Arthritis & Stroke Rehab Center

Arthritis & Stroke Rehab Center It is a physiotherapy based hospital to rehab arthritis & stroke patient. We also treat different type of musculo-skeletal pain & sports injury.

08/03/2019

10 Days International Workshop Series by Dutch Multidisciplinary Specialist -

Opportunity Seldom Come !

Scope of Learning the International Protocol.

Modules:
• MSK & Spine Assessment & Management skills for rehabilitation.
• MSK USG & Infiltration skills in rehabilitation.
• Develop and build up capacity for the profession, service providers & professional organization.

Dates:- 24, 25, 26, 27 April, 28 April Sunday--close, 29, 30 April, 2,3,4,5 May

Contact:
Dr. Pradip Kumar Saha, Convener - 01711176784
Dr. Towhiduzzman Litu
Organizing Secretary – 01715282606
Powered By: BPA Academy, an Official Organ of Bangladesh Physical Therapy Association (BPA)

29/10/2018

২৯ অক্টোবর,বিশ্ব স্ট্রোক দিবস

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস প্রতিবছর ২৯ অক্টোবর উদযাপিত হয়। মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ কোনো কারনে বিঘ্নিত হলে স্ট্রোক সংঘটিত হয়। বিশেষ করে রক্তনালী বন্ধ হয়ে কিংবা রক্তনালী ছিড়ে মস্তিষ্কে এই রক্ত সরবরাহ বিঘ্নিত হয়।
সারাবিশ্বে মৃত্যুর তৃতীয় প্রধান কারণ স্ট্রোক।
বিশ্বে প্রতি ৬ সেকেন্ডে একজন স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন। বছরে আক্রান্ত হচ্ছে ৬ কোটি এবং মারা যাচ্ছে ২ কোটি মানুষ। স্ট্রোকের কারণে দেড় কোটি লোক পঙ্গু হচ্ছে। প্রতি ৬ জনে ১ জনের স্ট্রোকে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি থাকে।স্ট্রোকে আক্রান্তদের মধ্যে ৪০ ভাগ মারা যায়, আর ৩০ ভাগ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েন। তারা বেঁচে থেকেও দুর্বিষহ জীবনযাপন করেন। আমেরিকানদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের মৃত্যুর কারণ স্ট্রোক। স্ট্রোকে আক্রান্তের হার দিন দিন বেড়েই চলছে। অনেক ক্ষেত্রে সচেতনতার অভাবেই এই রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। আমাদের দেশে এখন ১৫ থেকে ২০ লাখ স্ট্রোকের রোগী রয়েছে।স্ট্রোক সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিবছর ২৯ অক্টোবর বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উদযাপিত হয়।

25/10/2018

যে সব ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা অত্যাবশ্যক:
 বাত-ব্যথা
 কোমড় ব্যথা
 ঘাড় ব্যথা
 হাঁটু অথবা গোড়ালীর ব্যথা
 আঘাত জনিত ব্যথা
 হাড় ক্ষয় জনিত রোগ
 জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়া
 স্ট্রোক
 প্যারালাইসিস জনিত সমস্যায়
 মুখ বেঁকে যাওয়া বা ফেসিয়াল পালসি
 বিভিন্ন ধরনের অপারেশন পরবর্তী সমস্যায়
 আইসিইউ (ওঈট) তে অবস্থানকারী রোগীর জন্য
 পা বাঁকা (ক্লাবফিট)
 গাইনোকলজিক্যাল সমস্যায়
 সেরিব্রাল পলসি (প্রতিবন্ধী শিশু)
 বার্ধক্যজনিত সমস্যা ইত্যাদি চিকিৎসার ক্ষেত্রে ও পুনর্বাসন সেবায় ফিজিওথেরাপির ভূমিকা অপরিসীম।

ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা পদ্ধতি:
একজন ফিজিওথেরাপিষ্ট রোগীর রোগ বর্ণনা, ফিজিক্যাল টেষ্ট, ফিজিওথেরাপিউটিক স্পেশাল টেষ্ট, প্রয়োজন সাপেক্ষে বিভিন্ন রেডিওলজিক্যাল টেষ্ট এবং প্যাথলজিক্যাল টেষ্ট এর মাধ্যমে রোগ নির্ণয় বা ডায়াগ্‌নোসিস করে থাকেন। অত:পর রোগীর সমস্যানুযায়ী চিকিৎসার পরিকল্পনা অথবা ট্রিটমেন্ট প্লান করেন এবং সেই অনুযায়ী নিন্মোক্ত পদ্ধতিতে ফিজিওথেরাপি সেবা প্রদান করে থাকেন।
-ম্যানুয়াল থেরাপি
-ম্যানিপুলেটিভ থেরাপি
-মোবিলাইজেশন
-মুভমেন্ট উইথ মোবিলাইজেশন
-থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ
-ইনফিলট্রেশন বা জয়েণ্ট ইনজেকশন
-পশ্চারাল এডুকেশন
-আরগোনমিক্যাল কনসালটেন্সী
-হাইড্রোথেরাপি
-ইলেকট্রোথেরাপি বা অত্যাধুনিক মেশিনের সাহায্যে চিকিৎসা (যেমন: TENS, IRR, Traction ইত্যাদি)। তবে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসাতে মেশিনের ব্যবহার খুবই নগন্য।
-কিছু কিছু স বা ঔষধ

গর্ভাবস্থায় কোমর ব্যথায় করণীয়ঃগর্ভসঞ্চার কাল থেকে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত একজন মা কে অনেকগুলো শারীরিক কষ্টকর অবস্থার...
22/10/2018

গর্ভাবস্থায় কোমর ব্যথায় করণীয়ঃ

গর্ভসঞ্চার কাল থেকে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত একজন মা কে অনেকগুলো শারীরিক কষ্টকর অবস্থার ভিতর দিয়ে যেতে হয়।গর্ভকালীন কোমর ব্যথা তার মধ্যে একটি।প্রায় প্রতিটি গর্ভবতী মহিলা কমবেশি কোমর ব্যথায় ভোগেন।বিশেষ করে গর্ভকালীন শেষ তিন মাসে।এই ব্যথা কারও কারও ক্ষেত্রে তেমন মারাত্মক না হলেও অনেকের জন্যেই কষ্টের কারন হয়ে থাকে।

ব্যথার কারনঃ

ওজন বৃদ্ধিঃ গর্ভকালীন সময়ে গর্ভবতী মহিলারর ওজন প্রায় ১০ থেকে ১৫ কেজি ওজন বেড়ে যায়।এই বাড়তি ওজন মেরুদন্ডে এবং মাংসপেশীতে অতিরিক্ত চাপ ফেলে। ফলে কোমরে ব্যথা হয়। ওজন ও আয়তন বৃদ্ধির জন্য দেহের ভরকেন্দ্রেরও পরিবর্তন হয়।এর সাথে খাপ খাওয়াতে যেয়ে মায়ের চলাফেরায় পরিবর্তন আনতে হয় ফলে কোমরে ব্যথা হয়।

আয়তন বৃদ্ধিঃ ভ্রূণ বৃদ্ধির সাথে সাথে গর্ভের আয়তনও বৃদ্ধি পায় এবং তা রক্ত নালী ও স্নায়ুতে বিশেষ করে সায়াটিক নার্ভে চাপ সৃষ্টি করে ফলে কোমরে ব্যথা হয়।এই ব্যথা পায়ের দিকেও যেতে পারে।

হরমোন এর পরিবর্তনঃ গর্ভধারণের পর থেকে মায়ের শরীরে রিলাক্সিন নামক হরমোন বেড়ে যায়।এই হরমোনের কাজ কোমরের জয়েন্ট এবং লিগামেন্টকে নরম করা যাতে বাচ্চা বড় হওয়ার জায়গা করতে পারে ও প্রসব প্রক্রিয়া সহজ করা।এই নরম হওয়ার কারনেও উঠা বসায় কোমরে ব্যথা হয়।

কাদের বেশী ব্যথা হয়ঃ

১. যার আগে থেকেই দৈহিক ওজন বেশী

২. যিনি শারীরিক ভাবে দুর্বল।

৩. ধুমপায়ী বা মদ্যপায়ী মায়েদের ঝুঁকি বেশী থাকে।

৪. অতিরিক্ত মানসিক চাপে থাকলে।

চিকিৎসাঃ

যেহেতু গর্ভাবস্থায় ব্যথানাশক ঔষধ গ্রহণ করা উচিত নয় তাই ঔষধ ছাড়া ব্যথা কমাতে নিম্ন বর্ণিত উপায় গুলো প্রয়োগ করা যেতে পারে।

ব্যায়ামঃ

কোমর ব্যথা হলে আমারা সাধারণত বিছানায় শুয়ে থাকি। তবে খুব বেশী সময় শুয়ে থাকা উচিত নয়। শুয়ে থাকলে ব্যথার তেমন কোন উপশম হয়না বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা আরও বেড়ে যেতে পারে। গর্ভাবস্থায় কোমর ব্যথা দূর করার সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হল ব্যায়াম। গর্ভাবস্থায় ব্যায়াম করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে আলোচনা করে নিতে হবে কারণ এমন কোন কন্ডিশন থাকতে পারে যার জন্য কিছু কিছু ব্যায়াম বা ব্যায়াম করা পুরোপুরি গর্ভবতী মায়ের জন্য নিষিদ্ধ হতে পারে।ব্যায়াম মাংস পেশীকে শক্তিশালী করে এবং খুব সহজেই শিশুকে বহন করার শক্তি যোগায়। ব্যায়াম করলে দেহের রক্ত সঞ্চালন বাড়ে ফলে ব্যথা কমে। গর্ভবতী মহিলাদের জন্য শ্রেষ্ঠ ব্যায়াম হল হাঁটা।তাছাড়া সাঁতার কাটা,এ্যারোবিক এক্সারসাইজ, কিছু স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ উপকারী। তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ মত করতে হবে।

গরম বা ঠান্ডা শেকঃ

অবস্থা ভেদে কোমরে গরম বা ঠান্ডা শেক দেয়া যায়।এতে ব্যথায় আরাম পাওয়া যেতে পারে।খেয়াল রাখতে হবে যেন পেটে শেক দেয়া না হয়।ডাক্তারের পরামর্শ মত শেক নেয়াই উত্তম।

নিয়ম মেনে চলাঃ

কোমর ব্যথায় গর্ভবতী মায়েদের কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়।যেমনঃ
১. দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে না থাকা।ঝুঁকে না দাঁড়ানো।।
২. ভাড়ী কিছু না তোলা বা বহন না করা।
৩. অধিক নরম বিছানায় না ঘুমানো।
৪. বসার সময় কোমরের পিছনে সাপোর্ট হিসাবে বালিশ বা কুশন ব্যাবহার করা।
৫. শোয়ার সময় পাশ ফিরে হাঁটুর নিচে বালিশের সাপোর্ট দিয়ে শুতে হবে।
৬. হাই হিলের জুতা পরিহার করতে হবে।

খাদ্যাভ্যাসঃ

গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টিকর, সহজ পাচ্য এবং ফাইবার যুক্ত খাবার খেতে হবে যাতে কোষ্ঠবদ্ধতা না হয়।কারন কোষ্ঠবদ্ধতা কোমর ব্যথা বাড়িয়ে দেয়।

ঘুমঃ

ব্যথা কমানোর জন্য রিলাক্সেশন খুব দরকার।আর ঘুম হচ্ছে রিলাক্সেশনের বড় মাধ্যম। পরিপূর্ণ ঘুম ব্যথা বহুলাংশে কমিয়ে দেয়।

কখন দ্রুত ডাক্তার দেখাতে হবেঃ

১. আঘাতের কারনে ব্যথা হলে।

২.কোমর ব্যথা যদি খুব বেশী থাকে বা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।

৩.যোনিপথে যদি রক্ত যায়।

৪.পায়ের দিকে যদি দুর্বল বা অনুভূতিহীন লাগে।

৫. যদি তল পেটে ব্যথা থাকে বা প্রস্রাবে জ্বালা হয় ও জ্বর থাকে।

গর্ভধারণের শেষের দিকে কেউ যদি প্রথমবারের মত এই ধরনের ব্যথা অনুভব করেন তবে তা লেবার পেইন কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে। গর্ভাবস্থায় স্বাভাবিক কোমর ব্যথা নিয়ে দুঃচিন্তার কারণ নেই। এটি গর্ভের বাচ্চার স্বাভাবিক বিকাশ ও প্রসবের জন্য ক্ষতিকর নয়।

লেখকঃ

ডাঃ রোকসানা মনি
phone : 01712092905
Consultant Physiotheray and Natural Medicine.
Arthritis and Stroke Rehab Center (ASRC)
Mirpur - 14, Dhaka.
Noor Majid Ayurvedic College (NMAC).
Progoti sharoni,Gulshan-Badda link road.

ফেসিয়াল পালসি বা মুখ বাঁকা হওয়া সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে মুখ ধুতে গিয়ে দেখছেন কুলির পানি বেরিয়ে পড়ছে  একপাশ থেকে আর এই একই...
16/10/2018

ফেসিয়াল পালসি বা মুখ বাঁকা হওয়া

সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে মুখ ধুতে গিয়ে দেখছেন কুলির পানি বেরিয়ে পড়ছে একপাশ থেকে আর এই একই পাশের চোখ বন্ধ হচ্ছে না, গাল কিছুটা ঝুলে পড়েছে । কথা বলার সময় মুখ অপর পাশে বাঁকা হয়ে যাচ্ছে।এই রকম সমস্যা খুব বেশী পরিচিত না হলেও অনেকেই পরেছেন বিশেষ করে শীত কালে।একে বলে ফেসিয়াল পালসি বা বেলস পালসি বা মুখের প্যারালিসিস। মুখমন্ডলির স্নায়ু কোন কারনে দুর্বল বা অকার্যকর হলে এমনটি হয়।

চিকিৎসা

বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের দেয়া ঔষধ গ্রহন এর পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি যেমন ,
মুখের বিশেষ ব্যায়াম,
মুখের বিশেষ ম্যাসাজ,
ইলেক্ট্রিক্যাল ইস্টিমুলেশন,
ইনফ্রা রেড রেডিয়েশন দিয়ে শেক দেয়া ইত্যাদি।

ব্যাক্তিগত পরিচর্যা

এই অবস্থায় ঠান্ডা এড়িয়ে চলতে হবে।
ঠান্ডা পানীয় না খাওয়া।
সরাসরি মুখমন্ডলে ঠাণ্ডা বাতাস না লাগান ইত্যাদি।
যেহেতু চোখ বন্ধ হয় না তাই চোখের বিশেষ যত্ন নিতে হবে। নরম কাপড় দিয়ে চোখ মোছা ও চশমা
ব্যবহার ইত্যাদি।

লেখক :

ডা: রোকসানা মনি
Ph: 01712092905
Consultant – Physiotherapy & Natural Medicine
Arthritis and Stroke Rehab Center (ASRC), Mirpur-14.
&
Noor-Majid Ayurvedic Medical College & Hospital (NMAC).
Progoti Sharoni, Gulshan-Badda Link Road.

11/10/2018

আখ- দামে সস্তা কিন্তু গুনে ভরপুর

ইদানীং রাস্তার ধারে,ভ্যানে বেশ আখ বিক্রি হচ্ছে।এখন আখের মওসুম চলছে।Traditional Medicine এ একটি কথা আছে,যে ঋতুতে যে ফলন হয় দেহের জন্য সেই ঋতুতে সেটি প্রয়োজন। তাই জেনে নিই আখ আমাদের দেহের জন্য এখন কেন প্রয়োজন।

১. আখের রসে আছে প্রচুর পরিমানে এন্টি অক্সিডেন্ট যা ইমিউনিটি বাড়িয়ে দেহকে ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে।ঋতু পরিবর্তনের এই সময় যা আমাদের একান্ত প্রয়োজন।

২. আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুসারে শরৎকালে পিত্ত প্রকোপিত থাকে।আর আখের রস পিত্ত প্রশমিত করে দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং লিভারকে শক্তিশালী করে।জণ্ডিস রোগে আক্ষের রসের জুড়ি নেই।

৩. কথায় আছে শরৎকালে তাল পাকানো গরম পড়ে। এই গরমে পানি এবং জরুরী ইলেক্ট্রালাইট এর ঘাটতি পূরণ করতে আখের রস উপকারী। কারন এতে আছে প্রচুর পরিমানে আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি মিনারেল।

আখের রসের অন্যান্য উপকারিতাঃ

১. আখের রস মূত্রবর্ধক (diuretic). তাই এটি মূত্রনালির প্রদাহ(UTI),কিডনির পাথর বা কিডনিজনিত অন্যান্য সমস্যায় উপকারী।

২. আখের রস বলবর্ধক। এতে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ও মিনারেল যা সদ্য অসুখ থেকে সেরে উঠা রোগীর জন্য উপকারী।

৩. এর low glycemic index property এর জন্য ডায়াবেটিক রোগীরা এটি পান করতে পারেন।

৪. আখের রস ক্ষারীয়। তাই এটি এসিডিটির জন্য উপকারী।

৫. আখের রসে বিদ্যমান ফসফরাস এবং ক্যালসিয়াম দাঁতের এনামেল তৈরি করে এবং ক্ষয় রোধ করে।এটি মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।

৬. এতে আছে দ্রবীভূত ফাইবার যা ওজন কমাতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কার্যকরী।

৭. আখের রস ক্ষারীয় বিধায় নিয়মিত পান করলে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে।এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রন ও ম্যাঙ্গানিজ, যা স্তন ক্যানসার ও প্রস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধে সক্ষম। শরীরের অবাঞ্ছিত টক্সিন দূর করে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তোলে আখের রস।

৮. ত্বকের যত্নেও আখের রস উপকারী। এটি ত্বকের পানি সমতা রক্ষা করে,বয়সজনিত ত্বকের কুঁচকে যাওয়া রোধ করে এবং ব্রণ দূর করে।

প্রায়ই দেখা যায় রাস্তার ধারে আখের রস বিক্রি হচ্ছে।এই সব খোলা রসে মাছি বসছে এবং ধুলাবালি পড়ছে। যা কিনা অস্বাস্থ্যকর। তাই বলবো আখ ঘরে এনে ধুয়ে দাঁত দিয়ে চিবিয়ে খান।এতে বিশুদ্ধ রসও পাবেন আর মুখ ও দাঁতের ব্যায়ামও হবে।

ডাঃ রোকসানা মনি
Consultant Physiotherapy
Arthritis and Stroke Rehab Center(ASRC)
Mirpur-14
doing Internship in Natural Medicine at NMAC.

সারভাইক্যাল স্পন্ডাইলোসিস থেকে মাথা ঘোরাঃচলাফেরায় ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা বা উঠতে বসতে মাথায় চক্কর দেয়া, চোখে ঝাপসা দেখা ইত...
25/09/2018

সারভাইক্যাল স্পন্ডাইলোসিস থেকে মাথা ঘোরাঃ

চলাফেরায় ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা বা উঠতে বসতে মাথায় চক্কর দেয়া, চোখে ঝাপসা দেখা ইত্যাদি লক্ষণকে মাথা ঘোরা বা ভারটিগো বলে।অনেক কারনের মধ্যে সারভাইক্যাল স্পডাইলোসিস মাথা ঘুরানোর একটি কারন।আমাদের মেরুদন্ডের ঘাড়ের দিকে সাতটি হাড় বা ভারটিব্রা আছে।প্রতিটি হাড়ের মাঝে জেলির মত পদার্থ থাকে যা কুশন হিসাবে কাজ করে।বিভিন্ন কারনে ভারটিব্রা গুলো ক্ষয় প্রাপ্ত হয়ে চেপে যায় এবং জেলির মত পদার্থটি বাইরে বেরিয়ে এসে নার্ভ এবং রক্তনালীতে চাপ দেয়।এর ফলে ঘাড়ে ব্যথা হয়। আর রক্তনালীতে চাপের ফলে মাথায় রক্ত সঞ্চালন কম হয়।আর তখনি মাথা ঘোরে।এই ক্ষেত্রে মাথা ঘোরার ঔষধে কোন কাজ হয় না। ফিজিওথেরাপি দিয়ে এই মাথা ঘোরানোর চিকিৎসা করা হয়।

ডাঃ রোকসানা মনি
Consultant Physiotherapy
Arthritis and Stroke Rehab Certer(ASRC)
Mirpur 14.

Address

Dhaka
1206

Telephone

01715282606

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arthritis & Stroke Rehab Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Arthritis & Stroke Rehab Center:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category

ARTHRITIS & STROKE REHAB CENTER

This is a specialized hospital for arthritis & stroke rehabilitation. Here both indoor & outdoor services are available with minimum charges.