Patient Care Home Service

Patient Care Home Service Patient Care Attendants
12 Hours,18 Hours, 24 Hours

21/11/2025

ডিপ্লোমা নার্স,কেয়ারগিভার পদে জরুরী ভিত্তিতে লোক নেওয়া হবে,আগ্রহীরা ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

শুধু মহিলারা যোগাযোগ করুন।

15/11/2025
জানুন আর সুস্থ থাকুন
06/11/2025

জানুন আর সুস্থ থাকুন

ভ্যাসলিনের বিভিন্ন ধরনের ব্যাবহার।
05/11/2025

ভ্যাসলিনের বিভিন্ন ধরনের ব্যাবহার।

🔹 ফাইব্রয়েড জরায়ু (Fibroid Uterus) কীফাইব্রয়েড হলো জরায়ুর ভেতর বা আশেপাশে গঠিত অ-ক্যান্সারজাত (benign) টিউমার। একে লিওমা...
05/11/2025

🔹 ফাইব্রয়েড জরায়ু (Fibroid Uterus) কী

ফাইব্রয়েড হলো জরায়ুর ভেতর বা আশেপাশে গঠিত অ-ক্যান্সারজাত (benign) টিউমার। একে লিওমায়োমা (Leiomyoma) বা মায়োমা (Myoma) বলেও ডাকা হয়।
এটি নারীদের মধ্যে খুব সাধারণ, বিশেষ করে ৩০–৫০ বছর বয়সে।

---

🔹 কারণ (Causes)

নির্দিষ্ট কারণ জানা না গেলেও কিছু বিষয় এতে ভূমিকা রাখে—

হরমোনজনিত কারণ: ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন ফাইব্রয়েড বাড়াতে সাহায্য করে।

বংশগত (Genetic) প্রভাব

স্থূলতা (Obesity)

আগে থেকে ঋতুস্রাব শুরু হওয়া

গর্ভধারণ না করা (Nulliparity)

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস — যেমন লাল মাংস বেশি খাওয়া, ফল ও সবজি কম খাওয়া।

---

🔹 ফাইব্রয়েডের ধরন

1. Intramural fibroid: জরায়ুর দেওয়ালের ভেতরে (সবচেয়ে সাধারণ)।

2. Subserosal fibroid: জরায়ুর বাইরের দিকে বাড়ে।

3. Submucosal fibroid: জরায়ুর ভেতরের দিক (ক্যাভিটি) এ বাড়ে।

4. Pedunculated fibroid: একটি ডাঁটার মাধ্যমে ঝুলে থাকে।

---

🔹 লক্ষণ (Symptoms)

সবসময় লক্ষণ নাও থাকতে পারে। তবে সাধারণ লক্ষণগুলো হলো—

অতিরিক্ত বা দীর্ঘ সময় ধরে মাসিক হওয়া

তলপেটে বা কোমরে ব্যথা

পেট ভারী লাগা বা চাপে থাকা অনুভব

ঘন ঘন প্রস্রাব (মূত্রথলিতে চাপের কারণে)

কোষ্ঠকাঠিন্য

পেট ফোলা বা গাঁটের মতো লাগা

সন্তান ধারণে সমস্যা বা বারবার গর্ভপাত

---

🔹 নির্ণয় (Diagnosis)

শারীরিক পরীক্ষা (Pelvic exam)

আল্ট্রাসনোগ্রাফি (Ultrasound)

MRI স্ক্যান (বড় বা জটিল ফাইব্রয়েডে)

Hysteroscopy বা Sonohysterography (জরায়ুর ভেতর দেখা)

---

🔹 চিকিৎসা (Treatment)

চিকিৎসা নির্ভর করে— ফাইব্রয়েডের আকার, সংখ্যা, উপসর্গ, ও ভবিষ্যতে সন্তান নেওয়ার ইচ্ছার উপর।

🩺 ঔষধে চিকিৎসা

হরমোন থেরাপি (GnRH analogues): ফাইব্রয়েড ছোট করতে সাহায্য করে।

গর্ভনিরোধক পিল: মাসিক নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

Tranexamic acid / NSAIDs: মাসিকের রক্তপাত ও ব্যথা কমায়।

Progesterone releasing IUD (Mirena): দীর্ঘমেয়াদে রক্তপাত কমায়।

⚕️ অস্ত্রোপচার (Surgery)

Myomectomy: ফাইব্রয়েড অপসারণ, কিন্তু জরায়ু রাখা হয় (সন্তান নেওয়ার ইচ্ছা থাকলে)।

Hysterectomy: পুরো জরায়ু কেটে ফেলা হয় (যখন বড় বা একাধিক ফাইব্রয়েড থাকে)।

Uterine Artery Embolization (UAE): ফাইব্রয়েডে রক্ত চলাচল বন্ধ করে সেটিকে ছোট করা হয়।

Laparoscopic বা Hysteroscopic surgery: ছোট কাটা দিয়ে আধুনিক অপারেশন।

---

🔹 জীবনধারা ও প্রতিরোধ (Prevention & Lifestyle)

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা

নিয়মিত ব্যায়াম

ফল, সবজি ও আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া

লাল মাংস ও অ্যালকোহল কমানো

মানসিক চাপ কমানো

05/11/2025
05/11/2025

গরম পানি পানের উপকারিতা:

১/ বয়সের ছাপ দূর করে

২/ পায়খানার সমস্যা দূর হয়

৩/ শরীরের বর্জ্য বের করে

৪/ হজমশক্তি উন্নত করে

৫/ চুল বৃদ্ধি করে

৬/ মেদ কমায়

৭/ খুশকি প্রতিরোধ করে

৮/ মা"সিকচক্র নিয়মিত করে

৯/ অলসতা দূর করে

১০/ ব্যাথা দূর করে

বাহ দারুণ!  বিশেষ একে বাচ্চাদের জন্য।
04/11/2025

বাহ দারুণ! বিশেষ একে বাচ্চাদের জন্য।

04/11/2025

ভীষণ জরুরী একটা তথ্য, সবার জানা জরুরী, বিশেষ করে যারা ৬০ এর বেশি বা কাছাকাছি।

বয়োবৃদ্ধদের জন্য বোন ডেনসিটি (bone density) পরীক্ষা করিয়ে কোনো লাভ নেই। কারণ তাদের অস্টিওপোরোসিস (osteoporosis) থাকবেই, আর বয়স যত বাড়বে, এর মাত্রাও বাড়তে থাকবে, সেই সাথে বাড়বে হাড় ভাঙ্গার ঝুঁকি।

বেশি বয়সী যত লোক পড়ে গিয়ে ব্যাথা পায় তাদের প্রায় সবারই মধ্যে মারা যাওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায় । পড়ে গিয়ে সবসময় হাড় না ভাঙ্গলেও পতনের দৈহিক ও মানসিক ঝাঁকুনি শরীর-মনকে ভীষণ পর্যুদস্ত করে দেয় যার ধকল সামলাতে না পেরে রোগী মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়।

যাদের বয়স ষাট পেরিয়ে গেছে তাদের হাড় ভাঙ্গা ঠেকানোর সবচেয়ে বড় উপায় হলো পড়ে গিয়ে ব্যাথা পাওয়া রোধ করা।

কীভাবে করবেন?

আমি এই গোপন রহস্যটিকে চারটি শব্দে ব্যক্ত করি: “সাবধান, সাবধান, সবসময় সাবধান”!

তাহলে একটু ভেঙ্গে বলি:

👉কোনো কিছু ধরা বা পাড়ার জন্য কখ্খনো চেয়ার বা টুলজাতীয় কিছুর ওপর উঠে দাঁড়াবেন না।

👉 বৃষ্টির দিনে বাইরে হাঁটতে যাবেন না।

👉 এই বয়সে কোমরের হাড় ভাঙ্গার এক নম্বর কারণ হলো বাথরুমে পা পিছলে পড়ে যাওয়া। তাই স্নান করার সময় বা বাথরুম ব্যবহারের সময় অতরিক্তি সতর্ক থাকুন।

👉বিশেষ করে বেশি বয়সী নারীরা, বাথরুমে দাঁড়িয়ে কাপড় বদলাবেন না। স্নান শেষে তোয়ালে বা শাড়ি পেঁচিয়ে বেরিয়ে আসুন এবং ধীরে সুস্থে চেয়ারে বা বিছানায় বসে কাপড় পরুন।

👉বাথরুমে ঢোকার আগে ভালো করে দেখুন মেঝে ভেজা কিনা। ভেজা মেঝেতে হাঁটবেন না।

👉কেবল কমোড ব্যবহারের চেষ্টা করুন। হাঁটু ভাঁজ করে বসলে উঠতে অনেক বেগ পেতে হতে পারে এবং পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

👉সম্ভব হলে কমোড থেকে উঠার সময় হাতে টান দিয়ে ধরার মতো কোনো হাতল দেওয়ালে লাগিয়ে নিন।

👉স্নান করার সময়ও বসার জন্য টুল ব্যবহার করুন। চোখ বন্ধ করে মাথায় পানি দিবেন না।

৪) রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দেখে নিন ঘরের মেঝেতে কিছু পড়ে আছে কিনা যাতে পা লেগে হোঁচট খেতে পারেন। মেঝে যেনো অবশ্যই ভেজা না থাকে সে ব্যাপারে অতিরিক্ত সকর্ক থাকুন।

৫) রাতে ঘুম ভাঙ্গলে বিছানা ছাড়ার সময় আগে ২-৩ মিনিট বিছানার পাশে বসুন, বাতি জ্বালান, তারপর উঠে দাঁড়ান।

৬) অন্তত রাতের বেলায় (এবং সম্ভব হলে দিনেও) বাথরুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করবেন না। সম্ভব হলে বাথরুমের ভেতরে একটি এলার্ম লাগিয়ে নিন যাতে করে জরুরি মুহূর্তে বেল বাজিয়ে কারো সাহায্য চাইতে পারেন।

৭) বেশি বয়েসে কখনো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কাপড় বদলাবেন না। চেয়ারে বা বিছানায় বসে নিন।

৮) সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় রেলিংয়ে একটা হাত রাখুন। দুই হাত পকেটে ঢুকিয়ে কখনো সিঁড়িতে পা রাখবেন না।

৯) যদি কখনো পড়েই যেতে থাকেন, চেষ্টা করুন হাত প্রসারিত করে মাটি বা মেঝে ধরে ফেলতে – তাতে হাত ভেঙ্গে গেলেও সেটা কোমর ভাঙ্গার চেয়ে অনেক বেশি ভালো।

১০) সারাদিন শুয়ে বসে থাকবেন না। অন্তত কিছু মিনিট করে হাঁটুন – যতটা সম্ভব।

১১) বিশেষ করে মহিলারা, ওজন কম রাখার ব্যাপারে অতিরিক্ত যত্নবান হোন। পরিমিত খাবার খাওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বেঁচে যাওয়া খাবার নষ্ট না করে খেয়ে ফেলার প্রবণতা কাজ করে অনেকের মাঝে। ভুলেও এটি করবেন না। কখনো ভরপেট খাবেন না – যত মজার আর যত ভালো খাবারই হোক, সবসময় পেট ভরার আগে খাওয়া শেষ করবেন।

১২) সম্ভব হলে বাইরে রোদে কোনো কাজ করুন কিছুক্ষণ। তাতে ভিটামিন ডি-র প্রভাবে হাড় কিছুটা শক্ত হবে।

একবার পড়ে গিয়ে বড় ধরনের ব্যাথা পেলে গড়ে দশ বছর আয়ু কমে যায়। বৃদ্ধ বয়সে কোনো অপারেশন ভালো কাজে আসে না, আর ওষুধ খেয়ে বিছানায় শুয়ে শুয়ে চিকিৎসা মানে কেবল মৃত্যুর দিন গোনা। তাই সাবধান থাকার কোনো বিকল্প নেই।

লেখাটা অনেক লম্বা হলেও আপনার বয়স যদি ষাট পেরিয়ে গিয়ে থাকে তাহলে আশা করি মন দিয়ে পড়ে মনে রাখবেন। যারা বয়োবৃদ্ধদের সেবা করছেন তারাও বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন।

(মূল লেখক: ডা. রামবিলাস মালানি, নাগপুর। পরিমার্জিত প্রতিবেদন )

🙏সবাইকে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।


Address

Sher E Bangla Nagor
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Patient Care Home Service posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Patient Care Home Service:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram