Health সমস্যা ও সমাধান

Health সমস্যা ও সমাধান Stay connected to Daily Health Tips for a healthy and wealthy life, you know health is wealth. Doctors around the globe are most welcome to join this page.

আমাদের দেশে যত ওষুধ তৈরি হয়, এর প্রতিটি ফর্মুলা বা পেটেন্ট রাইটস বাইরে থেকে ধার করা। এমনকি বেশির ভাগ উপাদান ও অন্যান্য কাঁচামালও বাইরে তাকে আসে। এখানেকেবল চলে দেখে দেখে ওষুধ বানিয়ে প্যাকেটজাত করে বাজারে ছাড়ার কাজটুকু।

একটি ওষুধ উদ্ভাবন বা ফর্মুলা আবিষ্কারের জন্য সার্বিক গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পেছনে বিপুল অঙ্কের টাকা প্রয়োজন। ওষুধের প্রাথমিক গবেষণা থেকে শুরু করে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের কাজে

অনেক সময়েরও প্রয়োজন। সরকারের পক্ষে এত টাকা খরচের কোন সামর্থ নেই। এমনকি বেসরকারী সেক্টরের কোন প্রতিষ্ঠানও এমন সাহস দেখায় না।

আলোচিত টিকফা চুক্তি হলে কিংবা ২০১৬ সালের পর পেটেন্ট রাইটস আবিষ্কারক দেশগুলো থেকে কিনে আনতে হলে ওষুধের উৎপাদন ব্যয় ও বিক্রয় মূল্য অনেক বেড়ে যাবে। তাই আমাদেরই নিতে হবে নিজেদের দায় ভার। বিদেশী ওষুধের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আমাদের ভেষজ ওষুধগুলো সম্পর্কে ধারণা নিতে এবং ব্যবহার জানতে হবে, ব্যায়াম করতে হবে, সঠিক খাদ্য নির্বাচন করতে হবে, বিভিন্ন অসুখ বিসুখ থেকে দূরে থাকার উপায় জানতে হবে এবং সুস্থ্য জীবন যাত্রায় অভ্যস্থ হতে হবে। রোগের প্রতিকার নয়, প্রতিরোধ করতে হবে। আর সেই কাজটিই সামর্থ অনুযায়ী করে যাচ্ছে বাংলাভাষায় প্রথম ও একমাত্র ফেইসবুকভিত্তিক স্বাস্থ্যপত্রিকা .::দেহ::.

আপনার অংশগ্রহণে আমরা পৌঁছে যাব আরও অনেক অজনা পাঠকের কাছে। সুস্থ-সবল-সক্ষম বাঙ্গালী জাতি গড়ে তুলতে আমাদের প্রতিটি পোষ্টে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করার অনুরোধ করছি।

মুখবন্ধ: এই পেইজের সকল তথ্য শুধুমাত্র বাংলাভাষায় স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়। রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়।

নিজের অক্সিজেন স্যাচুরেশন নিজেই বাড়ান।Breathing exercise :করোনায় মুল আক্রান্ত হয় যে অর্গানটি তা হলো ফুসফুস। সুতরাং আপনার...
02/04/2021

নিজের অক্সিজেন স্যাচুরেশন নিজেই বাড়ান।

Breathing exercise :

করোনায় মুল আক্রান্ত হয় যে অর্গানটি তা হলো ফুসফুস। সুতরাং আপনার ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ানো খুবই জরুরি।

তাছাড়া ফুসফুসের এই ব্যায়াম আপনার মানসিক চাপও কমায়।

কিভাবে করবেনঃ
১. নাক দিয়ে বুক ফুলিয়ে শ্বাস নিন। ৫-১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। মুখ দিয়ে শ্বাস ছাড়ুন। এই ভাবে ১০ বার করুন। শেষ বার নাকে রুমাল/ টিস্যু পেপার চেপে জোরে কাশি দিয়ে শ্বাস ছাড়ুন। এই ব্যায়ামটি পুনরায় আরও একবার একই নিয়মে করুন।
( এটা আপনার ফুসফুসে অক্সিজেনের রিজার্ভ বাড়াতে সাহায্য করবে)

২. বুকে বালিশ দিয়ে ওপর ( Prone position ) হয়ে শোন। জোরে শ্বাস নিন। ৫-১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। শ্বাস ছাড়ুন। এইভাবে বার বার শ্বাস নিন আর ছাড়ুন।
( এই পজিশনটা করোনা রোগীর জন্য খুবই উপকারী। এটা আপনার ফুসফুস হতে রক্তে অক্সিজেন Exchange এ সহায়তা করবে।)

৩. বাম নাক আংগুল দিয়ে বন্ধ রাখুন।ডান নাক দিয়ে শ্বাস নিন, ৫-১০ সেঃ শ্বাস ধরে রাখুন। তারপর আস্তে আস্তে ডান নাক দিয়ে শ্বাস ছাড়ুন। আবার ডান নাক বন্ধ রেখে বাম নাক দিয়ে করুন।
( এটা আপনার Airway patency ensure করবে এবং প্রয়োজন এর সময় ফুসফুসে অধিক পরিমানের অক্সিজেনের যাতায়াত নিশ্চিত করবে।)

৪. ডান হাত বুকে বাম হাত পেটে রাখুন। এবার বুকে চাপ দিয়ে নাক দিয়ে লম্বা করে পেট ফুলিয়ে শ্বাস নিন। ৫-১০ সেঃ ধরে রাখুন। শীষ দেয়ার মত ঠোঁট দিয়ে আস্তে আস্তে শ্বাস ছাড়ুন।
(এটা আপনার শ্বাস নেয়ার গুরুত্বপূর্ণ পেশী Diaphragm এর কার্যক্ষমতা বাড়াবে।)

৫. ৪ নং পজিশন এ থেকে এবার পেটে চাপ দিয়ে নাক দিয়ে লম্বা করে বুক ফুলিয়ে শ্বাস নিন। ৫-১০ সেঃ ধরে রাখুন। শীষ দেয়ার মত ঠোঁট দিয়ে আস্তে আস্তে শ্বাস ছাড়ুন।
(এটা আপনার শ্বাস নেয়ার গুরুত্বপূর্ণ পেশী External Intercostal Muscle এর কার্যক্ষমতা বাড়াবে।)

৬. সকালে - বিকালে লম্বা শ্বাস নিয়ে বেলুন ফুলান।
( এটা Accessory Respiratory Muscle গুলোকে কর্মক্ষম রাখবে যা ক্রাইসিস মুহুর্তে আপনাকে সাহায্য করবে)

বি.দ্র. মনোযোগ সহকারে পড়বেন...
১. প্রথম ব্যায়াম দুটি করোনা হওয়ার আগে ও করোনা আক্রান্ত অবস্থায় করলে করোনা আক্রান্ত ফুসফুসে অক্সিজেনের ঘাটতি বা শ্বাস কষ্ট দেখা দেয় না।
২. শ্বাস কষ্ট, বুকে ব্যথা অবস্থায় কিংবা কাশি থাকলে এই ব্যায়াম করবেন না।
৩. হ্রদরোগে আক্রান্ত রোগী এই ব্যায়াম করার আগে অবশ্যই ডাঃ এর পরামর্শ নিবেন।
৪. এই ব্যায়াম করার সময় হঠাৎ করে শ্বাস কষ্ট, বুকে ব্যথা, কিংবা কাশি শুরু হলে অতিসত্ত্বর ব্যায়াম বন্ধ করে বসে স্বভাবিক শ্বাস নিন। প্রয়োজনে ডাঃ এর পরামর্শ নিন।
৫. Breathing Exercises কোন Shortcut প্রসেস নয়। দীর্ঘ দিন অভ্যাসে আপনি বাকি জীবন আপনার ফুসফুস কে অধিক কার্যক্ষম রেখে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন।

ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ান এবং মানসিক চাপ মুক্ত থাকুন।

নিয়মিত ফুসফুসের ব্যায়াম করুন। সুস্থ্য থাকুন।
( collected)

যারা রাত্রে বা ভোরে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম থেকে ওঠেন তাদের জন্য ডাক্তারদের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপদেশঃ****************...
16/09/2020

যারা রাত্রে বা ভোরে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম থেকে ওঠেন তাদের জন্য ডাক্তারদের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপদেশঃ
***********************
আমরা প্রায়ই শুনতে পাই একেবারে সুস্থ একজন মানুষ রাতের বেলা হঠাৎ মারা গেছেন। এটার একটা কারন হচ্ছে রাতে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমরা তাড়াহুড়ো করে
হঠাত উঠে দাঁড়িয়ে পড়ি যা ব্রেইনে রক্তের প্রবাহ হঠাত কমিয়ে দেয়। এটা আপনার ইসিজি প্যাটার্নও বদলে দেয়।
হুট্ করে ঘুম থেকে উঠেই দাঁড়িয়ে পড়ার দরুন আপনার ব্রেইনে সঠিক ভাবে অক্সিজেন পৌছাতে পারেনা, যার ফলে হতে পারে হার্ট এ্যাটাকের মত ঘটনাও।
ডাক্তাররা ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যাবার আগে সবাইকে 'দেড় মিনিট' সময় নেয়ার একটি ফর্মুলা দিয়েছেন।
এই দেড় মিনিট সময় নেয়াটা জরুরি কারন এটা কমিয়ে আনবে আপনার আকস্মিক মৃত্যুর সম্ভাবনা।
হঠাত এই উঠে পড়ার সময়ে এই দেড় মিনিটের ফর্মুলা বাঁচিয়ে দিতে পারে আমাদের জীবন।
১। যখন ঘুম থেকে উঠবেন, হুট করে না উঠে মিনিমাম তিরিশ সেকেন্ড বিছানায় শুয়ে থাকুন।
২। এরপর উঠে বিছানায় বসে থাকুন তিরিশ সেকেন্ড।
৩। শেষ তিরিশ সেকেন্ড বিছানা থেকে পা নামিয়ে বসুন।
এই দেড় মিনিটের কাজ শেষ হবার পর আপনার ব্রেইনে পর্যাপ্ত পরিমানে অক্সিজেন পৌছাবে যা আপনার হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি একদম কমিয়ে আনবে।
খুবই গুরুত্তপুর্ন এই স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্যটি ছড়িয়ে দিন আপনার পরিবার,বন্ধু এবং পরিচিত লোকজনের মাঝে। নিজে এই ফর্মুলাটি মেনে চলুন এবং অন্যদেরকেও মানতে বলুন।
মনে রাখবেন যেকোন বয়সের মানুষের ক্ষেত্রেই এমন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই সাবধান থাকতে হবে সবাইকেই।
জনস্বার্থে শেয়ার করুন৷

16/06/2018

আমি ছেলে হতে পারি। কিন্তু আমার বোন আছে, বউ আছে, অনেক নারী আছেন আমার কাছের কিংবা দূরের। আগেও জানতাম, এটা খুবই নরমাল একটা ঘটনা। আপনারাও জেনে রাখুন। সচেতন হোন।

দুর্ভাগ্যজনক এমন পোস্ট দিলেও মানুষ বলে মেয়ে লজ্জা শরম ধুয়ে খাইছে । :)
পিরিয়ড/ মাসিক/ মিনস/ মেনস্ট্রুয়েশন সাইকেল:
আমরা কি জানি, মেয়েদের জীবন আবর্তিত হয় পিরিয়ডকে ঘিরে?

আসুন দেখি:
-অমুক তারিখে এক্সাম শুরু? গড! তখন তো আমার পিরিয়ড চলবে! আগে থেকেই সব পড়ে রাখতে হবে।
কেন? কারণ ওই সময় আমার হরমোনাল চেঞ্জের জন্য মনযোগের ঘাটতি থাকবে। আমি চেয়ারে বেশিক্ষণ বসে থাকতে পারবো না সারা গায়ের ব্যথার জন্য। ক্লান্ত বোধ হবে। বেশি বেশি ঘুম পাবে। বসে থাকা, শুয়ে থাকা, দাঁড়িয়ে থাকা সবকিছুই অসহ্য লাগবে। এত কিছুর মাঝে পড়বো কখন? এক্সাম হলে ৩-৪ ঘণ্টা বসে থাকাই দায়।

-দূরের জার্নি? সম্ভবই না। পিরিয়ড চলবে। তারপরেও যদি যাওয়াই লাগে?

৮, ১০, ১৫, ২০,২৪ ঘণ্টার জার্নিতে আমি পাশে বসে থাকা বাবা, ভাই, বন্ধু, প্রেমিক কাউকে তো বলতেই পারবো না কি অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করছি আমি। আমার পেটের ভিতর ছুরি দিয়ে কাটার মত কষ্ট হচ্ছে, মাথা ব্যথায় ছিড়ে যাচ্ছে, বমি বমি লাগছে, কিছুক্ষণ পর পর ওয়াশরুমে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ছে অথচ আমাদের দেশে সে ব্যবস্থা কই? এতে করে জরায়ু ইনফেকশন থেকে শুরু করে ক্যান্সার পর্যন্ত হয়ে মরে যায় মেয়েরা।

- রোজার অত তারিখ থেকে পিরিয়ড শুরু। এক্সট্রা সতর্ক থাকতে হবে। কেউ যেন বুঝতে না পারে। এই সময় আমার খাবার বেশি প্রয়োজন, পানি বেশি প্রয়োজন, রেস্ট বেশি প্রয়োজন। তাতেই বা কী? আমাকে লুকিয়ে পানি খেতে হবে, না খেয়ে থাকতে হবে, রোজা হবে না তারপরেও রোজা রাখতে হবে, নামাজ পড়ার অভিনয় করতে হবে।
আমার বাবা, ভাই, বন্ধু কেউ জানবে না কত কষ্ট হচ্ছে আমার।

-যাক, এই পিরিয়ডে এক্সাম নেই, জার্নি নেই, রোজা নেই। তাতে কী? স্কুল/ কলেজ আছে, অফিস আছে, বাসার রান্না, ঘরের কাজ, অতিথি আপ্যায়ন আছে।
আর কী আছে?

আর আছে হরমোনের প্রভাবে ইমোশনাল ইমব্যালেন্স। খিটখিটে মেজাজ, মুখে ব্রণ, ক্লান্তি, ডিপ্রেশন, কারণ ছাড়াই কান্না, পেটফাঁপা, মাসল পেইন, সোর ব্রেস্ট, অকারণে ওজন বাড়া, পিঠ ব্যথা, মুড সুইং, জ্বর। প্রতিদিনের ব্যস্ততায় সময় কই নিজের একটু যত্ন নেয়ার। কাউকে তো বলা পর্যন্ত যাবে না।

আমাকে যে এই লেখাটা লিখতে বলেছে, তার ভাষ্য ছিলো, " আমিই লিখতাম, কিন্তু ছেলেরা যদি উল্টাপাল্টা কমেন্ট করে?"
আরেকজন বলেছে," লেখার দরকার নেই। সবাই তো লিখছে। লাভ কী হচ্ছে? ছেলেরা বুঝবে তো না-ই, আরো মজা নিবে।"

"মজা নিবে!"

আচ্ছা, পিরিয়ড কেন হয়?

আমরা শুধু জানি বাচ্চা হওয়ার জন্য পিরিয়ড হয়।
তো বাচ্চা হওয়ার জন্য পিরিয়ড কেন হওয়া লাগে?
কারণ, প্রতিমাসে মেয়েদের গর্ভাশয় তার বাইরের আবরণটাকে শক্ত করে যেন গর্ভবতী হওয়ার পর বাচ্চাকে আশ্রয় দিতে পারে। পরে যখন ভ্রূণ নিষিক্ত হয়না তখন সে তার শক্ত আবরণটাকে ছিড়ে ফেলে আবার পরের মাসের জন্য প্রস্তুতি নেয়া শুরু করে। যে কারণে মেয়েদের শরীরের ভিতরের একটা অঙ্গ ছিড়ে সেটা সেই রক্তের সাথে বের হয়ে যায়।

কতটা মজার বিষয় মনে হচ্ছে পুরো প্রসেসটা?

পিরিয়ডের আরো কিছু প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ নিজেদের নারী মনে করলেও আমরা কিন্তু তা ভাবতে পারিনা। তাঁদের নারী বলে মনেই হয়না। তার কারণ তাদের পিরিয়ড হয় না। নারীকে নারী হিসেবে গড়ে তোলার প্রধান নিয়ামক হলো তার পিরিয়ড।
-
নারীর একে তো এতো যন্ত্রণা, তার উপর ওই "মজা নেবার" ভয়।

প্লিজ বি কাইন্ড, বি কনসিডারেট।

প্রতিটা পুরুষের আদরের মেয়ে, বোন, প্রেমিকা বা বউ, আবার কাছের বান্ধবী, কলিগ, অথবা একদম অপরিচিত কোন মেয়েই হোক সে প্রতিমাসের ৪ ভাগের ১ ভাগ সময় এই যন্ত্রণায় কাটায়।

শুরুতে বলেছিলাম মেয়েদের জীবন আবর্তিত হয় এই সাইকেল ঘিরে, ছেলেদের কি হয় না? মা, বোন, বান্ধবী, প্রেমিকা, বউ কাকে ছাড়া চলবে ওদের জীবন? নারীকে যে আমরা নারী হিসেবে দেখি তা তো এই প্রতিমাসের ৭ দিনের কষ্ট সহ্যের ফল।

নারীর জীবনে সবচেয়ে স্বাভাবিক বিষয় এই পিরিয়ড বা মেনস্ট্রুয়েশন সাইকেল। এখানে ফান করার বা মজা পাওয়ার কিছু নেই।

পরিবারে মা বাবা তাদের ছেলেমেয়ের কাছে এটাকে স্বাভাবিক হিসেবে তুলে ধরলে, ছেলেরা মেয়েদের কষ্ট অনুধাবন করে একটু সহযোগীতা, সতর্কতা, সহমর্মিতার মনোভাব তৈরি করলে, আমাদের মেয়েদের লাইফ কত সহজ করতে পারতো!

নির্মম নির্যাতন...তাৎপর হত্যা...কেন্টলমেন্ট এলাকায়...বোন তুই আমাদের ক্ষমা করে দিস।।...আমরা তর জন্য দুইদিনের আন্দোলন করব ...
23/03/2016

নির্মম নির্যাতন...তাৎপর হত্যা...কেন্টলমেন্ট এলাকায়...বোন তুই আমাদের ক্ষমা করে দিস।।...আমরা তর জন্য দুইদিনের আন্দোলন করব তকে নিয়ে আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যমটা তর নামেই হয়ে যাবে... তারপর হয়তো আর তর কথা মনেও পড়বে না...তর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকিতে আমরা একটি মানববন্দন করব...কিন্তু তর মৃত্যুর বিচার পাব না জানি...কারণ তর মা-বাবা তো এই দেশের কোন মন্তী-এম পি নয়..বোন তর মৃত্যুর আগেও এইদেশে নির্মম হত্যা হয়েছে সাগর-রুনি,সিমান্তে হত্যা হয়েছে ফেলানীর..বিচার হয়নি তাদের-ও।।এখন তর মৃত্যুর বিচার চাই নাই...আল্লাহ তাঁর বিচার করবে বোন।।দোয়া করি তর পরকাল যেন আল্লাহ অনেক সুন্দর করে দেন।।

20/10/2014

ব্রেকিংঃ
অবশেষে ইবোলার প্রতিষেধক আবিষ্কার! কানাডার বিজ্ঞানীরা ভিএসভি-এবো নামের এই প্রতিষেধক আবিষ্কার করেছেন।

Ebola now in India first case in ChennaiUse hot water and salt to take your bath in the morning, do the same when you wa...
17/10/2014

Ebola now in India first case in Chennai
Use hot water and salt to take your bath in the morning, do the same when you want to drink water(hot and salt) . ...
It is said to be a traditional vaccine for Ebola.
Please don't keep this information to yourself send to all your contacts including your enemies .
The following precautions can help prevent infection and spread of Ebola and Marburg.
* Avoid areas of known outbreaks. ...
* Wash your hands frequently. ...
* Avoid bush meat. ...
* Avoid contact with infected people. ...
* Follow infection-control procedures. ...
* Don't handle remains.
How Is Ebola Diagnosed?
Sometimes it's hard to tell if a person has Ebola from the symptoms alone. Doctors may test to rule out other diseases like cholera or malaria.
Tests of blood and tissues also can diagnose Ebola.
If you have Ebola, you’ll be isolated from the public immediately to prevent the spread.
I request to all my FB friends pls share this information to ur near and dear to whom u care.......................

03/10/2014

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা পোষ্ট - নিজে সতর্ক হোন, অপরকে সতর্ক করুন।
আফ্রিকার একটি নদীর নামে সর্বপ্রথম বাদুর প্রাণী থেকে ছড়িয়ে পড়া মরণঘাতী ‘’ইবোলা ভাইরাস’’ মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে সারা আফ্রিকায়।
ইতিমধ্যে জাতিসংঘ জরূরী অবস্থা জারি করেছে। ভয়ের ব্যাপার হচ্ছে, এই রোগের কোন প্রতিষেধক আজতক পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি। আরো ভয়ংকর ব্যাপার হচ্ছে, সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে এই রোগ সনাক্ত করা গেছে।
একবার যদি এই রোগ কাঁটাতারের বেড়া পার হতে পারে তাইলে শেষ
আসুন, এই রোগের উপসর্গ এবং প্রাদুর্ভাব কিভাবে হয় জেনে নি-
১. আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত, প্রস্রাব, মল, বীর্য ও অন্যান্য শারীরিক তরলের সংস্পর্শে ভাইরাসটি অন্যের শরীরে প্রবেশ করে। প্রভাব দেখা যায় ২ থেকে ২১ দিনে।
২. রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা ও শ্বেত রক্তকণিকা ধ্বংস করে।
৩. আক্রান্ত কোষগুলো সারা শরীরে ভাইরাসটি ছড়িয়ে দেয়।
৪. রক্ত জমাট করে ফেলে এবং এ কারণে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যায়।
৫. রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে এমন বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছায় যে সেটি নিজের বিরুদ্ধেই কাজ করতে থাকে।
৬. রোগটি মানুষের মস্তিষ্ক, যকৃৎ, কিডনি, অন্ত্র, চোখ, যৌনাঙ্গসহ শরীরের সব অঙ্গ-প্রতঙ্গে আক্রমণ করতে পারে।
৭. সার্বিক রক্ত সংবহনব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যায়। শরীরের ভেতরে ও বাইরে রক্তক্ষরণ হতে থাকে।
অঙ্গ বিকল হয়ে গিয়ে অথবা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে হৃৎপিণ্ড অকার্যকর হয়ে রোগীর মৃত্যু হতে পারে।
** সুস্থ হয়ে উঠা পুরুষেরা বীর্যের মাধ্যেমে ৭ সপ্তাহ পর্যন্ত ভাইরাসটি ছড়াতে পারে।
এই রোগের একমাত্র চিকিৎসা হচ্ছে,
• পানিশূন্যতা পূরন
• রোগীকে পর্যবেক্ষণ
পোষ্টি সবাইকে জানানোর জন্য শেয়ার করতে পারেন ।

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা পোষ্ট - নিজে সতর্ক হোন, অপরকে সতর্ক করুন।আফ্রিকার একটি নদীর নামে সর্বপ্রথম বাদুর প্রাণী থেকে ছ...
12/08/2014

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা পোষ্ট - নিজে সতর্ক হোন, অপরকে সতর্ক করুন।
আফ্রিকার একটি নদীর নামে সর্বপ্রথম বাদুর প্রাণী থেকে ছড়িয়ে পড়া মরণঘাতী ‘’ইবোলা ভাইরাস’’ মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে সারা আফ্রিকায়।
ইতিমধ্যে জাতিসংঘ জরূরী অবস্থা জারি করেছে। ভয়ের ব্যাপার হচ্ছে, এই রোগের কোন প্রতিষেধক আজতক পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি। আরো ভয়ংকর ব্যাপার হচ্ছে, সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে এই রোগ সনাক্ত করা গেছে।
একবার যদি এই রোগ কাঁটাতারের বেড়া পার হতে পারে তাইলে শেষ
আসুন, এই রোগের উপসর্গ এবং প্রাদুর্ভাব কিভাবে হয় জেনে নি-
১. আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত, প্রস্রাব, মল, বীর্য ও অন্যান্য শারীরিক তরলের সংস্পর্শে ভাইরাসটি অন্যের শরীরে প্রবেশ করে। প্রভাব দেখা যায় ২ থেকে ২১ দিনে।
২. রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা ও শ্বেত রক্তকণিকা ধ্বংস করে।
৩. আক্রান্ত কোষগুলো সারা শরীরে ভাইরাসটি ছড়িয়ে দেয়।
৪. রক্ত জমাট করে ফেলে এবং এ কারণে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যায়।
৫. রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে এমন বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছায় যে সেটি নিজের বিরুদ্ধেই কাজ করতে থাকে।
৬. রোগটি মানুষের মস্তিষ্ক, যকৃৎ, কিডনি, অন্ত্র, চোখ, যৌনাঙ্গসহ শরীরের সব অঙ্গ-প্রতঙ্গে আক্রমণ করতে পারে।
৭. সার্বিক রক্ত সংবহনব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যায়। শরীরের ভেতরে ও বাইরে রক্তক্ষরণ হতে থাকে।
অঙ্গ বিকল হয়ে গিয়ে অথবা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে হৃৎপিণ্ড অকার্যকর হয়ে রোগীর মৃত্যু হতে পারে।
** সুস্থ হয়ে উঠা পুরুষেরা বীর্যের মাধ্যেমে ৭ সপ্তাহ পর্যন্ত ভাইরাসটি ছড়াতে পারে।
এই রোগের একমাত্র চিকিৎসা হচ্ছে,
• পানিশূন্যতা পূরন
• রোগীকে পর্যবেক্ষণ
পোষ্টি সবাইকে জানানোর জন্য শেয়ার করতে পারেন ।

11/08/2014

❂ -লঞ্চ ডুবলে আমরা মরি।
❂ -গার্মেন্টস ধসে আমরা মরি।
❂ -গার্মেন্টসে পুড়ে আমরা মরি।
❂ -ব্রীজের গার্ডার ধসে আমরা মরি।
❂ -পুলিশের গুলিতে আমরা মরি।
❂ -RABএর হাতে আমরা মরি।
❂ -ভোট কেন্দ্রে আমরা মরি।
❂ -রোড এক্সিডেন্টে আমরা মরি।
❂ -অভাব কষ্টে আমরা মরি।

❖ সব কিছুতেই আমরাই এই সস্তা দামের মানুষ গুলোই মরি। দামী মন্ত্রী-
এমপিরা আমাদেরকে মানুষই মনে করেনা।

❖ তাদের কাছে আমরা -মাল।
আল্লাহর মাল আল্লাহয় নিয়ে গেছে,
তাই শোক প্রকাশ
করে একটি বিবৃতি দিলেই
তাদের দায়িত্ব শেষ।

❖চারিদিকে আমরাই মরছি।
কিন্তু যাদের কারণে মরছি,
যাদের অবহেলায় মরছি
তাদের কোনো বিচার হয়না।

❖ তারা আমাদের লাশের উপর
যুগ যুগ ধরে বেঁচে থাকে।
আর আমরা এই হতভাগারা
আমাদের পঁচা লাশটাও খুঁজে পাইনা
কবর দেওয়ার জন্য।

29/06/2014

আপনার জীবনে ও হয়ত এমন ঘটনা ঘটতে পারে।
প্লিজ পোস্ট টি সবার সাতে শেয়ার করবেন।।
আপনার শেয়ার করা পোস্ট দেখে হয়তো কেউ পেয়ে জেতে পারে তার হারানো সন্তান।
প্লিজ শেয়ার করবেন।

যেসব মেয়েরা সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে দেহ বিক্রি করে সমাজতাঁদের বলে পতিতা ।অপরদিকে,যেসব মেয়েরা হাজার টাকার বিনিময়ে ...
28/06/2014

যেসব মেয়েরা সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে দেহ বিক্রি করে সমাজ
তাঁদের বলে পতিতা ।
অপরদিকে,
যেসব মেয়েরা হাজার টাকার বিনিময়ে লুকিয়ে দেহ বিক্রি করে সমাজ তাদের বলে সোসাইটি গার্ল । যারা আর একটু বেশী দামে দেহ
বিক্রি করে সমাজ তাদের বলে পার্টি গার্ল । আর সবচেয়ে ভয়াবহ হচ্ছে তথাকথিত শিক্ষিত মেয়েরা যখন রাস্তা দিয়ে দেহ দেখিয়ে- দেখিয়ে হাঁটে TSC,NSU, KFC, ধানমণ্ডি লেকে বয়ফ্রেন্ডের কোলে বসে আড্ডা দেয়,
মাঝে মাঝে ** খায়, কিস খায় এবং মাঝে মাঝে সেই বয়ফ্রেন্ডের সাথে লিটনের ফ্ল্যাটে যায়, পয়লা বৈশাখে লাল- সাদা শাড়ী পড়ে হাজারটা ছেলের
সাথে ডলাডলি করে, পান্তা খায়, আর রিক্সায় হুড তুলে দিয়ে ** , আবার
বলে আমরা শুধুই ফ্রেন্ড !
সমাজ তখন তাঁদের বলে আধুনিক মেয়ে ! তাদের নিয়ে কথিত (!) দৈনিক
পত্রিকায় লেখা হয় "দেশে নারীরা সমান অধিকার পাচ্ছে" ।
হাজার-হাজার মেয়েরা বছরে বছরে জিপিএ ৫ পাচ্ছে, আবার পরিমলের
সাথে শুটিং (!) করতে পারছে । যারা আরও বেশী দামে দেহ বিক্রি করে সমাজ তাদের বলে মডেল গার্ল বা অভিনেত্রী (সব মডেল বা অভিনেত্রীকে বলছি না) । সমাজের অনেকের চোখে এরা আবার ড্রিমগার্ল ! তাদের আবার ভিডিও বের হয় ।
কিন্তু তারপরও তারা সমাজে সকলের নিকট সম্মানপ্রাপ্ত । অথচ দেহ
ব্যবসায় যারা শুধুমাত্র পেটের দায় করে বা জোরপূর্বক তাদের করানো হয়,
তারাই বেশ্যা বলে আখ্যায়িত ।
কিন্তু
কেন ?
তাঁদের এত টাকা-পয়সা, পাওয়ার নেই বলে ?
থুতু মারি চুশীলদের এই দ্বৈত নীতিকে ।
যারা পেটের দায়ে এই ঘৃণ্য কাজটি করে তাঁদেরকে আমি পতিতা বলি
না, আমি পতিতা বলি তাদেরকে যারা অর্থ বা কাজের লোভে পর পুরুষের
সামনে বিবস্ত্র হতে দ্বিতীয় বার ভাবে না ।

Address

Dhaka

Telephone

+88 01766546690

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health সমস্যা ও সমাধান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Health সমস্যা ও সমাধান:

Share