Health tips

Health tips Natural tips for good health in our daily life. We don’t provide any health consultation.

ফ্যাটি লিভার ঠেকাতে চিনিযুক্ত খাবার, চর্বিযুক্ত খাবার, এবং অতিরিক্ত তেল-মশলা এড়িয়ে চলা উচিত। ➡️চিনিযুক্ত খাবার,সোডা, ক...
27/02/2025

ফ্যাটি লিভার ঠেকাতে চিনিযুক্ত খাবার, চর্বিযুক্ত খাবার, এবং অতিরিক্ত তেল-মশলা এড়িয়ে চলা উচিত।

➡️চিনিযুক্ত খাবার,সোডা, ক্যান্ডি, ডেজার্ট, চিনিযুক্ত জুস, চর্বিযুক্ত খাবার মাখন, ঘি, পনির, রেড মিট।

➡️অতিরিক্ত তেল-মশলা
অতিরিক্ত তেল-মশলা খাওয়ার ফলে লিভারে মেদ জমে তা হল 'নন-অ্যালকোহলিক' ফ্যাটি লিভার

➡️সফট ড্রিংক্স, ও সুইটেন্ড এনার্জি ড্রিংক্স, সয়াবিন রিফাইন্ড অয়েল,
চকোলেট-আইসক্রিম,
পিৎজা, পাস্তা ও বার্গার এসব গুলো পরিহার করুন।

➡️ফ্যাটি লিভার ঠেকাতে করণীয়:-
উদ্ভিদের খাবারে মনোযোগ দিন।
ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য, বাদাম, বীজ এবং লেবুগুলিকে অগ্রাধিকার দিন,চর্বিহীন মাংস বেছে নেওয়া উচিত

➡️পরিমিতভাবে ভাত খেতে পারেন, বিশেষ করে ব্রাউন রাইস বেছে নিন

➡️লিভারের স্বাস্থ্যকে উন্নত করতে হলুদ, দুধের থিসল এবং ওমেগা -3 ফ্যাটি অ্যাসিড খেতে পারেন

⚠️ফ্যাটি লিভার নিয়ে সতর্ক না হলে লিভার সিরোসিসও হয়ে যেতে পারে।

18/11/2023

মেকআপ ছাড়াই চেহারায় জেল্লা আনতে হলে মানতে হবে যে ৫ নিয়ম

‘নো মেকআপ’ মেকআপ লুকের মতোই চেহারায় জেল্লা আসবে মেকআপের ধারেকাছে না গিয়েও। আর তা সম্ভব শুধু জীবনযাপনের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে।

মেকআপ কথাটির অর্থই আসলে কেমন যেন। আক্ষরিক অর্থে মেকআপ মানে কমতিগুলোকে পূরণ করা। অথচ সত্যিকার অর্থে মেকআপের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নিজের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে সুন্দর রূপে উপস্থাপন। আর এখন এ ক্ষেত্রে মিনিমালিস্ট মেকআপ আর ‘নো মেকআপ মেকআপ’–এর মতো ট্রেন্ডই তুঙ্গে। তবে ত্বকবিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে মেকআপ এক্সপার্ট—সবাই এখন ভেতর থেকে ত্বকের জেল্লা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিতে বলছেন সবাইকে।

স্কিন ফাস্টিং বা কোয়ায়েট কুইটিংয়ের মতো স্কিনকেয়ার ট্রেন্ড এখন ট্রেন্ডিং। কারণ একটাই। করোনা মহামারির পর থেকেই সাধারণ অর্থে সাজপোশাকের বাহুল্যের প্রতি কোথাও না কোথাও বিরাগ জন্মেছে মানুষের। আর সেই সঙ্গে সচেতনতা বেড়েছে নিজেকে ভেতর ও বাইরে থেকে সুস্থ রাখার প্রতি। তাই অতিরিক্ত মেকআপ ছাড়াই লাইফস্টাইলের পরিবর্তন করে চেহারার উজ্জ্বলতা ও সৌন্দর্য বাড়ানোর ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে উঠছেন সবাই।

মেকআপ করা রূপচর্চার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। নানা রং–ঢঙে নিজেকে সাজানোর আছে হাজারও কায়দা। আর এটি দোষেরও কিছু নয়। বরং নিজেকে আরও সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তোলার পন্থা মেকআপ। তবে অতিরিক্ত মেকআপ পণ্য ব্যবহারের সময়সাপেক্ষ ও বিরক্তিকর প্রক্রিয়া এড়িয়ে নিজের ত্বককে সুস্থ ও সুন্দর করতে চাইলে জীবনের প্রতিটি ধাপেই নিতে হবে কিছু পদক্ষেপ। আর তা কঠিন নয় মোটেই।

১. সঠিক খাদ্যাভ্যাস

আমরা যা খাই বা খাই না, তা সরাসরি আমাদের ত্বকে প্রভাব ফেলতে পারে। পুষ্টিকর ডায়েট আমাদের ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তোলে। আবার কোনো একটি খাদ্য উপাদানের অভাবে চেহারায় নিষ্প্রাণভাব আসতে পারে। ফল আর সবজি খেতে হবে প্রচুর। আবার সব তেলই খারাপ নয়। খাবারে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড না থাকলে দ্রুত বুড়িয়ে যাবে ত্বক। ফ্ল্যাক্স সিডস, আখরোট ইত্যাদি খেলে ভালো। আবার আমিষের ঘাটতি হলেও চলবে না।

২. প্রচুর পানি পান করুন

পানি পানের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে যত বলা যায়, ততই কম হবে। আমাদের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ভালো রাখতে পর্যাপ্ত পানি দরকার। শরীরকে ভেতর থেকে ডিটক্স করা আর হজম ভালো রাখার মতো কাজ করে পানি। ত্বককে হাইড্রেটেড রাখতে শুধু ময়েশ্চারাইজার দিলে হবে না। পানি পান করতে হবে সারা দিন। দিনে আট বা ততোধিক গ্লাস পানি পান করা জরুরি প্রাপ্তবয়স্ক যে কারও জন্য।

৩. পর্যাপ্ত ও ভালো ঘুম

রাতে ঠিক সময় ঘুমাতে যাওয়া আর ভোরে ওঠা শুধু স্বাস্থ্য নয়, ত্বকও ভালো রাখে। এতে শরীরের বিপাকীয় কাজগুলো ভালোভাবে হয়, টক্সিনমুক্ত হয় শরীর। ক্লান্ত চেহারায় যতই মেকআপ করা হোক, তা ম্লানই লাগবে। চোখের নিচের কালি, চেহারার বসে যাওয়া বা ফোলাভাব—সবই অনিদ্রার কুফল৷ ৬-৮ ঘণ্টা ঘুম খুব দরকার তাই। আর তা–ও সঠিক সময়ে। এ জন্যই নিশ্চিন্ত নিয়মিত ঘুমকে বিউটি স্লিপ বলা হয় সৌন্দর্যজগতে।

৪. মুখে যা মাখছেন, জেনে-বুঝে মাখুন

আমরা এখন এক ধরনের তথ্যসমুদ্রে ভাসছি। কোনটি যে ঠিক, আর কোনটি ভুল, বলা মুশকিল। একে বলা হয় ইনফরমেশন ওভারলোড। যেন সবাই বিশেষজ্ঞ। বিশেষ করে ত্বকের ব্যাপারে। চটকদার বিজ্ঞাপনে মজে গিয়ে বা কারও কথা শুনে হুজুগে পড়ে এমন কিছু ব্যবহার করবেন না ত্বকে, যা সম্পর্কে আপনি খুব বেশি জানেন না। প্রয়োজন হলে পড়ুন ভালোভাবে এর উপাদানগুলো। আর না বুঝলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। আমরা যা মাখি, তার ৬০ শতাংশ ত্বকে শোষিত হয়। তাই বিপদ ঘটতে পারে ক্ষতিকর বা অনুপযোগী কিছু ব্যবহার করলে।

৫. সুস্থ ত্বক পেতে ব্যায়াম করুন

শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও শরীর ও মনের সব সমস্যার সমাধান ব্যায়াম বা শারীরিক সচলতার সঙ্গে সম্পর্কিত। আর দেহের সবচেয়ে বর অঙ্গ ত্বকও তার বাইরে নয়। যে যে ধরনের জীবনযাপনই করুন না কেন, যেভাবেই পারেন, কিছু না কিছু ব্যায়াম করতেই হবে রোজ। জিমে গিয়ে হোক, রাস্তায় বা পার্কে হেঁটে, জগিং করে, সাইকেল চালিয়ে হোক—শরীর সচল রাখতে হবে। ইয়োগা করলে মন ও শরীর দুইই ভালো থাকে। ফলশ্রুতিতে স্ট্রেস থেকে ত্বকের নানা সমস্যা আর হয় না তেমন। সপ্তাহে অন্তত তিন ঘণ্টা কার্যকরভাবে ব্যায়াম করলে ত্বক ভালো থাকে, বলছে গবেষণা। কারণ, ব্যায়াম রক্তের সঞ্চালন বাড়ায়, টক্সিন দূর করে, ত্বকে অক্সিজেন সরবরাহ ঠিক রাখে আর এন্ডরফিনের প্রবাহ বাড়ায়।

তথ্যসূত্রঃ এল ম্যাগাজিন

 #গর্ভাবস্থা_পরীক্ষা: কখন নিতে হবে, সঠিকতা এবং ফলাফলঋতুস্রাবের অনুপস্থিত সব মহিলাদের জন্য উদ্বেগজনক হতে পারে। এটি আপনাকে...
01/09/2023

#গর্ভাবস্থা_পরীক্ষা: কখন নিতে হবে, সঠিকতা এবং ফলাফল

ঋতুস্রাবের অনুপস্থিত সব মহিলাদের জন্য উদ্বেগজনক হতে পারে। এটি আপনাকে গর্ভধারণ নিশ্চিত করার জন্য গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করার জন্য অনুরোধ করতে পারে। যাইহোক, যদি আপনি একটি হোম গর্ভাবস্থা পরীক্ষা খুঁজছেন, তাহলে সুনির্দিষ্ট ফলাফলের জন্য অনুসরণ করার জন্য একটি নির্দেশিকা রয়েছে। এই ডায়াগনস্টিক কিটগুলির নির্ভুলতা নির্ভর করে আপনি কীভাবে পরীক্ষাগুলি করবেন তার উপর।

মহিলারা প্রায়ই গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করার সঠিক সময় সম্পর্কে বিভ্রান্ত হন। বেশিরভাগ স্বনামধন্য ব্র্যান্ড পিরিয়ড মিস হওয়ার প্রথম দিন আগেও সঠিক ফলাফল দেওয়ার দাবি করে। যাইহোক, একটি নিশ্চিত ফলাফলের জন্য একটু অপেক্ষা করা ভাল। এই পরীক্ষার কিটগুলি গর্ভধারণ নিশ্চিত করতে আপনার প্রস্রাবে গর্ভাবস্থার হরমোন হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন (HCG) এর উপস্থিতি মূল্যায়ন করে।

গর্ভাবস্থা পরীক্ষা কিভাবে কাজ করে?

আপনার ডিমের নিষিক্তকরণের প্রায় ছয় দিন পরে আপনার শরীর হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন (HCG) নামে একটি হরমোন তৈরি করতে শুরু করে। আপনি গর্ভবতী কিনা তা নিশ্চিত করতে একটি গর্ভাবস্থা পরীক্ষা হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন (HCG) সনাক্ত করে।

বাড়িতে গর্ভাবস্থা পরীক্ষা কতটা সঠিক?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারী স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অফিসের মতে, বেশিরভাগ হোম গর্ভাবস্থা পরীক্ষার কিট 99% সঠিক ফলাফল প্রদান করে, যদি সেগুলি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়। আপনার প্রস্রাবে হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন (HCG) এর পরিমাণ সময়ের সাথে সাথে বাড়তে থাকে। তাই আপনি যদি আপনার মাসিক না হওয়ার কয়েকদিন পর পরীক্ষা করেন, তাহলে আপনি সম্ভবত সঠিক, নির্ভরযোগ্য ফলাফল পাবেন।

কখন আপনার বাড়িতে গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করা উচিত?

মহিলারা নিষিক্ত হওয়ার 6 দিনের মধ্যে এই হরমোন তৈরি করতে শুরু করে। এর পরে, HCG এর মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। বেশিরভাগ মহিলা প্রতি 2 থেকে 3 দিনে এই যৌগের মাত্রা দ্বিগুণ করে। প্রস্রাবে HCG-এর মাত্রা শনাক্ত করার জন্য পিরিয়ড মিস করার পর হোম প্রেগন্যান্সি টেস্ট করানো ভালো। প্রস্রাবে HCG এর ঘনত্ব সর্বোচ্চ হলে ভোরবেলা হল গর্ভাবস্থা পরীক্ষার সেরা সময়।

গর্ভধারণের পর শরীর কেন মানব কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন হরমোন তৈরি করে?

এইচসিজি হরমোন প্রাথমিক পর্যায়ে গর্ভাবস্থা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই গর্ভাবস্থার হরমোনের মাত্রাও নির্ধারণ করে যে আপনি কত দিন গর্ভবতী হয়েছেন। যাইহোক, গাইনোকোলজিস্টরা প্রায়ই HCG স্তরের সাথে গর্ভাবস্থার পর্যায়কে সম্পর্কযুক্ত করার জন্য একটি আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষার পরামর্শ দেন।

প্রত্যাশিত মায়েরা জরায়ুর প্রাচীরের সাথে সংযুক্ত হওয়ার পর ক্রমবর্ধমান ভ্রূণের সংলগ্ন কোষ থেকে HCG হরমোন নিঃসরণ করে। অল্প সময়ের মধ্যে, এই কোষগুলি প্লাসেন্টায় রূপান্তরিত হয় এবং HCG উৎপাদনের ভূমিকা গ্রহণ করে। গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোজেস্টেরন তৈরি করতে এইচসিজি কর্পাস লুটিয়ামকেও উৎসাহিত করে।

গর্ভাবস্থার ষষ্ঠ সপ্তাহে HCG মাত্রা সর্বোচ্চ হয়। এই পর্যায়ের পরে, প্ল্যাসেন্টা সম্পূর্ণরূপে কার্যকরী এবং HCG-এর সহায়তা ছাড়াই যথেষ্ট প্রোজেস্টেরন তৈরি করে। এই পর্যায়ের পরে HCG এর মান হ্রাস পায়।

গর্ভাবস্থা পরীক্ষা বিভিন্ন ধরনের কি কি?

বেশিরভাগ গর্ভাবস্থা পরীক্ষা প্রস্রাব বা রক্তে HCG এর উপস্থিতি সনাক্ত করে। এই বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে, দুটি প্রাথমিক ধরনের গর্ভাবস্থা পরীক্ষা আছে।

গর্ভাবস্থার জন্য রক্ত ​​পরীক্ষা

গর্ভাবস্থার জন্য রক্ত পরীক্ষা করা হয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এই মূল্যায়ন কৌশলটির প্রাথমিক সুবিধা হল, এটি ডিম্বস্ফোটনের মাত্র 6 থেকে 8 দিনের মধ্যে গর্ভধারণ সনাক্ত করতে পারে। সুতরাং, আপনি বাড়িতে ভিত্তিক পরীক্ষার আগে আপনি আশা করছেন বা বেশি আশা করছেন কিনা তা খুঁজে বের করতে পারেন। যাইহোক, আপনি নিজেরাই এই পরীক্ষাগুলি সহ্য করতে পারবেন না। এই মূল্যায়নের ফলাফল তাত্ক্ষণিক নয়।

বর্তমানে, দুটি ধরণের গর্ভাবস্থার রক্ত ​​পরীক্ষা রয়েছে।

1. গুণগত HCG পরীক্ষা।

আপনি যদি গর্ভবতী হন তবে গুণগত HCG পরীক্ষা শুধুমাত্র প্রকাশ করে। যেহেতু তারা এইচসিজির মাত্রা নির্ধারণ করে না, তাই আপনি গর্ভধারণে কোনো চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্যা আছে কিনা তা খুঁজে বের করতে পারবেন না, যেমন অ্যাক্টোপিক গর্ভাবস্থার সম্ভাবনা। গাইনোকোলজিস্টরা নিষেকের 10 দিনের আগে এই মূল্যায়নগুলি নির্ধারণ করতে পারেন।

2. পরিমাণগত HCG পরীক্ষা

পরিমাণগত HCG পরীক্ষা আপনার রক্তে HCG হরমোনের সঠিক মাত্রা নির্ধারণ করতে পারে। সুনির্দিষ্ট মূল্যায়ন কৌশল HCG এর এমনকি মিনিটের স্তর সনাক্ত করতে পারে। গাইনোকোলজিস্টরা প্রায়শই এই পরীক্ষার পরামর্শ দেন একটি অ্যাক্টোপিক গর্ভাবস্থা (যখন জরায়ুর বাইরে নিষিক্ত ভ্রূণ ইমপ্লান্ট করা হয়) বা দুর্ঘটনাজনিত গর্ভপাত (এইচসিজি স্তরে হঠাৎ হ্রাসের মাধ্যমে প্রকাশ)।

গর্ভাবস্থার জন্য প্রস্রাব পরীক্ষা

আপনি বাড়িতে বা ডায়াগনস্টিক ক্লিনিকে প্রস্রাব গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করতে পারেন। আপনি যদি নির্দেশিকা অনুসারে প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করেন তবে তারা কয়েক মিনিটের মধ্যে সঠিক ফলাফল অফার করে। যাইহোক, এমনকি যদি গর্ভাবস্থার পরীক্ষাটি ইতিবাচক হয়, তবে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞরা ফলাফল নিশ্চিত করার জন্য গর্ভাবস্থার জন্য অন্যান্য সংবেদনশীল পরীক্ষার পরামর্শ দেন।

কত তাড়াতাড়ি আমি গর্ভাবস্থা পরীক্ষা নিতে পারি?

গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করার জন্য আপনার মাসিক মিস হওয়ার এক সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভাল। এটি করার ফলে গর্ভাবস্থা পরীক্ষার সঠিকতা বৃদ্ধি পাবে। আপনি যদি মাসিক মিস হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে না চান, তাহলে যৌন মিলনের পর অন্তত এক বা দুই সপ্তাহ অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

প্রারম্ভিক গর্ভাবস্থা পরীক্ষার সুবিধা এবং অসুবিধা

প্রারম্ভিক গর্ভাবস্থা পরীক্ষার সুবিধা:

এটি বাড়িতে গর্ভাবস্থা সনাক্ত করার সবচেয়ে সহজ এবং দ্রুততম উপায়গুলির মধ্যে একটি।

আপনার জন্ম নিয়ন্ত্রণ পরিমাপ ব্যর্থ হলে এটি কার্যকর।

এটি আপনাকে আপনার জীবনযাত্রায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করতে সাহায্য করে প্রসবপূর্ব যত্নের জন্য।

এটি আপনাকে বুঝতে সাহায্য করে কখন ওষুধ বন্ধ বা শুরু করতে হবে।

গর্ভাবস্থার লক্ষণ বুঝতে পারবেন।

প্রাথমিক গর্ভাবস্থা পরীক্ষার অসুবিধা:

আপনি যদি খুব তাড়াতাড়ি বা ভুলভাবে পরীক্ষা করেন তবে মিথ্যা-নেতিবাচক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

এটি রাসায়নিক গর্ভাবস্থা সনাক্ত করতে পারে।

এটি পরীক্ষার ফলাফলের কারণে উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

আপনি যদি পরীক্ষার পুনরাবৃত্তি করতে চান তবে এটি ব্যয়বহুল হতে পারে।

আমার গর্ভাবস্থা পরীক্ষা ইতিবাচক হলে আমার কি করা উচিত?

যদি আপনার গর্ভাবস্থা পরীক্ষা ইতিবাচক হয়, তাহলে আপনাকে নিম্নলিখিতগুলি করতে হবে:

একজন ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন

ধৈর্য্য ধারন করুন

প্রসবপূর্ব ভিটামিনের সাথে সুষম খাদ্য গ্রহণ শুরু করুন

মদ খাওয়া বন্ধ করুন

ধুমপান ত্যাগ কর

ব্যায়াম নিয়মিত

অনেক পানি পান করা

হোম প্রেগন্যান্সি টেস্টের ধাপগুলো কি কি?

বেশিরভাগ হোম-ভিত্তিক গর্ভাবস্থা পরীক্ষার কিটগুলিতে একটি প্লাস বা বিয়োগ চিহ্ন, “গর্ভবতী” বা “গর্ভবতী নয়” শিলালিপি, বা এক লাইন বা দুই লাইন থাকে। এই সূচকগুলি আপনি গর্ভধারণ করেছেন কি না তা নির্ধারণ করতে সহায়তা করে। গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করার আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ এবং নির্দেশাবলীর মধ্য দিয়ে যেতে ভুলবেন না।

সঠিকতা বজায় রাখার জন্য পিরিয়ড না হওয়ার পরে খুব সকালে এই পরীক্ষাটি করা ভাল। রেখা বা প্রতীকের আকারে ফলাফলের বৈধতা নির্দেশ করে স্ট্রিপগুলির একটি নিয়ন্ত্রণ সূচকও রয়েছে। যদি কন্ট্রোল লাইন বা প্রতীক উপস্থিত হতে ব্যর্থ হয়, পরীক্ষাটি অবৈধ হয়ে যায় এবং আপনার এটি পুনরায় পরিচালনা করা উচিত।

আপনি নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলির যে কোনও একটির মাধ্যমে প্রস্রাব গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করতে পারেন যা পরীক্ষার কিটে নির্দিষ্ট করা হবে:

• পরীক্ষার স্ট্রিপটি সরাসরি প্রস্রাবের স্রোতে রাখুন।

• একটি পাত্রে প্রস্রাব সংগ্রহ করুন এবং তারপরে স্ট্রিপটি ডুবিয়ে দিন।

• একটি কাপে প্রস্রাব সংগ্রহ করুন এবং তারপর কয়েক ফোঁটা প্রস্রাব সংগ্রহ করতে একটি ড্রপার ঢোকান। এখন, গর্ভাবস্থা পরীক্ষার কিটে প্রস্রাব রাখতে ড্রপার ব্যবহার করুন।

হোম প্রেগন্যান্সি পরীক্ষার সঠিকতা হার কি?

বেশিরভাগ হোম গর্ভাবস্থা পরীক্ষার ব্র্যান্ড গর্ভধারণ নির্ধারণে 99% নির্ভুলতার হার বলে দাবি করে। যাইহোক, গর্ভাবস্থা নির্ণয়ের ক্ষমতা নির্ভর করে পদ্ধতি, সময় এবং নিষিক্তকরণের পর কত দিন, যখন আপনি পরীক্ষা করবেন। যদি আপনি মনে করেন যে নেতিবাচক ফলাফল সত্ত্বেও আপনি গর্ভবতী হতে পারেন, তাহলে এক সপ্তাহ পরে পরীক্ষাটি পুনরায় করুন। নিশ্চিত ফলাফলের জন্য আপনি অন্যান্য সংবেদনশীল গর্ভাবস্থা পরীক্ষাও বেছে নিতে পারেন।

গর্ভাবস্থা পরীক্ষা নেওয়ার পরে কখন ডাক্তার দেখাবেন?

যদি ডাক্তারের সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করা ভাল

আপনি পরবর্তী গর্ভাবস্থা পরীক্ষায় ভিন্ন ফলাফল পাবেন। এই পরিস্থিতিতে, প্রজনন সিস্টেমের একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা সহ্য করা ভাল।
গর্ভাবস্থা পরীক্ষার ফলাফল নেতিবাচক বলে মনে হয়, এবং মাসিক শুরু হয় না, একটি অন্তর্নিহিত চিকিৎসা অবস্থা হতে পারে। আপনি অত্যধিক মানসিক চাপ, থাইরয়েড ব্যাধি বা অ্যামেনোরিয়ায় ভুগছেন।
আপনি যদি গর্ভবতী হন, তাহলে আপনাকে একজন প্রসূতি বিশেষজ্ঞের সাথে দেখা করতে হবে এবং প্রসবপূর্ব পরীক্ষা করাতে হবে।

আপনি যদি আপনার মাসিক চক্র না পান এবং বিশ্বাস করেন যে আপনি গর্ভবতী হতে পারেন, তাহলে পরীক্ষা করতে দ্বিধা করবেন না। সর্বদা মনে রাখবেন যে গর্ভাবস্থার প্রাথমিক নিশ্চিতকরণ অবিলম্বে প্রসবপূর্ব যত্ন শুরু করতে পারে।

গর্ভাবস্থা পরীক্ষা সম্পর্কে প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

1. আপনার নিয়মিত ওষুধ কি গর্ভাবস্থা পরীক্ষার ফলাফলে হস্তক্ষেপ করতে পারে?

হ্যাঁ, নির্দিষ্ট উর্বরতার ওষুধ এবং HCG এর যথেষ্ট ডোজ ধারণকারী অন্যান্য বড়িগুলি বাড়ির গর্ভাবস্থা পরীক্ষার ফলাফলে হস্তক্ষেপ করতে পারে। এমনকি জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি এবং উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক কিছু নারীর ফলাফল পরিবর্তন করতে পারে। হোম গর্ভাবস্থা পরীক্ষা নেওয়ার আগে আপনার প্রেসক্রিপশনের ওষুধের বিষয়ে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা ভাল।

2. গর্ভাবস্থা পরীক্ষায় কি মিথ্যা-ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া সম্ভব?

আপনি একটি গর্ভাবস্থা পরীক্ষায় একটি মিথ্যা-ইতিবাচক ফলাফল পেতে পারেন যদি আপনি জরায়ুর প্রাচীরে নিষিক্ত ডিম্বাণু রোপনের পরেই গর্ভপাত করেন। আপনি যদি HCG ধারণকারী উর্বরতা ওষুধ পরিচালনার সাথে সাথে মূল্যায়ন করেন তবে মিথ্যা-ইতিবাচক ফলাফলও সম্ভব। বিরল ক্ষেত্রে, অ্যাক্টোপিক গর্ভাবস্থাও বিভ্রান্তিকর ফলাফল দিতে পারে।

3. কখন আপনি একটি মিথ্যা-নেতিবাচক গর্ভাবস্থা পরীক্ষার ফলাফল পেতে পারেন?

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে মিথ্যা নেতিবাচক গর্ভাবস্থা পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া সম্ভব:

• রক্তে অপর্যাপ্ত HCG মাত্রা থাকলে আপনি যদি খুব তাড়াতাড়ি পরীক্ষা করেন।

• আপনি দিনের পরের সময়ে পরীক্ষার জন্য পাতলা প্রস্রাব ব্যবহার করেন।

• আপনি ফলাফল দেখানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় প্রদান করেন না।

4. প্রথম সপ্তাহে গর্ভাবস্থার পরীক্ষা কতটা সঠিক?

বেশিরভাগ গর্ভাবস্থা পরীক্ষার কিট প্রথম সপ্তাহে 99% সঠিক ফলাফলের প্রতিশ্রুতি দেয়।

তথ্যসূত্রঃ AskApollo online Health Information Library

 #জ্বরের_পর_দুর্বলতা_কাটাতে_যেসব_খাবার_খাবেনবর্ষাকালের স্নিগ্ধতার সঙ্গে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে জ্বর। বর্ষাকালে ডেঙ্গু জ্বর, ভ...
29/08/2023

#জ্বরের_পর_দুর্বলতা_কাটাতে_যেসব_খাবার_খাবেন

বর্ষাকালের স্নিগ্ধতার সঙ্গে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে জ্বর। বর্ষাকালে ডেঙ্গু জ্বর, ভাইরাস জ্বরের প্রকোপ খুব বেশি দেখা যায়। আর জ্বরে আক্রান্ত হলে শরীর অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে। জ্বর সেরে উঠতে যেমন সময় লাগে, তেমনি সময় লাগে জ্বর সেরে যাওয়ার পর দুর্বলতা কাটাতে। দুর্বলতা কমানোর জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ।

চলুন জেনে নেওয়া যাক জ্বরের পর শরীরের দুর্বলতা কাটাতে যেসব খাবার খাওয়া প্রয়োজন—

জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রোটিন ও আয়রনসমৃদ্ধ খাবার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। বিভিন্ন ধরনের ডাল, মটরশুঁটি, ছোলা, সয়ামিট, মাশরুম, বাদাম, তিসি, চিয়াসিড এসব খাবারে ভালো পরিমাণে প্রোটিন থাকে। মাংস দিয়ে স্যুপ করে খেলে এটি শরীরের দুর্বলতা কমায়।
ফলের মাঝে মৌসুমি নানান রকমের তাজা ফল, কমলা, মাল্টা, আপেল, পেয়ারা, আমড়া, পাকা পেঁপে, আম, আনারস, আঙুর, ডালিম, আনার লেবুজাতীয় ফল, ডাবের পানি নিয়মিত খেতে হবে।

সবজির মাঝে কচুশাক, পালংশাক, মিষ্টিকুমড়া, আলু, গাজর এগুলো শারীরিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।
শরীরে পানির পরিমাণ ঠিক রাখতে ডাবের পানি ও বিভিন্ন ধরনের ফলের রস খেতে হবে। এ ছাড়া নরম সেদ্ধ জাউ ভাত, খিচুড়ি, বিভিন্ন ধরনের সবজি স্যুপ খেতে দিতে হবে রোগীকে।

এ সময় আদা দিয়ে চা পান করলেও উপকার পাবেন। আদা শরীর থেকে জীবাণু দূর করে শরীরকে টক্সিন মুক্ত করে।
সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে, যা রোগীকে দ্রুত সুস্থ হতে সহায়তা করবে।

পুরুষের পেরোনিজ ডিজিজ কী, কেন হয় এবং চিকিৎসাপুরুষাঙ্গে দুটি দণ্ড আকৃতির প্রসারণশীল অংশ থাকে, যার চারপাশ টিউনিকা অ্যালবুজ...
26/08/2023

পুরুষের পেরোনিজ ডিজিজ কী, কেন হয় এবং চিকিৎসা

পুরুষাঙ্গে দুটি দণ্ড আকৃতির প্রসারণশীল অংশ থাকে, যার চারপাশ টিউনিকা অ্যালবুজিনিয়া নামক একটা শক্ত টিস্যু দ্বারা আবৃত থাকে। এই শক্ত জিনিসটাই পুরুষাঙ্গের উত্থান অবস্থা ধরে রাখে। নানান কারণে এই টিস্যুর উপরিভাগটায় বিভিন্ন আকৃতির শক্ত গুটির মতো দানা দেখা দেয়। একে পেরোনিজ ডিজিজ বলে।

সাধারণভাবে ৩ থেকে ২০ শতাংশ পুরুষ এই রোগে ভোগেন। বিশেষ করে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের এই রোগ হওয়ার বেশি প্রবণতা বেশি। খুব সূক্ষ্ম আঘাতের কারণে পুরুষাঙ্গে এই রোগের শুরু বলে মনে করা হয়। এই রোগের দুটি স্তর বা পর্যায় আছে। একটা হলো অ্যাকটিভ, আরেকটি ক্রনিক ফেজ।

প্রথম পর্যায়ে ব্যথা থাকে। দ্বিতীয় পর্যায়ে আর ব্যথা থাকে না বরং শক্ত গুটির ব্যাপ্তি বেড়ে যেতে পারে। ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পাথুরি জমতে পারে বা পুরুষাঙ্গের বিকৃতি ঘটতে থাকে, যা কিনা পরবর্তী সময়ে যৌনক্রিয়ায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। শেষ অবধি পুরুষত্বহীনতা পর্যন্ত হতে পারে।

রোগটি ৪০-৫০ বছরের দিকে বেশি হয়, যদিও যেকোনো বয়সেই হতে পারে। আগেই বলেছি, ডায়াবেটিস থাকলে ঝুঁকি বেশি। অনেকের ধারণা যে এটা এমনিতেই সেরে যাবে, কিছু করতে হবে না। ব্যাপারটা কিন্তু আসলে মোটেই তা নয়। রোগের শুরুতে সঠিক চিকিৎসা নিলে জটিলতা অনেকাংশে এড়ানো যেতে পারে। যেহেতু কী কারণে এই অবস্থা ঘটে, তার প্রকৃত কারণ জানা যায় না, তাই এর প্রতিকার বা প্রতিরোধটাও বেশ জটিল।

যাঁদের আগে থেকেই ডায়াবেটিস রোগ ছাড়াও যৌন দুর্বলতা আছে, যাঁরা মানসিকভাবে দুর্বল, যৌনাঙ্গ ছোট বা রক্তে সেক্স হরমোনের পরিমাণ কম, যাঁরা আরও কিছু কোলাজেন ডিজঅর্ডারে ভোগেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই রোগের প্রাদুর্ভাব একটু বেশি। একজন অভিজ্ঞ ইউরোলজিস্ট দেখে ও ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা করে রোগ শনাক্ত করতে পারবেন। তবে আনুষঙ্গিক কিছু পরীক্ষা যেমন এক্স-রে বা কালার ডপলার আলট্রাসনোগ্রাম করা যেতে পারে।

চিকিৎসা
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসা দরকার হয়। যেসব ক্ষেত্রে ওষুধ কার্যকর নয়, অথচ ক্রমেই পুরুষাঙ্গের বিশেষ বিকৃতি ঘটছে, যাতে যৌনক্রিয়ায় সমস্যা হচ্ছে বা সঙ্গম অত্যন্ত বেদনাদায়ক হচ্ছে, সেসব ক্ষেত্রে সার্জারির প্রয়োজন আছে। রোগীকে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ইউরোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে।

অধ্যাপক ডা. নিতাই পদ বিশ্বাস, অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ইউরোলজি বিভাগ, জাতীয় কিডনি ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা

তথ্যসূত্র: প্রথমআলো অনলাইন

 #ক্যালসিয়াম_কতটুকু_দরকার_আপনার,  #পাবেন_কোন_খাবারে৯ থেকে ১৮ বছর বয়স মানুষের ‘পিক বোন মাস’ বা হাড় ঘন হওয়ার শ্রেষ্ঠ সময়। ...
25/08/2023

#ক্যালসিয়াম_কতটুকু_দরকার_আপনার, #পাবেন_কোন_খাবারে

৯ থেকে ১৮ বছর বয়স মানুষের ‘পিক বোন মাস’ বা হাড় ঘন হওয়ার শ্রেষ্ঠ সময়। এ জন্য এই সময় ক্যালসিয়াম খাওয়া ও ভার বহন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বয়সে ও পূর্ণবয়স্ক মানুষেরও গড়পড়তায় ১ হাজার ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন হয়। তবে বয়সভেদে কিছু রকমভেদ আছে। মেয়েদের পিরিয়ড শুরু হওয়ার দুই বছর আগে ও পরের সময়টার মধ্যে উচ্চতা বাড়ে। এই সময়ে সর্বাধিক উচ্চতা বাড়ানোর জন্য পূর্ণমাত্রায় ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা উচিত। এ ছাড়া অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বা স্তন্যপান করানোর সময় নারীদের ক্যালসিয়ামের চাহিদা বেশি থাকে।

অস্টিওপোরোসিস ও হাড় ভেঙে যাওয়া প্রতিরোধের জন্য ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে, প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খেতে হবে। কিন্তু একজন মানুষের হাড়ের ঘনত্ব তৈরি হয়ে যায় অল্প বয়সেই, তাই শৈশব থেকেই এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

ক্যালসিয়ামের স্বল্পতা হলে তেমন কোনো উপসর্গ না–ও হতে পারে। তবে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে, যেমন হাড় ও মাংসপেশির ব্যথা, বিষণ্নতা, ভঙ্গুর নখ ও হাড়, চুলের রুক্ষতা, ত্বকের শুষ্কতা ইত্যাদি।

খাবারের মাধ্যমে ছোটবেলা থেকেই পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ করতে হবে। তাই জানতে হবে, কোন খাবারে কেমন ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।

ডিম, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার (পনির, দই), ভুট্টা, শিম, মসুর ডাল, কাঠবাদাম, ছানার পানি, শাকসবজি, সার্ডিন মাছ, স্যামন মাছ, কাচকি মাছ, চিয়া সিড, ডুমুর ইত্যাদি খাবারে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে। এ ছাড়া ফর্টিফাইড খাবার, সয়া প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার ও তোফুতে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। আবার দৈনিক এক হাজার মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যাবে দুই টুকরা পনির/ দুই টুকরা গ্রেইন ব্রেড/ ব্রকলি বা এক কাপ দই খেলে।

ফলের মধ্যে কমলা, খুবানি, শুকনা ডুমুর, কিউয়ি, মালবেরি, নাশপাতি, আঙুর, পেঁপে, স্ট্রবেরি, কলায় প্রচুর ক্যালসিয়াম আছে।

ক্যালসিয়াম গ্রহণ করলে কিডনিতে পাথর হয়, এই ধারণা ঠিক নয়। তবে ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট বেশি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটফাঁপা, ডায়রিয়া ও হৃদ্‌রোগ হতে পারে। কখনো না বুঝে দিনের পর দিন ক্যালসিয়াম বড়ি খেলে হাইপারক্যালসেমিয়া বা রক্তে ক্যালসিয়ামের আধিক্য দেখা দিতে পারে।

৩০ বছর বয়সের পর হাড়ের ক্যালসিয়াম কমে যেতে থাকে। মধ্যবয়সে কমে যাওয়ার পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। তখন হাড় ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

ডা. রোজানা রউফ: অ্যাসোসিয়েট কনসালট্যান্ট, মেডিসিন বিভাগ, স্কয়ার হাসপাতাল, ঢাকা

তথ্যসূত্র: প্রথমআলো অনলাইন

ব্যাক পেইন বা পিঠ ব্যথা কেন হয়?ব্যাক পেইন শব্দটি আমরা আজকাল বেশ শুনতে পাই। এই ব্যাক পেইন বা পিঠ ব্যথা সাধারণত নিচের পিঠে...
24/08/2023

ব্যাক পেইন বা পিঠ ব্যথা কেন হয়?

ব্যাক পেইন শব্দটি আমরা আজকাল বেশ শুনতে পাই। এই ব্যাক পেইন বা পিঠ ব্যথা সাধারণত নিচের পিঠের পেশি, লিগামেন্ট, মেরুদণ্ড, কশেরুকার সমস্যা থেকে তৈরি হয়। পিঠ ব্যথার কারণগুলোর ভেতর সবচেয়ে বেশি থাকে পিঠের পেশিতে চাপ পড়া এবং পিঠের কাঠামোগত সমস্যা। চলুন জেনে নেওয়া যাক পিঠ ব্যথা বা ব্যাকপেইনের কারণগুলো কী কী।

১. পিঠের পেশিতে চাপ বা স্ট্রেইন: পিঠের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ, ভারী বস্তু ভুলভাবে উত্তোলন এবং ভুল ভঙ্গিতে শরীরের আকস্মিক নড়াচড়াতে প্রায়ই পিঠে ব্যথা করে। অতিরিক্ত কাজ করার ফলেও পেশিতে চাপ পড়তে পারে।

২. কাঠামোগত সমস্যা: কশেরুকা হলো মেরুদণ্ডকে ঘিরে থাকা চাকতি আকারের হাড়। এই হাড়গুলো একে অপরের সাথে সংযুক্ত। প্রতিটি কশেরুকার মধ্যবর্তী স্থানগুলোতে ডিস্ক নামক টিস্যু থাকে এবং কশেরুকাগুলোকে চারপাশ থেকে ঘিরে রাখে। এই ডিস্কে আঘাত পিঠে ব্যথার সাধারণ কারণ।

কখনো কখনো এই ডিস্কগুলো ফুলে যেতে পারে, বেরিয়ে পড়তে পারে (হার্নিয়েট হওয়া), অথবা ফেটে যেতে পারে। এসব ক্ষেত্রে মেরুদণ্ডের স্নায়ুতে চাপ পড়ে। এগুলোর মাঝে সবচেয়ে বেশি ব্যথা হয় হার্নিয়েটেড ডিস্ক বা ডিস্কগুলো কশেরুকা থেকে বেরিয়ে গেলে। বেরিয়ে পড়া ডিস্ক স্নায়ুতে চাপ দিলে পিঠ বা কোমর থেকে পা পর্যন্ত ব্যথা, শিরশিরে অনুভুতি এবং অল্প থেকে প্রচণ্ড পরিমাণ ব্যথা হতে পারে।

৩. বাত বা আর্থ্রাইটিস: স্পাইনাল অস্টিওআর্থারাইটিস পিঠে ব্যথার একটি সম্ভাব্য কারণ। এই রোগে আপনার পিঠের নিচের জয়েন্টগুলোর কারটিলেজের অবনতি ঘটে যার কারণে মেরুদণ্ড চেপে আসতে পারে বা সংকীর্ণ হতে পারে, যা ব্যথার কারণ।

৪. অস্টিওপোরোসিস: হাড়ের ঘনত্ব হ্রাস এবং হাড় পাতলা হয়ে যাওয়াকে অস্টিওপোরোসিস বলা হয়। এতে আপনার কশেরুকার ছোটো ছোটো ফাটল হতে পারে যেগুলো গুরুতর ব্যথার কারণ।

৫. পিঠে ব্যথার অন্যান্য কারণ:ওপরে দেওয়া কারণগুলোর বাইরেও আরো কিছু কারণেও আপনার ব্যাকপেইন বা পিঠে ব্যথা হতে পারে।

– ডিজেনারেটিভ স্পন্ডিলোলিস্থেসিস: একটি কশেরুকা তার স্থান থেকে সরে গিয়ে কাছাকাছি একটি কশেরুকার দিকে চলে যাওয়া।

– কাউডা ইকুইনা সিন্ড্রোম: মেরুদণ্ডের নিচের অংশে স্নায়ুর কার্যকারিতা হ্রাস পাওয়া।

– মেরুদণ্ডের ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ।

– মেরুদণ্ডে ক্যান্সার বা টিউমার।

– কিডনি সংক্রমণ বা কিডনি পাথর।

ব্যাকপেইন যন্ত্রণাদায়ক এবং এটি কাজের ক্ষমতা হ্রাস করে দেয়। তাই আপনি যদি অনেকদিন ধরে, ঘনঘন পিঠের ব্যথা অনুভব করেন তবে একজন ডাক্তারের সাথে দেখা করতে ভুলবেন না।

21/08/2023

#প্রাকৃতিক_উপায়ে_যৌন_ক্ষমতা_বাড়ানোর_কিছু_ঘরোয়া_টিপস

সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালো মিল থাকার পাশাপাশি দরকার নিয়মিত যৌন মিলন। সুখী যৌন জীবন সবাই চায়। কিন্তু প্রায়ই দেখা যায় যৌন সমস্যার কারণে সংসারে অশান্তি যা অনেকসময় ডিভোর্স পর্যন্ত গড়ায়। তাই সাংসারিক ঝামেলা এড়াতে আগে থেকে সতর্ক হওয়া জরুরী। যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কোনো ধরনের ঔষধের প্রয়োজন নেই, প্রতিদিন কিছু পুষ্টিকর খাবার খাওয়াই যথেষ্ট। বিবাহিত জীবনে হেলদি সেক্স লাইফের জন্য আপনাকে দৈনন্দিন খাবার দাবারের প্রতি পূর্ণ মনোযোগী হতে হবে।

অনেকেই রয়েছেন যারা নিজেদের যৌন জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। অনিয়মিত ঘুম, দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ, বাজে খাদ্যাভ্যাস ইত্যাদি কারণে যৌন সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রায় সবার মধ্যেই কৌতুহল থাকে প্রাকৃতিক উপায়ে কিভাবে যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর যায় তা নিয়ে। সংসার জীবন সুখময় করে তুলতে সেক্স বৃদ্ধি করার খাবার খেতে হবে। নিয়মিত এই খাদ্যগুলি খেলে আপনার যৌন শক্তি কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে। আজকে সেক্স পাওয়ার বাড়ানোর খাদ্যগুলি নিয়ে আলোচনা করা হলো।

#সেক্স_বাড়ানোর_প্রাকৃতিক_উপায়

আজকাল যৌন জীবন নিয়ে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৭ জনই চিন্তিত থাকেন। অনেক পুরুষ আছেন যারা ইরেকটাইল ডিশফাংশন এ ভোগেন। যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কোন প্রকার ওষুধের প্রয়োজন নেই, তার জন্য দৈনন্দিন পুষ্টিকর খাবারদাবারই যথেষ্ট। দেখে নিন কি কি সেই খাবার গুলো-

যৌন ক্ষমতা বাড়াবে #রসুন

যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান হলো রসুন। রসুনে অ্যালিসিন নামের উপাদান থাকে যা যৌনাঙ্গে রক্ত সঞ্চালনের হার বাড়ায়। ফলে যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি ছাড়াও রসুনের রয়েছে অনেক গুণ। রসুন কে বলা হয় প্রাকৃতিক এন্টিবায়োটিক। নিয়মিত সকালে খালি পেটে রসুন খেলে অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। যৌন সমস্যা সমাধানে রসুন তো কাজ করেই এছাড়া রসুন ফোঁড়া, প্রদহ ভালো করে, ঋতুস্রাব চালু করে, প্রস্রাব স্বাভাবিক করে, পাকস্থলী থেকে গ্যাস নির্গত করে, নিস্তেজ লোকদের মধ্যে সেক্স পাওয়ার বৃদ্ধি করে এবং বীর্য বৃদ্ধি করে।

অ্যালিসিন ছাড়াও রসুনে রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস , রিবোফ্লাভিন, থিয়ামিনসহ আরো অনেক উপাদান। যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন ১-২ কোয়া রসুন কাঁচা অবস্থায় চিবিয়ে খেতে হবে। এছাড়া গমের তৈরি রুটির সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

সেক্স পাওয়ার বৃদ্ধিতে #মধুর ভূমিকা

যৌন অক্ষমতার সমাধানের জন্য মধুর গুণের কথা আমরা সবাই জানি। মধুতে রয়েছে গুকোজ ও ফ্রুকটোজ যাতে সেক্স হরমোন দ্রুত কাজ করে। এছাড়া নিয়ম করে মধু খেলে পাকস্থলী পরিষ্কার হয়, মস্তিষ্ক অতিরিক্ত শক্তি লাভ করে, শরীরের স্বাভাবিক তাপশক্তি বজায় থাকে, প্রস্রাব স্বাভাবিক হয়, গ্যাসের সমস্যা দূর হয় এবং খিদে বাড়ায়। এছাড়া প্যারালাইসিসে আক্রান্ত রোগীর জন্যও মধু খুব উপকারী। যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস গরম জলে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে খাঁটি কালোজিরা ফুলের মধু বিশেষ উপকারী।

যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে #দুধ

দীর্ঘ সময় যৌন ক্ষমতা অটুট রাখতে দুধের ভূমিকা অপরিসীম। দুধের প্রাণীজ যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। প্রাণীজ ফ্যাট শরীরে সেক্স হরমোন বৃদ্ধি করে। খাঁটি দুধ দেহের শুষ্কতা দূর করে, দ্রুত খাবার হজম হয়, রতিশক্তি সৃষ্টি করে এবং বীর্য উৎপাদন করে, দেহের অপ্রয়োজনীয় দূষিত পদার্থ বের করে দেয় এবং মস্তিষ্ক শক্তিশালী করে। দুধ ছাড়াও দুধের সর, মাখন ইত্যাদি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। যৌন ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস উষ্ণ গরম দুধ খাওয়া উচিত।

নিয়মিত #কলা খেতে হবে

নিয়মিত কলা খেলে আপনার যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবেই। কলার মধ্যে আছে ভিটামিন এ, বি, সি, পটাশিয়াম, ব্রোমেলিয়ান ও শর্করা। কলা শুধু পুষ্টি বাড়ায় না, যৌন ইচ্ছা তীব্র করতেও কাজে দেয়। কলা মানবদেহে যৌনরস উৎপাদন বাড়ায়। কলা খেলে দেহের শক্তি বাড়ে, এতে আপনি সঙ্গীর সাথে দীর্ঘসময় ধরে সেক্স করতে পারবেন।

#ডিম খাওয়ার উপকারিতা

ডিমের উপকারিতা কে না জানে? সেক্স পাওয়ার বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার হলো ডিম। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬ আছে যা শরীরে হরমোনের মাত্রা ঠিক রাখে এবং মেন্টাল স্ট্রেস কমায়। সুতরাং সেদ্ধ হোক বা ভাজা, প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম খাবেন। ডিম খেলে আপনার শরীর শক্তি পাবে, আপনি সহজে ক্লান্ত হবেন না এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

যৌন ক্ষমতা বাড়াতে মাংস ও কলিজা

সবজি বা ফলের চেয়ে অনেকেই মাংস বেশি পছন্দ করেন। খাবারে নানা রকমের সবজি ও সালাদের সাথে প্রোটিনের জন্য নিয়মিত মাংস খেতে হবে। চর্বি ছাড়া মাংস খাওয়া মানেই সুস্বাস্থ্যের দিকে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া। মাংস খাওয়ার ফলে শরীরে পেশির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। অতিরিক্ত চর্বি কমে দেহের শক্তি বৃদ্ধি পায়। প্রোটিন শরীরে অন্যান্য অঙ্গের মতো যৌনাঙ্গে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে। সেক্স লাইফ ভালো রাখতে কলিজার গুরুত্ব অপ‌রিসীম। কলিজায় প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে যা শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বাড়ায়। তাই যৌন ক্ষমতা বাড়াতে খাদ্য তালিকায় যোগ করতে পারেন কলিজা ও গরুর মাংস।

সেক্স পাওয়ার বৃদ্ধিতে #বাদাম ও বিভিন্ন বীজ

বাদাম, আখরোট, কিসমিস, কিংবা পেস্তার মতো শুকনো ফলগুলো শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির যোগান দেয়। বাদামে রয়েছে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট যা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখে। এছাড়া বাদামের আর্জিনিন নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড শরীরে উন্নত শুক্রাণু তৈরী করে ও টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন অল্প করে হলেও চীনা বাদাম,কাজু বাদাম, কাঠ বাদাম,আখরোট ইত্যাদি খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে আপনার যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। এছাড়া বীজ জাতীয় খাবার যেমন কুমড়োর বীজ, শিম, সূর্যমূখীর বীজ ইত্যাদিতে প্রচুর ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে যা যৌন ইচ্ছা এবং যৌন ক্ষমতা বাড়ায়। দেহের পুষ্টিযোগাতে কিসমিস দারুণভাবে কাজ করে। এটি খেলে প্রচুর পরিমানে ক্যালরি পাওয়া যায়। কিসমিস যৌন সমস্যা দূর করে দেয়, হজম শক্তি ভালো করে ফলে শরীরের ভারসাম্য ঠিক থাকে। তাই প্রতিদিন বিকালে ৫ থেকে ৭টি কিসমিস খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে #কালোজিরা

কালোজিরা যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির একটি অব্যর্থ উপাদান। কালোজিরাতে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ,-বি, -বি২, নিয়াসিন সহ আরো অসংখ্য উপাদান আছে। এজন্য নিয়মিত কালোজিরা খেলে স্পার্ম সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং স্পার্মের গুনাগুণ বাড়ে৷ এছাড়া কালোজিরা যৌনতার ভারসাম্য ধরে রাখার পাশাপা‌শি শিশুর জন্য মা‌য়ের বু‌কের দুধ বৃ‌দ্ধি ও স্তন্য‌কে সুগ‌ঠিত ক‌রে। সর্দি, কাশি, বুকের ব্যাথা, শ্লেষ্মা ও ব্রনের জন্য অত্যন্ত উপকারী ঔষধ।

#চকোলেট খাওয়ার উপকারিতা

চকোলেট খেতে ভালোবাসেন? তাহলে জেনে রাখুন চকোলেট খাওয়ার ফলে যৌন ইচ্ছা ও যৌন ক্ষমতা দুটোই বাড়ে। চকোলেটে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফেনিলেথ্যালামাইন যা শরীরে বাড়তি যৌন উদ্দীপনা তৈরী করে। চকোলেট শরীরের চেয়ে মনের উপর বেশি প্রভাব ফেলে যা কামশক্তি বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে যারা অল্প করে হলেও চকোলেট খায় তাদের যৌন ক্ষমতা অন্যদের তুলনায় বেশি। চকোলেট খেলে সঙ্গীর প্রতি আকর্ষণবোধও বেড়ে যায়। এছাড়াও ডার্ক চকোলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তাই সেক্স করার আগে চকোলেট খেতে ভুলবেন না যেন!

যৌন ক্ষমতা ঠিক রাখতে রঙিন ফলমূল

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং তারুণ্য ধরে রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবারের তালিকায় মৌসুমি ও রঙিন ফল যেমন আঙুর, আপেল, কমলা লেবু, তরমুজ ইত্যাদি খেতে হবে। তাজা ফলমূল যৌবন ধরে রাখতে ও যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারী। এছাড়া প্রতিদিন বিকালে ৪ থেকে ৫টি খেজুর খাওয়ার অভ্যাস করুন। খেজুরের কিন্তু গুণের শেষ নেই। এই ফল বলদায়ক ও শক্তিবৃদ্ধিতে দুর্দান্ত কাজ করে। শুকনা খেজুর অথবা যেকোন ধরনের খেজুর খেলে আপনি উপকৃত হবেন। মাখনের সাথে খেজুর মিলিয়ে খেলে যৌন শক্তি বৃদ্ধি পায়। খেজুর দেহের শিরা কোমল করে এবং মেয়েদের মধ্যে যৌন আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি করে।

টাটকা শাক ও নানান সবজি

গবেষকরা জানিয়েছেন, শরীরে রক্ত চলাচল বাড়লে যৌন উদ্দীপনাও বাড়ে। তরতাজা ও ফরমা‌লিনমুক্ত শাক সব‌জি‌তে প্রচুর প‌রিমা‌নে ভিটা‌মিন ও ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায় যা শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। এছাড়া বিভিন্ন রকম শাক, ব্রকলি, লেটুস, ফুলকপি, বাঁধাকপি এগুলোতে রয়েছে ফলেট, ভিটামিন বি সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এছাড়া মিষ্টি আলু খুব ভালো একটি সেক্স ফুড। এটি নারীদের যোনি এবং ইউটেরাসের আকার ভালো রাখে। তাছাড়া এটা সেক্স হরমোন তৈরিতেও সাহায্য করে।

এগুলোর পাশাপাশি প্রতিদিন গাজর খাবেন। গাজরে ভিটামিন ‘এ’ আছে যা পুরুষদের হরমোন তৈরিতে সাহায্য করে। ১৫০ গ্রাম গাজর কুঁচি এক টেবিল চামচ মধু এবং হাফ-বয়েল ডিমের সঙ্গে মিশিয়ে দুমাস খেলে যৌন অক্ষমতা দূর হবে এবং সেক্স পাওয়ার বাড়বে। আর প্রাকৃতিক উপায়ে জননাঙ্গের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে প্রতিদিন সালাদের সঙ্গে বিট খেতে হবে। বিট খাওয়ার ফলে রক্তের সঙ্গে বিশুদ্ধ অক্সিজেন জননাঙ্গে প্রবেশ করে যৌনশক্তি বৃদ্ধি পায়।

যৌন ক্ষমতা বাড়াতে #সামুদ্রিক_মাছ

সামুদ্রিক ও তৈলাক্ত মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে যা সুস্থ যৌন মিলনের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড শরীরে ডোপামিন বাড়িয়ে দেয় এবং যৌন কামনা জাগিয়ে তোলে। তৈলাক্ত মাছ খেলে শরীরের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় ফলে যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

নিয়মিত #ব্যায়াম করা

যৌন ক্ষমতা কমে যাওয়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে, শরীরের ওজন বেশি হওয়া এবং ব্যায়াম না করা। বেশি ওজনের পুরুষ বা মহিলার যৌন সঙ্গমের ইচ্ছা কম থাকে। এজন্য নিয়মিত ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় যা যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

যৌন উত্তেজনা ও যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বাজারে নানা রকম ঔষধ ও ভায়াগ্রা পাওয়া যায়। এখন পত্র-পত্রিকায় বা টিভিতে অনেক চটকদার বিজ্ঞাপন দেখা যায় পুরুষের যৌন উত্তেজনা ও যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক ওষুধ নিয়ে। তবে সেগুলো অবশ্যই সেবন করতে হবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী। অসাধু হারবাল মেডিকেল সেন্টারের খপ্পরে পড়ে আজেবাজে হারবাল ঔষধ সেবন করতে যাবেন না। এতে লাভ তো হবেই না, উল্টো ক্ষতি হবে স্বাস্থ্যের!

 #হেঁচকি_কেন_উঠে আর  #থামাবেন_কীভাবে?খাবার খাওয়ার সময়, গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজের মধ্যে অথবা অবসর কাটানোর সময় হঠাৎ হেঁচক...
18/08/2023

#হেঁচকি_কেন_উঠে আর #থামাবেন_কীভাবে?

খাবার খাওয়ার সময়, গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজের মধ্যে অথবা অবসর কাটানোর সময় হঠাৎ হেঁচকির প্রকোপ শুরু হওয়াটা খুব সাধারণ একটি বিষয়।

এমনকি কোনো কারণ ছাড়াই যখন তখন মানুষের হেঁচকি শুরু হলে তা নিয়ে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিপাকতন্ত্রের গোলমালের কারণেই মানুষের হেঁচকি আসে।

#মানুষের_হেঁচকি_আসে_কেন?

বিজ্ঞানীরা শত শত বছর ধরে আপাতদৃষ্টিতে ক্ষতিহীন এই শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যার সুনির্দিষ্ট কারণ খোঁজার চেষ্টা করেছেন।

হেঁচকির সময় শ্বাসনালীতে সামান্য খিঁচুনির মত হয় যার ফলে শ্বাসযন্ত্রে দ্রুত বাতাস প্রবেশ করে। তখন ভোকাল কর্ড হঠাৎ বন্ধ হয়ে 'হিক' শব্দ তৈরি হয়।

ফুসফুসের নীচের পাতলা মাংসপেশীর স্তর, যেটিকে ডায়াফ্রাম বলে, হঠাৎ সংকোচনের ফলেই হেঁচকি তৈরি হয়।
হেঁচকি ওঠার একশো'র বেশি মেডিক্যাল কারণ থাকতে পারে, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেগুলো খুবই সামান্য কারণেই হয়ে থাকে।

ওষুধ নির্মাতা সংস্থা অ্যাকমে'র সিনিয়র ম্যানেজার ও চিকিৎসক আফরোজা আখতার বলেন, "হেঁচকির সবচেয়ে সাধারণ কারণ দ্রুত খাবার গ্রহণ করা।"

দ্রুত খাওয়ার কারণে খাবারের সাথে সাথে পেটের ভেতর বাতাস প্রবেশ করার কারণে 'ভ্যাগাস' নার্ভের কার্যকলাপ বাধাগ্রস্ত হয়, ফলে হেঁচকি তৈরি হয়।
চেতনানাশক, উত্তেজনাবর্ধক, পার্কিনসন্স রোগ বা কেমোথেরাপির বিভিন্ন ধরণের ওষুধ নেয়ার ফলেও হেঁচকি তৈরি হতে পারে।

এছাড়া কিছু অসুখের ক্ষেত্রেও মানুষের হেঁচকি হতে পারে।
মিজ. আখতার বলেন, "কিডনি ফেল করলে, স্ট্রোকের ক্ষেত্রে, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস বা মেনিনজাইটিসের ক্ষেত্রেও অনেকের হেঁচকি তৈরি হতে পারে।"

কিন্তু অধিকাংশ সময়ই হেঁচকি শুরু হওয়ার জন্য এসব কোনো কারণেরই দরকার হয় না।

হাসি বা কাশির মধ্যে, অতিরিক্ত মদ্যপান, অতিদ্রুত খাবার গ্রহণ করা বা ঝাঁঝসহ পানীয় বেশি পরিমাণে খেলে হেঁচকি শুরু হতে পারে, তবে কোনো ধরণের কারণ ছাড়াও হেঁচকি আসাটা একেবারেই অস্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়।
হেঁচকি ওঠাটা খুবই স্বাভাবিক একটি ঘটনা এবং সাধারণত মিনিটখানেকের মধ্যেই তা স্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছে যায়। তবে অতিরিক্ত মাত্রায় হেঁচকির উদাহরণও কিন্তু রয়েছে।
যেমন সবচেয়ে বেশি সময় ধরে হেঁচকি ওঠার বিশ্ব রেকর্ডের উদাহরণ হিসেবে মনে করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের চার্লস অসবোর্নের ঘটনাকে।

১৯২২ সালে হেঁচকি তোলা শুরু করেন তিনি, কথিত আছে সেসময় তিনি একটি শূকর ওজন করার চেষ্টা করছিলেন। মি. অসবোর্ন হেঁচকি তোলা থামান ১৯৯০ সালের ফেব্রুয়ারিতে - মোট ৬৮ বছর পর।

#হেঁচকি_থামানোর_উপায়

ঘরোয়াভাবে হেঁচকি থামানোর প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে মূলত দুইটি মূলনীতি অনুসরণ করা হয়।

একটি হলো রক্তে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া যেন শ্বাসনালীতে খিঁচুনি বন্ধ হয়।

আরেকটি হলো শ্বাসপ্রশ্বাস ও গলধকরণের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা 'ভ্যাগাস' স্নায়ুকে উদ্দীপ্ত করা।

যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী কয়েকটি পদ্ধতিতে হেঁচকি থামানো যায়।

- কাগজের ব্যাগে নিশ্বাস ফেলা (ব্যাগ মাথা দিয়ে ঢুকাবেন না)

- দুই হাঁটু বুক পর্যন্ত টেনে ধরে সামনের দিকে ঝুঁকে পড়া

- বরফ ঠাণ্ডা পানি খাওয়া

- কিছু দানাদার চিনি খাওয়া

- লেবুতে কামড় দেয়া বা একটু ভিনেগারের স্বাদ নেয়া

- স্বল্প সময়ের জন্য দম বন্ধ করে রাখা

িকিৎসার_পরামর্শ_নিতে হবে

হেঁচকি সাধারণত আপনা থেকেই ভাল হয়ে যায়, তবে যদি অতি দীর্ঘসময় ধরে হেঁচকি উঠতে থাকে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।

মিজ. আখতার বলেন, "হেঁচকি নিরাময়ে ঘরোয়া চিকিৎসা যদি কাজ না করে সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।"

হেঁচকির তীব্রতার ওপর নর্ভির করে ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াউচিত বলে মন্তব্য করেন মিজ. আখতার।

এছাড়া নিয়মিত হেঁচকিতে দৈনন্দিন জীবনের কার্যক্রম ব্যহত হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার উপদেশ দেন বিশেষজ্ঞরা।

তথ্যসূত্রঃ বিবিসি বাংলা

Address

Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health tips posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram