আসুন ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • আসুন ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি

আসুন ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি ধর্ষিতার ক্রন্দন নয়, ধর্ষকের ফাসি চাই !

যে সকল মা-বোনেরা ধর্ষন বা নির্যাতিত হচ্ছে তারা তো “কারো না কারো” মা অথবা বোন। বলা হয়েছে এক মুসলমান অপর মুসলমা ভাই-ভাই। তবে কেন আমারা তোদের মা-বোন কে আমাদের মা-বোন মনে করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াই না। তবে কি আমরা মুসলমান নই...?
নাকি অপেক্ষা আছেন আপনার “মা-বোনের” ধর্ষনের...!!!

দেশকে সিঙ্গাপুর, ঢাকাকে ক্যালিফোর্নিয়া,হাতিরঝিলকে প্যারিস,বুড়িগঙ্গাকে টেমস বানাতে পারলেও!পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইলের বাং...
07/07/2019

দেশকে সিঙ্গাপুর,
ঢাকাকে ক্যালিফোর্নিয়া,
হাতিরঝিলকে প্যারিস,
বুড়িগঙ্গাকে টেমস বানাতে পারলেও!

পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশে বৃদ্ধা থেকে শুরু করে শিশু কন্যার জন্য এক বর্গমিটার নিরাপদ জায়গা আজো বানাতে পারলাম না!!!

Dr. Tuhin Malik

08/04/2019

০৬ ঘন্টা আপনি আমার সাথে যা ইচ্ছা করতে পারেন..!

08/03/2019

নারীর প্রতি হয়রানিমূলক আচরণ বন্ধ হোক।

ধর্ষণের অভিযোগে সেই ২ পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারমানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্র...
12/02/2019

ধর্ষণের অভিযোগে সেই ২ পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতার

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন, সাটুরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেন ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মাজহারুল ইসলাম।

সোমবার রাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিলুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সোমবার ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এদিন রাতেই তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) তাদেরকে আদালতে হাজির করা হবে।

এদিকে রবিবার ওই তরুণী মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) রিফাত রহমান শামিমের কাছে লিখিত অভিযোগ করার পর তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

লিখিত অভিযোগে ওই তরুণী দাবি করেন, তার এক খালা সাটুরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেনের কাছে প্রায় তিন লাখ টাকা পান। ওই টাকা আনতে ৬ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৫টার দিকে খালার সঙ্গে সাটুরিয়া থানায় যান তিনি। সেখান থেকে সেকেন্দার দুইজনকে নিয়ে সাটুরিয়া ডাক-বাংলোতে যান। ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা বাংলোতে তরুণী ও তার খালাকে আলাদা ঘরে আটকে রাখেন। তরুণীকে অস্ত্রের মুখে ইয়াবা সেবনে বাধ্য করে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। পরে ৮ ফেব্রুয়ারি সকালে তাদেরকে ডাকবাংলো থেকে বের করে দেওয়া হয়।

http://www.bd-pratidin.com/country/2019/02/12/399498

এদেশে কিছু জ্ঞানী-গুণীজন ও নারীবাদীদের দৃষ্টিতে নারীরা ধর্ষিত হলে, নারীদের অধিকার বা সম্মানহানি হয় না, অধিকার বা সম্মান...
15/01/2019

এদেশে কিছু জ্ঞানী-গুণীজন ও নারীবাদীদের দৃষ্টিতে নারীরা ধর্ষিত হলে, নারীদের অধিকার বা সম্মানহানি হয় না, অধিকার বা সম্মানহানি হয় নারীদের পর্দার কথা বললে...!!!😃😃😃😃

নানকিন ধর্ষণ: জাপানি সৈন্যদের এক বর্বরতার ইতিহাস !‘প্রতিদিনই শত শত বেসামরিক লোককে হত্যা করা হতো। শহরের এমন কোনো স্থান ছি...
13/01/2019

নানকিন ধর্ষণ: জাপানি সৈন্যদের এক বর্বরতার ইতিহাস !

‘প্রতিদিনই শত শত বেসামরিক লোককে হত্যা করা হতো। শহরের এমন কোনো স্থান ছিল না, যেখানে লাশ ছিল না। লাশের গন্ধে সব সময় পেট ফুলে থাকতো। ৮/১০ বছরের মেয়েরাও ধর্ষণের হাত থেকে রেহাই পেতো না। বাসা থেকে মেয়েদের তুলে নিয়ে যাওয়া হতো। অনেক সময় বাবা-ভাইয়ের চোখের সামনেই তাদের ধর্ষণ করা হতো।’

মিনি ভট্রিন নামে এক মার্কিন নাগরিকের বর্ণনায় নানকিংয়ে জাপানি বাহিনীর নিষ্ঠুরতার এই চিত্র উঠে এসেছে। সে সময় নানকিনের জিনলিং উইমেন কলেজের ডিন ছিলেন তিনি। ১৯৩৭ সালের ১৩ ডিসেম্বরে দ্বিতীয় চীন-জাপান যুদ্ধ শুরু হয়। এ সময় জাপান চীনের তৎকালীন রাজধানী নানকিং (বর্তমান নাম নানজিং) দখল করে নেয়।

সেদিন থেকে শুরু করে ছয় সপ্তাহের ব্যবধানে নানকিংয়ে জাপানি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ ও ব্যাপক ধর্ষণ ইতিহাসে ‘নানকিন গণহত্যা’ বা ‘দ্য রেপ অব নানকিন’ নামে পরিচিত। এটি পৃথিবীর ইতিহাসে স্বল্পতম সময়ে সংঘটিত সবচেয়ে ভয়াবহতম ও জঘন্যতম হত্যা ও ধর্ষণ অধ্যায়।

এই সময়ে জাপানি বাহিনী প্রায় ৩ লাখ বেসামরিক ও নিরস্ত্র লোককে হত্যা করে। ধর্ষণ করে কয়েক লাখ শিশু, কিশোরী, তরুণী এমনকি বৃদ্ধাকেও। পাশাপাশি চালায় লুটতরাজ।

যুদ্ধের প্রথম দিন ১৩ ডিসেম্বর প্রায় ৩০ জন সৈন্য নানচিং-এর দক্ষিণ-পূর্ব অংশে হসিং লু কুতে একটি চীনা বাড়িতে আসে এবং ভিতরে প্রবেশ করার সুযোগ দাবি করে। হা নামের একজন মোহাম্মেদান দরজা খোলেন।

তারা তৎক্ষণাৎ একটি রিভলভার দিয়ে তাঁকে হত্যা করে। তাঁর মৃত্যুর পর মিসেস হা তাদের সামনে হাঁটু গেড়ে বসেন এবং আর কাউকে হত্যা না করার জন্য অনুরোধ করেন। মিসেস হা তাদের কাছে জানতে চান যে, কেন তারা তাঁর স্বামীকে মেরেছে। তারা তাঁকে গুলি করে। মিসেস হসিয়াকে গেস্ট হলের একটি টেবিলের নিচ থেকে টেনে-হিঁচড়ে বের করা হয় যেখানে তিনি তাঁর ১ বছরের বাচ্চাকে নিয়ে লুকিয়ে ছিলেন।

তাঁকে নগ্ন করার পর এবং এক বা একাধিক সৈন্য তাঁকে ধর্ষণ করার পরে তাঁর বুকে বেয়োনেট দিয়ে আঘাত করা হয় এবং তাঁর যোনির মধ্যে একটি বোতল ঢুকিয়ে দেয়া হয়। শিশুটিকে বেয়োনেট দিয়ে হত্যা করা হয়।

এরপর কিছু সৈন্য পরের কক্ষে যায়, যেখানে মিসেস হসিয়ার বয়স্ক পিতা-মাতা এবং ১৬ ও ১৪ বছর বয়সী দুই মেয়ে ছিলেন। সৈন্যরা তাদেরকে ধর্ষণ করতে উদ্যত হলে তাদের নানি তাদেরকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন।

সৈন্যরা একটি রিভলভার দিয়ে তাঁকে হত্যা করে। তাঁর স্বামী স্ত্রী দেহ আঁকড়ে ধরেন এবং তাঁকেও হত্যা করা হয়। এরপর মেয়ে দুইটিকে নগ্ন করা হয়; বড়টিকে ২–৩ জন এবং ছোটটিকে ৩ জন ধর্ষণ করে। বড় মেয়েটিকে এরপর বেয়োনেট দিয়ে আঘাত করা হয় এবং তার যোনিতে একটি বেত প্রবেশ করানো হয়।

ছোট মেয়েটিকেও বেয়োনেটবিদ্ধ করা হয় কিন্তু তার মা ও বোনের সঙ্গে যে ভয়ানক আচরণ করা হয়েছে তা থেকে তাকে রেহাই দেয়া হয়। এরপর সৈন্যরা ঐ কক্ষে থাকা ৭–৮ বছর বয়সী আরেক বোনকে বেয়োনেটবিদ্ধ করে।

বাড়িটির শেষ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয় হা-এর যথাক্রমে ৪ ও ২ বছর বয়সী দুই ছেলে। বড়টিকে বেয়োনেটবিদ্ধ করা হয় এবং ছোটটির মাথা তরবারি দিয়ে কেটে ফেলা হয়। চ্যাং ঝি কিয়াং। তখন তার বয়স ছিল নয় বছর। সে তার মা ও ছোট ভাইকে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিল।

পথে তাদেরকে আটকে ফেলে সৈন্যরা। তার মাকে ধর্ষণ করতে চায়। কিয়াং বাধা দিলে তাকে ধরে ছুড়ে ফেলে দেয়। তার মাকে বিবস্ত্র হতে বলে। কিয়াংয়ের মা তা না করলে তাকে স্তনে বায়োনেট দিয়ে সজোরে আঘাত করে। এতে তার মা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। মৃত ভেবে সৈন্যরা চলে যায়। কিয়াং এবার গিয়ে তার মাকে ডেকে তোলার চেষ্টা করে। তার বুকের ক্ষত পরিমাপ করতে বস্ত্র সরাতেই ক্ষুধার্ত ছোট ভাইটি মায়ের স্তনে মুখ দেয়। কিন্তু তার মুখ ভরে ওঠে রক্তে।

ততক্ষণে তার মা সত্যিই না ফেরার দেশে চলে গেছে। ঝ্যাং জিউ হংয়ের বয়স তখন ১২ বছর ছিল। তার বাবা-মা কিছুদিন আগেই প্রাণ হারিয়েছে সৈন্যদের হাতে। সৈন্যরা তাদের বাসায় এসে তাকে নিয়ে যেতে চায়। তার দাদা বাধা দিলে তাকে হত্যার হুমকি দেয়। তবু হংকে ছাড়তে চান না তার দাদা। তিনি বলেন, ‘উৎসর্গ হওয়ার মতো বয়স এখনো তোমার হয়নি।’

তবে হং জানে সৈন্যদের সঙ্গে না গেলে সে ও দাদা দুজনকেই প্রাণ হারাতে হবে। এর চেয়ে একজনের প্রাণ যাওয়াই ভালো। দাদার বাধা সত্ত্বেও সে সৈন্যদের সঙ্গে যায়। সৈন্যরা পাশের কক্ষে নিয়ে তাকে পাশবিকভাবে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে অজ্ঞান হংকে সৈন্যরা রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায়। মাত্র ৪২ দিনে চ্যাং ঝি কিয়াং ও ঝ্যাং জিউ হংয়ের মতো লাখো মানুষ তৎকালীন বর্বর জাপানি বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়। ওয়াং ওয়েন য়ুর বয়স তখন ছিল ১৭। তিনি বলেন, ‘আমাদের ঘরবাড়ি সবকিছু আগেই জাপানি বিমান হামলায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। এরপর যখন তারা নানকিং দখল করল, তখন থেকে শুরু হলো অমানুষিক নির্যাতন। আমার চরম সৌভাগ্য যে আমি মৃত্যুকে এড়াতে সক্ষম হয়েছিলাম। ওরা নির্বিচারে মানুষ হত্যা করেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘শহরের এখানে-সেখানে লাশ পড়ে থাকত। আমি এক আত্মীয়ের সঙ্গে নানকিং ছাড়তে সক্ষম হই। আমরা পালিয়ে যাওয়ার সময় যখনই দেখতাম জাপানি সৈন্যরা টহল দিচ্ছে, আমরা লাশের সঙ্গে শুয়ে পড়তাম। তারা আমাদেরকে লাশ ভেবে চলে যেত। এত লাশ ছিল যে, তার সঙ্গে মিশে থাকলে বোঝার উপায় ছিল না।’ এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে কয়েকটি দূতাবাসের চেষ্টায় একটি ‘সেফ জোন’ গড়ে তোলা হয়। সেখানে আশ্রয় নেওয়াদের বেশির ভাগই ছিল নারী ও শিশু। তবে সেখানেও চীনা সৈন্যদের খুঁজে বের করার নামে ‘সেফ জোন’ তছনছ করে ফেলে জাপানি সৈন্যরা।

জর্জ ফিচ নানকিনে তখন মিশনারির দায়িত্বে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘নানকিং মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছিল। মানুষের পালানোর মতো জায়গা ছিল না। চোখের সামনে আমি বহু বেসামরিক লোককে হত্যা করতে দেখেছি। গুলি করে হত্যার পাশাপাশি বহু মানুষকে শিরশ্ছেদও করা হয়েছে।’

নানকিং দখলের আগে নৌবাহিনীর সহায়তায় সাংহাই দখল করে জাপানি বাহিনী। এরপর তারা নানকিন দখল করতে অগ্রসর হয়। সে সময় সৈন্যদের সঙ্গে থাকা এক জাপানি সাংবাদিক বলেন, ‘১০ম আর্মি নানকিং দখল করার জন্য খুব দ্রুত এ জন্য এগেচ্ছিল যে, সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যদের মাঝে এই ধারণা ছিল, তারা সেখানে ইচ্ছেমতো লুট ও ধর্ষণ করতে পারবে।’

জাপানি ঔপন্যাসিক তাৎসুজো ইশিকাওয়া তার ‘ইকিতেইরু হেইতেই’ (বেঁচে থাকা সৈন্যরা) উপন্যাসে নানকিনে জাপানি সৈন্যদের ভয়াবহ অত্যাচারের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি ১৯৩৮ সালের জানুয়ারিতে জাপানি সৈন্যদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে উপন্যাসটি রচনা করেন।

নানকিনে জাপানি সৈন্যদের নিষ্পেষণ কতটা ভয়াবহ ছিল, তা ফুটে ‍উঠেছে সেই সময় জাপানি ভাষার পত্রিকা ‘টোকিও নিচি নিচি শিম্বুন’ ও জাপানি ইংরেজি ভাষার পত্রিকা ‘জাপান অ্যাডভারটাইজার’ এ। পত্রিকা দুটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘দুজন জাপানি সৈন্য এক প্রতিযোগিতায় নেমেছে- কে আগে শুধু তরবারি দিয়ে ১০০ লোককে হত্যা করতে পারে।’ নানকিনে জাপানি বাহিনীর বর্বরতা এতোটাই নির্মম ছিল যে, তার জের ধরে আজও জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে পারেনি চীন।

সূত্র : দ্য রেপ অব নানকিং: ইরিস চ্যাং ও উইকিপিডিয়া

মামলার রায় পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গণধর্ষণের শিকার দেবিদ্বারের চার সন্তানের জননী আটক ২
10/01/2019

মামলার রায় পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গণধর্ষণের শিকার দেবিদ্বারের চার সন্তানের জননী আটক ২

দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের পর পুকুরে ফেলে হত্যা.《《《গণধর্ষণের মধ্য দিয়ে ভোট ডাকাতদের বিজয় উৎসব তাই আজ ধর্ষণে মেতে...
08/01/2019

দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের পর পুকুরে ফেলে হত্যা.

《《《গণধর্ষণের মধ্য দিয়ে ভোট ডাকাতদের বিজয় উৎসব তাই আজ ধর্ষণে মেতে উঠেছে বাংলাদেশ》》》》

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর পুকুরে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ ধর্ষককে আটক করেছে।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার গাবতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সুস্মিতা উপজেলার গাবতলা গ্রামের প্রশান্ত দাসের মেয়ে ও গাবতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
আটক ধর্ষকের নাম জয়দেব সরকার। সে ওই গ্রামের নির্মল সরকারের ছেলে এবং বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।
সুস্মিতার বাবা প্রশান্ত দাস জানান, তার মেয়ে জয়দেবের বোনের কাছে প্রতিদিন বিকেলে প্রাইভেট পড়তে যেত। রোববার বিকেলে জয়দেবের বোন বাড়িতে না থাকায় সে সুস্মিতাকে প্রাইভেট পড়িয়ে বাড়িতে ব্যাগ রেখে আবারো ডেকে নিয়ে যায়।
সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে গাবতলা গ্রামের সত্যরঞ্জন দাসের দোকান থেকে খাবার কিনে দিয়ে নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায় জয়দেব। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সুস্মিতাকে ধর্ষণ করে সে। একপর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে সুস্মিতা মারা গেছে ভেবে তাকে বাড়ির পুকুরে ফেলে দেয়া হয়।
পরে গ্রামবাসী সুস্মিতাকে খুঁজতে থাকার একপর্যায়ে জয়দেব পুকুর থেকে সুস্মিতাকে তুলে এনে নিজেদের বাথরুমে ফেলে রাখে। পরে রাত ১১টার দিকে পুলিশ ওই বাথরুম থেকে সুস্মিতার মরদেহ উদ্ধার করে। আটক করা হয় জয়দেব সরকারকে।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ আরটিভি অনলাইনকে জানান, সুস্মিতার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোমবার সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আটক জয়দেব সরকার ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে।

আশুলিয়ায় গণধর্ষণের বিচার না পেয়ে কিশোরীর আত্মহত্যা..গণধর্ষণ দিয়েই ভোট ডাকাত দের বিজয় উৎসব,বাকিটা বুঝে নিন...গণধর্ষণের ...
08/01/2019

আশুলিয়ায় গণধর্ষণের বিচার না পেয়ে কিশোরীর আত্মহত্যা..

গণধর্ষণ দিয়েই ভোট ডাকাত দের বিজয় উৎসব,
বাকিটা বুঝে নিন...

গণধর্ষণের বিচার না পেয়ে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় এক নারী পোশাক শ্রমিক আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন। মাহফুজা নামে ১৬ বছরের এই কিশোরী যে গার্মেন্টে কাজ করতেন সেই প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজারসহ কয়েকজন মিলে রাতের আঁধারে তাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে।

সোমবার সকালে জামগড়া রূপায়ণ গেট এলাকায় রবিউলের ভাড়া বাড়ি থেকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত কিশোরী পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার কালাইপাড়া গ্রামের আবু হানিফের মেয়ে। আবু হানিফ জামগড় এলাকায় মুদি দোকান করতেন। মাহফুজা বাসা থেকেই গার্মেন্টে আসা যাওয়া করতেন।

নিহতের বোন আফরুজা জানান, তার বোন জামগড়া এলাকার ইয়াগী পোশাক কারখানায় চাকরি করত। রহিম নামের একজন সুপারভাইজার তাকে বেশ কিছু দিন ধরে বিরক্ত করছিল।

শনিবার রাতে বাসায় ফেরার সময় ওই কারখানার সুপারভাইজার রহিম, লাইন চিপ রিপন, স্বপন ও হৃদয় তার বোনকে জোড় করে তুলে নিয়ে রূপায়ণ মাঠে রাতভর নির্যাতন করে ভোররাতে ছেড়ে দেয়। ঘটনার পর তার বোন আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশ ঘটনার সত্যতাও খুঁজে পায়।

ধর্ষণের ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে এলাকার নাজমুল নামের এক লম্পটের নেতৃত্বে ঘটনার বিচার করে ধর্ষকদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। কিন্তু জরিমানার টাকা ধর্ষিতার পরিবারকে না দিয়ে নিজেরা ভাগবাটোয়ারা করে নেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুরো টাকা আত্মসাৎ করতে সালিশকারীরা উল্টো ধর্ষিতার বোন, বাবা ও ধর্ষিতাকে হুমকি ধমকি দিচ্ছিলেন। এ নিয়ে আর বাড়াবাড়ি না করতে শাসিয়ে দেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নিহতের বোন আফরুজা বলেন, সালিশের নামে ওরা রহিমদের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে আমাদের এ নিয়ে বাড়াবাড়ি না করতে ভয়ভীতি দেখায় ও হুমকি দেয়। সব মিলিয়ে আমরা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ি। এসব নিয়ে আমার বোন মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে ছিলেন। লিখিত অভিযোগ পেয়ে থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আবুল কালাম আজাদ মাহফুজার বাসায়ও যান রোববার। থানা থেকে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় হতাশ হয়ে পড়েন মাহফুজা। জানতে চাইলে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলাটি প্রক্রিয়াধীন ছিল।

ধর্ষিতার বাবা জানান, সোমবার সকালে প্রতিদিনের মতো সবাই বাসা থেকে কাজের জন্য বের হয়ে যায়। এ সময় মাহফুজা ও আমার বড় মেয়ে বাসায় ছিল। একপর্যায়ে বড় মেয়ে বাসার বাইরে গেলে মাহফুজা আত্মহত্যা করে। পুলিশ ধর্ষক রহিমকে আটক করেছে।

মোহনা বাসের ভেতর নারীর লাশ : অপর দিকে সোমবার সকালে আশুলিয়া ডিইপিজেডের সামনের মহাসড়কে রাখা মোহনা বাসের মধ্য থেকে ২৮ বছর বয়সী এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের বাড়ি শেরপুর জেলায়। মহিলার নাম দুখিনী বেগম। পুলিশ জানান, এ নারী মোহনা পরিবহনের যাত্রী ছিল। কি কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা যানা যায়নি। বাসের চালক ও হেলপার পলাতক।

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় এক সন্তানের জননীকে (২২) গণধর্ষণ।গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত তিনজন। এর মধ্যে ফজলু এবং মাসুক নামে দুইজন...
07/01/2019

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় এক সন্তানের জননীকে (২২) গণধর্ষণ।

গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত তিনজন। এর মধ্যে ফজলু এবং মাসুক নামে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে উপজেলার কাশীনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নির্যাতিত নারীর বাবা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় জড়িত ফজলু, মাসুক ও রিপনকে আসামি করে জুড়ী থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।

ওই নারীর বাবা বাবা জানান, তিনি মেয়েকে ফুলতলায় বিয়ে দেন। তার মেয়ের ঘরে এক কন্যা সন্তান রয়েছে। মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় মেয়ের স্বামী তাকে তালাক দেয়। কিন্তু মেয়ে ও নাতনি তার বাড়িতে থাকে। মাঝে মধ্যে তার মেয়ে একা ঘুরে বেড়াত। বুধবার রাতে প্রতিবেশী সিএনজি অটোরিকশাচালক মাসুক তার মেয়েকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে তার সহযোগী রিপন ও ফজলু মিলে রাতভর ধর্ষণ করে।

জুড়ী থানা পুলিশের ভারপ্তাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার বলেন, ওই নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলার তিন আসামির মধ্যে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন জবানবন্দি দিয়েছে। অপর আসামি রিপনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Address

Purana Palton
Dhaka
1000

Telephone

10921

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আসুন ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Our Story

নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ cসেল109 (সকল অপারেটর থেকে) 10921 (জিপি ও বাংলালিংক বাদে) ( টোল ফ্রি )নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধে গড়ে উঠেছে “নারী ও শিশু বিষয়ক হেল্পলাইন” কলসেন্টারটি যার নাম্বার দু'টি হলো 109 (সকল অপারেটর থেকে), 10921 (জিপি ও বাংলালিংক বাদে)।

যে সকল মা-বোনেরা ধর্ষন বা নির্যাতিত হচ্ছে তারা তো “কারো না কারো” মা অথবা বোন। বলা হয়েছে এক মুসলমান অপর মুসলমা ভাই-ভাই। তবে কেন আমারা তোদের মা-বোন কে আমাদের মা-বোন মনে করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াই না। তবে কি আমরা মুসলমান নই...? নাকি অপেক্ষা আছেন আপনার “মা-বোনের” ধর্ষনের...!!!