Dr. M Rahman

Dr. M Rahman MBBS ( Dhaka Medical College)
BCS (Health)
স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন পরামর্শের জন্য যে কোন সময় যোগাযোগ করুন।

30/10/2025

🎯মানসিক সমস্যা🎯 ↘️পর্ব-০১
✅✅✅
মানসিক সমস্যা মানবজাতির ইতিহাসের সবথেকে কমন বা প্রচলিত সমস্যাগুলো একটি। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো সামাজিক পারিবারিক বিভিন্ন কারণে তা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অবহেলিত বা অজানাই রয়ে যায়।
⛔⛔⛔
আমাদের শহর কিংবা গ্রামগুলোতে প্রচলিত ধ্যানধারণা হচ্ছে কারো মানসিক সমস্যা আছে মানেই সে পাগল। কিন্তু ব্যাপারটা আসলে তেমন নয় ❌❌❌
এগুলো হচ্ছে পুরোপুরি ভ্রান্তবিশ্বাস বা এক কথায় বললে কুসংস্কার 🎭🎭🎭।

✅✅✅মানসিক সমস্যা মানেই পাগল এ ধরনের আদিম অন্ধকারাচ্ছন্ন বিশ্বাস থেকে বের হয়ে আসতেই হবে। ⤵️⤵️⤵️
মানসিক সমস্যা গুলোর মধ্যে সাধারণত যেসব সমস্যা বেশি দেখা যায়⤵️⤵️⤵️

♻️ডিপ্রেশন বা বিষন্নতা।

♻️অ্যাংজাইটি বা উদ্বিগ্নতা।

♻️এডজাস্টমেন্ট ডিজঅর্ডার বা পরিবেশ পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে না পারা।

✴️✴️✴️
গবেষণায় দেখা যায় পৃথিবীর 🌍 জেনারেল পপুলেশন বা সাধারণ মানুষের 🚻 শতকরা দশ ভাগেরও বেশি( >১০%)⬆️উপরে বর্ণিত মানসিক সমস্যায় সবচেয়ে বেশি ভুগে থাকেন।
✳️✳️✳️তাই মানসিক সমস্যা এখন আমি কোনভাবেই অবহেলা করা যাবে না। সবাইকে সচেতন থেকে প্রতিরোধ করতে হবে।

🎯আজ এ পর্যন্তই । পরবর্তী পর্বে মানসিক সমস্যা সমূহের ঝুঁকিপূর্ণ দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করবো 🎯

সাবধান!!!!  আপনার শিশুকে খোসা ও বিচি ছাড়িয়ে লিচু খেতে দিন। গোটা লিচু শিশুদের হাতে দিবেন না।
06/06/2023

সাবধান!!!! আপনার শিশুকে খোসা ও বিচি ছাড়িয়ে লিচু খেতে দিন। গোটা লিচু শিশুদের হাতে দিবেন না।

✅✅সময় এসেছ জলাতঙ্ক রোগ নিয়ে সচেতন হবার।🚫🚫জলাতঙ্ক রোগের প্রতিকার নয়⤵️✅✅প্রতিরোধ ই সর্বোত্তম
23/05/2023

✅✅সময় এসেছ জলাতঙ্ক রোগ নিয়ে সচেতন হবার।

🚫🚫জলাতঙ্ক রোগের প্রতিকার নয়⤵️

✅✅প্রতিরোধ ই সর্বোত্তম

🟦এই গরমে হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচতে করনীয় -🎯শরীরকে ডিহাইড্রেট না রাখা। পিপাসা না পেলেও প্রচুর পানি পান করা,যাতে শরীরে পানি শ...
10/05/2023

🟦এই গরমে হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচতে করনীয় -

🎯শরীরকে ডিহাইড্রেট না রাখা। পিপাসা না পেলেও প্রচুর পানি পান করা,যাতে শরীরে পানি শূন্যতা দেখা না দেয়।

🎯 সরাসরি রোদে না যাওয়া, যেতেই হলে, ছাতা ব্যবহার করা।

🎯 হাটতে হলে বা হাটার কাজ হলে, একবারে অনেক টুকু না হেটে, কিছুক্ষণ হেটে ৫ মিনিট ছায়া যুক্ত কোথাও বসে নিন। আবার হাটুন,আবার ৫ মিনিট বসে নিন,এভাবে।

🎯 খাবার মেন্যুতে প্রচুর শাকসবজি রাখুন, ভাজাপোড়া বাদ দিয়ে ঝোল সমেত সব্জি রাখুন।

🎯 বেশি বেশি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খেতে হবে। ফলের জুস,ডাবের পানি, লেবুর শরবত, বেলের শরবত, খেতে পারেন।

🎯 টকদই আমাদের শরীরে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে, শরীর আদ্র রাখে। টকদই খেতে পারেন।

❌❌ অযথা অনেক বেশি স্যালাইন খাবেন না।

❌❌ বাজারের প্রক্রিয়াজাত জুস,অস্বাস্থ্যকর ভাবে তৈরি জুস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

🎯 বাইরে গেলে হালকা রঙের, পাতলা সুতি কাপড়ের আরামদায়ক পোশাক পড়ুন।

🎯 অধিক পরিশ্রমের কাজ থেকে বিরত থাকুন। একান্তই করতে হলে, বিরতি দিয়ে দিয়ে, রেষ্ট নিয়ে নিয়ে করুন।একটানা করবেন না।

🎯একাধিক বার গোসল করতে পারেন, কিংবা ভেজা কাপড় দিয়ে গা, হাত-পা, পায়ের তালু মুছুন।

✅✅তীব্র গরমে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে,বা হিটস্ট্রোক হতে পারে এই আশংকা হলে খুব দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন।

🔥🔥হিট স্ট্রোক 🔥🔥সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, পত্রপত্রিকা, টেলিভিশন, ইন্টারনেট এসবের মাধ্যমে কমবেশী সবাই আমরা হিটস্ট্রোক শব্দে...
10/05/2023

🔥🔥হিট স্ট্রোক 🔥🔥
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, পত্রপত্রিকা, টেলিভিশন, ইন্টারনেট এসবের মাধ্যমে কমবেশী সবাই আমরা হিটস্ট্রোক শব্দের সাথে পরিচিত। সাধারণত স্ট্রোক শব্দটা শুনলে আমাদের মাথায় আসে ব্রেনের বা মস্তিষ্কের মারাত্মক প্রাণঘাতী রোগের কথা। হিট স্ট্রোক শব্দটিও কম বিপজ্জনক নয়। খুব দ্রুত চিকিৎসা না করলে এই সমস্যা প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।

✅✅আসুন এখন আমরা হিটস্ট্রোক সম্পর্কে বিশেষ কয়েকটি কথা জেনে নেই।যাতে করে আমরা সচেতন হতে পারি এবং এই সমস্যাকে প্রতিরোধ করতে পারি 🎯🎯

✅প্রথমে আমরা জেনে নেই আমাদের শরীরে কিভাবে তাপ তৈরি হয়। মূলত আমাদের শরীরে যে বিপাক ক্রিয়া হয় তার মাধ্যমে তাপ উৎপন্ন হয়। উৎপন্ন তাপ আমাদের শরীর থেকে চারটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বের হয়ে যায়। এগুলো হল কন্ডাকশন বা পরিবহন, কনভেকশন না পরিচলন, ইভাপোরেশন বা বাষ্পায়ন এবং সর্বশেষ রেডিয়েশন মানে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ। শরীরের তাপ হওয়া এবং তাপ বের হয়ে যাওয়া এই দুইটার মাঝে সামঞ্জস্য থাকা প্রয়োজন।আমাদের মস্তিষ্কের হাইপোথেলামাস অংশ তাপমাত্রার এই সাম্যতা নিয়ন্ত্রণ করে। হাইপোথ্যালামাসের কাজ বাধাগ্রস্ত হলে তখনই তাপমাত্রার কম বেশি হয়। তখন শরীরের তাপমাত্রা হয় বেড়ে যায় অথবা কমে যায়। যার ফলে আমরা তাপমাত্রার হ্রাস বৃদ্ধি জনিত সমস্যার সম্মুখীন হই।

✅✅✅
এখন মূল পয়েন্টে আসি। হিট স্ট্রোকে যা যা হয় ⤵️⤵️⤵️

↗️মুল ব্যাপার যেটা হয় থার্মাল রেগুলেটর মেকানিজম কিংবা তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয় যেটা জীবন বিপন্ন করে তুলতে পারে

➡️➡️মানব শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা যেটাকে কোর টেম্পারেচার বলা হয় সেটি 40 ডিগ্রি সেলসিয়াস এর বেশি হয়ে যেতে পারে যে কারণে -

↘️ সাধারণত গরম লাগলে আমরা ঘেমে যাই,ঘাম নিঃসরণ হয়।কিন্তু, হিটস্ট্রোক হলে,শরীরের তাপমাত্রা মারাত্নক বেড়ে যাবে কিন্তু কোন ঘাম নিঃসরণ হবে না।হিট স্ট্রোক এর ক্ষেত্রে এই ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। এটি খুবই সতর্কতার সাথে খেয়াল করতে হবে।
↘️সেইসাথে ব্যক্তির শরীরে কাঁপুনি হতে পারে, অস্থিরতা দেখা দিতে পারে, ব্যক্তি কনফিউজ বা দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারেন।
↘️শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় এবং ঘাম নিঃসরণ না হওয়ার কারণে ল্যাকটিক এসিড ক্ষরণ বেড়ে যেতে পারে শরীরের মাংসপেশি ভেঙে যেতে পারে কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গিয়ে কিডনি ফেইলিউর হতে পারে।
↘️সেই সাথে মস্তিষ্ক এবং ফুসফুস এ ইডিমা হতে এবং ব্যক্তি শকে চলে যেতে পারে।
↘️আরো একটি মারাত্মক ব্যাপার ঘটতে পারে যেটি হল আমাদের শরীরের রক্তনালির ভিতরে রক্ত রয়েছে তা ভেঙ্গে গিয়ে জমে যেতে পারে।যেটা মারাত্মক প্রাণঘাতি কন্ডিশনে পরিণত হতে পারে।

🚫🚫🚫
তাই এই তীব্র গরমে হিটস্ট্রোক থেকে বাচতে সতর্ক থাকুন,অন্যকে সতর্ক করুন
💥💥💥

❌গর্ভাবস্থায় কিডনি রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন না তো??? ✅✅পর্ব ০১✅গর্ভাবস্থায় যে কোন সময় গর্ভবতী মায়েরা  কিডনি রোগে আক্রান্...
09/05/2023

❌গর্ভাবস্থায় কিডনি রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন না তো???
✅✅পর্ব ০১

✅গর্ভাবস্থায় যে কোন সময় গর্ভবতী মায়েরা কিডনি রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।
আজকে কয়েকটি কারণ বলব⤵️⤵️⤵️

✅হাইপেরিমসিস গ্রাভিডারাম। নামটা অনেক তেমনি কঠিন মনে হলেও লক্ষণ গুলো অনেক পরিচিত। কি কি লক্ষণ দেখা দেবে❓ বমি বমি ভাব এবং প্রচন্ডরকম বমি হবে🤮🤮🤮।এক্ষেত্রে দেখা যায় সাধারণত বমির ঔষধ খেয়ে বমি বন্ধ হয় না। আর বমির কারণে শরীরে ভীষণ রকম পানিশূন্যতা দেখা দেয়। যেকারণে কিডনির ফিলট্রেশন সিস্টেম এর উপর হটাৎ মারাত্মক চাপ পরে 🔥। একে মেডিকেল সায়েন্সের ভাষায় বলা হয় একিউট কিডনি ইনজুরি।
↘️↘️↘️সাধারণত ফার্স্ট ট্রাইমেস্টার বা গর্ভকালীন প্রথম তিন মাসে এ সমস্যা বেশি হয় 😞😞😞
✅আরো একটি কারণ হচ্ছে পোস্ট পারটাম হেমোরেজ। মানে বাচ্চা জন্মের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে কিডনি আক্রান্ত হয়।

✅প্লাসেন্টার এবরাপশন।সোজা বাংলায় বললে গর্ভফুল ছিড়ে যাওয়া🌼🌼🌼। দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় ট্রাইমেস্টারে এ সমস্যার ঝুঁকি বেশি থাকে।

✅সেপটিক এবরশন আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এবং এটি প্রচন্ড বিপদজনক 🚫🚫

↘️↘️↘️এক্ষেত্রে ইনফেকশন এর জন্য এটি হতে পারে।
যে যে লক্ষণ দেখা দেয়
⤵️রোগী খুবই দুর্বল দুর্বল হয়ে পড়ে, ভীষণরকম অস্থির এবং টক্সিক থাকে, রক্তচাপ অনেক কমে যায়,জ্বরের মাত্রা বেশি থাকে সাধারণ প্যারাসিটামল বা এন্টিবায়োটিকের জ্বর কমতে চায়না ❌❌
গর্ভাবস্থার জন্য একটিভিশন বিপদজনক ⚠️⚠️এমনকি রোগীর মৃত্যু হতে পারে 💔💔যদি সময়মতো চিকিৎসা করা না হয়।
✳️✳️✳️তাই গর্ভাবস্থায় সচেতন থাকুন এবং কিডনির যত্ন নিন ♻️আপনার এবং অনাগত সন্তানের সুস্থতা নিশ্চিত করুন 🌍🌍🌍

🟦🟦কি কি লক্ষণ দেখলে বুঝবেন আপনার ডায়াবেটিস হতে পারে -▶️ঘন ঘন  পিপাসা পাওয়া। ▶️গলা, মুখ শুকিয়ে যাওয়া। ▶️ওজন কমে যাওয়া...
07/05/2023

🟦🟦কি কি লক্ষণ দেখলে বুঝবেন আপনার ডায়াবেটিস হতে পারে -

▶️ঘন ঘন পিপাসা পাওয়া।

▶️গলা, মুখ শুকিয়ে যাওয়া।

▶️ওজন কমে যাওয়া।

▶️অল্পতেই হাঁপিয়ে যাওয়া,ক্লান্ত লাগা।

▶️বেশি প্রস্রাব হওয়া ও রাতে প্রস্রাব হওয়া।

▶️শরীর শুকিয়ে যাওয়া।

▶️বেশি বেশি ক্ষুধা লাগা।

▶️মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার ইচ্ছে বেড়ে যাওয়া।

▶️শরীরে কোনো ক্ষত হলে তা সহজে না সেরে ওঠা।

▶️যৌনশক্তি হ্রাস পাওয়া।

✅✅ শরীরের যত্ন নিন। অবহেলা না করে সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ থাকুন।

🟦সুস্থ থাকার ১০ টি উপায় -✅ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। ❌পাতে লবণ খাওয়া,কাঁচা লবণ খাওয়া পরিহার করুন।✅প্রতিদিন অল্প হলেও  শার...
07/05/2023

🟦সুস্থ থাকার ১০ টি উপায় -

✅ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

❌পাতে লবণ খাওয়া,কাঁচা লবণ খাওয়া পরিহার করুন।

✅প্রতিদিন অল্প হলেও শারীরিক পরিশ্রম করুন, স্বল্প সময়ের জন্য হলেও ব্যায়াম করুন।

✅স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।

❌বাসি খাবার খাওয়ার অভ্যাস পরিত্যাগ করে টাটকা খাবার অভ্যাস করুন।

❌কোমল পানীয় পরিহার করুন।

❌ফাস্টফুড খাওয়া পরিহার করুন।

✅রঙিন ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস করুন, প্রতিদিন একটি করে সিজনাল ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন।

✅প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় লাল মাংস বাদ দিয়ে সবুজ শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

❌রাত জাগার অভ্যাস থাকলে তা পরিহার করুন। প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা ঘুমান।

✅✅সচেতন থাকুন সুস্থ থাকুন।

🟦 ফ্যাটি লিভার ডিজিজ  হলে যে জিনিস গুলো খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিব ❌❌➡️ ফ্যাটি লিভার মানে লিভারে এক্সট্রা ফ্যাট বা চর্বি ...
04/05/2023

🟦 ফ্যাটি লিভার ডিজিজ হলে যে জিনিস গুলো খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিব ❌❌

➡️ ফ্যাটি লিভার মানে লিভারে এক্সট্রা ফ্যাট বা চর্বি জমা হওয়া। যেটা আস্তে আস্তে লিভারকে অকেজো করে দেয়। বয়স ভেদে বর্তমানে ফ্যাটি লিভার রোগে ভুগছেন অনেক মানুষ । সময়মতো প্রতিরোধ করা না গেলে এই রোগটি হতে পারে মৃত্যুর কারণ। তবে প্রাথমিক অবস্থায় ফ্যাটি লিভার ধরা পড়লে প্রতিরোধ করা সম্ভব। বিভিন্ন কারণে এই লিভার রোগটি হতে পারে - জীবন যাত্রার মান, অনিয়মিত জীবনযাপন, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত খাওয়া দাওয়া, অতিরিক্ত ওজন, তৈলাক্ত ও অস্বাস্থ্যকর খাবার বেশি খাওয়া, অ্যালকোহল গ্রহণ, এছাড়া আনুষাঙ্গিক আরো অনেক কারণে এই রোগটি হতে পারে।

🟦ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধে আজকের পর্বে আমরা আলোচনা করব, যে ১০ টি জিনিস আমরা খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিব ❌❌

➡️অ্যালকোহল গ্রহণের অভ্যাস থাকলে একেবারেই বন্ধ করতে হবে ❌
➡️ অতিরিক্ত লাল মাংস খাওয়া বাদ দিতে হবে।যেমন গরু, মহিষ, খাসির মাংস ❌
➡️ মিষ্টি জাতীয় খাবার, বিশেষ করে বাইরের অস্বাস্থ্যকর ভাবে তৈরি মিষ্টি জাতীয় খাবার ❌
➡️ প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া বাদ দিতে হবে। টাটকা খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে❌
➡️ফাস্টফুড, তেলে ভাজা খাবার, অতিরিক্ত তেল দিয়ে রান্না খাবার বাদ দিতে হবে ❌
➡️ খাবারের সাথে এক্সট্রা লবণ বা কাঁচা লবণ খাওয়া বন্ধ করতে হবে ❌
➡️ অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত সব খাবার পরিহার করতে হবে❌
➡️ বাসি খাবার, দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা খাবার পরিহার করতে হবে❌ টাটকা খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। ➡️ অতিরিক্ত খাওয়া, একবারে অনেক খাবার খাওয়া পরিহার করতে হবে ❌
➡️ অতিরিক্ত ফল, অতিরিক্ত সালাদ বা কাঁচা সবজি খাওয়া পরিহার করতে হবে ❌

✅✅সচেতন হই জীবন বাঁচাই

❌❌❌নাক দিয়ে রক্ত পড়ার ভুল চিকিৎসা আর  নয় ❌❌❌আমাদের গ্রামে গঞ্জে প্রচলিত আছে নাক দিয়ে রক্ত পড়লে মাথার পিছনের দিকে হেলি...
04/05/2023

❌❌❌নাক দিয়ে রক্ত পড়ার ভুল চিকিৎসা আর নয় ❌❌❌

আমাদের গ্রামে গঞ্জে প্রচলিত আছে নাক দিয়ে রক্ত পড়লে মাথার পিছনের দিকে হেলিয়ে রাখা। গ্রামের মানুষের ধারণা এতে করে রক্ত সামনের দিকে আসতে পারে না এবং রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু এতে রয়েছে মারাত্মক ঝুঁকি💥💥💥। মাথা এবং ঘাড় পিছনের দিকে হেলিয়ে দিলে অথবা ঝুঁকে রাখলে রক্ত আমাদের শ্বাসনালীতে গিয়ে শ্বাসনালী বন্ধ করে দিতে পারে🫁🫁🫁। এতে করে শ্বাস বন্ধ হয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই আমাদেরকে সচেতন থাকতে হবে।
✅✅নাক দিয়ে রক্ত পড়লে যা যা করতে হবে -

✅মাথা সামনের দিকে ঝুঁকে রাখতে হবে।
❌কখনোই পিছনের দিকে হেলিয়ে কিংবা ঝুঁকে রাখা যাবে না 🚫🚫🚫
✅মাথা সামনের দিকে ঝুঁকে রেখে ১০ মিনিট নাক চেপে ধরে রাখতে হবে।
✅১০ মিনিটের মধ্যে নাক থেকে রক্তক্ষরণ বন্ধ না হলে দ্রুত রোগীকে নিকটস্থ হাসপাতাল কিংবা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিতে হবে 🚑🚑🚑
✅মনে রাখতে হবে সামান্য সচেতনতা এবং সঠিক শিক্ষা বাঁচিয়ে দিতে পারে মূল্যবান জীবন।

02/05/2023

🔲 আগুনে পোড়া রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসা -

✅পোড়া রোগীকে দ্রুত ঠান্ডা, আরামদায়ক ও
নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিন।

❌পোড়া জায়গা ময়লা কোন কাপড় দিয়ে বাঁধবেন না,
উন্মুক্ত রাখুন।

✅পোড়া জায়গায় কমপক্ষে ১৫-২০ মিনিট ঠান্ডা পানি
ঢালুন।জ্বালাপোড়া কম অনুভব হবে, রোগী আরাম
পাবে।

❌ বরফ, বরফ পানি ব্যবহার করা যাবেনা, বরফ
পানিতে পোড়া জায়গা ভিজিয়ে রাখা যাবেনা।

❌ ফোসকা পড়লে, কোন ভাবেই তা গলানো যাবেনা।

❌পোড়া জায়গায় কাঁচা ডিম, হলুদ, টুথপেষ্ট, কোন
গাছ বা পাতার রস, তেল জাতীয় কিছু লাগানো
যাবে না।

✅ খুব দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে ।

🚻 সচেতন হই, জীবন বাচাই।

Address

Mirpur
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. M Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category