Ruqyah Healing

Ruqyah Healing Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ruqyah Healing, Alternative & holistic health service, কাজলা ওভার ব্রিজ সংলগ্ন, কাজলা, যাত্রাবাড়ী, Dhaka.

সমস্ত চিকিৎসার উপরে আল্লাহর কালামের চিকিৎসা, আসুন আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা রাখি
কুরআন-সুন্নাহ থেকে চিকিৎসা নেই।

📍 আমাদের ঠিকানা: দক্ষিণ কাজলা ফুট ওভার ব্রিজ সংলগ্ন, আদর্শ স্কুলের গলি,কুতুবখালী,যাত্রাবাড়ী, ঢাকা। 𝟬𝟭𝟯𝟯𝟲-𝟮𝟬𝟮𝟭𝟱𝟬 রুকইয়াহ জিন জাদু বদনজর হাসাদ এবং এগুলোর কারণে সৃষ্ট রোগ সমূহের চিকিৎসায় রুকইয়াহ কার্যকরী ও নিরাপদ চিকিৎসা। জাদুকর তান্ত্রিক এবং কুফর শিরকের বিরুদ্ধে এক মহা বিপ্লব।
▶যেসব বিষয়ে রুকইয়াহ করা হয়
মৌলিক বিষয় সমূহ
১/ জ্বিনের আছর।
২/ যাদুটোনা ( ব্লাক ম্যাজিক)
৩/ বদনজর, হাসাদ।
🩺শাখা বিষয় সমূহ
#জিনের আছর
#আশিক জিন সমস্যা
#বদনজর, হাসাদ
#ওয়াসওয়াসা, কুমন্ত্রণা (ওসিডি বা শুচিবায়ু,)
#পাগল বানানোর যাদু
#পড়ালেখা নষ্ট করার যাদু
#বিবাহ বন্ধের যাদু
#বিবাহ বিচ্ছেদের যাদু
#মেরে ফেলার যাদু
#অসুস্থ বানানোর যাদু
#অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা।
#সহবাসে অক্ষমতার যাদু
#বাচ্চা না হওয়া বা বন্ধ্যাত্বের যাদু
#আসক্ত বা বশ করার যাদু
#আর্থিক আয় উন্নতি বন্ধের যাদু
#খেয়ালের যাদু।
#মৃগীরোগ।
#আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধব এর মাঝে বিচ্ছেদের জাদু।
#জ্বিন যাদুর কারণে সৃষ্ট ওভারিয়ান সিস্ট
#জরায়ু সিস্ট
#ব্রেস্টের বিভিন্ন সমস্যা।
#জিন যাদুর কারণে যে কোনো ক্যানসার
#মুখের ব্রণ
#চুল পড়া সমস্যা।
#প্যারালাইজড
#শারীরিক মানসিক বিভিন্ন সমস্যা।
#বোবা করার যাদু
#অন্ধ বধির বানানোর যাদু
#শ্বাসকষ্টের সমস্যার যাদু
#ঈমানের উপর ও আমলে বাধা সৃষ্টির যাদু
#কল্পনাপ্রবন যাদু (হ্যালুসিনেশন)
#মতিভ্রম ও ভুলে যাওয়ার যাদু
#ব্যবসায় দেউলিয়া বানানোর যাদু
#চাকরি না পাওয়া ইত্যাদি।
#কাজ ধংস করার যাদু
#সম্পদ দখলের যাদু
#অশ্লীলতার যাদু। যেমন পতিতা বা পার্ভার্ট বা জানি বানানোর জাদু।
#আইবিএস(IBS)( কোষ্টকাঠিন্য/পেট খারাপ করার সমস্যা।

22/02/2026

খাবারের সাথে খাওয়ানো জাদু
নিয়ে কিছু কথা!!

হঠাৎ শরীরে খামচির দাগ – স্বাভাবিক নাকি জ্বীনের আছর?অনেকেই বলেন, ঘুম থেকে উঠে বা হঠাৎ শরীরে খামচির মতো দাগ দেখছেন। তখন মন...
22/02/2026

হঠাৎ শরীরে খামচির দাগ – স্বাভাবিক নাকি জ্বীনের আছর?
অনেকেই বলেন, ঘুম থেকে উঠে বা হঠাৎ শরীরে খামচির মতো দাগ দেখছেন। তখন মনে প্রশ্ন আসে—এটা কি জ্বীনের আছর?

🔎 প্রথমে স্বাভাবিক কারণগুলো দেখুন: ✔ নখ বড় থাকলে নিজের অজান্তে ঘুমের মধ্যে আঁচড় লাগা
✔ এলার্জি বা স্কিন র‍্যাশ
✔ শুষ্ক ত্বক (Dry skin)
✔ পোকামাকড়ের কামড়
✔ কাপড়ের ঘর্ষণ
এসব কারণে অনেক সময় দাগ হয়ে থাকে, যা আমরা খেয়াল করি না।

⚠ কখন সতর্ক হবেন?
যদি দাগের সাথে আরও কিছু অস্বাভাবিক লক্ষণ থাকে যেমন—
• অতিরিক্ত ভয়, দুঃস্বপ্ন
• ইবাদতে অস্বাভাবিক অস্থিরতা
• হঠাৎ আচরণ পরিবর্তন
• শরীরে অকারণ ব্যথা
তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখুন।

📌 মনে রাখবেন, শুধু খামচির দাগ মানেই জ্বীনের আছর নয়। আগে মেডিকেল কারণ যাচাই করা জরুরি। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

🤲 পাশাপাশি রুকইয়াহ, নিয়মিত দোয়া, আয়াতুল কুরসি, সূরা বাকারা তিলাওয়াত চালু রাখুন।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে +8801336-202150 কল করুন অথবা ইনবক্সে মেসেজ করুন

21/02/2026
21/02/2026

বদনজর কি? এর সত্যতা কতটুকু আসুন জানি ভিডিও থেকে।

বর্তমান সময়ে জাদুর প্রভাব বেড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ কী? – বাস্তব ও রুকইয়াহর আলোকে ব্যাখ্যা করা হলো:অনেকে বলেন—আগের চেয়ে এখ...
21/02/2026

বর্তমান সময়ে জাদুর প্রভাব বেড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ কী? – বাস্তব ও রুকইয়াহর আলোকে ব্যাখ্যা করা হলো:

অনেকে বলেন—আগের চেয়ে এখন জাদু, বদনজর ও জ্বীনের প্রভাব বেশি দেখা যাচ্ছে।
এর পেছনে কিছু স্পষ্ট কারণ আছে, যা আমরা বাস্তব জীবন ও রুকইয়াহর অভিজ্ঞতায় বুঝতে পারি।

১) আল্লাহর স্মরণ থেকে দূরে সরে যাওয়া
নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, সকাল–সন্ধ্যার যিকির—এসব কমে গেলে মানুষের চারপাশে এক ধরনের আধ্যাত্মিক শূন্যতা তৈরি হয়।

এই দুর্বলতার সুযোগেই জাদু ও শয়তানি প্রভাব কাজ করে।
২) হিংসা, হাসাদ ও বদনজরের বৃদ্ধি

বর্তমানে মানুষের মধ্যে—
হিংসা
অহেতুক নজর দেওয়া
অন্যের ভালো সহ্য না করা
খুব বেশি বেড়ে গেছে।
এই হাসাদ ও বদনজর থেকেই অনেক সময় জাদুর দরজা খুলে যায়।

৩) সোশ্যাল মিডিয়ায় অতিরিক্ত শো-অফ
নিজের সুখ, সফলতা, সংসার, সন্তান—সব কিছু প্রকাশ্যে দেখানো হচ্ছে।
কিন্তু সবাই যে ভালো নজরে দেখে, তা নয়।
এর ফলে বদনজর ও আত্মিক ক্ষতি বেড়ে যাচ্ছে।

৪) গুনাহকে হালকা মনে করা
মিথ্যা, সুদ, ব্যভিচার, হারাম উপার্জন—এসব বিষয়কে এখন অনেকেই স্বাভাবিক মনে করে।
গুনাহ বাড়লে আল্লাহর হিফাজত কমে যায়, আর তখন জাদু ও জ্বীনের প্রভাব সহজে লাগে।

৫) তাবিজ, জিন ডাকা ও হারাম আমলের দিকে ঝোঁক
অনেকেই সমস্যার সমাধান কুরআন–সুন্নাহর পথে না গিয়ে—
তাবিজ
জিন হাজির করা
কথিত কবিরাজ
এর কাছে যায়।
এগুলো সমস্যার সমাধান তো করেই না, বরং জাদুকে আরও শক্তিশালী করে।

৬) মানসিক দুর্বলতা ও অতিরিক্ত ভয়
দুশ্চিন্তা, ভয়, হতাশা, অবসাদ—এগুলো মানুষকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেয়।
এই দুর্বল অবস্থায় জাদু ও শয়তানি প্রভাব সহজে কাজ করে।

৭) রুকইয়াহ সম্পর্কে অজ্ঞতা
অনেকে জানেই না—
কিভাবে কুরআন দিয়ে নিজেকে হিফাজতে রাখা যায়
কিভাবে সেলফ রুকইয়াহ করতে হয়
এই অজ্ঞতাও বড় একটি কারণ।

রুকইয়াহর দৃষ্টিতে করণীয়

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিক করা
প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াত
সকাল–সন্ধ্যার যিকির
নিয়মিত সেলফ রুকইয়াহ
গুনাহ থেকে তাওবা

শেষ কথা
জাদু বেড়ে গেছে—এটা পুরো সত্য নয়।
আসলে আমাদের আত্মিক হিফাজত কমে গেছে, তাই প্রভাব বেশি মনে হচ্ছে।
আল্লাহর দিকে ফিরে গেলে, কুরআনকে আঁকড়ে ধরলে—জাদু ও শয়তানি প্রভাব ইনশাআল্লাহ দুর্বল হয়ে যায়।

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে +8801336-202150 কল করুন অথবা ইনবক্সে মেসেজ করুন

আলহামদুলিল্লাহ।
21/02/2026

আলহামদুলিল্লাহ।

রমজান মাসে কি জ্বীনদের বেঁধে রাখা হয়? অনেকেই প্রশ্ন করেন, রমজান এলে কি সত্যিই জ্বীনদের বেঁধে রাখা হয়?এই প্রশ্নের উত্তর ক...
21/02/2026

রমজান মাসে কি জ্বীনদের বেঁধে রাখা হয়?

অনেকেই প্রশ্ন করেন, রমজান এলে কি সত্যিই জ্বীনদের বেঁধে রাখা হয়?

এই প্রশ্নের উত্তর কুরআন–হাদিসের আলোকে খুব সহজভাবে বোঝা যায়।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন
রমজান মাস শুরু হলে শয়তানদের শৃঙ্খলিত করা হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ করা হয় এবং জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়।

এখানে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বুঝতে হবে—
সব জ্বীন নয়, মূলত দুষ্ট ও অবাধ্য শয়তানদের বেঁধে রাখা হয়।

অর্থাৎ যারা মানুষকে বেশি বেশি গুনাহের দিকে টানে, তাদের প্রভাব অনেকটাই দুর্বল করে দেওয়া হয়।

তাই রমজান মাসে
গুনাহের দিকে টান তুলনামূলকভাবে কম থাকে
ইবাদতে মন বসে বেশি
নামাজ, কুরআন, দোয়া সহজ লাগে
তবুও আমরা দেখি, রমজানে গুনাহ হয় কেন?

কারণ
মানুষের নিজের নফস এখনো সক্রিয় থাকে
দীর্ঘদিনের অভ্যাস ও বদঅভ্যাস হঠাৎ করে চলে যায় না
সব জ্বীন বা শয়তান সম্পূর্ণভাবে অচল হয়ে যায়—এমন কথা বলা হয়নি

রুকইয়াহর দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ কেন?

রমজান মাস রুকইয়াহর জন্য একটি বিশেষ সময়—
জ্বীন ও শয়তানের প্রভাব দুর্বল থাকে
কুরআনের আয়াত দ্রুত প্রভাব ফেলে
বদনজর, জাদু ও জ্বীনের প্রভাব কাটাতে এই মাসে রুকইয়াহ করলে অনেকেই দ্রুত উপকার পান।

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে +8801336-202150 কল করুন অথবা ইনবক্সে মেসেজ করুন

আশিক জ্বীন দ্বারা আপনি কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন?আশিক জ্বীন হলো এমন এক ধরনের জ্বীন, যে কোনো নারী বা পুরুষের প্রতি আসক্ত ...
20/02/2026

আশিক জ্বীন দ্বারা আপনি কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন?

আশিক জ্বীন হলো এমন এক ধরনের জ্বীন, যে কোনো নারী বা পুরুষের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে। এই আসক্তি ধীরে ধীরে মানুষের জীবনকে নানা দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত করে তোলে
শারীরিক, মানসিক ও পারিবারিকভাবে।

আশিক জ্বীনের প্রভাবে যেসব সমস্যা দেখা দিতে পারে—
• অকারণে একা থাকতে ভালো লাগা, মানুষের সঙ্গে মিশতে অনীহা
• নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত বা ইবাদতে অস্বস্তি ও বিরক্তি
• ঘুমের মধ্যে ভয়ংকর স্বপ্ন, চাপ অনুভব করা বা শরীর ভারী লাগা
• নির্দিষ্ট কারো প্রতি অস্বাভাবিক টান বা আবার বিবাহে বাধা সৃষ্টি হওয়া
• স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অকারণ ঝগড়া, দূরত্ব ও ঘৃণা তৈরি হওয়া
• শরীরে হঠাৎ ব্যথা, জ্বালাপোড়া, শীতলতা বা কাঁপুনি অনুভব করা
• একাকিত্বে অদ্ভুত অনুভূতি, কারো উপস্থিতি মনে হওয়া
• মানসিক অস্থিরতা, হতাশা ও অকারণ ভয়
অনেক সময় আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেও বুঝতে পারেন না কেন তার জীবন এমন হয়ে যাচ্ছে। ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক জীবন, ইবাদত ও সম্পর্কগুলো নষ্ট হতে থাকে।
মনে রাখবেন—

আশিক জ্বীনের ক্ষতি বাস্তব হলেও এর চিকিৎসা আল্লাহর কুরআনেই রয়েছে। সহিহ রুকইয়াহ, নিয়মিত নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও আল্লাহর ওপর ভরসাই হলো মুক্তির পথ।

আল্লাহ চাইলে সবচেয়ে কঠিন সমস্যাও সহজ হয়ে যায়।

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে +8801336-202150 কল করুন অথবা ইনবক্সে মেসেজ করুন

রুকইয়ার সংক্ষিপ্ত পরিচিত_______________________আভিধানিক অর্থ: ঝাড়ফুঁক করাপারিভাষিক অর্থ: সুস্থতা লাভের জন্য কোরআনের আয...
20/02/2026

রুকইয়ার সংক্ষিপ্ত পরিচিত
_______________________
আভিধানিক অর্থ: ঝাড়ফুঁক করা
পারিভাষিক অর্থ: সুস্থতা লাভের জন্য কোরআনের আয়াত, হাদীসে বর্ণিত দোয়া কিংবা অন্য যেকোন দোয়ার মাধ্যমে ঝাড়ফুঁক করা।
পাশাপাশি পেশেন্টের সুস্থতা লাভের জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং সালাফে সালেহীনদের ব্যবহৃত কিংবা তাদের থেকে বর্ণিত বিভিন্ন ভেষজ এবং পদ্ধতি অবলম্বন করা।

রুকইয়াহ করার হুকুম
-------------------------------
অসুস্থ হয়ে গেলে সুস্থতা লাভের জন্য ঝাড়ফুঁক করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। ঝাড়ফুঁক নিজে নিজেও করা যায় অথবা অন্যের মাধ্যমেও করানো যেতে পারে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম নিজের রুকইয়া নিজেও করেছেন, অন্যকেও করেছেন এবং সাহাবাদেরকে রুকইয়া করতে বলেছেন। সাহাবাদের রুকইয়া করাকে তিনি সমর্থনও করেছেন।

কী ধরনের সমস্যায় রুকইয়াহ করা যায়?
---------------------------------------------------------
বিশেষত জীন, যাদু, বদনজর, হাসাদ এবং এগুলোর কারণে সৃষ্ট যাবতীয় সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রুকিয়ার মাধ্যমে সুস্থতা বা সমাধান লাভ করা যায়।
মৌলিকভাবে কোরআন সমস্ত রোগের শিফা। চাই তা শারীরিক, মানসিক, আত্মিক কিংবা অন্য যেকোনো কিছু। কারণ, আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'য়ালা বলেছেনঃ কোরআনে যা নাযিল করা হয়েছে তা মুমিনদের জন্য শিফা এবং রহমত।
(সূরা বনী ইসরাঈল ৮২)

জিন যাদু বদনজরের কারনে কি কি সমস্যা হতে পারে?
----------------------------------------------------------------------------
শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন, বিভিন্ন জটিল কঠিন রোগে আক্রান্ত হওয়া, অসুস্থ্য থাকা সত্তেও পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কোন রোগ ধরা না পড়া এবং ওষুধ খেয়েও ভালো না হওয়া, হঠাৎ কোনো পরিবর্তন হওয়া: যেমন স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে ভালো না লাগা, হঠাৎ কাউকে শত্রু বা বন্ধু মনে করা, বাহ্যিক কোন বাধা না থাকা সত্ত্বেও বিয়ে না হওয়া, বাচ্চা না হওয়া, চাকরি না হওয়া, সংসারে সর্বদা অশান্তি বিরাজ করা ইত্যাদি ইত্যাদি।

কি ধরনের সমস্যার জন্য রুকইয়া নয়?
-----------------------------------------------------
অসাধ্যকে সাধ্য করা, অসম্ভবকে সম্ভব করা, মনের মানুষকে কাছে পাওয়া, কারো মাঝে অমিল/ মিল বা শত্রুতা সৃষ্টি করা কিংবা শরীয়ত বিরোধী যে কোন উদ্দেশ্য পূরণের জন্য রুকইয়া নয়।

রুকইয়াহর মাধ্যমে উপকৃত হওয়ার শর্তাবলী
-------------------------------------------------------------
১/ নিয়ত করা (নির্দিষ্ট সমস্যার জন্য আল্লাহতালার
কাছে সুস্থতা লাভের নিয়ত করা।
২/ ইয়াকিন রাখা (এই বিশ্বাস রাখা যে কুরআনে
আল্লাহ তাআলা শিফা রেখেছেন)
৩/ ইস্তিকামাত (সুস্থতা লাভের জন্য
নিয়মতান্ত্রিকভাবে -যত কষ্টই হোক- রুকইয়াহ
চালিয়ে যাওয়া-অটল-অবিচল থাকা)

রুকইয়ার ব্যাপারে আকীদা
--------------------------------------
অবশ্যই এই বিশ্বাস রাখতে হবে যে, সুস্থতা দানকারী এবং সমাধানকারী একমাত্র আল্লাহ তাআলা। রুকইয়ার নিজস্ব কোন ক্ষমতা নেই।

রুকইয়ার শর্তাবলী
--------------------------
১/ সুস্থতা একমাত্র আল্লাহ তায়ালার হাতে- এই বিশ্বাস রাখা।
২/ কোরআনের আয়াত, হাদিসের দোয়া এবং সুন্দর অর্থবহ দোয়ার মাধ্যমে রুকইয়া করা।
৩/ রুকইয়াহর মধ্যে অস্পষ্ট কোন শব্দ বা কোন কথা উচ্চারণ না করা।
৪/ এ বিশ্বাস রাখা যে, রোগ নিরাময়ে রুকইয়াহ আল্লাহর সৃষ্ট বিভিন্ন উপকরণের একটি উপকরণ মাত্র।

রুকইয়া কে করতে পারে?
------------------------------------
যে কোন মুসলিমই করতে পারে। শর্ত হলো ঈমান আকিদা বিশুদ্ধ হওয়া, কোরআন তেলাওয়াত সহি হওয়া এবং আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখা।
নিজে নিজে রুকইয়া করাকে সেলফ রুকইয়া বলে এবং অন্যের মাধ্যমে করাকে লাইভ রুকইয়া বলে!

রুকিয়ার জন্য কি অন্য কারো শরণাপন্ন হতে হয়?
--------------------------------------------------------------------
সমস্যা যদি নরমাল হয় তাহলে সেলফ রুকইয়া দ্বারাই সাধারণত ঠিক হয়ে যায়। অন্যথায় কোন অভিজ্ঞ রাকীর কাছে রুকিয়া করতে হয়। আল্লাহ তাআলা চাইলে জটিল রোগও সেলফ রুকইয়া দ্বারা সুস্থ হওয়া সম্ভব।

আমি কোন রোগে আক্রান্ত তা কিভাবে বুঝব?
---------------------------------------------------------------
প্রাথমিকভাবে প্রতিটি রোগের লক্ষণ দ্বারা তা নির্ণয় করা যাবে। আমরা প্রতিটি রোগের লক্ষণ চিকিৎসাসহ বিস্তারিত পোস্ট করব ইনশা আল্লাহ তাআলা।

সুস্থ হতে কত সময় লাগবে?
--------------------------------------
প্যারানরমাল সমস্যাগুলো শারীরিক অন্যান্য রোগের মতনই একটি রোগ। রোগ ও রোগীর অবস্থা ভেদে সময়ের তারতম্য হয়ে থাকে। কেউ একবার রুকইয়াতেই সুস্থ হয়ে যায় আর কারো একটু বেশি সময় লাগে। পেশেন্টের সদিচ্ছা, যথার্থ ত্যাগ স্বীকার, আল্লাহর কাছে নিজেকে সঁপে দেওয়া এবং রাকীর অভিজ্ঞতার উপরও সুস্থতা অনেকটা ত্বরান্বিত হয় আল্লাহর ইচ্ছায়!

প্যারানরমাল সমস্যায় কি কবিরাজি চিকিৎসা নেওয়া যাবে?
-----------------------------------------------------------------------------------
যারা জিন দ্বারা কাজ করায়, তাবিজ দেয় তাদের কাছে চিকিৎসা নেওয়া যাবে না। কারণ, কুফরি করা ছাড়া জিন দ্বারা কাজ করানো সম্ভব না। এতে আপনি কেবল প্রতারণার শিকার হবেন। সাথে নিজের ঈমানটাও হারাবেন।

আপনারা কি তাবিজকে স্বীকৃতি দেন?
-----------------------------------------------------
না, কোন ধরনের তাবিজকেই আমরা স্বীকৃতি দেই না। কারণ, এগুলো অধিকাংশই শিরিক কিংবা শিরিকের পথকে উন্মুক্ত করে দেয় । অজান্তে মানুষের ঈমানকে ছিনিয়ে নেয়।

আমাদের সাথে যোগাযোগঃ 01336-202150 / 01336202151

আলহামদুলিল্লাহ!!
20/02/2026

আলহামদুলিল্লাহ!!

19/02/2026

খাবারের মাধ্যমে জাদু নিয়ে জানুন বিস্তারিত।

অনেক সময় দেখা যায়পরিবারের একজন অসুস্থ হওয়ার পর কিছুদিনের মধ্যেই আরেকজন, তারপর আরেকজন অসুস্থ হয়ে পড়ে।🔹 বারবার জ্বর🔹 দুর্ব...
19/02/2026

অনেক সময় দেখা যায়
পরিবারের একজন অসুস্থ হওয়ার পর কিছুদিনের মধ্যেই আরেকজন, তারপর আরেকজন অসুস্থ হয়ে পড়ে।

🔹 বারবার জ্বর
🔹 দুর্বলতা
🔹 মানসিক অস্থিরতা
🔹 চিকিৎসা করেও পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া

এমন হলে আমরা ভাবি—এটা কি শুধু শারীরিক কারণ, নাকি অন্য কিছু?
🔎 ১. স্বাভাবিক ও চিকিৎসাগত কারণ
প্রথমেই মনে রাখতে হবে—
✔️ ভাইরাস/সংক্রমণ দ্রুত ছড়াতে পারে
✔️ একই পরিবেশে থাকলে একই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি
✔️ দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা থাকলে বারবার অসুস্থতা আসতে পারে
👉 তাই আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

🌑 ২. বদনজর (নজর লাগা)
ইসলামে বদনজর সত্য।
হাদিসে এসেছে, বদনজর মানুষের ক্ষতি করতে পারে।
লক্ষণ হতে পারে:
▪ হঠাৎ অসুস্থতা
▪ অকারণ দুর্বলতা
▪ পরিবারে অশান্তি
▪ ভালো অবস্থার হঠাৎ অবনতি

বিশেষ করে সুখী পরিবার, সুন্দর সন্তান, সফলতা—এসবের কারণে নজর লাগতে পারে।

🕯 ৩. জাদু (Sihr) এর প্রভাব
Qur'an-এ জাদুর অস্তিত্বের উল্লেখ আছে।
কেউ হিংসা বা শত্রুতার কারণে জাদু করলে তার প্রভাব পরিবারব্যাপী পড়তে পারে।

সম্ভাব্য লক্ষণ:
▪ পরিবারের সবাই অকারণে অসুস্থ
▪ ঘন ঘন দুঃস্বপ্ন
▪ অস্বাভাবিক ভয়
▪ ঘরে অশান্তি
▪ ইবাদতে অমনোযোগ

🌿 করণীয় কী?
✅ চিকিৎসা চালু রাখুন
✅ নিয়মিত সূরা ফালাক, সূরা নাস, আয়াতুল কুরসি পড়ুন
✅ ঘরে নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত চালু রাখুন
✅ সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন দোয়া পড়ুন
✅ প্রয়োজন হলে শরীয়াহসম্মত রুকইয়াহ করুন

⚠ গুরুত্বপূর্ণ কথা
সব অসুস্থতা জাদু বা বদনজরের কারণে হয় না।
তবে চিকিৎসায় ফল না পেলে রুকইয়াহ একটি শরীয়াহসম্মত সমাধান হতে পারে।
আল্লাহ আমাদের পরিবারকে হেফাজত করুন। 🤲
আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে +8801336-202150 কল করুন অথবা ইনবক্সে মেসেজ করুন

Address

কাজলা ওভার ব্রিজ সংলগ্ন, কাজলা, যাত্রাবাড়ী
Dhaka
1236

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah Healing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ruqyah Healing:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram