CHILD Development

CHILD Development It's about all kind of child rearing.

শিশুর কাছে থেকে মোবাইল না দেখে বই পড়ুন ।যখন একজন মা তার শিশুকে বই পড়ে শোনান, তখন শব্দের বাইরে গিয়ে একটি শক্তিশালী ঘটন...
21/12/2025

শিশুর কাছে থেকে মোবাইল না দেখে বই পড়ুন ।যখন একজন মা তার শিশুকে বই পড়ে শোনান, তখন শব্দের বাইরে গিয়ে একটি শক্তিশালী ঘটনা ঘটে। মা ও শিশুর মস্তিষ্কের ছন্দ ও সময় একে অপরের সঙ্গে মিলতে শুরু করে। এই যৌথ মনোযোগ একটি গভীর জৈবিক সংযোগ তৈরি করে, যা শেখা এবং মানসিক নিরাপত্তাকে সমর্থন করে।

💠💠বিজ্ঞানীরা এই প্রক্রিয়াকে বলেন নিউরাল সিঙ্ক্রোনি। এটি ঘটে যখন মা–বাবা ও শিশু সম্পূর্ণভাবে একে অপরের সঙ্গে উপস্থিত থাকেন। তখন তাদের মস্তিষ্কের কার্যকলাপ বাস্তব সময়ে একসঙ্গে সামঞ্জস্য হয়, যা শিশুকে ভাষা সহজে বুঝতে সাহায্য করে এবং তাকে শান্ত ও নিরাপদ বোধ করায়।

👉গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশু এই ধরনের সিঙ্ক্রোনির অভিজ্ঞতা পায়, তারা ভাষা শেখে প্রায় দুই গুণ দ্রুত এবং আরও গভীরভাবে ঘুমায়। তাদের স্নায়ুতন্ত্র নিয়ন্ত্রণ শিখে একজন যত্নশীল প্রাপ্তবয়স্কের স্থির ছন্দের সঙ্গে মিলিয়ে। এতে মনোযোগ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং মানসিক দৃঢ়তা গড়ে ওঠে।
এই প্রভাব শুধু বইয়ের কারণে নয়। এর মূল হলো কণ্ঠস্বর, স্বরভঙ্গি এবং উপস্থিতি। পর্দা বা খেলনা এই প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে না। কেবল বাস্তব মানবিক সংযোগই একটি বেড়ে ওঠা মস্তিষ্ককে এভাবে পথ দেখাতে পারে।

একসঙ্গে পড়া শুধু একটি দৈনন্দিন অভ্যাস নয়। এটি মস্তিষ্ক গঠনের কাজ। শিশুরা শুধু গল্প শোনে না—তারা গল্প পড়ে শোনানো মানুষটির সঙ্গে সুর মেলায়। আপনার কণ্ঠই তাদের মস্তিষ্ক কীভাবে বেড়ে উঠবে এবং কীভাবে বিশ্রাম নেবে, তা গড়ে দিতে সাহায্য করে।
Daizy Yasmin (BSC &MSC in child development)

শারীরিক শাস্তি শিশুদের বোঝাপড়া শেখায় না। এটি শেখায় ভয়, বাধ্য থাকা আর চুপ করে যাওয়া।যখন একটি শিশু আঘাত পায়, তখন তার...
16/12/2025

শারীরিক শাস্তি শিশুদের বোঝাপড়া শেখায় না। এটি শেখায় ভয়, বাধ্য থাকা আর চুপ করে যাওয়া।
যখন একটি শিশু আঘাত পায়, তখন তার মস্তিষ্ক ভালো–মন্দ শেখে না — বরং শেখে কীভাবে ব্যথা এড়াতে হয়, কীভাবে ভুল লুকাতে হয়, আর যার কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, তার কাছ থেকেই কীভাবে নিজেকে রক্ষা করতে হয়।
ভয়ের ওপর নির্ভর করা শাসন হয়তো মুহূর্তের জন্য আচরণ থামাতে পারে, কিন্তু তা দক্ষতা, উপলব্ধি বা মানসিক নিরাপত্তা তৈরি করে না। আর এর প্রভাব অনেক সময় অনেক পরে গিয়ে দেখা যায়।
আমরা ক্ষতি না করেও আচরণ সংশোধন করতে পারি। বিশ্বাস ভাঙা ছাড়াই আমরা সীমা নির্ধারণ করতে পারি। আর শিশুদের শুধু মানতে বাধ্য না করে — কেন তা করা দরকার, সেটাও আমরা তাদের শেখাতে হয়।
Daizy Yasmin (BSC &MSC in child development)

জাপানি শিশুরা পৃথিবীর সবচেয়ে শান্ত ও স্বনির্ভর শিশুদের মধ্যে অন্যতম। অথচ তাদের শৈশব কাটে স্বাধীনতা ও স্বাভাবিকতার মধ্য ...
15/12/2025

জাপানি শিশুরা পৃথিবীর সবচেয়ে শান্ত ও স্বনির্ভর শিশুদের মধ্যে অন্যতম। অথচ তাদের শৈশব কাটে স্বাধীনতা ও স্বাভাবিকতার মধ্য দিয়ে—চাপ বা কঠোর নিয়মের ভেতরে নয়।
গবেষণায় দেখা যায়, কঠোর অনুশীলন বা নিয়ম নয়, বরং দৈনন্দিন ছোট ছোট রুটিন ও আন্তরিক পারস্পরিক যোগাযোগই অনেক আগে থেকেই আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা গড়ে তোলে—যা পাশ্চাত্য পদ্ধতির চেয়েও কার্যকর।
★★সহজ অভ্যাস—যেমন ছোট ছোট কথোপকথনে পালা করে কথা বলা—ভাষা বিকাশ , আবেগের বিকাশ এবং একটি শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী শিশুর ভিত্তি তৈরি করে।
★★স্বনির্ভরতা খুব ছোট বয়স থেকেই উৎসাহিত করা হয়। জাপানে শিশুরা একা একা ছোট কাজ বা কেনাকাটা করে, যার মাধ্যমে তারা দায়িত্ববোধ, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা শেখে। খাবার, গোসল ও ঘুমের নির্দিষ্ট রুটিন শিশুদের নিরাপত্তাবোধ দেয় এবং উদ্বেগ কমায়।

👉প্রাথমিক পর্যায়ে পড়াশোনার চাপ না দিয়ে খেলাধুলার সুযোগ দিলে মনোযোগ, সৃজনশীলতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ স্বাভাবিকভাবেই গড়ে ওঠে—কোনো চাপ ছাড়াই।
ছোট ছোট কাজ ও দায়িত্ব শিশুকে জবাবদিহিতা শেখায়। যেমন—একটি বাটি বহন করা বা তোয়ালে ভাঁজ করা। এসব দৈনন্দিন ক্ষুদ্র দায়িত্ব এক্সিকিউটিভ ফাংশন (পরিকল্পনা, নিয়ন্ত্রণ, স্মৃতি) শক্তিশালী করে এবং শিশুকে পরিবারের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে অনুভব করায়।
আবেগীয় ট্রেনিং—যেখানে শিশুর অনুভূতির নাম বলা হয় ও তা নিয়ে কথা বলা হয়—আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা ও যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ায়। সমাজে পারস্পরিক আস্থা থাকায় শিশুরা নিরাপদে ঘুরে বেড়াতে পারে। বড়রা নিজেরা শান্ত আচরণ করেন, কোমলভাবে সংশোধন করেন এবং নিখুঁত ফলের চেয়ে প্রচেষ্টাকে বেশি গুরুত্ব দেন।
খোলা বাতাসে থাকা, অল্প সময় বাইরে যাওয়া ও ছোটখাটো চ্যালেঞ্জ শিশুদের স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে।
🗝️ছোট থেকে শুরু করুন। প্রতিদিন ১০ মিনিট মনোযোগ দিয়ে কথা বলা, একটি একক কাজ নিজে করতে দেওয়া এবং নিয়মিত ঘুমের রুটিন—এই ছোট অভ্যাসগুলোই দীর্ঘমেয়াদে বড় পরিবর্তন আনে। ফ্ল্যাশকার্ড, স্ক্রিন বা অতিরিক্ত চাপের চেয়ে ধারাবাহিক ছোট অভ্যাসই সব সময় বেশি কার্যকর।
Daizy Yasmin (BSC &Msc in child development)

゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

যেসব শিশু ঘরের ভেতরে খুব প্রাণবন্ত ও প্রকাশভঙ্গিমায় স্বচ্ছন্দ থাকে, কিন্তু বাইরে বা জনসমাগমে চুপচাপ ও সংযত হয়ে যায়—তা...
14/12/2025

যেসব শিশু ঘরের ভেতরে খুব প্রাণবন্ত ও প্রকাশভঙ্গিমায় স্বচ্ছন্দ থাকে, কিন্তু বাইরে বা জনসমাগমে চুপচাপ ও সংযত হয়ে যায়—তারা আসলে তাদের স্নায়ুতন্ত্র কীভাবে নিরাপত্তা অনুভব করে, তার প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এমন আচরণ করে। এটি কোনো ত্রুটি বা সামাজিক দুর্বলতা নয়।

স্নায়ুবিজ্ঞান বলছে, কিছু শিশুর স্নায়ুতন্ত্র অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়, যা অপরিচিত বা অনিশ্চিত পরিবেশে সহজেই অতিরিক্ত উদ্দীপিত হয়ে পড়ে। তখন মস্তিষ্ক একটি সুরক্ষামূলক অবস্থায় চলে যায়, যেখানে প্রকাশের চেয়ে পর্যবেক্ষণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বাড়িতে—যেখানে পরিচিত রুটিন, শব্দ ও আবেগগত সংকেত থাকে—শিশুর স্নায়ুতন্ত্র শিথিল থাকে। এই নিরাপত্তাবোধই তাদের সৃজনশীলতা, নড়াচড়া ও যোগাযোগকে স্বাভাবিকভাবে প্রকাশের সুযোগ দেয়। কিন্তু বাইরে গেলে অপরিচিত মুখ, শব্দ ও প্রত্যাশা সংবেদনগত চাপ বাড়ায়। তখন মস্তিষ্ক শক্তি সঞ্চয় করতে ও বাহ্যিক আচরণ সীমিত করতে চায়। এটি আত্মসংযম বা self-regulation, কোনো সামাজিক বিচ্ছিন্নতা নয়।
এখানে স্বায়ত্তশাসিত স্নায়ুতন্ত্র (Autonomic Nervous System) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সংবেদনশীল শিশুরা সম্পূর্ণভাবে যুক্ত হতে আগে নিরাপত্তার সংকেতের ওপর বেশি নির্ভর করে। যখন সেই সংকেত অনুপস্থিত থাকে, তখন শরীর সতর্কতার পথ বেছে নেয়। এই প্রতিক্রিয়া আবেগগত ভারসাম্য রক্ষা করে এবং অতিরিক্ত চাপ থেকে শিশুকে বাঁচায়। সময়ের সাথে সাথে নিরাপত্তার অভিজ্ঞতা বারবার পেলে স্নায়ুতন্ত্র শিখে নেয় যে নতুন পরিবেশও সামাল দেওয়া সম্ভব।

এই ধরনের শিশুকে সহায়তা করতে জোর করে আত্মবিশ্বাস চাপিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং আশ্বস্ত করা, পূর্বানুমেয় রুটিন তৈরি করা এবং তাদের নিজস্ব গতিতে ধীরে ধীরে নতুন অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়াই যথেষ্ট। শিশুরা যখন আবেগগতভাবে সুরক্ষিত বোধ করে, তখন তাদের অংশগ্রহণের সক্ষমতা স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে।
এই আচরণগত ধরণটি বুঝতে পারলে অভিভাবকেরা দুশ্চিন্তার বদলে ধৈর্যের সাথে সাড়া দিতে পারেন। যেসব শিশু নিরাপত্তা পেলে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, তারা প্রায়ই বড় হয়ে সংবেদনশীল, চিন্তাশীল ও সহমর্মী মানুষে পরিণত হয়। তাদের স্নায়ুতন্ত্র যখন নিরাপদ বোধ করে, তখনই তাদের প্রকৃত শক্তিগুলো স্পষ্ট আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রকাশ পায়।
゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

13/12/2025

শিশুর জীবনের প্রথম বছরে সবচেয়ে ক্ষতিকর অভ্যাস হিসেবে মনোবিজ্ঞানী ও শিশুবিজ্ঞানীরা যে বিষয়টি একমত হয়ে উল্লেখ করেন, তা হলো শিশুর কষ্ট বা অস্বস্তির প্রতি দীর্ঘস্থায়ী উদাসীনতা—অর্থাৎ শিশুকে বারবার দীর্ঘ সময় ধরে কান্না করতে দেওয়া, কিন্তু যথাযথ সান্ত্বনা না দেওয়া।

নবজাতকের মস্তিষ্ক নিয়ে হওয়া এমআরআই গবেষণায় দেখা গেছে, যখন শিশুর চাপের সংকেত বারবার উপেক্ষিত হয়, তখন কর্টিসল মাত্রা বেড়ে যায় এবং তা লিম্বিক সিস্টেমের বৃদ্ধি ব্যাহত করতে শুরু করে—যা আবেগগত নিরাপত্তা, বিশ্বাস গঠন এবং দীর্ঘমেয়াদি চাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এটি স্বাভাবিক দৈনন্দিন ক্ষণিকের কান্না বা ছোটখাটো বিরক্তিকে বোঝায় না। বরং গবেষণায় এমন পরিস্থিতির উপর জোর দেওয়া হয় যেখানে শিশুর আবেগগত চাহিদা বারবার উপেক্ষা করা হয়। বড় বড় উন্নয়নমূলক গবেষণা কেন্দ্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, যত্নদাতার প্রতিক্রিয়াশীলতার অভাব অ্যামিগডালা এবং প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সের স্নায়ুবন্ধনকে ব্যাহত করে। ফলে শিশু ভবিষ্যতে ভয়, সম্পর্ক, এবং আবেগগত স্থিতিস্থাপকতা কিভাবে সামলাবে, তা প্রভাবিত হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, শিশুরা স্বভাবগতভাবে সান্ত্বনা পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে জন্মায়। প্রতিক্রিয়াশীল যত্নদানে আবেগীয় নিরাপত্তা বাড়ে, স্ট্রেস হরমোন কমে, সুস্থ সংযুক্তি গড়ে ওঠে এবং জ্ঞানীয় বিকাশ আরও শক্তিশালী হয়। লক্ষ্য হলো নিখুঁত হওয়া নয়—শিশুর পাশে থাকা। কান্নারত শিশুকে কোলে নেওয়া, চোখের যোগাযোগ রাখা, বা অস্বস্তির সময় শান্ত করা—এসব ছোট ছোট কাজই বিকাশমান মস্তিষ্কে শক্তিশালী সুরক্ষামূলক প্রভাব ফেলে।

এই বিষয়টি বুঝতে পারলে বাবা-মা চাপের বদলে সংযোগকে অগ্রাধিকার দিতে পারেন, আর শিশুরাও তাদের জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় আবেগগত ভিত্তি পায়।
#কান্না

দ্বিতীয় পর্ব গেম বা ভিডিওর মানসিক চাপ, অতিরিক্ত উত্তেজনা, অথবা হঠাৎ খেলা বন্ধ করে দেওয়াই বিরক্তি বা রাগের কারণ হতে পার...
12/12/2025

দ্বিতীয় পর্ব
গেম বা ভিডিওর মানসিক চাপ, অতিরিক্ত উত্তেজনা, অথবা হঠাৎ খেলা বন্ধ করে দেওয়াই বিরক্তি বা রাগের কারণ হতে পারে।
★★অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের শারীরিক প্রভাব
১. নিষ্ক্রিয়তা
বেশি সময় স্ক্রিন দেখলে শরীর অনড় থাকে। ব্যায়াম বা বাইরে খেলার সময় কমে যায়। এতে শিশুর স্থূলতা বা শারীরিক দুর্বলতা তৈরি হতে পারে।
শিশুদের প্রতিদিন কমপক্ষে ২ ঘন্টা শারীরিক কার্যকলাপ দরকার।
২. খারাপ ভঙ্গিমা ও কোমর/ঘাড় ব্যথা
ঘণ্টার পর ঘণ্টা বেঁকে বা ঝুঁকে বসা শরীরের ভঙ্গি নষ্ট করে। ভবিষ্যতে এই সমস্যা ঠিক করাও কঠিন হয়।
৩. চোখের ক্লান্তি
দীর্ঘ সময় কাছ থেকে স্ক্রিন দেখলে চোখে চাপ, শুষ্কতা, ক্লান্তি তৈরি হয়। নিয়মিত বিরতি নেওয়া এবং দূরের দিকে তাকানো—চোখের স্বাস্থ্য রক্ষা করে।
৪. খাদ্যাভ্যাসের অবনতি
স্ক্রিনের সামনে খেলে মনোযোগ থাকে না—ফলে অতিরিক্ত খাওয়া বা কখনো খাওয়া ভুলে যাওয়া—দুইই ঘটতে পারে।
৫. ঘুমের সমস্যা
শোবার আগে স্ক্রিন ব্যবহার ঘুম নষ্ট করে। রাতে ফোনের নোটিফিকেশনও ঘুম ভেঙে দেয়।

ডিজিটাল দুনিয়ায় শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা করার ক্ষেত্রে পিতা-মাতা হিসেবে আপনি যা করতে পারেন

বিশ্বব্যাপী শিশুদের মানসিক সমস্যা বাড়ছে। এর একটি কারণ স্ক্রিন ও অনলাইন দুনিয়ার ক্ষতিকর দিক।
কথা বলা—সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
শুধু স্ক্রিন টাইম কমানো সমাধান নয়। কেন শিশু স্ক্রিনে আকৃষ্ট হচ্ছে—এটা জানা জরুরি।
তাদের অনলাইন দুনিয়া সম্পর্কে কথা বলা, কোন কন্টেন্ট ভালো–খারাপ—এসব নিয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন।
★★স্ক্রিন আসক্তি কখন সন্দেহ করবেন
যদি শিশু:
• √কমাতে চাইলেও কমাতে না পারে
√অফলাইনে থাকলে অস্থির হয়
• ✓আগের পছন্দের কাজগুলোতে আগ্রহ হারায়
• ✓শুধু অনলাইনে শান্তি খুঁজে পায়
• ✓ফোন/গেম বন্ধ করলে রেগে যায়
তাহলে পেশাদার সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

প্রথম পর্ব অতিরিক্ত স্কিন টাইম(মোবাইল/টেলিভিশন) কমে যায় বুদ্ধি- বাচ্চাদের সার্বিক বিকাশ সবচেয়ে বড় বাধা বর্তমানে।যদি ব...
12/12/2025

প্রথম পর্ব
অতিরিক্ত স্কিন টাইম(মোবাইল/টেলিভিশন) কমে যায় বুদ্ধি- বাচ্চাদের সার্বিক বিকাশ সবচেয়ে বড় বাধা বর্তমানে।

যদি বলি স্কিন টাইমের অতিরিক্ত নেশা শিশুদের মস্তিষ্কে ধীরে ধীরে বিষ ছাড়ায় আপনি পিতা-মাতা হিসেবে কি বিশ্বাস করবেন?
“2018 সালের একটি গবেষণা (বিশ্বস্ত সূত্র) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের ওপর করা হয়েছিল, যেখানে দেখা গেছে যে অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম ব্যবহার আচরণগত সমস্যার সাথে সম্পর্কিত — যেমন আচরণগত সমস্যা, অতিরিক্ত চঞ্চলতা এবং মনোযোগের ঘাটতি।”
স্বাস্থ্যের জন্য ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ইতোমধ্যেই জানি যে স্ক্রিন টাইম এবং ঘুম একসাথে ভালো যায় না। শোবার আগে স্ক্রিন ব্যবহার করা বা বেডরুমে ফোন রেখে ঘুমানো—এসবই ঘুমকে নানা ভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

শোবার আগে স্ক্রিন ব্যবহার ভালো নয়—এর প্রধান কারণ হলো, এগুলো শোবার সময়টাকে আরও পিছিয়ে দেয়।
শুধু তাই নয়, স্ক্রিন ব্যবহারের পর মানসিকভাবে শান্ত হওয়া কঠিন হয়ে যায়। সোশ্যাল মিডিয়ার ভয়ংকর বা আবেগপ্রবণ পোস্ট বা বন্ধুদের সঙ্গে ঝগড়া—এসবই মনকে ব্যস্ত রাখে এবং ঘুমাতে বাধা দেয়।
স্ক্রিনের উজ্জ্বল আলোও ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণ বিলম্বিত করে, যা ঘুমের সমস্যা সৃষ্টি করে।
কিভাবে স্ক্রিন টাইম শিশুদের দৃষ্টিশক্তিকে প্রভাবিত করে
স্ক্রিন টাইম শিশুদের চোখের স্বাস্থ্যে বিশেষভাবে একটি সমস্যা তৈরি করে: মায়োপিয়া (কাছের জিনিস পরিষ্কার দেখা, দূরের জিনিস অস্পষ্ট)।
গবেষণা দেখায়—স্ক্রিন টাইম এবং মায়োপিয়ার মধ্যে স্পষ্ট সম্পর্ক রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে কাছ থেকে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা চোখের স্বাভাবিক বিকাশকে বাধা দেয়।
২০০০ সালের পর থেকে শিশুদের মায়োপিয়া দ্রুত বেড়েছে। বর্তমানে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ টিনএজার নিকটদৃষ্টি সমস্যায় ভুগছে। এ ধারা চললে ২৫ বছরে অর্ধেক টিনএজারই আক্রান্ত হবে।
শিশুর মস্তিষ্ক ও আচরণে স্ক্রিন টাইমের প্রভাব
শিশুরা খুব ছোটবেলা থেকেই স্ক্রিনে আগ্রহী হয়। ক্লান্ত অভিভাবকরা কখনো কখনো কয়েক মুহূর্ত বিশ্রামের জন্য স্ক্রিনকে বেবিসিটার হিসেবে ব্যবহার করেন।
গবেষণায় দেখা গেছে—অতিরিক্ত এবং খুব কম বয়সে স্ক্রিন ব্যবহারে:
• ✓স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়
• ✓মনোযোগ কমে
• ✓ভাষা বিকাশ বিলম্বিত হয়
এর কারণ হলো—শিশুরা মানুষে-মানুষে মিথস্ক্রিয়া এবং বিভিন্ন ইন্দ্রিয়গত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শিখে। স্ক্রিন এসব দিতে পারে না।
স্ক্রিনের উজ্জ্বল রং, দ্রুত পরিবর্তনশীল ছবি, উত্তেজনা ও পুরস্কারের মাধ্যমে ডোপামিন বাড়ে, যা আসক্তির ঝুঁকি তৈরি করে।(চলবে)

শিশুরা যখন বাবা-মায়ের খুব কাছে বা একই ঘুমের পরিবেশে থাকে, তখন ব্রেনের বিকাশ ও মানসিক বিকাশ ভালোভাবে এবং দ্রুতগতিতে হয় ...
11/12/2025

শিশুরা যখন বাবা-মায়ের খুব কাছে বা একই ঘুমের পরিবেশে থাকে, তখন ব্রেনের বিকাশ ও মানসিক বিকাশ ভালোভাবে এবং দ্রুতগতিতে হয় অন্যদের তুলনায় ।জীবনের প্রথম দিকে অসাধারণ পরিমাণ শারীরিক স্পর্শ পায়—প্রায় তিন বছর বয়সে অতিরিক্ত ১৩,০০০ ঘণ্টা পর্যন্ত। এই বাড়তি স্পর্শ কোনো খারাপ অভ্যাস তৈরি করার বিষয় নয়। নবজাতকের স্নায়ুতন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণ করতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে মস্তিষ্ক ও প্রতিরোধব্যবস্থার সবচেয়ে সংবেদনশীল বিকাশের সময়ে। স্পর্শ হলো শিশুর প্রাপ্ত প্রথম ও সবচেয়ে শক্তিশালী জৈবিক সংকেতগুলোর একটি, যা শরীরকে চাপ, স্বস্তি ও নিরাপত্তার প্রতি কিভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে হয় তা শেখায়।
কাছাকাছি ঘুমানো ও নিয়মিত শারীরিক স্পর্শ শিশুর হৃদস্পন্দন, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং কর্টিসল মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। যখন একটি শিশু নিরাপদ বোধ করে, তার স্নায়ুতন্ত্র শান্ত অবস্থায় চলে যায়, ফলে শরীর বেঁচে থাকার মোডের বদলে শক্তি ব্যবহার করে বৃদ্ধি ও বিকাশে। এই নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, ভালো হজম এবং স্বাস্থ্যকর ঘুমের চক্রকে সহায়তা করে।
গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশু নিয়মিত শারীরিক ঘনিষ্ঠতা পায়, তারা সাধারণত কম চাপজনিত অসুস্থতায় ভোগে এবং পরবর্তীতে মানসিকভাবে আরও স্থিতিশীল হয়।

স্পর্শ মস্তিষ্কের বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ত্বক-থেকে-ত্বকের সংস্পর্শ এমন স্নায়ুবন্ধনকে উদ্দীপিত করে যা আবেগ বোঝা, স্মৃতি এবং সামাজিক বন্ধনের সাথে জড়িত। এই প্রথম দিকের সংযোগগুলো নিরাপদ সংযুক্তির ভিত্তি তৈরি করে, যা শিশুর আত্মবিশ্বাস, সম্পর্ক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। নিরাপদভাবে সংযুক্ত শিশুরা সাধারণত চাপ সামলাতে পারে ভালোভাবে, সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবেগ নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়।
মানব শিশু স্বভাবগতভাবেই পরিচর্যাকারীর কাছাকাছি থাকার জন্য তৈরি। জীবনের প্রথম কয়েক বছরে এই শারীরিক ঘনিষ্ঠতা দীর্ঘমেয়াদে এমন সব স্বাস্থ্য উপকার দেয়, যা শৈশবের অনেক বাইরে পর্যন্ত বিস্তৃত।
brain development #শিশু

🎯 বয়সভিত্তিক শিশুদের অবশ্যই যে দক্ষতার শেখানো উচিত 👶 ২ বছর বয়স (1.5–3 বছর):⭐ মূল লক্ষ্য: অভ্যাস + ভাষা + বেসিক জীবনদক্ষত...
07/12/2025

🎯 বয়সভিত্তিক শিশুদের অবশ্যই যে দক্ষতার শেখানো উচিত
👶 ২ বছর বয়স (1.5–3 বছর):
⭐ মূল লক্ষ্য: অভ্যাস + ভাষা + বেসিক জীবনদক্ষতা
* নিজের নাম বলা ।
• * সহজ শব্দ বলা (মা, পানি, খেলনা)।
• * রঙ, প্রাণী, ফল চেনা
। * খেলনা গুছাতে সাহায্য
* হাত ধোয়া, মুখ মুছা
* “না” ও “হ্যাঁ” বোঝা
• * অন্য বাচ্চার সাথে খেলায় অংশ নেওয়া
• * স্ক্রিন টাইম সীমিত করা
* পটি ট্রেনিং শুরু করা
👦 ৪ বছর বয়স (3–5 বছর)
⭐ মূল লক্ষ্য: সামাজিকতা + বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তা
• ABC, ১–২০ বলা
• গল্প শুনে বোঝা
• সহজ ধাঁধা সমাধান
• বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করা
• ধন্যবাদ, দয়া করে, মাফ করবেন—ব্যবহার
• রঙ, আকৃতি, দিক (ডানে–বামে) শেখা
• নিজের জামা পরা/খোলা শিখা
• নিরাপত্তা: আগুন, পানি, অপরিচিত বোঝানো
• পেন্সিল ধরে আঁকা-লেখা শুরু
🧒 ৬ বছর বয়স (5–7 বছর)
⭐ মূল লক্ষ্য: বিদ্যালয় দক্ষতা + আবেগ নিয়ন্ত্রণ
• সহজ শব্দ পড়া
• ১–৫০ লেখা
• নিজের অনুভূতি বলা (রাগ, ভয়, দুঃখ)
• নিয়ম মেনে দলবদ্ধ খেলা
• সময় বোঝা (সকাল–বিকেল–রাত)
• ছোট কাজ করা (জুতা রাখা, ব্যাগ গোছানো)
• ডিজিটাল নিরাপত্তার বেসিক
• মনোযোগ ধরে কাজ করা
সাহায্য চাইতে শেখা।

14/11/2025

দীর্ঘক্ষণ সময় বাচ্চাদের ডায়াপার পরিয়ে রাখার কারণে তাদের টয়লেট ট্রেনিং দেরিতে হয়। টয়লেট ট্রেনিং হতে তিন থেকে চার বছর সময় লেগে যায় এমনকি তারও বেশি সময়। #শিশু

Address

Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CHILD Development posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category