Dohar Pharmacy

Dohar Pharmacy service

https://www.facebook.com/share/p/1LtK7gza1u/
17/06/2025

https://www.facebook.com/share/p/1LtK7gza1u/

★ কোলেস্টেরল —- আমাদের শরীর যদি একটা ছোট্ট শহর হয় তবে এই শহরের প্রধান সমাজবিরোধী হচ্ছে কোলেষ্টেরল,

★ ট্রাইগ্লিসারাইড —- কোলেস্টেরলের কিছু সাঙ্গ পাঙ্গ থাকে, তবে একেবারে ডান হাতের মস্তান হচ্ছে — ট্রাইগ্লিসারাইড, এদের কাজ হচ্ছে রাস্তায় মাস্তানি করে রাস্তা ব্লক করা , অর্থাৎ শহরকে অচল করার চেষ্টা করা ,

★ হৃৎপিন্ড হচ্ছে শরীর নামের শহরটির প্রাণকেন্দ্র বা মেন জায়গা। যেমন কলকাতার ধর্মতলা এলাকা, শহরের সব রাস্তাগুলি এসে মিশেছে এই হৃৎপিন্ড নামক প্রাণকেন্দ্রে ,

কিন্তু সমাজবিরোধীদের সংখ্যা বেশী হলে কি হয় আমরা সবাই জানি । এরা নিত্য নতুন হাঙ্গামা বাধিয়ে শহরের প্রাণকেন্দ্রকে অর্থাৎ হৃৎপিন্ডকে অচল করে দিতে চায় ।
তাহলে আমাদের শরীর নামক শহরে কি পুলিশ নেই ? যারা মাস্তানদের ক্রসফায়ার করবে , তাদের ছত্রভঙ্গ করে জেলে‌ ভরবে ?

হ্যাঁ, আছে, পুলিশ থাকবে না এমন জায়গা আছে?

★ একজন কড়া পুলিস অফিসারের নাম –H D L, এই পুলিশ অফিসারটি পাড়ায় পাড়ায় মাস্তানী করা মাস্তানদের রাস্তা থেকে ধরে এনে জেলে পাঠিয়ে দেয় ।

★ জেলের মধ্যে থাকে জেল সুপারিন্টেন্ডেন্ট, তার নাম– লিভার বাবু, এই লিভার বাবু ট্রাইগ্লিসারাইড সমাজবিরোধীদের পিটিয়ে বাইল সল্ট বানায়, তারপর শহরের পয়োনিষ্কাশন পাইপ লাইনের মাধ্যমে পায়খানার সাথে শহর থেকে ঘাড় ধরে বের করে দেয়,
শাস্তি পায় মাস্তানরা,

★ কিন্তু সরষের মধ্যে ভূত থাকে, কিছু নেতারা আবার এই সব মাস্তানদের হাতছাড়া করতে চায় না, ভোটের সময় তো কাজে লাগে এদের!

★ এইরকম একজন নেতার নাম—L D L, তিনি ক্ষমতার জোরে নানান কায়দাকানুন করে এই সব মাস্তানদের কোর্ট থেকে জামিন করিয়ে আবার রাস্তায় নামিয়ে দেয়,

আবার মাস্তানদের মাতলামো আর বাঁদরামো আরম্ভ হয়, আবার রাস্তা ব্লক হয়, আবার পুরো শহরে জ্যাম লেগে যায়,

★ আবার সেই কড়া পুলিস অফিসার H D L বাবু পিস্তল উঁচিয়ে কিছু পুলিস নিয়ে দৌড়ে আসে।
কিন্তু তারা L D L নেতা, আর কোলেস্টেরল মাস্তানদের যৌথ শক্তির সাথে কখনও কখনও পেরে ওঠে না, বেশ কিছু পুলিশ মারাও পড়ে। পুলিশের সংখ্যা কমতে থাকে, কড়া অফিসার H D L ও এক সময় ম্রিয়মান হয়ে পড়ে, মাস্তানরা তখন আরও উল্লসিত হতে থাকে,

শহরের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হতে থাকে,

শহরের প্রানকেন্দ্র হৃৎপিণ্ড ও অচল হয়ে পড়ে,

তাহলে উপায়?
উপায় হলো— মাস্তান মাফিয়াদের কমাতে কড়া পুলিশ অফিসার বাড়াতে হবে,

অনেক H D L , অর্থাৎ অনেক কড়া পুলিস অফিসার চাই,

এইসব কড়া পুলিশ অফিসার যত বাড়বে , ততই —

* মাস্তানরা, মানে– Cholesterol,
* মাস্তানের চামচেরা — মানে– Triglycerides ,
* দুষ্টু নেতা— মানে L D L রা কমতে থাকবে, ।

শরীর শহর আবার প্রানচাঞ্চল্য ফিরে পাবে,

শহরের প্রানকেন্দ্র হার্ট আবার মাস্তানদের অবরোধ থেকে মুক্তি পাবে, হার্ট ব্লকও আর হবে না,

আর শহরের প্রানকেন্দ্র হার্ট সুস্থভাবে বাঁচা মানে শরীর শহরের সবাই সুস্থভাবে বাঁচতে পারবে ।

তাহলে এই থিওরি অনুযায়ী দুষ্টদের দমন করে ভালো কড়া পুলিস অফিসারদের বহাল রাখতে হলে কি
করতে হবে?

পুরো শহরের সবাইকে এ্যাকটিভ হতে হবে, সবাইকে নড়াচড়া করতে হবে, কঠোর পরিশ্রম করে ঘাম ঝরাতে হবে,

—- হাঁটতে হবে,
দিনের মধ্যে কিছুটা সময় বের করে পই পই করে দৌড়ানোর মতন করে হাঁটতে হবে,

হাতে হাত ধরে গল্প করতে করতে হাঁটা নয়,

জোরে জোরে দ্রুুতগতিতে কমপক্ষে আধঘন্টা হাঁটার শেষে সারা শরীর যেন ঘামে ভরে যায়!

” কদম কদম বাড়ায়ে যা ”
এই ছন্দের হাঁটা নয়!

তাহলেই শরীর নামক শহরের সবাই ঠিক থাকবে, কেউ ঝিমিয়ে পড়বে না,

শহরের প্রানকেন্দ্র হৃৎপিণ্ডও ঠিক থাকবে!

✍️ ডা. রবিন বর্মন (কলকাতা)

ছবিটিতে লাল বৃত্তের মধ্যে থাকা ব্যক্তিটির গল্প আমরা অনেকেই জানি কিন্তু তাকে খুব কম মানুষই চিনি। ইনি ছিলেন তার সময়ের সেরা...
10/04/2025

ছবিটিতে লাল বৃত্তের মধ্যে থাকা ব্যক্তিটির গল্প আমরা অনেকেই জানি কিন্তু তাকে খুব কম মানুষই চিনি। ইনি ছিলেন তার সময়ের সেরা একজন ইঞ্জিনিয়ার, তার জনপ্রিয়তা ছবিটির দিকে তাকালেই হয়ত বুঝে যাবেন।

তার একটি সত্য গল্প খুব প্রচলিত ছিল, যিনি একটি স্ক্রু ঘোরানোর জন্য ১ ডলার আর কোন স্ক্রু ঘোরাতে হবে সেটা জানার জন্য ৯,৯৯৯ ডলার দাবি করেছিলেন।

হ্যাঁ, এই প্রকৌশলী আসলেই ছিলেন। তার নাম ছিল চার্লস প্রোটিয়াস স্টেইনমেটজ (১৮৬৫–১৯২৩)।

একবার তার সঙ্গে পরিচিত হন খ্যাতিমান উদ্যোক্তা হেনরি ফোর্ড। যাকে বিখ্যাত ফোর্ড গাড়ির নির্মাতা হিসেবে জানি।

তো ফোর্ডের রিভার রুজ প্ল্যান্টে একটি বিশাল জেনারেটরে জটিল এক প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়। সেখানে কর্মরত প্রকৌশলীরা কোনোভাবেই সমস্যার উৎস খুঁজে পাচ্ছিলেন না।

শেষমেশ হেনরি ফোর্ড নিজেই স্টেইনমেটজকে ডাকেন।

যথারীতি স্টেইনমেটজ কারখানায় এসে কারো সাহায্য না নিয়ে শুধু একটি খাতা, কলম আর একটি খাট চাইলেন।

মনে হতে পারে না, এত কিছু থাকতে খাট কেন, কেননা তিনি জন্ম থেকেই kyphosis- নামক রোগে এ আক্রান্ত ছিলেন, যার ফলে পিঠে একটি কুঁজ তৈরি হয়। যে কারণে তিনি ছিলেন কুঁজো এবং তার উচ্চতাও ছিল মাত্র প্রায় ৪ ফুট। এছাড়াও তার কাঁধ ও শরীরের গঠন ছিল অস্বাভাবিক, যা চলাফেরা ও কাজকর্মে সমস্যা সৃষ্টি করত।

যাইহোক তিনি টানা দু’দিন ও দু’রাত সেই বিশাল জেনারেটরের শব্দ শুনে কাটালেন, আর করলেন অসংখ্য জটিল হিসাব।

হঠাৎ করে তিনি একটি মই, একটি টেপ মাপার ফিতা আর একটা ব্ল্যাকবোর্ডের চক আনতে বললেন।

তার শরীরের প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি মই বেয়ে জেনারেটরের উপর পর্যন্ত উঠলেন।

তারপর ফিতা দিয়ে মেপে জেনারেটরের একটি নির্দিষ্ট স্থানে চক দিয়ে একটি দাগ দিলেন।

নিচে নেমে এসে আশপাশের অবাক প্রকৌশলীদের বললেন, এই নির্দিষ্ট জায়গা থেকে সাইড প্লেট খুলে কুন্ডলি খুলতে হবে, এবং ঠিক ১৬টি তার খুলে ফেলতে হবে।

প্রকৌশলীরা তার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করলেন।

দেখা গেল, জেনারেটর আবার পুরোপুরি সচল হয়ে গেছে।

এরপর স্টেইনমেটজ, জেনারেল ইলেকট্রিকের পক্ষ থেকে হেনরি ফোর্ডের কাছে ১০,০০০ ডলারের একটি বিল পাঠান।

ফোর্ড কাজের প্রশংসা করলেও, এমন বড় অঙ্কের একটি বিল দেখে তিনি বিস্তারিত খরচ breakdown চেয়ে ফেরত পাঠান।

স্টেইনমেটজ তখন বিলটি এভাবে সংশোধন করে পাঠান—

জেনারেটরে চক দিয়ে দাগ টানা: ১ ডলার

কোথায় দাগ দিতে হবে তা জানা: ৯,৯৯৯ ডলার

মোট: ১০,০০০ ডলার

এইবার আর কোনো কথা না বলে ফোর্ড পুরো বিলটাই পরিশোধ করেন।

তো চার্লস স্টেইনমেটজ ও হেনরি ফোর্ডের ঘটোনাটি আমাদের চোখের সামনে একটি গভীর শিক্ষনীয় বার্তা তুলে ধরে।

জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার প্রকৃত মূল্য বোঝা এবং যথাযথ সম্মান করা উচিত।

দেখুন স্টেইনমেটজ এক নজরে খুব ছোট একটা কাজ করেছিলেন, চক দিয়ে একটা দাগ টেনেছিলেন। কিন্তু এই ছোট কাজের পেছনে ছিল বছরের পর বছর অর্জিত অভিজ্ঞতা, গভীর জ্ঞান ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা।

এই গল্প আমাদের শেখায় যে, কেবল চোখে দেখা শ্রম নয়, বরং সমস্যার মূল ধরতে পারার ক্ষমতা, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতাই অনেক সময় সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হয়ে দাঁড়ায়।

তাই কোনো পেশাজীবীর কাজ যখন সহজ মনে হয়, তখন তার পেছনের কঠোর পরিশ্রম ও দক্ষতা কদর করা উচিত।

**এই গল্পটি ১৯৬৫ সালের ১৪ মে "লাইফ" ম্যাগাজিনে ছাপা একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল। চিঠিটি লিখেছিলেন জ্যাক বি. স্কট। তার বাবা বার্ট স্কট ছিলেন হেনরি ফোর্ডের বহু বছরের কর্মী।

#জীবন #সফল #অনুপ্রেরণা #সাফল্যে #চাবি #আত্মবিশ্বাস #শক্তি #সময় #ক্ষমতা #সিদ্ধান্ত #আত্মনির্ভর #আত্মসম্মান #আত্মমর্যাদা #সুখ #উদ্দেশ্য #অভিজ্ঞতা #দক্ষতা

Choklet Boy Rafsan

AlhamdulillahAlhamdulillahAlhamdulillahThe holy month of Ramadan is coming to an end. The time of mercy, forgiveness and...
03/04/2024

Alhamdulillah
Alhamdulillah
Alhamdulillah
The holy month of Ramadan is coming to an end. The time of mercy, forgiveness and salvation is coming to an end. May Allah forgive all our sins and give us the guidance to follow the right path. Today is the 23rd day and I have completed the 23rd Khatam Tarabi.

07/07/2023

নিজে জানোন,অন্যকে জানান 👇
১/ রাতে একা একা হাটলে যদি বুঝেন আপনার পিছনে কেউ আছে ঘাড় ঘুরাবেন না, পুরু শরীর ঘুরিয়ে দেখোন,আর পিছনে না তাকানোই উত্তম।

২/ ঘরে, মসজিদে বা বিছানায় সাপ দেখলে প্রথমে মারবেন নাহ, চলে যেতে বলবেন, কারণ জ্বীনেরা সাপের রুপ ধারণ করতে পছন্দ করে, না গেলে বুঝবেন ওটা সাপ,মারতে পারেন বা তাড়িয়ে দিন।

৩/ যদি রাতে কখনো দেখেন গাছের ডাল বা বাঁশ ঝুকে আছে এর উপর বা নিচ দিয়ে যেতে চেষ্টা করবেন নাহ, সুরা ইখলাস পাঠ করোন।

৪/ গভীর রাতে ঘরের বাহির থেকে কেউ একবার ডাকলে সারা দিবেন না, তিনবার ডাকলে সতর্কতার সহিত বের হোন।

৫/ যদি কখনো গাছের ডগায় বা ডালে অস্বাভাবিক কিছু দেখতে পান,দ্বিতীয় বার না তাকিয়ে মাটির দিকে তাকিয়ে চলে যান।

৬/ যদি রাতে আপনার রুমে এসে দেখেন আপনিই আপনার রুমে বসে আছেন, ভয় না পেয়ে চোখ বন্ধ করে আয়াতুল কুরসি পরবেন তারপর চোখ খুলুন, এটা আপনার সাথে থাকা ( কারিন জ্বীন)

৭/ রাতে কখনো চিত হয়ে ঘুমাবেন নাহ, আর যদি ভয়ের স্বপ্ন দেখেন, বুকের বাম পাশে তিনবার থুথু ফেলবেন, (বুখারী)

৮/ পুকুরে বা নদীতে গোসল করার সময় যদি কেউ আপনার পা টেনে নিচের দিকে নিয়ে যায় এমন বুঝেন প্রথমে চিৎকার দিবেন, পরে কষ্ট হলেও দোয়া ইউনুস পাঠ করোন, পানির নিচে জ্বীন বাস করে।

৯/ যদি রাতেকখনো দেখতে পান কুকুর বা বিড়াল আপনার সাথে অস্বাভাবিক আচরণ করছে তাহলে সাথে সাথে মাটিতে একটা বৃত্ত একে তার ভিতরে দাড়িয়ে যান,আর দোয়া ইউনুস পাঠ করোন।

১০/ যদি কখনো রাতের বেলায় পথ হারিয়ে ফেলেন বা একি রাস্তায় বারবার চলে আসেন, বা গন্তব্য মনে পরছে নাহ,আজান দিবেন ঠিক হয়ে যাবে, গয়রান- নামক জ্বীন আপনাকে ঘোরাচ্ছে।

১১/ রাতে ঘুমের মধ্যে যদি দেখেন আপনার বুকে কেউ ভর করে আছে চিৎকার দিবেন নাহ লাভ নেই কারণ আপনার চিৎকার কেউ শুনতে পাবেনা, আপনার জানা যেকোনো সুরা বা আয়াত পাঠ করোন।

১২/ মরা মানুষের আত্মা আপনার সামনে ঘুরে বেড়াচ্ছে এমন কিছু ঘটলে ভয় না পেয়ে আয়াতুল কুরসি পরবেন, জ্বীনেরা এমনটা করে থাকে। শুধু সালাম দিয়ে চলে যান।

১৩/ কবরস্থান পবিত্র জায়গা হলেও সেখানে (ঘুল) নামক জ্বীন থাকে, সতর্ক হওয়া উচিত।

১৪/ আয়নার মধ্যে জ্বীন প্রবেশ করতে পারে তাই পর্দা দিয়ে রাখবেন, বাতরুমের আয়না রাতে না দেখা ভালো।

১৫/ যদি কখনো দেখেন আপনি মিষ্টি জাতীয় কিছু খাচ্ছেন পিঠা বা অন্য কিছু সামনে বিড়াল খেতে চাচ্ছে অবশ্যই তাকেও খেতে দিন,সাপ আর বিড়ালের রুপ ধারণ করতে জ্বীন পছন্দ করে আর ওদের প্রিয় খাবার মিষ্টি।

১৬/ মাগরিবের সময়, ঠিক দুপুর বেলায় এবং রাত ১২ টার দিকে জ্বীনদের প্রভাব বেশি থাকে, এই সময় সতর্ক থাকবেন বাচ্চা দের সতর্ক রাখবেন, বিশেষ করে সন্ধ্যায় বিসমিল্লাহ বলে দরজা বন্ধ করবেন।

১৭/ অতিরিক্ত রাগ করবেন নাহ, রাগের সময় আমাদের মুখের কথা যখন আটকে যায় তখন জ্বীনেরা আমাদের শরীরে প্রবেশকরে, রাগের সময় দাড়িয়ে থাকলে বসে যান,বসে থাকলে শুয়ে যান।

ধন্যবাদ সবাইকে কষ্ট করে পরার জন্য।

28/05/2023

আত্তাহিয়াতু এর পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি গল্প তা জানা ছিল না,আমার বিশ্বাস সবার ভাল লাগ‌বে এবং পড়ার ম‌নো‌যোগ ও বাড়‌বে।

আত্তাহিয়াতু আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি দোয়া। এই দোয়াটার পিছনের গল্পটা জানার পর সত্যি আমার হৃদয়টা অনেক কোমল হয়ে গেছে!

আত্তাহিয়াতু আসলে,আল্লাহর সাথে আমাদের মহানবী (সঃ) কথোপকথন একটা অংশ। যা আমাদের মহানবী (সঃ) ইসরাইল মিরাজ যাত্রার সময় হয়েছে মহান আল্লাহর সাথে! মহানবী (সঃ) যখন আল্লাহর সাথে কথোপকথন শুরু করে তখন আল্লাহকে আসসালামু আলাইকুম বলেননি!

তাহলে কি বলেছিল...?

কারন,আমরা মহান আল্লাহকে বলতে পারব না,আল্লাহ আপনার উপর শান্তি নাজিল হউক! কারন,আল্লাহ নিজেই একমাত্র পৃথিবীর সকল শান্তির এবং রহমতের উৎপত্তিস্থল!

মহানবী (সঃ) আল্লাহকে উদেশ্য করে বলেছিলেন:-

▪আত্তাহিইয়া-তু লিল্লা-হি ওয়াছ ছালাওয়া - তু ওয়াত্ ত্বাইয়িবা -তু

অর্থঃ- যাবতীয় সম্মান,যাবতীয় উপাসনা ও যাবতীয় পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য।

উওরে মহান আল্লাহ বলেন:-

▪আসসালা-মু'আলায়কা আইয়ুহান্নাবিয়ু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া-বারাকাতুহু।

অর্থঃ- হে নবী,আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হউক এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও সমৃদ্ধি সমূহ নাযিল হউক।

এতে মহানবী (সঃ) বলেন:-

▪আসসালা-মু-আলায়না ওয়া আলা ইবাদিল্লা-হিছছালেহীন।

অর্থ:- আল্লাহর সমৃদ্ধি শান্তি বর্ষিত হউক আমাদের উপরে ও আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাগণের উপরে।

মহান আল্লাহ এবং মহানবী (সঃ) এই কথোপকথন শুনে ফেরেস্তারা বলেন:-

▪আশহাদু আল লা-ইলাহা ইলল্লালাহু ওয়া আশহাদুআন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু।

অর্থ:- আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে,আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে,মুহাম্মাদ (সঃ) তার বান্দা ও রাসূল।
"সুবহানাল্লাহ"।

এখন আমি এবং আপনি আত্তাহিয়াতু গুরুত্ব এবং পিছনের ইতিহাস জানতে পারলাম,এবার একটু চিন্তা করুন তো,এই লেখাটি যদি আপনার মাধ্যমে অন্যান্য মানুষেরাও জানে তাহলে তারাও এই দোয়ার গুরুত্ব বুজতে পারবে!

11/08/2022

এক জাহাজের ইঞ্জিন চালু হচ্ছিল না। জাহাজের মালিক অনেক ইঞ্জিনিয়ারকে দেখিয়েছেন কিন্তু কেউ তা ঠিক করতে পারেনি। তাই তিনি ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এনেছেন। তিনি খুব সাবধানে ইঞ্জিন পরিদর্শন করেন, উপর থেকে নিচে কিছুক্ষন দেখার পর লোকটি তার ব্যাগ থেকে একটি ছােট হাতুড়ি বের করলো তিনি হাতুড়ি দিয়ে আলতাে করে একটা আঘাত করলেন সাথে সাথে ইঞ্জিন চালু হয়ে গেল! ৭ দিন পর ইঞ্জিনিয়ার তার বিল হিসেবে চাইলেন ২০০০ ডলার! জাহাজের মালিক বলল , আপনি তাে এখানে তেমন কিছুই করেন নাই৷

এতাে বিল অসলাে কেমনে ... ?

তারপর ইঞ্জিনিয়ার বললেন হাতুড়ি দিয়ে বারি মারার বিল ২ ডলার কিন্তু কোন জায়গায় মারতে হবে, মানে জায়গা বরাবর মারার জন্য ১৯৯৮ ডলার।

শিক্ষাঃ আপনার অর্জিত অভিজ্ঞতাকে কখনো তুচ্ছ মনে করে পাঁচ মিনিটের কাজ ভেবে পাঁচ টাকায় করবেন না,

এতে আপনার ডিমান্ড আপনি নিজে কমাচ্ছেন !

অভিজ্ঞতা অর্জন করতে আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে ,

সেই পরিশ্রমের মূল্য দিতে শিখুন ।

19/06/2022

কোন রোগের জন্য কি টেষ্ট করা হয়ঃ
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
🔴CBC যে যে রোগে করা হয়ঃ
"""''''''''""""""""""""""'"''"'""""'''''''''"
⏩জ্বর হলে কি কারণে হচ্ছে তার ধারণা নেয়ার জন্য।অনেক সময় blood culture করতে হয়।
⏩শরীরে রক্তের পরিমাণ কেমন আছে জানার জন্য।
⏩রক্তের ঘাটতি থাকলে সেটা আয়রণ বা ভিটামিনের অভাবে হচ্ছে কিনা জানার জন্য।
⏩শরীরে এলার্জি কেমন তার ধারণা পাওয়া যায়।
⏩রক্তে ইনফেকশন বা প্রদাহ কেমন তার ধারণা পাওয়া যায়।
⏩রক্ত জমাট বাধার উপাদান কি পরিমাণ আছে তা জানা যায়।
⏩ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে কিনা তার ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়।
🔵Urine R/E প্রস্রাব টেস্ট যে যে কারনে করা হয়ঃ
""'''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""
👉ইনফেকশন আছে কিনা,থাকলে সিভিয়ারিটি কতটুকু
👉ডায়াবেটিস আছে কিনা
👉প্রোটিন যায় কিনা
👉রক্ত যায় কিনা
👉কিডনীতে পাথর আছে কিনা
🔴RBS-Random Blood Sugar: ডায়াবেটিস আছে কিনা তার ধারণা করার জন্য প্রাথমিক টেস্ট।
🔵Serum Creatinine:যেইসব রোগীর কিডনীর সমস্যা হতে পারে বলে ধারণা করা হয় এ টেস্ট তাদের করা হয়।(প্রেশার ও ডায়াবেটিস রোগীর জন্য বাধ্যতামূলক টেস্ট। ব্যথার ঔষধ দেয়ার আগেও এটেস্ট করা উচিত)
🔴Lipid profile: রক্তে চর্বির পরিমাণ বুঝার জন্য এটা করা হয়।হার্টের ও প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগীর জন্য এটা খুব জরুরি।
🔵Serum Bilirubin: জন্ডিস আছে কিনা দেখা হয়।একদম প্রাথমিক টেস্ট।জন্ডিস হয়ে গেলে আরো টেস্ট করতে হয়।
🔴SGPT/SGOT: লিভারের কন্ডিশন বুঝার জন্য এটা করা হয়।লিভার কতটুকু এনজাইম উৎপন্ন করছে তা দেখা হয়।
🔵Serum Electrolyte: রক্তে খনিজের পরিমাণ জানার জন্য এটা করা হয়।শরীর দূর্বল লাগলে,বেশীবমি, ডায়রিয়া এসব ক্ষেত্রে এ পরীক্ষা করা হয়।
🔴HBsAG: জন্ডিস এবং লিভার কন্ডিশন বুঝার জন্য এ পরিক্ষা করা হয়।
🔵HBA1c: ডায়বেটিস বা রক্তে গ্লুকোজ নির্ণয়ের জন্য করা হয়।
🔵LFT: লিভারের সমস্যা বুঝতে এ পরিক্ষা করা হয়।
🔴BT CT: রক্তরােগের ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়।
🔵Via Test: সার্ভিক্সের ইনফেকশন বা ক্যান্সার নির্ণয়ের জন্য এ পরিক্ষা করা হয়।
🔴TSH: Thyroid stimulating hormone এই পরিক্ষা হরমন নির্ণয়ের জন্য করা হয়।
🔵EcG: হৃদরােগের অবস্থা বুঝার জন্য প্রাথমিক টেস্ট।
🔴ChestX-ray: বুকের ও হার্টের কন্ডিশন বুঝার জন্য করা হয়।
©

12/06/2022

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ

২ রাকাত নফল নামাজ ফর্মূলা

যেকোন গুনাহের জন্য দুইরাকাত হিসেব করে রাখুন। গীবত করেছেন কারো ,
হিসেব করুন দুই রাকাতের,
কারো মনে কষ্ট দিয়েছেন
আরো দুই রাকাত যোগ করুন,
মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন আবারও দুই এড দিন...
ইনশাআল্লাহ গুনাহ কমতে শুরু করবে।

২ রাকাত ফর্মূলাঃ

একজন শায়খ এই নামে একটি বই লিখেছিলেন।
তিনি যেকোন সমস্যার সমাধান হিসেবে
দুই রাকাত নামাজ পড়ার উপদেশ দিতেন।

একজন লোকের সমস্যা ছিল
সে মহিলাদের দিকে বেশি তাকাত।
সে শায়খকে বললো,
"শায়খ আমার নজর বারবার মহিলাদের দিকে চলে যায়। আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না। আমাকে নসীহত করুন শায়খ"

শায়খ বললেন,
"প্রতিবার যখনই তুমি
বেগানা মহিলার দিকে তাকাবে
সেটা হিসাব করে রাখবে।
তারপর রাতে এসে প্রতিবার
ইচ্ছাকৃত তাকানোর জন্য
দুই রাকাত করে নামাজ পড়বে"

উনি বললেন,"শায়খ, আমি একজন রিসেপশনিস্ট।
প্রতিদিন প্রচুর মহিলার সাথে সাক্ষাত হয়।
এটা কীভাবে করব!"
শায়খ বললেন,"তুমি শুরু কর"
তো সেই ভাই শুরু করলেন।
প্রথম দিন ১০ রাকাত নামাজ পড়তে হল।
তারপর দিন ৮ রাকাত।
তারপর দিন ৬ রাকাত।
এভাবেকিছুদিনের মধ্যে অবস্থা এমন হল
কোন মহিলা আসছে এটা যখন তিনি বুঝতে পারেন
তখন শয়তান কানে কানে বলে,
"প্লিজ তাকিওনা!
তাকালে আবার নামাজ পড়তে হবে!"

অন্য এক ভাই শায়খকে বললেন,
"শায়খ আমি সিগারেট ছাড়তে পারছি না,কী করব?"
শায়খ বললেন,
"যখনই তুমি একটা সিগারেট খাবে
শেষ করে সাথে সাথে নতুন ভাবে ওযু করে
দুই রাকাত নামাজ পড়বে"

"শায়খ আমি দৈনিক দুই প্যাকেট
সিগারেট খাই!
এটা কীভাবে সম্ভব?!"
শায়খ বললেন,
"তুমি শুরু কর"
উনি বলেন এরপর আমি শুরু করলাম।
প্রথমদিন আমার ১০ রাকাত নামাজ পড়তে হল।
মানে সেদিন তিনি ৫টি সিগারেট খেয়েছেন।
ভেবে দেখুন, দুই প্যাকেট থেকে প্রথম দিনেই ৫টিতে!
এরপর ৮ রাকাত,৬ রাকাত।
এভাবে কিছুদিন পর
যখনই তিনি সিগারেট ধরাতে যান
ইবলিস কানে কানে বলে,
"প্লিজ সিগারেট জ্বালিও না।
আবার ওযু করতে হবে।
তারপর নামাজ পড়তে হবে!
তারচেয়ে না খাওয়াই ভাল!"
শায়খের দুই রাকাত ফর্মূলার বইটি পড়ে
এক যুবক তাকে ফোন দিয়ে বলে,
শায়খ, আমি প্রায় সময় ফজরের নামাজ মিস করতাম। চেষ্টা করেও পড়তে পারতাম না।
এরপর একদিন আমি নিজের
উপর খুব বিরক্ত হয়ে পড়ি।
রেগেমেগে আমি বলি,
'কালকে যদি আমি ফজর পড়তে না পারি
তবে ১০০ রাকাত নামাজ পড়ব'
পরের দিন যখন ফজরের সময় হল তখন কোন
এলার্ম ছাড়া, কারো কোন ডাক ছাড়া
আমি উঠে গেলাম।
ইবলিস আমাকে ডেকে দিয়েছিল!বলছিলো,
"উঠো! উঠো! ফজরের সময় হয়ে গেছে!"
এরপর আমি এক বছর টানা
ফজরের নামাজমিস করিনি।
বরং আমি আজান হওয়ার আগেই মসজিদে চলে যেতাম। অবস্থা দেখে মুয়াজ্জিন মসজিদের চাবি
আমাকে দিয়ে দেয়। এখন আমিই ফজরে
মসজিদ খুলি!"
সুবাহানআল্লাহ্!
শয়তান চায়না আমরা আমল করি।
কারণ তওবার দ্বারা একেতো গুনাহ্ মাফ হয়
তারওপর নফল পড়ার কারণে আমরা আরো
আল্লাহর কাছে চলে যাই।
তাই গুনাহ করতে না দেয়াটা বরং তার জন্য সহজ!
এটার ফলাফল নির্ভর করবে
আপনি কতটুকু সিনসিয়ার এর উপর।
আপনার যেকোন
সমস্যার সমাধান হতে পারে এই ফর্মূলা।
হয়ত আপনি গান শোনা ছাড়তে পারছেন না,
মুভি দেখা ছাড়তে পারছেন না,
রেগে যাওয়া ছাড়তে পারছেন না।
দুই রাকাত ফর্মূলা এপ্লাই করা শুরু করুন।
ইনশা আল্লাহ্,
ফলাফল আপনাকে চমকে দিবে
©

মানুষের ত্বকে ৩টি স্তর থাকে। এপিডার্মিস, ডার্মিস এবং সাবকিউট্যানিয়াস স্তর। ত্বক পুড়ে গেলে এ ৩টি স্তরে ক্ষতের ভিত্তিতে যথ...
06/06/2022

মানুষের ত্বকে ৩টি স্তর থাকে। এপিডার্মিস, ডার্মিস এবং সাবকিউট্যানিয়াস স্তর। ত্বক পুড়ে গেলে এ ৩টি স্তরে ক্ষতের ভিত্তিতে যথাক্রমে ১ ডিগ্রি, ২ ডিগ্রি এবং ৩ ডিগ্রি বার্ন চিহ্নিত করা হয়।

পুড়ে গেলে কী করবেন?

১ ডিগ্রি পোড়ার ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব ১৫-৩০ মিনিট কলের নিচে রেখে ক্ষতস্থানে সরাসরি পানি প্রবাহ চালাতে হবে। ২ ডিগ্রি পোড়ার ক্ষেত্রে একই কাজ করতে হবে ১-২ ঘণ্টা। ফোসকা পড়বে, ফোসকা গলারনোর কোনো প্রয়োজন নেই। এরপর ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

৩ ডিগ্রি পোড়ার ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে দ্রুত কাপড় খুলে দিতে হবে। এরপর আস্তে আস্তে পানির প্রবাহ চালাতে হবে। পুড়ে যাওয়া অংশ গজ বা পরিস্কার কাপড় দিয়ে ঢেকে একটু উঁচু করে রাখতে হবে। ব্যক্তির জ্ঞান থাকলে পানিতে একটু লবণ মিশিয়ে শরবত, স্যালাইন কিংবা ডাবের পানি, এমনকি এসব না পেলে সাধারণ পানি খাওয়াতে হবে যতক্ষন/যতটুকু খেতে পারে। এর মাঝে দ্রুততর বেগে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

যা যা করবেন না-

১. ভুল করেও ক্ষতস্থানের অবস্থা চিকিৎসককে না দেখিয়ে কোনো মলম বা ক্রিম লাগাবেন না।
২. ফোসকা পড়লে কোনো ক্রমেই তা ফাটাবেন না।
৩. পোড়া স্থানে বরফ, তুলো, ডিম, টুথপেস্ট লাগাবেন না।
৪. পোড়া স্থানে যেনো কাপড়ের ঘষা না লাগে, খেয়াল রাখবেন।
৫. পুড়ে গেলেই আগে সাধারণ তাপমাত্রার পানির প্রবাহ দিতে হবে এবং দ্রুততর সময়ে হাসপাতালে নিতে হবে।

কালেক্টেড

Address

33, East Ahmmed Nogor, Mirpur/1, Dhaka-1
Dhaka
1216

Telephone

+8801918276027

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dohar Pharmacy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dohar Pharmacy:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram