Amatullahs Era

Amatullahs Era Alternative & Holistic Health Service · Religious Organization · Nonprofit Organization

The Messenger of Allah [SAW] used to seek refuge from the evil eye of the Jinn and the evil eye of humans. When Al-Mu'aw...
26/12/2025

The Messenger of Allah [SAW] used to seek refuge from the evil eye of the Jinn and the evil eye of humans. When Al-Mu'awwadhatan were revealed, he started to recite them and stopped reciting anything else."

Sunan an-Nasa'i 5494
Book 50, Hadith 67
Vol. 6, Book 50, Hadith 5496


সুরা আল-কাহ্ফ এর ধারাবাহিক তাফসীর🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿আয়াত নং- ৪৬ ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দুনিয়ার জীবনের শোভা; আর স্থায়ী সৎকাজ [১...
25/12/2025

সুরা আল-কাহ্ফ এর ধারাবাহিক তাফসীর

🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿

আয়াত নং- ৪৬
ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দুনিয়ার জীবনের শোভা; আর স্থায়ী সৎকাজ [১] আপনার রব-এর কাছে পুরস্কার প্রাপ্তির জন্য শ্রেষ্ঠ এবং কাঙ্ক্ষিত হিসেবেও উৎকৃষ্ট।

তাফসীরঃ

[১] স্থায়ী সৎকাজ বলতে কুরআনে বর্ণিত বা হাদীসে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক অনুমোদিত যাবতীয় নেককাজই বুঝানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং সাহাবায়ে কিরামের বিভিন্ন উক্তির মাধ্যমে তা স্পষ্ট হয়েছে। উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর দাস হারেস বলেন, উসমান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু একদিন বসলে আমরা তার সাথে বসে পড়লাম। ইতিমধ্যে মুয়াজ্জিন আসল। তিনি পাত্রে করে পানি নিয়ে আসার নির্দেশ দিলেন। সে পানির পরিমাণ সম্ভবত এক মুদ (৮১৫.৩৯ গ্রাম মতান্তরে ৫৪৩ গ্রাম) পরিমান হবে। (দেখুন, মুজামুলুগাতিল ফুকাহা)। তারপর উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু সে পানি দ্বারা অজু করলেন এবং বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমার এ অজুর মত অজু করতে দেখেছি। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যদি কেউ আমার অজুর মত অজু করে জোহরের সালাত আদায় করে তবে এ সালাত ও ভোরের মাঝের সময়ের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। তারপর যদি আসরের সালাত আদায় করে তবে সে সালাত ও জোহরের সালাতের মধ্যকার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। এরপর যদি মাগরিবের সালাত আদায় করে তবে সে সালাত ও আসরের সালাতের মধ্যে কৃত গুনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হবে। । তারপর এশার সালাত আদায় করলে সে সালাত এবং মাগরিবের সালাতের মধ্যে হওয়া সমূদয় গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। এরপর সে হয়ত: রাতটি ঘুমিয়েই কাটিয়ে দিবে। তারপর যখন ঘুম থেকে জেগে অজু করে এবং সকালের সালাত আদায় করে তখন সে সালাত এবং এশার সালাতের মধ্যকার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। আর এগুলোই হলো এমন সৎকাজ যেগুলো অপরাধ মিটিয়ে দেয়। লোকেরা এ হাদীস শোনার পর বলল, হে উসমান এগুলো হলো “হাসানাহ" বা নেক-কাজ। কিন্তু “আল-বাকিয়াতুস-সালেহাত কোনগুলো? তখন তিনি বললেন তা হলো, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ‘,"সুবহানাল্লাহ’, ‘আলহামদুলিল্লাহ’, ‘আল্লাহু আকবার’ এবং “লা হাওলা ওলা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’। [মুসনাদে আহমাদ: ১/৭১] “আল-বাকিয়াতুস-সালেহাত” এর তাফসীরে এ পাঁচটি বাক্য অন্যান্য অনেক সাহাবা, তাবেয়ী ও তাবে তাবেয়ীনদের থেকেও বর্ণিত হয়েছে। তবে ইবন আব্বাস থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন: “আলবাকিয়াতুস-সালেহাত” দ্বারা আল্লাহর যাবতীয় যিকর বা স্মরণকে বুঝানো হয়েছে। সে মতে তিনি “তাবারাকাল্লাহ’, ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাত পাঠ, সাওম, সালাত, হজ্জ, সাদাকাহ, দাসমুক্তি, জিহাদ, আত্মীয়তার সম্পর্ক সংরক্ষণ সহ যাবতীয় সৎকাজকেই এর অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং বলেছেন: এর দ্বারা ঐ সমৃদয় কাজই উদ্দেশ্য হবে যা জান্নাতবাসীদের জন্য যতদিন সেখানে আসমান ও যমীনের অস্তিত্ব থাকবে ততদিন বাকী থাকবে অর্থাৎ চিরস্থায়ী হবে; কারণ জান্নাতের আসমান ও যমীন স্থায়ী ও অপরিবর্তনশীল। [ইবন কাসীর]

আয়াত নং- ৪৭

আর স্মরণ করুন, যেদিন আমরা পর্বতমালাকে করব সঞ্চালিত [১] এবং আপনি যমীনকে দেখবেন উন্মুক্ত প্রান্তর [২], আর আমরা তাদের সকলকে একত্র করব; তারপর তাদের কাউকে ছাড়ব না।

তাফসীরঃ

[১] অর্থাৎ যখন যমীনের বাঁধন আলগা হয়ে যাবে এবং পাহাড় ঠিক এমনভাবে চলতে শুরু করবে। যেমন আকাশে মেঘেরা ছুটে চলে। কুরআনের অন্য এক জায়গায় এ অবস্থাটিকে এভাবে বলা হয়েছেঃ “আর আপনি পাহাড়গুলো দেখছেন এবং মনে করছেন এগুলো অত্যন্ত জমাটবদ্ধ হয়ে আছে কিন্তু এগুলো চলবে ঠিক যেমন মেঘেরা চলে।” [সূরা আন-নামলঃ ৮৮] আরো বলা হয়েছেঃ “যেদিন আকাশ আন্দোলিত হবে প্রবলভাবে এবং পর্বত চলবে দ্রুত; [সূরা আত-তূর: ৯-১০] আরো এসেছেঃ “আর পর্বতসমূহ হবে ধূনিত রঙ্গীন পশমের মত। ” [সূরা আল-কারি'আ: ৫]

[২] অর্থাৎ এর উপর কোন শ্যামলতা, বৃক্ষ তরুলতা এবং ঘরবাড়ি থাকবে না। সারাটা পৃথিবী হয়ে যাবে একটা ধুধু প্ৰান্তর। এ সূরার সূচনায় এ কথাটিই বলা হয়েছিল এভাবে যে, “এ পৃথিবী পৃষ্ঠে যা কিছু আছে সেসবই আমি লোকদের পরীক্ষার জন্য একটি সাময়িক সাজসজা হিসেবে তৈরী করেছি। এক সময় আসবে যখন এটি সম্পূর্ণ একটি পানি ও বৃক্ষ লতাহীন মরুপ্রান্তরে পরিণত হবে। ”

Tafsir Dr. Abu Bakar Zakaria
©️আগের পর্বগুলো
https://t.me/+2pR8-61Vs241ZTU1

দুঃখ ও দুশ্চিন্তার সময় পড়ার দু'আاَللّٰهُمَّ اِنِّيْ عَبْدُكَ، اِبْنُ عَبْدِكَ، اِبْنُ اَمَتِكَ، نَاصِيَتِيْ بِيَدِكَ، مَ...
20/12/2025

দুঃখ ও দুশ্চিন্তার সময় পড়ার দু'আ

اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ عَبْدُكَ، اِبْنُ عَبْدِكَ، اِبْنُ اَمَتِكَ، نَاصِيَتِيْ بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، اَسْاَلُكَ بِكُلِّ اِسْمٍ هُوَ لَكَ، سَمَّيْتَ بِهٖ نَفْسَكَ، اَوْ اَنْزَلْتَهٗ فِيْ كِتَابِكَ، اَوْ عَلَّمْتَهُ اَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ، اَوِ اسْتَاْثَرْتَ بِهٖ فِيْ عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ، اَنْ تَجْعَلَ الْقُرْاٰنَ رَبِيْعَ قَلْبِيْ، وَنُوْرَ صَدْرِيْ، وَجَلَاۤءَ حُزْنِيْ، وَذَهَابَ هَمِّيْ

হে আল্লাহ! আমি আপনার বান্দা, আপনারই এক বান্দার পুত্র এবং আপনার এক বাঁদীর পুত্র। আমার কপাল (নিয়ন্ত্রণ) আপনার হাতে; আমার উপর আপনার নির্দেশ কার্যকর; আমার ব্যাপারে আপনার ফয়সালা ন্যায়পূর্ণ। আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করি আপনার প্রতিটি নামের উসীলায়; যে নাম আপনি নিজের জন্য নিজে রেখেছেন অথবা আপনি আপনার কিতাবে নাযিল করেছেন অথবা আপনার সৃষ্টজীবের কাউকেও শিখিয়েছেন অথবা নিজ গায়েবী জ্ঞানে নিজের জন্য সংরক্ষণ করে রেখেছেন—আপনি কুরআনকে বানিয়ে দিন আমার হৃদয়ের প্রশান্তি, আমার বক্ষের জ্যোতি, আমার দুঃখের অপসারণকারী এবং দুশ্চিন্তা দূরকারী।

আব্দুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন: “যে কোনো ব্যক্তি যদি কখনো দুশ্চিন্তা ও উৎকণ্ঠাগ্রস্ত অবস্থায় বা দুঃখ বেদনার মধ্যে নিপতিত হয়ে উপরের বাক্যগুলি বলে দু‘আ করে, তাহলে অবশ্যই আল্লাহ তার দুশ্চিন্তা ও উৎকণ্ঠা দূর করবেনই এবং তার বেদনাকে আনন্দে রূপান্তরিত করবেনই।” উপস্থিত সাহাবীগণ বলেন : তাহলে আমাদের উচিত এ বাক্যগুলো শিক্ষা করা। তিনি বললেন : “হাঁ, অবশ্যই, যে এগুলো শুনবে তার উচিত এগুলো শিক্ষা করা।” হাদীসটির সনদ গ্রহণযোগ্য।

বি. দ্র. মহিলারা এ দুআ পাঠ করলে দুআর শুরুতে বলবেন: “আল্লা-হুম্মা ইন্নী আমাতুকা, ওয়া বিনতু আবদিকা ওয়া বিনতু আমাতিকা ...”, অর্থাৎ: হে আল্লাহ আমি আপনার বান্দী, আপনার (একজন) বান্দার কন্যা, আপনার এক বান্দীর কন্যা ....।

রেফারেন্স: আহমাদ ১/৩৯১, নং ৩৭১২।

সোর্স: হিসনুল মুসলিম

The Messenger of Allah [SAW] used to seek refuge from the evil eye of the Jinn and the evil eye of humans. When Al-Mu'aw...
19/12/2025

The Messenger of Allah [SAW] used to seek refuge from the evil eye of the Jinn and the evil eye of humans. When Al-Mu'awwadhatan were revealed, he started to recite them and stopped reciting anything else."

Sunan an-Nasa'i 5494
Book 50, Hadith 67
Vol. 6, Book 50, Hadith 5496

সুরা আল-কাহ্ফ এর ধারাবাহিক তাফসীর🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿আয়াত নং- ৪৫আর আপনি তাদের কাছে পেশ করুন উপমা দুনিয়ার জীবনের; এটা পানির ন্যায় ...
18/12/2025

সুরা আল-কাহ্ফ এর ধারাবাহিক তাফসীর

🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿

আয়াত নং- ৪৫

আর আপনি তাদের কাছে পেশ করুন উপমা দুনিয়ার জীবনের; এটা পানির ন্যায় যা আমরা বর্ষণ করি আকাশ থেকে, যা দ্বারা ভূমিজ উদ্ভিদ ঘন সন্নিবিষ্ট হয়ে উদগত হয়, তারপর তা বিশুষ্ক হয়ে এমন চূর্ণ-বিচূর্ণ হয় যে, বাতাস তাকে উড়িয়ে নিয়ে যায়। আর আল্লাহ্ সব কিছুর উপর শক্তিমান [১]।

তাফসীরঃ
ষষ্ঠ রুকু

[১] কুরআনের বিভিন্ন স্থানে মহান আল্লাহ্ দুনিয়ার জীবনকে আকাশ থেকে নাযিল হওয়া পানির সাথে তুলনা করেছেন। দুনিয়ার জীবনের ক্ষণস্থায়ীত্বের উদাহরণ হলো আকাশ থেকে বৰ্ষিত পানির মত। যা প্রথমে যমীনে পতিত হওয়ার সাথে সাথে যমীনে অবস্থিত উদ্ভিদরাজিতে প্ৰাণের উন্মেষ ঘটে। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই সে পানি পুরিয়ে গেলে, পানির কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে গেলে আবার সে প্রাণের নিঃশেষ ঘটে। দুনিয়ার জীবনও ঠিক তদ্রুপ; এখানে আসার পর জীবনের বিভিন্ন অংশের প্রাচুর্যে মানুষ মোহান্ধ হয়ে আখেরাতকে ভুলে বসে থাকে কিন্তু অচিরেই তার জীবনের মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে সে আবার হতাশ হয়ে পড়ে। এ কথাটি মহান আল্লাহ কুরআনের অন্যত্র এভাবে বলেছেন: “বস্তুত পার্থিব জীবনের দৃষ্টান্ত এরূপ, যেমন আমি আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করি যা দ্বারা ভূমিজ উদ্ভিদ ঘন সন্নিবিষ্ট হয়ে উদগত হয়, যা থেকে মানুষ ও জীব-জন্তু খেয়ে থাকে। তারপর যখন ভূমি তার শোভা ধারণ করে ও নয়নাভিরাম হয় এবং তার অধিকারীগণ মনে করে ওটা তাদের আয়ত্তাধীন, তখন দিনে বা রাতে আমার নির্দেশ এসে পড়ে ও আমি ওটা এমনভাবে নির্মূল করে দেই, যেন গতকালও ওটার অস্তিত্ব ছিল না। এভাবে আমি নিদর্শনাবলী বিশদভাবে বর্ণনা করি চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য। ” [সূরা ইউনুস: ২৪] আরো বলেছেন: “আপনি কি দেখেন না, আল্লাহ আকাশ হতে বারি বর্ষণ করেন, তারপর তা ভূমিতে নির্ঝররুপে প্রবাহিত করেন এবং তা দ্বারা বিবিধ বর্ণের ফসল উৎপন্ন করেন, তারপর তা শুকিয়ে যায়। ফলে তোমরা তা পীত বর্ণ দেখতে পাও, অবশেষে তিনি ওটাকে খড়-কুটোয় পরিণত করেন? এতে অবশ্যই উপদেশ রয়েছে বোধশক্তিসম্পন্নদের জন্য।” [সূরা আয-যুমার: ২১]

আরও বলেছেন: “তোমরা জেনে রাখ, পার্থিব জীবন তো খেল-তামাশা, জাঁকজমক, পারস্পরিক শ্লাঘা, ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে প্রাচুর্য লাভের প্রতিযোগিতা ছাড়া আর কিছু নয়। এর উপমা বৃষ্টি, যা দ্বারা উৎপন্ন শস্য-সম্ভার কৃষকদেরকে চমৎকৃত করে, তারপর সেগুলো শুকিয়ে যায়, ফলে আপনি ওগুলো পীতবর্ণ দেখতে পান, অবশেষে সেগুলো খড়-কুটোয় পরিণত হয়। পরকালে রয়েছে কঠিন শাস্তি এবং আল্লাহর ক্ষমা ও সস্তুষ্টি। পার্থিব জীবন প্রতারণার সামগ্ৰী ছাড়া কিছু নয়। ” [সূরা আল-হাদীদ: ২০] অনুরূপভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও বলেছেন: “দুনিয়া হলো সুমিষ্ট সবুজ-শ্যামল মনোমুগ্ধকর। সুতরাং তোমরা দুনিয়া থেকে বেঁচে থাক আর মহিলাদের থেকে নিরাপদ থাক”। [মুসলিম: ২৭৪২]

Tafsir Dr. Abu Bakar Zakaria
©️আগের পর্বগুলো
https://t.me/+2pR8-61Vs241ZTU1

লাবণীর IOU এর BAIS প্রোগ্রামের ৩য় সেমিস্টার শুরু হয়েছে। কীভাবে যে ২টা সেমিস্টার পার করলো! Arabic Course টা সবচেয়ে বেশি ক...
17/12/2025

লাবণীর IOU এর BAIS প্রোগ্রামের ৩য় সেমিস্টার শুরু হয়েছে। কীভাবে যে ২টা সেমিস্টার পার করলো! Arabic Course টা সবচেয়ে বেশি কঠিন মনে হচ্ছে। কোনোরকম পাশ করলেও ব্যাসিক ক্লিয়ার করে বুঝতে পারেনি Arabic 101, Arabic 102 কোর্সের। এখন ৩য় সেমিস্টারে Arabic 201 নিতে হচ্ছে। যেহেতু Arabic 101, Arabic 102 ভালোভাবে না বুঝেই এগিয়েছে তাই এখন Arabic 201 বুঝতে ভীষণ বেগ পেতে হচ্ছে। ভয়ে ভয়ে বাকি সাবজেক্টগুলো পড়ে যাচ্ছে ঠিকই কিন্তু Arabic 201 টা বাকি থেকে যাচ্ছে।

এদিকে দেখতে দেখতে Midterm exam দরজায় কড়া নাড়ছে। কোনো কূল কিনারা না দেখে IOU এর বিভিন্ন বাংলাদেশি গ্রুপে নক দিচ্ছে কেউ কি Arabic 201 বোঝার ক্ষেত্রে তাকে সাহায্য করতে পারবে কি না।
বিভিন্ন গ্রুপ ঘুরতে ঘুরতে একজন এরাবিক উস্তাদার খবর পেলো যিনি বাংলা ইংলিশের মিশেলে বুঝিয়ে দিতে পারেন Arabic এর খুঁটিনাটি। আল্লহুম্মা বারিক লাহা।

আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে উস্তাদার সাথে যোগাযোগ করে লাবণী। Arabic পড়তে চাইলো কিন্তু প্রাথমিক জিজ্ঞাসায় দেখা গেলো সে এত অল্প সময়ের মাঝে Arabic201 বুঝতে পারবে না। যেহেতু তার Arabic101,102 এর basic clear না। তাই তাকে Arabic101 কোর্সেই অবশেষে ভর্তি হতে হলো। তখন সে আফসোস করতে লাগলো ইশ! যদি প্রথম থেকেই এই উস্তাযাকে পেত তাহলে কতই না ভাল হত! কত সহজভাবে উস্তাযা বুঝিয়ে দিচ্ছেন কঠিন মনে হওয়া আরবিগুলো!

এ জন্যই যারা নতুন ভর্তি হচ্ছে BAIS প্রোগ্রামে সবাইকেই লাবণী Amatullahs Era'র এই উস্তাযার কাছে পড়ার পরামর্শ দিতে চায়।

কোর্সের বিবরণ:
Arabic 101 (Level-01)
📘 Madina Arabic – Book 1 (Dr. Abdur Rahim)

🗓️ সপ্তাহে ২ দিন লাইভ ক্লাস — মঙ্গল ও শুক্রবার, সন্ধ্যা ৭টা
⏳ মেয়াদ: ৪ মাস | 📝 ২টি MCQ পরীক্ষা
⚠️ উপস্থিতি বাধ্যতামূলক (রেকর্ড নেই)

✅ IOU Arabic 101 সিলেবাস সম্পূর্ণ কভার
✅ বাংলায় ব্যাখ্যা ও লাইভ Q&A
💰 হাদিয়া: ৳১০২০/মাস

📅 শুরু: ৯ জানুয়ারি, ইন শা আল্লাহ

দুঃখ ও দুশ্চিন্তার সময় পড়ার দু‘আاَللّٰهُمَّ اِنِّيْٓ اَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، و...
15/12/2025

দুঃখ ও দুশ্চিন্তার সময় পড়ার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اِنِّيْٓ اَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ

হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকে।

রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু‘আটি বেশি বেশি করতেন।

রেফারেন্স: বুখারী, ৭/১৫৮, নং ২৮৯৩; আরও দেখুন, বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১১/১৭৩।

সোর্স: হিসনুল মুসলিম

অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দু'আনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের (তার স্ত্রীদের) কাউকে ঝাড়ার সময় ডান হাত দিয়ে মাসাহ্ কর...
14/12/2025

অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দু'আ

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের (তার স্ত্রীদের) কাউকে ঝাড়ার সময় ডান হাত দিয়ে মাসাহ্ করতেন এবং বলতেন,

اَذْهِبِ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ، وَاشْفِ اَنْتَ الشَّافِيْ، لَا شِفَاءَ اِلَّا شِفَاؤُكَ، شِفَاۤءً لَّا يُغَادِرُ سَقَمًا

হে আল্লাহ, হে মানুষের প্রতিপালক, অসুবিধা দূর করুন, সুস্থতা দান করুন, আপনিই শিফা বা সুস্থতা দানকারী, আপনার শিফা (সুস্থতা প্রদান বা রোগ নিরাময়) ছাড়া আর কোনো শিফা নেই, এমনভাবে শিফা দান করুন যার পরে আর কোনো অসুস্থতা-রোগব্যাধি অবশিষ্ট থাকবে না।

রেফারেন্স: বুখারী (৭৯-কিতাবুত তিব্ব, ৩৭-বাব রুকইয়াতিন নাবিয়্যি) ৫/২১৬৮

সোর্স: হিসনুল মুসলিম

জীবনে অনেক মানুষকে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় আপনাকে ক্ষমা করতেই হবে। সুতরাং ক্ষমা করার সুন্দর পদ্ধতিটি জানা থাকা উচিত। প্রথমে নিচে...
13/12/2025

জীবনে অনেক মানুষকে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় আপনাকে ক্ষমা করতেই হবে। সুতরাং ক্ষমা করার সুন্দর পদ্ধতিটি জানা থাকা উচিত। প্রথমে নিচের হাদিসটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে নিন।
আয়িশা (রা.) বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো মন্দের জবাব মন্দ দিয়ে দিতেন না, বরং ক্ষমা করে দিতেন। পরবর্তী সময়ে তা কখনো আলোচনাও করতেন না। [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ২৫৪৫৬; ইমাম ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৬৪৪৩]
এই হাদিস থেকে আমরা শিখলাম:
১) মন্দ আচরণের জবাবে মন্দ আচরণ না করা, খারাপ কথার জবাবে খারাপ কিছু না বলা;
২) মন্দ আচরণটির জবাব উত্তম কোনো উপায়ে দেওয়া;
৩) তাকে ক্ষমা করে দেওয়া এবং
৪) ক্ষমার কথাটি কখনো আলোচনাও না করা।
আমরা কী করি? প্রথমে একবার ঝগড়া করি, শাসিয়ে নিই। এরপর হয় বিরক্ত হয়ে না হয় বাধ্য হয়ে তাকে ক্ষমা করি, তাও ভেতরে ক্ষোভ বাকি রেখে। আবার তাকে ক্ষমা করার বিষয়টি মাথায় নিয়ে ভাবি, তার প্রতি বিরাট ইহসান (অনুগ্রহ) করেছি। কারণে-অকারণে এই ব্যাপারটি নিয়ে কথাও বলি। অথচ নবিজির আচরণ ছিলো সম্পূর্ণ ভিন্ন।
আমাদের হজমশক্তি কম। আমরা সামান্য ভালো কিছু করলেও সেটিকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে প্রচার করতে ভালবাসি—ইচ্ছায় হোক বা অবচেতন মনে। তবে এটি ভালো কোনো স্বভাব নয়। ক্ষমাকারীদের ব্যাপারে কুরআন হাদিসে অসাধারণ মর্যাদার কথা এসেছে। সুতরাং আমরা কাউকে ক্ষমা করলে যেন নেকি পাওয়ার উদ্দেশ্যেই করি। আর সেটি দিয়ে ভবিষ্যতে তাকে যেন ছোট না করি, খোঁটা না দিই। কারণ খোঁটা দেওয়া মুমিনের সিফাত (বৈশিষ্ট্য) নয়।
আর আপনি যদি কাউকে উপরে উল্লিখিত নববি আদর্শের আলোকে ক্ষমা করতে পারেন, তবে তার সাথে আপনার বিদ্বেষ-শত্রুতা থাকলেও, সে আপনার বন্ধুতে পরিণত হবে। যেমনটি কুরআনে এসেছে, “ভালো ও মন্দ সমান হতে পারে না। মন্দ ও জুলুমকে উৎকৃষ্ট পন্থায় প্রতিহত করো। (জুলুমের পরিবর্তে অনুগ্রহ করো)। এরূপ করলে যে ব্যক্তি ও তোমার মধ্যে শক্ৰতা আছে, সে তোমার অন্তরঙ্গ বন্ধু হয়ে যাবে।” [সুরা ফুসসিলাত, আয়াত: ৩৪]
আর আমরা নবিজির জীবনে এমনটিই দেখেছি। তাই, জীবনকে সুন্দর করতে উত্তম পদ্ধতিতে ক্ষমা করার প্র্যাকটিস করতে হবে। তবে, কেউ জুলুমের শিকার হলে, সে জালিমকে ক্ষমাও করতে পারে আবার সমান প্রতিশোধও গ্রহণ করতে পারে। তবে, সর্বাবস্থায় ক্ষমাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা।
©️ নুসুস পেইজ থেকে সংগৃহীত (আল্লাহ ﷻ উনাদের'কে উত্তম প্রতিদান দান করুন)

It was narrated that Abu Hurairah said:The Prophet (ﷺ) came to visit me (when I was sick), and said to me: ‘Shall I not ...
12/12/2025

It was narrated that Abu Hurairah said:

The Prophet (ﷺ) came to visit me (when I was sick), and said to me: ‘Shall I not recite for you a Ruqyah that Jibra’il brought to me?’

I said: ‘May my father and mother be ransomed for you!

Yes, O Messenger of Allah!’

He said:
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ وَاللَّهُ يَشْفِيكَ مِنْ كُلِّ دَاءٍ فِيكَ مِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ‏"‏

(In the Name of Allah I perform Ruqyah for you, from every disease that is in you, and from the evil of those who (practice witchcraft when they) blow in the knots, and from the evil of the envier when he envies), three times.”

Sunan Ibn Majah 3524
Book 31, Hadith 89
Vol. 4, Book 31, Hadith 3524

সকাল ও বিকালের যিকরاَللّٰهُمَّ اِنِّيْۤ اَسْاَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِيْ الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ، اَللّٰهُمَّ ا...
12/12/2025

সকাল ও বিকালের যিকর

اَللّٰهُمَّ اِنِّيْۤ اَسْاَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِيْ الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ، اَللّٰهُمَّ اِنِّيْۤ اَسْاَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِيْ دِيْنِيْ وَدُنْيَايَ وَاَهْلِيْ، وَمَالِيْ، اَللّٰهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِيْ، وَاٰمِنْ رَوْعَاتِيْ، اَللّٰهُمَّ احْفَظْنِيْ مِنْ بَينِ يَدَيَّ، وَمِنْ خَلْفِيْ، وَعَنْ يَّمِيْنِيْ، وَعَنْ شِمَالِيْ، وَمِنْ فَوْقِيْ، وَاَعُوْذُ بِعَظَمَتِكَ اَنْ اُغْتَالَ مِنْ تَحْتِيْ

হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখেরাতে ক্ষমা ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট ক্ষমা এবং নিরাপত্তা চাচ্ছি আমার দ্বীন, দুনিয়া, পরিবার ও অর্থ-সম্পদের। হে আল্লাহ! আপনি আমার গোপন ত্রুটিসমূহ ঢেকে রাখুন, আমার উদ্বিগ্নতাকে রূপান্তরিত করুন নিরাপত্তায়। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে হেফাযত করুন আমার সামনের দিক থেকে, আমার পিছনের দিক থেকে, আমার ডান দিক থেকে, আমার বাম দিক থেকে এবং আমার উপরের দিক থেকে। আর আপনার মহত্ত্বের অসিলায় আশ্রয় চাই আমার নীচ থেকে হঠাৎ আক্রান্ত হওয়া থেকে।

রেফারেন্স: আবূ দাউদ, নং ৫০৭৪; ইবন মাজাহ্‌, নং ৩৮৭১

সোর্স: হিসনুল মুসলিম

©

আমাকে ঘিরে কত ব্যস্ততা, আলোচনা - সমালোচনা, আমি কত ভালো বা খারাপ (!), এটা পারি না, ওটা করি না ইত্যাদি ইত্যাদি। আমাকে খুশি...
11/12/2025

আমাকে ঘিরে কত ব্যস্ততা, আলোচনা - সমালোচনা, আমি কত ভালো বা খারাপ (!), এটা পারি না, ওটা করি না ইত্যাদি ইত্যাদি।

আমাকে খুশি করার চেষ্টা অথবা আমার কাছে হাজারো প্রত্যাশা আর তা না পাওয়াতে কত অসন্তোষ! আমার জন্ম থেকেই আমিঘেষা পরিবেশটা কত আমিময়! কেউ ভালোবাসে, কেউ ঘৃণা করে। বাবা মার স্নেহে আমি ধন্য, আর আমার স্নেহে ধন্য আমার সন্তানরা। স্বামীর পৃথিবী জুড়ে হালাল প্রেম আমিই তো। বান্ধবীদের স্মৃতির ডায়েরিতেও আমার নামে কিছু লেখা আছে হয়তো!

এই যে এখনের এতো তাৎপর্যপূর্ণ আমিটা একদিন হুট করেই নাই হবো, কোথাও পাওয়া যাবে না আমাকে! কাউকে আর কিছু বলতে পারবো না, হয়তো বলার অনেক কিছুই রয়ে যাবে তবুও। অতীতের স্মৃতি মনে করে, কোনো প্রিয়মুখ স্মরণে অথবা নিরিবিলি আকাশ দেখে রব্বের সাথে গোপন কথনে হৃদয় ঢুকরে কাঁদবে না। আমার সবটুকু মায়া দিয়ে তিলে তিলে গড়া সন্তানরা আমাকে আর মা বলে ডাকতে পারবেনা। জানি না, সন্তানদের দুয়া জুড়ে থাকার মতো চক্ষু শীতলকারী মা হতে পারছি কি না বা পারবো কি না! তবে আমার দুয়া জুড়ে আমার প্রিয় মা-বাবা সবসময়ই আছেন, আমি চলে গেলে আর থাকবেনা।

আমি আর ফিরবো না, আমার ফেরার অপশন থাকবে না। আজ আমি যা করছি, যা বলছি আর যা ভাবছি --- সবই রেকর্ড হচ্ছে! ভুল কিছু হয়ে গেলে ফিরে এসে আর এডিট করতে পারবো না। ছি! কী লজ্জা, যদি মানুষের অগোচরে কিছু করে থাকি-- যা ব্যক্তিত্বহীন লজ্জাহীনের কাজ। সবই প্রকাশ হবে, হিসেব হবে, ফলাফল বুঝিয়ে দেয়া হবে। আমি নিরুপায় হবো -- আর কিছুই করণীয় থাকবেনা। আগে যা করেছি, শুধু সেসবই সম্বল।

আমি ছাড়া আমিঘেষা পরিবেশটা আবার নতুন করে গুছিয়ে যাবে। মাঝে মাঝে কেউ হয়তো আমাকে মনে করে দীর্ঘশ্বাস ছাড়বে, একটু দুয়া করবে, দু-চারটা কথা বলবে-- ব্যস! কিন্তু কথা হচ্ছে-- এই যে আমাকে মনে পড়াটা ভালো ভেবে নাকি খারাপ ভেবে, দুয়াসহকারে নাকি বদদুয়ায় অভিশাপে?

আসলে তো একদিন এই অভিমানী "আমি"টাকে সবাই ভুলে যাবে। এখনিতো কতজনে ভুলে গেছে, যাদের আমি ভালোবাসতাম মন থেকে। এই দুনিয়া এবং দুনিয়ার সম্পর্কগুলো তো স্রেফ মরিচীকা। যার যার আমল নিয়ে জাহান্নাম থেকে বাঁচতে আমার থেকে তো সবাই ই পালাবে, সামান্যটুকুনও নেকী দিয়ে কেউ আমাকে বাঁচাতে রাজি হবে না। কী নির্মম! তবু্ও এই সম্পর্কগুলোর যতন করতে হবে, পরিচর্যা করতে হবে। সম্পর্কগুলো এমনভাবে আগলে রাখতে হবে যেন তারা ওই পারে গিয়ে আমার ভালো না করতে পারুক, অন্তত খারাপ সাক্ষী না হোক।

✍️ Sadia Islam
#মৃত্যু ভাবনা
১০.১২.২৩

Address

Dhaka
1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amatullahs Era posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram