Nutritionist Suraiya Binte Sadiq

Nutritionist Suraiya Binte Sadiq Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nutritionist Suraiya Binte Sadiq, Nutritionist, Rangpur.

After completing B.Sc & M.Sc in Food & Nutrition, she provides different kind of diets for patients like weight loss & gain diet, PCOS diet, pregnancy diet, renal diet, cardiac diet, infertility diet, Mediterranean diet, DASH diet and Vegan diet also.

11/01/2026

Let's talk about Omega-3 fatty acid.

Omega-3 fatty acids are essential because your body cannot make them on its own, yet they are needed for many important functions that keep you healthy.

Here’s why they matter:

🧠 Brain and Nervous System

👉Omega-3s (especially DHA) are major building blocks of the brain.
👉They support memory, learning, and concentration.
👉They help the nervous system work properly.

❤️ Heart Health

👉Help lower bad cholesterol (LDL) and triglycerides.
👉Reduce inflammation in blood vessels.
👉Support a healthy heartbeat and may reduce the risk of heart disease.

👀 Eye Health

👉DHA is an important part of the retina.
👉Helps maintain good vision and eye development.

🛡️ Immune System & Inflammation

👉Omega-3s help control inflammation, which protects against chronic diseases.
👉Support a balanced immune response.

🦴 Joints & Muscles

👉Help reduce joint stiffness and discomfort.
👉Support muscle recovery and flexibility.

🌱 Growth & Development

👉Very important during childhood and teenage years for brain and body development.

✅ Why they’re called “essential”
Your body must get omega-3s from food, such as:

🌿Fatty fish (salmon, sardines, mackerel)

🌿Walnuts

🌿Flaxseeds and chia seeds

🌿Fish oil or algae oil

⭕ A lack of omega-3 fatty acids can affect hormone production and balance, especially during the teenage years.

✅ Here’s how omega-3s are connected to hormones:
🧬 Building blocks for hormones

👉Many hormones are made from fats and cholesterol.
👉Omega-3s help keep cell membranes flexible, which allows hormone signals to work properly.

🔄 Hormone signaling

👉Hormones work by attaching to receptors on cells.
👉Without enough omega-3s, cell membranes become less fluid, making hormone signaling less effective.

🔥 Inflammation & hormone imbalance

👉Low omega-3 levels can increase inflammation.
👉Inflammation can interfere with hormones like insulin, cortisol, estrogen, and testosterone.

🧠 Stress & mood hormones

👉Omega-3s help regulate brain chemicals and stress hormones.
👉Deficiency may be linked to mood changes, anxiety, or difficulty handling stress.

🩸 Insulin & metabolism

👉Omega-3s improve insulin sensitivity.
👉Low levels may increase the risk of insulin resistance, affecting energy balance and growth.

🧑‍⚕️ Growth & puberty (important for teens)

👉Hormones that control growth and puberty rely on healthy fat intake.
👉Inadequate omega-3s may contribute to delayed or irregular hormonal activity (especially when combined with poor overall nutrition).

⚠️ Important note

Omega-3 deficiency usually doesn’t stop hormone production completely, but it can make hormone action less efficient or unbalanced, especially if the diet is very low in healthy fats.

Nutritionist Suraiya Binte Sadiq
B.Sc & M.Sc ( Food & Nutrition), DU
PGT ( CCND) from BADN
Special training on ( Renal Nutrition, Child Nutrition, Weight Management Nutrition) from BADN



বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, প্রতিদিন ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই এর চাহিদা নির্ভর করে বয়স, লিঙ্গ, শারীরিক অবস্থা (যেমন গর্ভাবস্থা...
16/10/2025

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, প্রতিদিন ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই এর চাহিদা নির্ভর করে বয়স, লিঙ্গ, শারীরিক অবস্থা (যেমন গর্ভাবস্থা), এবং খাদ্যাভ্যাসের ওপর। তবে গড় চাহিদা বা RDA (Recommended Dietary Allowance) অনুযায়ী বাংলাদেশে পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা সাধারণত পরামর্শ দেন
👉দিনে ৬০-৯০ mg ভিটামিন সি এবং ৭-১৯ mg ভিটামিন ই খেতে।
👉ভিটামিন সি (Vitamin C) ও ভিটামিন ই (Vitamin E) উভয়ই শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (immune system) বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
✅ খাদ্য উৎস ✅
👉ভিটামিন সি: আমলকি, লেবু, কমলা, টমেটো, ব্রকলি, পেয়ারা।
👉ভিটামিন ই: বাদাম, সূর্যমুখী তেল, পালং শাক, অ্যাভোকাডো, বীজ।
বাংলাদেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে টক জাতীয় দেশি ফল, বাদাম, তেলবীজ ও শাকসবজি খেলে দৈনন্দিন চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

🚫 অতিরিক্ত খাওয়ার ঝুঁকি 🚫

❌ভিটামিন সি: বেশি খেলে পেট খারাপ, গ্যাস বা ডায়রিয়া হতে পারে (সাধারণত ২০০০ mg-এর বেশি হলে)।

❌ভিটামিন ই: বেশি খেলে রক্ত পাতলা হতে পারে এবং রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায় (বিশেষ করে সাপ্লিমেন্ট আকারে নিলে)।
তাই অবশ্যই সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার ব্যাপারে ডাক্তার বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ ছাড়া গ্রহণ করবেন না।

🌼পুষ্টিবিদ সুরাইয়া বিনতে সাদিক🌼
বি.এস.সি ও এম.এস.সি (খাদ্য ও পুষ্টি),(GCAHS, ঢা.বি)
পি.জি.টি ( সার্টিফিকেট কোর্স ওন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন এন্ড ডায়েটেটিকস (বি.এ.ডি.এন)
বিশেষ ট্রেনিং( ওয়েট ম্যানেজমেন্ট নিউট্রিশন),
(রেনাল নিউট্রিশন), ( চাইল্ড নিউট্রিশন),( বি.এ.ডি.এন)

অনলাইনে কনসালটেন্সির জন্য সিরিয়াল নিতে পেজের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।
ছবি: সংগৃহীত



02/08/2025

২য় পর্ব:
মানসিক চাপ কমাতে এবং মনের শান্তি ফিরিয়ে আনতে শরীরের কিছু প্রাকৃতিক হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এদের অনেককে বলা হয়
🌹হ্যাপি হরমোন বা ফিল-গুড কেমিক্যালস🌹কারণ তারা মস্তিষ্কে ভালো অনুভূতি সৃষ্টি করে এবং চাপ কমাতে সাহায্য করে।

🌿 মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক প্রধান হরমোনগুলো:
১. সেরোটোনিন (Serotonin)
📌 ভূমিকা: মেজাজ (mood), ঘুম, ক্ষুধা ও স্মৃতি নিয়ন্ত্রণ করে।

👉 এটি উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা কমাতে সাহায্য করে।

✅ বাড়ে: ব্যায়াম, সূর্যের আলো, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ট্রিপটোফ্যান-সমৃদ্ধ খাবার (যেমন: কলা, ডিম, বাদাম, খেজুর, আম, মাছ)।

২. ডোপামিন (Dopamine)
📌 ভূমিকা: পুরস্কারবোধ, মোটিভেশন ও আনন্দদায়ক অনুভূতি তৈরি করে।

👉চাপ কমে, মনোযোগ বাড়ে, উদ্যম পাওয়া যায়।

✅ বাড়ে: প্রিয় কাজ করা, সফলতা অর্জন, প্রোটিনযুক্ত খাবার (যেমন: মাছ, ডিম, মাংস)।

৩. অক্সিটোসিন (Oxytocin)
📌 ভূমিকা: "বন্ধনের হরমোন" বা "ভালোবাসার হরমোন" নামে পরিচিত।

👉মানসিক সংযোগ ও বিশ্বাস তৈরি করে, উদ্বেগ কমায়।

✅ বাড়ে: আলিঙ্গন, পোষা প্রাণীর সাথে সময় কাটানো, দয়া বা সহানুভূতিশীল কাজ করা।

৪. এনডোরফিন (Endorphins)
📌 ভূমিকা: প্রাকৃতিক ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে, সুখ অনুভব করায়।

👉 চাপ কমে, মুড ভালো হয়।

✅ বাড়ে: হাসি, ব্যায়াম (বিশেষ করে রানিং), ডার্ক চকোলেট, মিউজিক শোনা, কোরআন তেলাওয়াত শোনা।

🛑 বিপরীত দিকে: চাপ বাড়ায় যে হরমোন
৫. কর্টিসল (Cortisol)
♦️ এটি স্ট্রেস হরমোন, যা মানসিক চাপের সময় নিঃসৃত হয়।
♦️ দীর্ঘমেয়াদে কর্টিসলের মাত্রা বেশি থাকলে ঘুম সমস্যা, ওজন বাড়া, অনিয়মিত মাসিক ইত্যাদি হতে পারে।

✅ চাপ কমাতে প্রাকৃতিকভাবে হরমোন নিয়ন্ত্রণের উপায়:
👉প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করুন (২০-৩০ মিনিট)
👉ইয়োগা ও শ্বাস-প্রশ্বাস অনুশীলন
👉পর্যাপ্ত ঘুম (৭-৮ ঘণ্টা)
👉স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া
👉পছন্দের কাজ বা সৃজনশীলতা চর্চা (যেমন: গান শোনা, আঁকা, লেখা)
👉সামাজিক যোগাযোগ এর ব্যবহার ন্যূনতম করা
👉ইতিবাচক পরিবেশে সময় কাটানো( এমন পরিবেশ থেকে নিজেদের দূরে রাখুন যেখানে আপনারা মানসিক শান্তি পান না, প্রাইভেসি নেই, কটুক্তি শুনতে হয়)
✅অন্তত ৬ টা মাস নিজেদের মত থাকুন। ডেঞ্জার পিরিয়ডের সময় কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন ।
👉 যার যার ধর্ম চর্চা করা

🌼পুষ্টিবিদ সুরাইয়া বিনতে সাদিক🌼
বি.এস.সি ও এম.এস.সি (খাদ্য ও পুষ্টি),(GCAHS, ঢা.বি)
পি.জি.টি ( সার্টিফিকেট কোর্স ওন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন এন্ড ডায়েটেটিকস (বি.এ.ডি.এন)
বিশেষ ট্রেনিং( ওয়েট ম্যানেজমেন্ট নিউট্রিশন),
(রেনাল নিউট্রিশন),(চাইল্ড নিউট্রিশন),( বি.এ.ডি.এন)



01/08/2025

১ম পর্ব:
প্রায়ই অনেক নিঃসন্তান আপু ও ভাইয়াদের বলতে শুনি তারা অনেক মানসিক চাপে থাকেন। কিন্তু আপনারা নিজেরাও জানেন না মানসিক চাপ কিভাবে গর্ভধারণের ক্ষেত্রে বাধা প্রদান করে। এটি শরীরের হরমোনের স্বাভাবিক ভারসাম্যকে ব্যাহত করে এবং নারী এবং পুরুষ প্রজনন স্বাস্থ্যকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। নিচে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হলো:

🛑 হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
মানসিক চাপের সময় শরীরে কর্টিসল (Cortisol) এবং অ্যাড্রেনালিন (Adrenaline) নামক স্ট্রেস হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোনগুলো:
👉হাইপোথ্যালামাসের কার্যকারিতা ব্যাহত করে, যা প্রজনন হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে।

👉GnRH (Gonadotropin-Releasing Hormone) নিঃসরণ কমিয়ে দেয়, যা ফলিকল স্টিমুলেটিং হরমোন (FSH) ও লিউটিনাইজিং হরমোন (LH)-এর মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে ডিম্বাণু নির্গমন (ovulation) বাধাগ্রস্ত হয়।

🛑 ডিম্বাণু নির্গমনের সমস্যা (Anovulation):
এর কারণে মাসিক চক্র অনিয়মিত হতে পারে বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এটি ডিম্বাণু নিঃসরণের প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে, যা গর্ভধারণের প্রধান শর্তগুলোর একটি।

🛑 লিবিডো হ্রাস:
এর ফলে যৌন ইচ্ছা কমে যেতে পারে, ফলে যৌনসম্পর্কের ফ্রিকোয়েন্সি কমে যায় এবং গর্ভধারণের সম্ভাবনা হ্রাস পায়।

🛑 গর্ভাশয়ের পরিবেশে প্রভাব:
মানসিক চাপ ইউটেরাসের (গর্ভাশয়ের) রক্তপ্রবাহ কমিয়ে দিতে পারে, যা নিষিক্ত ডিম্বাণুর প্রতিস্থাপনে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

🛑 পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) এর ঝুঁকি বৃদ্ধি:
চাপ অনেক সময় ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও হরমোনাল অসামঞ্জস্য সৃষ্টি করতে পারে, যা পিসিওএসের একটি সম্ভাব্য কারণ। এটি গর্ভধারণে বড় বাধা।

🛑 পুরুষদের ক্ষেত্রেও প্রভাব:
মানসিক চাপ পুরুষদের স্পার্ম কাউন্ট ও মানের উপর প্রভাব ফেলে, যা গর্ভধারণে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

✅সমাধান ও করণীয়:

🌹 প্রথম করনীয়: সন্তান না হওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা যার হোক না কেন কষ্টটা দুইজনের।
তাই অবশ্যই চেষ্টা করবেন মানসিকভাবে দুইজনকে সাপোর্ট করা।
🌿 একসাথে ফার্টিলিটি ডায়েট মেনে চলা
🌿 একসাথে বিভিন্ন ইয়োগা ও শ্বাসের ব্যায়াম করা
🌿 একসাথে সময় কাটানো। হতে পারে প্রতিদিন ৩০ মিনিট বরাদ্দ করা বা সপ্তাহে ১ দিন ঘুরতে যাওয়া বা বছরে ১/২ বার ঘুরতে যাওয়া।
🌿এমন কোন আচরণ না করা যে আপনার পার্টনার নিজেকে দোষী মনে করে এবং কষ্ট পায়।
🌿পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিশ্চিত করা।
🌿প্রয়োজনে কাউন্সেলিং বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সহায়তা নেওয়া।

✅মানসিক চাপ কমাতে কিছু নির্দিষ্ট ধরনের খাবার রয়েছে যেগুলো
👉 মস্তিষ্ককে শান্ত করতে, হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে এবং স্নায়ুতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। নিচে কিছু স্ট্রেস-হ্রাসকারী খাবারের তালিকা দেওয়া হলো:

🍁 গাঢ় সবুজ শাকসবজি (Leafy Greens)
উদাহরণ: পালং শাক, কলমি শাক, মুলা শাক
👉এগুলোতে পাওয়া যায় ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, ম্যাগনেসিয়াম থাকে
👉 এগুলো মস্তিষ্কে “সেরোটোনিন” (serotonin) নামক শান্তিকর হরমোন তৈরি করতে সাহায্য করে।

🍁 বাদাম ও বীজ (Nuts & Seeds)
উদাহরণ: আখরোট, কাঠবাদাম, চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড
👉 ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিন ই থাকে
👉 স্নায়ুর কার্যকারিতা উন্নত করে এবং স্ট্রেস কমায়।

🍁 ডার্ক চকোলেট
👉 অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং সেরোটোনিন বৃদ্ধিতে সহায়ক
👉 মন ভালো করার পাশাপাশি রক্তচাপও কমাতে পারে।

🍁 ওটমিল ও সম্পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবার (Whole Grains)
উদাহরণ: ব্রাউন রাইস, ওটস, জোয়ার
👉 কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা ধীরে ধীরে গ্লুকোজ সরবরাহ করে
👉 এটি মস্তিষ্কে স্থিরতা এনে দেয় এবং মানসিক চাপ হ্রাস করে।

🍁 দই ও অন্যান্য ফারমেন্টেড খাবার (Yogurt & Probiotics)
👉 গাট-মাইক্রোবায়োম ঠিক রাখে
👉 হজম ভালো হলে মুডও ভালো থাকে, কারণ অন্ত্র ও মস্তিষ্কের মাঝে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

🍁 ফ্যাটি মাছ (Fatty Fish)
উদাহরণ: সালমন, সারডিন, ম্যাকেরেল
👉 ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে
👉 উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা কমাতে সাহায্য করে।

🍁 সবুজ চা (Green Tea)
👉 এল-থিয়ানিন (L-theanine) নামক অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে
👉 মন শান্ত করে ও ঘুমে সহায়তা করে।

❌ যেসব খাবার মানসিক চাপ বাড়াতে পারে:
👉অতিরিক্ত চিনি ও মিষ্টি খাবার
👉প্রক্রিয়াজাত খাবার (যেমন: চিপস, ফাস্ট ফুড)
👉ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় (যদি বেশি পরিমাণে পান করা হয়)
👉অতিরিক্ত লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার

✅ টিপস:
🌿দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।
🌿একসঙ্গে বেশি খাওয়া এড়িয়ে ছোট ছোট ভাগে খাবার খান।
🌿খাওয়ার সময় মনোযোগ দিয়ে, ধীরে ধীরে খান – এটি মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে।

মানসিক চাপ কমাতে কোন কোন হরমোন ভুমিকা রাখে এবং কি কি করলে সেগুলো বাড়ে তা সম্পর্কে ২য় পর্বে লিখবো ইংশাআল্লাহ।

🌼পুষ্টিবিদ সুরাইয়া বিনতে সাদিক🌼
বি.এস.সি ও এম.এস.সি (খাদ্য ও পুষ্টি),(GCAHS, ঢা.বি)
পি.জি.টি ( সার্টিফিকেট কোর্স ওন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন এন্ড ডায়েটেটিকস (বি.এ.ডি.এন)
বিশেষ ট্রেনিং( ওয়েট ম্যানেজমেন্ট নিউট্রিশন),
(রেনাল নিউট্রিশন), ( বি.এ.ডি.এন)



31/07/2025

আমরা পুষ্টিবিদরা সবসময় বলে থাকি ফল ও সবজি খাবেন। কিন্তু যখন আপনার জন্য চার্ট করি তখন পরিমাণটা নির্দিষ্ট করে দেই আপনাদের শারীরিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে।
ফল তো শরীরের জন্য ভালো তবে এখানে একটা কিন্তু আছে!
ফ্রুকটোজকে বলা হয় ফলের শর্করা। আমরা জানি গ্লুকোজ রক্তে ইনসুলিনের মাধ্যমে কোষে প্রবেশ করে
কিন্তু ফ্রুকটোজ প্রধানত লিভারে মেটাবোলাইজড হয়, ইনসুলিনের প্রয়োজন হয় না এবং অতিরিক্ত ফ্রুকটোজ ফ্যাট তৈরির দিকে যায়।
দৈনিক ফ্রুকটোজ গ্রহণের পরিমাণ ২৫- ৪০ গ্রাম।
আমরা যদি ৫০ গ্রামের বেশি ফ্রুকটোজ গ্রহণ করি তাহলে ডি নভো লিপোজেনেসিসের মাধ্যমে নতুন করে ফ্যাট তৈরি হবে।
তাই ফল খাবেন তবে সেটা পরিমাণ মতো।
বিশেষ করে মিষ্টি ফল।
এছাড়াও কোমল পানীয়, কনডেন্স মিল্ক, প্রক্রিয়াজাত খাবারে অনেক বেশি পরিমাণে ফ্রুকটোজ থাকে।
এগুলো খেলে ৫০ গ্রামের বেশি ফ্রুকটোজ গ্রহণ করা হয়ে যায় ফলে ফ্যাট তৈরি হয়।
তাই বলে ফল খাওয়া বাদ দিবেন ব্যাপারটা এরকম না ।
দৈনিক ২৫–৪০ গ্রাম ফ্রুকটোজ ফল ও প্রাকৃতিক উৎস থেকে নিলে লিপোজেনেসিস হয় না।
কিন্তু ৫০ গ্রাম বা তার বেশি ফ্রুকটোজ, বিশেষ করে অতিরিক্ত চিনি বা প্রসেসড ফুড থেকে এলে তা চর্বি উৎপাদনের দিকে যায়।

নিচে ফ্রুকটোজসমৃদ্ধ কিছু সাধারণ খাবার/ফলের তালিকা দিলাম — প্রতি ১০০ গ্রামে আনুমানিক কত ফ্রুকটোজ (গ্রামে) থাকে তা সহ:

🍎 ফল ও প্রাকৃতিক উৎসে ফ্রুকটোজের পরিমাণ (প্রতি ১০০ গ্রামে)

✅আপেল (Apple) ৫.৯ গ্রাম
(হালকা ফাইবারযুক্ত, নিরাপদ)
✅আঙুর (Grapes) ৭.৪ গ্রাম
(বেশি ফ্রুকটোজযুক্ত)
✅কমলা (Orange) ২.৪ গ্রাম
(কম ফ্রুকটোজ, বেশি ভিটামিন C)
✅কলা (Banana) ৪.৯ গ্রাম
(মাঝারি)
✅নাশপাতি (Pear) ৬.৫–৬.৮ গ্রাম (তুলনামূলকভাবে বেশি)
✅আম (Mango) ৪.৭ গ্রাম
(মাঝারি মাত্রা)
✅তরমুজ (Watermelon) ৩.৪ গ্রাম
(হাইড্রেটিং, কম)
✅স্ট্রবেরি (Strawberry) ২.৪ গ্রাম
(নিরাপদ)
✅পেঁপে (Papaya) ৩.০ গ্রাম
(হজমে ভালো, কম ফ্রুকটোজ)
✅ব্লুবেরি (Blueberry) ৩.৫ গ্রাম
(অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, কম ফ্রুকটোজ)

🍯 প্রাকৃতিক মিষ্টি ও প্রসেসড উৎসে ফ্রুকটোজ-
খাবার/পানীয় ফ্রুকটোজ (প্রতি ১০০ গ্রাম/মিলি) মন্তব্য
✅মধু (Honey) ~৪০ গ্রাম
(৫০%-এর বেশি ফ্রুকটোজ)
✅কাঁচা চিনি (High Fructose Corn Syrup - ৪২–৫৫ গ্রাম
(ফাস্ট ফুডে বহুল ব্যবহৃত)
✅সফট ড্রিঙ্ক/সোডা (১ ক্যান ~৩৩০ml) ~২০–২৫ গ্রাম
(হঠাৎ গ্লুকোজ বৃদ্ধিতে সহায়ক)
✅কনডেন্সড মিল্ক ~১০–১৫ গ্রাম
(কৃত্রিম মিষ্টির উৎস)
✅কেক, বিস্কুট, ক্যান্ডি ভিন্ন ভিন্ন, ~১০–২৫ গ্রাম (প্রক্রিয়াজাত খাবারে উচ্চ)

এখন আসি একটু সাধারণ ধারণা দিতে যে কিভাবে খাওয়া যেতে পারে। তবে এটা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। বয়স, ওজন, অন্যান্য রোগ অনুযায়ী ভিন্ন হবে।

👉 আপনি মিষ্টি ফল গুলো দিনে ৩০০ গ্রামের বেশি খাবেন না।
👉টক জাতীয় ফল খাবেন ২ - ৩টা ( যদি কিডনিজনিত সমস্যা না থাকে)
👉 খেজুর খেলে ২ টার বেশি না।
👉মধু খেলে ২ চামুচের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকাটা সেফ জোন কারণ ১ চামচে ফ্রুকটোজ থাকে ২ গ্রাম।

🛑 শুধু ফল থেকেই ফ্রুকটোজ নেয়ার চেষ্টা করবেন। অন্যান্য উচ্চ ফ্রুকটোজ যুক্ত খাবার গুলো খাওয়া বাদ দিতে হবে।


পরিমাণ বুঝে ফল খেতে হবে যেন আমরা ফাইবার, ভিটামিন সি, অন্যান্য প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান পেতে পারি।
এই পোস্টটা তাদের জন্য যারা দিনে অনেকগুলো ফল খেয়ে ফেলে তাদের জন্য।

🌼পুষ্টিবিদ সুরাইয়া বিনতে সাদিক🌼
বি.এস.সি ও এম.এস.সি (খাদ্য ও পুষ্টি),(GCAHS, ঢা.বি)
পি.জি.টি ( সার্টিফিকেট কোর্স ওন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন এন্ড ডায়েটেটিকস (বি.এ.ডি.এন)
বিশেষ ট্রেনিং( ওয়েট ম্যানেজমেন্ট নিউট্রিশন),
(রেনাল নিউট্রিশন),( চাইল্ড নিউট্রিশন),( বি.এ.ডি.এন)




30/07/2025

PCOS সম্পর্কে একটু জেনে নেই-

👉PCOS বা Polycystic O***y Syndrome (পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম) হলো একধরনের হরমোনজনিত সমস্যা যা মূলত নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে। এটি একটি সাধারণ সমস্যা, বিশেষ করে ১৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

👉 PCOS-এর লক্ষণসমূহ:
১)অনিয়মিত পিরিয়ড – মাসিক চক্র অনিয়মিত বা একেবারে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এটা যে সবার ক্ষেত্রে হবে তা না , অনেক রোগী পেয়েছি যাদের মাসিক নিয়মিত ছিল।

২)ওভারিতে সিস্ট – ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট সিস্ট (ফোলাভাব) তৈরি হয়। অনেক সময় ব্যথা ও হয়।

৩)অ্যান্ড্রোজেন হরমোন বেড়ে যাওয়া – "পুরুষালী" হরমোন (যেমন টেস্টোস্টেরন) বেড়ে যায়, যার ফলে অতিরিক্ত লোম, ব্রণ, চুল পড়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়।

৪)গর্ভধারণে সমস্যা – ডিম্বাণু নিয়মিত নিঃসরণ না হওয়ায় প্রেগন্যান্সিতে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

🌿PCOS রোগীদের জন্য কিছু সাধারণ পরামর্শ দেওয়া হলো যাতে তাদের জীবনযাত্রা ও স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং রোগের উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

✅সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণ
✅নিয়মিত ব্যায়াম: প্রতিদিন অন্তত ৪৫ মিনিট হাঁটা, জগিং, সাইকেল চালানো বা যোগব্যায়াম করুন। অভ্যাস না থাকলে বা ওজন অনেক বেশি থাকলে ১৫ মিনিট করে ৩ বারে হাঁটতে শুরু করুন। পরবর্তীতে সময় বাড়াতে থাকবেন পর্যায়ক্রমে।
ওজন কমানো ও হরমোন ব্যালেন্স রাখার জন্য ব্যায়াম খুবই জরুরি।
✅ওজন নিয়ন্ত্রণ: ওজন কমালে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও হরমোনের সমস্যা অনেকটাই কমে।
অতিরিক্ত ওজন থাকলে ধাপে ধাপে কমানোর চেষ্টা করুন।
✅স্ট্রেস কমানো: ইয়োগা বা শখের কাজ করুন যা মানসিক চাপ কমায়।
✅পর্যাপ্ত ঘুমানোর চেষ্টা করুন। সেক্ষেত্রে অবশ্যই সময়মতো ঘুমাতে হবে। চেষ্টা করবেন ১১ টার মধ্যে ঘুমানোর। তবে ১২ টার পর কখনোই না। এতে আমাদের বায়োলজিক্যাল ক্লক ঠিক থাকে না এবং হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। তাই সঠিক সময়ে পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।
✅পর্যাপ্ত পানি পান:
দিনে ২-৩ লিটার পানি পান করুন। ওজন অনুযায়ী পান করতে হবে।

🚫 PCOS রোগীদের জন্য এড়ানো উচিত এমন খাবারসমূহ:
🛑 মিষ্টি ও চিনি জাতীয় খাবার:
ক্যান্ডি, চকোলেট, মিষ্টি, কেক, পেস্ট্রি,জ্যাম, সিরাপ, শর্করা যুক্ত পানীয় (সফট ড্রিঙ্ক, জুস)

🛑 ফাস্ট ফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার:
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, বার্গার, পিজ্জা, সসেজ, ফ্রোজেন বা ডিপ ফ্রাইড খাবার

🛑 রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট:
সাদা ব্রেড, সাদা চিনি, সাদা চাল,প্রোসেসড স্ন্যাকস যেমন চিপস, ক্র্যাকার

🛑 ট্রান্স ফ্যাট ও অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার:
মার্জারিন, প্যাকেটজাত কুকিজ, পেস্ট্রি,
বেশি তেল দিয়ে ভাজা খাবার।

🛑 দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার (যদি অ্যালার্জি বা সংবেদনশীলতা থাকে):
কিছু রোগীর ক্ষেত্রে বেশি দুধ বা দুধজাত খাবার হরমোনের সমস্যা বাড়াতে পারে। তবে প্রত্যেকের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়, তাই পরীক্ষা করে দেখতে হবে।

🛑 অতিরিক্ত ক্যাফেইন:
বেশি চা-কফি বা এনার্জি ড্রিঙ্ক।

🛑 অ্যালকোহল:
PCOS থাকলে অ্যালকোহল গ্রহণ এড়ানো উচিত কারণ এটা হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।
✅সহজ ভাষায় বলতে গেলে ননপ্রসেসড, ফ্রেশ এবং হালকা খাবার খান। যা শরীরের ইনসুলিন এবং হরমোন ব্যালেন্স ভালো রাখে।

✅ PCOS রোগীদের জন্য খাওয়ার উপযোগী খাবারসমূহ:
👉 কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) খাবার:
ব্রাউন রাইস, কিনোয়া,
ওটস, ডাল, ছোলা, মটর, মিষ্টি আলু।

👉 প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার:
মুরগির বুকের মাংস, মাছ (সামন, টুনা),ডিম
যেকোন বাদাম।

👉 ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার:
সবুজ শাক-সবজি (পালং শাক, বেটেল শাক, মুলা পাতাসহ),ব্রোকলি, ফুলকপি, গাজর, বিটরুট,
ফল (আপেল, বেরি, কমলা, পেয়ারা পরিমাণ মতো)

👉স্বাস্থ্যকর চর্বি:
অলিভ অয়েল, নারকেল তেল, আভোকাডো,বাদাম চিয়াসিড, ফ্ল্যাক্সসিড।

👉 ফারমেন্টেড খাবার:
টক দই ( সপ্তাহে ১ দিন)

✅যখন তখন না খেয়ে খুদা লাগার পর খাবেন । একটা মোটামুটি নির্দিষ্ট রুটিন ফলো করুন। ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করতে পারেন তবে অবশ্যই কোন পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে।

এটা একটা সাধারণ গাইডলাইন যারা নিজেদের জন্য ওজন , উচ্চতা, শারীরিক অন্যান্য সকল সমস্যার ভিত্তিতে ডায়েট চার্ট নিতে চান তারা ইনবক্স করতে পারেন।

🍁আমাদের আশেপাশে অনেক রোগী আছে তাই সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পোস্টটি শেয়ার করুন।🍁

🌼পুষ্টিবিদ সুরাইয়া বিনতে সাদিক🌼
বি.এস.সি ও এম.এস.সি (খাদ্য ও পুষ্টি),(GCAHS, ঢা.বি)
পি.জি.টি ( সার্টিফিকেট কোর্স ওন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন এন্ড ডায়েটেটিকস (বি.এ.ডি.এন)
বিশেষ ট্রেনিং( ওয়েট ম্যানেজমেন্ট নিউট্রিশন),
(রেনাল নিউট্রিশন), ( চাইল্ড নিউট্রিশন)( বি.এ.ডি.এন)

অনলাইনে কনসালটেন্সির জন্য সিরিয়াল নিতে পেজের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।



15/07/2025

স্বামী-স্ত্রী যদি নিয়মিত রাত ১২ টার পর ঘুমাতে যান, তাহলে গর্ভধারণের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ ঘুম ও প্রজনন স্বাস্থ্য একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। নিচে এর কিছু প্রভাব ব্যাখ্যা করা হলো:

👉দেরিতে ঘুমানোর ফলে গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে যেসব কারণে:

🛑 হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়:
ঘুমের অভাবে মেলাটোনিন, কোর্টিসল, এবং প্রজেস্টেরনের মতো গুরুত্বপূর্ণ হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
এই হরমোনগুলো সঠিক পরিমাণে না থাকলে ডিম্বাণু উৎপাদন (ovulation) বা শুক্রাণুর গুণমান প্রভাবিত হতে পারে।
🛑 পুরুষের শুক্রাণুর গুণমান কমে যেতে পারে:
পর্যাপ্ত ঘুম না হলে টেস্টোস্টেরনের স্তর কমে যায়, যা শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণমান কমাতে পারে।

🛑 মেয়েদের মাসিক চক্রে অনিয়ম:
রাতে কম ঘুম হলে বা ঘুমচক্র ব্যাহত হলে অনেক মহিলার মাসিক চক্র অনিয়মিত হয়ে পড়ে, যা গর্ভধারণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

🛑 স্ট্রেস বেড়ে যায়:
ঘুম কম হলে স্ট্রেস হরমোন (কোর্টিসল) বেড়ে যায়। এটি প্রজনন হরমোনের কাজ ব্যাহত করে এবং গর্ভধারণে দেরি হতে পারে।

🛑 ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে:
ঘুম কম হলে দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, যা কখনো কখনো ভ্রূণ গঠনের জন্য প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি করে।

🌿 করণীয়🌿

✅নিয়মিত ঘুমানোর সময় নির্ধারণ করুন – অন্তত রাত ১০টা–১১টার মধ্যে ঘুমাতে চেষ্টা করুন।

✅৭–৯ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন।

✅স্ক্রিন টাইম (মোবাইল/কম্পিউটার) কমান ঘুমানোর ১ ঘণ্টা আগে।

✅স্ট্রেস কমাতে মেডিটেশন বা হালকা ব্যায়াম করুন।

এছাড়াও নিকটস্থ ফার্টিলিটি স্পেশালিস্টের ও পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন, যদি ৬ মাস বা তার বেশি সময় চেষ্টার পরেও গর্ভধারণ না হয়।
কারণ গর্ভধারণের জন্য সঠিক ওজন ও শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পর্যাপ্ত থাকা জরুরি।

🌼পুষ্টিবিদ সুরাইয়া বিনতে সাদিক🌼
বি.এস.সি ও এম.এস.সি (খাদ্য ও পুষ্টি),(GCAHS, ঢা.বি)
পি.জি.টি ( সার্টিফিকেট কোর্স ওন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন এন্ড ডায়েটেটিকস (বি.এ.ডি.এন)
বিশেষ ট্রেনিং( ওয়েট ম্যানেজমেন্ট নিউট্রিশন),
(রেনাল নিউট্রিশন), (চাইল্ড নিউট্রিশন ), ( বি.এ.ডি.এন)

অনলাইনে কনসালটেন্সির জন্য সিরিয়াল নিতে পেজের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।



আলহামদুলিল্লাহ। আমি খুব একটা রোগীদের সফলতার গল্প লিখি না। কিন্তু তৌহিদ সাহেবের জার্নিটা এমন মানুষদের জন্য অনুপ্রেরণা দিব...
13/05/2025

আলহামদুলিল্লাহ।
আমি খুব একটা রোগীদের সফলতার গল্প লিখি না। কিন্তু
তৌহিদ সাহেবের জার্নিটা এমন মানুষদের জন্য অনুপ্রেরণা দিবে যারা ১০০ কেজির উপরে ওজন হওয়ায় সব আশা ছেড়ে দিয়েছেন।
তবে এই সাফল্যের পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান তৌহিদ সাহেবের।
গত ০৬/১২/২০২৪ থেকে উনি আমার আন্ডারে আছেন।
উনি ডায়েট চার্টের সব নিয়ম মেনে চলার ১০০% চেষ্টা করেন।
সাধারণ মেডিটেরিনিয়ান ডায়েট দিয়েছিলাম প্রথমবার।
এরপর পর্যায়ক্রমে কয়েকবার ডায়েট পরিবর্তন করি।
উনার টিজি ছিল ৩৯৫ যা বর্তমানে কমে ১৪২ হয়েছে, টোটাল কোলেস্টেরল ছিল ২১২ যা বর্তমানে ১৮৫ আছে।
সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন।
#ডায়েট

আলহামদুলিল্লাহ। একটি সম্পদ যুক্ত হলো আমার জীবনে। বি.এ.ডি.এন কে অসংখ্য ধন্যবাদ। শিশুরা ছোট থেকেই পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাদ্য ...
22/03/2025

আলহামদুলিল্লাহ। একটি সম্পদ যুক্ত হলো আমার জীবনে। বি.এ.ডি.এন কে অসংখ্য ধন্যবাদ।
শিশুরা ছোট থেকেই পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাদ্য খেয়ে বড় হলে ভবিষ্যতে সুস্থ থাকার ক্ষেত্রে এক ধাপ এগিয়ে থাকবে।
পুষ্টিকর খাদ্য মানেই দামী খাবার বিষয়টা তা না। সকলের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করেই আমরা সকলের চার্ট করে থাকি।

তারপর বলেন পেঁয়াজু আর বেগুনি ছাড়া এই দুইদিন কে কে ইফতার করলেন?আমার দলে কারা আছেন দেখতে চাই।কেউ কি নাই যে নিজের খাবারের...
03/03/2025

তারপর বলেন পেঁয়াজু আর বেগুনি ছাড়া এই দুইদিন কে কে ইফতার করলেন?
আমার দলে কারা আছেন দেখতে চাই।
কেউ কি নাই যে নিজের খাবারের ব্যাপারে সংযম রেখেছে?
আজকে ইফতার করেছি
👉সরবত ১.৫ গ্লাস
👉 খেজুর ৪ টা ( ছোট সাইজ)
👉 একটা সিদ্ধ ডিম
👉ছোলাবুট
সব কিন্তু একসাথে খাই নাই। নামাজ পরে ছোলা খেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ।
যেসব খাবার খাবেন অল্প অল্প করে গ্যাপ দিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করবেন।
আমার কাজ বুঝিয়ে বলা। সচেতন হওয়ার দায়িত্ব একান্তই আপনার ইচ্ছা।
ছবি: সংগৃহীত
#মাহেরমজান

02/03/2025

আজ আমাদের দেশে প্রথম রোজা।
রমজান সিরিজ এর
পর্ব ৩
আলোচনার বিষয়
👉 ইফতার ও রাতের খাবার কেমন হবে।

🌼পুষ্টিবিদ সুরাইয়া বিনতে সাদিক🌼
বি.এস.সি ও এম.এস.সি (খাদ্য ও পুষ্টি),(GCAHS, ঢা.বি)
পি.জি.টি ( সার্টিফিকেট কোর্স ওন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন এন্ড ডায়েটেটিকস (বি.এ.ডি.এন)
বিশেষ ট্রেনিং( ওয়েট ম্যানেজমেন্ট নিউট্রিশন),
(রেনাল নিউট্রিশন), ( বি.এ.ডি.এন)

অনলাইনে কনসালটেন্সির জন্য সিরিয়াল নিতে পেজের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।



#মাহেরমজান

01/03/2025

রমজান সিরিজ
পর্ব:২
আলোচনার বিষয়
সেহরিতে কি ধরনের খাবার খাবেন
🌼পুষ্টিবিদ সুরাইয়া বিনতে সাদিক🌼
বি.এস.সি ও এম.এস.সি (খাদ্য ও পুষ্টি),(GCAHS, ঢা.বি)
পি.জি.টি ( সার্টিফিকেট কোর্স ওন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন এন্ড ডায়েটেটিকস (বি.এ.ডি.এন)
বিশেষ ট্রেনিং( ওয়েট ম্যানেজমেন্ট নিউট্রিশন),
(রেনাল নিউট্রিশন), ( বি.এ.ডি.এন)

অনলাইনে কনসালটেন্সির জন্য সিরিয়াল নিতে পেজের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।



Address

Rangpur

Opening Hours

Monday 09:00 - 19:00
Tuesday 09:00 - 19:00
Wednesday 09:00 - 19:00
Thursday 09:00 - 19:00
Sunday 09:00 - 19:00

Telephone

+8801848559307

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Suraiya Binte Sadiq posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Nutritionist Suraiya Binte Sadiq:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category