আমরা হোমিও প্যাথিক ডাক্তার

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • আমরা হোমিও প্যাথিক ডাক্তার

আমরা হোমিও প্যাথিক ডাক্তার Assalamualikum
Welcome to Amra Homeopathic doctor page.we give all kinds of physical treatment through online and Spot.We send the medicine by courier.

আসসালামু আলাইকুম ডেঙ্গু প্রতিরোধক হোমিওপ্যাথি মেডিসিন (ইমিউনিটি বুস্টার) হিসেবে হোমিও ঔষধ গ্রহণ করতে পারি। যা শরীরের রোগ...
25/07/2023

আসসালামু আলাইকুম
ডেঙ্গু প্রতিরোধক হোমিওপ্যাথি মেডিসিন (ইমিউনিটি বুস্টার) হিসেবে হোমিও ঔষধ গ্রহণ করতে পারি। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যে কোন লক্ষণ ব্যতীত আপনি এই ঔষধ গ্রহণ করতে পারেন।

আপনারা চাইলেও সেবন করতে পারেন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী। প্রয়োজনে ফোন অথবা মেসেজ করুন।

ইসলামিক হোমিও চিকিৎসালয়
মোবাইলঃ ০১৭৩৩০৯৫৮৫৯

শিশু, নারী পুরুষ অনেকেই এ রোগে আক্রান্ত হয়। এটা এক ধরনের চর্মরোগ। প্রাথমিক উপসর্গ চুলাকনো ও লালচে দাগ।চুলকাইতে খুব আরাম...
23/10/2021

শিশু, নারী পুরুষ অনেকেই এ রোগে আক্রান্ত হয়। এটা এক ধরনের চর্মরোগ। প্রাথমিক উপসর্গ চুলাকনো ও লালচে দাগ।চুলকাইতে খুব আরাম বোধ হয়, কিন্তু পরবর্তীতে পানি বের হয়এবং জ্বলে। এই রোগটি অনেক যন্ত্রণাদায়ক।

#দাঁদ কি?
ছত্রাক জনিত ত্বকের রোগ।ডার্মাটোফাইট নামক ছত্রাকের সংক্রমণে দাঁদ হয় ।একে দাউদ, রিং ওয়ার্ম (Ring warm)এবং মেডিকেল ভাষায় টিনিয়া (Tinea) বলা হয়।

#লক্ষণসমূহ:
আক্রান্ত স্থানে প্রথমে ছোট ছোট লাল গোটা দেখা যায় এবং সামান্য চুলকায়।আস্তে আস্তে আক্রান্ত স্থানে বাদামী বর্নের ফুসকুড়ি দেখা যায় এবং স্থানটি বৃত্তাকার (গোলাকার চাকার ন্যায়) ধারণ করে যার কিনারাগুলো সামান্য উঁচু হয়।দিনদিন চাকার আকৃতি বাড়তে থাকে আর কেন্দ্রের বা মাঝখানের দিকে চামড়া উঠতে থাকে। কখনো কখনো পানি বা পূজ ভর্তি দেখা যায়। ক্ষতস্থান অত্যন্ত চুলকায়।

# কোথায় হয়:
চামড়ার যে জায়গায় সংক্রমণ হয় সেই জায়গার নামানুসারে দাঁদের নামকরণ করা হয়।
উদাহরণস্বরূপ :
(১).টিনিয়া কর্পোরিস: শরীরের যেকোনো জায়গায় ছত্রাকের সংক্রমণ হতে থাকে সাধারণত টিনিয়া কর্পোরিস বলা হয়।
(২).টিনিয়া ক্যাপিটিস: মাথার তালুতে ছত্রাক সংক্রমণ।
(৩).টিনিয়া ক্রুরিস: কুঁচকিতে ছত্রাকের সংক্রমণ।
(৪).টিনিয়া আঙ্গুইয়াম: নখের ছত্রাক সংক্রমণ।
(৫).টিনিয়া ম্যানুম:হাতের ছত্রাক সংক্রমণ।
(৬).টিনিয়া পেডিস(অ্যাথলেটস ফুট):পায়েল ছত্রাক সংক্রমণ।

দাঁদ বা রিং ওয়ার্ম এর কারণ:
(এক).সাধারণত ভেজা,স্যাঁতস্যাঁতেও আদ্র জায়গা ও আবহাওয়াতে,যেখানে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস পৌঁছায় না, এ ধরনের জায়গায় ছত্রাক জন্ম নেয়।

(দুই).একই কাপড় না ধুয়ে দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে নোংরা,অপরিষ্কার কাপড়-চোপড় পরিধান করলে

(তিন). আক্রান্ত রোগীর জামা-কাপড়, গামছা ,তোয়ালে,চিরুনি ইত্যাদি ব্যবহার হয়ে দাঁদ হয়ে থাকে।
(চার). আঁটসাট কাপড়-চোপড় ও আঁটসাট অন্তর্বাস ব্যবহার করলে

(পাঁচ).পায়ের পুরোনো মৌজা দ্বারা সংক্রমণ হতে পারে।

(ছয়).যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম,তারা সহজেই আক্রান্ত হতে পারেন ।

(সাত).যারা বেশি ঘামেন।

(আট). পোষ্য প্রাণী থেকে ছড়াতে পারে।

#রোগ নির্ণয়ঃ সাধারণত লক্ষণ দেখেই রোগ নির্ণয় করা যায় ।তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্কিন স্ক্রাপিং এবং অন্যান্য টেস্ট করার প্রয়োজন হতে পারে।

#চিকিৎসা
দাঁদ অত্যন্ত ছোঁয়াচে একটি রোগ। দ্রুত এর চিকিৎসা শুরু না করলে পরিবারের অন্য সদস্যরা ও সংক্রমিত হতে পারে।তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে এবং রিইনিফেকেশন না হতে পারে।
সাধারণত এন্টিফাঙ্গাল ক্রিম, মলম ,অয়েন্টমেন্ট, সেম্পু,সলিউশন লাগালে দুই থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে সংক্রমণের নিরাময় হয় ।কিন্তু সংক্রমণ দেহের অনেক জায়গায় ছড়িয়ে পড়লে এবং নখের সংক্রমণের ক্ষেত্রে খাবার anti-fungal ঔষধ খেতে হয় ক্ষেত্র বিশেষে এক থেকে তিন মাস পর্যন্ত
মাথার তালুর দাঁদের চিকিৎসার জন্য ঔষধ খাওয়ার সাথে সাথে সেলেনিয়াম সালফাইড/ 2% কিটোকোনাজল মিশ্রিত এন্টিফাঙ্গাল শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হয়।
ফাংগাল ঔষধ সেবনের আগে লিভারের কোন সমস্যা আছে কিনা তা পরীক্ষা করে নিতে হয়। চিকিৎসা শুরু আগে তিন চার মাসের মধ্যে জন্ডিস হওয়ার ইতিহাস থাকলে তা ডাক্তার কে জানাতে হবে।

#প্রতিরোধ:-
জীবন ধারা বা লাইফ স্টাইলের পরিবর্তনের মাধ্যমে দাঁদ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।স্বাস্থ্যকর কিছু অভ্যাস এবং দৈনন্দিন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে দাঁদ সংক্রমণ রোধ করা যায়:

এক).আক্রান্ত স্থান শুকনা রাখুন।

দুই). পরিস্কার ঢিলেঢালা এবং শুষ্ক কাপড় (বিশেষত সুতি কাপড় )এবং অন্তবাস পড়িধান করুন।

তিন).ব্যক্তিগত ব্যবহার্য জিনিসপত্র অন্যকে ব্যবহার করতে দিবেন না,অন্যর ব্যবহার্য জিনিসপত্র ও ব্যবহার করবেন না।

চার).আক্রান্ত স্থানে তেল, ক্রিম, লোশন ,কসমেটিক সাবান ইত্যাদি ব্যবহার পরিহার করুন ।

পাঁচ).আক্রান্ত স্থান স্পর্শ করার পর সাবান-পানি দিয়ে হাত ধুয়ে নিন,যাতে সংক্রমণ দেহের অন্যত্র না ছড়ায়।

ছয়).সংক্রমনের জায়গাটা যতটা সম্ভব খোলা রাখতে হবে।

সাত).প্রতিদিনের পরিহিত কাপড় চোপড় গেঞ্জি,মোজা,আন্ডারওয়্যার প্রতিদিন ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

আট).আক্রান্ত স্থান কুসুম গরম পানি ও ভালো অ্যান্টিসেপটিক সাবান দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে,শুকিয়ে ওষুধ ব্যবহার করতে হবে ।
নয়).পোষ্য-প্রাণীর সংস্পর্শে আসার পর হাত ধুয়ে ফেলুন

দশ). নিয়মিত ব্যায়াম করুন এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন।
ডাঃ মো তাসরিন হোসেন
ইসলামিক হোমিও চিকিৎসালয়
কালাচাঁদপুর, গুলশান ঢাকা

অনিয়মিত ঋতুসাব্রের কার্যকরী হোমিও ঔষধঃঅশোকা (জনোসিয়া অশোকা)Jonosia Asoka🍎 Ashoka এর বৈজ্ঞানিক নাম Saraca indica Linn। এট...
31/03/2020

অনিয়মিত ঋতুসাব্রের কার্যকরী হোমিও ঔষধঃ
অশোকা (জনোসিয়া অশোকা)
Jonosia Asoka

🍎 Ashoka এর বৈজ্ঞানিক নাম Saraca indica Linn। এটি Caesalpiniaceae পরিবারের অন্তভূক্ত। আশোক অসংখ্য শাখাবিশিষ্ট ছায়াতরু অশোক ফুলের গাছের দৈর্ঘ্য ২৫ থেকে ৩০ ফুটের মত হয়ে থাকে। এর পাতা কচি অবস্থায় তাম্রবর্ণ থাকে পরিণতিতে সবুজ। পাতা লম্বা ধরনের এবং তাতে ৫-৬ জোড়া পাতা থাকে। এর শুঁটি বেশ লম্বা ও চওড়া ২ ইঞ্চির মত।জুন-জুলাই মাসে এই গাছের ফল পাকে।

রাসায়নিক উপাদান :-ছালে প্রচুর পরিমান ট্যানিন, হিমাটক্সাইলিন ও খনিজদ্রব্য বিদ্যমান। এছাড়াও এতে কিটোস্টেরল এবং স্যাপোনিন বিদ্যমান।

উপকারিতা :-১। অশোক ছাল থেঁতো করে সেটি সিদ্ধ করে এই পানি খেলে ঋতুর গোলযোগে ভালো ফল পাওয়া যায়।

২। যাদের অল্প অল্প প্রসাব হয় এবং বারবার প্রসাব হয় এবং প্রসাবের জ্বালা থাকে তারা যদি অশোক বীজ ঠান্ডা পানি দিয়ে বেটে খায় তাহলে প্রসাবের রোগ ভালো হয়।

৩। যাদের গর্ভপাত হয়, তারা গর্ভাবস্হায় রোধে অশোক ছালের ক্বাথ খেলে গর্ভ ঠিক হয়।
ভারতীয় আয়ুর্বেদে ইহা প্রাচীন কাল হইতে প্রচলিত ঔষধ।

🍏হোমিওপ্যাথিতে অশোকার ব্যবহার:-
ডাঃ ডি এন রায় প্রথম ইহাকে হোমিওপ্যাথিতে নিয়া আসেন। স্ত্রীজননেন্দ্রীয়র উপর বিস্তৃত ক্রিয়া । স্বল্পঋতু ও প্রচুর ঋতুস্রাব । ইহা পৌষ্টিক, ও শীতলতা কারক,মহিলাগনের নানাপ্রকার পীড়ায় ইহা ব্যবহৃত হয়। অনিয়মিত ঋতুস্রাব, বিলম্বিত ঋতু, ঋতুশূল, রজঃলোপ, রজঃরোধ, ঋতুর পূর্ব্বে ডিম্বকোষে বেদনা, অতিরজঃ প্রভৃতিতে সাফল্যের সহিত ব্যবহৃত হয়। ইহা ব্যতীত একপার্শ্বিক শিরঃপীড়া, রক্ত সঞ্চয় জনিত শিরঃপীড়া; খোলা বাতাসে এবং আর্ত্তক প্রবাহ দেখা দিলে উপশম । চক্ষুতারকায় বেদনা, চক্ষুর উপরে বেদনা, আলোকাতঙ্ক। নাসিকায় সর্দ্দি, প্রচুর জলবৎ স্রাব ।ঘ্রাণশক্তি লোপ পায়। রক্তস্রাবী অর্শ, প্রদর স্রাব, মূত্রনালীর উপদাহ, অত্যন্ত কোষ্ঠবদ্ধতা, মিষ্ট ও টক দ্রব্য খাইতে ইচ্ছা; পিপাসা প্রভৃতিতেও উত্তম ফল প্রদান করে। ইহাকে মহিলাদের একপ্রকার টনিক বলা যাইতে পারে। ইহা চোটের ফলে কোন জায়গায় কালসিটা পড়া, ভাঙা হার জোড়া লাগা, মেরুদণ্ড বরাবর বেদনা,তলপেট ও উরুদেশ পর্যন্ত বিস্তৃতি; মহিলাদের ঋতুবিলোপ কালের উপসর্গে, ও শোথেও ব্যবহৃত হয়।

🌿🍎🌿🍎🌿🍎🌿🍎🌿🍎🌿🍎🌿🍎🌿
সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ/নির্দেশনা
ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।
⛳আপনারা যদি মনে করেন লেখাগুলো আপনার জন্য উপকারি তাহলে আরেক ভাইয়ের জন্যও হয়তো উপকারি হবে , আপনি কষ্ট করে লেখাটি শেয়ার করলে অন্য ভাইও লেখা পড়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারবেন। তাই শেয়ার করুন এবং পেজে লাইক বৃদ্ধিতে সহায়তা করুন। আর এ জন্য ইনভাইট অপসানে গিয়ে বন্ধুদেরকে পেজ লাইকের ইনভাইট পাঠান।

ইসলামিক হোমিও চিকিৎসালয়
ডাঃ মোঃ তাসরিন হোসেন
প্রয়োজনেঃ ০১৭৩৩০৯৫৮৫৯

23/03/2020

করোনা ভাইরাস ও প্রতিরোধঃ

27/02/2020

করোনাভাইরাসের হোমিও চিকিৎসাঃ

বর্তমানে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়নি। এ ব্যাপারে সরকার যথেষ্ট তৎপর রয়েছে। ভবিষ্যতে সাবধানতার জন্য এই ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক আছে কিনা এবং কোন কোন হোমিওপ্যাথিক ওষুধ রোগাক্রান্ত ব্যক্তিদের আরোগ্য দিতে সহায়তা করতে পারে তার জন্য এ বিষয়ে জানা একান্ত অপরিহার্য।

ব্যাপক অর্থে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের নিয়মনীতি অনুসারে করোনাভাইরাসসহ কোনো ভাইরাসেরই প্রতিষেধক হিসেবে একক হোমিওপ্যাথিক ওষুধ নে। তবে কোনো একটি এলাকায় বসবাসরত অধিকাংশ লোক যদি সবাই একই লক্ষণ সমষ্টি নিয়ে করোনাভাইরাসসহ অন্য যে কোনো ভাইরাসে আক্রান্ত হলে, আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য যে একক ওষুধটি নির্বাচিত হবে, ওই ওষুধটি-ই ওই এলাকার ওই সময়ের সুস্থ ব্যক্তিদের জন্য প্রতিষেধক ওষুধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। করোনাভাইরাসের লক্ষণগুলো : করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রধান লক্ষণ হলো শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া। এর সঙ্গে সঙ্গে থাকে অতিরিক্ত জ্বর, রক্ত বমি, রক্ত কাশি, নিদারুণ শারীরিক দুর্বলতা এবং অনবরত কফযুক্ত কাশি। অরগ্যান ফেইলিওর বা দেহের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়া। হতে পারে নিউমোনিয়া। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভাইরাসটি শরীরে ঢোকার পর সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিতে প্রায় পাঁচ দিন লাগে। প্রথম লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। তার পর দেখা দেয় শুকনো কাশি। এক সপ্তাহের মধ্যে দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট।


নিম্নে বর্ণিত ওষুধগুলো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আরোগ্যের জন্য কাজ করতে পারে।

১. অ্যাকোনাইট নেপ

রোগের কারণ : অতিরিক্ত ঠান্ডা বা অতিরিক্ত গরম থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তনে, ধুলাবালি এবং অন্যান্য যে কোনো কারণে রোগাক্রমণ।

লক্ষণগুলো : করোনার আক্রমণ প্রবল ঝড়ের মতো আসে এবং অল্পক্ষণ থেকে রোগীকে একেবারে শেষ করে দেয়। অতিরিক্ত মৃতু্য ভয়, অস্থিরতা, শারীরিক জ্বালা-পোড়া, দ্রম্নতগতিতে তাপমাত্রা অনেক বেশি উঠে যাবে। অতিরিক্ত কফ, কাশি, শ্বাসকষ্ট দেখা দেবে। মাথা ও বুকে ভার বোধ মনে হবে। সব শরীরে কম্পন দেখা দেবে। একটু পর পর প্রচুর পরিমাণ পানি একসঙ্গে পান করবে।

২. ব্রায়োনিয়া অ্যালবাম

রোগের কারণ : একই।

লক্ষণগুলো : রোগের কষ্টগুলো দুই-তিনদিনের মধ্যে আস্তে আস্তে দেখা দেবে। কয়েক দিনের মধ্যে রোগটি দেহের মধ্যে বিস্তার লাভ করবে। নাকের মধ্যে ঘন সর্দি, অনবরত শুষ্ক কাশি, নাক দিয়ে রক্ত পড়া, গলাব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং শ্বাসযন্ত্রের প্রদাহ রোগাক্রমণের তিন-চারদিনের মধ্যে দেখা দেবে। রোগের সময় রোগী সারাক্ষণ চুপচাপ শুয়ে থাকবে। কারও সঙ্গে কোনো কথা বলবে না। সর্ব শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা ও জ্বর থাকবে। রোগী অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকবে। অতিরিক্ত হাঁচি ও শুষ্ক কাশি থাকবে। নাক দিয়ে রক্ত যাবে, রক্ত মিশ্রিত কফ, গলার স্বর বসে যাবে। ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া, হুপিংকাশি ও ফুসফুসে পানি দেখা দিতে পারে। কষ্টদায়ক কাশি হবে। সর্ব অবস্থায় রোগী চুপচাপ থাকতে চাইবে। শরীরের সব ছিদ্র পথ শুষ্ক হয়ে যাবে। রোগী অলস প্রকৃতির হয়ে যাবে, এবং অনেকক্ষণ পরপর প্রচুর পরিমাণ পানি একসঙ্গে পান করবে।

৩. জেলসিমিয়াম

রোগের কারণ : একই।

লক্ষণগুলো : রোগাক্রমণের ৩-৪ দিন পর অতিরিক্ত ঠান্ডা, জ্বর, মাথাব্যথা দেখা দেবে। সব অবস্থায় রোগী মৃত ব্যক্তির মতো চুপচাপ অচেতন, তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় পড়ে থাকবে। সর্বশরীর ভারবোধ, অবশভাব, নিস্তেজভাব, থরথর করে শরীর কাঁপতে থাকবে। নিজে তার শরীর নাড়াতে পারবে না। হাত ও পা বরফের মতো ঠান্ডা কিন্তু মাথা অত্যন্ত গরম থাকবে। পানির পিপাসা একেবারে থাকে না। শুষ্ক কাশি ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেবে।

৪. আর্সেনিক অ্যালবাম

রোগের কারণ : একই।

লক্ষণগুলো : রোগাক্রমণের প্রথম দিনেই অতিরিক্ত দুর্বলতা দেখা দেবে। সর্দি, কফ, কাশি, জ্বর এবং অতিরিক্ত শ্বাসকষ্ট দেখা দেবে। কাশির সঙ্গে দুর্গন্ধ যুক্ত ময়লা কফ বের হবে। রোগীর মধ্যে মৃতু্যভয়, মানসিক ও শারীরিক অস্থিরতা, শারীরিক জ্বালা-পোড়া, উৎকণ্ঠা দেখা দেবে। শ্বাসকষ্টে রোগীর বুক ভারী ভারী মনে হবে। রোগী সামনের দিকে ঝুঁকে বসে বা সামনের দিকে বাঁকা হয়ে ঝুঁকে থাকবে একটু বাতাস পাওয়ার জন্য। তেষ্টা নিবারণের জন্য কাতর হয়ে থাকবে। মুখ দিয়ে হালকা কফ, কাশি বের হবে। অল্প পরিমাণ পানি বারবার পান করিবে। রোগীর শরীরে জ্বর, মাথাব্যথা এবং বমি বমি ভাব থাকবে।

৫. ড্রসেরা

রোগের কারণ : একই।

লক্ষণগুলো : সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট থাকবে। বুকের মধ্যে ভার বোধ এবং আপেক্ষিক কাশি দেখা দেবে। কফ টুকরা টুকরা করে ঘন আকারে পড়তে থাকবে। গলার স্বর বসে যাবে। নাক, গলা এবং বুকের ভিতর থেকে রক্তকাশি বের হবে। হুপিংকাশি, রোগী উত্তেজনাপ্রবণ, অস্থির প্রকৃতির এবং মানসিক ও শারীরিক দুর্বলতা দেখা দেবে।

৬. কার্ভো ভেজ

রোগের কারণ : একই।

লক্ষণগুলো : গলার মধ্যে চুলকানি যুক্ত কফ, আপেক্ষিক কাশি, গড়গড় আওয়াজ করে কাশি আসবে। কাশির সঙ্গে অতিরিক্ত বমি হবে। গলার স্বর বসে যাবে, গলার মধ্যে জ্বালা-পোড়া থাকবে, বমির কারণে রক্ত ও পানি শূন্যতা দেখা দেবে। নাড়ির গতি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম থাকবে। শরীরের উপরিভাগ হিমশীতল হয়ে যাবে, শ্বাসকষ্ট দেখা দেবে। রোগী বারবার বাতাস চাইবে। রোগী মরার মতো পড়ে থাকবে। ঠান্ডা ঘাম দেখা দেবে, সঙ্গে ঠান্ডা শ্বাস-প্রশ্বাস দেখা দেবে, জিহ্বা ঠান্ডা হয়ে যাবে এবং কথা বন্ধ হয়ে যাবে।

৭. এন্টিমোনিয়াম টার্টরিক্যম

রোগের কারণ : একই।

লক্ষণগুলো : মুখ বিবর্ণ ও রুগ্ন দেখাবে, নাকটি আকৃষ্ট ও কুঞ্চিত থাকবে, চক্ষু বসে যাবে, চোখের চারদিকে কৃষ্ণমন্ডল দেখাবে, কণ্ঠস্বর বিবর্ণ ও কুঞ্চিত হয়ে যাবে। মুখমন্ডল ঠান্ডা ঘামে আবৃত, ঠান্ডা এবং বিবর্ণ দেখাবে, শরীরের মধ্যে মৃত ব্যক্তির গন্ধ অনুভব হবে। সর্দি সংযুক্ত রোগী, শ্বাসনালি ও বায়ুনালিগুলোর মধ্যে সর্দির অবস্থা থাকবে। বক্ষে, কাশির ঘড়ঘড় এবং ভড়ভড় শব্দ শোনা যাবে, মনে হয় মৃতু্যর পূর্ব মুহূর্ত। বক্ষদেশে ক্রমাগত শ্লেষ্মায় ভর্তি হয়ে থাকবে। কিন্তু রোগী কফ তুলতে অক্ষম এবং শ্বাসকষ্ট দেখা দেবে। ঘড়ঘড় শব্দ বের হতে শোনা যাবে। রোগটি দ্রম্নতগতিতে অগ্রসর হতে থাবে সঙ্গে জ্বর থাবে। ২-৩ দিনের মধ্যে রোগী দুর্বল, অবসন্ন এবং শীতলতা দেখা দেবে।

৮. বেলাডোনা

রোগের কারণ : একই।

লক্ষণগুলো : রোগের আক্রমণ হঠাৎ এবং তীব্র আকার ধারণ করবে। রোগীর নাক, কান, গলা, ফুসফুসসহ শরীরের সর্ব অঙ্গ আক্রমণ করবে। এসব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রক্তাভ হয়ে যাবে। সর্ব শরীরে জ্বালা-পোড়া, আপেক্ষিক কাশি, প্রচুর মাথাব্যথা, উৎকণ্ঠা এবং সর্ব শরীরে কম্পন দেখা দেবে। হাতের তালু, পায়ের তালু অত্যন্ত শীতল অনুভব হবে কিন্তু মাথা ও মুখমন্ডল অতিরিক্ত গরম অনুভব হবে। রোগীর শরীরে তীব্র ব্যথা ও জ্বর অনুভব হবে। জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা, কাশি ও শ্বাসকষ্ট একবার অতিরিক্ত হবে আবার রোগের তীব্রতা কম অনুভব হবে। এভাবে রোগগুলো সারাদিন বাড়া-কমার মধ্যে থাকবে। রোগে লক্ষণগুলো অতি তাড়াতাড়ি দেখা দেবে এবং অতি তাড়াতাড়ি রোগী আরোগ্য লাভ করবে। রোগ লক্ষণের সঙ্গে মিলিয়ে গেলে অন্যান্য ওষুধও নির্বাচিত হতে পারে।

ডোজ : একজন রোগীর জন্য উপরে বর্ণিত যে কোনো ওষুধের ২০০ শক্তির ৪টি ডোজের প্রয়োজন হতে পারে। প্রতিটি ডোজ পাউডারের সঙ্গে মিশ্রিত করে প্রতিদিন দুই ডোজ ওষুধ সেবন করবেন। দুদিন পর ওই রোগী তার রোগ থেকে মুক্তিলাভ করতে পারে। দয়া করে উপরের বিষয়টি আপনার বন্ধু-বান্ধব এবং অন্যদের কাছে সরবরাহ করার অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

উপদেশ : দয়া করে মেডিকেল মাস্ক ব্যবহার করুন। ফ্রিজের খাবার খাবেন না এবং পানিজাতীয় কিছু পান করবেন না। ঠান্ডা আবহাওয়া, ধুলাবালি, বিড়ি-সিগারেটের অভ্যাস পরিহার করুন। আপনার নাক, গলা ও ফুসফুস রক্ষা করুন।যে কোন মাংস ও ডিম ভালো করে সিদ্ধ করে খাওয়া। বাহির থেকে বাসায় ফিরে ভালো করে হাত ধৈাত করা।

ইসলামিক হোমিও চিকিৎসালয়
ডাঃ মোঃ তাসরিন হোসেন
ডি.এইচ. এম. এস, বি.এইচ.এম.সি
ঢাকা

গলগন্ড কি ?গলায় অবস্হিত প্রজাপতির আকৃতির থাইরয়েড গ্রন্হি মস্তিস্ক ও বিপাক ক্রিয়ার কার্য়ক্রম পরিচালনায় হরমোন উৎপাদন করে।এ...
13/10/2019

গলগন্ড কি ?

গলায় অবস্হিত প্রজাপতির আকৃতির থাইরয়েড গ্রন্হি মস্তিস্ক ও বিপাক ক্রিয়ার কার্য়ক্রম পরিচালনায় হরমোন উৎপাদন করে।এই থাইরয়েড হরমোনের নিঃস্বরণে তারতম্য হলে দুই ধরনের রোগ হয়।একটি হলো গঠনগত অপরটি হলো কার্যগত।গঠনগত বিশৃংখলায় থাইরয়েড গ্লান্ডটি ফুলে যায়,যাকে আমরা গলগন্ড বা ঘ্যাগ বা গোয়েটার বলি।এটি থাইরয়েড গ্রন্থির রোগ।থাইরয়েড গ্রন্থিটি দেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।দেহে যে ক’টি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি দেহের সামগ্রিক ক্রিয়াকে প্রভাবিত করে থাইরয়েড তাদের অন্যতম।এটি অন্য অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিকেও প্রভাবিত করে।থাইরয়েড গ্রন্থিটি পক্ষান্তরে পিটুইটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় যা আবার হাইপো থাইরয়েড গ্রন্থির নিয়ন্ত্রণে থাকে।থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে থা্ইরয়েড (টি ৪ ও টি ৩) নিঃসৃত হয়।থাইরয়েড গ্রন্থি বিভিন্ন কারণে অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হতে পারে।এর মধ্যে অন্যতম হল পিটুইটারি গ্রন্থি হতে অধিক হরমোন তৈরী হয়।আবার খাদ্যে আয়োডিনের অভাব থাকলেও থাইরয়েড গ্রন্থিটি ক্রমশ বড় হতে থাকবে।এছাড়া থাইরয়েড গ্রন্থির কিছু কিছু স্থানিক সমস্যার কারণে গ্রন্থিটি ক্রমশই বড় হতে থাকে।এর মধ্যে আছে নড্যুল, ক্যান্সার, হাইপার থায়রয়েজিম ও হাইপো থাইরয়েডিজম।কিছু কিছু ওষুধও থাইরয়েড গ্রন্থির বৃদ্ধির কারন হতে পারে।

গলগণ্ডের লক্ষণ সমূহঃ

গলগন্ড হঠাৎ করে শুরু হয় না ধীরে ধীরে এই রোগ হতে থাকে।এর প্রধানতম লক্ষণ হল গলার সামনের দিকের মাঝখানের নিচের অংশ বা দু’পাশ ফুলে উঠা।রোগী সাধারণত নিজে থেকে প্রথমে এ সমস্যাটি সনাক্ত করতে পারে না। তার বন্ধুবান্ধব বা ঘনিষ্ঠজন প্রথমে একবার গলার এ স্ফীতিকে সনাক্ত করে।এটি এত ধীরে ধীরে হয় যে,অন্য কেউ বলার পরও রোগী সন্দিহান থাকতে পারেন।কিন্তু তারপর দেখা যাবে এ গ্রন্থিটি ক্রমশঃ বৃহদাকার হয়ে যাচ্ছে। থাইরয়েড গ্রন্থির বৃদ্দি প্রাপ্তির সাথে সাথে খেতে বা ঢোক গিলতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।গলগন্ড খুব বড় হলে শ্বাস-প্রশ্বাসেও সমস্যা হতে পারে।মেয়েদের ঋতুস্রাবের সময় ও গর্ভাবস্থায় গলগন্ড সাময়িকভাবে বড় হয়।গলগন্ড হাইপার থাইরয়েডিজমের হলে থাইরয়েড গ্রন্থির নিরসনের পরিমাণ বেড়ে যায়।এক্ষেত্রে বেশির ভাগ রোগীর কিছু অটোইম্যুন রোগ থাকে যার মধ্যে গ্রেভ’স রোগ প্রধান।এ সব রোগে টিএসএইচ- এর বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়।ফলশ্র“তিতে গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত পরিমাণে টি৪ ও টি৩ হরমোন নিঃসৃত হতে থাকে।হাইপার থাইরয়েডিজমের গলগণ্ডে উপর লক্ষণগুলোর সাথে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, অস্থিরতা,দ্রুত ওজন কমে যাওয়া,গরম অসহ্য লাগা,হাত কাপা ও ডায়রিয়া থাকতে পারে।হাইপো থাইরয়েডিজম কারণে গলগন্ড হলে থায়রয়েড গ্রন্থির নিঃসরন কমে যায়।ক্রমবর্ধমান চাহিদা সামলাবার জন্য থায়রয়েড গ্রন্থি আয়তন বাড়তে থাকে।আয়োডিনের স্টাটাড এর প্রধান কারণ।এছাড়া কিছু অটোইম্যুন রোগও এর জন্য দায়ী।এ ক্ষেত্রে গলগন্ডে সাধারণ লক্ষণগুলোর সাথে শারীরিক দুর্বলতা,অবসাদ,শীত সহ্য করতে না পারা, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি থাকতে পারে।কিছু রোগীর ক্ষেত্রে থাইরয়েড গ্রন্থির ক্যান্সারের জন্যও গলগন্ড দেখা দিতে পারে।এ ক্যান্সার আবার মেয়েদের হবার সম্ভাবনা বেশি।আর যাদের যৌবনের শুরুতে বার বার এক্সরে করতে হয়েছে বা অন্য কোন আনবিক সম্মুখীন হতে হয়েছে তাদের থাইরয়েড ক্যান্সার বেশি হয়।থাইরয়েড ক্যান্সারের হার বরং কম এবং প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে সম্পূর্ণ রূপে সেরে যায়। যে কোন বয়সে থাইরয়েড ক্যান্সার হতে পারে, যদিও চল্লিশ বছরের কাছাকাছি বয়সের বেশি সংখ্যক মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে।
গলগণ্ড হয়েছে বা হচ্ছে মনে হলেও চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।আমাদের দেশের অনেকেই এ ব্যাপারটাতে বেশ অনীহা প্রকাশ করেন এবং এর জন্য রোগীকে ও তার পরিবারকে শেষ পর্যন্ত যথেষ্ট ভোগান্তি পোহাতে হয়।গলগন্ডের সম্ভাব্য রোগীকে চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা,রক্ত পরীক্ষায়,আলটাসোনগ্রাম থেকে শুরু করে বায়োপথি ও রেডিও অ্যাকটিভ আয়োডিন আপটেক পরীক্ষা পর্যন্ত করতে পারেন।
গলগন্ডের রোগীর থাইরয়েড গ্রন্থি যদি সামান্য একটু স্ফীত হয়ে থাকে এবং এর শুধুমাত্র পর্যাপ্ত আয়োডিন সরবরাহ করেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার চেষ্টা করা যেতে পারে।কিছু যদি আয়োডিনের ঘাটতি জনিত হাইপোথারয়েডের গলগন্ড বৃহদাকার হয়।শুধুমাত্র আয়োডিনের অভাব পূরণ করে তেমন কোন উন্নতি আশা করা যাবে না।এক্ষেত্রে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত থাইরয়েড গ্রন্থিকে অপারেশন করে বাদ দেয়া ছাড়া গত্যান্তর থাকে না।এরই সাথে হরমোন খাওয়াতে হয় আজীবন।আর হাইপার থাইরয়েডিজমের কারণে গলগন্ড হলে থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা কমাতে পারে এমন খাদ্য গ্রহন প্রয়োজন।

গলগন্ড( Goiter disease) রোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাঃ

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় প্রাথমিক অবস্থার সকল ধরণের গলগণ্ড সম্পুর্ন ভাল হয়ে যায়।কোন অপারেশনের প্রয়োজন পড়ে না।২ থেকে ৩মাস সময় লাগে।
প্রয়োজনীয় ঔষধ :
Homeopathy Remedies for Goitre :(কেন্ট রেপার্টরি)
GOITRE, exophthalmic
----------
++ exophthalmic : Aur-i., aur., bad., cact., calc., con., crot-h., ferr-i., ferr., Iod., lycps., nat-m., phos., sec., spong.
++ indurated : Iod., spong.
++ painful : Iod., plat., spong.
++ me**es, during : Iod.
++ on swallowing : Spong.
++ sensitive : Kali-i.
++ vascular : Apis., calc.

Goiter জন্য হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নির্বাচন গাইড ঃ

হোমিওপ্যাথি অস্ত্রোপচার ব্যতীত Goiter খুব নিরাপদ এবং কার্যকর চিকিৎসা। Goiter চিকিৎসায় অনেক ঔষধ রয়েছে।গলগন্ড চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নির্বাচনের জন্য রোগীবিস্তারিত তথ্য বিশ্লেষণ করে সঠিক ঔষধ নির্বাচিত হলে সম্পূর্ণ আরোগ্য হয়।

স্পন্জিয়াঃ-গলগন্ড রোগের উৎকৃষ্ট ঔষধ।গ্ল্যান্ড বড় ও শক্ত।মাঝে মাঝে রোগী ঘুমের মধ্যে নিঃশ্বাস বন্ধ হইবার উপক্রম হয়।গলগন্ড টিকিৎসায় এই ঔষধটি প্রধানতম।

আয়োডিয়ামঃ-আয়োডিনের অভাব জনিত গলগন্ড চিকিৎসায় উত্তম ঔষধ ,ভীষন দুর্বলতা,শিরিবেয়ে উপরে উঠিতে হাপিয়ে উঠে উত্তম খুধা প্রচুর পরিমানে খায় তার পরেও দিন দিন শুকিয়ে যায়।সকাল হইতে সন্ধা পর্যন্ত ঢেকুর উঠে এবং সমস্হ খাদ্য বায়ুতে পরিনত হয়।রোগীর যে কোন গ্ল্যান্ড ফুলিয়া গেলে সেখানে বেদনা হীন হলে আয়োডিন উপযোগী।বেদনা বিহীন শক্ত গলগন্ড পীড়া,রোগী অত্যন্ত গরমে কাতর।ঠান্ডা সে ভালোবাসে,ঠান্ডায় সে ভাল থাকে।ক্ষুধা অত্যন্ত,খায় বেশি কিন্তু দিন দিন শরীর শুকাইয়া যায়।এই ধাতুর রোগীর গলগন্ড পীড়ায় ইহা অব্যর্থ।

নেট্রাম মিউরঃগলগন্ডের রোগীর জলীয় লক্ষণ সমুহ বিদ্যমান থাকলে,লবনপ্রীয় রোগীর জন্য উপযোগী।শ্লেষ্মাপ্রধান ধাতুর ব্যক্তি-সামান্য মাত্র ঠান্ডা লাগিলেই সর্দি হয়।উত্তম ক্ষধা ও আহার সত্তেও শরীরের মাংস ক্ষয় হয়।উত্তেজিত ভাব,আদ্বর করিলেও রাগিয়া উঠে সামান্য কারনে চিৎকার করিয়া কাদে।বয়স্কলোকদের সান্তনা দিলে দুঃখবেগ আরো উথলে উঠে।স্নায়ুদুর্বল্য হেতু হাত হইতে দ্রব্যাদি খাসিয়া পড়ে।তিক্তদ্রব্য,লবণ কিংবা লবনাক্ত আহারের ইচ্ছা।উত্তম ক্ষুধা,কিন্তু খাইতে অনিচ্ছা।প্রচন্ড শিরঃপিড়া যেন কেহ মাথায় হাতুড়ি মারিতেছে,বামপার্শগত শিরবেদনা,উহা সুর্যোদয় হতে সুর্যঅস্ত পর্যন্ত বৃদ্ধি।স্ত্রীলোকের ঋতুস্রাবকালিন ও ‍ঋতুস্রাবের পূর্বে বা পরে মাথাব্যাথা।রোগীকে সান্তনা করিলে সে তাহাতে আরো বিরক্ত হয় বা কাদিয়া ফেলে এই সময় বুক আরও ধড়ফর করে এবং নাড়ির গতি সবিরাম হয়,কিন্তু তাহা হৃতপিন্ডের কোন পীড়াজনিত নহে।কোন গলগন্ডরোগীঢর উপরোক্ত লক্ষণ থাকলে নেট্রাম মিউর উপযোগী।

থাইরয়ডিনামঃ-জড় বুদ্ধি,শারীরিক খর্বতা,হৃৎপিন্ডের দুর্বলতা,বুক ধড়ফরানি,দিন দিন শরীর শুকাইয়া যায়।এই ধাতুর রোগীদের নরম তুল তুলে গলগন্ড পীড়ায় ইহা অধিক উপযোগী।

ক্যালকেরিয়া কার্বঃ-শ্লেষ্মাপ্রধান স্হুলদেহ,নিদ্রাকালে মাথার ঘামে বালিশ ভিজিয়া যায়।ডিম খাইবার প্রবল ইচ্ছা।ক্যালকেরিয়া কার্ব এর নির্বাচিত লক্ষণ।ভীরুতা ও ভ্রান্ত ধারণা।মাথার ঘামে বালিশ ভিজিয়া যায় ও অল্পেই ঠান্ডা লাগে।ডিম খাইবার প্রবল ইচ্ছা কিন্তু দুধ সহ্য হয় না।উপরোক্ত গলগন্ডের রোগীরন জন্য ক্যালকেরিয়া কার্ব অপরিহার্য

কেন্ট রেপার্টরিতে উল্লেখিত সকল ঔষধ গলগন্ডের চিকিৎসায় বিবেচনা করে সঠিক ঔষধ নির্বাচন করতে পারলে গলগন্ড আরোগ্য হবে সহজে।

গলগন্ডের বাইয়োকেমিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ সমুহঃ

ক্যালকেরিয়া ফসঃগলগন্ডের জন্য ইহাই প্রধান ঔষধ।কারণ েশলীল রক্তে অম্লরস হৗয়ার জন্য লইম সল্ট ধৌত হয়ে হয়ে যায়।যা পুরণ করতে ক্যালকেরিয়া ফস গুরুত্বপূর্ণ।শরীরে অম্লরস বৃদ্ধি পেলে নেট্রাম ফস পর্যায়ক্রমে ব্যবহার করলে গলগন্ড রোগ আরোগ্য হয়।রক্তহীন রোগীর গলগন্ড হলে ক্যালকেরিয়া ফস উপযোগী।গলগন্ডের মাঝে অন্ডলালা বিদ্যমান থাকলে ক্যালকেরিয়া ফস উপকারী।মাত্রা ২০০X প্রয়োগ প্রয়োজন।

কেলিমিউরঃকোষ্ঠবদ্ধ রোগীর জিহ্বা সাদা তাকলে গলগন্ড আরোগ্যে কেলিমিউর উপযোগী।

ক্যালকেরিয়া ফ্লোরঃগলগন্ড পাথরের মত শক্ত হলে ক্যালকেরিয়া ফ্লোর উচ্চশক্তি প্রয়োগ প্রয়োজন।

ম্যাগ ফসঃগলগন্ডের মধ্যে ছাড়ার ন্যায় পদার্থ জন্মে তখন ম্যাগ ফস উপকারী।

নেট্রাম ফসঃগলগন্ড রোগীর জন্য একটি প্রয়োজনীয় ঔষধ।অম্ল প্রধান থাতুর রোগীর জন্য প্রয়োজনীয়।

সাবধানতাঃ-ডাঃ এলেন বলেন গলগন্ড পীড়ায় গ্ল্যান্ডের কখনও টিংচার-আয়োডিন বাহ্যিক প্রয়োগ করিবেন না,কারণ বাহ্যিক প্রয়োগে একদিকে যেমন গ্ল্যান্ড কমিয়া আসিতে আরাম্ভ হইবে,অন্যদিকে হয়তো তেমনই ফুসফুস আক্রান্ত হইবার সম্ভাবনা হইয়া উঠিবে তাহাতে থাইসিস হইবে।

উপদেশঃগলগন্ড রোগীর জন্য সমুদ্র তীরে বসবাসের সাথে চিকিৎসা ও আইয়োডিন সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহন করলে দ্রুত আরোগ্য হয়।
ইসলামিক হোমিও চিকিৎসালয়
ডাঃ মোঃ তাসরিন হোসেন
ক-৬৬/১ জোয়ার সাহারা,ভাটারা
ঢাকা-১২১২

ব্রণের হোমিও চিকিৎসাঃব্রণ কি ?ব্রণের হোমিও চিকিৎসা একটি কার্যকরী ও যুগোপযোগী চিকিৎসা । উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণীদের জন্য ব্র...
25/09/2019

ব্রণের হোমিও চিকিৎসাঃ

ব্রণ কি ?

ব্রণের হোমিও চিকিৎসা একটি কার্যকরী ও যুগোপযোগী চিকিৎসা । উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণীদের জন্য ব্রণ দারুণ এক মন কষ্টের কারণ। সুন্দর মুখশ্রী নষ্ট হয়ে অসুন্দর, ক্ষত ও অবাঞ্ছিত দাগই তাদের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষকরে সুন্দরী ললনাদের জন্য বয়ে আনে এক দুঃসহ যাতনা। ব্রণ বা একনি হচ্ছে সিবেসাস গ্লান্ডের গোলযোগ সংক্রান্ত ত্বকের একটি খুব প্রচলিত রোগ। সিবেসাস গ্লান্ডগুলো মাথা ও মুখসহ মানব দেহের সর্বত্র ত্বকের নিচে হেয়ার ফলিকল বা কেশ গর্ভের গায়ে অবস্থান করে। এরা সিরাম নামে এক প্রকার তৈলাক্ত পদার্থ ক্ষরণ করে, যা লোমকূপ দিয়ে দেহের বাইরে এসে মুখ ও গাত্র ত্বককে মসৃণ ও তৈলাক্ত করে এবং চুলকে ও তৈলাক্ত রাখে। এর ফলে

ব্রণের হোমিও চিকিৎসা

ত্বকের কোষগুলো নরম থাকে এবং অকালে শুকিয়ে বা কুচকে যায় না। ত্বকের

যেসব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র বা লোমকূপ দিয়ে যে সিরাম বের হয় সেগুলো কোনো কারণে বন্ধ হয়ে গেলে সিরাম বাইরে আসতে পারে না। তা জমতে থাকে এবং এক সময় চামড়া ঠেলে ওপরে ওঠে। ফলে পিমপেল বা ফুসকুড়ির মতো দেখায় অনেক সময় ব্যাক্টেরিয়াল ইনফেকশন হয়ে পুঁজ ও জমে এগুলোকেই ব্রণ বলে।

ব্রণের হোমিও চিকিৎসা করতে হলে জানতে হবে কখন ব্রণ হয় ?
সাধারণত ১২-১৪ বছর বয়স হতে ২৮-৩০ বছর বয়স পর্যন্ত মুখে ব্রণ দেখা দেয়। ২০-২২ বছর বয়সেই সবচেয়ে বেশি থাকে; (১)



জন্মগত বা পূর্বপুরুষের ধারা অনুসারে ব্রণ হতে পারে। (২) হরমোন অ্যান্ড্রোজেন, এস্ট্রোজেন সিরাম ও ত্বকে বসবাস কারী জীবাণুদের ইন্ট্রারঅ্যাকশন বা ভারসাম্যের গোলযোগ হেতু। বিশেষ করে বয়সন্ধিকালে সেক্স/ঝবী হরমোন ক্ষরণ বৃদ্ধির ফলে সিবেসাম গ্লান্ড আকারে

বেড়ে যায় এবং কর্মতৎপরতাও বৃদ্ধি পেয়ে বেশি করে সিরাম বা তেল উৎপন্ন হয়ে ব্রণ ডেকে আনতে সাহায্য করে। (৩) অধিক মস



লাযুক্ত বা গরম মসলা বেশি খেলে এই রোগ হতে পারে এবং এলার্জিটিক খাবারে বেড়ে যেতে পারে। (৪) যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য সর্বদা অবস্থান করে। (৫) অনিয়মিতভাবে দুই-চার দিন পরপর পায়খানা হয় তাদের ব্রণ দেখা দেয়। (৬) অতিরিক্ত ইন্দ্রিয় সেবাই ব্রণের অন্যতম কারণ হতে পারে এবং রাত জাগরণ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, নোংরা জীবন যাপন, আলো- বাতাসহীন ঘরে থাকা। (৭) লিভারের ক্রিয়ার গোলযোগ, পেটের পীড়ায় ভোগা। (৮) উত্তেজক বস্তুর ব্যবহার, অতিরিক্ত কসমেটিকস ব্যবহারের কুফল এবং অত্যন্ত গরম ঠাণ্ডা থেকে। (৯) বিসদৃশ ওষুধ সেবনের ফলে এবং জন্ম নিয়ন্ত্রণের বড়ি খাওয়ার ফলে ব্রণ হতে পারে। (১০) অতিরিক্ত আবেগের ফলে। (১১) মহিলাদের মাসিক ঋতুস্র্রাব দেখা দেয়ার আগে/পরে/সময়ে এবং গোলযোগের ফলে।

মুখের ব্রণ এক প্রকার চর্মরোগ। এই পীড়া সাধারণত চার প্রকার-

১। একনি ভালগারিস (Acne Vulgaris) অথবা সামান্য বয়ঃব্রণ

এইগুলি দুই আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিলে এদের মধ্য হতে ভাতের মত মেদ বের হয়। এইগুলির আকারও ক্ষুদ্র হয়।

২। একনি ইন্ডুরেটা (Acne Indurata) অর্থাৎ কঠিন বয়ঃব্রণ

এইগুলি সাধারণ বয়ঃব্রণ অপেক্ষা কঠিন এবং অতি ধীরে ধীরে বর্ধিত হয়। এগুলিতেও পুঁজ সঞ্চার হয় এবং সময়ে সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্ফোটকের আকার ধারণ করে। এইগুলি হতে পুঁজ বের হয়ে গেলে দাগটি থেকে যায়।

৩। একনি রেজিওলা (Acne Regiola) বা আরক্ত বয়ঃব্রণ

এই ব্রণগুলি উজ্জ্বল লালবর্ণ হয় এবং আশপাশের শিরাগুলি স্ফীত হয়। এই রোগ সহজে আরোগ্য হতে চায় না।

৪। একনি টিউবারকুলেটা (Acne Tuberculata)

অপেক্ষাকৃত পরিণত বয়সে ২৫ হতে ৫০ বৎসর মধ্যে আর এক প্রকার বয়ঃব্রণ জন্মে। এদেরকে একনি টিউবারকুলেটা বলে। এগুলো আকারে গুটিকার ন্যায় বড় হয় বলে এদের এরুপ নাম দেয়া হয়েছে। একনি টিউবারকুলেটা সাধারণত পুরুষদেরই হয়ে থাকে। তবে জরায়ু ও ডিম্বকোষের ক্রিয়ার বৈলক্ষণে স্ত্রীলোকদেরও হতে পারে।

ব্রণের হোমিও চিকিৎসা এবং সর্বাধিক কার্যকরী হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নিম্নে আলোচনা করা হল –
বার্বেরিস একুইফোলিয়াম Q

বয়ঃব্রণ রোগ দীর্ঘদিনের হলে বাহ্যিক ও আভ্যন্তরিকভাবে “বার্বেরিস একুইফোলিয়াম” ঔষধটি বিশেষ উপযোগী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

Dr. Dewey বলেন, “যেখানে চামড়া কর্কশ হয়ে যায় এবং বয়ঃব্রণ কিছুতেই আরোগ্য হতে চায় না, সেখানে বার্বেরিস একুইফোলিয়াম উপযোগী। ডাঃ বোরিকও ঔষধটির বিশেষ প্রশংসা করেছেন। ঔষধটির মূল অরিস্ট ১ থেকে ২ বিন্দু মাত্রায় দিনে ২ বার খেতে হবে এবং বাহ্যিকভাবে তুলায় করে লাগাতে হবে।

ডাঃ ডাব্লিউ. এ. ডিউই নিম্নলিখিত হোমিওপ্যাথিক ঔষধগুলি ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন-

সালফার ২০০ – পুরাতন রোগীদের জন্য উপযোগী।

স্যাঙ্গুইনেরিয়া ৩০ – যে সকল নারীদের অল্প ঋতুস্রাব হয় এবং যাদের রক্ত সঞ্চালন ক্ষীণ তাদের জন্য প্রয়োজন।

ক্যালকেরিয়া কার্ব ২০০ – শীতকাতর ও ঘর্মপ্রধান রমনীদের যৌন সম্ভোগপ্রবৃত্তি দমন করে রাখার কারণে বয়ঃব্রণ হলে ভাল কাজ করে।

অরাম মিউর নেট্রোনেটাম ৩X – বাত-ব্যথা ও জরায়ুপীড়াগ্রস্থ স্ত্রীদের চিকিৎসায় কাজে লাগতে পারে।

কেলি ব্রোম ৩০ – এই ঔষধটি মুখমন্ডল, গ্রীবাদেশ ও স্কন্ধে বয়ঃব্রণ সৃষ্টি করে থাকে। সাধারণ মুখের ব্রণ ও চর্মস্ফীতিযুক্ত বয়ঃব্রণের পক্ষে একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। কেলি ব্রোমেটাম অতিরিক্ত কামচর্চা ও হস্তমৈথুনকারী ব্যক্তদের বয়ঃব্রণ চিকিৎসায় কার্যকরি একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ।

ডাঃ এ. এম. কাশিং বলেছেন- আর্সেনিক ব্রোমেটাম ৪X অপর একটি অত্যুৎকৃষ্ট ঔষধ।

থুজা অক্সিডেন্টালিস ২০০ – মুখের ব্রণ -এর একটি ভাল ঔষধ।

ক্যালকেরিয়া পিক্রটা ৩X – যুবকদের বয়ঃব্রণ চিকিৎসায় কার্যকরী। মুখে পুঁজযুক্ত বা রক্তের ছিটযুক্ত ফুস্কুড়ি জন্মাতে থাকলে ক্যালকেরিয়া সালফ ১২X ভাল কাজ করে।

এন্টিম ক্রুড ৩০ – বয়ঃব্রণগুলি লাল বর্ণ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র। ঐগুলো মুখমন্ডলের উপরেই বিশেষভাবে প্রকাশ পায়। মাতালদের ও পাকাশয়িক গোলযোগযুক্ত ব্যক্তি যাদের জিহ্বায় ঠিক দুধের মত সাদা লেপ থাকে, তাদের মুখের ব্রণ চিকিৎসায় অধিক কার্যকারিতার সাথে ব্যবহার হয়।

নেট্রাম মিউর ২০০– শুষ্ক চেহারা, কাঁচা লবণ খেতে ভালবাসে এবং স্নানে উপশম পায় এরুপ ব্যক্তির পক্ষে উপকারী।

ব্রণের হোমিও চিকিৎসা চিকিৎসা করতে হলে রোগীর প্রকৃতি, তার উপশম, উপচয়, সাধারণ লক্ষণগুলির দিকে স্থানীয় লক্ষণ অপেক্ষা অধিক দৃষ্টি দিতে হবে।

ব্রণের হোমিও চিকিৎসায় রোগীর ব্রণ আক্রান্তের গুরুত্ব বিবেচনা করে চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণ করতে হয়। তাই সবচেয়ে ভালো হয় নিশ্চিত আরোগ্যকারী হোমিও চিকিৎসা গ্রহণ করা। ব্রণ সমস্যায় ভুগলে ভালো একজন হোমিওপ্যাথের সাথে যোগাযোগ করে চিকিৎসা নিন।

ইসলামিক হোমিও চিকিৎসালয়
ক-৬৬/১, জোয়ার সাহারা,ভাটারা,ঢাকা।
ডাঃ মোঃ তাসরিন হোসেন
মোবাইলঃ ০১৭৩৩০৯৫৮৫৯

03/08/2019

ডেঙ্গু জ্বরের প্রাথমিক লক্ষণ ও প্রতিকার,ডাঃ তাছরিন,হোমিওপ্যাথ

শিশুর কৃমি হবার কারণ লক্ষণ ও প্রতিরোধে করনীয়ঃকৃমি অনেক পুরাতন একটি পেটের সমস্যা। বিভিন্ন বয়সী মানুষদের এই সমস্যা হতে পার...
31/07/2019

শিশুর কৃমি হবার কারণ লক্ষণ ও প্রতিরোধে করনীয়ঃ
কৃমি অনেক পুরাতন একটি পেটের সমস্যা। বিভিন্ন বয়সী মানুষদের এই সমস্যা হতে পারে। তবে শিশুদের মধ্যে এই সমস্যা সবচাইতে বেশি দেখা যায়। প্রায় সময় শিশুদের পেটে ব্যথা, বমিবমি ভাব, খাদ্যে অরুচি, পায়খানার রাস্তায় চুলকানি ইত্যাদি হয়ে থাকে। এইসব লক্ষণ দেখা দিলেই বুঝে নিতে হবে শিশুটি কৃমিতে আক্রান্ত হয়েছে। আসুন আজকে জেনে নেই কৃমি কী, কেন হয় এবং শিশুদের কৃমি হলে কিভাবে প্রতিরোধ করতে হয় তা নিয়ে বিস্তারিত।
কৃমি হলো একধরনের পরজীবী। এটি মানুষের অন্ত্রে বাস করে। বিভিন্ন প্রকারের কৃমি হয়ে থাকে, যেমন- গোল কৃমি, সুতা কৃমি, ফিতা কৃমি, বক্র কৃমি। এগুলো বিভিন্ন আকারেরও হয়ে থাকে।



বিভিন্ন কারণে কৃমি হয়ে থাকে। অস্বাস্থ্যকর টয়লেট ব্যবহার, অপরিষ্কার ঘরবাড়ি, টয়লেট-এর পর হাত ভালোভাবে না ধোয়া, দূষিত পানি ব্যবহার, খাবার ভালোভাবে না ধুয়ে রান্না করা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না করা, হাতের নখ বড় রাখলে এবং অর্ধসেদ্ধ গরুর মাংস খেলে কৃমি হতে পারে। অনেকে মনে করেন মিষ্টি খেলে কৃমি হয়ে থাকে এটি একটি ভুল ধারণা। মিষ্টি খাওয়ার সাথে কৃমি হওয়ার কোনো সম্পর্কই নেই।
শিশুরা সাধারণত বেশি কৃমিতে আক্রান্ত হয়ে থাকে। কৃমিতে আক্রান্ত হলে শিশুর শরীরের বিস্তার ভালোভাবে ঘটে না, শিশু অপুষ্টিতে আক্রান্ত হয়। কৃমি অন্ত্রে রক্তপাত ঘটিয়ে শিশুকে রক্তশূন্য করে ফেলে। আবার অন্ত্রে পরিপাক ও শোষণে বাঁধার সৃষ্টি করে, যার ফলে শিশুর ডায়রিয়া হয়ে থাকে। এভাবে শিশু দুর্বল হয়ে পড়ে এবং শিশুর বিকাশ ঠিকভাবে ঘটে না।

শিশুদের কৃমি কেন হয়?
১. শিশুকে অপরিষ্কার রাখলে।

২. ৬ মাস বয়স পর্যন্ত বুকের দুধের বাহিরে অন্য কিছু খাওয়ালে।

৩. শিশু খালি পায়ে থাকলে পায়ের নখের ভেতরে কৃমির ডিম প্রবেশ করে অন্ত্রে পৌঁছায়। এভাবে শিশু কৃমিতে আক্রান্ত হয়।

৪. খাওয়ানোর পূর্বে হাত ঠিক করে পরিষ্কার না করলে।

৫. নিয়মিত গোসল না করালে।

৬. শিশুর নখ নিয়মিত না কাটলে।



শিশুর কৃমি প্রতিরোধে করনীয়
(১) ৬ মাস পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়ানো

শিশু জন্মের পর থেকে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধ ছাড়া অন্য কিছু দেয়া যাবে না। ৬ মাস এর পর থেকে দুধের পাশাপাশি অন্য খাবারও দেয়া যাবে। কিন্তু এর আগে অন্য খাবার দিলে খাবারের সাথে শিশুর পেটে কৃমির ডিম ঢুকে পরতে পারে। তাই ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে মায়ের দুধই খেতে দিতে হবে।

(২) পরিষ্কার পানি ব্যবহার

পরিষ্কার ও নিরাপদ পানি ব্যবহার করতে হবে। পানি পান করা থেকে শুরু করে ধোয়া-মোছা, রান্নাবান্না, সবক্ষেত্রে পরিষ্কার ও নিরাপদ পানি ব্যবহার করা আবশ্যক।

(৩) খালি পায়ে হাঁটার অভ্যাস দূরীকরণ

খালি পায়ে হাটার অভ্যাস দূর করতে হবে। খালি পায়ে হাঁটলে পায়ের নখ দিয়ে কৃমির ডিম শিশুর অন্ত্রে পৌঁছায়। তাই শিশুকে খালি পায়ে হাঁটা থেকে বিরত রাখতে হবে।

(৪) নিয়মিত গোসল করানো

শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। শিশুকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে শিশুর শরীরের ময়লা আবর্জনার সাথে কৃমির ডিম শিশুর অন্ত্রে পৌঁছায়, যার ফলে শিশু কৃমিতে আক্রান্ত হয়।

(৫) প্রতি ৪ মাস পরপর কৃমির ঔষধ খাওয়া

প্রতি ৪ মাস পরপর পরিবারের সবাইকে কৃমির ঔষধ সেবন করতে হবে,কেনোনা পরিবারের একজনের কৃমি হলে বাকিদেরও কৃমি হয়ে থাকে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে প্রতি ৪ মাস পরপর কৃমির ঔষধ খেতে হবে।

কৃমির ঔষধ সেবনের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। শরীর ভালো থাকলে ঔষধ নিরাপদ হলেও অসুস্থ অবস্থায় বিপদজনক হতে পারে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কৃমির ঔষধ সেবন করা ঠিক না।
ডাঃ তাছরিন
ইসলামিক হোমিও চিকিৎসালয়
বারিধারা, ঢাকা।
মোবাইলঃ ০১৭৩৩০৯৫৮৫৯
কোরিয়ারেও ঔষধ পাঠানো হয়।

হেপাটাইটিস-বি প্রতিকারে হোমিওপ্যাথিঃ অনেকেই মনে করেন জন্ডিস এবং হেপাটাইটিস-বি একই রোগের ভিন্ন নাম। আসল ছবিটা কিন্তু অন্য...
18/06/2019

হেপাটাইটিস-বি প্রতিকারে হোমিওপ্যাথিঃ
অনেকেই মনে করেন জন্ডিস এবং হেপাটাইটিস-বি একই রোগের ভিন্ন নাম। আসল ছবিটা কিন্তু অন্যরকম। জন্ডিসের লক্ষণ দেখা দিলেও হেপাটাইটিস-বি অনেক বেশি বিপজ্জনক। এ রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করতে হোমিওপ্যাথিক প্রতিবিধান নিয়ে আজকের নিবন্ধ।

হেপাটাইটিস-বি লিভারের একটি মারাত্মক রোগ। হেপাটাইটিস-বি নামক একটি ভাইরাস এই রোগের কারণ। হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস মূলত লিভারকে আক্রমণ করে লিভার কোষ ধ্বংস করে তা অকেজো করে দেয়। বাস্তবে হেপাটাইটিস-বি এইডসের চেয়ে ১০০ গুণ বেশি সংক্রামক। এটি এইডসের ভাইরাস এইচআইভির চেয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সংক্রমণ করে। ফলে রোগী লিভার সিরোসিস বা ক্যান্সারে দ্রুত আক্রান্ত হয়। পৃথিবীতে এইডসের কারণে প্রতি বছর যত লোক মৃত্যুবরণ করে, হেপাটাইটিস-বির কারণে তার চেয়ে বেশি মানুষ মারা যায়। তামাকের পর একে দ্বিতীয় ক্যান্সার সৃষ্টিকারী হিসেবে গণ্য করা হয়। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৫% হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের দীর্ঘমেয়াদি বাহক এবং ২০ ভাগ লিভার সিরোসিস বা ক্যান্সারের কারণে মারা যায়। দিন দিন এই সংখ্যা বাড়ছে।

হেপাটাটিস-বি কীভাবে হয় :

* সংক্রমিত সুচের মাধ্যামে রক্তদান, রক্ত গ্রহণ বা সংক্রমিত রক্ত গ্রহণ অর্থাৎ রক্ত পরিসঞ্চালনের মাধ্যমে এই রোগ হয়। পেশাদার রক্তদাতাদের ২৯ ভাগই হলো এ রোগের বাহক।

* সংক্রমিত লোক বা বাহকের টুথব্রাশ, ইনজেকশনের সুচ, রেজার ইত্যাদির মাধ্যমে অন্য লোকে এই ভাইরাস সংক্রমিত হয়।

* সংক্রমিত পুরুষ থেকে নারীতে অথবা নারী থেকে পুরুষে যৌন মিলনের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়।

* এ ছাড়াও জন্মের সময় বাহক মা থেকে নবজাতকের শরীরে সংক্রমিত হয়।

কারা এই রোগ সংক্রমণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ :

* স্বাস্থ্য কর্মীরা * যাদের ঘন ঘন রক্তের প্রয়োজন * মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা * হেপাটাইটিস-বি বাহক মা থেকে যেসব সন্তানের জন্ম হয় * বেপরোয়া বা অবাধ যৌন জীবনযাপনে অভ্যস্ত মানুষ * যাদের অঙ্গ প্রতিস্থাপনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, তাদের এই রোগের সংক্রমনের উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে।

হেপাটাইটিস-বি এর উপসর্গ :

* জ্বর * মাথাব্যথা * দুর্বলতা * খাওয়ায় অরুচি বা ক্ষুধামন্দা * বমি * হলুদ ইউরিন * ত্বক এবং চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া।

রোগ নির্ণয় :

উপরোক্ত উপসর্গ ছাড়াও রক্ত পরীক্ষার (ঐইঝঅএ ঞবংঃ) মাধ্যমে হেপাটাইটিস-বি আছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়। রক্ত পজিটিভ হলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু করতে হবে। উপযুক্ত চিকিৎসার মাধ্যমে হেপাটাইটিস-বি থেকে আরোগ্য লাভ সম্ভব। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসার উদ্দেশ্য হচ্ছে লিভার কোষ ধ্বংসের গতি বন্ধ করা এবং শরীরকে ভাইরাসমুক্ত করা।

প্রতিরোধ :

* রক্ত পরিসঞ্চালনের সময় দাতার রক্তে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস আছে কিনা তা পরীক্ষা করে নিতে হবে। রক্ত পরিসঞ্চালনের আইন অনুযায়ী এ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক।

* একজনের ব্যবহার্য টুথব্রাশ, ইনজেকশনের সুচ, দাড়ি কাটার রেজার ইত্যাদি অন্যজনের ব্যবহার করা উচিত নয়।

* যৌন মিলনের সময় অবশ্যই কনডম ব্যবহার করতে হবে।

হোমিওপ্যথিক প্রতিবিধান :

হোমিওপ্যাথিতে হেপাটাইটিস-বি রোগে ওষুধ নির্বাচন করা খুব সহজ নয়। এই রোগ আরোগ্য হওয়ার জন্য যে ওষুধগুলো ব্যবহৃত হয় তা সংক্ষেপে নিম্নে প্রদত্ত হলো যথা : মার্কুরিয়াস সলিউবিলিস, নেট্রাম সালফ, হাইড্রাসটিস, চেলিডোনিয়াম, কার্ডুয়াস-মেরিনাস, চিয়োন্যানথাস-ভার্জিনিকা, কার্বোভেজ, ডলিকস, চায়না, লাইকোপোডিয়াম, নাক্সভমিকা উল্লেখযোগ্য। তার পরও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থেকে ওষুধ সেবন করা উচিত।

ইসলামিক হোমিও চিকিৎসালয়
ডাঃ তাসরিন হোসেন তাহসিন
বারিধারা, ঢাকা,
মোবাইলঃ ০১৭৩৩০৯৫৮৫৯

Address

বারিধারা ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ
Dhaka
12

Opening Hours

Monday 17:05 - 23:00
Tuesday 17:30 - 23:00
Wednesday 17:30 - 23:00
Thursday 17:30 - 23:00
Friday 09:30 - 12:15
17:00 - 23:00
Saturday 17:00 - 23:00
Sunday 17:00 - 23:00

Telephone

1733095859

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমরা হোমিও প্যাথিক ডাক্তার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share