Dr. Juthi Bhowmik

Dr. Juthi Bhowmik MBBS, FCPS (Reproductive Endocrinology and Infertility)
FCPS (Gynae and Obstetrics)
Fertility Specialist, Obstetrician and Laparoscopic Surgeon

জরায়ুতে ফাইব্রয়েড কেন হয় তা সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার নয়, তবে বিভিন্ন কারণ এবং ফ্যাক্টর রয়েছে যা এর বৃদ্ধি প্রভাবিত করতে পার...
04/04/2026

জরায়ুতে ফাইব্রয়েড কেন হয় তা সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার নয়, তবে বিভিন্ন কারণ এবং ফ্যাক্টর রয়েছে যা এর বৃদ্ধি প্রভাবিত করতে পারে।

জরায়ুতে ফাইব্রয়েড (Uterine Fibroids) একটি সাধারণ নারী রোগ যা জরায়ুর মধ্যে পেশীর টিস্যুর অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে সৃষ্টি হয়। ফাইব্রয়েড সাধারণত ক্যান্সার নয়, কিন্তু তারা বিভিন্ন উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে। জরায়ুতে ফাইব্রয়েডের কিছু সাধারণ লক্ষণ নিম্নরূপ:
1. অতিরিক্ত রক্তপাত: মাসিকের সময় খুব বেশি রক্তপাত বা মাসিকের সময় দীর্ঘস্থায়ী রক্তপাত হতে পারে।
2. পেটের নীচে বা কুঁচকির ব্যথা: পেটের নীচে বা কুঁচকিতে চাপ বা ব্যথা অনুভূত হতে পারে।
3. পিঠের নিচে ব্যথা: ফাইব্রয়েডের কারণে পিঠের নিচের অংশে ব্যথা হতে পারে।
4. প্রসবনালীর চাপ: জরায়ুর ফাইব্রয়েডের কারণে প্রসবনালীতে চাপ অনুভব হতে পারে, যা প্রস্রাব করার প্রয়োজন বাড়িয়ে দিতে পারে।
5. প্রসবনালীর জটিলতা: ফাইব্রয়েডের কারণে প্রস্রাব বা মলত্যাগ করতে সমস্যা হতে পারে।
6. পেটের বৃদ্ধি: বড় ফাইব্রয়েডের কারণে পেটের আকার বৃদ্ধি পেতে পারে, যা গর্ভাবস্থার মত দেখাতে পারে।
7. মাসিক চক্রের অনিয়ম: মাসিক চক্রের মধ্যে অনিয়ম হতে পারে, যেমন সময়ের আগেই বা দেরিতে মাসিক শুরু হওয়া।
8. বন্ধ্যত্ব: কিছু ক্ষেত্রে, জরায়ুতে ফাইব্রয়েড বন্ধ্যত্বের কারণ হতে পারে।

যদি এই লক্ষণগুলো দেখা দেয় বা কোনো সমস্যা মনে হয়, তবে একজন চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা উচিত। জরায়ুতে ফাইব্রয়েডের চিকিৎসা বিভিন্ন হতে পারে, যেমন ওষুধ, শল্যচিকিৎসা বা অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতি।

IUI (Intrauterine Insemination): একটি নিরাপদ ও কার্যকর প্রজনন চিকিৎসা পদ্ধতিআপনি কি সন্তানধারণে সমস্যার মুখোমুখি? IUI পদ...
01/04/2026

IUI (Intrauterine Insemination): একটি নিরাপদ ও কার্যকর প্রজনন চিকিৎসা পদ্ধতি

আপনি কি সন্তানধারণে সমস্যার মুখোমুখি? IUI পদ্ধতি হতে পারে আপনার জন্য একটি কার্যকর সমাধান। 👶

IUI প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ:
1️⃣ ডিম্বানু পর্যবেক্ষণ (Eggs Tracking):
ডিম্বস্ফোটনের সঠিক সময় নির্ধারণ করা হয়।

2️⃣ ডিম্বানু তৈরি (Egg Making):
ডিম্বাশয়কে উদ্দীপিত করার জন্য ওষুধ বা ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়।

3️⃣ শুক্রাণু প্রস্তুতি (S***m Rinsing):
শুক্রাণু ধুয়ে সবচেয়ে সক্রিয় শুক্রাণুগুলো বেছে নেওয়া হয়।

4️⃣ সঞ্চালন (Insemination):
প্রস্তুত শুক্রাণু গর্ভাশয়ে সরাসরি প্রবেশ করানো হয়।

5️⃣ গর্ভধারণ পরীক্ষা (Pregnancy Test):
দুই সপ্তাহ পর সফলতার জন্য গর্ভধারণ পরীক্ষা করা হয়।

কেন IUI পদ্ধতি বেছে নেবেন?
✅ সহজ এবং নিরাপদ।
✅ তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়বহুল।
✅ গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ায়।

বন্ধ্যাত্বের সমস্যার সমাধানে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং IUI পদ্ধতি সম্পর্কে আরও জানুন।
আপনার জীবনে নতুন আশা যোগ করুক IUI! 🌟

ফ্যালোপিয়ান টিউব বন্ধ হলে ডিম্বাণু (এগ) এবং শুক্রাণু (স্পার্ম) একত্রিত হতে পারে না, ফলে প্রাকৃতিকভাবে গর্ভধারণ সম্ভব হয...
30/03/2026

ফ্যালোপিয়ান টিউব বন্ধ হলে ডিম্বাণু (এগ) এবং শুক্রাণু (স্পার্ম) একত্রিত হতে পারে না, ফলে প্রাকৃতিকভাবে গর্ভধারণ সম্ভব হয় না। এটি বন্ধ্যাত্বের একটি প্রধান কারণ হতে পারে। এছাড়া বন্ধ টিউব ইনফেকশন বা পেটের ব্যথার কারণও হতে পারে।

ফ্যালোপিয়ান টিউব বন্ধ হওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে। প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

ফ্যালোপিয়ান টিউব বন্ধ হওয়ার কারণ:
1. ইনফেকশন (সংক্রমণ): পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (PID) বা অন্যান্য ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন ফ্যালোপিয়ান টিউবের ভেতরে প্রদাহ বা ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে, যা টিউব বন্ধের কারণ হতে পারে।
2. অস্ত্রোপচার: পেটের অস্ত্রোপচার বা সিজারিয়ান ডেলিভারির পরে টিস্যুর ক্ষতি বা আঠা ফ্যালোপিয়ান টিউবের আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়ার কারণ হতে পারে।
3. এন্ডোমেট্রিওসিস: এন্ডোমেট্রিওসিসের ক্ষেত্রে জরায়ুর বাইরের টিস্যুগুলি ফ্যালোপিয়ান টিউবের আশেপাশে বা ভেতরে বেড়ে উঠতে পারে, যা টিউব বন্ধ করতে পারে।
4. ফাইব্রয়েড: জরায়ুর ফাইব্রয়েড টিউবের মুখের আশেপাশে অবস্থান করলে এটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
5. জেনেটিক কারণ: কিছু মহিলাদের জন্মগতভাবে টিউব বন্ধ থাকতে পারে।

ফ্যালোপিয়ান টিউব খোলার উপায়:
1. ল্যাপারোস্কোপি: এটি একটি মাইক্রো-ইনভেসিভ সার্জারি যার মাধ্যমে ছোট কাট দিয়ে ফ্যালোপিয়ান টিউব খোলার চেষ্টা করা হয়।
2. হাইস্টারোস্কোপি: এই প্রক্রিয়ায় গর্ভাশয়ে একটি ক্ষুদ্র ক্যামেরা প্রবর্তন করা হয়, যা দ্বারা ডাক্তার টিউবের বন্ধের কারণ দেখতে পারেন এবং সেটি সরিয়ে দিতে পারেন।
3. ফ্যালোপিয়ান টিউব রিকানালাইজেশন: এটি একটি বিশেষ ধরনের প্রক্রিয়া যেখানে ক্যাথেটার বা বিশেষ যন্ত্রপাতির সাহায্যে বন্ধ টিউব পুনরায় খোলার চেষ্টা করা হয়।
4. ফার্টিলিটি চিকিৎসা: আইভিএফ (ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) পদ্ধতি বন্ধ টিউবের সমস্যা এড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
যদি টিউব বন্ধ হয়ে যায়, তবে তা নির্ভর করে কিভাবে এবং কোন অবস্থায় বন্ধ হয়েছে তার ওপর, চিকিৎসক আপনার জন্য সেরা চিকিৎসার পথটি নির্ধারণ করবেন।

আজ ২৬শে মার্চ - মহান স্বাধীনতা দিবস 🇧🇩শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সেই সকল বীর শহীদদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে ...
26/03/2026

আজ ২৬শে মার্চ - মহান স্বাধীনতা দিবস 🇧🇩
শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সেই সকল বীর শহীদদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের এই স্বাধীনতা। ১৯৭১-এর সেই রক্তঝরা দিনগুলো আমাদের শিখিয়েছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা নত না করতে, শিখিয়েছে লড়াই করে নিজের অধিকার ছিনিয়ে নিতে।
স্বাধীনতা শুধু একটি অর্জন নয়, এটি একটি দায়িত্ব—দেশকে ভালোবাসা, সততা ও মানবিকতার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার।
আসুন, আমরা সবাই মিলে প্রতিজ্ঞা করি—
এই প্রিয় মাতৃভূমিকে আরও সুন্দর, সমৃদ্ধ ও উন্নত করে গড়ে তুলব।

ঈদ মোবারক!! এই ঈদে আমার সকল বন্ধু, সহকর্মী, রোগী ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই শুভেচ্ছা!! আসুন সবাই মিলে ভালোবাসা ও সম্প্রীতির...
21/03/2026

ঈদ মোবারক!!
এই ঈদে আমার সকল বন্ধু, সহকর্মী, রোগী ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই শুভেচ্ছা!!
আসুন সবাই মিলে ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরো দৃঢ় করি।

অনেক সময় নারীরা নিয়মিত পিরিয়ডের অসহনীয় ব্যথা, পেলভিক পেইন কিংবা দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও গর্ভধারণ না হওয়ার সমস্যায় ভোগেন। আম...
17/03/2026

অনেক সময় নারীরা নিয়মিত পিরিয়ডের অসহনীয় ব্যথা, পেলভিক পেইন কিংবা দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও গর্ভধারণ না হওয়ার সমস্যায় ভোগেন। আমরা অনেকেই এই কষ্টকে "স্বাভাবিক" ভেবে অবহেলা করি। কিন্তু বাস্তবে এই কষ্টের পেছনে থাকতে পারে এন্ডোমেট্রিওসিস নামের একটি গুরুতর রোগ।

🔎 গবেষণায় দেখা গেছে, নারীর বন্ধ্যাত্বের অন্যতম প্রধান কারণ হলো এন্ডোমেট্রিওসিস। প্রায় ২৫% থেকে ৫০% নারীর বন্ধ্যাত্বের জন্য দায়ী এই রোগ। অর্থাৎ, প্রতি চারজন থেকে দুইজন নারী বন্ধ্যাত্ব সমস্যায় ভুগছেন কেবলমাত্র এন্ডোমেট্রিওসিসের কারণে।

👉 এন্ডোমেট্রিওসিস কীভাবে প্রভাব ফেলে?

🔰মাসিক চলাকালীন তীব্র ব্যথা
🔰পেলভিক অঞ্চলে স্থায়ী যন্ত্রণা
🔰যৌন সম্পর্কের সময় অস্বস্তি
🔰 দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সন্তান না হওয়া

♻️তাই এ সমস্যাকে কখনোই হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়।
সঠিক সময়ে রোগ শনাক্তকরণ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে এ রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব এবং অনেক ক্ষেত্রে সফলভাবে সন্তান লাভ করাও সম্ভব।

#এন্ডোমেট্রিওসিস #নারীরস্বাস্থ্য #বন্ধ্যাত্ব #সন্তানধারণ

আপনি কি দীর্ঘদিন ধরে সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করছেন কিন্তু বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন? আপনি হয়তো জানেনই না, আপনার থাইরয়েড গ্রন্থির...
12/03/2026

আপনি কি দীর্ঘদিন ধরে সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করছেন কিন্তু বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন? আপনি হয়তো জানেনই না, আপনার থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যাই হতে পারে এর পিছনের মূল কারণ!

👉 হাইপোথাইরয়েডিজম হল থাইরয়েড গ্রন্থির কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া, যার ফলে শরীরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ হরমোন উৎপাদন ব্যাহত হয়।
এটি শুধু নারীদের নয়, পুরুষদের বন্ধ্যাত্ব সমস্যারও একটি বড় কারণ।

👩‍⚕️ নারীদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব:
ডিম্বাণুর সমস্যা

⚠️ অনিয়মিত মাসিক চক্র
⚠️ গর্ভধারণে ব্যর্থতা
⚠️ গর্ভপাতের ঝুঁকি

👨‍⚕️ পুরুষদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব:
শুক্রাণুর পরিমাণ কমে যাওয়া

⚠️ স্পার্ম কোয়ালিটির অবনতি
⚠️ টেস্টোস্টেরনের সমস্যা
⚠️ যৌনশক্তি হ্রাস

🧬 একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত, হাইপোথাইরয়েডিজম যদি সঠিক সময়ে নির্ণয় ও চিকিৎসা করা হয়, তবে বন্ধ্যাত্বের অনেক সমস্যা প্রতিরোধযোগ্য।

বন্ধ্যাত্ব, একটি জটিল শারীরিক অবস্থা যা অনেক দম্পতির জীবনে সন্তান জন্মদানের স্বপ্নকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। তবে আধুনিক চি...
09/03/2026

বন্ধ্যাত্ব, একটি জটিল শারীরিক অবস্থা যা অনেক দম্পতির জীবনে সন্তান জন্মদানের স্বপ্নকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। তবে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে এখন অনেক ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে, যা বন্ধ্যাত্বের সমস্যার সমাধানে সহায়ক। এর মধ্যে ইন্ট্রাউটেরাইন ইনসেমিনেশন (IUI) বা আই ইউ আই অন্যতম জনপ্রিয় ও কার্যকরী চিকিৎসা পদ্ধতি।

আই ইউ আই কী?
আই ইউ আই হল এক প্রকার প্রজনন সহায়ক চিকিৎসা পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত শুক্রাণুকে সরাসরি মহিলার জরায়ুর ভিতরে প্রবেশ করানো হয়। এতে করে শুক্রাণুর ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়, ফলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ে।

কখন আই ইউ আই প্রয়োজন হতে পারে?
আই ইউ আই পদ্ধতি সাধারণত নিচের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়:
1. পুরুষের বন্ধ্যাত্বের সমস্যা: শুক্রাণুর সংখ্যা কম হলে বা গতি ঠিক না থাকলে।
2. অজানা বন্ধ্যাত্ব: যখন কোনো নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না।
3. এন্ডোমেট্রিওসিস: মহিলাদের জরায়ুর সমস্যা।
4. গর্ভধারণের চেষ্টায় দীর্ঘ ব্যর্থতা।
5. ইজাকুলেশন ডিসঅর্ডার: পুরুষের ইজাকুলেশনে কোনো সমস্যা থাকলে।

আই ইউ আই পদ্ধতির ধাপ:
1. ডিম্বস্ফোটন ট্র্যাকিং: চিকিৎসক প্রথমে নারীর ডিম্বস্ফোটনের সময় নির্ধারণ করেন, যাতে সঠিক সময়ে শুক্রাণু প্রয়োগ করা যায়।
2. শুক্রাণুর প্রক্রিয়াজাতকরণ: পুরুষের শুক্রাণু সংগ্রহ করে তা বিশেষ পদ্ধতিতে প্রস্তুত করা হয়।
3. শুক্রাণু ইনসেমিনেশন: প্রক্রিয়াজাত শুক্রাণু সরাসরি মহিলার জরায়ুর ভিতরে প্রবেশ করানো হয়, যা ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ বৃদ্ধি করে।
আই ইউ আই বন্ধ্যাত্বের সমস্যার সমাধানে একটি সহজ ও কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে, সফলতার হার নির্ভর করে দম্পতির শারীরিক অবস্থা, বয়স ও অন্যান্য প্রভাবকগুলোর ওপর। সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আই ইউ আই শুরু করলে অনেকেই তাদের সন্তান ধারণের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন।

বন্ধ্যাত্বের সমস্যা থাকলে দেরি না করে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন এবং আই ইউ আই পদ্ধতির মাধ্যমে আপনার মাতৃত্ব বা পিতৃত্বের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করুন।

#বন্ধ্যাত্ব #বন্ধ্যাত্বচিকিৎসা #আইইউআই #প্রজননস্বাস্থ্য #গর্ভধারণ #মাতৃত্ব #পিতৃত্ব #স্বাস্থ্যসেবা #নিরাপদগর্ভধারণ #প্রজননট্রিটমেন্ট #স্বাস্থ্য #শিশুকামনা #মা_হওয়ার_স্বপ্ন

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম বা পিসিওএস একটি হরমোনজনিত অসুখ।বর্তমান বিশ্বের নারীরা যে সমস্যাগুলোতে সবচেয়ে বেশি ভুগে থাকেন,...
05/03/2026

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম বা পিসিওএস একটি হরমোনজনিত অসুখ।
বর্তমান বিশ্বের নারীরা যে সমস্যাগুলোতে সবচেয়ে বেশি ভুগে থাকেন, তার অন্যতম হচ্ছে পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস)। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রতি ১০ জন নারীর ভেতর অন্তত ১ জন এ রোগে আক্রান্ত। নারীর প্রজনন হরমোনের তারতম্যের কারণে এই রোগ দেখা দেয়।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম কেন হয়?
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের সঠিক কারণ জানা যায় না। কিন্তু চিকিৎসকরা ধারণা করেন, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং বংশগত কারণ এ ক্ষেত্রে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যে নারীদের মা ও বোনের পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম আছে তাদের এই সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা বেশি।নারীদের শরীরে এন্ড্রোজেন হরমোন বেশি মাত্রায় থাকলেও পিসিওএস হতে পারে। বাড়তি এন্ড্রোজেন ডিম্বাশয় থেকে ডিম বের হওয়া এবং এর বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে। অতিরিক্ত ইনসুলিন উৎপাদনের কারণেও শরীরে এন্ড্রোজেন হরমোন বেড়ে যেতে পারে।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের উপসর্গঃ
পিসিওএসের উপসর্গ শুরু হয় সাধারণত নারীদের মাসিক শুরু হওয়ার পর থেকেই। তবে উপসর্গের ধরন এবং তীব্রতা একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। সাধারণ যে উপসর্গ সবার মধ্যে দেখা যায় তা হলো অনিয়মিত মাসিক। অন্যান্য লক্ষণগুলো হলো -
● মুখে, বুকে, পেটে, পেছনে বা পায়ের আঙুলে চুল গজানো
● ব্রন, তৈলাক্ত ত্বক বা খুশকি
● অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়া বা পুরুষদের মতো টেকো ভাব বা চুল পাতলা হয়ে যাওয়া
● ঘাড়, হাত, স্তন বা উরুতে চামড়ায় গাঢ় বাদামি বা কালো দাগ। এটা বগলে বা পায়ের ভাঁজেও হতে পারে।
● স্তনের আকার ছোট হয়ে যাওয়া
● মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা বেড়ে যাওয়া
● বন্ধ্যাত্ব
● কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া
● ডায়াবেটিস

তবে এসব উপসর্গের অনেকগুলোই অনেকের নাও থাকতে পারে।

চিকিৎসা ও প্রতিরোধের উপায়ঃ
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, সমস্যাটি তখনই শনাক্ত হয় যখন তিনি সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করে অসফল হন। সারা বিশ্বে বন্ধ্যাত্বের জন্য এটাকে সবচেয়ে বেশি দায়ী করা হয়। তবে কারও পিসিওএস থাকা মানে এই নয় যে তিনি কখনোই মা হতে পারবেন না। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে তারাও মা হতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে কিছুটা সময় লাগতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসা গ্রহণ ও জীবনযাপনে পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে।

যদি কারও কেবল মাসিকের সমস্যা থাকে তবে তাদের জন্য প্রথম চিকিৎসা হলো ওজন কমিয়ে ফেলা। পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোমে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হয়ে যায়। এর জন্য হাইপার এন্ড্রোজেনিজম হয়। এন্ড্রোজেন হচ্ছে, পুরুষ হরমোন। মেয়েদের শরীরের যদি পুরুষ হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায়, তখনই দেখা যায় ওজন বাড়তে থাকে, লোম গজাতে থাকে, মাসিক অনিয়মিত হতে থাকে। তখন তাদেরকে ব্যায়ামের পাশাপাশি মেটফরমিন নামের একটি ওষুধ দেওয়া যায়। যেটা তার এন্ড্রোজেনের মাত্রাকে কমিয়ে দেয়। যখনই এন্ড্রোজেনের মাত্রা কমে যায় তখনই এই উপসর্গগুলো ঠিক হয়ে যায়। যদি ঠিক সময়ে নেওয়া হয় তাহলে ডিম্বাণুর পরিপক্বতা ঠিক থাকে, মাসিক নিয়মিত হয়ে যায়।
আর যদি কারও বন্ধ্যাত্বের সমস্যা থাকে তবে তাদের ক্ষেত্রে ল্যাপরোস্কপি করানো হয়। ল্যাপরোস্কপিতে ছোটো ছোটো অনেক সিস্টকে পাংচার (টুকরো) করে দেওয়া যায়। এতে করে ভেতরে যে বাড়তি এন্ড্রোজেন থাকে, সেটি বের হয়ে যায়। এর ফলে হরমোনের ভারাসাম্যহীনতা ঠিক হয়ে গিয়ে মাসিক ঠিক হয়ে যায়। দেখা যায় ল্যাপরোস্কপি করার পর খুব দ্রুতই সন্তান ধারণ সম্ভব হয়।


২১শে ফেব্রুয়ারি- বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগের এক গৌরবময় অধ্যায়। এই দিনটি শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক মাত...
21/02/2026

২১শে ফেব্রুয়ারি- বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগের এক গৌরবময় অধ্যায়। এই দিনটি শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের ফলেই আমরা আজ গর্বের সঙ্গে বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারি। তাদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।

#২১শে_ফেব্রুয়ারী

Address

Dhaka

Telephone

+8801791937405

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Juthi Bhowmik posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram