LTR Healthcare

LTR Healthcare LTR Healthcare faciliator with a vision to facilitate access to world class medical services.

জানুয়ারি মাস হলো সারভাইকাল ক্যান্সার এওয়ারনেস মাস। মহিলাদের সারভাইকাল ক্যানসারের মূল কারণ হচ্ছে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভা...
16/01/2023

জানুয়ারি মাস হলো সারভাইকাল ক্যান্সার এওয়ারনেস মাস। মহিলাদের সারভাইকাল ক্যানসারের মূল কারণ হচ্ছে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি), তা ছড়ায় মূলত যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে। একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক থাকলে, একাধিক সন্তানের জন্ম হলে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে আশঙ্কা আরও বাড়ে। গ্রামের দিকে যাঁরা থাকেন, সেই সব মহিলার মধ্যেও সারভাইকাল ক্যানসারের সংখ্যা প্রচুর। সারভাইকাল ক্যানসার কিন্তু জটিল অবস্থায় পৌঁছতে অনেকটা সময় নেয় এবং একটু সচেতন হলে এবং সারভাইকাল স্মিয়ারের প্যাপ টেস্ট করালেই তা ধরা সম্ভব।

21 বছরে পা দেওয়ার পর থেকে 29 বছর বয়স পর্যন্ত সব মহিলারই প্রতি তিন বছর অন্তর প্যাপ স্মিয়ার টেস্ট করানো উচিত। 30-65-এর মধ্যে প্রতি পাঁচ বছরে একবার করে চেকআপ করান (সম্ভব হলে এইচপিভির পরীক্ষাও করিয়ে নেবেন একবার)। এই এত বছরের পরীক্ষাতে কোনও সমস্যা ধরা পড়লে 65-র পরেও পরীক্ষাগুলি করাতে হবে। প্যাপ টেস্ট থেকে কিন্তু কেবল সারভাইকাল ক্যানসার ধরা পড়ে, ওভারিয়ান বা ইউটেরাইন বডিতে ক্যানসার থাকলে তা ধরা পড়বে না।

পশ্চিমের দেশগুলোতে 14 বছরের মধ্যে সব মেয়েকেই এইচপিভি-রোধী সারভাইকাল ক্যানসার ভ্যাকসিন নিতে বলা হয়, এখন এই প্রতিষেধক ভারতেও পাওয়া যাচ্ছে। একেবারে প্রাথমিক স্তরে ধরা পড়লে সারভাইকাল ক্যানসার একশো শতাংশ সেরে যায়। গোড়ার দিকে ধরা পড়লে কনজ়ারভেটিভ সার্জারির আশ্রয় নিয়ে পরবর্তীকালে সন্তানধারণও করা যায়।

কখন একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?
রজঃনিবৃতির পরেও রক্তপাত হওয়া কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয়। এমনটি ঘটলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পিরিয়ডের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত হলে কিংবা দুটি পিরিয়ডের মাঝে প্রায়ই রক্তপাত হলে আপনার চিকিৎসককে জানান।

ইন্ডিয়ার বেস্ট হসপিটাল ও ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, একাধিক হসপিটাল থেকে চিকিৎসা খরচের আনুমানিক হিসাব ও ওপিনিয়ন, টেলিমেডিসিন, মেডিক্যাল ভিসা সহায়তা, পিকআপ এবং ড্রপ, স্থানীয় সহায়তা, হসপিটালের সহায়তা, হোটেল বা গেস্ট হাউস ও সার্বিক চিকিৎসা সহায়তায়
সহায়তায়
👇
LTR Healthcare
(An Govt Certified Organisation)

Dial for appointment@01707278754,
Or mail us👉
info@ltrhealthcare.xyz

আজ ৩রা ডিসেম্বর, বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস। প্রতিবন্ধী দিবসের লক্ষ্য হ'ল প্রতিবন্ধিতা দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তিদের আরও ভাল বোঝ...
03/12/2022

আজ ৩রা ডিসেম্বর, বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস। প্রতিবন্ধী দিবসের লক্ষ্য হ'ল প্রতিবন্ধিতা দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তিদের আরও ভাল বোঝার জন্য ও উ‌ৎসাহ দেওয়া। আসুন, একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে সেইসব মানুষদের পাশে থাকুন যারা শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধকতার শিকার।

ইন্ডিয়ার বেস্ট হসপিটাল ও ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, একাধিক হসপিটাল থেকে চিকিৎসা খরচের আনুমানিক হিসাব ও ওপিনিয়ন, টেলিমেডিসিন, মেডিক্যাল ভিসা সহায়তা, পিকআপ এবং ড্রপ, স্থানীয় সহায়তা, হসপিটালের সহায়তা, হোটেল বা গেস্ট হাউস ও সার্বিক চিকিৎসা সহায়তায়👇
LTR Healthcare
(An Govt Certified Organisation)

Dial for appointment@01707278754,
Or mail us👉
info@ltrhealthcare.xyz

আজ বিশ্ব এইডস দিবস। এই বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে -‘অসমতা দূর করি, এইডস মুক্ত বিশ্ব গড়ি’। আর ঠিক সেই কারণেই আমাদের...
01/12/2022

আজ বিশ্ব এইডস দিবস। এই বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে -‘অসমতা দূর করি, এইডস মুক্ত বিশ্ব গড়ি’। আর ঠিক সেই কারণেই আমাদের এই রোগ সম্পর্কে জানা দরকার, সচেতনতা অবলম্বন করা আবশ্যক।
💢 উপসর্গ
এইচআইভির উপসর্গ ব্যক্তি হিসাবে ভিন্ন হয়। সংক্রমণের পর্যায়ের উপরেও নির্ভর করে। এইচআইভি সংক্রমণের পর প্রথম কয়েক মাসেই সবচেয়ে বেশি সংক্রামক হয়। তবে অনেকেই বুঝতে পারেন না যে তাঁরা সংক্রমিত হয়েছেন। সংক্রমণের পর প্রথম কয়েক সপ্তাহে কোনও উপসর্গ বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো অসুস্থতা নাও থাকতে পারে। কয়েক মাস পরেই জ্বর, মাথাব্যথা, ফুসকুড়ি বা গলা ব্যথার মতো সমস্যা বাড়তে থাকে।
কারও কারও আবার অন্যান্য লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দিতে পারে। স্ফীত লিম্ফ নোড, ওজন হ্রাস, জ্বর, ডায়েরিয়া এবং কাশি হতে পারে। ভাইরাস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়। চিকিৎসার অভাবে যক্ষ্মা (টিবি), ক্রিপ্টোকোকাল মেনিনজাইটিস, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ এবং লিম্ফোমাস এবং কাপোসিসের মতো মারাত্মক রোগও হতে পারে।

💢 কীভাবে সংক্রমণ হয়?
❐ সংক্রামিত মানুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের সময়ে শরীরের নির্যাস/তরল যেমন স্তন দুগ্ধ, এবং বীর্য নিঃসরণের মাধ্যমে।
❐ সংক্রামিত ব্যক্তির ব্যবহৃত সিরিঞ্জ, ক্ষুর, ব্লেড, ট্যাটুর সূচ থেকে রক্তের মাধ্যমে হতে পারে।
❐ গর্ভবতী মায়ের থেকে সন্তানের।
❐ সংক্রামিত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করলে।

💢 সাবধানতা
❐ যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। সর্বদা কন্ডোম ব্যবহার করলে রোগের সম্ভাবনা অনেকটাই কমানো যায়।
❐ যৌন সঙ্গীর HIV টেস্ট করা থাকলে ভাল।
❐ সেলুনে ক্ষুর-এ নতুন ব্লেড ব্যবহার করতে বলুন।
❐ ট্যাটু, পিয়ার্সিংয়ের ক্ষেত্রে তা HIV বিধি মেনে হচ্ছে কিনা নিশ্চিত করুন।
❐ ইঞ্জেকশন সর্বদাই একবারের বেশি যাতে ব্যবহার না করা হয় সেদিকে খেয়ার রাখুন।

💢 চিকিৎসা
এইচআইভি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আক্রমণ করে। সংক্রমণ এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরক্ষা দুর্বল করে দেয়। WHO-এর মতে, HIV সংক্রমণের এখনও পর্যন্ত কোনও নিরাময় নেই। তবে, কার্যকর এইচআইভি প্রতিরোধ, রোগ নির্ণয়, চিকিত্সার অ্যাক্সেস বৃদ্ধির কারণে বর্তমানে রোগে আক্রান্তদেরও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের সুযোগ রয়েছে। অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল (এআরভি) ওষুধ দিয়ে চিকিত্সার মাধ্যমে এইচআইভি নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। যদিও অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি (এআরটি) এইচআইভি সংক্রমণ নিরাময় করে না, তবে এটি শরীরে ভাইরাল প্রতিলিপিকে ধীর করে দেয়। এর ফলে ইমিউন সিস্টেমকে পুনরুদ্ধার হয়। সংক্রমণ এবং ম্যালিগন্যান্সির বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি পায় শরীর।

ইন্ডিয়ার বেস্ট হসপিটাল ও ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, একাধিক হসপিটাল থেকে চিকিৎসা খরচের আনুমানিক হিসাব ও ওপিনিয়ন, টেলিমেডিসিন, মেডিক্যাল ভিসা সহায়তা, পিকআপ এবং ড্রপ, স্থানীয় সহায়তা, হসপিটালের সহায়তা, হোটেল বা গেস্ট হাউস ও সার্বিক চিকিৎসা সহায়তায়
👇
LTR Healthcare
(An Govt Certified Organisation)

Dial for appointment@01707278754,
Or mail us👉
info@ltrhealthcare.xyz

আজ ১৪ই নভেম্বর, বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস (World Diabetes Day)। জেনে নিন ডায়াবেটিসের উচ্চ ঝুঁকির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ন কিছু ত...
14/11/2022

আজ ১৪ই নভেম্বর, বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস (World Diabetes Day)। জেনে নিন ডায়াবেটিসের উচ্চ ঝুঁকির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ন কিছু তথ্য। ডায়াবেটিস এমন একটি শারীরিক অবস্থা যা সারা জীবনের জন্যে বয়ে বেড়াতে হয় এবং সারা বিশ্বে এর কারণে প্রতি বছর ১০ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।
এছাড়া যে কোন ব্যক্তিই এই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন।
শরীর যখন রক্তের সব চিনিকে (গ্লুকোজ) ভাঙতে ব্যর্থ হয়, তখনই ডায়াবেটিস হয়। এই জটিলতার কারণে মানুষের হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক হতে পারে।
এছাড়াও ডায়াবেটিসের কারণে মানুষ অন্ধ হয়ে যেতে পারে, নষ্ট হয়ে যেতে পারে কিডনি।
সারা বিশ্বেই এই সমস্যা বেড়ে চলেছে। বর্তমানে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৪২ কোটিরও বেশি। ৩০ বছর আগের তুলনায় এই সংখ্যা এখন চার গুণ বেশি- এই হিসাব বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।
চিকিৎকরা বলছেন, ডায়াবেটিসের এতো ঝুঁকি থাকার পরেও যতো মানুষ এই রোগে আক্রান্ত তাদের অর্ধেকেরও বেশি এই রোগটি সম্পর্কে সচেতন নয়।
তবে জীবন যাপনের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম নীতি মেনে চললে অনেক ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসকে প্রতিরোধ করা সম্ভব। এখানে তার কিছু উপায় তুলে ধরা হলো।

💢 ডায়াবেটিস কেন হয়?
❐ আমরা যখন কোন খাবার খাই তখন আমাদের শরীর সেই খাদ্যের শর্করাকে ভেঙে চিনিতে (গ্লুকোজ) রুপান্তরিত করে। অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নামের যে হরমোন নিসৃত হয়, সেটা আমাদের শরীরের কোষগুলোকে নির্দেশ দেয় চিনিকে গ্রহণ করার জন্যে। এই চিনি কাজ করে শরীরের জ্বালানী বা শক্তি হিসেবে।
শরীরে যখন ইনসুলিন তৈরি হতে না পারে অথবা এটা ঠিক মতো কাজ না করে তখনই ডায়াবেটিস হয়। এবং এর ফলে রক্তের মধ্যে চিনি জমা হতে শুরু করে।

💢 কি কি ধরনের ডায়াবেটিস আছে?
ডায়াবেটিস বিভিন্ন ধরনের।
টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। তখন রক্তের প্রবাহে গ্লুকোজ জমা হতে শুরু করে।
বিজ্ঞানীরা এখনও বের করতে পারেন নি কী কারণে এরকমটা হয়। তবে তারা বিশ্বাস করেন যে এর পেছনে জিনগত কারণ থাকতে পারে। অথবা অগ্ন্যাশয়ে ভাইরাসজনিত সংক্রমণের কারণে ইনসুলিন উৎপাদনকারী কোষগুলো নষ্ট হয়ে গেলেও এমন হতে পারে।
যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের ১০ শতাংশ এই টাইপ ওয়ানে আক্রান্ত।
অন্যটি টাইপ টু ডায়াবেটিস। এই ধরনের ডায়াবেটিসে যারা আক্রান্ত তাদের অগ্ন্যাশয়ে যথেষ্ট ইনসুলিন উৎপন্ন হয় না অথবা এই হরমোনটি ঠিক মতো কাজ করে না।
সাধারণত মধ্যবয়সী বা বৃদ্ধ ব্যক্তিরা টাইপ টু ধরনের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। বয়স কম হওয়া সত্ত্বেও যাদের ওজন বেশি এবং যাদেরকে বেশিরভাগ সময় বসে বসে কাজ করতে হয় তাদেরও এই ধরনের ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
বিশেষ কিছু এলাকার লোকেরাও এই ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতে আছে। তার মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়া।
সন্তানসম্ভবা হলে পরেও অনেক নারীর ডায়াবেটিস হতে পারে। তাদের দেহ থেকে যখন নিজের এবং সন্তানের জন্যে প্রয়োজনীয় ইনসুলিন যথেষ্ট পরিমানে তৈরি হতে না পারে, তখনই তাদের ডায়াবেটিস হতে পারে।
এক গবেষণায় দেখা গেছে ৬ থেকে ১৬ শতাংশ গর্ভবতী নারীর ডায়াবেটিস হতে পারে। ডায়েট, শরীর চর্চ্চা অথবা ইনসুলিন নেওয়ার মাধ্যমে তাদের শরীরে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা গেলে তাদের টাইপ টু ধরনের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।

💢 ডায়াবেটিসের উপসর্গ কী?
সবচেয়ে সাধারণ উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে:
❐ খুব তৃষ্ণা পাওয়া
❐ স্বাভাবিকের চাইতেও ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া। বিশেষ করে রাতের বেলায়।
❐ ক্লান্ত বোধ করা
❐ কোন কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া
❐ প্রদাহজনিত রোগে বারবার আক্রান্ত হওয়া
❐ দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া
❐ শরীরের কোথাও কেটে গেলে সেটা শুকাতে দেরি হওয়া
চিকিৎসকরা বলছেন, টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসের লক্ষণ শৈশব থেকেই দেখা দিতে পারে এবং বয়স বাড়ার সাথে সেটা আরো জটিল হয়ে উঠতে পারে।
বয়স ৪০ বছরের বেশি হওয়ার পর থেকে টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তবে দক্ষিণ এশিয়ার লোকজনের মধ্যে এই ঝুঁকি তৈরি হয় তাদের ২৫ বছর বয়স হওয়ার পর থেকেই।
যাদের পিতামাতা, ভাই বোনের ডায়াবেটিস আছে, অথবা যাদের অতিরিক্ত ওজন, দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশের মানুষ, আফ্রো-ক্যারিবিয়ান অথবা কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকান তাদেরও এই ঝুঁকি বেশি থাকে।

💢 ডায়াবেটিস কি প্রতিরোধ করা সম্ভব?
❐ ডায়াবেটিস যদিও জেনেটিক এবং আপনার জীবন যাপনের স্টাইলের ওপর নির্ভরশীল তারপরেও আপনি চেষ্টা করলে রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে পারেন।
❐ সেজন্যে আপনাকে খাবার গ্রহণের বিষয়ে বিশেষভাবে সচেতন থাকতে হবে এবং আপনাকে হতে হবে অত্যন্ত সক্রিয় একজন মানুষ।
❐ প্রক্রিয়াজাত খাবার ও পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে। মৃসন শাদা আটার রুটির পরিবর্তে খেতে হবে ভুষিওয়ালা আটার রুটি। এটাই প্রথম ধাপ।
❐ এড়িয়ে চলতে হবে হোয়াইট পাস্তা, প্যাস্ট্রি, ফিজি ড্রিংকস, চিনি জাতীয় পানীয়, মিষ্টি ইত্যাদি।
❐ আর স্বাস্থ্যকর খাবারের মধ্যে রয়েছে শাক সব্জি, ফল, বিন্স এবং মোটা দানার খাদ্য শস্য।
❐ স্বাস্থ্যকর তেল, বাদাম খাওয়াও ভালো। ওমেগা থ্রি তেল আছে যেসব মাছে সেগুলো বেশি খেতে হবে। যেমন সারডিন, স্যামন এবং ম্যাকেরেল।
❐ এক বেলা পেট ভরে না খেয়ে পরিমানে অল্প অল্প করে বিরতি দিয়ে খাওয়া দরকার।
❐ শরীর চর্চ্চা বা ব্যায়াম করার মাধ্যমে রক্তে চিনির মাত্রা কমিয়ে রখা সম্ভব।
❐ চিকিৎসকরা বলছেন, প্রতি সপ্তাহে আড়াই ঘণ্টার মতো ব্যায়াম করা দরকার। তার মধ্যে দ্রুত হাঁটা এবং সিড়ি বেয়ে ওপরে ওঠাও রয়েছে।
❐ ওজন কম রাখলেও চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। যদি ওজন কমাতে হয় তাহলে সেটা ধীরে ধীরে করতে হবে। সপ্তাহে আধা কেজি থেকে এক কেজি পর্যন্ত।
❐ ধূমপান পরিহার করাও জরুরী। নজর রাখতে হবে কোলস্টেরলের মাত্রার ওপর। এর মাত্রা বেশি হলে হৃদ রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
❐ অনতিবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

ইন্ডিয়ার বেস্ট হসপিটাল ও ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, একাধিক হসপিটাল থেকে চিকিৎসা খরচের আনুমানিক হিসাব ও ওপিনিয়ন, টেলিমেডিসিন, মেডিক্যাল ভিসা সহায়তা, পিকআপ এবং ড্রপ, স্থানীয় সহায়তা, হসপিটালের সহায়তা, হোটেল বা গেস্ট হাউস ও সার্বিক চিকিৎসা সহায়তায়
👇
LTR Healthcare
(An Govt Certified Organisation)

Dial for appointment@01707278754,
Or mail us👉
info@ltrhealthcare.xyz

💢 আজ ১২ই নভেম্বর বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস। জেনে নেওয়া যাক নিউমোনিয়া সমন্ধে বিশেষ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। নিউমোনিয়া কী?নি...
12/11/2022

💢 আজ ১২ই নভেম্বর বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস। জেনে নেওয়া যাক নিউমোনিয়া সমন্ধে বিশেষ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। নিউমোনিয়া কী?
নিউমোনিয়া হলো- মানব শরীরের ফুসফুসের সংক্রমণজনিত বা প্রদাহজনিত একটি রোগের নাম। সাধারণত ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক কিংবা ভাইরাসের সংক্রমণে এই রোগের সৃষ্টি হয়। অ্যাডেনো ভাইরাস, রাইনো ভাইরাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস এবং প্যারেনোফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের সংক্রমণে দেখা দেয় এ রোগ।

💢 রোগের কারণ
ফুসফুসে স্ট্রেপ্টোকোকাস ব্যাকটেরিয়া ও শ্বাসযন্ত্রের আর এসভি ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে এই রোগের উত্‍পত্তি।
এই সংক্রমণের ফলে ফুসফুস ফুলে ওঠে এবং নিঃশ্বাস নেওয়ার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। ফলে অক্সিজেন গ্রহণে সমস্যায় পড়তে হয়। এই রোগ মূলতঃ শিশু এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। কারণ এই বয়সে শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার অর্থাত্‍ রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা অনেকটাই কম থাকে।
এই রোগ ছোঁয়াচে নয়। আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি বা হাঁচি থেকে এই রোগের জীবাণু অন্য ব্যক্তির মধ্যে প্রবেশ করতে পারে।
আসুন জেনে নিই যেসব লক্ষণে বুঝবেন নিউমোনিয়া-
১. জ্বর ও ক্লান্তি অনুভব করা।
২. মাত্রাতিরিক্ত ঘাম ও কাশি হওয়া।
৩. শ্বাস-প্রশ্বাসের কষ্ট।
৪. বুকে ব্যথা ও শরীরে কাঁপুনি।
৫. মাথাব্যথা ও শরীরের মাংসপেশি ব্যথা।
৬. খাওয়ার প্রতি অনীহা ও বমি বমি ভাব।

💢 চিকিত্‍সা
এই রোগের চিকিত্‍সা সাধারণত নির্ভর করে কী ধরনের নিউমোনিয়া রোগীকে আক্রমণ করছে তার ওপর।
১. জ্বর, সর্দি-কাশি হলে যদি কমতে না চায়, তবে দুই থেকে তিন দিনের মাথায় ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
২. ডাক্তারের পরামর্শে সিটিস্ক্যান এবং বুকের এক্সরে করাতে হবে।
৩. সঠিক রক্ত পরীক্ষা এবং কফ বা শ্লেষ্মা পরীক্ষা করতে হবে।
৪. ওষুধ চলাকালীন পাঁচ থেকে ছয় দিনের মাথায় না কমলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন।
৫. চিকিত্‍সা চলাকালীন অ্যান্টিবায়োটিকের সম্পূর্ণ কোর্স গ্রহণ করবেন।

ইন্ডিয়ার বেস্ট হসপিটাল ও ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, একাধিক হসপিটাল থেকে চিকিৎসা খরচের আনুমানিক হিসাব ও ওপিনিয়ন, টেলিমেডিসিন, মেডিক্যাল ভিসা সহায়তা, পিকআপ এবং ড্রপ, স্থানীয় সহায়তা, হসপিটালের সহায়তা, হোটেল বা গেস্ট হাউস ও সার্বিক চিকিৎসা সহায়তায়
👇
LTR Healthcare
(An Govt Certified Organisation)

Dial for appointment@01707278754,
Or mail us👉
info@ltrhealthcare.xyz

আজ ৮ই নভেম্বর, বিশ্ব এক্সরে দিবস। এক্সরে হল এক ধরনের তাড়িত চৌম্বক বিকিরণ। এই বিকিরণ দৃশ্যমান নয়। এর সাহায্যে প্রাপ্ত ফ...
08/11/2022

আজ ৮ই নভেম্বর, বিশ্ব এক্সরে দিবস। এক্সরে হল এক ধরনের তাড়িত চৌম্বক বিকিরণ। এই বিকিরণ দৃশ্যমান নয়। এর সাহায্যে প্রাপ্ত ফটোগ্রাফ দিয়ে শরীরের কোনো ভাঙা হাড়, ক্ষত বা অবাঞ্ছিত বস্তুর উপস্থিতি বোঝা যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি একটি অন্যতম আবিষ্কার এবং এর গুরুত্ব অপরিসীম।

ইন্ডিয়ার বেস্ট হসপিটাল ও ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, একাধিক হসপিটাল থেকে চিকিৎসা খরচের আনুমানিক হিসাব ও ওপিনিয়ন, টেলিমেডিসিন, মেডিক্যাল ভিসা সহায়তা, পিকআপ এবং ড্রপ, স্থানীয় সহায়তা, হসপিটালের সহায়তা, হোটেল বা গেস্ট হাউস ও সার্বিক চিকিৎসা সহায়তায়
👇
LTR Healthcare
(An Govt Certified Organisation)

Dial for appointment@01707278754,
Or mail us👉
info@ltrhealthcare.xyz

"ক্যান্সারের চিন্তা দূরে যাক, মিষ্টি হাসি মুখে থাক।" আজ বিশ্ব ক্যান্সার অ্যাওয়ারনেস দিবসে এই কথাটি যেন প্রতিটি বিশ্ববাস...
07/11/2022

"ক্যান্সারের চিন্তা দূরে যাক, মিষ্টি হাসি মুখে থাক।" আজ বিশ্ব ক্যান্সার অ্যাওয়ারনেস দিবসে এই কথাটি যেন প্রতিটি বিশ্ববাসীর কাছে সত্যি হয়। তবে এই কথা সত্যি করতে চাই অনেকখানি সচেতনতা।
ক্যান্সার প্রতিরোধে প্রয়োজন সচেতনতা। ক্যান্সার যে কোনো বয়সেই হতে পারে। তবে আধুনিক বিজ্ঞানের কল্যাণে এখন আর ক্যান্সার মানেই অবধারিত মৃত্যু নয়। একটু সচেতন হলেই ক্যান্সারকে প্রতিরোধ করা সম্ভব। যদি ক্যান্সার হয়েও যায় তবুও শুরুতেই দ্রুত শনাক্ত করতে পারলে তার ভালো চিকিৎসা করা যায়, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভও সম্ভব। তাই ক্যান্সার নামক এই বিভীষিকার হাত থেকে বেঁচে থাকতে হলে আমাদের দরকার যথাযথ শিক্ষা ও সচেতনতা।
💢 আধুনিক যুগে বিজ্ঞানের চরম উন্নতির মধ্যেও ক্যান্সারের পুরোপুরি কারণ এখনো জানা নেই। কিছু কিছু পারিপার্শ্বিক, পেশা, এমনকি জীবনযাত্রার পদ্ধতি বা কুঅভ্যাস ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। কুঅভ্যাসের মধ্যে রয়েছে —
❐ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ধূমপান।

❐ দীর্ঘদিন মদ্যপানের অভ্যাস।

❐ খাদ্যাভ্যাস (যেমন— খাদ্যে ফাইবারের অভাব, ভিটামিন বা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের অভাব)।

❐ প্রিজারভেটিভ, কেমিক্যাল বা রংযুক্ত খাবার।

❐ আর্সেনিকযুক্ত পানি পান।

❐ পরিবেশ দূষণ এবং কেমিক্যালের সংস্পর্শে আসা।

❐ বিভিন্ন ধরনের বিকীরণ (যেমন সূর্যরশ্মি, অতি বেগুনি রশ্মি, এক্স-রে, কসমিক-রে ইত্যাদি)।

❐ কর্মস্থল বা পেশাগত কারণে অনেকের ক্যান্সার হতে পারে, যেমন রেডিয়েশন বা কেমিক্যাল নিয়ে কাজ করা, অনেকক্ষণ রোদে থেকে কাজ করা, জাহাজ ভাঙার শ্রমিক, রং ও রাবার কারখানার কর্মী ইত্যাদি।

❐ বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা অন্যান্য জীবাণুর দ্বারা ইনফেকশনের ফলে ক্যান্সার হতে পারে, যেমন হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস, এপস্টিন বার ভাইরাস, হ্যালিকোব্যাক্টর পাইলোরি, হেপাটাইটিস বি এবং সি ভাইরাস, এইডস ভাইরাস ইত্যাদি। সিস্টেসোমা জাতীয় জীবাণু মধ্যপ্রাচ্য বা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে মূত্রাশয় ক্যান্সারের কারণ হিসেবে বিবেচিত।

❐ অতিরিক্ত শারীরিক ওজন বা স্থূলতা।

❐ কিছু কিছু ওষুধ বা চিকিত্সা ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

❐ অনিয়ন্ত্রিত যৌন সম্পর্ক, একাধিক যৌনসঙ্গী, পেশাদার যৌনকর্মীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক ইত্যাদি।

❐ ক্রোমোজম বা জিনের কারণেও ক্যান্সার হতে পারে। ক্যান্সার প্রতিরোধে এসব ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

💢 ক্যান্সারের লক্ষণ নির্ভর করে কোথায় কী ধরনের ক্যান্সার হয়েছে তার ওপরে। অনেক ক্ষেত্রে কোনো লক্ষণই থাকে না। দেখা গেছে যে, ক্যান্সার ছড়িয়ে যাওয়ার পরেই তা ধরা পড়ে। তারপরও কিছু কিছু লক্ষণ বা উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। যেমন—

❐ সুস্থ ছিলেন, হঠাত্ ওজন কমে যাওয়া।

❐ অরুচি বা ক্ষুধামন্দা।

❐অতিরিক্ত দুর্বলতা, রক্তাল্পতা, দাঁতের গোড়ায় বা নাক দিয়ে রক্তক্ষরণ, চামড়ার নিচে জমাট রক্ত ইত্যাদি।

❐ শরীরে কোথাও চাকা বা গোটা দেখা দিলে বিশেষ করে গলায়, বগলে, কুঁচকিতে, পেটে বা মহিলাদের স্তনে।

❐ দীর্ঘদিন জ্বর থাকলে, বিশেষ করে যদি রাতের বেলা প্রচুর ঘাম দেয়।

❐ অনেক দিনের কাশি যা সাধারণ চিকিত্সায় ভালো হচ্ছে না, বিশেষ করে বয়স্কদের বেলায় এবং কাশির সঙ্গে রক্ত এলে।

❐ গলার স্বর ভেঙে গেলে বা কাশির সঙ্গে গলার স্বরের পরিবর্তন হলে।

❐ বয়স্কদের প্রস্রাব করতে সমস্যা হলে, ব্যথা হলে বা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত গেলে।

❐ পায়খানার অভ্যাস পরিবর্তন হলে বা পায়খানার সঙ্গে রক্ত গেলে।

❐ খাবার গিলতে অসুবিধা বা ব্যথা।

❐ বদহজম, দীর্ঘদিনের পেটে ব্যথা বা রক্তবমি।

❐ মহিলাদের ক্ষেত্রে মাসিকের পরিবর্তন হওয়া, যাদের মাসিক বন্ধ হয়ে গেছে তাদের আবার রক্তক্ষরণ হওয়া।

❐ মাথাব্যথা, খিঁচুনি, জ্ঞান হারানো, হঠাত্ বমি করা ইত্যাদি।

❐ চামড়ায় নতুন করে রঙের পরিবর্তন, তিলের আকার বা গড়ন পরিবর্তন হওয়া ইত্যাদি। তবে মনে রাখতে হবে যে, এসব লক্ষণ অন্য বিভিন্ন রোগের কারণেও হতে পারে।
তাই এগুলো হলেই ক্যান্সার হয়েছে ভেবে কেউ যেন অযথা আতঙ্কগ্রস্ত না হয়ে পড়েন।

অনেক ক্যান্সারই সময়মতো চিকিৎসায় নিরাময়যোগ্য। ক্যান্সারের প্রকারভেদে, কতটুকু ছড়িয়ে গেছে, কী কী সমস্যা করছে, রোগীর বয়স কত আর শারীরিক অবস্থা কেমন— এসবের ওপর ভিত্তি করে ক্যান্সারের নানারকমের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ জন্য চিকিৎসার আগেই বায়োপসি, টিস্যু পরীক্ষা, নানা রকমের স্ক্যান, রক্ত পরীক্ষা ইত্যাদি করা হয়। আবার অনেক ক্যান্সার চিকিৎসা ভালো হয় না অথবা ছড়িয়ে গেলে চিকিৎসা করার আর উপায় থাকে না। সবচেয়ে বড় কথা ক্যান্সারের আধুনিক চিকিৎসা অনেক ক্ষেত্রেই ব্যয়বহুল এবং দরিদ্র রোগীদের নাগালের বাইরে। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও অনেক বেশি। তাই চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধ করাই উত্তম।

প্রত্যেক সুস্থ ব্যক্তিরই উচিত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো যাতে শরীরে কোনো ক্যান্সার দানা বাঁধতে শুরু করলে তা প্রাথমিক অবস্থাতেই দমন করা সম্ভব হয়। বিশেষ করে বয়স্কদের বৃহদান্ত্র বা কোলন, মহিলাদের জরায়ুমুখ ও স্তন, পুরুষদের প্রোস্টেট ইত্যাদি নিয়মিত পরীক্ষা করার প্রয়োজনীয়তা আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্বীকৃত।

ইন্ডিয়ার বেস্ট হসপিটাল ও ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, একাধিক হসপিটাল থেকে চিকিৎসা খরচের আনুমানিক হিসাব ও ওপিনিয়ন, টেলিমেডিসিন, মেডিক্যাল ভিসা সহায়তা, পিকআপ এবং ড্রপ, স্থানীয় সহায়তা, হসপিটালের সহায়তা, হোটেল বা গেস্ট হাউস ও সার্বিক চিকিৎসা সহায়তায়
👇
LTR Healthcare
(An Govt Certified Organisation)

Dial for appointment@01707278754,
Or mail us👉
info@ltrhealthcare.xyz

World Fertility Day is about communication, education and empowerment.𝗧𝗵𝗶𝘀 𝗶𝘀 𝘄𝗵𝘆 𝗪𝗼𝗿𝗹𝗱 𝗙𝗲𝗿𝘁𝗶𝗹𝗶𝘁𝘆 𝗗𝗮𝘆 𝗶𝘀 𝘀𝗼 𝗶𝗺𝗽𝗼𝗿𝘁𝗮𝗻𝘁?It...
02/11/2022

World Fertility Day is about communication, education and empowerment.

𝗧𝗵𝗶𝘀 𝗶𝘀 𝘄𝗵𝘆 𝗪𝗼𝗿𝗹𝗱 𝗙𝗲𝗿𝘁𝗶𝗹𝗶𝘁𝘆 𝗗𝗮𝘆 𝗶𝘀 𝘀𝗼 𝗶𝗺𝗽𝗼𝗿𝘁𝗮𝗻𝘁?

It is 40 years since the first IVF baby was born and the world of reproductive science has moved positively forward with new enhancements and innovations.

But emotionally things have faltered.We need to be more open about infertility, we need to educate about infertility and we need to change how people think about infertility.

It happens to many of us and behind closed doors there are thousands of people in a heart-breaking situation they feel powerless to express to others because of a fear of being judged.

This has to change.

𝗔𝗱𝘃𝗶𝗰𝗲 - Infertility is a health problem, and people should not take it for granted. It needs guidance, maintenance, and treatment. Instead of delaying treatment due to shame, humiliation, or family beliefs, the right guidance and right treatment can help you.

Call/whatsapp: +8801707278754
Healthcare

02/11/2022

০১. আপনার পাকস্থলী কখন ভীত; যখন আপনি সকালে ব্রেকফাস্ট করছেন না।

০২. আপনার কিডনি কখন আতঙ্কিত; যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস পানি পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

০৩. আপনার গলব্লাডার ভীত; যখন আপনি রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন।

০৪. আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসী খাবার খাচ্ছেন।

০৫. বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ভাজা-পোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন।

০৬. ফুসফুস তখন ভীত; যখন আপনি ধোঁয়া, ধুলা এবং বিড়ি ও সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন।

০৭. লিভার ভীত; যখন আপনি অতিরিক্ত ভাজা, জাঙ্কফুড এবং ফাস্টফুড খাচ্ছেন।

০৮. হৃদপিন্ড ভীত; যখন আপনি বেশি লবণ এবং কোলেস্টরলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন।

০৯. প্যানক্রিয়াস আতঙ্কিত; যখন আপনি সহজলভ্য এবং সুস্বাদু বলে প্রচুর মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন।

১০. আপনার চোখ আতঙ্কিত; যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইলের আলো এবং কম্পিউটার স্ক্রীনের আলোয় কাজ করছেন।

১১. আপনার মস্তিষ্ক ভীত; যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া শুরু করেছেন।
১২. আপন চরিত্র কখন নষ্ট হয়;যখন আপনি পরনিন্দা পর চর্চা করছেন বা শুনছেন।
সুতরাং আপনার মন ও শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গসমূহের যত্ন নিন।

ইন্ডিয়ার বেস্ট হসপিটাল ও ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, একাধিক হসপিটাল থেকে চিকিৎসা খরচের আনুমানিক হিসাব ও ওপিনিয়ন, টেলিমেডিসিন, মেডিক্যাল ভিসা সহায়তা, পিকআপ এবং ড্রপ, স্থানীয় সহায়তা, হসপিটালের সহায়তা, হোটেল বা গেস্ট হাউস ও সার্বিক চিকিৎসা সহায়তায়
👇
LTR Healthcare
(An Govt Certified Organisation)

Dial for appointment@01707278754,
Or mail us👉
info@ltrhealthcare.xyz

লিভার সিরোসিসের পরিণতি কি?১) শারীরিক দুর্বলতা;২) শরীরে শক্তি না পাওয়া ;৩) কাজে আলস্য বোধ ;৪) অল্প আয়াসেই ক্লান্তি বোধ কর...
01/11/2022

লিভার সিরোসিসের পরিণতি কি?
১) শারীরিক দুর্বলতা;
২) শরীরে শক্তি না পাওয়া ;
৩) কাজে আলস্য বোধ ;
৪) অল্প আয়াসেই ক্লান্তি বোধ করা;
৫) খাওয়ায় অরুচি ;
৬) শরীর ম্যাজম্যাজ করা, সর্বদা শুয়ে থাকতে ইচ্ছে করা;
৭) পুরুষের যৌনাকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়া ও যৌন দুর্বলতা দেখা দেওয়া ;
৮) মহিলাদের মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া ;
৯) চেহারার লাবণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়া;
১০) চুল রুক্ষ ও শ্রীহীন হয়ে যাওয়া ;
১১) চোখ কোটরগত হওয়া ;
১২) নাক সূঁচালো হয়ে যাওয়া ;
১৩) ম্যালার প্রমিনেন্স (চোয়ালের হাড় বৃদ্ধি পাওয়া) ;
১৪) পুরুষের বগল এবং তলপেটের লোম ঝরে পড়া ;
১৫) জন্ডিস ;
১৬) জ্বর ;
১৭) নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ;
১৮) গায়ের রং কালচে হয়ে যাওয়া ;
১৯) চামড়ার নিচে লাল ফুসকুড়ি পড়া;
২০) পারিবারিক ভাবে অন্য কারো আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকতে পারে ;
২১) দীর্ঘ মেয়াদি মাদক ও মদ্য পানের ইতিহাস থাকতে পারে ;
২২) পুরুষের স্তন ব্যথাময় ও বড় হয়ে যাওয়া ;
২৩) মহিলাদের স্তন খর্বাকৃতি ধারণ করা ;
২৪) মহিলাদের সন্তান জন্মদানে অক্ষমতা;
২৫) পুরুষের অন্ডকোষ নরম, ছোট ও অসংবেদনশীল হয়ে যাওয়া;
২৬) পেটের রক্তনালী ফুলে যেয়ে দৃশ্যমান হওয়া ;
২৭) হাতের তালু রক্তিমাভ ও আঙ্গুলের ডগা ডাম্বেলাকৃতি ধারণ করা ;
২৮) নখ সাদাটে হয়ে যাওয়া (Leuconychia);
২৯) হাতে এবং শরীরের উপরিভাগে Vascular spider বা মাকড়সার জালের ন্যায় সূক্ষ্ম রক্তনালী দৃশ্যমান হওয়া ;
৩০) পেটে পানি এসে পেট ফুলে যাওয়া ;
৩১) পায়ে পানি বা পা ফোলা ;
৩২) দাঁতের মাড়ি, নাক কিংবা পায়ুপথে রক্তপাত;
৩৩) রক্ত বমি ও কালো পায়খানা ;
৩৪) ঘন ঘন অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এবং স্থান কাল পাত্র জ্ঞানবোধ লোপ পেয়ে অসংলগ্ন আচরণ ও কথা বলা ; হাত কাঁপা; ঘুমঘুম ভাব;
৩৫) দিনের বেলায় ঘুমানো এবং রাতে জেগে থাকা;
৩৬) এন্ডোসকপিতে খাদ্য নালীর নিচের অংশের রক্তনালী ফুলে যাওয়া (Oesophageal varix), পাকস্থলীর উপরিভাগের রক্তনালী ফুলে যাওয়া (Fundic varix), পাকস্থলীর PHG কিংবা GAVE হতে রক্তপাত হওয়া ;
৩৭) Hepatorenal syndrome বা লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে কিডনি বিকল হয়ে যাওয়া ;
৩৮) Hepatopulmonary syndrome বা লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে ফুসফুস বিকল হয়ে যাওয়া ;
৩৯) Cirrhotic cardiomyopathy বা লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে যাওয়া ;
৪০) মৃত্যু।

ইন্ডিয়ার বেস্ট হসপিটাল ও ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, একাধিক হসপিটাল থেকে চিকিৎসা খরচের আনুমানিক হিসাব ও ওপিনিয়ন, টেলিমেডিসিন, মেডিক্যাল ভিসা সহায়তা, পিকআপ এবং ড্রপ, স্থানীয় সহায়তা, হসপিটালের সহায়তা, হোটেল বা গেস্ট হাউস ও সার্বিক চিকিৎসা সহায়তায়
👇
LTR Healthcare
(An Govt Certified Organisation)

Dial for appointment@01707278754,
Or mail us👉
info@ltrhealthcare.xyz

By Taking Effective Steps in The Early Time We Can Prevent The Causes Of Slipped Discs. Looking for an Expert Help?Call/...
31/10/2022

By Taking Effective Steps in The Early Time We Can Prevent The Causes Of Slipped Discs.

Looking for an Expert Help?
Call/Whatsapp:01707278754
HealthCare

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when LTR Healthcare posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to LTR Healthcare:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram