Everyday Stories

Everyday Stories Bangla language magazine about the health tips of baby and mother's RELATIONSHIP (সম্পর্ক)

30/01/2026

⭕ আল্লাহ তা'আলা যাকে অপছন্দ করেন তাকেও অঢেল ধন সম্পদ দান করেন। আর যাকে পছন্দ করেন তাকে দান করেন হিকমাহ।

যাকে হিকমাহ দান করা হয় তার ভিতরে থাকে সাকিনা। আরবি সাকিনা শব্দের অর্থ শান্ত, প্রশান্ত, ধীর, স্থির।

টেবিল ভর্তি খাবার অথচ প্রত্যেকটা খাবারে আপনি দোষ খুঁজে পাচ্ছেন, পেট ভরে খেতে পারছেন না। কেননা আপনাকে সম্পদ দান করা হয়েছে, হিকমাহ দেয়া হয়নি যে কারণে আপনার ভিতর সাকিনা নেই।

আপনাকে হিকমাহ দেয়া হয়েছে যে জন্যে আলু ভর্তা আর ডাল দিয়েও পরম প্রশান্তি নিয়ে পেট ভরে খেয়ে উঠে বলে উঠবেন আলহামদুলিল্লাহ।

উচ্চশিক্ষিতা সুন্দরী স্ত্রী পেয়েও আপনি তাকে নিয়ে সুখী নন, কারণ আপনাকে হিকমা দেয়া হয়নি।

টয়োটা এলিয়নে চড়েও আপনি সুখী নন, আপনার কেন পাজেরো নাই? এর কারণ আপনার মাঝে হিকমাহ নাই, সাকিনা উঠে গেছে। আপনি আপনার অবস্থানে সুখী নন।

আরবি হিকমা শব্দের অর্থ প্রজ্ঞা। যাকে আল্লাহ তা'আলা হিকমা দান করেন সে সর্ব অবস্থায় সন্তুষ্ট থাকে, শান্তিতে থাকে। এর অর্থ নিজেকে মানিয়ে চলা এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকা।

রিজিক শব্দের অর্থ অনেক ব্যাপক।

■▪রিযিকেরর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।

■▪রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।

■▪রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং

■▪রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।

■■ রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।

■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।

■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না।

■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তা'আলা নিয়েছেন।

■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।

■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!

■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।

এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।

■■ রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!

■■ কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তা'ইলা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!

■■ কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন।

■■ আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তা'আলার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। কেননা,

আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ

-------"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।"

-----(সুরা হুদ : আয়াত ৬)

■■ আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ

-------"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিযিক দেবেন, যা সে ধারণাও করতে পারবে না।"

-----(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)

■▪মহান আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদের সঠিক পথ এবং হালাল ও প্রশস্ত কামাই রোজগার ও রিযিক এর ব্যবস্থা করে দিন এবং সকল প্রকার হারাম কামাই রোজগার ও রিযিক থেকে হিফাযত করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, এবং হিফাযত করুন।

24/01/2026

আসছে রোজা। মুসলমানদের জন্য সবথেকে বেশি ইবাদত এবং বন্দেগীর মাস। রমজানে ইফতার সেহেরি তে কি খাবেন না খাবেন এটা নিয়ে কনফিউশন তো থাকেই সাথে কিছু কমন ভুল আমরা করে থাকি।আর এই ভুলের জন্য রোজায় অনেকেই বিভিন্ন ধরনের সমস্যা ফেইস করেন। বিশেষ করে খুব ই দূর্বলতা আর ক্লান্তির মাধ্যমে রোজা টা কাটাতে হয়। চাইলেও ইবাদতে টাইম দিতে পারেন না। ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে সারাদিন বিছানায় পরে থাকতে হয়।

আজকের পোস্টের ছোট ছোট ট্রিকসগুলো ফলো করার মাধ্যমে আপনি রোজা এনার্জেটিক এবং সুন্দর ভাবে কাটাতে পারবেন।

ইফতারের খুটিনাটি:

১) চিনি মিষ্টি বা গুড় দিয়ে শরবত খাওয়া আমাদের ট্রেডিশন। ইফতারে সব ধরনের চিনি বা গুড়ের শরবত-ট্যাং-রুহ আফজা ইত্যাদি নানান নামের, নানান কালারের শরবত থেকে অতি অবশ্যই দূরে থাকবেন। এর বদলে সিম্পলি ডাবের পানি বা এক প্যাকেট স্যালাইন খেয়ে নিতে পারেন। লেবুর শরবত এক্ষেত্রে ভালো অপশন। তবে সেক্ষেত্রে চিনি বা গুড়ের পরিবর্তে স্টেভিয়া ব্যাবহার করতে পারেন।

২) ইফতারের ট্রেডিশনাল আইটেম থেকে বেড়িয়ে আসুন।মুড়ি-জিলাপি-বুরিন্দা-আলুর চপ-বেগুনী-পেয়াজু ইত্যাদি বাদ দিয়ে এর বদলে বেছে নিন কমপ্লেক্স কার্ব। ইফতার শুরু করুন ১-২ পিস খেজুর দিয়ে। এছাড়া সাথে রাখতে পারেন ছোলা। মটর, যবের ছাতু, রোল্ড ওটস। সাথে টকদই।

৩) আপনি কি জানেন ইফতারে বেশ ভালো একটা আইটেম হতে পারে সালাদ।বিশেষ করে যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য সালাদ একটা চমৎকার অপশন। সালাদের সাথে মিক্স করতে পারেন ছোলা-বাদাম-ডিম। উপর দিয়ে ছড়িয়ে দিতে পারেন ২ টেবিল চামচ অলিভ ওয়েল-মাস্টার্ড ওয়েল। কমপ্লেক্স কার্ব-প্রোটিন-ফ্যাটের পারফেক্ট কম্বিনেশন।

৪) আমাদের অনেকেরই অভ্যাস থাকে তারাবি পড়ার পরে এসে একগাদা ভাত খাওয়া। এতে রমজান শেষে আপনার ওজন তো বাড়েই বিশাল ভূড়ি যোগ হয় সাথে।যদি ওজন কমাতে চান ইফতারে ভারী মিল নিয়ে রাতের ডিনার স্কিপ করুন। যদি বেশি ক্ষুধা লাগে সেক্ষেত্রে এক বাটি মাইল্ড ভেজিটেবল স্যুপ খেয়ে নিতে পারেন। তবে কর্নফ্লাওয়ার একদমই ব্যাবহার করা যাবে না।

৫) ইফতার টু সেহরি পর্যন্ত নিজেকে হাইড্রেটেড রাখতে কয়েক দফা পিংক সল্ট মেশানো পানি খেতে পারেন। তবে যাদের হাই ব্লাড প্রেশার থাকে তারা এভয়েড করবেন।

৬) ভালো ঘুমের জন্য ঘুমানোর আগে খেতে পারেন ক্যামোনাইল চা।।


সাহরিতে যা করনীয় :

১) সারাদিন না খেয়ে থাকতে হবে, তাই সেহরিতে আপনারা অনেকেই কয়েক প্লেট সাদা ভাত খেতে পারলে মনে করেন যাক অনেক খেলাম, সারাদিন বোধহয় আর ক্ষুধা লাগবে না। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, দিনের কিছু ঘন্টা পরেই আপনার পেট ক্ষুধায় ডাকাডাকি করছে। করবেই তো! কারন আপনি তো সিম্পল কার্ব খেয়েছেন, এটা দ্রুত ডাইজেস্ট হয়ে গিয়েছে। তাই সেহরিতে চুজ করবেন কমপ্লেক্স কার্ব। এটি দিনের বেশ অনেকটা সময় ধরে আপনার ব্লাডে অল্প অল্প করে গ্লুকোজ সাপ্লাই দিবে। কমপ্লেক্স কার্বের মধ্যে - ব্রাউন রাইস, ওটস, কিনোয়া, যবের ছাতু ইত্যাদি রাখতে পারেন।

২) সেহরিতে পানি খেলে পিপাসা পাবে না তাই অতিরিক্ত পানি খেয়ে পেট না ভরানো আমাদের একটা বদ অভ্যাস।। এতে করে প্রয়োজনীয় ফুড স্কিপ করার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৩) সেহরিতে যথেষ্ট শাক-সবজি, প্রোটিনের জন্য মাছ-মুরগী-ডিম-গরুর গোশত খেতে পারেন। তবে প্রোটিন ইফতারে বেশি খাওয়ার চেষ্টা করুন। সেহরিতে বেশি প্রোটিন আপনার বডিকে ডিহাইড্রেটেড করে দিতে পারে।

৪) কিছু গুডস ফ্যাটস সেহরিতে এড করুন। বাদাম, সীডস খেতে পারেন। সাথে অল্প ঘী বা বাটার।।


এছাড়া ইফতার এবং সেহরি শেষে দুধ চা খাওয়ার অভ্যাস বাদ দেওয়া অবশ্যই, অবশ্যই জরুরি

রোজা সংযমের মাস, নিজেকে পরিবর্তন করার মাস। তাই ছোট ছোট অভ্যাস পরিবর্তন এর মাধ্যমে আপনি রোজায় নিজেকে অনেক বেশি ফিট রাখতে পারবেন। এবং ইবাদতেও অনেক বেশি মনোযোগী হতে পারবেন।

কপালে সেজদার দাগ আছে, চরিত্রে কি ইসলাম আছে?​নামাজ পড়ে কপালে কালো দাগ ফেলে দেওয়া যতটা সহজ, বউয়ের 'হক' আদায় করা তারচেয়ে হা...
22/01/2026

কপালে সেজদার দাগ আছে, চরিত্রে কি ইসলাম আছে?

​নামাজ পড়ে কপালে কালো দাগ ফেলে দেওয়া যতটা সহজ, বউয়ের 'হক' আদায় করা তারচেয়ে হাজার গুণ কঠিন।

​আমাদের সমাজে অনেক "ধার্মিক" পুরুষ আছেন যারা সারাদিন ইসলামের কথা বলেন, কিন্তু দিনশেষে নিজের বউয়ের ওপর মানসিক বা শারীরিক জুলুম করতে তাদের হাত কাঁপে না। তারা কোরআনের 'পর্দা' আর 'আনুগত্য' সংক্রান্ত আয়াতগুলো ঠোঁটস্থ রাখেন, কিন্তু নবীজি (সা.) যে স্ত্রীর সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করতেন, নিজের হাতে ঘর পরিষ্কার করতেন—সেই সুন্নাহগুলো তাদের মনে থাকে না।

​মজার ব্যাপার কী জানেন?
আপনার ধর্ম আপনার ব্যক্তিগত ইবাদত। কিন্তু আপনার ব্যবহার হচ্ছে আপনার ইমানের সার্টিফিকেট। যদি আপনার ব্যবহারে আপনার স্ত্রী নিরাপদ বোধ না করে, তবে কপালে ওই দাগ দিয়ে আর যা-ই হোক, বেহেশত কেনা সম্ভব নয়।

​নিজেকে শোধরান। দ্বীন মানে কেবল দাড়ি-টুপি আর নামাজ নয়, দ্বীন মানে হচ্ছে মানুষের সাথে আপনার আচরণ—বিশেষ করে সেই মানুষের সাথে, যাকে আল্লাহ আপনার কাছে আমানত হিসেবে

21/01/2026
আমার খুব প্রিয় একটা কাজ হলো মোনাজাতের ভাষা শেখা,আল্লাহপাকের কাছে চাইতে শেখা।আমরা চাইতেও জানিনা,গাড়ি চাই,বাড়ি চাই,টাকা চা...
19/01/2026

আমার খুব প্রিয় একটা কাজ হলো মোনাজাতের ভাষা শেখা,আল্লাহপাকের কাছে চাইতে শেখা।আমরা চাইতেও জানিনা,গাড়ি চাই,বাড়ি চাই,টাকা চাই অথচ সুন্দর ভাষায় দুনিয়া আর আখিরাতের কল্যাণ চাইলে কিন্তু সব cover হয়! সুন্দর একটা মোনাজাত সংগ্রহ করেছি আজকে। কথাগুলো বেশিরভাগই জানা,চেষ্টা করি এভাবেই আল্লাহপাকের কাছে চাইতে।ফেসবুক ওয়ালে দিয়ে দিলাম আমার মতন আরো অনেকেই যাতে শিখতে পারে।

"আলহামদুলিল্লাহ রব্বিল আলামিন ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা সায়্যিদিল মুরসালিন।

ইয়া আল্লাহ, ইয়া রহমান, ইয়া রহিম, ইয়া যাল যালালি ওয়াল ইকরাম, ইয়া মালিক, ইয়া খালিক, ইয়া রব।
রব্বুল আলামীন আপনার ঐ মহান নামের উছিলায় আমাদের দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ দিন।

আমাদের রিযিক বৃদ্ধি করে দিন, আমাদের কে ঋনমুক্ত, অভাব মুক্ত, চিন্তা মুক্ত রাখুন মাবুদ। রব্বুল আলামীন আমাদের কে নেক হায়াত দান করুন, আমাদের পিতা মাতার মঙ্গল করুন।

যেসব আত্নীয় স্বজন কবরবাসি হয়েছে তাদের কবর গুলো আপনি জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন, তাদের কবরের আজাব মাফ করে দিন।

রব্বুল আলামীন আপনার তাওহীদ -
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু এর উছিলায়,আপনার হাবীব প্রিয় বন্ধু হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত হওয়ার উছিলায়
আমাদের মনের নেক ইচ্ছে গুলো কবুল আর মঞ্জুর করুন আল্লাহ।

রব্বুল আলামীন মা বাবার সন্তানদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে ভালোবাসা বাড়িয়ে দিন, প্রত্যেকটি পরিবারের উপর রহমত বর্ষণ করুন, আমাদের মানসিক দুশ্চিন্তা, দুঃখ কষ্ট দূর করে দিন।

আমি জানিনা কিভাবে ডাকলে আমার ডাকে সাড়া দিবেন..আমি জানিনা কিভাবে চাইলে আমার চাওয়া পূরণ করবেন...আমি জানিনা কিভাবে হাত উঠালে আমার হাত ভরে দিবেন আমি জানিনা কিভাবে দোয়া করলে আমার দোয়া কবুল করবেন..কিন্তু আপনি তো আপনার গুনাহগার বান্দার অন্তরের খবর জানেন.,ইয়া রব! আপনি তো অন্তরটাই দেখেন এবং আপনিই তো বলেছেন,,তোমরা আমাকে ডাকো আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিবো-তোমরা আমার কাছে চাও আমি তোমাদের চাওয়া পূরণ করব।

আপনিই তো বলেছেন খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে আপনি লজ্জা বোধ করেন।

আমি অযোগ্য আমার যোগ্যতার বাহিরে আপনি অনেক কিছুই দান করেছেন।

আমি এবারও বিশ্বাস করি আপনি আমাকে নিরাশ করবেন না..

আমি জানি আমি ছাড়া আপনার অনেক উওম বান্দা আছে কিন্তু আমার আপনি ছাড়া কেউ নেই ইয়া রব!

আমার আবদার করার মতো, ডাকার মতো, চাওয়ার মতো আপনি ছাড়া আর কেউ নেই।

ইয়া রব! আমি দুর্বল আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না! আমি তার উপযুক্ত নই, আমার জন্য পরীক্ষা সহজ করে দিন।

আপনি আমার ডাকে সাড়া দিন, আমার চাওয়া পূরণ করুন, ইয়া মালিক,

আমার খালি হাত আপনার রহমত দিয়ে পরিপূর্ণ করে দিন..!!! আমিন.!!!"
©️

জায়মা রহমান উনার দাদুকে নিয়েজায়মা রহমান উনার দাদুকে নিয়ে ইন্টারেস্টিং একটি গল্প শেয়ার করেছেন আজকে। গতবছর যখন চিকিৎসার জন...
19/01/2026

জায়মা রহমান উনার দাদুকে নিয়েজায়মা রহমান উনার দাদুকে নিয়ে ইন্টারেস্টিং একটি গল্প শেয়ার করেছেন আজকে। গতবছর যখন চিকিৎসার জন্য বেগম খালেদা জিয়ারকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হয়, সেসময় উনাকে ভর্তি করানো হয়েছিল লন্ডন ক্লিনিকে। ওই ক্লিনিকে যুক্তরাজ্য ছাড়াও বিভিন্ন দেশের চিকিৎসক ও নার্সরা কাজ করেন।

বেগম জিয়াকে মেডিকেলে ভর্তি করানোর পরদিন সকালে তারেক রহমান, জোবায়দা রহমান এবং জায়মা রহমান খালেদা জিয়ার দেখতে হাসপাতালে গেলে নাইজেরিয়ান একজন নার্স তারেক রহমানকে দেখে বলে উঠেন, আমি আপনার মাকে চিনি।

তারেক রহমান কৌতুহলী হয়ে জিজ্ঞেস করেন, কীভাবে?

ওই নার্স তখন উত্তর দেন, আমরা মা-ই তো বাংলাদেশের ফার্স্ট ফিমেলই প্রাইম মিনিস্টার, তাই না?

তখন তারেক রহমান বলেন, হ্যা, বাট আপনি এটা জানেন কীভাবে?

তখন নাইজেরিয়ান ওই নার্স জানালেন, আপনার মা (বেগম খালেদা জিয়া) নারী শিক্ষার জন্য যা করেছেন, এসবে বেশ প্রভাব ফেলছে আমাদের অঞ্চলে। বিশেষ করে আপনাদের দেশে নারীদের প্রাইমারি এজুকেশন নিশ্চিত করতে, এরপর ফুড কর্মসূচী, এগুলো আপনাদের দেশে দেখে আমাদেরও সরকার ৩০-৩৫ বছর আগে আমাদের এখানে ইমপ্লিমেন্ট করে। যা আমাদের এখানে নারীদের জীবনে বিশাল চেঞ্জ নিয়ে আসে। প্রাইমারি এজুকেশন ফ্রি করার কারণে লক্ষ লক্ষ মেয়েরা এখনো শিক্ষা পাচ্ছে। কাজকর্ম করার সুযোগ পাচ্ছে।

বাংলাদেশে নারীদের শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিতার জন্য বেগম খালেদা জিয়া যেসব কিছু সরকারে থেকে ইমপ্লিমেন্ট করে গেছেন, তা দেশে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়েই তিনি শিক্ষায় নারীদের ঝরে পরা কমাতে ‘ফিমেল সেকেন্ডারি স্কুল অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম’ এই কর্মসূচী হাতে নেন। গ্রামীণ মেয়েদের জন্য মাধ্যমিক শিক্ষা বিনামূল্যে করে দেন এমনকি প্রাথমিক শিক্ষাকে শক্তিশালী করেন ‘ফুড ফরএডুকেশন প্রোগ্রাম’ এবং পরবর্তীকালের ‘প্রাইমারি এডুকেশন স্টাইপেন্ড প্রোগ্রাম’ চালুর মাধ্যমে।

দ্বিতীয় মেয়াদে উনি প্রধানমন্ত্রী হয়েই সর্বপ্রথম চালু করেন ‘হেলথ, নিউট্রিশন অ্যান্ড পপুলেশন সেক্টর প্রোগ্রাম’। যেটা নিরাপদ মাতৃত্বের জন্য সহায়ক ও শিশুদের স্বাস্থ্য-বিষয়ক সেবার জন্য যুগান্তকারী ইনিশিয়েটিভ হয়ে ওঠে।

একটা সময়ে দেশে সবচেয়ে বেশি নারীদের ওপরে নির্যাতন মাধ্যম ছিল এসিড নিক্ষেপ। খালেদা জিয়া এটা বন্ধ করতে হার্ড স্টেপ নেন। সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড রেখেই শক্ত আইন করেছেন। এসিড বিক্রি নিষিদ্ধ করেন। রাতারাতিই বদলে গেল চিত্র। এসিড নিক্ষেপে নারী নির্যাতন এটা এখন শোনা যায় না বললেই চলে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা যে মন্ত্রণালয়, এটি কিন্তু বেগম জিয়াই চালু করেছেন। উনি নারীদেরকে টিচিং প্রোফেশনে ইনভলভ বাড়াতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে নারী অগ্রাধিকার দিয়ে কোটা ব্যবস্থা ইমপ্লিমেন্ট করেছেন।

আরও অনেক ইনিশিয়েটিভ আছে বলে শেষ করা যাবে না। আজকে উইমেন পলিসি ফোরামে দাদুকে নিয়ে ব্যারিস্টার জায়মা রহমানের শেয়ার করা এই গল্প শুনে বুঝাই যাচ্ছে দেশে নারীদের জীবনমানের পরিবর্তনে যেসব ইনিশিয়েটিভ বেগম জিয়া নিয়েছিলেন, সেগুলোর সুদূরপ্রসারী ইমপ্যাক্ট বহির্বিশ্বে বিভিন্ন অঞ্চলে কীভাবে পড়েছিল। ইন্টারেস্টিং একটি গল্প শেয়ার করেছেন আজকে। গতবছর যখন চিকিৎসার জন্য বেগম খালেদা জিয়ারকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হয়, সেসময় উনাকে ভর্তি করানো হয়েছিল লন্ডন ক্লিনিকে। ওই ক্লিনিকে যুক্তরাজ্য ছাড়াও বিভিন্ন দেশের চিকিৎসক ও নার্সরা কাজ করেন।

বেগম জিয়াকে মেডিকেলে ভর্তি করানোর পরদিন সকালে তারেক রহমান, জোবায়দা রহমান এবং জায়মা রহমান খালেদা জিয়ার দেখতে হাসপাতালে গেলে নাইজেরিয়ান একজন নার্স তারেক রহমানকে দেখে বলে উঠেন, আমি আপনার মাকে চিনি।

তারেক রহমান কৌতুহলী হয়ে জিজ্ঞেস করেন, কীভাবে?

ওই নার্স তখন উত্তর দেন, আমরা মা-ই তো বাংলাদেশের ফার্স্ট ফিমেলই প্রাইম মিনিস্টার, তাই না?

তখন তারেক রহমান বলেন, হ্যা, বাট আপনি এটা জানেন কীভাবে?

তখন নাইজেরিয়ান ওই নার্স জানালেন, আপনার মা (বেগম খালেদা জিয়া) নারী শিক্ষার জন্য যা করেছেন, এসবে বেশ প্রভাব ফেলছে আমাদের অঞ্চলে। বিশেষ করে আপনাদের দেশে নারীদের প্রাইমারি এজুকেশন নিশ্চিত করতে, এরপর ফুড কর্মসূচী, এগুলো আপনাদের দেশে দেখে আমাদেরও সরকার ৩০-৩৫ বছর আগে আমাদের এখানে ইমপ্লিমেন্ট করে। যা আমাদের এখানে নারীদের জীবনে বিশাল চেঞ্জ নিয়ে আসে। প্রাইমারি এজুকেশন ফ্রি করার কারণে লক্ষ লক্ষ মেয়েরা এখনো শিক্ষা পাচ্ছে। কাজকর্ম করার সুযোগ পাচ্ছে।

বাংলাদেশে নারীদের শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিতার জন্য বেগম খালেদা জিয়া যেসব কিছু সরকারে থেকে ইমপ্লিমেন্ট করে গেছেন, তা দেশে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়েই তিনি শিক্ষায় নারীদের ঝরে পরা কমাতে ‘ফিমেল সেকেন্ডারি স্কুল অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম’ এই কর্মসূচী হাতে নেন। গ্রামীণ মেয়েদের জন্য মাধ্যমিক শিক্ষা বিনামূল্যে করে দেন এমনকি প্রাথমিক শিক্ষাকে শক্তিশালী করেন ‘ফুড ফরএডুকেশন প্রোগ্রাম’ এবং পরবর্তীকালের ‘প্রাইমারি এডুকেশন স্টাইপেন্ড প্রোগ্রাম’ চালুর মাধ্যমে।

দ্বিতীয় মেয়াদে উনি প্রধানমন্ত্রী হয়েই সর্বপ্রথম চালু করেন ‘হেলথ, নিউট্রিশন অ্যান্ড পপুলেশন সেক্টর প্রোগ্রাম’। যেটা নিরাপদ মাতৃত্বের জন্য সহায়ক ও শিশুদের স্বাস্থ্য-বিষয়ক সেবার জন্য যুগান্তকারী ইনিশিয়েটিভ হয়ে ওঠে।

একটা সময়ে দেশে সবচেয়ে বেশি নারীদের ওপরে নির্যাতন মাধ্যম ছিল এসিড নিক্ষেপ। খালেদা জিয়া এটা বন্ধ করতে হার্ড স্টেপ নেন। সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড রেখেই শক্ত আইন করেছেন। এসিড বিক্রি নিষিদ্ধ করেন। রাতারাতিই বদলে গেল চিত্র। এসিড নিক্ষেপে নারী নির্যাতন এটা এখন শোনা যায় না বললেই চলে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা যে মন্ত্রণালয়, এটি কিন্তু বেগম জিয়াই চালু করেছেন। উনি নারীদেরকে টিচিং প্রোফেশনে ইনভলভ বাড়াতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে নারী অগ্রাধিকার দিয়ে কোটা ব্যবস্থা ইমপ্লিমেন্ট করেছেন।

আরও অনেক ইনিশিয়েটিভ আছে বলে শেষ করা যাবে না। আজকে উইমেন পলিসি ফোরামে দাদুকে নিয়ে ব্যারিস্টার জায়মা রহমানের শেয়ার করা এই গল্প শুনে বুঝাই যাচ্ছে দেশে নারীদের জীবনমানের পরিবর্তনে যেসব ইনিশিয়েটিভ বেগম জিয়া নিয়েছিলেন, সেগুলোর সুদূরপ্রসারী ইমপ্যাক্ট বহির্বিশ্বে বিভিন্ন অঞ্চলে কীভাবে পড়েছিল।

তোমরা যারা ২৫-৩০ বা তারচেয়ে কমবয়সী তাদের জন্য কিছু কথা:১) জীবনে যখন যেখানে আনন্দ করা সম্ভব, করো। পরিবারের সাথে, বন্ধুদের...
18/01/2026

তোমরা যারা ২৫-৩০ বা তারচেয়ে কমবয়সী তাদের জন্য কিছু কথা:

১) জীবনে যখন যেখানে আনন্দ করা সম্ভব, করো। পরিবারের সাথে, বন্ধুদের সাথে, প্রিয় মানুষের সাথে। যায় দিন ভালো, আসে দিন খারাপ। বয়স যতো বাড়বে ততো রেসপনসেবলিটি আর পারিপার্শ্বিকতার চিপায় তুমি চাপা খেতে খেতে তিতা হয়ে যাবা, 'পরে'র জন্য ফেলে রাখা কিছুই করার সময়/সুযোগ পাবা না।

বয়স বাড়ার সাথে সাথে দেখবা আনন্দ একইসাথে রেয়ার এবং এক্সপেন্সিভ হয়ে যায়। সময় থাকতে আনন্দ করো যেনো পরে পস্তাতে না হয়।

২) তুমি যদি নন-বিজনেস ব্যাকগ্রাউন্ডের হও তাহলে বেসিক ফাইনান্স, এ্যাকাউন্টিং এগুলা শেখা শুরু করো। ইউটিউব, অনলাইন কোর্স যেখান থেকে পারো শেখো, এখন রিসোর্সের অভাব নাই। পুরা দুনিয়া চলে যে টাকার উপরে, সেই টাকা কিভাবে চলে সেটা জানা খুবই জরুরি। না, বড়লোক হওয়ার জন্য না, তুমি যেনো ফাইনান্সিয়ালি ভুল ডিসিশান নিয়ে অথবা কোনো কিছু ডিসাইড করতে না পেরে লংরানে মারা না খাও সেজন্যই বেসিক বিজনেস রিলেটেড নলেজ থাকা খুব জরুরি।

সায়েন্স/ইঞ্জিনিয়ারিং পড়লে বিজনেস রিলেটেড নলেজ দরকার নাই, এইটা ভয়াবহ ভুল কথা। যতো বয়স বাড়বে, ততো বুঝবা।

৩) যদি টক্সিক রিলেশনে থাকো(এবং সেটা বুঝতে পারো!) তাহলে যতো দ্রুত পারো সেটা থেকে বের হও। এই রিলেশনশিপ যে খালি প্রেমিক প্রেমিকার তা না, এটা বন্ধু বান্ধবের হতে পারে, স্বামী স্ত্রীর হতে পারে, পরিবারের বা আশেপাশের কারোর সাথে হতে পারে।

তোমার যতো বয়স বাড়বে ততো বুঝতে পারবা টক্সিক রিলেশনশিপ লং রানে একটা জিনিসই দেয়, ট্রমা। বয়স বাড়ার সাথে সাথে সেই ট্রমার সাথে যুক্ত হয় মেন্টাল স্ট্রেস। যতো বেশি টানবা, 'দেখি না আরেকটু' মনে করবা; ট্রমা আর স্ট্রেস ততো বাড়বে।

৪) বন্ধু হয় স্কুল/কলেজ পর্যন্ত, ব্যাস। এরপর তোমার ক্লোজ রিলেশন, ভালো রিলেশন হতে পারে কারোর সাথে কিন্তু সেখান থেকে বন্ধু হওয়া সম্পর্কের পরিমাণ অনেক কম, অধিকাংশ সময় শূন্য। বন্ধুত্ব খুব দামি জিনিস, এটা সবার সাথে হয় না, খুব অল্প কিছু মানুষের সাথে হয়।যে সবাইকে বন্ধু বলে সে আসলে কারোর বন্ধু না এবং তার আসলে কোনো বন্ধু নাই।

বন্ধুত্বকে সম্মান দিতে পারা, সম্পর্ককে ভ্যালু দেয়া মানুষ সময়ের সাথে সাথে তোমার জীবনে ব্লেসিং হিসাবে থাকবে। অন্যদিকে সেল্ফ রেসপেক্টহীন, বেহায়া টাইপের মানুষকে বন্ধু হিসাবে রাখলে ৩ নাম্বারে বলা কেইস হবে, হোং মাং সাং খাবা নিশ্চিত।

৫) সঞ্চয় করা এবং সেটাকে বাড়ানোর উপায় শেখো। বাঙ্গালি মিডলক্লাস সঞ্চয় বলতে শিখায় টাকা ব্যাংকে/আলমারিতে রাখা। এইটাই একমাত্র সঞ্চয়ের উপায় না এবং সম্ভবত সবচেয়ে খারাপ উপায়গুলার একটা। টাকা হাতে রাখা জরুরি তবে সব টাকা হাতে রাখার যে মেন্টালিটি আমাদের হতদরিদ্র প্যারেন্টস শেখায় সেটা আমাদের সবচেয়ে খারাপ যে জিনিসটা দেয়, সেটা হলো বিনিয়োগ করার ব্যাপারে ভয়।

আমরা ছোট থেকে এই ভয় নিয়ে বড় হই এবং যখন নিজেদের হাতে টাকা আসে তখন এই ভয় অনেক কাজ করতে, সুযোগ নিতে বাধা দেয়। ২ নাম্বার পয়েন্টে বলা শিক্ষাগুলা তোমাকে এই ধরনের পরিস্থিতিতে না পড়তে হেল্প করবে।

৬) বেসিক সায়েন্স(ম্যাথমেটিকস, ফিজিক্স, বায়োলজি), জিওগ্রাফি, ফাইনান্স(আবারো!!), জেনারেল নলেজ এইগুলা একজন সাধারণ বুদ্ধিমান মানুষ হওয়ার জন্য জানা থাকা জরুরি। জেনারেল নলেজ থাকলে অনেক কিছুর কনটেক্সট বোঝা সহজ হয়ে যায়, অনেক ব্যাপারের সহজে ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। এর সাথে ক্রিটিকাল থিংকিং, লজিকাল রিজনিং সম্পর্কে জানা এবং এগুলা আয়ত্ব করার সর্বাত্মক চেষ্টা করা জরুরি। এইসব জিনিস যে জীবনে চলার পথে কতো জরুরি সেটা হয়তো সাদা চোখে দেখা যায় না কিন্তু এগুলা করতে না পারলে পদে পদে ধরা খাওয়ার চান্স আছে।

তারসাথে অতি অবশ্যই এমপ্যাথি শেখা। অনেকেই সিম্প্যাথি আর এমপ্যাথিকে এক করে ফেলে। এই দুইটা জিনিস কি, এদের মধ্যে পার্থক্য কি, দুইটার কোনটা কখন কোথায় কিভাবে দেখাতে হবে সেটা বোঝা জরুরি।

৭) তুমিই একমাত্র মানুষ না যে কষ্টে আছে, আশেপাশে যাদের দেখতেছো হাসিমুখ নিয়ে আছে, এদের সবাই কোনো না কোনো কষ্টের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তুমিই একমাত্র না যার ব্রেকাপ হইছে, যার রেজাল্ট খারাপ হইছে, মা/বাপ ঝাড়ি দিছে, অফিসে এ্যাপ্রেইজাল আটকায়ে গেছে, চাকরি পেতে পেতেও পাওনি। তুমি অন্য সবার মতোই, আমরা সবাই সবার মতোই। খালি আমাদের কষ্টের বর্ণ, গন্ধ আলাদা। বয়স বাড়ার সাথে সাথে কষ্টের লিস্ট বড় হবে, ছোট না।

আরেকটা জিনিস উপলব্ধি করতে পারা খুব জরুরি। তোমার দু:খ একান্তই তোমার ব্যক্তিগত, এটা বাইরের কেউ বুঝবে না, বুঝাতেও যেয়ো না। তোমার দু:খ তোমাকে একা হ্যান্ডল করতে হবে এটা মেনে নাও, জীবন সহজ হবে।

৮) যতো বড় হবা, রেসপনসেবলিটি ততো বড় হবে। এমন না যে তুমি পালায়ে বাচতে পারবা, রেসপনসেবলিটি যেটা ঘাড়ে আসার সেটা আসবেই, টুডে অর টুমরো। তারপর একসময় এমন বয়সে আসবা যখন দেখবা আশেপাশের কাছের মানুষজন এক এক করে যাওয়া শুরু হবে। কয়েক দিন/মাস/বছর পর যখন বাড়ি যাবা; দেখবা আজ ও অসুস্থ, কাল সে নাই।

বড় হওয়া মানে লেখাপড়া করে চাকরি বাকরি করে সংসার করা, বাচ্চা পয়দা করা না। বড় হওয়া মানে নিজের আপনজনদের চোখের সামনে অসুস্থ হতে দেখা, এক এক করে চলে যেতে দেখা, 'কিছু কিছু নাম্বার থেকে আসবে না কোনো ফোন' বুঝতে পারা।

৯) পাওলো কোয়েলহো'র একটা কথা আছে যে তুমি যদি কোনো কিছু মন থেকে চাও তাহলে পুরা দুনিয়া তোমাকে সেটা এনে দেয়ার জন্য চেষ্টা করতে থাকে। হ, আমি 'আগার কিসি চিজ কো দিল সে চাহো...." ডায়লগটা জানি। ঐটা শাহরুখ খানের কথা না(সরি ফর দ্যা হার্টব্রেক), কোয়েলহোর কথার হিন্দি তরজমা।

তো যা বলছিলাম, এইটা একটা বাখওয়াজ, বাংলায় বললে 'বা*র আলাপ'! তুমি দিল সে চাও আর লান্ড সে, যা চাবা তার সবই পাবা না। বরং বাস্তবতা উল্টা, জীবনে যা চাও তার ম্যাক্সিমামই পাবা না। আবার এমন অনেক কিছু পাবা যেটা কখনোই চাও নাই। জীবন চুতিয়া, ও তোমাকে বাকে বাকে সারপ্রাইজ দিবে। বয়স যতো বাড়বে, তুমি অভ্যস্ত হয়ে যাবা, সারপ্রাইজে অবাক হওয়ার চান্সও ততো কমবে।

জীবন ফেইরিটেল না, কারান জোহরের মুভি না। জীবন মোটাদাগে অনুরাগ কাশ্যাপের মুভি, কিছু কিছু সময় কুবরিকের; কড়া, সাসপেন্সফুল।

১০) শুনতে অবাক লাগতে পারে কিন্তু তোমার জীবনের সবচেয়ে বড় ইনভেস্টমেন্ট গাড়ি, বাড়ি না; তোমার লাইফ পার্টনার। তোমার পরিবার চুজ করার সুযোগ উপরওয়ালা তোমাকে দেয় না, লাইফ পার্টনার চুজ করার সুযোগ দেয়। এইটা সিনসিয়ারলি চুজ কইরো।

এক বয়সে মনে হবে চেহারাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তারপর আস্তে আস্তে মনে হবে চেহারা দিয়ে তো খালি হবে না; মানুষটার কথাও বলতে পারতে হবে, আমার কথা বুঝতে পারতে হবে, আমাদের কথা বলার মতো কথা থাকতে হবে। আরও পরে গিয়ে মনে হবে আমার পরিবারকে আপন ভাববে, আমাদের বাচ্চার জন্য ভালো প্যারেন্ট হতে পারবে এমন মানুষ দরকারি। একটা সময় বুঝতে পারবা যে চেহারা আসলে খুবই নগণ্য একটা ফ্যাক্টর, মেন্টাল ম্যাচিং না হলে বাকি সব অর্থহীন।

তোমার পার্টনার ভালো হলে, আন্ডারস্ট্যান্ডিং ঠিক থাকলে বাকিসব ম্যানেজ করা যায় লাইফে। উল্টাটা হলে মিলিয়ন ডলারের বাড়ি, গাড়ি সব তুচ্ছ হয়ে যায়। যে মানুষ ঘরে ফিরে শান্তি পায় না তার জন্য আলাদা দোজখের দরকার নাই, জীবনই তার জন্য নরক।

দুই বছর চালাবা যে মোবাইল সেইটা চুজ করতে যে পরিমাণ রিসার্চ করো তার হাজারগুণ বেশি রিসার্চ করা দরকার জীবনসঙ্গী চুজ করার জন্য। এইটা লং-টার্ম খেলা, ম্যারাথন; স্প্রিন্ট না। এইখানে চয়েজে ভুল করলে জীবন মেক সিওর করবে তুমি যেনো বুঝতে পারো যে তুমি চুতিয়া!!

১১) পরিবার পরিবারই। যতোদিন পরিবারের সাথে আছো, যতো বেশি পারো সময় কাটাও। যতো বড় হবা; তোমার নিজের জগত হতে থাকবে, পরিবারের সাথে না চাইলেও দুরত্ব হবে এবং সেটা সময়ের সাথে বাড়বে। তারপর এক সময় দেখবা তুমি বাড়িতে নাই, আজ বাবা নাই, কাল মা অসুস্থ, পরশু ভাই/বোন চলে যাবে দূরে বা বিদেশ। ইদে চান্দে ঐ বাড়িতেই যাবা অথচ কথা বলার কেউ থাকবে না।

শুক্রবারের দিন জুম্মার নামাজের পর সবাই একসাথে বসে ভাত খাওয়া বা এক রুমে পরিবারের সবাই মিলে হাসি তামাশা করা যে কি পরিমাণ দামি সেটা সময় তোমাকে বোঝাবে এবং খুব রূঢ়ভাবে বোঝাবে। তাই সময় থাকতে পরিবারের সাথে সময় কাটাও যতো বেশি পারো।

এরপর একদিন একটা কল আসবে, অপরপ্রান্ত থেকে একজন বলবে 'বাড়ি আসো, অমক আর নাই'! এই যে অমকের না থাকা, এই যে চিরস্থায়ী শুন্যতা, এই যে খবরটা শোনার পর দীর্ঘ যাত্রা প্রিয়জনকে শেষবারের মতো দেখার জন্য, 'কতো কথা বলার ছিলো অথচ বলা হলো না'র হাহাকার নিয়ে বাকিজীবন বেচে থাকা!

15/01/2026

একটা অদ্ভুত কিন্তু খুব কমন একটা বিষয় আছে, আমরা অনেকেই লক্ষ্য করি কিন্তু বলি না, যারা সন্তানের জন্য তেমন কিছু করতে পারেনি, তারাই সন্তানকে সবচেয়ে বেশি খোটা দেয়।

একটা কথা মানতেই হবে, স্বচ্ছল পরিবারের সন্তানেরা সাধারণত বেশি সুযোগ-সুবিধা পায়। কিন্তু লক্ষ্য করে দেখেছেন, সেই বাবা-মায়েরা খুব কমই সন্তানকে শোনায় যে আমরা তোমাকে জন্ম দিয়ে ধন্য করেছি, তোমার জন্য এত ত্যাগ করেছি। বড়লোক বা মানসিকভাবে স্বচ্ছল মানুষরা এসব বলেন না। এই কথাগুলো বেশি বলেন কারা?
যারা সন্তান জন্ম দিয়ে তাকে গড়পড়তা বা তারও নিচে একটা জীবন ছাড়া আর কিছু দিতে পারেনি।

কেন বলেন?
কারণ গিল্ট ট্র্যাপে আটকে রাখার জন্য। যেন সন্তান কখনো প্রশ্ন তুলতে না পারে-
ও গাড়িতে আসে, আমার গাড়ি নেই কেন? ওর রুমে এসি আছে, আমার নেই কেন? আমার জীবনটাই বা এমন কেন?
এই অপরাধবোধেই সন্তান সারাজীবন চুপ করে বাঁচে। প্রশ্ন করার আগেই নিজেকে দোষী মনে করে। যেখানে সন্তানকে investment হিসেবে দেখা হয়, সেখানে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল না করলে তো প্রোজেক্ট লস।

আর যারা সত্যিই সন্তানের ভালো চায়, তারা কখনো নিজের ত্যাগের হিসাব চায় না। কারণ বাবা-মায়ের কাজই হলো সন্তানের বেসিক নিডস পূরণ করা, তার জীবনের ভিতটা কিছুটা হলেও সেটেল করে দেওয়া।
সুস্থ বাবা-মা তাদের ত্যাগের বিনিময় চান না, দাবি করেন না। যারা এসব শোনায়, তারা বাবা-মা ঠিকই, কিন্তু সন্তানের চোখে সন্তান নয়, সম্পদ।

তাই তারা বোঝাতে চায়, আমরাই তোমাকে জন্ম দিয়েছি, কষ্ট করেছি, জীবন বানিয়ে দিয়েছি, তাই তোমার জীবনের উপর একমাত্র আমাদেরই অধিকার, এমনকি তোমার নিজেরও না।

এই সমাজে বাবা-মায়ের অধিকার নিয়ে অলিতে-গলিতে কথা হয়, কিন্তু সন্তানের অধিকার নিয়ে কয়জন কথা বলে?
ইসলাম সন্তান লালন-পালনের ব্যাপারে কী বলে? সেটা কয়জন জানে বা বলে?

ধর্ম এখানে অনেক সময় নিজের সুবিধামতো ব্যবহার হয়। ছেলেকে চাওয়া হয় ‘বুড়োকালের লাঠি’ বানানোর জন্য, ‘বংশের প্রদীপ’ বলে নিজের অপরাধবোধ ঢাকার জন্য। অথচ নবীর কোনো ছেলে ছিল না, তবুও তার বংশ আজও আছে, মেয়ের সন্তান দিয়েই। অর্থাৎ বংশ শুধু ছেলেরাই বহন করে না।

এই ধরনের বাবা-মায়ের মধ্যে সন্তানের শোষণের মানসিকতাও থাকে। সন্তান উপার্জন শুরু করলেই একগাদা দাবি নিয়ে হাজির হয়, অথচ সন্তানেরও যে নিজের জীবন, স্বপ্ন, দায়িত্ব আছে, সেটার কোনো মূল্য নেই।

এই কারণেই জীবনে স্বচ্ছলতা খুব জরুরি। কারণ দীর্ঘদিনের অভাব-অনটন অনেক সময় মানুষের চিন্তা, মনন আর মানবিকতাকেও বিকৃত করে দেয়। এই ধরনের বাবা-মায়ের সন্তানদের সংসারও শেষ পর্যন্ত নরকে পরিণত হয়। কারণ এদের কখনো তৃপ্তি নেই। একটা চাওয়া পূরণ হতে না হতেই আরেকটা নতুন টার্গেট বসিয়ে দেয়।
ওদের লক্ষ্য পূরণ করতে করতেই সন্তান নিজের জীবন নিয়ে ভাবার সময়ই পায় না।

সন্তান কোনো বিনিয়োগ নয়, কোনো বীমা পলিসিও না, যার থেকে নির্দিষ্ট বয়সে লাভ তুলে নিতে হবে। সন্তান মানুষ, যার নিজের জীবন, চাহিদা, স্বপ্ন আর সীমা আছে। বাবা-মায়ের ত্যাগ সন্তানের ওপর বোঝা হয়ে চাপিয়ে দেওয়ার জন্য নয়, বরং নিঃশর্ত দায়িত্ব হিসেবে পালন করার জন্য। যে পরিবারে ভালোবাসা থাকে, সেখানে ত্যাগের হিসাব রাখা হয় না; আর যেখানে হিসাব থাকে, সেখানে সম্পর্ক ধীরে ধীরে লেনদেনে পরিণত হয়। সুস্থ পরিবার গড়ে ওঠে অপরাধবোধ আর ভয় দিয়ে নয়, গড়ে ওঠে নিরাপত্তা, সম্মান আর স্বাধীনতার ওপর। সন্তানকে মানুষ হিসেবে বড় করতে পারলেই তবেই বাবা-মায়ের দায়িত্ব সত্যিকার অর্থে পূর্ণ হয়।

মূল লেখা: ওয়াসীমুল হক

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Everyday Stories posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Everyday Stories:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram