Phyco logy

Phyco logy Heal Your Soul

25/10/2025

আপনার শহর বা এলাকার-

১/ রিয়েল এস্টেট কোম্পানীগুলোর মালিক কারা

২/ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব কারা পেয়েছে

৩/ হাসপাতাল, ক্লিনিকগুলোর মালিক কারা

৪/ পণ্য পরিবহন মানে ট্রাক, লরি, পিকআপগুলোর মালিক কারা

৫/ বিদ্যুৎ, জ্বালানী রিলেটেড ব্যবসাগুলোর মালিক কারা

৬/ ব্যাংক, বীমা কোম্পানিগুলার মালিক কারা

৭/ ইন্ড্রাস্ট্রিগুলোর মালিক কারা

এদের খুঁজে বের করুন। এদের কাছ থেকে শিখুন।

আর শিখতে না পারলেও এদের উপর নজর রাখুন।

এরাই আসল খেলোয়াড়।

এরাই সমাজ বা দেশটাকে আসলে নিয়ন্ত্রণ করে।(Collected)

ব্রিটিশ আমলে দিল্লিতে প্রচুর বিষধর কোবরা ছিল। মানুষকে রক্ষা করতে সরকার ঘোষণা দিল:“যে মৃত কোবরা জমা দেবে, পুরস্কার পাবে।”...
26/09/2025

ব্রিটিশ আমলে দিল্লিতে প্রচুর বিষধর কোবরা ছিল। মানুষকে রক্ষা করতে সরকার ঘোষণা দিল:
“যে মৃত কোবরা জমা দেবে, পুরস্কার পাবে।”

প্রথমে পরিকল্পনাটা কাজ করল, অনেক সাপ মারা গেল।

কিন্তু এরপর ঘটল অদ্ভুত কাহিনি!

লোকজন টাকা রোজগারের জন্য বাসায় কোবরা পোষা শুরু করল, যেন পরে মেরে পুরস্কার পাওয়া যায়।

সরকার যখন এই চালাকি ধরে ফেলল, পুরস্কার বন্ধ করে দিল।

তখন সবাই কোবরা ছেড়ে দিল রাস্তায়—আর শহরে সাপের সংখ্যা হয়ে গেল আগের চেয়েও বেশি!

এই ঘটনাই আজকে আমরা বলি—“কোবরা ইফেক্ট”।

যে সমাধান সমস্যার সমাধান করে না, বরং সেটাকেই আরও ভয়ংকর করে তোলে।(Collected )

একবার এক গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, পরিবেশ কিভাবে মানুষের আবেগ ও আচরণকে প্রভাবিত করে। চাইলে আপনি নিজেও বাসায় এটা ট্রাই করতে প...
15/09/2025

একবার এক গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, পরিবেশ কিভাবে মানুষের আবেগ ও আচরণকে প্রভাবিত করে।

চাইলে আপনি নিজেও বাসায় এটা ট্রাই করতে পারেন। আমি সহজ করে বলি:

ধরা যাক, আপনার বাসায় একটা ছোট বাচ্চা আছে। প্রথমে তাকে একটা খেলনা দিলেন, এতে করে সে আনন্দে ভরে উঠল এবং খেলতে শুরু করল। তারপর: কিছুক্ষণ পর বাচ্চাটার সামনে দু’জন মানুষকে ঝ'গড়া করতে রাখলেন। এবার আবার তাকে আরেকটি নতুন খেলনা দিলেন। অবাক করার মতো বিষয় হলো এইবার আর তার মুখে আগের মতো আনন্দ থাকবে না, সে খেলনাটা নিয়েও তেমন খেলতে চাইবে না। অথচ তাকে সরাসরি কেউ বিরক্ত করেনি, বা বকাও দেয়নি শুধু পরিবেশটাই বদলে গিয়েছিল।

এটাই হলো Environment Psychological প্রভাব।

আমাদের জীবনও অনেকটা এরকম। আমরা চাই পড়াশোনায় ভালো করতে, ক্যারিয়ারে এগিয়ে যেতে, নিজেদের উন্নত করতে। কিন্তু আশেপাশের পরিবেশ যদি সবসময় নেতিবাচক হয় ঝগড়া-বিবাদ, কটুকথা আর নিরুৎসাহমূলক মন্তব্য তাহলে মনোবল ধরে রাখা কঠিন হয়ে যায়।

দেখেন, কেউ কিন্তু আমাদের মাথায় হাত রেখে বলে না তুমি পারবে, তোমার প্রতি আমার বিশ্বাস আছে। বরং আমরা প্রায়ই শুনি। এটা করো না, তুমি পারবে না। অযথা সময় নষ্ট করছো।

মানুষ আসলে তার পরিবেশ থেকে শক্তি গ্রহণ করে। সঠিক পরিবেশে ছোট একটা গাছ যেমন মহীরুহে পরিণত হতে পারে, তেমনি একজন মানুষও উৎসাহ, সমর্থন আর ইতিবাচকতা পেলে তার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা প্রকাশ করতে সক্ষম হয়।

যদি সঠিক পরিবেশ না পান, তবে চেষ্টা করুন নিজেই নিজের জন্য ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করতে। অন্তত নিজের ভেতরে সেই বিশ্বাস জাগান। “আমি পারব।”

আর কিভাবে এগিয়ে যাবেন, সেই পথ দেখানোর জন্য 'মনোবিজ্ঞানী' তো আছেই। 😊 🌱

Social Psychologist:
Jahid Hasan Scientist 🧑‍🔬
Learn The Rules of The Mind,
or The Mind Will Turn You into its Toy.


13/09/2025

ইচ্ছা পূরণের সালাতকেই ালাতুল_হাজত বলা হয়!

সালাতুল হাজত পড়ার নিয়মঃ

" কোন হালাল চাহিদা পুরনের জন্য আল্লাহ'র সন্তষ্টির উদ্দেশ্যে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করাকে "সালাতুল হাজত" বলা হয়"

[ইবনু মাজাহঃ হা/১৩৮৫]

কখন পড়বেনঃ

কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে কিংবা শারীরিক-মানসিকভাবে কোনো দুশ্চিন্তা দেখা দিলে এ নামাজ পড়তে হয়!

নিষিদ্ধ সময়ঃ

সালাতুল হাজত নিষিদ্ধ ওয়াক্ত ব্যাতীত যেকোনো সময়েই পড়তে পারেন!

নিয়মঃ

নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। হাজতের নিয়তে অন্যান্য নামাজের মতোই দু-রাকাত নফল নামাজ আদায় করবেন!

করণিয়ঃ

--সালাতুল 'হাজত' নামাজের আলাদা কোনো নিয়ম নেই। স্বাভাবিক নামাজের মতোই উত্তমভাবে অজু করে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়বে। নামাজ শেষে আল্লাহ তায়ালার হামদ ও ছানা (প্রসংসা) এবং নবী করিম সা. এর ওপর দরুদ শরিফ পাঠ করে নিজের মনের কথা ব্যক্ত করে আল্লাহর নিকট দোয়া করবে!!

এই দোয়া পড়বেন মুনাজাতে ইনশাআল্লাহঃ

(رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ ]

[রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাও ওয়া ক্কিনা আজাবানা নার]

অথবাঃ

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ

الحَلِيمُ الْكَرِيمُ سُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ أَسْأَلُكَ مُوجِبَاتِ رَحْمَتِكَ وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ وَالْغَنِيمَةَ مِنْ كُلِّ بِرِّ وَالسَّلَامَةَ مِنْ كُلِّ إِثْمِ لَا تَدَعْ لِي ذَنْبًا إِلَّا غَفَرْتَهُ وَلَا هَمَّا إِلَّا فَرَّجْتَهُ وَلَا حَاجَةً هِيَ لَكَ رِضًا إِلَّا قَضَيْتَهَا يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ

উচ্চারণ: লাইলাহা ইল্লাল্লাহুল হালিমুল কারিম, সুবহানাল্লাহি
রাব্বিল আরশিল আজিম। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন, আছআলুকা মুজিবাতি রাহমাতিক; ওয়া আজা-ইমা মাগফিরাতিক, ওয়াল গানিমাতা মিন কুল্লি বিররিউ ওয়াস সালামাতা মিন কুল্লি ইছমিন লা তাদাঅলি-জাম্বান ইল্লা গাফারতাহু ওয়ালা হাম্মান ইল্লা ফাররাজতাহু ওয়ালা হাজাতান হিয়া লাকা রিজান- ইল্লা কাজাইতাহা ইয়া আর হামার রাহিমীন।

[তিরমিজি, মিশকাতঃ হা/৮৭৩, আবু দাউদঃ ১৩১৯; সালাত অধ্যায়-২]

11/09/2025

আমরা যেসব জিনিসের পেছনে দৌড়াই:
- লেটেস্ট আইফোন কেনা
- দামী গাড়ি, বাড়ি থাকা
- ট্রেন্ডি ফ্যাশনেবল পোষাক পড়া
- ঘুরতে বাইরে যাওয়া, আড্ডা দেয়া

কিন্তু যেখানে ফোকাস করা দরকার ছিলো:
- কোন ধার দেনা না থাকা
- চাকরীর দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকতে পারা
- নিজের উপর ইনভেস্ট করা
- সময়কে নিজের মত খরচ করতে পারা
- পরিবারের সাথে থাকতে পারা!

Are we focusing on the right thing?
(Collected)

17/08/2025

🔴 লোন: যে ঋণ নয়, বরং জীবনের বিষ!
অনেকেই ভেবেচিন্তে ফিনানশিয়াল ইন্সটিটিউট বা ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে থাকেন। উদ্দেশ্য থাকে বিজনেস দাঁড় করানো, বাড়ি তৈরি, গাড়ি কেনা, বা অন্য কিছু। তবে একটা কথা মাথায় রাখুন—লোন মানেই শুধু টাকা ধার নয়, বরং প্রতিমাসে সুদের জ্বালায় নিঃশেষ হওয়ার শুরু!

❗ একটি উদাহরণ চিন্তা করুনঃ
ধরা যাক, আপনি ২৫ লাখ টাকার লোন নিলেন ৫ বছরের জন্য, ইন্টারেস্ট রেট ১৪.৪৯%।
EMI (প্রতিমাসের কিস্তি) দাঁড়াল প্রায় ৫৫,৫০০ টাকা।
মানে বছরে প্রায় ৬,৬৬,০০০ টাকা।

🔍 এখন আপনি ভাবলেন, “ঠিক আছে, আমি বছরে প্রায় ৬.৬ লাখ দিচ্ছি, নিশ্চয়ই অন্তত ৫ লাখ তো প্রিন্সিপালে যাচ্ছে, আর ১.৫ লাখ ইন্টারেস্টে।”
কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন!

প্রথম বছরে আপনি এই ৬.৬ লাখ টাকা দিলেও আপনার মূল লোন কমে এসেছে মাত্র ৩-৩.৫ লাখ টাকার মতো।
বাকি ৩ লাখ বা তার বেশি টাকা কেটে নিয়েছে ‘সুদ’ নামে শোষণব্যবস্থা!

🤯 তখন মনে হবে, “ইন্টারেস্ট তো ১৪.৪৯% ছিল! তাহলে ৫০%-এর মতো কেটে নিচ্ছে কেন?”

✅ কারণ হলো: এটি "Reducing Balance Loan" বা "Amortized Loan"।
এই সিস্টেমে শুরুতে প্রতি মাসের কিস্তি থেকে বেশি অংশ সুদ হিসেবে কেটে নেয়, আর প্রিন্সিপালের অংশ কম রাখে। সময় যত এগোয়, সুদের অংশ কমতে থাকে, প্রিন্সিপালের অংশ বাড়ে।

📉 কিন্তু আপনি যদি মাঝপথে ইনকাম হারিয়ে ফেলেন, চাকরি যায়, রোগ-অসুস্থতা আসে, ব্যবসা ডুবে যায়—তখনো EMI আপনাকে দিতে হবে। না পারলে...

👉 লোনের ফাঁস হয়ে দাঁড়ায় আপনার পরিবার, সম্পদ, মানসিক শান্তির জন্য এক অভিশাপ।

📌 তাই কী করবেন?
1️⃣ লোন নিতে হলে আগে সম্পূর্ণ EMI Schedule বুঝে নিন।
2️⃣ কবে কবে কত টাকা ইন্টারেস্ট যাচ্ছে এবং কতটা প্রিন্সিপাল যাচ্ছে সেটা জানুন।
3️⃣ চেষ্টা করুন ১-২ বছরের মধ্যে আর্লি সেটেলমেন্টের পরিকল্পনা করতে।
4️⃣ সর্বোপরি, লোন না নিয়েই সামনের দিকে আগানোর চেষ্টা করুন।
কারণ এতে ধনী আরও ধনী হয়, গরীব আরও নিঃস্ব হয়।
সুদভিত্তিক অর্থনীতি হলো নিপীড়নের চরম রূপ—ধনীর গলায় মালা, গরীবের গলায় দড়ি!

---

✅ সতর্ক হোন। সচেতন হোন।
আপনার একটি ভুল সিদ্ধান্ত আপনার আগামী দশ বছর ছিনিয়ে নিতে পারে।

📢 দয়া করে এই পোস্টটি আপনার পরিবার, বন্ধু, আত্মীয়—সবাইকে শেয়ার করুন। অনেকে হয়তো আজই লোন নিতে যাচ্ছেন, জানেন না এর ভেতরের ভয়াবহতা!
(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত পোস্ট)

"চা বেচে অমুক দিনে ১০ হাজার কামাচ্ছে""বেগুনের খেত করে মাসে ২ লাখ টাকা ইনকাম""চাকরি ছেড়ে গোবর ছেনে কোটিপতি"এসব গল্প এখন অ...
14/06/2025

"চা বেচে অমুক দিনে ১০ হাজার কামাচ্ছে"
"বেগুনের খেত করে মাসে ২ লাখ টাকা ইনকাম"
"চাকরি ছেড়ে গোবর ছেনে কোটিপতি"
এসব গল্প এখন অনেকেই শোনায়।

তরুণদের জন্য পরামর্শ, এই ফাঁদে পড়বেন না। একদম নিজের চোখে দেখা অভিজ্ঞতা — আমাদের বয়সী একজন — ওয়েল পেইড জব ছেড়ে এইসব কুইক ক্যাশের নেশায় পড়ে গেল, এখন হাউমাউ করে মরছে।

আপনি যাই করেন, সেটার এক্সপান্ডিবিলিটি থাকতে হবে। ধরুন, একজন রিকশাওয়ালা, সে ডিসেন্ট আয় করে, এন্ট্রি লেভেল চাকরিজীবীর চেয়ে বেশি। রিকশাওয়ালারা মাসে ৩০ হাজার কামায় আর জবে নতুন হলে স্যালারি মাত্র ১৫ হাজার — ভিউ শিকারীরা আপনাকে এটুকুই বলবে।

এবার পরের হিসাবটা! ভাবুন, ওই রিকশাওয়ালা তার ইনকাম ডাবল করতে চায় বা নিদেনপক্ষে আর একটু বাড়াতে চায়। তার জন্য একমাত্র অপশন রিকশা চালানোর সময় বাড়িয়ে দেওয়া। ডাবল করতে চাইলে তাকে ১০ ঘন্টার জায়গায় ২০ ঘণ্টা রিকশা চালাতে হবে। এটা কী ফিজিক্যালি পসিবল? রোদ, বৃষ্টি তো আছেই, ছুটির দিনে কাজে না গেলে আয় নেই।

কিন্তু এন্ট্রি লেভেলের জবে ৪/৫ বছরে বেতন ডাবল হয়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক, কোনো অতিরিক্ত ঘন্টা না বাড়িয়েই।

আপনি যে কাজটা করতে চান সেটা তো আগে ভালো লাগতে হবে। ফেসবুকের এক লাইকখোরের লেখা পড়ে আপনি সিদ্ধান্ত নিলেন বাজারে বসে চা বেচবেন, চাকরির ডাবল ইনকাম। ভেবে দেখুন, আগামী ৩০ বছর আপনি কাপ পিরিচ আর চুলা নিয়ে চা বানাতে রাজি আছেন কিনা।

লাইফস্টাইলের ব্যাপার তো আছেই। আপনার যখন তেমন ইনকাম ছিল না, তখন আপনি বাইক চালাতেন। সামনে টাকা হবে, গাড়ি কিনবেন। কিন্তু এসব কাজে গাড়ির ভূমিকা কি? গাড়ি চালিয়ে কি আপনি ঝালমুড়ি বেচতে যাবেন?

চাকরিজীবি বা ডিসেন্ট লেভেলের উদ্যোক্তা হলে আপনি তার সাথে একটা লাইফস্টাইল আর নেটওয়ার্ক বাই ডিফল্ট পাবেন। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ধরুন, আপনি একটা স্টেশনারি কোম্পানির মার্কেটিংয়ে জব করেন। আপনি আজ এই ভার্সিটিতে, কাল ওই ঝকঝকে অফিসে বি-টু-বি ডিল করতে যাবেন। কত হাই স্কিল লোকের সাথে পরিচিতি হবে, কন্টাক্ট বিনিময় হবে।

কিন্তু আপনি টাকা দেখে রাস্তায় বাদামের ঝুড়ি নিয়ে দাঁড়ালেন। আপনার নেটওয়ার্ক হবে পাশের ফুচকাওয়ালা, আইসক্রিম বিক্রেতা ইত্যাদি। ওই ফুচকাওয়ালার ওই মুহূর্তের সবচেয়ে বড় চিন্তা সে কতক্ষণে তার সব মাল বিক্রি করে ঘরে যাবে। আগামীকালও সে একই কাজ করবে। আপনার মতো তার অ্যাম্বিশন নেই, বড় কিছু করার ইচ্ছে নেই, দেশের মানুষের উপকারে আসার খায়েশ নেই।

মনে রাখবেন, Your network is your net-worth. আর ওই সমস্ত পেশায় যে খুব বেশি ইনকাম হয় তাও কিন্তু না। খবরের শিরোনামে লেখা "চাকরি ছেড়ে বেগুন চাষে লাখপতি", ভিতরে থাকে ১ বছরে আয় সর্বসাকুল্যে ৩ লাখ টাকা। মানে ওই লোক মাসে মাত্র ২৫ হাজার টাকা কামায়, এটা নিয়ে আবার নিউজও হয়!

তাই এইসব ভুয়া মোটিভেশনের ফাঁদে পড়বেন না। প্রতি বছর মিডিয়াগুলো নিজেদের স্বার্থেই এসব নিউজ করে। গত ৫ বছরে নিউজ তো কম দেখেননি, আইফোন হাতে চানাচুরওয়ালা, ডিএসএলআর হাতে চটপটি বিক্রেতা, আরো কত কি! প্রশ্ন হলো তারা এখন কোথায়? তারা এখনও কেন সেই রাস্তায় বসছে না আর ওরকম আয় করছে না? তাহলে এগুলো রিলায়েবল পেশা হয় কিভাবে?

কোনো কাজই ছোট নয়। কিন্তু সব কাজই যে আপনার ফিল্ড, তা-ও নয়। আপনার কাছে খুব ভালো একটা প্ল্যান আছে, কিন্তু পঞ্চাশ হাজার টাকার জন্য আপনি এগোতে পারছেন না। এখন আপনি যদি মাছ কুটে, চানাচুর বেচে ওই ৫০ হাজার টাকা জোগাড় করে ফেলতে পারেন, তাহলে সেটা ঠিক আছে। কিন্তু যেভাবে এসব পেশাকে সরাসরি একটা ওয়েল পেইড জবের বিকল্প হিসেবে দেখানো হচ্ছে, তা মোটেও রিয়েলিস্টিক নয়।

©unknown

“সবাই সফলতা দেখে। চাকরি পাওয়ার আগে সেই লড়াইটা কেউ দেখে না...”নির্ঘুম রাত, বইয়ের স্তূপ, বারবার হতাশ হয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেল...
19/05/2025

“সবাই সফলতা দেখে। চাকরি পাওয়ার আগে সেই লড়াইটা কেউ দেখে না...”

নির্ঘুম রাত, বইয়ের স্তূপ, বারবার হতাশ হয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলার মুহূর্তগুলো—এটাই একজন স্বপ্নবাজ তরুণ বা তরুণীর প্রতিদিনের গল্প।

চোখের নিচে কালি পড়ে, শরীরের চেয়ে মনটাই বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
তবুও থেমে যায় না কেউ, কারণ—এই লড়াইটা নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, ভবিষ্যতের জন্য।

চাকরি পাওয়ার পর সবাই শুধুই সাফল্য দেখে। কেউ দেখে না এই অজস্র ‘না-পাওয়ার’ কষ্ট, চোখের পানি, একাকীত্ব আর হতাশার রাতগুলো।
এমনকি খুব কাছের মানুষগুলোও কখনো বুঝে না এই যন্ত্রণা।

যারা এখনো চেষ্টা করে যাচ্ছেন, নিজের স্বপ্নকে আঁকড়ে ধরে সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন, আপনার এই স্ট্রাগল একদিন গল্প হবে, অনুপ্রেরণা হবে।

হাল ছাড়বেন না। আপনার সময় আসবেই।(Collected )
🤍

সেনাবাহিনীতে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলেই বড় হয়েছি আমি। কারণ সেটাই আমাদের আসল কাজ—যুদ্ধের জন্য তৈরি থাকা আর যেখানে যখন দরকার, সেখ...
06/03/2025

সেনাবাহিনীতে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলেই বড় হয়েছি আমি। কারণ সেটাই আমাদের আসল কাজ—যুদ্ধের জন্য তৈরি থাকা আর যেখানে যখন দরকার, সেখানে যুদ্ধ করা। প্লেইন এন্ড সিম্পল। দেশের মাটিতে হোক বা বিদেশে, ইউএন পিসকিপিং মিশনে, যুদ্ধ তো করতেই হয়েছে। কিন্তু একটা মজার ব্যাপার হলো, যুদ্ধ যতটা শারীরিক মনে হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি মানসিক।

এই মানসিক যুদ্ধের আসল ব্যাপারটা পুরোপুরি দেখলাম প্রাইভেট সেক্টরে এসে। যুদ্ধের যত স্ট্র্যাটেজি আছে, তার প্রায় সবকটাই এখানে কাজে লাগে। প্রতিদিন নতুন চ্যালেঞ্জ, প্রতিদিন নতুন কৌশল। তখন মনে হলো, প্রাইভেট সেক্টরে আমাদের কোন যুদ্ধের বইটা পড়া দরকার?

The Art of War-এর সঙ্গে পরিচয় আমার "স্কুল অফ ইনফ্যান্ট্রি এন্ড ট্যাকটিস" এ। প্রায় ২৫ বছর আগে। একদিন কারও মুখে একটা লাইন শুনলাম—“যুদ্ধ জেতা হয় আসলে যুদ্ধের আগেই।” কথাটা শুনে মাথায় বাজ পড়ার মতো হলো। এটা তো শুধু যুদ্ধের জন্য না, লাইফের সব ক্ষেত্রেই সত্যি! তখনই বইটা পড়া শুরু করলাম, ভেবে যে এটা পুরনো মিলিটারি স্ট্র্যাটেজির ওপর লেখা। কিন্তু যত পড়লাম, তত বুঝলাম, The Art of War শুধু যুদ্ধ নিয়ে না—এটা জীবন, সিদ্ধান্ত নেওয়া, লিডারশিপ আর কনফ্লিক্ট ম্যানেজমেন্টের ওপর এক অসাধারণ গাইডলাইন।

বইটা থেকে কিছু দারুণ শিক্ষা পেয়েছি, যা যে-কেউ কাজে লাগাতে পারে—হোক সে টিম লিডার, একজন স্টুডেন্ট, বা নিজের জীবনের কঠিন সময় পার করছে। তার মধ্যে সাতটা বিষয় আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে:

১. যুদ্ধ জেতা হয় প্রস্তুতির সময়েই

সান জু বারবার একটা কথাই বলেছেন—“যুদ্ধের ফলাফল আগেই নির্ধারিত হয়ে যায়।” মানে, প্রস্তুতি ছাড়া কিছুই সম্ভব না। আমি নিজেও অনেকবার ভাবতাম, “একটা ইন্টারভিউ, দেখা যাবে,” বা “এই ডিসকাশন সামলানো যাবে,” কিন্তু সান জু বলছেন—এভাবে কিছু হয় না। যে যত ভালো প্রস্তুতি নেয়, সে তত বেশি কন্ট্রোল রাখতে পারে। একবার আমার এক বস একই চিঠি ২১ বার ড্রাফ্ট করিয়েছিলেন। হয়তোবা এজন্যই এখন একটু আধটু লিখতে পারি।

২. সেরা যুদ্ধ হলো যেটা তোমাকে লড়তেই হয়নি

এটা শোনার পর আমার পুরো কনসেপ্ট বদলে গেল। এতদিন ভাবতাম, চ্যালেঞ্জের সামনে পড়ে গেলে লড়াই করাই আসল শক্তি। কিন্তু সান জু বলছেন, “সেরা জেনারেল সেই, যে যুদ্ধ ছাড়াই জিতে যায়।” মানে, স্মার্টনেস, ডিপ্লোম্যাসি, আর স্ট্র্যাটেজি যদি ঠিক থাকে, তাহলে অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ এড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ। এটা অফিস পলিটিক্স থেকে শুরু করে পার্সোনাল লাইফ, সবখানেই সত্যি। অফিসে যেকোনো পরিস্থিতি ঘটার আগেই সামাল দেওয়াটাই মুন্সিয়ানার লক্ষণ।

৩. নিজেকে জানো, প্রতিপক্ষকে জানো

সান জুর একটা বিখ্যাত উক্তি—“যদি তুমি নিজের আর শত্রুর শক্তি-দুর্বলতা জানো, তাহলে শত যুদ্ধেও হারবে না।” এটা আমার জীবনে অনেকবার প্রমাণিত হয়েছে। অনেক সময় আমরা নিজেদের ক্যাপাবিলিটি বুঝতে পারি না, আবার প্রতিপক্ষ বা সমস্যার আসল চেহারাটাও ধরতে পারি না। অথচ, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—নিজের সীমাবদ্ধতা আর শক্তি জানা, সাথে বিপক্ষের অবস্থান বোঝা। যেমন, স্বাতী ভাবে পৃথিবীর সবাই আমাকে ঠকায়। এটা আমার একটা সীমাবদ্ধতা।

৪. বিদ্যুৎ গতিতে পাল্টাও, পরিস্থিতির সাথে বদলাতে শেখো

সান জু বলেন, শক্ত লোহা হয়ে থাকার দরকার নেই, বরং হতে হবে পানির মতো—যেখানে বাধা আসবে, সেখান দিয়ে বয়ে যেতে হবে। অনেক সময় আমরা একটা প্ল্যানে এতটাই আটকে থাকি যে, পরিবর্তন দরকার হলেও মানতে পারি না। অথচ লাইফের আসল বিজয়ীরা তারাই, যারা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারে। স্বাতীর ইভাল্যুয়েশন: আমি নাকি গিরগিটি!

৫. যখন শক্তিশালী, তখন দুর্বল দেখাও; যখন দুর্বল, তখন শক্তিশালী দেখাও

এটা বইয়ের চমৎকার স্মার্ট একটা শিক্ষা। অনেক সময় নিজেকে দুর্বল দেখানোই বেস্ট স্ট্র্যাটেজি—যাতে অন্যরা তোমাকে অবমূল্যায়ন করে, আর তোমার আসল পরিকল্পনা বুঝতে না পারে। আবার কখনো নিজেকে শক্তিশালী দেখানো দরকার, যাতে তোমার প্রতিপক্ষ ভয় পায়। এটা লিডারশিপ, নেগোশিয়েশন, এমনকি পার্সোনাল লাইফেও কাজে লাগে।

৬. ইমোশন কন্ট্রোল করতে না পারলে, তুমি হেরে গেছ

সান জু স্পষ্ট বলছেন—ক্রোধ, ভয় বা অহংকার যদি তোমার সিদ্ধান্তকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে তুমি যুদ্ধের আগেই হেরে গেছ। এটা শুনে নিজের কিছু বাজে সিদ্ধান্তের কথা মনে পড়লো—যেগুলো ইমোশন দিয়ে চালিত হয়ে নিয়েছিলাম, আর পরে আফসোস করেছি। লাইফে একধাপ এগোতে হলে, ইমোশনকে বশে আনতেই হবে।

৭. লিডার একা কিছুই না, টিমই আসল শক্তি

শেষ যে শিক্ষাটা আমাকে সবচেয়ে বেশি ভাবিয়েছে, সেটা হলো—একজন ভালো লিডার মানেই সে একা জিনিয়াস না, বরং সে এমন একজন, যে তার টিমের সেরাটা বের করে আনতে পারে। যদি কোনো টিম খারাপ পারফর্ম করে, তাহলে প্রথমে লিডারের দিকেই তাকানো উচিত। এটা শুধুমাত্র ওয়ার্কপ্লেস না, ফ্যামিলি বা ফ্রেন্ড সার্কেলেও সত্যি। আমার টিমের প্রতি আমার একটাই কথা, কাজের ক্রেডিট তোমার, আর সঠিক ইনটেনশন নিয়ে কাজটা করতে গিয়ে ঘাপলা হলে দায়-দায়িত্ব আমার।

এই সাতটা লেসন শুধু যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য না, লাইফের সব জায়গায় কাজে লাগানো যায়। যুদ্ধ মানেই শুধু আর্মস আম্যুনেশন নিয়ে নামা না, বরং স্ট্র্যাটেজি, ধৈর্য আর বুদ্ধিমত্তার খেলা। The Art of War আমাকে ভাবতে শিখিয়েছে—কখন যুদ্ধ করতে হবে, আর কখন সেটা এড়িয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

তবে আমার বন্ধুদের মতামত হচ্ছে, সামরিক বাহিনীতে থাকার সময় আমার চেহারা, আচরণ, কার্যকলাপ ইত্যাদি সনাতন সামরিক স্টাইলে মিলতো না বলে যুদ্ধের আগেই ডিসেপশন বলয় নিয়ে সন্ধিহান থাকত তারা। স্বাতীরও একই ধারণা। এই ব্যাপারটা এখনো বের করতে পারিনি আমি। তাদের কথা, আমার চেহারার সাথে নাকি একশন মেলেনা। এটাই নাকি সবচেয়ে বড় ডিসেপশন।

(কমেন্টে অন্যান্য লেখা)
🤍

23/02/2025

আমি শয়নগৃহে, চারপায়ীর উপর বসিয়া, হুঁকা হাতে ঝিমাইতেছিলাম। একটু মিটমিট করিয়া ক্ষুদ্র আলো জ্বলিতেছে-দেয়ালের উপর চঞ্চল ছায়া, প্রেতবৎ নাচিতেছে। আহার প্রস্তুত হয় নাই-এজন্য হুঁকা হাতে, নিমীলিতলোচনে আমি ভাবিতেছিলাম যে, আমি যদি নেপোলিয়ন হইতাম তবে ওয়াটার্লু জিতিতে পারিতাম কি না। এমত সময়ে একটি ক্ষুদ্র শব্দ হইল, ‘মেও’! (বিড়াল – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)

কবি,লেখক, উপন্যাসিক অনেকেই বিড়ালকে নিয়ে অনেক কল্পিত কথোপকথন, তাদের চিন্তাচেতনা তুলে ধরেছেন তাদের লেখনীতে। আজকে সেই বিড়াল পালনের শারীরিক সুবিধা সম্পর্কে জানবো।

স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে পোষা প্রাণী হিসেবে বিড়ালের কদর সবচেয়ে বেশি। বিড়াল শান্তশিষ্ট প্রাণী, তার মেজাজ-মর্জিও অন্যসব পোষা প্রাণী থেকে আলাদা। বিড়ালের প্রতি মানুষের মমত্ববোধ যুগ যুগ ধরে অব্যাহত। ঠিক কবে থেকে বিড়ালকে পোষা প্রাণী হিসেবে রাখার প্রচলন শুরু হয়, তার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। প্রাক-ইসলামি যুগ থেকে শুরু করে নবী করিম (সা.)-এর জামানায় অনেকেই বিড়াল পুষতেন। অনেকেই বিড়াল পালন করতে যেমন আগ্রহী অনেকেই আবার নাক সিটকান। আসলে বিড়াল পালনের উপকারীতা কিন্তু অনেক।

◼️ বিড়াল স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় কারণ বিড়াল পোষার মাধ্যমে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমানো যায়। যারা বিড়াল পোষেন তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অন্যদের থেকে ৩০ শতাংশ কম।

◼️ বিড়াল উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম।

◼️ বিড়াল এলার্জি প্রতিরোধে সহায়তা করে। ২০০২ সালে ন্যাশনাল হেলথ ইন্সটিটিউটের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, এক বছরের নিচের যেসব শিশু বিড়ালের প্রেমে মগ্ন থাকে, তাদের বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জি হবার সম্ভাবনা কম।

◼️ বিড়াল মানসিক চাপ কমায় কারণ বিড়াল আপনার শরীরের কর্টিসলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। কর্টিসল হল এক ধরণের রাসায়নিক- যা মানসিক চাপে থাকলে নির্গত হয়। এর মাত্রা যখন কম থাকবে তখন আপনি ভালো বোধ করবেন। অপেক্ষাকৃত কম চাপ বোধ করবেন।

◼️ বিড়ালের উপস্থিতিতে ঘুম ভালো হয়। মায়োক্লিনিক সেন্টার ফর স্লিপ মেডিসিন কর্তৃক ঘুমের সঙ্গী হিসেবে বিড়ালকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে, বিড়াল পোষেন এমন ব্যক্তিদের ৪১ শতাংশ মনে করেন, বিড়ালের উপস্থিতিতে তাদের ভালো ঘুম হয়েছে। Science Bee

◼️ বিড়াল ব্যক্তির রাগ, উদ্বেগ কমায়।

◼️ বিড়ালের মিউ মিউ ডাক বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর ধ্বনিগুলোর একটি, যা শরীরের পেশী ও অস্থির প্রদাহ নিরাময়ে থেরাপির মতো কাজ করে।

◼️ বিড়াল মুড ভালো রাখার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখে। কখনো যদি খারাপ বোধ করেন, আপনার বিড়ালের সঙ্গে খেলা করুন। তার যত্ন নিন। এর মাধ্যমে আপনার শরীরে সেরোটোনিন নির্গত হবে। সেরোটোনিন হল এক ধরণের রাসায়নিক- যা উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে।

◼️ একাকিত্ব কোন পরিস্থিতিতেই ভালো নয়,বিড়াল আপনার একাকিত্ব দূর করতে পারে।

◼️ অটিস্টিক শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য বিড়াল খুবই কার্যকরী, বিড়াল সারাদিন তাদের সাথে খেলবে এতে করে প্রাকৃতিক উপায়ে তাদের স্বাস্থ্যের উন্নতি সম্ভব গবেষণায় এমন বিষয়ই উঠে এসেছে।

◼️ বাড়িতে ইঁদুর থাকলে বিভিন্ন খাবারের উপর জীবানু ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে,ফলে স্বাস্থ্যঝুকিতে পরতে হতে পারে। বিড়াল ঘরে থাকলে ইদুরের উপদ্রব কমে৷

◼️ বিড়াল শিশুদের সংক্রমণ সক্ষমতা বাড়ায় ফলে বড় হয়ে ইনফেকশন কম হয়।

পরিশেষে বিড়াল আপনার অবসর সময়ের খুব ভালো একজন বন্ধু ও সঙ্গী হতে পারে, যা আপনাকে আনন্দ ও প্রশান্তি এনে দেবে। যারা বিড়াল পালন করে তারা কম রোগে ভোগে অর্থাৎ তুলনামূলক বেশি সুস্থ থাকে। তবে বিড়াল পালনে যে অসুবিধা নেই এটা বললেও ভুল হবে। ভালো-মন্দ মিলিয়েই দুনিয়া। তাই বিড়াল পালন করবেন কী করবেন না দিন শেষে তা একান্তই আপনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত!

লেখকঃ আনিকা আনতারা প্রধান | Team Science Bee

জীবনের কঠিন সময়গুলোতে নিজেকে গোপন রাখাই ভালো। নিজের দুঃখ কষ্ট কাউকে না দেখানোই উত্তম।জীবনে যদি কখনও খুব খারাপ সময় আসে, ত...
04/02/2025

জীবনের কঠিন সময়গুলোতে নিজেকে গোপন রাখাই ভালো। নিজের দুঃখ কষ্ট কাউকে না দেখানোই উত্তম।

জীবনে যদি কখনও খুব খারাপ সময় আসে, তাহলে নিজের দুঃখ কষ্টগুলো নিজের মাঝে এমন ভাবে আড়াল করে রেখো যেনো তোমার গা ঘেঁষে বসে থাকা মানুষটিও টের না পায় গোপনে তুমি ভেঙে গেছো খুব।

পুড়ে ছারখার হয়ে গেছে মনের বন। আকস্মিক ঝড়ে, ঝরে গেছে জীবন বৃক্ষের সব কয়টি সবুজ পাতা। শক্ত হও। নিজেকে নিজেকে বুঝাও যে এত সামান্য বাতাসে ঝরে যেতে নেই, ভেঙে যেতে নেই অমন হাল্কা আঘাতে।

কান্না পেলে একা একা গোপনে কাঁদো, তবুও নিজের দুঃখের ক্ষতগুলো কাউকে দেখাতে যাবে না। মনে রেখো, যে নিজের জন্য আলো হতে পারে না, পৃথিবীর সমস্ত আলো মিলেও তাকে পথ দেখাতে পারে না।

জানোই তো মানুষ বড় নিষ্ঠুর ও নির্দ্বয়। ভেঙে যাওয়া মৌচাক দেখলে ঢিল মেরে আরও বেশী ভেঙে দিয়ে পৈশাচিক আনন্দ পায়।

লেখা: সংগৃহীত

02/02/2025

গাছের মত বড় মনের হও
তোমাকে ইট ছুঁড়লে, তুমি ফুল ছুঁড়ে দাও🥀🤍

Address

Dhaka

Telephone

+8801626696404

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Phyco logy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram