KeeKori

KeeKori Like this page to get huge Solution of Legal Matters and Medical Information for every day life.

★টিপস[নতুন কনটেন্ট ক্রিয়েটর অনেকে জানতে চেয়েছেন তাই আপনাদের উদ্দেশ্যে পোষ্টটা]☺️📌📌ফেসবুক স্টোরি থেকে আয় করার নতুন সুযোগ...
05/08/2025

★টিপস[নতুন কনটেন্ট ক্রিয়েটর অনেকে জানতে চেয়েছেন তাই আপনাদের উদ্দেশ্যে পোষ্টটা]☺️

📌📌ফেসবুক স্টোরি থেকে আয় করার নতুন সুযোগ: 👇
ফেসবুক ক্রমাগত তাদের মনিটাইজেশন সিস্টেম আপডেট করছে, আর এবার তারা ফেসবুক স্টোরি থেকেও আয় করার সুযোগ এনেছে। যারা ফেসবুকের কন্টেন্ট মনিটাইজেশন প্রোগ্রামের অংশ, তারা এখন তাদের পাবলিক স্টোরির ভিউ থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। এই নতুন ফিচার কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করতে পারে।

ফেসবুক স্টোরি থেকে আয়ের জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলী

যারা ফেসবুক স্টোরি থেকে আয় করতে চান, তাদের অবশ্যই কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে:

1. যোগ্যতা:

ফেসবুকের পার্টনার মনিটাইজেশন পলিসি মেনে চলতে হবে।

স্টোরিগুলো পাবলিক (Public) থাকতে হবে।

আপনাকে অবশ্যই ফেসবুকের যোগ্য দেশগুলোর মধ্যে থাকতে হবে।

2. মনিটাইজেশন প্রোগ্রামে যোগদানের নিয়ম:

আপনার ফেসবুক পেজ বা প্রোফাইল পেশাদার মোডে (Professional Mode) থাকতে হবে।

যথেষ্ট ভিউ এবং এনগেজমেন্ট থাকতে হবে (ফেসবুক সাধারণত নির্দিষ্ট ভিউ রিকোয়ারমেন্ট দেয়)।

3. আয়ের ধরন:

ফেসবুক স্টোরির উপর অ্যাড ব্রেকস (Ad Breaks) বা ইন-স্টোরি অ্যাডস যুক্ত হতে পারে।

স্পন্সরশিপ ও ব্র্যান্ড ডিলের মাধ্যমে অতিরিক্ত ইনকামের সুযোগ থাকবে।

ফেসবুক স্টোরি থেকে আয় করার স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড

১. প্রোফাইল বা পেজ মনিটাইজেশন চেক করুন

প্রথমে দেখে নিন, আপনি ফেসবুকের মনিটাইজেশন পলিসির আওতায় পড়েন কিনা। এটি চেক করতে:

Facebook Creator Studio বা Meta Business Suite এ যান।

Monetization সেকশনে গিয়ে Eligibility Status চেক করুন।

২. স্টোরি পাবলিক করুন

ফেসবুক স্টোরি পোস্ট করার সময় সেটাকে “Public” অপশনে সেট করুন।

প্রাইভেট বা ফ্রেন্ডস অনলি স্টোরি মনিটাইজড হবে না।

৩. নিয়মিত ও আকর্ষণীয় কন্টেন্ট তৈরি করুন

কন্টেন্ট যেন অরিজিনাল এবং এনগেজিং হয়।

স্টোরির মাধ্যমে ব্র্যান্ড বা প্রোডাক্ট প্রোমোশনও করা যেতে পারে।

৪. ইন-স্টোরি অ্যাডস চালু করুন।

ফেসবুক পেমেন্ট সেটআপ করুন (PayPal বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট)।

আয়ের রিপোর্ট চেক করতে Meta Business Suite → Monetization Section এ যান।

নির্দিষ্ট থ্রেশহোল্ড (সাধারণত $100) অতিক্রম করলে টাকা তুলতে পারবেন।

ফেসবুক স্টোরি থেকে আয় বাড়ানোর টিপস

নিয়মিত কন্টেন্ট পোস্ট করুন – প্রতিদিন ৩-৫টি স্টোরি পোস্ট করলে বেশি রিচ পাওয়া যায়।
ভিডিও স্টোরি পোস্ট করুন – ভিডিও কন্টেন্ট বেশি এনগেজমেন্ট পায়।
ট্রেন্ডিং টপিক কভার করুন – জনপ্রিয় বিষয়ের উপর কন্টেন্ট তৈরি করুন।
ইন্টারেক্টিভ স্টোরি ব্যবহার করুন – পোল, কুইজ, এবং স্টিকার ব্যবহার করে ভিউ বাড়ান।
শেয়ার করুন ও প্রচার করুন – স্টোরিগুলো বিভিন্ন গ্রুপে শেয়ার করলে বেশি ভিউ পাবেন।

ফেসবুক স্টোরি মনিটাইজেশন সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্ন

১. স্টোরির জন্য ইনকাম কেমন হয়?

ইনকাম নির্ভর করে ভিউ, এনগেজমেন্ট, এবং বিজ্ঞাপনের ধরন এর উপর। উন্নত দেশ থেকে ভিউ বেশি হলে সিপিএম রেট বেশি পাওয়া যায়।

২. নতুন পেজ বা প্রোফাইল কি মনিটাইজ হবে?

না, নতুন পেজ বা প্রোফাইলের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ এনগেজমেন্ট এবং ফলোয়ার দরকার।

৩. স্টোরির মনিটাইজেশন কবে চালু হবে?

ফেসবুক এই ফিচার কিছু নির্দিষ্ট দেশে চালু করেছে, ধীরে ধীরে অন্য দেশেও চালু হবে।

৪. সব স্টোরি কি মনিটাইজড হবে?

না, শুধু পাবলিক স্টোরিগুলো মনিটাইজড হবে এবং ফেসবুকের নীতিমালা মেনে চলতে হবে।

শেষ কথা। Juri dutta ✍️ ✍️

ফেসবুক স্টোরি মনিটাইজেশন নতুন এবং লাভজনক সুযোগ হতে পারে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য। যদি আপনি নিয়মিতভাবে উচ্চমানের, আকর্ষণীয় এবং ট্রেন্ডিং কন্টেন্ট তৈরি করতে পারেন, তাহলে সহজেই ফেসবুক থেকে উপার্জন করা সম্ভব..!!❤️



14/06/2025
রোজায় ডায়াবেটিস রোগীর করণীয়=====================ডায়াবেটিসের রোগীরা খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম ও ওষুধের নিখুঁত সময়সূচি ও ...
28/05/2025

রোজায় ডায়াবেটিস রোগীর করণীয়
=====================
ডায়াবেটিসের রোগীরা খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম ও ওষুধের নিখুঁত সময়সূচি ও নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলেন। তাই রমজান মাসে তাদের বেশ অসুবিধায় পড়তে হয়। কেননা অনিয়মের কারণে কখনও কখনও তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে কিংবা কমে যেতে পারে।

বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, রমজান মাসে ডায়াবেটিক রোগীদের শরীরে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার মাত্রা বেড়ে যায়। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকায় পানিশূন্যতাই এর মূল কারণ। ফলে শরীরের ব্লাড পেশার কমে গিয়ে অজ্ঞান হওয়া, পড়ে গিয়ে আঘাত পাওয়া, হাড় ভেঙে যাওয়াসহ বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে। কাজেই রোজা রাখার জন্য ডায়াবেটিস রোগীদের পূর্ব-প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা দরকার।

রমজানে ডায়াবেটিস রোগীদের করণীয়ঃ
রোজা রাখার জন্য শরীর উপযুক্ত কি না এটাই সর্বপ্রথম ডায়াবেটিস রোগীদের জেনে নেওয়া উচিত। শরীরে শর্করার মাত্রা খুবই অনিয়ন্ত্রিত হলে অর্থাৎ তিন মাসের মধ্যে মারাত্মক হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা শর্করাস্বল্পতা, কিটোঅ্যাসিডোসিস বা শর্করার মারাত্মক আধিক্য থাকলে রোজা রাখা উচিত নয়। ডায়াবেটিস ছাড়াও অন্যান্য শারীরিক সমস্যা যেমন যকৃতের সমস্যা, হৃদরোগ ও কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত হলেও রোজা না রাখাই ভালো। এই তালিকায় অবশ্য গর্ভবতী ডায়াবেটিস রোগী ও ডায়ালাইসিস নিচ্ছেন এমন রোগীরাও পড়বেন।

অন্যদের মধ্যে যারা কেবল খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের মাধ্যমেই শর্করা নিয়ন্ত্রণ করছেন বা মেটফরমিন, ডিপিপি ৪ ইনহিবিটর বা গ্লিটাজন শ্রেণির ওষুধ খান তাদের রোজা রাখা বেশ নিরাপদ। যারা ইনসুলিন বা ওষুধ ব্যবহার করেন তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা ঝুঁকি রয়েছে। এক্ষেত্রে তাদের অবশ্যই নতুন করে ওষুধের মাত্রা ও সময় জেনে নিতে হবে।

খাদ্যাভ্যাসঃ
রমজানে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্যালরির চাহিদা আগের মতোই থাকবে। শুধু খাবার গ্রহণ ও সময়ের কিছুটা পরিবর্তন হবে। ইফতারে বিকল্প চিনি দিয়ে ইসবগুলের ভুষি, তোকমা, লেবু কাঁচা আম বা তেঁতুল শরবত এসব রোগীদের জন্য উপকারী। ডাব ছাড়া অন্যান্য মিষ্টি ফলের রস না খাওয়াই ভালো। টক ও মিষ্টি উভয় ধরনের ফলের সালাদ খাওয়া যেতে পারে, এতে খনিজ লবণ ও ভিটামিনের অভাব পূরণ হবে। কাঁচা ছোলার সঙ্গে আদাকুচি, টমেটো কুচি, পুদিনা পাতা ও লবণের মিশ্রণ বেশ সুস্বাদু খাবার। কাঁচা ছোলা রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

সন্ধ্যা রাতে (ইফতার পরবর্তী) খাবার একেবারে বাদ দেওয়া উচিত নয়। কম করে হলেও খেতে হবে। অন্য সময়ের রাতের খাবারের সমপরিমাণ হবে রমজানে ডায়াবেটিস রোগীর খাবার। রোগী ভাত খেতে পারবে তবে চিকিৎসক কর্তৃক বরাদ্দ খাবারের পরিমাণের দিকে সর্বদা সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। হালকা মসলায় রান্না যে কোনো ছোট-বড় মাছ এবং সবজি নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে।

সেহরিতে (ভোররাতের খাবারে) রুটি অথবা ভাত রুচি অনুযায়ী গ্রহণ করুন। সেহরির খাবারের পরিমাণ হওয়া উচিত অন্যদিনের দুপুরের খাবারের সমপরিমাণ। সেহরিতে মাছ ও সবজি থাকতে পারে। দুধ অথবা ডাল যে কোনো একটা থাকলে ভালো হয়।

ইফতারে একসঙ্গে বেশি না খেয়ে অনেক খাবার ধাপে ধাপে ভাগ করে খান। এতে রক্তে হঠাৎই শর্করার মাত্রা বেড়ে যাবে না।

ওষুধ ও ইনসুলিনঃ
রমজানে খাবারের সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ওষুধ এবং ইনসুলিনের মাত্রা ও সময়সূচির অবশ্যই পরিবর্তন হবে। ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে দিনের ওষুধগুলোর সময় পরিবর্তন করে রাতে তা গ্রহণ করতে হবে। কারণ ওষুধের মাত্রা রক্তে শর্করার পরিমাণের ওপর অনেকটাই নির্ভর করে। এ কারণে নিজ থেকেই ওষুধের সময়সূচি পরিবর্তন করা যাবে না। অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ব্যায়ামঃ
ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে যারা প্রতিদিন রুটিনমাফিক ব্যায়াম ও হাঁটাহাঁটি করেন। রমজান মাসে তাদের সে রুটিনেও পরিবর্তন আনতে হবে। রোজা রেখে ব্যায়াম ও খুব বেশি হাঁটাহাঁটি করা যাবে না। তবে ইফতারের একঘণ্টা পর ও সেহরির আগে ব্যায়াম করতে পারেন।

সর্তকতাঃ
১. ডায়াবেটিসের সঙ্গে অন্য কোনো জটিলতা, যেমন- কিডনির রোগ, উচ্চমাত্রার ইউরিক থাকলে ডালের তৈরি খাবার থেকে বিরত থাকুন।
২. আলসার বা গ্যাসট্রাইটিসের সমস্যা থাকলে ডুবো তেলে ভাজা ও ঝাল যুক্ত খাবার পরিহার করুন।
৩. শরীরের ওজন বেশি থাকলে যতটা সম্ভব কম খাবার গ্রহণ করুন এবং খাবারে তেলের পরিমাণ কমিয়ে দিন।
৪. রোজা রেখে অত্যধিক হাঁটা বা ভারী ব্যায়াম থেকে বিরত থাকুন। কারণ এতে শরীরে রক্তের শর্করার মাত্রা নিচে নেমে গিয়ে বিপদ হতে পারে।

অনলাইন সংগৃহীত

২৪ ঘন্টায় আমাদের শরীরে দেহের কার্যক্রম।
25/05/2025

২৪ ঘন্টায় আমাদের শরীরে দেহের কার্যক্রম।

12/05/2025

🟫 আজ আপনাদের খুব সহজ করে শেখাবো বাচ্চার জ্বর হলে কিভাবে Paracetamol Syrup দিবেন?

আমরা হিসাব করবো প্রতি ৮ কেজি ওজনে ১ চামুচ বা ০৫ মিলি।
আপনার বাচ্চার ওজন যদি ৮ কেজি হয় তবে ১ চামুচ দিবেন। যদি ১৬ কেজি হয় তবে ২ চামুচ বা ১০ মিলি দিবেন।
কিন্তু যদি ১২ কেজি হয় তবে কতটুকু দিবেন?--৮ কেজিতে ১ চামুচ তাহলে ১২ কেজিতে দেড় চামুচ বা ৭.৫ মিলি।
এখন কথা হচ্ছে যদি ৭ কেজি হয় বা ৯ কেজি হয় বা ১১ কেজি হয় তাহলে কি করবেন?-আপনি মনে রাখবেন ৮ কেজিতে ০৫ মিলি। তাহলে ৭ কেজি হলে ৫ মিলির কিছুটা কম, ৯ কেজি হলে ৫ মিলির কিছুটা বেশি, ১১ কেজি হলে ৭.৫ মিলির কিছুটা কম। এভাবে হিসাব করে দিবেন
এখন তাহলে বলেনতো ৪ কেজি হলে কতটুকু দিবেন?

🟫 বাচ্চাদের কাশি হলে কি করবেন?

☘️ আপনার বাচ্চার যদি শুস্ক কাশি থাকে তবে Butamirate Citrate গ্রুপের ওষুধ দিবেন যা বাজারে Syrup Bukof/Mirakof নামে পাওয়া যায়।

🌸 ডোজ কিভাবে দিবেন?

আপনি হিসাব করবেন প্রতি ১০ কেজিতে হাফ চামুচ বা ২.৫ মিলি করে ০৩ বেলা--০৫/০৭ দিন

↪️ অর্থাৎ আপনার বাচ্চার ওজন যদি ২০ কেজি হয় তবে ১ চামুচ বা ০৫ মিলি করে ০৩ বেলা-০৫/০৭ দিন

এখন বলেনতো ১৫ কেজি ওজন হলে কতটুকু দিবেন?

এভাবে হিসাব করে দিবেন।

🌿আর যদি কফযুক্ত কাশি থাকে তবে

SYRUP. BRODIL LEVO (1 mg/5 ml):

১-৩ বছর: ২.৫ মিলি, ৩ বার (৭ দিন)।

🟫বাচ্চাদের সাধারণ সর্দি, এলার্জি বা হাঁচির ক্ষেত্রে কি করতে হবে?

Cetrizine গ্রুপের ওষুধ দিতে হবে। বাজারে এটি Alatrol Pediatric Drop নামে পাওয়া যায়।

👉 ডোজ কিভাবে দিবেন চলেন শিখায়।

আপনি হিসাব করবেন প্রতি কেজি ওজনে ৩ ফোটা।
ধরেন আপনার বাচ্চার ওজন ৫ কেজি, তবে তাকে ১৫ ফোটা বা ১ মিলি করে ১ বার দিবেন।

যদি আপনার বাচ্চার ওজন ১০ কেজি হয়, তবে তাকে ৩০ ফোটা বা ২ মিলি করে ১ বার দিবেন।

তাহলে বলেনতো ২.৫ কেজি হলে কতটুকু দিবেন?

এভাবে হিসাব করে দিবেন।

আরেকটা বিষয় বলি আপনাদের যেসব বাচ্চাদের রাতের বেলা বারবার ঘুম ভেঙে যায়-তাদেরকে উচু বালিশে শোয়াবেন এবং ঘুমানোর আগে Solo Nasal Drop ১ ফোটা করে ২ নাকে দিয়ে দিবেন। এতেও উঠে গেলে তখন
SOLO NASAL SPRAY
১ চাপ-২ নাকে দিবেন। কারণ ড্রপ থেকে স্প্রে ভাল কাজ করে।

🟫বাচ্চাদের ক্রিমির ওষুধ দেবার নিয়ম কি?

❌১ বছর বয়সের আগে বাচ্চাকে ক্রিমির ওষুধ খাওয়ানো যায় না।
✅৩ মাস পরপর বাচ্চাদের ক্রিমির ওষুধ দিতে হবে।

🔹 ১৩ মাস থেকে ২ বছর বয়সী বাচ্চাদের জন্য:

বাচ্চাকে যখন প্রথম ক্রিমির ওষুধ দিবেন তখন শুরু করবেন Syp Delentin/Melphin দিয়ে।
ডোজ-
১ চামচ ১ বার, ৭ দিন পর আবার ১ চামচ।

🔹 ২৫ মাস বা তার বেশি বয়সী বাচ্চাদের জন্য:

Syp. Solas: ১ চামচ সকালে এবং রাতে, এভাবে ৩ দিন।

অথবা

Syp. Almex: ২ চামচ ১ বার, ৭ দিন পর আবার ২ চামচ।

🌱বাচ্চাদের স্বাস্থ্য বিষয়ক সকল পরামর্শ ফ্রি-তে পেতে এই পেইজটি লাইক এবং ফলো করুন।ধন্যবাদ।

জেনে নিন কোন গ্রুপের রক্তবাহী মানুষ কেমন?????????????
12/05/2025

জেনে নিন কোন গ্রুপের রক্তবাহী মানুষ কেমন?????????????

গাড়িতে প্লেটের বর্ণমালার অর্থ জানেন কি?আমরা হয়তো অনেকেই জানি না যে, বাইক বা গাড়ির নাম্বার প্লেটের ক, খ, হ, ল ইত্যাদি অক্...
04/05/2025

গাড়িতে প্লেটের বর্ণমালার অর্থ জানেন কি?
আমরা হয়তো অনেকেই জানি না যে, বাইক বা গাড়ির নাম্বার প্লেটের ক, খ, হ, ল ইত্যাদি অক্ষরগুলো কি অর্থে ব্যবহৃত হয়।

BRTA-এর অনুমোদিত সকল যানবাহনে নাম্বারপ্লেট ব্যবহারের নিয়ম চালু হয় ১৯৭৩ সালে। আসলে এই নাম্বার প্লেট কি অর্থ বহন করে? নাম্বারপ্লেট অনেক মজার তথ্য বহন করে, যা আমাদের অনেকেরই ধারনা নেই।

বাংলাদেশের যানবাহনগুলোর নাম্বারপ্লেটের ফরম্যাট হচ্ছে- ‘শহরের নাম-গাড়ির ক্যাটাগরি ক্রম এবং গাড়ির নাম্বার’।

যেমন, ‘ঢাকা মেট্রো য-১১২৫৯৯। এখানে, ‘ঢাকা মেট্রো’ দ্বারা বোঝানো হয়েছে গাড়িটি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আওতাধীন।

‘য’ হচ্ছে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গাড়ির চিহ্নকারী বর্ণ। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতাধীন সব গাড়ি ‘য’ বর্ণ দ্বারা চিহ্নিত করা হবে। পরবর্তী ‘১১’ হচ্ছে গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নাম্বার এবং ‘২৫৯৯’ হচ্ছে গাড়ির সিরিয়াল নাম্বার।

সাধারণত বাংলা বর্নমালার ‘অ, ই, উ, এ, ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ত, থ, ঢ, ড, ট, ঠ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, শ, স, হ অক্ষরগুলো ব্যবহার করা হয়। উপরের প্রতিটি বর্ণ আলাদা আলাদা গাড়ির পরিচয় বহন করে।

চলুন জেনে নিই এগুলো দ্বারা কী বুঝায় –

ক – ৮০০ সিসি প্রাইভেটকার
খ – ১০০০-১৩০০ সিসি প্রাইভেটকার
গ – ১৫০০-১৮০০ সিসি প্রাইভেটকার
ঘ – জীপগাড়ি
চ – মাইক্রোবাস
ছ – মাইক্রোবাস / লেগুনা (ভাড়ায় চালিত)
জ – বাস (মিনি)
ঝ – বাস (কোস্টার)
ট – ট্রাক (বড়)
ঠ – ডাবল কেবিন পিকআপ
ড – ট্রাক (মাঝারী)
ন – পিকআপ (ছোট)
প – ট্যাক্যি ক্যাব
ভ – ২০০০+ সিসি প্রাইভেটকার
ম – পিকআপ (ডেলিভারী)
দ – সি এন জি (প্রাইভেট)
থ – সি এন জি (ভাড়ায় চালিত)
হ – ৮০-১২৫ সিসি মোটরবাইক
ল – ১৩৫-২০০ সিসি মোটরবাইক
ই – ট্রাক (ভটভটি)

অমৃতবাজার/শাওন

02/05/2025

বাংলাদেশে পাসপোর্ট ফি আপডেট (২০২৫) 👇

🟢 ৪৮ পৃষ্ঠা – ৫ বছর মেয়াদ
▪️ নিয়মিত: ৪,০২৫ টাকা
▪️ জরুরি: ৬,৩২৫ টাকা
▪️ অতীব জরুরি: ৮,৬২৫ টাকা

🟢 ৪৮ পৃষ্ঠা – ১০ বছর মেয়াদ
▪️ নিয়মিত: ৫,৭৫০ টাকা
▪️ জরুরি: ৮,০৫০ টাকা
▪️ অতীব জরুরি: ১০,৩৫০ টাকা

🟢 ৬৪ পৃষ্ঠা – ৫ বছর মেয়াদ
▪️ নিয়মিত: ৬,৩২৫ টাকা
▪️ জরুরি: ৮,৬২৫ টাকা
▪️ অতীব জরুরি: ১২,০৭৫ টাকা

🟢 ৬৪ পৃষ্ঠা – ১০ বছর মেয়াদ
▪️ নিয়মিত: ৮,০৫০ টাকা
▪️ জরুরি: ১০,৩৫০ টাকা
▪️ অতীব জরুরি: ১৩,৮০০ টাকা

#পাসপোর্টফি #বাংলাদেশপাসপোর্ট #জরুরিতথ্য #ভিসাএবংপাসপোর্ট

✅ ডাবের পানিঃ আমাদের দেশের ম্যাক্সিমাম মানুষ ডাবকে ঐশ্বরিক কিছু মনে করে থাকেন। তাদের কাছে যেন সর্ব রোগের মহৌষধ।বমি করলে ...
02/05/2025

✅ ডাবের পানিঃ আমাদের দেশের ম্যাক্সিমাম মানুষ ডাবকে ঐশ্বরিক কিছু মনে করে থাকেন। তাদের কাছে যেন সর্ব রোগের মহৌষধ।

বমি করলে ডাবের পানি, পায়খানা করলে ডাবের পানি। ঘেমে গেলে ডাবের পানি। আবার অনেকে মনে করে এটা খেলে শৌর্য বীর্য বাড়ে।

মজার কথা হলো Coconut water is very much poor in Sodium. তবে সেটা Potassium এ বেশ Fortified. আমরা যে খাবার Saline খাই সেখানে যে পরিমান Sodium থাকে সেটা Coconut Water দিয়ে পূরণ করতে গেলে ৪ টা ডাব খাওয়াতে হবে।

এদিকে Sodium কারেক্ট করতে গিয়ে বডিতে Potassium হয়ে যাবে ৪ গুণ। যেটা অবশ্যই ভাল কিছু হবে না আপনার হৃদয়ের জন্য।

এবার আসেন দামের কথায় আসি: একটা ডাবের দাম ঢাকায় এখন ১০০ টাকা যেটা সবচেয়ে ছোট। আর ভালো বড়ো সাইজের একটা ডাবের দাম ১২০-১৪০ টাকা। কিন্তু একটা Orsaline এর দাম মাত্র ৫ টাকা। যেখানে সব রকমের লবন উপাদান যেমন Sodium, Potassium মানুষের শরীরের সাপেক্ষে সমসত্ত্ব করে বানানো হয়।

এখন চিন্তা করেন সারাদিন ঘেমে কিংবা বমি করে আপনি বেশ কিছু Sodium Loss করে ফেলছেন বডি থেকে। এই Sodium এর ঘাটতি পূরণ করতে আপনি ৫ টাকার স্যালাইন খেলেন। এই স্যালাইন থেকে আপনার শরীর যতটুকু সোডিয়াম কালেক্ট করবে, সেই পরিমাণ ডাব খেয়ে কালেক্ট করতে গেলে লাগবে ৪০০ টাকার ডাব। সাথে তো আছে Potassium বেড়ে যাবার ভয়।

Heart এর রোগীকে ডাব খাওয়ায়ে মেরে ফেলার ইতিহাসও চোখে দেখা। আর ডাবে স্যালাইনের চেয়ে প্রায় ৩ গুণ Carbohydrates থাকে। মানে Diabetic রোগিদের জন্য এটাকে তরল না বলে গরল বলাই শ্রেয়!

তাই অতিরিক্ত ঘাম, বমি বা ডায়রিয়া হলে ৫ টাকার একটা স্যালাইন খান। ডাবের এই হাইপের জন্যই আজ ডাবওয়ালাদের এই সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে।

এটা সত্যিকার অর্থেই স্যালাইনের থেকে কম কার্যকর এবং আলাদা কোন স্বাস্থ্য সুবিধা এতে নেই। আর ব্যাপারটা তো এমনও না, যে চুমুকে চুমুকে বেহেস্তের খাবারের মতো স্বাদ পরিবর্তন হয়।

✅বিষয়টা সম্পর্কে সচেতন হোন এবং অন্যদেরকে জানাতে ভুলবেন না।🙏
©

✅ জনস্বার্থে প্রচারিত। নিজে জানুন এবং অন্যদেরকে জানাতে শেয়ার করুন:👇বৈশাখ মাসের প্রথম বৃষ্টিতে সদ্য প্লাবিত জলাশয়ের অগভ...
30/04/2025

✅ জনস্বার্থে প্রচারিত। নিজে জানুন এবং অন্যদেরকে জানাতে শেয়ার করুন:👇
বৈশাখ মাসের প্রথম বৃষ্টিতে সদ্য প্লাবিত জলাশয়ের অগভীর অঞ্চলের স্বচ্ছ পানিতে টাকি (Channa punctatus), শোল (Channa striatus), গজার (Channa marulius) ও রাগা (Channa gachua) মাছ ডিম ছেড়ে থাকে।

ডিম ফুটে বাচ্চা /রেনু (Spawn) হওয়ার পর বাচ্চাগুলো স্বচ্ছ পানিতে স্কুল ফর্ম (Schooling) করে মা বাবার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে (Parental Care) একই সঙ্গে ঘুরে বেড়ায়।

দেশের অনেক অঞ্চলে এটাকে "বাইশ (Baish)" বলে। আমরা মানুষ, প্রথমে কুচ/ টেডা/ হারপুন দিয়ে টাকি/শোল/ গজার মাছের মা-বাবা কে মারি ভর্তা খাওয়ার জন্য।

এরপর খুইয়া জাল/ মশারীর জাল/ গামছা দিয়া বাইশ / বাচ্চা ধরি, ভাজি খাওয়ার জন্য। ফলে মা, বাবা ও বাচ্চা মানে এদের বংশ শেষ।

এই বাইশ ধরা মৎস্য আইন ১৯৫০, ১৯৮৫ এবং ২০০০ অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ। বাইশ ধরা অতীতে ব্রিটিশ ভারতের Indian Fisheries Act 1897 এও নিষিদ্ধ ছিলো।

আসুন বাইশ ধরা থেকে বিরত থাকি ও অন্যকে বিরত রাখি।

আগামী প্রজন্মের জন্য মৎস্য সম্পদ রক্ষা করি। বিলুপ্ত প্রায় মৎস্য প্রাণিসম্পদ রক্ষায় অবদান রাখুন।

সমাজ সচেতন বোধ সৃষ্টি করুন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আপনারও দায় দায়িত্ব বোধ থাকা সামাজিক কর্তব্য।

সূত্রঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য প্রজন ও আহরণ সংস্থা।।

✅একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা:বৈশাখ মাসের প্রথম বৃষ্টিতে সদ্য প্লাবিত জলাশয়ের অগভীর অঞ্চলের স্বচ্ছ পানিতে টাকি (Channa...
30/04/2025

✅একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা:
বৈশাখ মাসের প্রথম বৃষ্টিতে সদ্য প্লাবিত জলাশয়ের অগভীর অঞ্চলের স্বচ্ছ পানিতে টাকি (Channa punctatus), শোল (Channa striatus), গজার (Channa marulius) ও রাগা (Channa gachua) মাছ ডিম ছেড়ে থাকে।
ডিম ফুটে বাচ্চা /রেনু (Spawn) হওয়ার পর বাচ্চাগুলো স্বচ্ছ পানিতে স্কুল ফর্ম (Schooling) করে মা বাবার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে (Parental Care) একসাথে ঘুরে বেড়ায়।
দেশের অনেক অঞ্চলে এটাকে "বাইশ (Baish)" বলে। A আবার অনেক এলাকায় এটাকে পোনা বলে।
আমরা প্রথমে হুল কুচি/ কোচ/ টেডা/ হারপুন দিয়ে টাকি/শোল/ গজার মাছের মা-বাবা কে মারি ভর্তা খাওয়ার জন্য।
এরপর খুইয়া জাল/ মশারীর জাল/ গামছা দিয়া বাইশ / বাচ্চা ধরি, ভাজি খাওয়ার জন্য। মা, বাবা ও বাচ্চা ধরা বা মারা মানে এদের বংশ শেষ।
ℹ️এই বাইশ ধরা মৎস্য আইন ১৯৫০, ১৯৮৫ এবং ২০০০ অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ। বাইশ/ পোনা ধরা অতীতে ব্রিটিশ ভারতের Indian Fisheries Act 1897 -তেও নিষিদ্ধ ছিলো।
আসুন বাইশ ধরা থেকে বিরত থাকি।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মৎস্য সম্পদ রক্ষা করি।🙏🌿

✅জনস্বার্থে শেয়ার করুন।🙏

©

Address

Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when KeeKori posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to KeeKori:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram