Shastho Alap - স্বাস্থ্য আলাপ

Shastho Alap - স্বাস্থ্য আলাপ এটা স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যকর খাবার ও সু?

স্বাস্থ্য আলাপ আপনার ‘সুস্থ জীবনচর্যা’ সম্পর্কে বলে। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে, নির্ভরযোগ্য উৎস হতে সংগৃহীত তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন পরামর্শ বাংলায় উপস্থাপন করা। যা আপনার স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করে, সুস্থ সুন্দর জীবন-যাপনে সাহায্য করবে। যদি আমাদের এই কর্ম প্রচেষ্টা আপনার কোন উপকারে আসবে মনে করেন, তবে অবশ্যই লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ারের মাধ্যমে আমাদের এ কাজে উৎসাহ যোগাবেন।

বিঃদ্রঃ দয়া করে কেউ, এই পেইজের কোন কিছু স্প্যামিং করবেন না।

30/05/2022
রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে করনীয়।রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়াকে হাইপারইউরিসেমিয়া বলে। ছবি : জে এন্...
20/10/2021

রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে করনীয়।

রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়াকে হাইপারইউরিসেমিয়া বলে। ছবি : জে এন্ডারসন নাইনটি নাইন
আধুনিক শহুরে জীবনে ইউরিক এসিড বৃদ্ধির সমস্যা অনেকেরই দেখা যায়। এর ফলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে। একটু সচেতন হয়ে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনলে ইউরিক এসিড অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। আসুন জেনে নেওয়া যাক শরীরে ইউরিক এসিড বৃদ্ধিতে কী ধরনের খাবার গ্রহণ করতে হবে।

আমাদের শরীরে দুই ধরনের এমাইনো এসিডের প্রয়োজন পড়ে। একটি আবশ্যক (এসেনশিয়াল) এমাইনো এসিড। আরেকটি অনাবশ্যক (নন এসেনসিয়াল) এমাইনো এসিড। এই নন এসেনসিয়াল এমাইনো এসিডের মধ্যে একটি হলো পিউরিন। এই পিউরিন স্বাভাবিকভাবেই আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে পাওয়া যায়। কারণ শরীরে পিউরিন তৈরি হয়।

এ ছাড়া কিছু কিছু খাবার থেকেও আমরা পিউরিন নামক এমাইনো এসিড পেয়ে থাকি। কোষে থাকা এই পিউরিনের ভাঙনের ফলে ইউরিক এসিড তৈরি হয়। এই ইউরিক এসিড রক্তে চলে যায়। নারীর ক্ষেত্রে রক্তে ইউরিক এসিডের স্বাভাবিক মাত্রা হলো ২ দশমিক ৪ থেকে ৬ দশমিক ০ মিলিগ্রাম পার ডিএল এবং পুরুষের ক্ষেত্রে ৩ দশমিক ৪ থেকে ৭ দশমিক ০ মিলিগ্রাম পার ডিএল।

আমরা যদি দেহের চাহিদার থেকে বেশি পরিমাণে প্রোটিন খেয়ে থাকি বা খাবারে যদি এলকোহল জাতীয় খাবারের পরিমাণ বেশি থাকে, তা থেকে দেহে পিউরিন নামক নন এসেনসিয়াল এমাইনো এসিড তৈরি হয়। এই পিউরিনের শেষ উৎপাদন (এনডপ্রডাক্ট) হিসেবে ইউরিক এসিড তৈরি হয়।

এই ইউরিক এসিড প্রথমে রক্তে চলে যায়। সেখান থেকে কিডনির মাধ্যমে প্রস্রাবের সঙ্গে দেহ থেকে বের হয়ে যায়। রক্তে যদি ইউরিক এসিডের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পায় এই অবস্থাকে বলা হয় হাইপারইউরিসেমিয়া। এই অতিরিক্ত ইউরিক এসিড সূক্ষ্ম স্ফটিক (ক্রিস্টাল) আকারে জয়েন্টের মধ্যে বিশেষ করে পায়ের আঙ্গুলে ব্যথা সৃষ্টি করে। এ ছাড়া আমাদের দেহের শ্বেত কণিকা এই ইউরিক এসিড স্ফটিককে ফরেন বডি মনে করে আক্রমণ করে। ফলে বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথা হয় বা ফুলে যায়। এই অবস্থাকে টোফেস বলে।

প্রথম অবস্থায় শুধু পায়ে ব্যথা হয়। আস্তে আস্তে এর তীব্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পা ফোলা, হাঁটু ও হাঁটুর জয়েন্টে ব্যথা হয়। ফলে ইউরিক এসিড আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁটতেও সমস্যা হয়। হাইপারইউরিসেমিয়ার কারণে শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে। যেমন : বাত, কিডনিতে পাথর, কিডনি অর্কাযকর হওয়া, উচ্চরক্তচাপসহ নানা ধরনের রোগ হতে পারে।

হাইপারইউরিসেমিয়া বা ইউরিক এসিডে যেসব খাবার পরিহার করতে হবে

• অধিক চর্বিযুক্ত মাংস খাওয়া যাবে না। যেমন : গরুর মাংস খাসির মাংস, ভেড়ার মাংস, মহিষের মাংস ইত্যাদি।

• অঙ্গপ্রত্যঙ্গ জাতীয় মাংস (অর্গান মিট) খাওয়া যাবে না। যেমন : লিভার, কলিজা, মগজ, জিহ্বা ইত্যাদি।

• খোসাযুক্ত প্রাণী পরিহার করতে হবে। যেমন : চিংড়ি মাছ, শামুক, কাকড়া। এ ছাড়া সামুদ্রিক মাছ, ডিমের কুসুম এগুলো এড়িয়ে চলতে হবে।

• সব রকমের ডাল, বাদাম, মটরশুটি, সিমের বিচি, কাঁঠালের বিচি ইত্যাদি পরিহার করতে হবে।

• কিছু কিছু শাকসবজি খাওয়া যাবে না। যেমন : পালং শাক,পুঁই শাক, ফুল কপি ব্রকোলি, মিষ্টি কুমড়া, ঢেঁড়শ , পাকা টমেটো ইত্যাদি। এছাড়া মাশরুমও খাওয়া যাবে না।

• এলকোহোল, ক্যাফেন জাতীয় বেভারেজ খাওয়া যাবে না। যেমন : চা, কফি, কোমল পানীয়, কারো ক্ষেত্রে চকোলেট খাওয়া যাবে না।

• মিষ্টি ফলে ফ্রুকটোস থাকে যা ইউরিক এসিড স্ফটিকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্ফটিককে বড় করে দেয়। তাই মিষ্টি ফল পরিহার করাই ভালো।

যেসব খাবারে বাধা নেই

• চর্বিহীন মাংস খেতে হবে। যেমন : মুরগির মাংস। মাছ, কুসুম ছাড়া ডিম পরিমাণ মতো খাওয়া যাবে।

• অধিক আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে। যেমন : সবজি-শাক ইত্যাদি। এই আঁশ স্ফটিকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শরীর থেকে মল আকারে বের হয়ে যায়।

• এন্টি অক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার খেতে হবে। যেমন : লেবু চা, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল (পেয়ারা, আমলকি, কমলা, মাল্টা), গ্রিন-টি ইত্যাদি খেতে হবে।

• এই সময় চাহিদার তুলনায় বেশি পরিমাণ পানি পান করতে হবে। প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করতে হবে।

কারা ইউরিক এসিডে বেশি আক্রান্ত হন

• যাদের বংশে বাতের সমস্যা আছে তারা এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

• যারা এলকোহল গ্রহণ করে।

• যারা প্রোটিন জাতীয় খাবার চাহিদার তুলনায় বেশি খেয়ে থাকে এবং শাক সবজি কম খায়।

• কিছু কিছু ওষুধ রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যেমন : ডাই ইউরেটিক মেডিসিন।

• যাদের উচ্চ রক্তচাপ ডায়াবেটিস, কিডনির সমস্যা, হৃদরোগের সমস্যা আছে তাদের ইউরিক এসিডের মাত্রা বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকে।

• যাদের ওজনাধিক্য রয়েছে তারাও এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

• যারা পানি কম পান করে তাদের এই রোগ হওয়ার আশঙ্কা আছে।

ইউরিক এসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে উল্লিখিত শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

লেখক : জ্যেষ্ঠ পুষ্টিবিদ, অ্যাপোলা হাসপাতাল।

30/05/2021

পাট থেকে এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার বাংলাদেশী বিজ্ঞানীদের!

30/05/2021

প্লাস্টিকের ‘ওয়ান টাইম গ্লাসে’ গরম চা খাচ্ছেন নাকি বিষ খাচ্ছেন?
🔴
করোনা ভাইরাসের প্রভাবে লক ডাউনের মধ্য দিয়ে বাজারে চা বিক্রি হচ্ছে প্লাস্টিকের গ্লাসে।

চিকিৎসকদের মতে, প্লাস্টিকের কাপে চা খাওয়া একেবারেই ঠিক নয়।

গবেষকদের মতে, প্লাস্টিকের মধ্যে থাকা ‘বিসফেনল’ নামের টক্সিন এ ক্ষেত্রে বড় ঘাতক। গরম খাবার বা পানীয় প্লাস্টিকের সংস্পর্শে এলে ওই রাসায়নিক খাবারের সঙ্গে মেশে। এটি নিয়মিত শরীরে ঢুকলে মহিলাদের ইস্ট্রোজেন হরমোনের কাজের স্বাভাবিকতা বিঘ্নিত হয়। পুরুষদের ক্ষেত্রে শুক্রাণু কমে যায়। হার্ট, কিডনি, লিভার, ফুসফুস এবং ত্বকও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকী স্তন ক্যান্সার হওয়ারও আশঙ্কা থাকে।

গবেষণায় আরও জানা গিয়েছে, প্লাস্টিকের কাপ বানাতে সাধারণত যে যে উপাদান ব্যবহার করা হয়, সেগুলি বেশি মাত্রায় শরীরে প্রবেশ করলে ক্লান্তি, হরমোনের ভারসাম্যতা হারানো, মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমে যাওয়া-সহ একাধিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

বোতল বা পাত্র তৈরিতে ব্যবহৃত পলিভিনাইল ক্লোরাইডকে (পিভিসি) নরম করা হয় থ্যালেট ব্যবহার করে। এই ‘থ্যালেট’ আমাদের শরীরের জন্য বিষের ন্যায়।

22/06/2020

পুরান ঢাকার নারিন্দার ভূতের গলি থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার নকল মাস্ক ও মাস্ক তৈরির উপকরণসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলি.....

এই সময় ফল ও শাকসবজি কীভাবে ধোয়া উচিত?অন্য যেকোনো পরিস্থিতিতে ফল ও শাকসবজি যেভাবে পরিষ্কার করতেন, এখনো সেভাবেই পরিষ্কার ...
12/05/2020

এই সময় ফল ও শাকসবজি কীভাবে ধোয়া উচিত?

অন্য যেকোনো পরিস্থিতিতে ফল ও শাকসবজি যেভাবে পরিষ্কার করতেন, এখনো সেভাবেই পরিষ্কার করুন।

করোনাভাইরাসের মহামারির এ সময় নিজেকে ও পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষার চিন্তায় অনেকের মনেই অনেক ধরনের প্রশ্ন জাগছে। এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

অন্য যেকোনো পরিস্থিতিতে ফল ও শাকসবজি যেভাবে পরিষ্কার করতেন, এখনো সেভাবেই পরিষ্কার করুন।করোনাভাইরাসের মহামারির এ সময় নিজেকে ও পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষার চিন্তায় অনেকের মনেই অনেক ধরনের প্রশ্ন জাগছে। এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

• সবার আগে অবশ্যই আপনার হাত সাবান-পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন।

• এরপর ফল ও শাকসবজি পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। ফল ও শাকসবজির কোনোটা কাঁচা খেলে সেটা অবশ্যই খুব ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো, শুক্রবার, ১২ মে ২০২০

(ধন্যবাদ সবাইকে আমাদের অনুপ্রাণিত করার জন্য। আরো স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ পেতে আমাদের সঙ্গে থাকুন, শেয়ার করুন, কিভাবে আরো ভালো করতে পারি পরামর্শ দিন।)

Pls Stay at Home to save our country.
30/03/2020

Pls Stay at Home to save our country.

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801781799766

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shastho Alap - স্বাস্থ্য আলাপ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Shastho Alap - স্বাস্থ্য আলাপ:

Share