Ityadi-BD

Ityadi-BD Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ityadi-BD, Medical and health, Room No. 511, 4th Floor, 87/92/B, Farmview Super Market, Green Road, Tejgaon, Dhaka/121, Dhaka, Dhaka Division, Dhaka.

10/04/2025

সম্পত্তি নিয়ে মামা ভাগিনি বিরোধ

10/04/2025

প্রবেশপত্র না পেয়ে এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারেনি ১৩ শিক্ষার্থী।

10/04/2025

আগারগাঁওয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও BCS পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত।

পেজটি ফলো করুন,
আপনার শহরের সব খবর ও আপডেট পেতে পাশে থাকুন!

10/04/2025

গতির নেশায় মাতাল বাইকার।
সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি।

Really true
30/11/2023

Really true

05/03/2021
ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্তশান বাধানো ফুটপাতেপাথরে ডুবিয়ে এক কাঠখোট্টা গাছকচি কচি পাতায় পাজর ফাটিয়ে হাসছে।ফুল ফুটুক না ফ...
13/02/2021

ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত
শান বাধানো ফুটপাতে
পাথরে ডুবিয়ে এক কাঠখোট্টা গাছ
কচি কচি পাতায় পাজর ফাটিয়ে হাসছে।
ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত।

প্রতিদ্বন্দ্বীকে নয়, গ্রাহককে ভয় পাওবহুজাতিক প্রতিষ্ঠান আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস। মাত্র ১০ জন কর্মী নিয়ে শুরু হওয়া ...
05/02/2021

প্রতিদ্বন্দ্বীকে নয়, গ্রাহককে ভয় পাও
বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস। মাত্র ১০ জন কর্মী নিয়ে শুরু হওয়া আমাজন কীভাবে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল? ২০১৮ সালে বিজনেস ইনসাইডারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সে কথা বলেছিলেন তিনি।

জেফ বেজোস
ছেলেবেলা থেকেই আমি সব সময় উদ্যোক্তা হতে চেয়েছি। আমি সেই সব মানুষের একজন, যারা সব সময় ভাবে আরও একটু ভালো করার সুযোগ আছে। এমনকি রেস্তোরাঁয় খেতে গেলেও আমি ভাবতাম, কীভাবে এই রেস্তোরাঁটা আরও ভালো করতে পারে। আইডিয়া বা ভাবনা আমার মাথায় সব সময় ছিল। আমি মনে করি, সব মানুষের মধ্যেই আরও একটু ভালো করার একটা সহজাত তাড়না আছে। অতএব উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকেরা যদি তাঁদের কৌতূহল মেটাতে চেষ্টা করেন, আগ্রহের পেছনে ছোটেন, একটা পথ খুঁজে বের করেন, তাহলে তাঁরা সফল হবেন। কিন্তু বলে রাখি, কখনোই পুরোপুরি সন্তুষ্ট হবেন না। এ অসন্তোষ, এই আরও ভালো করার আকাঙ্ক্ষাকেই কাজে লাগাতে হবে। আমার মতে; আপনার প্রতিযোগীর থেকে এগিয়ে থাকার জন্য নয়, বরং গ্রাহককে আরও সন্তুষ্ট করার জন্য এ অসন্তোষকে কাজে লাগানো উচিত। এ ভুলটা অনেক নতুন প্রতিষ্ঠানও করে। শুরুতেই তারা প্রতিযোগীর দিকে যতটা নজর দেয়, গ্রাহকের দিকে ততটা দেয় না। কোনো শিল্প যদি পরিণত হয়, কখনো কখনো অনুসরণ করাও জয়ের কৌশল হতে পারে। নতুন প্রতিষ্ঠান অনেক সময় নতুন কিছু চেষ্টা করে, যেটা বিফলে যায়। কিন্তু এর জন্য বড় অঙ্কের মাশুল দিতে হয়।

আমাজন যেভাবে সফল হলো

শুরু থেকেই আমাজনকে বহুদূর নেওয়ার পরিকল্পনা আমার ছিল। আমি জানতাম, আগামী ৩০ বছরের মধ্যে এ বইয়ের ব্যবসা সফল হবে। কিন্তু যে পরিমাণ বই বিক্রি হয়েছিল, তাতে আমি নিজেই চমকে গিয়েছিলাম। আমাদের প্রস্তুতি তেমন ভালো ছিল না। তখন প্রতিষ্ঠানে সর্বসাকল্যে ১০ জন কর্মী ছিল। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই সফটওয়্যার প্রকৌশলী। সুতরাং প্রকৌশলীদের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমি বই প্যাকেট করা শুরু করেছিলাম। এমনকি বই রেখে প্যাকেট করার মতো টেবিলও আমাদের ছিল না। হাঁটুতে ভর করে, মাটিতে বসে বই প্যাকেট করতে হচ্ছিল। কাজ করতে করতে রাত একটা-দুইটার দিকে আমি আমার এক সফটওয়্যার প্রকৌশলী সহকর্মীকে বললাম, ‘পল, হাঁটুটা মনে হয় গেছে। হাঁটু রক্ষা করার জন্য নি প্যাড দরকার।’ পল বলল, ‘জেফ, আমাদের দরকার টেবিল।’ আমি বললাম, ‘ওহ! তাই তো!’ পরদিন টেবিল এল। আমাদের কাজের গতি দ্বিগুণ হলো। সেই সঙ্গে কোমর আর হাঁটুটাও রক্ষা পেল।

এসেছে অনেক বাধা
আমাজনের চলার পথে অনেক অনেক বাধা এসেছে। দুর্ভাগ্য বলব না। কিন্তু অনেক নাটকীয় ঘটনা ঘটেছে। মনে আছে, তখন আমাদের মাত্র ১২৫ জন কর্মী। যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত বইয়ের দোকান বারনস অ্যান্ড নোবেল অনলাইনে বই বিক্রি করা শুরু করল। আমাদের মধ্যে পার্থক্য ছিল স্রেফ দুই বছরের। আমরা শুরু করেছি ১৯৯৫ সালে, ওরা ১৯৯৭ সালে। সংবাদপত্রে শিরোনাম হতে শুরু করল। সবাই লিখল, আমাদের পথে নামতে খুব বেশি দেরি নেই। ১২৫ জন কর্মী নিয়ে বছরে আমাদের ছয় কোটি ডলারের বই বিক্রি হতো। অন্যদিকে বারনস অ্যান্ড নোবেলের কর্মী ছিল ৩০ হাজার। বছরে ৩০০ কোটি টাকার বই বিক্রি করত ওরা। যেই শিরোনামটা আমার এখনো মনে আছে, সেটা হলো ‘আমাজন। ছ্যাঁকা খেয়েছে।’

তখন সবাইকে নিয়ে এক সভায় বসলাম। ১২৫ জন মানুষকে নিয়ে এক ঘরে বসা খুব কঠিন ছিল না। আমরা সবাই ভীত ছিলাম কারণ কোনো বড় প্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি হওয়া সেটাই প্রথম। অবস্থা এমন, মা-বাবারা আমাদের ডেকে জিজ্ঞেস করছিল, ‘ঠিক আছ তো?’ তো সভায় সবাইকে ডেকে আমি বললাম, ‘দেখো, ভয় পাওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বীকে ভয় পেয়ো না। কারণ, তারা কখনোই আমাদের টাকা দেয় না। আমাদের টাকা দেয় গ্রাহক, অতএব গ্রাহককে নিয়ে ভয় পাও। আমরা যদি প্রতিদ্বন্দ্বীর দিকে মনোযোগ না দিয়ে গ্রাহককে মনোযোগ দিই, সব ঠিক হয়ে যাবে।’ আমি সত্যিই এ কথা বিশ্বাস করতাম। পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন, আপনার ভাবা উচিত—কীভাবে আমার গ্রাহকের সংখ্যা দ্বিগুণ করা যায়। অতএব গ্রাহককে সন্তুষ্ট করুন, খুশি করুন।

(ইংরেজি থেকে অনূদিত)

পা জ্বালাপোড়ায় করণীয়”বার্নিং ফুট সিনড্রোম” হলো পা জ্বালাপোড়া ও অতিরিক্ত ভার এ ধরনের এক অনুভূতি । এ সমস্যায় যে কেউ ভুগত...
30/11/2020

পা জ্বালাপোড়ায় করণীয়

”বার্নিং ফুট সিনড্রোম” হলো পা জ্বালাপোড়া ও অতিরিক্ত ভার এ ধরনের এক অনুভূতি । এ সমস্যায় যে কেউ ভুগতে পারে । তবে ২০ থেকে ৪০ বৎসর বয়সে এবং ৫০ বৎসরের উর্ধ্বে যে কেউ এ রোগে আক্রান্ত হয় । পুরুষের তুলনায় মহিলারা বেশী ভোগে। পায়ের তলা ছাড়াও গোড়ালি, পায়ের উপরিভাগ ও লেগে জ্বালাপোড়া ও ব্যথা হতে পারে । অনেক সময় পায়ের রং পরিবর্তন হয়, অতিরিক্ত ঘাম হয় এবং পা ফুলে যায় । চাপ প্রয়োগ করলে কোন ব্যথা অনুভূত হয় না । মাঝে মাঝে অস্বাভাবিক অনুভূতি ও অবশভাব হয় । জ্বালা ও ব্যথা রাতে বেড়ে যায় এবং প্রায়ই ঘুমের বেঘাত ঘটায় । সকালে ঘুম থেকে উঠার পর এ ধরনের উপসর্গ থাকে না ।

কারণ:

১. ভিটামিন বি – এর উপাদান যেমন থায়ামিন (বি-১), পাইরিডক্সিন (বি-৬), সায়ানোকোবালামিন(বি-১২), নিকোটানিক এসিড ও রাউবোফ্ল্যাভিন এর অভাবে পা জ্বালা এবং ব্যথা করে ।

২. অসংগত বিপাকীয় প্রক্রিয়া ও গ্রন্থি সমস্যা (ডায়াবেটিস, হাইপোথাইরোডিসম)।

৩. কিডনি ফেইলিওর (হিমোডায়ালাইসিস রোগী) ।

৪. যকৃত (লিভার) ফাংশন খারাপ ।

৫. কেমোথেরাপি ।

৬. দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত মদপান ।

৭. ইলফিটিং বা ডিফেক্টিভ জুতা পরিধান ।

৮. এলার্জি জনিত কাপড় ও মোজা ব্যবহার করা ।

৯. বংশানুক্রমিক অসংগত স্নায়ু পদ্ধতি ।

১০. স্নায়ু ইনজুরি, অবরুদ্ধ(ইনট্রাপমেন্ট)ও সংকোচন(কমপ্রেসন) ।

১১. মানসিক পীড়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিও এ ধরনের পরিস্থিতি শিকার হন ।

করণীয়:

চিকিৎসার শুরুতেই রোগের ইতিহাস, রোগীর শারীরিক পরীক্ষা ও ল্যাবরেটরী পরীক্ষা থেকে কারণ অনুসন্ধান করতে হবে । রোগীকে আশ্বস্ত করতে হবে যে, প্রতিকার ও চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগ থেকে মুক্ত হওয়া যায় । সুপরিমাপের খোলা ও আরামদায়ক জুতা পরিধান করতে হবে । আরামদায়ক সুতার মোজা ব্যবহার করা উত্তম । পায়ের আর্চ সাপোর্ট, ইনসোল ও হিল প্যাড ব্যবহারে উপসর্গ লাঘব হবে । পায়ের পেশির ব্যায়াম ও ঠান্ডা পানির(বরফ না) সেঁক উপসর্গ নিরাময়ে অনেক উপকারী । রোগ প্রতিরোধে পর্যাপ্ত পরিমানে ভিটামিন সেবন করতে হবে এবং চিকিৎসায় ভিটামিন ইনজেকশন পুশ করতে হবে । মদপান ও ধুমপান থেকে বিরত থাকতে হবে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রিত রাখতে হবে । স্নায়ু ইনজুরি, অবরুদ্ধ(ইনট্রাপমেন্ট) ও সংকোচন(কমপ্রেসন) হলে যথোপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহন করা বাঞ্ছনীয় । বার্নিং ফুট সিনড্রোম” থেকে সুস্থ থাকতে হলে সবাইকে চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধে সচেস্ট থাকতে হবে ।

লেখক: ডা: জি. এম. জাহাঙ্গীর হোসেন, সহকারী অধ্যাপক, অর্থোপেডিক সার্জারী বিভাগ, জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পূনর্বাসন প্রতিষ্ঠান(নিটোর), ঢাকা

একমাত্র  ★Safe medicine Shop★ আপনাকে দিচ্ছে নিরাপদ ভেজাল মুক্ত এবং সম্পূর্ণরূপে চেক করে আপনার প্রয়োজনীয় ঔষধটি। কিভাবে ...
29/11/2020

একমাত্র ★Safe medicine Shop★ আপনাকে দিচ্ছে নিরাপদ ভেজাল মুক্ত এবং সম্পূর্ণরূপে চেক করে আপনার প্রয়োজনীয় ঔষধটি।

কিভাবে বুঝবেন যে ওষুধ খাচ্ছেন সেটার মেয়াদ আছে কি নেই? যারা জানেন খুব ভালো, যারা জানেন না তারা জেনে নিন।

যদি প্যাকেটজাত কোন ওষুধ যেমন: সিরাপ বা সাসপেনশান, ট্যাবলেট এবং ক্যাপসুলের পুরো বাক্স কিনেন তখন উৎপাদনের মাস এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার মাসটি বক্সের গায়ে উল্লেখ করা থাকে কিন্তু দোকান থেকে সম্পূর্ণ স্ট্রিপ বা ওষুধের পাতা কিনছেন বা দোকানদার পূর্ণ স্ট্রিপ থেকে কেটে কয়েকটি দিচ্ছেন, পূর্ণ স্ট্রিপ কিনলে কেনার আগে কিছু জিনিস খেয়াল করুন বা যে স্ট্রিপ থেকে কেটে দিচ্ছে, কাটার আগে দোকানদারের হাত থেকে নিয়ে চেক করুন, ওষুধের স্ট্রিপ এর গায়ে উপরে বা নিচের অংশে স্পষ্ট কিছু ইংরেজি সংখ্যা এবং অক্ষরে ওই ওষুধের মেয়াদ উত্তীর্ণের সময় কাল লেখা আছে। ইংরেজি “E” অক্ষরের পাশে মেয়াদ উত্তীর্ণের মাস এবং বছর দেয়া থাকে, “E” তে Expire বুঝানো হয়, প্রথম দুটো সংখ্যা মাস কে বুঝায়, পরের দুটো সংখ্যা বছর বুঝায়, যেমন : E0222, মানে হলো এই ওষুধের মেয়াদ ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত। এইভাবে সব ওষুধের গায়ে মেয়াদ উত্তীর্ণের দিকনির্দেশনা পাবেন, কেনার আগে অবশ্যই দেখে কিনবেন।

28/11/2020

আসসালামুয়ালাইকুম
★ অর্ডার করলেই আপনার হাতে পৌঁছে যাবে আপনার প্রয়োজনীয় সকল প্রকার ঔষুধ (Any kind of medicine)।
★ অর্ডার করুন = 01629-616869
★বিকাশ নাম্বার = 01832-230456

★ আমাদের দেশে বিদেশি কোম্পানির কিছু ঔষুধ আছে এবং দেশিও কোম্পানির কিছু ঔষুধ আছে যা আট-দশটা ফার্মেসি ঘুরে পাচ্ছেন না অথবা অফিসিয়াল কর্মব্যস্ততা, ফ্যামিলি মেম্বার কম থাকার কারণে আপনার প্রয়োজনীয় ঔষুধ/মেডিসিনটি যথাসময়ে নিতে পারছেন না। সে ক্ষেত্রে আমরা ঢাকা এবং চট্টগ্রাম সিটিতে রাত-দিন 24 ঘন্টা ইমার্জেন্সি হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকি। সারা দেশে কুরিয়ারের মাধ্যমে ডেলিভারি দিয়ে থাকি।
★ আমরা ঔষুধের গাঁয়ে MRP প্রাইজে ডেলিভারি দিয়ে থাকি।
★ হোম ডেলিভারি (Cash on delivery)

★ হোম ডেলিভারি চার্জ ৮০ টাকা। কুরিয়ার ডেলিভারি চার্জ ১২০ টাকা।

★ Complaint Box > 01629616869 অথবা
★ Direct Office > Room No. 511 ( 4th Floor), 87/ 92/ B, Farmview Supar Market, Green Road, Tejgaon, Dhaka - 121.

★ আমাদের সেবাটি যদি আপনার প্রয়োজনীয় মনে অবশ্যই আপনার রিলেটিভ এবং ফ্রেন্ড সার্কেলের মধ্যে শেয়ার করবেন তারা যেন সেবাটি পায়।

Address

Room No. 511, 4th Floor, 87/92/B, Farmview Super Market, Green Road, Tejgaon, Dhaka/121, Dhaka, Dhaka Division
Dhaka
1216

Telephone

+8801629616869

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ityadi-BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ityadi-BD:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram