Nprc Nprc

Nprc Nprc Pain, Arthritis, Paralysis & Sports Injury Rehab.

থেরাপিউটিক এক্সরসাইজ এর দীর্ঘ মেয়াদী উপকারীতাঃ🅒︎🏃 নিয়মিত থেরাপিউটিক এক্সরসাইজ হৃদরোগ প্রতিরােধ করে ও উচ্চ রক্তচাপ কমায...
28/10/2020

থেরাপিউটিক এক্সরসাইজ এর দীর্ঘ মেয়াদী উপকারীতাঃ🅒︎

🏃 নিয়মিত থেরাপিউটিক এক্সরসাইজ হৃদরোগ প্রতিরােধ করে ও উচ্চ রক্তচাপ কমায়।

🏃 অষ্টিও পােরসিস এর সম্ভাবনা কমায়।

🏃 বহুমূত্র এর সম্ভাবনা কমায়।

🏃 অতিরিক্ত ওজন কমায়।

🏃 হাড়ের জোড়া, টেন্ডন, লিগামেন্ট কি সাবলীল রাখে এবং শরীরের নড়াচড়া সহজ করে।

🏃 বয়স বৃদ্ধি প্রক্রিয়া দীর্ঘতর করে।

🏃 মানসিক সুস্থতায় সাহায্য করে।

🏃 ধৈয্য শক্তি বৃদ্ধি করে।

🏃 হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং সাভাবিক ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করে।

🏃 ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

🏃 বাত জনিত রোগের উপসর্গ কমায়।

🏃 জৈবিক ঘড়ির (Biological Clock) স্পন্দন ঠিক রাখে।

থেরাপিউটিক এক্সরসাইজ এর স্বল্প মেয়াদী উপকারীতাঃ🅒︎

🏃মানসিক চাপ, অবসাদ ও দুশ্চিন্তা দূর করে।

🏃একাগ্রতা ও শক্তি বাড়ায়।

🏃প্রাত্যহিক রুটিনের মাঝে ছােট বিরতি হিসাবে কাজ করে।

🏃আপনাকে সুস্থ ভাবতে সাহায্য করে।

🏃 আত্মনির্ভরশীলতাকে বাড়ায়।

ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার জন্য চলে অাসুন

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা পরিচালিত

নাটাব ফিজিক্যালকেয়ার এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন
নাটাব ভবন ৪৪/১ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ।

রাইজিং ফিজিওথেরাপি এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার
বাড়ী - ১, রোড - ৭, ব্লক - এইচ
বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা - ১২১৯।

কোমরে ব্যাথা সেই সাথে পা ঝিনঝিন করা বা অবশ হয়ে যাওয়া:বিভিন্ন কারণে কোমরে ব্যাথা এবং সেই সাথে পা ঝিনঝিন করা বা অবশ অবশ হয়...
25/10/2020

কোমরে ব্যাথা সেই সাথে পা ঝিনঝিন করা বা অবশ হয়ে যাওয়া:
বিভিন্ন কারণে কোমরে ব্যাথা এবং সেই সাথে পা ঝিনঝিন করা বা অবশ অবশ হয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে ৯০% কারণ-ই হচ্ছে ডিস্ক বের হয়ে স্নায়ু-এর উপর চাপ দেওয়া (herniated disc with nerve root compression)। অনেকে সহজভাবে এটাকে "সায়াটিকা বাত" বা PLID বলে। তাই এখানে এই বিষয়টিকে নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।
চলুন, ডিস্ক বের হয়ে যাওয়া এবং স্নায়ু-এর উপর চাপ পড়ার কারণ টা বুঝে নেওয়া যাক।আমরা যেভাবে ইট দিয়ে দেয়াল তৈরি করি বিষয় টা অনেকটা সেরকম। আমাদের মেরুদন্ড, ইটের মতো ছোট ছোট হাড় দিয়ে তৈরি। ইট দিয়ে দেয়াল তৈরি করার সময় যেমন ২ টা ইটের মাঝখানে সিমেন্ট এবং বালুর মিশ্রণ দেওয়া হয়, ঠিক তেমনি ২ টা হাড়ের মাঝখানে "জেলী"-র মতো এক ধরনের “ডিস্ক” থাকে যেটা অনেক শক্তও না আবার অনেক নরমও না। ২ টা ইটের মাঝখানের সিমেন্ট-বালুর মিশ্রণ, চাপ পড়লে বের হয়ে যায় না কিন্ত আমাদের কোমরের হাড়ের মাঝখানের ডিস্ক চাপ পড়লে বের হয়ে যায় এবং পাশে দিয়ে যাওয়া স্নায়ু -এর উপর চাপ দেয়। এই স্নায়ু গুলো কোমর (মেরুদন্ড) থেকে বের হয়ে গাছের শিকড় বা লম্বা তার-এর মতো পা/পায়ের আংগুল পর্যন্ত চলে যায়। এর ফলে আমরা কোমরে ব্যাথা এবং সেই সাথে পা-এ ঝিনঝিন বা অবশ অবশ অনুভব করতে থাকি।
Treatment (চিকিৎসা): একটু চিন্তা করে দেখুন তো চিকিৎসা কি হতে পারে? হ্যা, আপনি সঠিক। এমন কিছু করা যাতে স্নায়ু-এর উপর চাপ না পড়ে এবং সেই সাথে ক্ষতিগ্রস্ত স্নায়ু গুলোকে ভালো করে তোলা।
১. ঔষুধ (medication) অথবা ইনজেকশন (injection): "স্বল্প সময়ের জন্য" ব্যাথা এবং অনান্য উপসর্গ কমানোর জন্যে ব্যাথার ঔষুধ খেতে পারেন কিংবা ইনজেকশন দিতে পারেন। একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন।
২. ফিজিওথেরাপি (physiotherapy): ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার মাধ্যমেই আপনি দীর্ঘমেয়াদী উপকার পেতে পারেন। ফিজিওথেরাপির ডাক্তার আপনার ডিস্ক বের হওয়ার কারণ বের করে, সেটা যেন আর বের না হয় সেটার সমাধানও (activity modification) দিয়ে দিবে। ব্যাথা মুক্ত করার জন্যে ইলেকট্রিকাল স্টিমুলেশন, থেরাপিউটিক আল্ট্রাসাউন্ড এবং লেজার মেশিন ব্যবহার করতে পারে। স্নায়ু-আর চাপ মুক্ত বা কমানোর জন্যে ম্যানুয়াল বা মেকানিক্যাল ট্রাকশন ব্যবহার করতে পারে। এছাড়া স্ট্রেচিং (stretching), স্ট্রেনদেনিং (strengthening) এবং কোর স্টাবিলাইজেশন (core stabilization) এক্সারসাইজ করাতে পারে যেগুলো আপনার ব্যাথা, ঝিনঝিন বা অবশ অবশ কমাতে সাহায্য করবে এবং ভবিষ্যতে যেন আর ডিস্ক বের না হয় সেটাতেও সাহায্য করবে। McKenzie extension এক্সারসাইজ করে তৎক্ষণাৎ (immediately) ব্যাথা, ঝিনঝিন বা অবশ অবশ থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। এছাড়া মেরুদন্ড বা দেহের সঠিক গঠন ঠিক রাখা বা সঠিক গঠন ফেরত আনার (postural correction) এক্সারসাইজ-ও খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৩. সার্জারি (surgery: usually discectomy or laminectomy): যদি অনেক বেশি ব্যাথা, ঝিনঝিন, অবশ অবশ এবং আরো অন্যান্য লক্ষন থাকে যেটা ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না এবং স্বাভাবিক জীবন-যাপন অনেক ব্যাহত হচ্ছে, তাহলে সার্জারি-এর কথা চিন্তা করতে পারেন। মনে রাখবেন, একবার সার্জারি করলে আপনার দৈনন্দিন কাজের নানারকম বিধি-নিষেধ চলে আসবে এবং বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিবে।

চলে অাসুন দেশসেরা বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক দ্বারা পরিচালিত

নাটাব ফিজিক্যাল কেয়ার এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন
নাটাব ভবন ঃ ৪৪/১ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ
ঢাকা - ১০০০.

আমাদের কোমর ব্যথা করে কেন?এমন মানুষ হয়ত পৃথিবীতে পাবেন না যিনি তার জীবনে একবারও কোমরে ব্যথা অনুভব করেননি। মেরুদণ্ডের নিচ...
21/10/2020

আমাদের কোমর ব্যথা করে কেন?

এমন মানুষ হয়ত পৃথিবীতে পাবেন না যিনি তার জীবনে একবারও কোমরে ব্যথা অনুভব করেননি। মেরুদণ্ডের নিচের হাড়ের মধ্যবর্তী তরুণাস্থি বা ডিস্কের বার্ধক্যজনিত পরিবর্তনের ফলে এ ব্যথার সুত্রপাত হয়। তরুণাস্থির এই পরিবর্তনের সাথে সাথে মেরুদণ্ডের নিচের দিকে সংবেদনশীলতার পরিবর্তন হয়। সাধারণত এ পরিবর্তন ৩০ বছর বয়স থেকে শুরু হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ রোগের কোনো উপসর্গ থাকে না। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে রোগের উপসর্গও বাড়তে থাকে।

কোমর ব্যথার কারণ

সাধারণত দেখা যায় মেরুদণ্ডের মাংসপেশি, লিগামেন্ট মচকানো বা আংশিক ছিঁড়ে যাওয়া, দুই কশেরুকার মধ্যবর্তী ডিস্ক সমস্যা, কশেরুকার অবস্থান পরিবর্তনের কারণে কোমর ব্যথা হয়ে থাকে। চলাফেরা, খুব বেশি ভার বা ওজন তোলা, মেরুদণ্ডের অতিরিক্ত নড়াচড়া, একটানা বসে বা দাড়িয়ে কোন কাজ করা, মেরুদণ্ডে আঘাত পাওয়া, সর্বোপরি কোমরের অবস্থানগত ভুলের জন্য হয়ে এ ব্যথা দেখা যায়।

অন্যান্য কারণের মধ্যে বয়সজনিত মেরুদণ্ডে ক্ষয় বা বৃদ্ধি, অস্টিওআথ্র্যাটিস বা গেঁটে বাত, অস্টিওপোরেসিস, এনকাইলজিং স্পনডাইলাইটিস, মেরুদণ্ডের স্নায়ুবিক সমস্যা, টিউমার, ক্যান্সার, বোন টিবি, কোমরের মাংসে সমস্যা,বিভিন্ন ভিসেরার রোগ বা ইনফেকশন, বিভিন্ন স্ত্রীরোগজনিত সমস্যা, মেরুদণ্ডের রক্তবাহী নালির সমস্যা, অপুষ্টিজনিত সমস্যা, মেদ বা ভুড়ি, অতিরিক্ত ওজন ইত্যাদি।

কোমর ব্যথার লক্ষণ

কোমরের ব্যথা আস্তে আস্তে বাড়তে পারে বা হঠাৎ প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। নড়াচড়া বা কাজকর্মে ব্যথা তীব্র থেকে তীব্রতর হতে পারে। ব্যথা কোমরে থাকতে পারে বা কোমর থেকে পায়ের দিকে নামতে পারে অথবা পা থেকে কোমর পর্যন্ত উঠতে পারে। অনেক সময় কোমর থেকে ব্যথা মেরুদণ্ডের পেছন দিক দিয়ে মাথা পর্যন্ত উঠতে পারে। রোগী অনেকক্ষণ বসতে বা দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। ব্যথার সঙ্গে পায়ে শিন-শিন বা ঝিন-ঝিন জাতীয় ব্যথা নামতে বা উঠতে পারে, হাঁটতে গেলে পা খিচে আসে বা আটকে যেতে পারে, ব্যথা দুই পায়ে বা যেকোন এক পায়ে নামতে পারে। অনেক সময় বিছানায় শুয়ে থাকলে ব্যথা কিছুটা কমে আসে। এভাবে দীর্ঘদিন চলতে থাকলে রোগীর কোমর ও পায়ের মাংসপেশীর ক্ষমতা কমে আসে এবং শুকিয়ে যেতে পারে, সর্বোপরি রোগী চলাফেরার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।

আধুনিক এই যুগেও কোমর ব্যথা একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বাস্থ্য সমস্যা। এ সমস্যার সমাধানে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম।

কোমর ব্যথার প্রতিকার

ফার্মাকোথেরাপি :- চিকিৎসকরা রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর সাধারণত ব্যথানাশক এনএসএআইডিএস গ্রুপের ওষুধ, মাসল রিলাক্সজেন ও সেডেটিভজ জাতীয় ওষুধ দিয়ে থাকেন। যেহেতু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা নির্দিষ্ট মাত্রা রয়েছে সেজন্য অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওষুধ খাওয়া উচিত।

ফিজিওথরাপি :- কোমর ব্যথাজনিত সমস্যার অত্যাধুনিক চিকিৎসা হচ্ছে ফিজিওথেরাপি। এই চিকিৎসাব্যবস্থায় চিকিৎসক রোগীকে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন, আল্ট্রাসাউন্ড থেরাপি, লাম্বার ট্রাকশন শর্টওয়েভ ডায়াথার্মি, অতিলোহিত রশ্মি, ইন্টারফেরেনশিয়াল থেরাপি, ইনফারেড রেডিয়েশন, ট্রান্স কিউটেনিয়াস ইলেকট্রিক নার্ভ ইস্টিমুলেটর, ইলেকট্রিক নার্ভ ও মাসেল ইস্টিমুলেটর, অটো মেনুয়াল ট্রাকশন, হাইড্রোথেরাপি, লেজার থেরাপি ও বিভিন্ন প্রকার ব্যায়ামের মাধ্যমে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। তা ছাড়া চিকিৎসা চলা অবস্থায় কোমরে নির্দিষ্ট অর্থোসিস বা ব্রেস প্রয়োগ করে থাকেন।

সার্জারি :- যদি দীর্ঘদিন ফার্মাকোথেরাপি ও ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা চালানোর পরও রোগীর অবস্থার পরিবর্তন না হয় রোগীকে অবস্থা অনুযায়ী কোমর-মেরুদন্ডের অপারেশন বা সার্জারির করনোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিত্সকরা।সার্জারির পরবর্তীতে রোগীকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নির্দেশ মতো নির্দিষ্ট ব্যায়াম দীর্ঘ দিন চালিয়ে যেতে হয়।

দৈনন্দিন কাজে সতর্কতা

নিচ থেকে কিছু তোলার সময়-

কোমর ভাঁজ করে কিংবা ঝুঁকে তুলবেন না। হাঁটু ভাঁজ করে তুলুন।

কোনো কিছু বহন করার সময়

ঘাড়ের ওপর কিছু তুলবেন না।

ভারি জিনিস শরীরের কাছাকাছি রাখুন।

পিঠের ওপর ভারি কিছু বহন করার সময় সামনের দিকে ঝুঁকে বহন করুন।

শোয়ার সময়

উপুড় হয়ে শোবেন না। ভাঙ্গা খাট, ফোম বা স্প্রিংয়ের খাটে শোবেন না।

সমান তোশক ব্যবহার করুন।

বিছানা শক্ত, চওড়া ও সমান হতে হবে। শক্ত বিছানা বলতে সমান কিছুর ওপর পাতলা তোশক বিছানোকে বোঝায়।

দাঁড়িয়ে থাকার সময়

১০ মিনিটের বেশি দাঁড়িয়ে থাকবেন না।

হাঁটু না ভেঙে সামনের দিকে ঝুঁকবেন না।

দীর্ঘক্ষণ হাঁটতে বা দাঁড়াতে হলে উঁচু হিল পরবেন না।

অনেকক্ষণ দাঁড়াতে হলে কিছুক্ষণ পর পর শরীরের ভর এক পা থেকে অন্য পায়ে নিন।

দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হলে ছোট ফুট রেস্ট ব্যবহার করুন ৷

বসে থাকার সময়

আপনার চেয়ারটি টেবিল থেকে বেশি দূরে নেবেন না।

সামনে ঝুঁকে কাজ করবেন না।

কোমরের পেছনে সাপোর্ট দিন।

এমনভাবে বসুন যাতে ঊরু মাটির সমান্তরালে থাকে।

নরম গদি বা স্প্রিংযুক্ত সোফা বা চেয়ারে বসবেন না।

যানবাহনে চড়ার সময়

গাড়ি চলানোর সময় স্টিয়ারিং হুইল থেকে দূরে সরে বসবেন না। সোজা হয়ে বসুন।

ভ্রমণে ব্যথার সময় লাম্বার করসেট ব্যবহার করুন।

কোমর ব্যথা বেশি হলে বিছানা থেকে শোয়া ও ওঠার নিয়ম

চিৎ হয়ে শুয়ে এক হাঁটু ভাঁজ করুন।

এবার অন্য হাঁটুটি ভাঁজ করুন। হাত দুটি বিছানায় রাখুন।

এবার ধীরে ধীরে এক পাশ কাত হোন।

পা দু’টি বিছানা থেকে ঝুলিয়ে দিন, এবার কাত হওয়া দিকের হাতের কনুই এবং অপর হাতের তালুর ওপর ভর দিয়ে ধীরে ধীরে উঠে বসুন।

দুই হাতের ওপর ভর দিয়ে বসুন এবং মেঝেতে পা রাখুন।

এবার দুই হাতের ওপর ভর দিয়ে সামনে ঝুঁকে দাঁড়ান।

মেয়েরা যেসব নিয়মকানুন মেনে চলবেন

অল্প হিলের জুতো বা স্যান্ডেল পরুন, বিভিন্ন জুতোর হিলের উচ্চতা বিভিন্ন না হওয়াই উচিত।

তরকারি কাটা, মসলা পেষা, কাপড় কাচা ও ঘর মোছার সময় মেরুদ- সাধারণ অবস্থায় এবং কোমর সোজা রাখুন।

কোমর ঝুঁকে বাচ্চাকে কোলে নেবেন না। ঝাড়ু দেয়া, টিউবওয়েল চাপার সময় কোমর সোজা রাখবেন।

মার্কেটিং বা শপিংয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হলে ১০ থেকে ১৫ মিনিট দাঁড়ানো বা হাঁটার পরে বিশ্রামের জন্য একটু বসবেন।

বিছানা গোছানোর সময় কোমর ভাঁজ না করে বরং হাঁটু ভেঙে বসা উচিত।

ওজন কমান, খাদ্যাভাস পরিবর্তন করুন

গরু, খাসির মাংস, ডালজাতীয় খাবার, মিষ্টিজাতীয় খাবার, তৈলাক্ত খাবার খাদ্য তালিকা থেকে কমিয়ে শাকসবজি, তরিতরকারি, ফলমূল খাদ্য তালিকায় বেশি করে রাখুন। নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করুন এবং যাদের দুপুরে ঘুমানোর অভ্যাস আছে, তা বন্ধ করে রাতে শিগগিরই শুয়ে পড়ুন।

থেরাপিউটিক এক্সরসাইজ এর দীর্ঘ মেয়াদী উপকারীতাঃ🅒︎🏃 নিয়মিত থেরাপিউটিক এক্সরসাইজ হৃদরোগ প্রতিরােধ করে ও উচ্চ রক্তচাপ কমায...
21/10/2020

থেরাপিউটিক এক্সরসাইজ এর দীর্ঘ মেয়াদী উপকারীতাঃ🅒︎

🏃 নিয়মিত থেরাপিউটিক এক্সরসাইজ হৃদরোগ প্রতিরােধ করে ও উচ্চ রক্তচাপ কমায়।

🏃 অষ্টিও পােরসিস এর সম্ভাবনা কমায়।

🏃 বহুমূত্র এর সম্ভাবনা কমায়।

🏃 অতিরিক্ত ওজন কমায়।

🏃 হাড়ের জোড়া, টেন্ডন, লিগামেন্ট কি সাবলীল রাখে এবং শরীরের নড়াচড়া সহজ করে।

🏃 বয়স বৃদ্ধি প্রক্রিয়া দীর্ঘতর করে।

🏃 মানসিক সুস্থতায় সাহায্য করে।

🏃 ধৈয্য শক্তি বৃদ্ধি করে।

🏃 হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং সাভাবিক ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করে।

🏃 ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

🏃 বাত জনিত রোগের উপসর্গ কমায়।

🏃 জৈবিক ঘড়ির (Biological Clock) স্পন্দন ঠিক রাখে।

থেরাপিউটিক এক্সরসাইজ এর স্বল্প মেয়াদী উপকারীতাঃ🅒︎

🏃মানসিক চাপ, অবসাদ ও দুশ্চিন্তা দূর করে।

🏃একাগ্রতা ও শক্তি বাড়ায়।

🏃প্রাত্যহিক রুটিনের মাঝে ছােট বিরতি হিসাবে কাজ করে।

🏃আপনাকে সুস্থ ভাবতে সাহায্য করে।

🏃 আত্মনির্ভরশীলতাকে বাড়ায়।

(Collected)

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nprc Nprc posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Nprc Nprc:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram