা হওয়া সম্ভব সেহেতু ডোনার হিসেবে অনাত্মীয় কাউকেই প্রথম প্রায়োরিটি দিন।
একান্তই না পাওয়া গেলে ভিন্ন কথা।

৪। আত্মীয়র রক্ত যদি ইরেডিয়েট করে নিতে পারেন, তাহলে এই রোগ হবার সম্ভাবনা নেই। তবে এই ইরেডিয়েট করার ব্যাপারটা বাংলাদেশে খুব খুব খুব কম হাসপাতালেই হয়। (যেমন স্কয়ার হাসপাতাল)

৫। রক্ত যেমন জীবন বাচায়, রক্তে তেমন জীবন ও যায়। সুতরাং রক্ত ডোনেশন সম্পর্কিত সব তথ্য ভালোমত জেনে নেওয়া আমাদের দায়ীত্ব।

স্বামী স্ত্রী এর বিষয়টা এত জটিল না, সহজ হিসেব। দুজন মানুষের রক্ত কখনো এক হয় না। যতই ম্যাচিং করা হোক, কিছু পার্থক্য থাকেই।
এবং সেই ক্ষুদ্র পার্থক্যের কারনে রিসিভারের রক্তে ডোনারের রক্তের বিরুদ্ধে এন্টিবডি হয়ে থাকে।
স্বামী যদি স্ত্রী কে রক্ত দেয়, তাহলে স্বামীর রক্তের বিরুদ্ধে স্ত্রী এর শরীরে এন্টিবডি তৈরী হয়ে থাকবে। এরপর স্ত্রী এর পেটে যখন সন্তান আসবে,
তখন সেই এন্টিবডি গুলো সন্তানকে আক্রমন করতে পারে (কারন সন্তানের ভিতর পিতা মাতা উভয়েরই জিনেটিকাল ইনফরমেশন থাকে)।
এ জন্যই ভবিষ্যতে সন্তান নেবার প্লান যাদের আছে, সেই সব স্বামী কে স্ত্রী এর জন্য ব্লাড ডোনার হতে নিষেধ করা হয়।

(Collected from
𝑫𝒓 𝑺𝒉𝒂𝒉𝒓𝒊𝒂𝒓 𝑷𝒂𝒓𝒗𝒆𝒛)

STAY SAFE
15/09/2020

STAY SAFE

04/09/2020

ইবাদত মেডিকেল সেন্টারের সেবা সমূহঃ

১.বিশেষজ্ঞ ডাক্তারঃ
ক.মেডিসিন
খ.গাইনি এন্ড অবস
গ.নবজাতক ও শিশু
ঘ.চর্ম ও যৌন
ঙ.ডায়বেটিস
চ.নিঃসন্তান দম্পতি চিকিৎসা
চ.অর্থোপেডিক্স
ছ.জেনারেল ও লেপারস্কপি সার্জারী।

২.ডেন্টাল বিভাগঃ
ক.ব্যাথামুক্তভাবে দাত তোলা হয়। খ.আঁকাবাঁকা দাত সোজা করা হয় গ.সুসজ্জিত রুট ক্যানেল(RCT) ইকুইপমেন্ট। ঘ.দাতের natural colour মিলিয়ে অত্যাধুনিক light cure filling,GL filling করা হয়। ঙ.ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ দাঁতের চেকাপ করা হয়। চ.আধুনিক ল্যাবের মাধ্যমে Cap ও Bridge করা হয়। ছ.অত্যাধুনিক আল্ট্রাসনিক মেশিনে স্কেলিং ও পলিশিং করা হয়। জ.চিকিৎসা কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ১০০% জীবাণু মুক্ত।

৩.ফিজিওথেরাপিঃ
ক.ইন্টারফেরেনশিয়াল থেরাপি(IFT) খ.মেকানিক্যাল ট্রাকশন(Traction) গ.ইলেকট্রিক্যাল স্টিমুলেশন(EST)
ঘ.সর্ট ওয়েভ ডায়াথার্মি(SWD)
ঙ.আল্ট্রা সাউণ্ড থেরাপি (UST)
চ.ইনফারেড রেডিয়েশন(IRR)
ছ.ওয়াক্স বার্থ(WAX)
(কোমর ব্যাথা, ঘাড়ে ব্যাথা,বাত ব্যাথা,হাটুতে ব্যাথা,গোড়ালিতে ব্যাথা,প্যারালাইসিস রোগীদের থেরাপি দেওয়া হয়।)

৪.ল্যাবরেটরিঃ
ক.হরমোন পরিক্ষা
খ.ইমিউনলজি
গ.আলট্রাসনোগ্রাফি
ঘ.ইসিজি
ঙ.সকল প্রকার রক্ত ও মল-মুত্র পরীক্ষা করা হয়

৫.বিবিধঃ
ক. টেলি মেডিসিন চিকিৎসা সুবিধা
খ.ইবাদত ফার্মেসীর সকল দেশীয় ঔষধের উপর ৫% ডিসকাউন্ট ও ফোনে অথবা পেইজে অর্ডার করলে হোম ডেলিভারি সুবিধা
গ.মেডিকেল সেন্টারের বিভিন্ন কার্ড সুবিধা, (যেমন-সিনিয়র সিটিজেন কার্ড,ভিআইপি কার্ড, দুস্থ কার্ড,হেলথ ক্লাব কার্ড)
ঘ.সকল পরিক্ষার উপর ৩০% ডিসকাউন্ট।
ঙ.বিশেষ ক্ষেত্রে বাসায় গিয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর সুবিধা।

 #করোনা_ফ্যাক্ট
17/06/2020

#করোনা_ফ্যাক্ট

Address

১৮ নং সিদ্ধেশ্বরী লেন, ঢাকা-১২১৭
Dhaka

Telephone

+8801795903217

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইবাদত মেডিকেল সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share