Everyday Stories

Everyday Stories Bangla language magazine about the health tips of baby and mother's RELATIONSHIP (সম্পর্ক)

ইতিহাস মনে রাখবে - দুই নেত্রীর কে দেশকে বিক্রি করেছে আর কে স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব রক্ষায় সারাজীবন লড়াই সংগ্রাম করে গিয়ে...
31/12/2025

ইতিহাস মনে রাখবে - দুই নেত্রীর কে দেশকে বিক্রি করেছে আর কে স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব রক্ষায় সারাজীবন লড়াই সংগ্রাম করে গিয়েছে।

30/12/2025
মৃত‍্যুকেও যে এভাবে জয় করা যায় নিজের চোখেই দেখা হলো …!
20/12/2025

মৃত‍্যুকেও যে এভাবে জয় করা যায় নিজের চোখেই দেখা হলো …!

একটা ফুল ছিঁড়ে নেওয়া যায়,কিন্তু বসন্তকে থামানো যায় না।আজ একটি ঝরে পড়েছে,মায়ের আঁচল ভেদ করেহাজার ফুল আবার ফুটে ওঠে।সংগ্রা...
19/12/2025

একটা ফুল ছিঁড়ে নেওয়া যায়,
কিন্তু বসন্তকে থামানো যায় না।
আজ একটি ঝরে পড়েছে,
মায়ের আঁচল ভেদ করে
হাজার ফুল আবার ফুটে ওঠে।
সংগ্রাম চলবেই। ✊

২০১৯ আবরার ফাহাদ
২০২৪ আবু সাঈদ
২০২৫ উসমান হাদি....

17/12/2025
কানাডার গ্রোসারি স্টোরে ঢুকলে আমার সবসময় একটা অদ্ভুত অনুভূতি হয়। শেলফে শেলফে সাজানো জিনিসপত্র, সবকিছুরই পরিচ্ছন্ন মুখ, ক...
17/12/2025

কানাডার গ্রোসারি স্টোরে ঢুকলে আমার সবসময় একটা অদ্ভুত অনুভূতি হয়। শেলফে শেলফে সাজানো জিনিসপত্র, সবকিছুরই পরিচ্ছন্ন মুখ, কিন্তু কোথাও একটা ঘাটতি। সেই ঘাটতির নাম সরিষার তেল।

একদিন হঠাৎ দেখি—আছে তো! বোতলটা ধরতেই বুকের ভেতর ঘরে ফেরা মানুষের মতো অনুভূতি। লেবেল পড়তে গিয়ে সেই উষ্ণতা মুহূর্তেই হাওয়া। বড় করে লেখা—For External Use Only.

আমি একটু অবাক হই। মনে পড়ে ছোটবেলায় মা গোসল করানোর আগে গায়ে সরিষার তেল মালিশ করে দিত। এটা কি তাহলে খাওয়া যাবে না?! ইলিশের পাশে? লাউয়ের চচ্চড়িতে? লেবেলটা আবার পড়ি। ভুল দেখছি কি না। না, ঠিকই লেখা। যেন বোতলটা নিজেই সাবধান করে দিচ্ছে—খেয়ো না, আমাকে খেয়ো না।

এই দেশে তেলেরও অভিবাসন সংকট আছে।

বন্ধু আনিসকে ফোন দিলাম। আনিস অনেকদিন আছে এ দেশে। সে শুনে হো হো করে হাসল। বলল, আরে ধুর মিয়া, ওটা শুধু নিয়মের জন্য লেখা। আমরা তো খাই-ই।

আমি বললাম, লেখা কেন তাহলে?

আনিস বিজ্ঞের মতো গলার স্বর নিচু করে বলল, এর পেছনে একটা বৈজ্ঞানিক পলিটিক্স আছে। এই তেলের ভেতর নাকি এরুসিক অ্যাসিড থাকে। এদের ল্যাবরেটরিতে ইঁদুর-টিঁদুর দিয়ে পরীক্ষা করে দেখেছে ওটা হার্টের জন্য ভালো না। ব্যস, অমনি হুকুম জারি। খাবার তালিকা থেকে বাদ। আমাদের তো ভাই জন্মই হয়েছে সরিষার তেল দিয়ে। আমাদের হার্ট কি অত কাঁচা?

আমি চুপ করে রইলাম। আনিস বলতে লাগল, এই কানাডা কিন্তু নিজেরাই এক ধরনের তেল বানিয়েছে—ক্যানোলা। নামটা খেয়াল করেছ? Canada আর Oil মিলে ক্যানোলা। এই তেলে এরুসিক অ্যাসিড নেই। একদম ভদ্র তেল। কারও হার্টে ধাক্কা দেয় না। তাই ওরা চায় সবাই ওটাই খাক।

আনিসের কথায় খুব একটা আশ্বস্ত হই না। কারণ নিয়মের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক বরাবরই জটিল। দেশে নিয়ম ছিল—ভাঙার জন্য। এখানে নিয়ম আছে—মানার জন্য।

আমাদের দেশে সরিষার তেলের কোনো পরিচয়পত্র লাগে না। সে নিজেই নিজের পরিচয়। রান্নাঘরে ঢুকলেই সে বলে দেয়—আমি এসেছি। মাছ জানে, ভাত জানে, এমনকি পেঁয়াজও জানে। কিন্তু কানাডায় এসে সে যেন একটু লজ্জিত। মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকে দোকানের কোণে। খাবারের নয়, গায়ে মালিশ করার জন্য।

সাহস করে বোতলটা কিনে ফেলি। ক্যাশিয়্যার মেয়েটা হাসিমুখে স্ক্যান করে দেয়। ঘরে ফিরে বোতলটা কেবিনেটে রাখি। প্রথম দিন ব্যবহার করি না। যেন একটা নতুন দেশের নতুন নাগরিক, প্রথম প্রথম একটু লজ্জায় থাকে।

দ্বিতীয় দিন কড়াইতে ঢালি। খুব অল্প। যেন বেশি হলেই কেউ দেখে ফেলবে। কড়াইতে তেল গরম হতেই যে গন্ধটা ওঠে—সে গন্ধের কোনো ভিসা লাগে না। সে জানালা পেরিয়ে, দেয়াল পেরিয়ে, সময় পেরিয়ে চলে আসে।

খেতে বসে মনে হয়, আহা! সেই স্বাদ! গুষ্টি মারি সতকর্তা লেবেলের।

16/12/2025

বিজয় দিবসে স্মরণ করছি বড়াই বাড়ি যুদ্ধ ২০০১: বাংলাদেশ এর সীমান্ত প্রহরী বিডিআর এবং গ্রামবাসীর এর এক সাহসিকতা এবং বিজয়ের ইতিহাস।

ভারতের চারপাশে রয়েছে যেসব প্রতিবেশী দেশ—চীন ও পাকিস্তান, তাদের সঙ্গে ভারতের বহুবার সীমান্ত সংঘর্ষ হয়েছে। কিন্তু প্রতিবেশী বাংলাদেশ, যার চারদিকই প্রায় ভারত দিয়ে ঘেরা, তাদের সঙ্গে এমন রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের কথা খুব কমই শোনা যায়।

তবে ২০০১ সালে কুড়িগ্রামের বড়াইবাড়িতে ঘটে যায় এমন এক সংঘর্ষ, যা ভারতের দম্ভের জবাব হয়ে আজও স্মরণীয়। সাহসিকতা, দেশপ্রেম ও সীমান্তরক্ষার এক অনন্য দৃষ্টান্ত গড়ে তুলেছিল বাংলাদেশ।

মাত্র ৮ জন বিডিয়ার(বিজিবি) সদস্য প্রতিরোধ করেছিল ভারতীয় বিএসএফের বাংলাদেশের সীমান্তে আক্রমণ।

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা কুড়িগ্রামের একটি সীমান্তবর্তী গ্রাম বড়াইবাড়ি। বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তঘেঁষা এই গ্রামটিতেই ২০০১ সালের ১৮ এপ্রিল ঘটে যায় বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে ইতিহাসের অন্যতম রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ।

ওই সংঘর্ষে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ১৬ জন সদস্য নিহত হন এবং বাংলাদেশের তৎকালীন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের (বর্তমান বিজিবি) ৩ জন সদস্য প্রাণ হারান। বড়াইবাড়ি গ্রামের ঠিক অপর পাশেই ভারতের আসাম রাজ্যের সীমান্ত অবস্থিত।

ঘটনা শুরু হয় সিলেটের পদুয়ায়। সেখানে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বাংলাদেশের ভেতরে একটি ক্যাম্প স্থাপন করে এবং আরেক ক্যাম্পে যাওয়ার জন্য রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা চালায়।

বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) এর আপত্তি উপেক্ষা করে বিএসএফ নির্মাণ কাজ চালিয়ে যেতে থাকে। তখন বিডিআর নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্য তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করে। এতে উত্তেজনা বাড়ে।

২০০১সালে রাত ৩টার দিকে ভারতীয় দুর্ধর্ষ কমান্ডো ক্যাটস আই ও বিএসএফ-এর প্রায় ৪০০ সদস্যের যৌথ-বাহিনী বাংলাদেশের বড়াইবাড়ি ক্যাম্প দখল করতে আসে

১৮ এপ্রিল ভোররাতে বড়াইবাড়ি গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা তাদের কৃষিজমিতে সেচের কাজ দেখতে যান। এ সময় তারা দেখতে পান, ধানক্ষেতে বহু সশস্ত্র সৈন্য চলাফেরা করছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন গ্রামবাসীদের কাছে হিন্দি ভাষায় জানতে চান—বিডিআরের ক্যাম্প কোথায়। তখনই গ্রামবাসীরা বুঝতে পারেন, তারা ভারতের বিএসএফের সদস্য।

বাংলাদেশের সীমান্তের ভেতরে বিএসএফ ঢুকে পড়ার খবর দ্রুত বড়াইবাড়ি বিডিআর ক্যাম্পে পৌঁছে দেন সাইফুল ইসলাম লাল। তিনি নিজেও আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছিলেন। সাইফুল ইসলাম লাল যখন বিডিআর ক্যাম্পে পৌঁছান, তখন সেখানে মাত্র আটজন বিডিআর সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

সাইফুল ইসলাম লাল বলেন,“ক্যাম্পে গিয়ে আমি বিডিআর সদস্যদের জানাই যে বিএসএফ আমাদের এলাকায় ঢুকে পড়েছে। তারা সঙ্গে সঙ্গে অস্ত্র নিয়ে প্রস্তুতি নেয়।

কিছুক্ষণ পর প্রস্রাবের জন্য বাইরে বের হয়ে পুকুরের ওপার পাড়ে বিএসএফ সদস্যদের দেখতে পাই। দৌড়ে ক্যাম্পে ফিরে এসে খবর দিতেই সঙ্গে সঙ্গে গোলাগুলি শুরু হয়। চারদিক থেকে শত শত গুলি ছোড়া হচ্ছিল। আমিও তখন অস্ত্র তুলে নিই।”
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, ভোর পাঁচটা থেকে শুরু হওয়া তীব্র গোলাগুলির শব্দে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে বড়াইবাড়ি গ্রাম ও আশপাশের এলাকা।

প্রচণ্ড সংঘর্ষে আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন।

ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বিএসএফরা বড়াইবাড়ী বিডিআর ক্যাম্প দখল করার জন্য পূর্বদিক থেকে গুলীবর্ষণ শুরু করে। বিএসএফ গুলীবর্ষণ করলেও বিডিআর ১০ মিনিট এই গুলির জবাবে কোন প্রকার পাল্টা গুলি না করে চুপচাপ থাকে।

বিডিআর চুপচাপ থাকায় ভারতীয় বাহিনী মনে করেছিল বিডিআররা হয়তো বিএসএফের ভয়ে ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়েছে। এই ধারনা করেই ভারতীয় বাহিনী পশ্চিম দিক থেকে অসতর্কভাবে বিডিআর ক্যাম্পের দিকে এগুতে থাকলে বড়াইবাড়ী বিওপির চারটি মেশিনগান একসাথে গর্জে উঠে। মিনিটে সাতশ গুলী ছুঁড়তে পারা মেশিনগান থেকে অকস্মাৎ ব্রাস ফায়ারের গুলি খেয়ে ভারতীয় বাহিনী হকচকিয়ে যায়। জীবন বাঁচাতে দৌড়ে পালাতে থাকে।

বিডিআরের মেশিনগানের গুলিতে অনেক হতাহত হয়। দুর্ধর্ষ কমান্ডো ক্যাটস আইসহ বিএসএফ-এর ১৬জন সৈনিকের লাশ বাংলাদেশের মাটিতে পড়ে থাকে। কয়েকজন সেনাকে গ্রামের জনগণ ধরে গাছের সাথে বেঁধেও রাখে। ভারত যদিও এতো হতাহতের কথা স্বীকার করে নাই তবে অনেকের ধারনা এই যুদ্ধে ভারতের প্রায় ৭০জন সৈন্য নিহত হয়েছিল।

বড়াইবাড়িতে সংঘর্ষ চলাকালে ঢাকায় তৎকালীন বিডিআর সদরদপ্তরের নির্দেশে জামালপুর ও ময়মনসিংহ থেকে অতিরিক্ত বিডিআর সদস্য পাঠানো হয়। সকাল সাড়ে দশটার দিকে ময়মনসিংহ ও জামালপুর থেকে আসা বিডিআর সদস্যরা বড়াইবাড়িতে পৌঁছান। ১৮ এপ্রিল ভোর পাঁচটা থেকে সকাল এগারোটা পর্যন্ত একটানা গোলাগুলি চলে।

চার ঘণ্টা পর্যন্ত ওই ৮ জন সদস্য একাই প্রতিরোধ চালান। পরে আরও দুটি ক্যাম্প থেকে ২০ জন বিডিআর সদস্য এসে যোগ দেন। গ্রামের আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্যরাও বিডিআরের পাশে দাঁড়ান। সম্মিলিত প্রতিরোধে বিএসএফ পিছু হটতে বাধ্য হয়।

এরপর কিছুক্ষণ বিরতি দিয়ে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়। এভাবে ১৮ এপ্রিল সারাদিন এবং রাত পেরিয়ে ১৯ এপ্রিল রাত পর্যন্ত থেমে থেমে গোলাগুলি অব্যাহত থাকে। বড়াইবাড়ি সংঘর্ষে বিএসএফের ১৬ জন সদস্যের মৃতদেহ বাংলাদেশের সীমান্তের ভেতরে পাওয়া যায়।

সংঘর্ষের পর ২০ এপ্রিল বিএসএফ-এর মরদেহ এবং আটক সৈন্যদের বাংলাদেশ ফেরত পাঠায়। ২১ এপ্রিল দুই পক্ষ অস্ত্র সংবরণে সম্মত হয়। এই পরাজয় ভারতীয় বাহিনীর মাঝে এক ধরণের আতঙ্ক তৈরি করে। অনেকেই বলেন, এই অভিজ্ঞতাই ভারতকে বাংলাদেশের সঙ্গে ভবিষ্যতে সরাসরি সীমান্ত যুদ্ধ থেকে বিরত রেখেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও তৎকালীন বিডিআর সদস্যদের দাবি, ওই ঘটনায় বিএসএফের নিহতের সংখ্যা আরও বেশি ছিল। তবে অনেক মৃতদেহ ভারতীয় বাহিনী সীমান্তের ওপারে নিয়ে যায়। যে ১৬ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি, সেগুলো বাংলাদেশের ভেতরে ধানক্ষেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

দুঃখজনকভাবে, কোনো সরকার এই সাহসিকতা ও শহীদদের ত্যাগকে যথাযথভাবে সম্মান জানায়নি।

এই যুদ্ধের সময় বিডিআরের মহাপরিচালক ছিলেন মেজর জেনারেল (অব.) ফজলুর রহমান।
ফজলুর রহমান আশা করেছিলেন এই অসম সৈনিক নিয়ে যুদ্ধ জয়ের কারণে শেখ হাসিনা হয়তো তাকে বীর খেতাব দিয়ে পুরস্কৃত করবে কিন্তু পুরস্কৃত তো দূরের কথা উল্টো তাকে পদচ্যুত করেছিল।

যুদ্ধে বিডিআর’র সদস্য নায়েক সুবেদার ওয়াহিদ মিয়া, সিপাহী মাহফুজার রহমান ও সিপাহী আব্দুল কাদের শহীদ হন।

পরবর্তীতে শহীদ ৩ জনের স্মরণে ক্যাম্পের সামনে বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর স্মৃতি ফলক নির্মাণের উদ্বোধন করেন।

বরং এই জাতীয় আত্মত্যাগ আড়ালে পড়ে থাকে ইতিহাসের পাতায়। অথচ বড়াইবাড়ির মতো ঘটনা জাতির তরুণ প্রজন্মের জন্য হতে পারে গর্ব, প্রেরণা ও আত্মমর্যাদার প্রতীক।

বড়াইবাড়ির সীমান্তযুদ্ধ ছিল শুধু একটি সংঘর্ষ নয়, এটি ছিল বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণ ও বাহিনীর সম্মিলিত সাহসিকতার এক অনবদ্য প্রমাণ। শহীদদের রক্তে লেখা সেই গল্প আজও আমাদের মনে করিয়ে দেয়—বাংলাদেশ কখনো মাথা নিচু করে না।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Everyday Stories posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Everyday Stories:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram