FH SHOP

FH SHOP বিভিন্ন ভেষজ ঔষধি গাছের চূর্ণ/পাউডার, গাঁজানো রসুন-মধু, হোম-মেড ফুড, তেল, মসলা ও ড্রাই ফ্রুটস এর নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান।

পায়খানা কষা? নিয়মিত হয় না? পেট ভার বা অস্বস্তি লাগে?তাহলে আপনার জন্যই FH SHOP-এর ‘কোষ্ঠ ক্লিয়ার’ – ত্রিফলা ও সোনাপাতার ন...
02/02/2026

পায়খানা কষা? নিয়মিত হয় না? পেট ভার বা অস্বস্তি লাগে?

তাহলে আপনার জন্যই FH SHOP-এর ‘কোষ্ঠ ক্লিয়ার’ – ত্রিফলা ও সোনাপাতার নির্ভরযোগ্য হার্বাল ফর্মুলা।

✔️ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
✔️ হজমে সহায়তা করে
✔️ মলত্যাগ সহজ করে
✔️ শরীর থেকে টক্সিন দূর করে
✔️ পেট থাকে হালকা ও আরামদায়ক

প্রতিদিন নয়, সপ্তাহে ৩–৫ দিন খেলে পেট থাকবে ক্লিয়ার, মন থাকবে ফ্রেশ।

এডভান্স বাজীকরন প্যাকেজ, যাতে নিম্নের উপকরণগুলো ব্যবহৃত হয়:★ অশ্বগন্ধা চূর্ণ ★ শিমুল মূল চূর্ণ★ শতমূল চূর্ণ ★ তেতুল বীজ...
31/01/2026

এডভান্স বাজীকরন প্যাকেজ, যাতে নিম্নের উপকরণগুলো ব্যবহৃত হয়:
★ অশ্বগন্ধা চূর্ণ ★ শিমুল মূল চূর্ণ
★ শতমূল চূর্ণ ★ তেতুল বীজ চূর্ণ
★ বীর্যমণি চূর্ণ ★ হরিতকী চূর্ণ
★ আমলকি চূর্ণ ★ বহেড়া চূর্ণ
★ তালমাখানা চূর্ণ ★ কাতিলা গাম চূর্ণ
★ স্টেভিয়া পাতা চূর্ণ ★ মধু

মানুষের শরীরের সব রোগের মূল কেন্দ্র হলো তার পেট! রাসূল (সা.) বলেছেন:“পেটের চেয়ে খারাপ কোনো পাত্র মানুষ পূর্ণ করে না।” (...
30/01/2026

মানুষের শরীরের সব রোগের মূল কেন্দ্র হলো তার পেট!

রাসূল (সা.) বলেছেন:
“পেটের চেয়ে খারাপ কোনো পাত্র মানুষ পূর্ণ করে না।” (তিরমিজি)

অথচ আমরা জিহ্বাকে খুশি করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত আমাদের এই পেট বা পাকস্থলীকে ডাস্টবিন বানিয়ে ফেলছি। যার ফলাফল—অল্প বয়সে শরীরে বাসা বাঁধছে কঠিন সব রোগ।

কেন আমরা অসুস্থ হচ্ছি?
বিজ্ঞান বলছে, আমাদের অন্ত্র বা Gut হলো আমাদের ‘দ্বিতীয় মস্তিষ্ক’। যখন আমরা অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, প্রসেসড ফুড বা চিনিযুক্ত খাবার খাই, তখন পেটের উপকারী ব্যাকটেরিয়াগুলো মারা যায়। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং শরীর ভেতর থেকে ধসে পড়তে থাকে।

অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসে ভবিষ্যতে যা হতে পারে:

১. স্থায়ী গ্যাস্ট্রিক ও আলসার:
অনিয়ম করে খাওয়া এবং বাইরের তেল-চর্বিযুক্ত খাবার পাকস্থলীতে এসিডের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। দীর্ঘদিন এটি চলতে থাকলে আলসার এবং হজমশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

২. স্থূলতা ও হৃদরোগের ঝুঁকি:
অতিরিক্ত শর্করা এবং ফাস্টফুড রক্তে ইনসুলিন স্পাইক ঘটায়। এটি শরীরে চর্বি জমায়, যা পরবর্তীতে ফ্যাটি লিভার, উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্ট অ্যাটাকের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

৩. অলসতা ও মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা হ্রাস:
বেশি খেলে শরীর ভারী হয়ে যায়, ইবাদতে মন বসে না এবং সবসময় ক্লান্তি কাজ করে। বিজ্ঞান মতে, অতিরিক্ত ভোজন মস্তিষ্কের ‘কগনিটিভ ফাংশন’ কমিয়ে দেয়, ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে।

৪. ত্বক ও হরমোনের সমস্যা:
অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে তার ছাপ মুখে পড়ে। একনি, ব্রন, এবং হরমোনাল ইমব্যালেন্সের অন্যতম প্রধান কারণ হলো অস্বাস্থ্যকর খাবার।

সুস্থ থাকতে আজই যে পরিবর্তনগুলো জরুরি:

১. পেটের এক-তৃতীয়াংশ নিয়ম মানা:
সুন্নাহ অনুযায়ী, পেটের এক ভাগ খাবার, এক ভাগ পানি এবং এক ভাগ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য খালি রাখুন। এটি হজমশক্তি বাড়ায় এবং শরীরকে হালকা রাখে।

২. ন্যাচারাল বা অর্গানিক খাবার গ্রহণ:
প্যাকেটজাত খাবার কমিয়ে প্রকৃতির কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করুন। মধু, কালোজিরা, বাদাম, খেজুর এবং ঘরে তৈরি খাবারকে প্রাধান্য দিন। এগুলো শরীরে ‘হিলিং’ বা নিরাময় প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে।

৩. সূর্যাস্তের পর ভারী খাবার বর্জন:
ঘুমানোর অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন। এতে ঘুমের সময় শরীর ডিটক্সিফাই করার সুযোগ পায় এবং মেদ জমে না।

৪. মাঝেমধ্যে রোজা রাখা:
সপ্তাহে অন্তত একদিন বা মাসে ৩টি সুন্নাহ রোজা (আইয়ামে বিজ) রাখার চেষ্টা করুন। বিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘অটোফ্যাজি’ বলা হয়, যা শরীরের মৃত কোষগুলোকে ধ্বংস করে ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

মনে রাখবেন—

জিহ্বার স্বাদ ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু স্বাস্থ্যের প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী। আল্লাহ আপনাকে যে সুস্থ শরীর দিয়েছেন, তা ভেজাল খাবার দিয়ে নষ্ট করবেন না।

সুস্থ শরীরই আপনাকে ইবাদত এবং দুনিয়াবী কাজে সফল হতে সাহায্য করবে। তাই আজই আপনার প্লেটের খাবারটি যাচাই করুন—এটি বিষ খাচ্ছেন না তো?

❄️ শীতে বারবার ঠান্ডা, কাশি আর শরীর দুর্বল লাগছে?সমাধান হতে পারে প্রকৃতির শক্তিশালী একটি উপহার—🍯 সুপার ফুড গাঁজানো রসুন ...
05/01/2026

❄️ শীতে বারবার ঠান্ডা, কাশি আর শরীর দুর্বল লাগছে?
সমাধান হতে পারে প্রকৃতির শক্তিশালী একটি উপহার—
🍯 সুপার ফুড গাঁজানো রসুন মধু

শীতের সময় আমাদের শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে যায়, ফলে সহজেই ঠান্ডা, কাশি ও বিভিন্ন সংক্রমণ দেখা দেয়। নিয়মিত গাঁজানো রসুন মধু গ্রহণ করলে—

✅ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
✅ ঠান্ডা ও কাশির উপশমে সহায়ক
✅ শরীরকে রাখে উষ্ণ ও শক্তিশালী
✅ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে
✅ প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে

🌿 প্রাকৃতিকভাবে গাঁজানো হওয়ায় এতে রসুন ও মধুর গুণাগুণ থাকে অটুট— কোন কেমিক্যাল নয়, কোন প্রিজারভেটিভ নয়।

👉 শীতে নিজের ও পরিবারের সুরক্ষায় আজই বেছে নিন FH SHOP-এর গাঁজানো রসুন মধু।

📞 অর্ডার করতে মেসেজ দিন বা সরাসরি যোগাযোগ করুন: 01771 50 32 14

#গাঁজানোরসুনমধু #রোগপ্রতিরোধক্ষমতা #শীতকালীনসুরক্ষা #ঠান্ডাকাশি #প্রাকৃতিকসমাধান

এই থার্টি ফার্স্ট নাইটে আমাদের অঙ্গীকার—🚫 আতশবাজি নয়🚫 ফানুস নয়
30/12/2025

এই থার্টি ফার্স্ট নাইটে আমাদের অঙ্গীকার—
🚫 আতশবাজি নয়
🚫 ফানুস নয়


আলকুশি (Mucuna pruriens) প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত এক শক্তিশালী ভেষজ, যা যৌন দুর্বলতা, স্নায়ু সমস্যা, মানসিক চাপ ও শারীরিক...
29/12/2025

আলকুশি (Mucuna pruriens) প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত এক শক্তিশালী ভেষজ, যা যৌন দুর্বলতা, স্নায়ু সমস্যা, মানসিক চাপ ও শারীরিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। দুধ দিয়ে শোধিত এই বিশেষ চূর্ণ টেস্টোস্টেরন বাড়ায়, বীর্য গাঢ় করে এবং আগ্রহের ঘাটতি পূরণে সহায়ক।

✅ উপকারিতা ও ব্যবহার:
✔️ যৌনশক্তি বৃদ্ধিতে কার্যকর – স্পার্মের মান, পরিমাণ ও গতি বাড়ায়
✔️ টেস্টোস্টেরন ও কামউত্তেজনা বাড়ায়
✔️ দ্রুত বীর্যপাত (PE) এবং লিবিডো কমে যাওয়ার সমাধানে সহায়ক
✔️ ন্যাচারাল এল-ডোপা থাকার কারণে Parkinson’s, Alzheimer’s রোগে উপকারী
✔️ স্নায়ু দুর্বলতা, অঙ্গ ঝিনঝিন, ঝাঁকি বা অসাড়তায় কার্যকর
✔️ পেট খারাপ বা ডায়রিয়ায় সহায়ক – মধু ও দুধের সাথে খাওয়া হয়
✔️ ঘুম ভালো হয় ও মানসিক চাপ কমায়

28/12/2025
রাসূলুল্লাহ (সা.) অলসতা থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে আশ্রয় দোয়া করতেন। তিনি বলতেন:“হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্...
25/12/2025

রাসূলুল্লাহ (সা.) অলসতা থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে আশ্রয় দোয়া করতেন। তিনি বলতেন:

“হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি অক্ষমতা ও অলসতা থেকে।” (সহিহ বুখারি)

যৌবন ও সুস্বাস্থ্যের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো অলসতা। ইসলামে অলস বসে থাকার কোনো স্থান নেই; বরং ইবাদত এবং জীবিকা—উভয় ক্ষেত্রেই পরিশ্রম করতে উৎসাহিত করা হয়েছে।

১. অলসতার বৈজ্ঞানিক ও শারীরিক ক্ষতি
যখন আমরা শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকি বা অলস সময় কাটাই, তখন শরীরে বাসা বাঁধে নানাবিধ রোগ:

বিপাকীয় সমস্যা: অলসতা শরীরে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়িয়ে দেয়, যা টাইপ-২ ডায়াবেটিসের প্রধান কারণ।

হৃদরোগের ঝুঁকি: শারীরিক পরিশ্রমের অভাবে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) বাড়ে, যা হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

পেশি ও হাড়ের ক্ষয়: দীর্ঘক্ষণ শুয়ে-বসে থাকলে শরীরের পেশিগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে এবং হাড়ের ঘনত্ব কমে যায়।

২. মানসিক স্বাস্থ্য ও অলসতা
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, "An idle brain is the devil's workshop" (অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা)।

ডিপ্রেশন ও উদ্বেগ: মানুষ যখন কাজহীন থাকে, তখন নেতিবাচক চিন্তা তাকে বেশি ঘিরে ধরে। অলসতা মানসিক অবসাদ এবং একাকীত্ববোধ বাড়িয়ে দেয়।

ডোপামিন ডিটক্সের অভাব: অলস ব্যক্তিরা সাধারণত ফোনের স্ক্রিনে সস্তা বিনোদন খুঁজে পায়, যা দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

৩. ইসলামের দৃষ্টিতে অলসতা ও কাজ
ইসলাম অলসতাকে শুধু স্বাস্থ্যের ক্ষতি হিসেবে দেখে না, বরং একে রিজিকে বরকত কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে গণ্য করে।

হাতের কামাই শ্রেষ্ঠ: রাসূল (সা.) বলেছেন, “কারো জন্য নিজের হাতের উপার্জিত খাদ্যের চেয়ে উত্তম খাদ্য আর নেই।”

সালাত ও সক্রিয়তা: ইসলামের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মানুষকে সময়নিষ্ঠ ও শারীরিকভাবে সক্রিয় রাখে। নামাজের প্রতিটি রুকু-সিজদাহ অলসতা কাটিয়ে শরীরকে সচল রাখার এক অনন্য ব্যায়াম।

৪. অলসতা কাটাতে ৩টি কার্যকরী পদক্ষেপ
১. সকালের বরকত গ্রহণ করুন: রাসূল (সা.) দোয়া করেছেন, “হে আল্লাহ! আপনি আমার উম্মতের সকালের কাজে বরকত দিন।” তাই দিনের শুরুটা ঘুমিয়ে নয়, বরং কাজের মাধ্যমে করুন। সকালের আলো ও বাতাস শরীরের হরমোন ভারসাম্য ঠিক রাখে।

২. শারীরিক ব্যায়াম ও সুন্নাহ: সাঁতার কাটা, তীর নিক্ষেপ, ঘোড়সওয়ারী বা দৌড়ানো—এগুলো সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত শরীরচর্চা। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ঘাম ঝরানো পরিশ্রম করুন। এটি আপনার মস্তিষ্কে 'এন্ডোরফিন' হরমোন নিঃসরণ করবে যা আপনাকে হাসিখুশি রাখবে।

৩. ‘পাঁচ সেকেন্ড’ রুল অনুসরণ করুন: যখনই কোনো কাজ করতে ইচ্ছা করবে না বা অলসতা আসবে, মনে মনে ৫ থেকে ১ পর্যন্ত উল্টো গণনা করুন (৫-৪-৩-২-১) এবং সাথে সাথে উঠে কাজ শুরু করুন। এটি মস্তিষ্ককে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

উপসংহার: অলসতা আপনার সুন্দর ভবিষ্যৎকে খেয়ে ফেলে। মনে রাখবেন, শরীর আল্লাহর আমানত এবং সময় মহান রবের দেওয়া শ্রেষ্ঠ নেয়ামত। আমানতের খেয়ানত করবেন না। সুস্থ থাকতে এবং ঈমানি শক্তিতে বলীয়ান হতে আজই অলসতাকে ‘না’ বলুন।

মনে রাখবেন— পরিশ্রমী ব্যক্তির ঘুম গভীর হয়, শরীর সুস্থ থাকে এবং তার মনে প্রশান্তি থাকে। আর অলস ব্যক্তি কেবল অভিযোগ আর অসুস্থতা নিয়ে দিন পার করে।

আজ থেকে শুরু করে, একেবারে ঠিক রামাদান পর্যন্ত, বিভিন্ন কাজের ফাঁকে ফাঁকে, মনে পড়লে, এই দু‘আটা পড়া সুন্নাত:اللهمَّ بارِكْ...
22/12/2025

আজ থেকে শুরু করে, একেবারে ঠিক রামাদান পর্যন্ত, বিভিন্ন কাজের ফাঁকে ফাঁকে, মনে পড়লে, এই দু‘আটা পড়া সুন্নাত:

اللهمَّ بارِكْ لنا في رَجَبَ وشَعْبانَ. وبَلِّغْنا رمَضَانَ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফী রজাবা ওয়া শা‘বান। ওয়া বাল্লিগনা রমাদান।

অর্থ: ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকে রজব ও শা’বানে বরকত দান করুন। আমাদের কাছে রামাদানকে পৌঁছে দিন। .
কত ছোট্ট একটা দু‘আ। অথচ একবার পড়লেই একটা সুন্নাত আদায় করার সওয়াব।
এক দুইদিন নয়, দুই মাস এই দুর্লভ সুযোগ থাকবে।

Address

Godaun Moor (Hospital Road), Islampur, Dhamrai
Dhaka
1350

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801771503214

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FH SHOP posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to FH SHOP:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

FH SHOP শুরু করা নিয়ে আমার কিছু কথা

আগের দিনে, আমাদের একটু কাঁসি হলেই মা, দাদীরা তুলসী পাতার রস খাওয়াতো, বাসক পাতার রস খাওয়াতো । চুলকানিতে নিম পাতার রস খাওয়াতো ও বেটে শরীরে লাগিয়ে দিতো । এই ট্রেডিশন এখন আর নাই । এসবের স্থান এখন আধুনিক চিকিৎসা দখল করে নিয়েছে । মানুষের সামান্য সর্দি হাঁচি হলেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে চলে যাচ্ছে , সামান্য কারনে এন্টিবায়োটিকের অপব্যবহার হচ্ছে, প্রচুর ওষুধ খাওয়ার কারনে যে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হচ্ছে তা তারা নগদে টের পাচ্ছেনা ।

তবে বর্তমানে মানুষ সচেতন হচ্ছে, ক্যামিকেল যুক্ত ওষুধের সাইড ইফেক্ট সম্পর্কে জানছে। তারা এখন আবার ন্যাচারাল চিকিৎসা গ্রহন করতে চাচ্ছে ।

হাজার বছরের পুরাতন ভেষজ চিকিৎসার প্রতি মানুষের আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে মূলত ক্ষতিকর ঔষধ থেকে দূরে থেকে প্রকৃতির সাথে একাত্ম হয়ে প্রাকৃতিক চিকিৎসা গ্রহনের ইচ্ছা থেকে ।