Healing Nobabi Sunnah

Healing Nobabi Sunnah Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Healing Nobabi Sunnah, Alternative & holistic health service, KhilKhet Dhaka, Dhaka.

🌿 Healing Nobabi Sunnah

জিন-যাদু, বদ নজর ও হাসাদজনিত শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার একমাত্র শরঈ সমাধান

তিব্বে নববীর আলোকে রুকইয়াহ শারইয়্যাহ-

📌 রুকইয়াহ সংক্রান্ত সেবা পেতে যোগাযোগ করুন: ☎️+8801981-681952

আপনি যাদুগ্রস্ত? তাহলে সুস্থতার নিয়াতে বেশী বেশী পড়ুন। ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। اَللّٰهُمَّ افْتَحْ لِيْ أَبْوَابَ رَ...
01/02/2026

আপনি যাদুগ্রস্ত? তাহলে সুস্থতার নিয়াতে বেশী বেশী পড়ুন। ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।

اَللّٰهُمَّ افْتَحْ لِيْ أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ

হে আল্লাহ! আপনি আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাসমূহ খুলে দিন।

وَ اَوْحَیْنَاۤ اِلٰی مُوْسٰۤی اَنْ اَلْقِ عَصَاكَ ۚفَاِذَا هِیَ تَلْقَفُ مَا یَاْفِكُوْن﴿۱۱۷﴾ فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا کَانُوْا یَعْمَلُوْنَ ﴿۱۱۸﴾ فَغُلِبُوْا هُنَالِكَ وَانْقَلَبُوْا صٰغِرِیْنَ ﴿۱۱۹﴾ وَ اُلْقِیَ السَّحَرَةُ سٰجِدِیْنَ ﴿۱۲۰﴾ قَالُوْۤا اٰمَنَّا بِرَبِّ الْعٰلَمِیْنَ ﴿۱۲۱﴾ رَبِّ مُوْسٰی وَهٰرُوْنَ ﴿۱۲۲﴾

তখন আমি মূসাকে আদেশ দিলাম যে, তুমি তোমার লাঠিখানা নিক্ষেপ করো; আর অমনি তা তাদের বানানো বস্তুগুলোকে গিলে ফেলতে লাগল। ফলে সত্য প্রমাণিত হল আর তাদের কর্মকাণ্ড অকার্যকর হয়ে গেল।এভাবে তারা সেখানে পরাভূত হল এবং লাঞ্ছিত হয়ে ফিরে গেল। যাদুকরেরা সেজদায় পড়ে গেল। তারা বলল, “আমরা বিশ্বপ্রভুর প্রতি ঈমান এনেছি। যিনি মূসা ও হারূনের প্রভু।” [আ'রাফ ১১৭-১২২]


فَلَمَّاۤ اَلْقَوْا قَا لَ مُوْسٰى مَا جِئْتُمْ بِهِ ۙ السِّحْرُ ۗ اِنَّ اللّٰهَ سَيُبْطِلُهٗ ۗ اِنَّ اللّٰهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِيْنَ

তারা যখন নিক্ষেপ করল,তখন মূসা বলল,তোমরা যা নিয়ে এসেছ তাতো যাদু,আল্লাহ এখনই তা ব্যর্থ করে দেবেন,আল্লাহ বিশৃঙ্খলাকারীদের কাজকে সংশোধন করেন না। (সুরা ইউনুস -৮১)

وَيُحِقُّ اللّٰهُ الْحَـقَّ بِكَلِمٰتِهٖ وَلَوْ كَرِهَ الْمُجْرِمُوْنَ

আল্লাহ তাঁর বাণীর সাহায্যে প্রকৃত সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করবেনই, অপরাধীদের কাছে তা যতই অপ্রীতিকর হোক না কেন। (সুরা ইউনুস -৮২)

قُلْ اِنَّ رَبِّيْ يَقْذِفُ بِا لْحَـقِّ ۚ عَلَّا مُ الْغُيُوْبِ

বল- আমার প্রতিপালক সত্য ছুঁড়ে দেন অসত্যকে আঘাত করার জন্যে। যাবতীয় অদৃশ্য সম্পর্কে তিনি পূর্ণরূপে অবগত। (সুরা সাবা আয়াত -৪৮)

قُلْ جَآءَ الْحَـقُّ وَمَا يُبْدِئُ الْبَا طِلُ وَمَا يُعِيْدُ

বল- সত্য এসে গেছে,আর মিথ্যের নতুন করে আবির্ভাবও ঘটবে না,আর তার পুনরাবৃত্তিও হবে না। (সুরা সাবা আয়াত -৪৯)

اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبْ الْبَاسَ، اشْفِ وَأَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا

উচ্চারণ:আল্লা-হুম্মা রাব্বান না-স। আযহিবিল বা’স। ইশফি ওয়াআংতাশ শা-ফী। লা-শিফাআ ইল্লা-শিফাউক। শিফাআল লা-ইউগা-দিরু সাক্বামা

অর্থঃ - হে আল্লাহ! মানুষের প্রতিপালক! তুমি কষ্ট দূর কর এবং আরোগ্য দান কর। (যেহেতু) তুমি রোগ আরোগ্যকারী। তোমারই আরোগ্য দান হচ্ছে প্রকৃত আরোগ্য দান। তুমি এমনভাবে রোগ নিরাময় কর,যেন আর কোন রুগ অবশিষ্ট না থাকে।

সাথে সকাল সন্ধা মাসনুন আমল গুলো করবেন:

সকাল বেলার মাসনুন আমল⤵️

https://www.facebook.com/share/p/17bKxLUirQ/

সন্ধাবেলার মাসনুন আমল⤵️

https://www.facebook.com/share/p/1BxrcLjAWm/

🔷 সদাকায় জারিয়ার নিয়াতে পোস্ট শেয়ার করে অন্য যাদুতে মুক্ত হওয়ার জন্য।

Healing Nobabi Sunnah

30/01/2026

বদনজর বা যাদুকেন্দ্রিক অসুস্থতাগুলোকে একটি বোতলভর্তি পানির সঙ্গে তুলনা করা যায়। আক্রান্ত ব্যক্তি সঠিক ডায়াগনসিসের ভিত্তিতে নিজের সমস্যার ধরন অনুযায়ী যতটুকু ট্রিটমেন্ট গ্রহণ করবেন, তত দ্রুত তার শরীর থেকে সমস্যাগুলো দূর হতে শুরু করবে। যতখানি সমস্যা কমবে, জীবন ততখানি স্বাভাবিক হয়ে উঠবে—ইনশা আল্লাহ।

এই ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এক সময় সব অসুস্থতা ও জটিলতা দূর হয়ে যায় এবং ব্যক্তি পূর্ণ সুস্থতা লাভ করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে কেবল সেল্ফ রুকইয়াহ যথেষ্ট নয়, বরং নির্দিষ্ট সময় পরপর সঠিক ও পরিকল্পিত ট্রিটমেন্ট প্ল্যান অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরী।

সরাসরি রুকইয়াহ জন্য যোগাযোগ করুন:
+8801981681952 হোয়াটসঅ্যাপ

Healing Nobabi Sunnah

28/01/2026

রুকইয়াহ চলাকালীন বমি হওয়া অনেক সময় পেটে যাদু থাকার অন্যতম একটি লক্ষণ হিসেবে পরিলক্ষিত হয়। বিশেষ করে কোনো স্পষ্ট শারীরিক কারণ ছাড়া যদি রুকইয়াহর সময় বমি ভাব বা বমি হয়, তবে তা সাধারণত যাদু খাওয়ানোর প্রাথমিক পর্যায়ে বেশি দেখা যায়।

অভিজ্ঞতায় লক্ষ্য করা যায়, লিকুইড যাদুর ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রতিক্রিয়া তুলনামূলকভাবে বেশি হয়ে থাকে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে পেটে যাদু অবস্থান করলে যাদুর খাদেম জ্বীন-শয়তান প্রভাব বজায় রাখার জন্য এক ধরনের ‘প্রটেকশন’ তৈরি করে। এর ফলে পরবর্তী পর্যায়ে রুকইয়াহ চলাকালীন বমি নাও হতে পারে; বরং শয়তান বিভিন্ন অজুহাত ও ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান সৃষ্টি করে রোগীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে।

যাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নাকের ময়লা বা ঘন থুতু বের হয়, তাদের জন্য এটি মাথার অগ্রভাগ (মস্তিষ্ক) ও সাইনাসে যাদু থাকার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

অভিজ্ঞতার আলোকে আরও বলা যায়, যাদের প্রায়ই সর্দি থাকে বা মাথার অগ্রভাগে নিয়মিত ব্যথা অনুভূত হয়, তাদের ক্ষেত্রে মস্তিষ্কে যাদু অথবা নজর ও হাসাদের প্রভাব থাকার সম্ভাবনা থাকতে পারে। তবে অনেক সময় যাদুর তুলনায় বদনজরের প্রভাব বেশি থাকায় ঠান্ডা-সর্দির আরও প্রকটভাবে প্রকাশ পায়।

Healing Nobabi Sunnah

ভয়ংকর যাদুগুলোর মধ্যে সিহরুত তা‘তীল (প্রতিবন্ধকতা বা বাধা সৃষ্টিকারী যাদু) অন্যতম। এই ধরনের যাদুতে আক্রান্ত ব্যক্তি জীবন...
27/01/2026

ভয়ংকর যাদুগুলোর মধ্যে সিহরুত তা‘তীল (প্রতিবন্ধকতা বা বাধা সৃষ্টিকারী যাদু) অন্যতম। এই ধরনের যাদুতে আক্রান্ত ব্যক্তি জীবনের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অদৃশ্য বাধার সম্মুখীন হয়।

বিশেষ করে।
বিবাহে অকারণ ও বারবার বাধা সৃষ্টি হওয়া।
রিজিক,কর্মক্ষেত্র ও উন্নতিতে স্থবিরতা নেমে আসা।
সন্তান লাভে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা দেখা দেওয়া।

এই যাদুর মূল উদ্দেশ্য হলো একজন মানুষকে ধীরে ধীরে সর্বদিক থেকে দুর্বল করে ফেলা। শারীরিক ও মানসিকভাবে তাকে এমন অবস্থায় পৌঁছে দেওয়া হয়, যেখানে তার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয় এবং সে হতাশা ও অস্থিরতায় ভুগতে থাকে। প্রয়োজনীয় কাজগুলো সামনে এসেও অদ্ভুতভাবে আটকে যায়, চেষ্টা করেও অগ্রগতি আসে না।

আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন—
“আর তারা মানুষের ক্ষতি করে আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কিছুই করতে পারে না।”
(সূরা আল-বাকারা: ১০২)

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
যে ব্যক্তি ফালাক ও নাস দ্বারা আশ্রয় প্রার্থনা করে, সে সর্বোত্তম আশ্রয় প্রার্থনা করে। (সহিহ মুসলিম)

অতএব, এ ধরনের সমস্যায় পড়লে ভয় বা হতাশ না হয়ে আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রেখে কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক রুকইয়াহ, দোয়া ও ইবাদতের দিকে ফিরে আসাই হলো সর্বোত্তম সমাধান। আল্লাহই সর্বশক্তিমান, তিনিই সকল বাধা দূরকারী।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন। আমিন।

Healing Nobabi Sunnah

যারা প্রতিনিয়াত যাদুতে আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের জন্য যাদু নষ্টের সহজ রুকইয়াহ- দীঘ নির্দেশনা গুলো এক সপ্তাহ ফলো করুন।যাদু নষ...
22/01/2026

যারা প্রতিনিয়াত যাদুতে আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের জন্য যাদু নষ্টের সহজ রুকইয়াহ-

দীঘ নির্দেশনা গুলো এক সপ্তাহ ফলো করুন।
যাদু নষ্টের নিয়তে সূরা নাজম পুরা এক বাসায় পাঁচ বার তেলাওয়াত করুন।

সামনে পানি এবং অলিভ অয়েল রাখুন। প্রতিবার সূরা শেষ করে তাতে থু থু মিশ্রিত ফুঁ দিন।

আপনার ফুঁ দেওয়া পানি প্রতি নামাজের পর এক গ্লাস করে পান করুন এবং গোসলের পানির সাথে এক গ্লাস পানি মিশিয়ে ৭-৮ টি বরই পাতা পেস্ট করে ঘুসলের পানির সাথে মিশিয়ে গোসল করুন।

গোসলের পর রুকইয়াহ করা সারা অলিভয়েল তৈল সারা শরিরে ভালো করে ম্যাসেজ করুন। এবং রুকইয়াহ চলা কালিন আপনার শরিরে চিহ্নিত জায়গায় গুলোতে ব্যথা হয়েছে ওখানে ভালো করে ম্যাসেজ করুন।

সাথে সব ধরনের গোনাহ থেকে বিরত থাকুন,পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাতের সাথে আদায়ে করুন মহিলা হলে আউয়াল ওয়াক্তে সালাতে পড়ে নিবেন।

সকাল সন্ধ্যার আজকার গুলো করুন। বেশি বেশি দোয়ার এহতেমাম করুন। এবং রাক্কির গাইডলাইন মেনে চলুন ইনশাআল্লাহ যাদু নষ্ট হয়ে যাবে। বি-ইযনিল্লাহ

অভিজ্ঞ রাক্কিদের পরামর্শ ব্যতীত রুকইয়াহ্ না করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এতে সমস্যা আরো জটিল আকার ধারণ করতে পারে অজ্ঞতার কারণে।

সরাসরি রুকইয়াহ করতে চাইলে ইনবক্সে এ মেসেজ দিন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ নক করুন।

এপ্যায়েন্টমেন্ট নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুন।
01981-681952

Healing Nobabi Sunnah

যাদের জ্বীনের সমস্যা আছে তার জ্বীন কে শরীর থেকে বের করে দিতে এই আয়াত গুলো উভয় হাত কে মাথায় চেপে ধরে প্রায় প্রতিদিন কমসে ...
13/01/2026

যাদের জ্বীনের সমস্যা আছে তার জ্বীন কে শরীর থেকে বের করে দিতে এই আয়াত গুলো উভয় হাত কে মাথায় চেপে ধরে প্রায় প্রতিদিন কমসে কম ২৫/৩০ মিনিট করে পড়ুন,যদি জ্বীন বের না হয়ে অথবা খুব বেশি অস্থির বা অসুস্থ হয়ে পড়েন তাহলে অবশ্যই রাক্বি দ্বারা চিকিৎসা করতে হবে।

কয়েক বার আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ে শুরু করুন।

১] দুরুদ শরিফ.

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلىٰ مُحَمَّدٍ، وَعَلىٰ آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيْمَ، وَعَلىٰ آلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ، اللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلىٰ مُحَمَّدٍ وَّعَلىٰ آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلىٰ إِبْرَاهِيْمَ وَعَلىٰ آلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْد

২] সুরা ফাতেহা.
أَعُوذُ بِاللّٰهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعٰلَمِیْنَ ﴿۱﴾ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ﴿۲﴾ مٰلِكِ یَوْمِ الدِّیْنِ ﴿۳﴾ اِیَّاكَ نَعْبُدُ وَ اِیَّاكَ نَسْتَعِیْنُ ﴿۴﴾ اِهْدِ نَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِیْمَ ﴿۵﴾ صِرَاطَ الَّذِیْنَ اَنْعَمْتَ عَلَیْهِمْ۬ۙ غَیْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَیْهِمْ وَلَا الضَّآ لِّیْنَ ﴿

এবং সূরা ফাতেহা এই অংশটি বেশী বেশী পাঠ করুন.
اِيَّا كَ نَعْبُدُ وَاِ يَّا كَ نَسْتَعِيْنُ

৩] সূরা বাকারাহ'র ১৪৮ নং আয়াত.

وَ لِکُلٍّ وِّجۡہَۃٌ ہُوَ مُوَلِّیۡہَا فَاسۡتَبِقُوا الۡخَیۡرٰتِ ؕ؃ اَیۡنَ مَا تَکُوۡنُوۡا یَاۡتِ بِکُمُ اللّٰہُ جَمِیۡعًا ؕ اِنَّ اللّٰہَ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ قَدِیۡرٌ ﴿۱۴۸﴾

সুরা বাকারাহ'র -১৪৮ এইখান টা বেশী বেশী পড়ুন.
اَيْنَ مَا تَكُوْنُوْا يَأْتِ بِكُمُ اللّٰهُ جَمِيْعًا

৪] সূরা বাকারাহ'র ৩৯ নং আয়াত.

وَا لَّذِيْنَ كَفَرُوْا وَكَذَّبُوْا بِـاٰيٰتِنَاۤ اُولٰٓئِكَ اَصْحٰبُ النَّا ر ۚ هُمْ فِيْهَا خٰلِدُون
সুরা বাকারাহ'র -৩৯ এইখান টা বেশী বেশী পড়ুন.
اُولٰٓئِكَ اَصْحٰبُ النَّا ر

৫] সূরা বাকারাহ'র ১৬৫ নং আয়াত.

وَمِنَ النَّا سِ مَنْ يَّتَّخِذُ مِنْ دُوْنِ اللّٰهِ اَنْدَا دًا يُّحِبُّوْنَهُمْ كَحُبِّ اللّٰهِ ۗ وَا لَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اَشَدُّ حُبًّا لِّـلّٰهِ ۗ وَلَوْ يَرَى الَّذِيْنَ ظَلَمُوْۤا اِذْ يَرَوْنَ الْعَذَا بَ ۙ اَنَّ الْقُوَّةَ لِلّٰهِ جَمِيْعًا ۙ وَّاَنَّ اللّٰهَ شَدِيْدُ الْعَذَا بِ
সুরা বাকারাহ'র -১৬৫ এইখান টা বেশী বেশী পড়ুন.
وَا لَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اَشَدُّ حُبًّا لِّـلّٰهِ
এবং এটাও পড়ুন একাধিক বার.
اَنَّ الْقُوَّةَ لِلّٰهِ جَمِيْعًا

৬] সূরা বাকারাহ'র ২৫৫ নং আয়াত.

اللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ الْحَـيُّ الْقَيُّوْمُ ۚ لَا تَأْخُذُهٗ سِنَةٌ وَّلَا نَوْمٌ ۗ لَهٗ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَمَا فِى الْاَ رْضِ ۗ مَنْ ذَا الَّذِيْ يَشْفَعُ عِنْدَهٗۤ اِلَّا بِاِ ذْنِهٖ ۗ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ اَيْدِيْهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۚ وَلَا يُحِيْطُوْنَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهٖۤ اِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمٰوٰتِ وَا لْاَ رْضَ ۚ وَلَا يَــئُوْدُهٗ حِفْظُهُمَا ۚ وَ هُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيْمُ
সুরা বাকারাহ'র ২৫৫ এইখান টা বেশী বেশী পড়ুন.
وَلَا يَــئُوْدُهٗ حِفْظُهُمَا ۚ وَ هُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيْمُ

৭] সূরা বাকারাহ'র ২৫৭ নং আয়াত.

اَللّٰهُ وَلِيُّ الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا يُخْرِجُهُمْ مِّنَ الظُّلُمٰتِ اِلَى النُّوْرِ ۗ وَا لَّذِيْنَ كَفَرُوْۤا اَوْلِيٰۤــئُهُمُ الطَّا غُوْتُ ۙ يُخْرِجُوْنَهُمْ مِّنَ النُّوْرِ اِلَى الظُّلُمٰتِ ۗ اُولٰٓئِكَ اَصْحٰبُ النَّا رِ ۚ هُمْ فِيْهَا خٰلِدُوْنَ

৮] সূরা হিজর ৩৪ নং আয়াত.
قَا لَ فَا خْرُجْ مِنْهَا فَاِ نَّكَ رَجِيْمٌ

৯] সূরা হিজর ৩৫ নং আয়াত.
وَّاِنَّ عَلَيْكَ اللَّعْنَةَ اِلٰى يَوْمِ الدِّيْنِ
"বিচার দিবস পর্যন্ত তোমার উপর থাকল লা‘নত।’"

১০] সূরা আত তারিক ৭ নং আয়াত.

يَّخْرُجُ مِنْۢ بَيْنِ الصُّلْبِ وَا لتَّرَآئِبِ
"যা বের হয় শিরদাঁড়া ও পাঁজরের মাঝখান থেকে।"

১১] সূরা ইব্রাহিম ১৩ নং আয়াত.
لَـنُخْرِجَنَّكُمْ مِّنْ اَرْضِنَاۤ
‘আমরা তোমাদেরকে আমাদের দেশ থেকে অবশ্য অবশ্যই বের করে দেব।

১২] ইব্রাহিম ৫ নং আয়াত.

وَلَـقَدْ اَرْسَلْنَا مُوْسٰى بِاٰ يٰتِنَاۤ اَنْ اَخْرِجْ قَوْمَكَ مِنَ الظُّلُمٰتِ اِلَى النُّوْرِ ۙ
"আর অবশ্যই আমি মূসাকে আমার নিদর্শনসমূহ দিয়ে পাঠিয়েছিলাম আর বলেছিলাম, তোমার জাতিকে অন্ধকার থেকে আলোতে বের করে আন।

১৩] সূরা আরায ১৮ নং আয়াত.

قَا لَ اخْرُجْ مِنْهَا مَذْءُوْمًا مَّدْحُوْرًا ۗ لَمَنْ تَبِعَكَ مِنْهُمْ لَاَ مْلَــٴَــنَّ جَهَنَّمَ مِنْكُمْ اَجْمَعِيْنَ
তিনি বললেন,ধিকৃত আর বিতাড়িত হয়ে এখান থেকে বেরিয়ে যা,তাদের মধ্যে যারা তোকে মান্য করবে তোমাদের সবাইকে দিয়ে আমি অবশ্যই জাহান্নাম ভর্তি করব।

১৪] সূরা কাসাস ২০ নং আয়াত.

‎ فَا خْرُجْ اِنِّيْ لَـكَ مِنَ النّٰصِحِيْن

১৫] সূরা আরাফ ১৩ নং আয়াত.

قَا لَ فَاهْبِطْ مِنْهَا فَمَا يَكُوْنُ لَـكَ اَنْ تَتَكَبَّرَ فِيْهَا فَا خْرُجْ اِنَّكَ مِنَ الصّٰغِرِيْنَ

১৬] সূরা আরাফ ২৫ নং আয়াত.

قَا لَ فِيْهَا تَحْيَوْنَ وَفِيْهَا تَمُوْتُوْنَ وَمِنْهَا تُخْرَجُوْنَ

১৭] সূরা ইখলাস.
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
قُلْ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ ﴿۱﴾ اللّٰهُ الصَّمَدُ ﴿۲﴾ لَمْ یَلِدْ ۙوَ لَمْ یُوْلَدْ ﴿۳﴾ وَ لَمْ یَكُنْ لَّہٗ كُفُوًا اَحَدٌ ﴿۴

১৮] সুরা ফালাক.
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ﴿۱﴾ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿۲﴾ وَ مِنْ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَ ﴿۳﴾ وَ مِنْ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِی الْعُقَدِ ﴿۴﴾ وَ مِنْ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ﴿۵

১৯] সুরা নাস.
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ﴿۱﴾ مَلِكِ النَّاسِ ﴿۲﴾ اِلٰهِ النَّاسِ ﴿۳﴾ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ ۙالْخَنَّاسِ ﴿۴﴾ الَّذِیْ یُوَسْوِسُ فِیْ صُدُوْرِ النَّاسِ ﴿۵﴾ مِنَ الْجِنَّةِ وَ النَّاسِ ﴿۶

অধিক পরিমাণে এই আয়াত গুলো পাঠ করুন।
আয়াত গুলো পড়ার সময় যদি আপনার শরিরে শয়তান কনট্রোল নিতে চায় তাহলে পড়া বন্ধ করে দিন। দ্রুত রাক্কি শরণাপন্ন হয়ে আপনার সমস্যার আপডেট গুলো জানান।

রাক্কি বা অভিজ্ঞদের পরামর্শ ব্যতীত রুকইয়াহ্ না করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এতে সমস্যা আরো জটিল আকার ধারণ করতে পারে অজ্ঞতার কারণে।

আমাদের কাছে সরাসরি রুকইয়াহ করতে চাইলে ইনবক্সে এ মেসেজ দিন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ নক করতে পারেন।

এপ্যায়েন্টমেন্ট নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুন।
☎️ 01981-681952 WhatsApp

Healing Nobabi Sunnah

জাদু ব্যাপারটা কতটা ভয়ানক এটি তার আরেকটি নমুনা। জাদুর এই জিনিসগুলি একটি কবরস্থান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। জাদুর শিকার একটি...
13/01/2026

জাদু ব্যাপারটা কতটা ভয়ানক এটি তার আরেকটি নমুনা। জাদুর এই জিনিসগুলি একটি কবরস্থান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। জাদুর শিকার একটি পরিবার। যেটা বুঝা গেছে সেটি হল, সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করা ছবি প্রিন্ট করে তার উপর জাদু করা হয়েছে। যারা জাদুর সিম্বল নিয়ে ধারণা রাখেন তারা স্পস্ট বুঝতে পারবেন এখানে বিচ্ছেদ, ঘৃণা শব্দগুলি উল্লেখ করা হয়েছে ।সাথে জিনও চালান দেওয়া হয়েছে। যার ফলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রাগারাগি, ঝগড়াঝাটি, বিদ্বেষ, ঘৃণা এসব লেগেই থাকে। সাথে অন্যান্য শারিরিক,মানসিক সমস্যা তো আছেই বোনাস হিসেবে। পরিবারে এরকম বিষয় ঘটলে যারা হেলাফেলা করেন এটি তাঁদের জন্য এক ধরণের সতর্কবার্তা। যারা বিভিন্ন জায়গায় ছবি শেয়ার করে বেড়ান তাঁদের জন্যও একটি সতর্কবার্তা। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন,আমিন!
(ফিতনা যেন না ছড়ায় এজন্য ছবির কিছু অংশ মুছে দেওয়া হল)

©

আপনি আপনার বাসার মধ্যে হঠাৎ করে পঁচা  দুর্গন্ধ ঘ্রাণ অনুভব করেন?? আপনি আপনার বাসার আশপাশে এমন কিছু পঁচা গন্ধ পান যেটা কখ...
07/01/2026

আপনি আপনার বাসার মধ্যে হঠাৎ করে পঁচা দুর্গন্ধ ঘ্রাণ অনুভব করেন?? আপনি আপনার বাসার আশপাশে এমন কিছু পঁচা গন্ধ পান যেটা কখনোই আপনার জানা ছিলো না??

দুর্গন্ধযুক্ত যাদু আমাদের শরিরের কি প্রভাব বিস্তার করে?

মাথা, কপাল এবং সাইনাসের অংশে এই জাদু পরিবেশন করে...নাকে কিছু একটা অনুভব করা। কানের অভ্যন্তরে প্রচণ্ড মাথাব্যথা, তারপর চোখ এবং গলার চুলকানি। মেজাজ খিটখিটে অনিদ্রা, সন্দেহ, অস্থিরতা অমনোযোগের অভাব দেখা দেয়। যাকে বলা হয় পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার। উদ্বেগজনিত সমস্যায় মেজাজ খারাপ থাকে।পারিবারিক অশান্তি সৃষ্টি ও স্বামী স্ত্রী বিচ্ছেদ এবং কি আ-ত্মহ-ত্যার চেষ্টা করা। চোখের চুলকানি অতিরিক্ত হতে পারে দুর্গন্ধযুক্ত যাদু প্রভাবে। এ যাদু পুরুষের বন্ধ্যাত্ব ও মহিলা বন্ধ্যাত্ব উভয়ের সমস্যা সৃষ্টি হয় ফলে বাচ্চা হয় না। এ রোগী কখনো বাচ্চা হয়নি আমার চোখে পড়েনি আল্লাহ চাইলে হবে।

এ যাদু কেন করা হয়:
যাদুটা আসলে কেউ কন্ট্রোল নিতে চাইছে খুব নিকটতম মানুষ যেমন বউ হতে পারে শাশুড়ী হতে পারে বা আপন কেউ হতে পারে কারন এ যাদুটা সরাসরি খাদ্য ও ঘ্রাণ নাকের সামনে নিতে হয় এটা কাছের মানুষ ছাড়া সম্ভব নয়। এরা ভালোর জন্য করে উলটা কাজ করা শুরু করে আল্লাহু আলাম।

যাদুর রোগী ভালো হয় কি?
সোজাসাপ্টা এ এ যাদু অনেক ভুক্তভোগী আছে তারা জানে দীর্ঘ সময় রুকইয়াহ করতে হয়। কখনো কোন রাক্বী আয়ুর্বেদ ভেষজ চিকিৎসা ও পাশাপাশি এ বিষয় অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

যাদুর চিকিৎসা ও করনীয়?
প্রথমে চিকিৎসা আইনি হাসাদ রকইয়াহ করা যাদুর খাদেম কে তাড়ানো সরাসরি রুকইয়াহ মাধ্যমে।

সুরা বাকারাহ' সম্পন্ন পড়ুন ও পানি তৈরি করুন পড়া পানি থাকা জরুরী। ঘুসল করা ও বাড়িতে স্প্রে করা প্রতিদিন ৩- বার।

সুরা বাকারা সকাল- সন্ধ্যা কিছু সময় পড়ুন।
সুগন্ধি যুক্ত আতর কড়া আতর আয়াতুল সিহর পড়ে ব্যাবহার করুন। মাসনুন আমল ও ফরজ ইবাদত গুলো যত্নের সাথে করা।

প্রয়োজনেঃ
একজন রাক্বীর সাথে পরামর্শ করা ও চিকিৎসা নেওয়া জরুরী। কারন কোন এক সময় রোগী পাগল হয়ে যাবে। মাথা কেন্দ্রীক যাদু এ সমস্যা সৃষ্টি করে। সেশনের ১-২ বারের মধ্যে জ্বীন কন্ট্রোল নিতে পারে উপস্থিত রাক্বি এটা কন্ট্রোল করে বাকি সাজেশন দিবেন ইনশাআল্লাহ।

Healing Nobabi Sunnah

নবজাতক শিশুর জন্য ‘তাহনিক’ করানো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রিয় সুন্নাহ—যা রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে পালন করেছেন এবং সাহাবায়ে কেরামও...
06/01/2026

নবজাতক শিশুর জন্য ‘তাহনিক’ করানো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রিয় সুন্নাহ—যা রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে পালন করেছেন এবং সাহাবায়ে কেরামও তা অনুসরণ করেছেন।

তাহনিকের পদ্ধতি হলো—সাধারণত কোনো নেককার ব্যক্তি বা বাবা–মা খেজুর বা অন্য কোনো মিষ্টি খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে নরম করেন। এরপর শিশুর মুখে, বিশেষত নরম তালুর ওপর বা গালের ভেতরের দিকে, খুব আলতোভাবে তা ঘষে দেন—যাতে অল্প অংশ শিশুর পেটে পৌঁছে যায়।

তাহনিক শুধু একটি বাহ্যিক কাজ নয়; বরং এটি শিশুর জন্য বরকতের দোয়া, সুস্থতা ও কল্যাণের আশা, উত্তম স্বভাব ও সুন্দর চরিত্র গঠনের কামনা। এর মাধ্যমে শিশুর জীবনের শুরুতেই আল্লাহর নেক বান্দাদের সঙ্গে এক আত্মিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।

হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ. খুব সহজ ও গভীর একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি বুঝাতেন। তিনি বলতেন—যদি কেউ সকালে পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা ভাত খায়, তাহলে দুপুরে ঢেকুর তুললেও তার গন্ধ বের হয়। ঠিক তেমনি, কোনো নবজাতকের পেটে যদি কোনো আল্লাহওয়ালার মুখের চিবানো মিষ্টান্ন যায়, তাহলে সে যখন যুবক কিংবা যুবতী হবে, তার স্বভাব ও চরিত্র থেকেও সেই আল্লাহওয়ালার ঘ্রাণ বের হবে।

মূলত এটি শুধু একটি সুন্নাহ নয়; বরং একটি প্রজন্মকে ঈমানি ঘ্রাণে গড়ে তোলার সূক্ষ্ম অথচ গভীর ব্যবস্থা।

-উমায়ের কোব্বাদি হাফি.

দীর্ঘদিন ধরে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের চিকিৎসা গ্রহণ করার পরও যদি কোনো রোগ থেকে মুক্তি না পাওয়া যায়, তাহলে একজন মুমিনের জন্য ...
05/01/2026

দীর্ঘদিন ধরে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের চিকিৎসা গ্রহণ করার পরও যদি কোনো রোগ থেকে মুক্তি না পাওয়া যায়, তাহলে একজন মুমিনের জন্য শরয়ি চিকিৎসার দরজাও খোলা রয়েছে—যার অন্যতম হলো রুকইয়াহ শারইয়াহ।

রুকইয়াহ কোনো কুসংস্কার নয়; বরং এটি কুরআন, সহীহ দোয়া ও সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি, যা রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে করেছেন এবং সাহাবায়ে কেরামকে করতে উৎসাহ দিয়েছেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন—
তোমরা রুকইয়াহ করো, যতক্ষণ তা শির্কমুক্ত হয়।(সহীহ মুসলিমঃ 2200)

অনেক সময় কিছু রোগের পেছনে শারীরিক কারণের পাশাপাশি জ্বিনের আছর, যাদু, বদনজর (আইন) বা হাসাদ জড়িত থাকতে পারে—যা সাধারণ মেডিকেল পরীক্ষায় ধরা পড়ে না।

বিশেষ করে নিচের লক্ষণগুলো যদি নিয়মিত দেখা যায়—

১/-
অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদি পেটব্যথা। শরীরে জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি। বছরের পর বছর মাথাব্যথা।

২/-
একের পর এক রোগ লেগেই থাকা। ধীরে ধীরে অস্বাভাবিকভাবে শুকিয়ে যাওয়া। নামাজ, তিলাওয়াত ও ইবাদতে মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা। একাকীত্ব পছন্দ করা।

৩/-
আলোহীন, বদ্ধ ঘরে থাকতে ভালো লাগা। মানুষের সাথে মিশতে অসহ্য লাগা। পড়তে বসলেই মাথাব্যথা শুরু হওয়া। সব কাজ করা গেলেও পেশা বা রিজিক-সংক্রান্ত কাজে গেলে অসুস্থ বা দুর্বল হয়ে পড়া।

বিশেষভাবে বোনদের ক্ষেত্রে—

১/-
সবকিছু ঠিক থাকার পরও বারবার বিয়ের প্রস্তাব ভেঙে যাওয়া। নামাজ বন্ধের সময় অতিরিক্ত ব্লিডিং বা তীব্র ব্যথা।

২/-
সঠিক চিকিৎসা নেওয়ার পরও অস্বাভাবিক চুল পড়া। কোনো এলার্জি না থাকা সত্ত্বেও শরীরের এমন জায়গায় আঁচড়ের দাগ দেখা, যেখানে হাত পৌঁছায় না। ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরে অতিরিক্ত ব্যথা অনুভব হওয়া।

উপরোক্ত লক্ষণগুলো যদি আপনার মাঝে বারবার দেখা যায়, তাহলে বিশ্বাস, ভরসা ও ধৈর্য নিয়ে একজন বিশ্বস্ত, অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ রাকীর মাধ্যমে রুকইয়াহ চিকিৎসা শুরু করা উচিত।

রাসূলুল্লাহ ﷺ আরও বলেন—
যে ব্যক্তি ফাতিহা দ্বারা রুকইয়াহ করল, সে যেন সঠিকভাবেই করেছে। (সহীহ বুখারিঃ 5736)

মনে রাখবেন, শিফা একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। রুকইয়াহ হলো সেই শিফা পাওয়ার একটি সুন্নাহসম্মত মাধ্যম। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সব ধরনের রোগ, যাদু, বদনজর ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন।
আমিন।

Healing Nobabi Sunnah

মা ও সন্তানের মাঝে বিচ্ছেদ বা অস্বাভাবিক দূরত্ব সৃষ্টি হলে যে লক্ষণগুলো দেখা যায়—১। একে অপরের প্রতি অস্বাভাবিক ও অতিরিক...
04/01/2026

মা ও সন্তানের মাঝে বিচ্ছেদ বা অস্বাভাবিক দূরত্ব সৃষ্টি হলে যে লক্ষণগুলো দেখা যায়—

১। একে অপরের প্রতি অস্বাভাবিক ও অতিরিক্ত বিদ্বেষ পোষণ করা।
২। একে অপরের স্বাভাবিক ও সাধারণ কথাবার্তায় অতিরিক্ত রেগে যাওয়া এবং সহ্য করতে না পারা।
৩। মা ও সন্তানের মাঝে স্বাভাবিকভাবে যে সৃষ্টিগত ভালোবাসা, মায়া ও মহব্বত থাকার কথা—তা অনুপস্থিত থাকা।

যেমন:
মা সন্তানের প্রতি মায়া-মহব্বত অনুভব না করা, অথবা সন্তানের ক্ষেত্রেও মায়ের প্রতি ভালোবাসা কমে যাওয়া।

৪। ভালোবাসা ও স্নেহের সম্পর্ক ধীরে ধীরে ঝগড়া, বিরোধ ও বৈরিতায় পরিণত হওয়া। এ ধরনের আরও অসংখ্য লক্ষণ থাকতে পারে। এখানে সংক্ষেপে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ উল্লেখ করা হলো।

Healing Nobabi Sunnah

দীর্ঘদিন চেষ্টার পরেও যাদের সন্তান হয়না,তাদের জন্য এই আমল গুলোঃوَزَكَرِيَّآ إِذْ نَادٰى رَبَّهُۥ رَبِّ لَا تَذَرْنِى فَ...
03/01/2026

দীর্ঘদিন চেষ্টার পরেও যাদের সন্তান হয়না,তাদের জন্য এই আমল গুলোঃ

وَزَكَرِيَّآ إِذْ نَادٰى رَبَّهُۥ رَبِّ لَا تَذَرْنِى فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوٰرِثِينَ📖

অর্থঃ এবং যাকারিয়ার কথা স্মরণ করুন, যখন সে তার পালনকর্তাকে আহবান করেছিল; হে আমার পালনকর্তা আমাকে একা রেখো না। তুমি তো উত্তম ওয়ারিস। [আল আম্বিয়াঃ আয়াত নং ৮৯]

رَبِّ هَبْ لِىْ مِنَ الصّٰلِحِيْنَ📖

উচ্চারণঃ ‘রব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন’
অনুবাদঃ
হে আমার রব! আমাকে সৎ, কর্মপরায়ণ সন্তান দান করুন। (সূরাঃ আস-সাফফাত,আয়াতঃ ১০০)

هُنَالِكَ دَعَا زَكَرِيَّا رَبَّهٗ‌ ‌ۚ قَالَ رَبِّ هَبْ لِىْ مِنْ لَّدُنْكَ ذُرِّيَّةً📖 طَيِّبَةً‌ ‌ ۚ اِنَّكَ سَمِيْعُ الدُّعَآءِ

উচ্চারণঃ ‘রব্বি হাবলি মিল্লাদুনকা জুররিয়্যাতান ত্বয়্যিবাতান, ইন্নাকা সামিউদ দোয়া’

অর্থঃ হে আমার রব! আমাকে আপনার পক্ষ থেকে উত্তম সন্তান দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি প্রার্থনা শ্রবণকারী (সূরাঃ আল-ইমরান আয়াত নং ৩৮)

وَالَّذِيْنَ يَقُوْلُوْنَ رَبَّنَا هَبْ لَـنَا مِنْ اَزْوَاجِنَا وَذُرِّيّٰتِنَا قُرَّةَ📖 اَعْيُنٍ وَّاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِيْنَ اِمَامًا

উচ্চারণঃ রব্বানা-হাবলানা-মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররতা আ’ইউনিউ ওজা আলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা।

অর্থঃ হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান কর, যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয় আর আমাদের মুত্তাকিদের নেতা বানিয়ে দাও (সূরাঃ ফুরকান,আয়াত নং ৭৪)

উপরোল্লিখিত আয়াতগুলো স্বামী ও স্ত্রী উভয়ে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর নিয়মিতভাবে টানা তিন মাস পাঠ করবেন। পাশাপাশি আল্লাহ তায়ালার কাছে সবসময় দোয়া করবেন। ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ তায়ালা আপনাদের নেক্কার ও পরহেজগার সন্তান দান করবেন।

তবে এই দোয়া কবুল হওয়ার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে—

স্বামী ও স্ত্রী উভয়কেই নেক্কার ও পরহেজগার হতে হবে। কোনো প্রকার হারাম কাজ করা যাবে না, হারাম খাবার গ্রহণ করা যাবে না এবং হারাম মিউজিক শোনা থেকে বিরত থাকতে হবে। উভয়কে পর্দা মেনে চলতে হবে। স্বামী যথাসম্ভব মসজিদে জামাতের সঙ্গে সালাত আদায় করবেন। এমন কোনো কাজ করা যাবে না যা আল্লাহ তায়ালার হুকুম ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহর পরিপন্থী।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে কবুল করুন। আমিন।

সদাকায় জারিয়ার নিয়াতে পোস্ট শেয়ার করে দিন।

Healing Nobabi Sunnah

Address

KhilKhet Dhaka
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Healing Nobabi Sunnah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram