AIMS Healthcare

AIMS Healthcare Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from AIMS Healthcare, Medical and health, 39/1, B. B Avenue , K. B BAZAR SHOPING COMPLEX, Dhaka.

26/11/2025
26/11/2025
26/11/2025
কলকাতা থেকে মুম্বাইয়ের টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে (Tata Memorial Hospital) চিকিৎসার জন্য যাওয়ার একটি সঠিক এবং বিস্তারিত গ...
26/11/2025

কলকাতা থেকে মুম্বাইয়ের টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে (Tata Memorial Hospital) চিকিৎসার জন্য যাওয়ার একটি সঠিক এবং বিস্তারিত গাইডলাইন নিচে ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো।

১. মানসিক এবং নথিপত্রের প্রস্তুতি (Preparation)
মুম্বাই রওনা হওয়ার আগে আপনার সমস্ত কাগজপত্র গুছিয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
* প্রয়োজনীয় নথিপত্র:
* রোগীর এবং সাথে যাওয়া ব্যক্তির আধার কার্ড (Aadhaar Card) বা সচিত্র পরিচয়পত্র (আসল কপি এবং ফটোকপি)।
* রোগীর পুরোনো সমস্ত মেডিকেল রিপোর্ট, এক্স-রে (X-Ray), সিটি স্ক্যান (CT Scan), এমআরআই (MRI) প্লেট এবং রিপোর্ট।
* যদি বায়োপসি (Biopsy) হয়ে থাকে, তবে তার স্লাইড এবং ব্লক (Slides & Blocks) অবশ্যই সাথে নেবেন। টাটা মেমোরিয়ালে এগুলো পুনরায় পরীক্ষা করা হয়।
* স্থানীয় ডাক্তারের দেওয়া রেফারেল লেটার (Referral Letter)।
* পাসপোর্ট সাইজ ছবি (রোগী এবং অ্যাটেনডেন্টের)।
* টাকার ব্যবস্থা (নগদ এবং ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড)।
২. হাওড়া থেকে মুম্বাই যাতায়াত (Travel Guide)
কলকাতা (হাওড়া/শালিমার) থেকে মুম্বাই যাওয়ার জন্য ট্রেন বা বিমান দুটোই ব্যবহার করতে পারেন।
* ট্রেন (Train): হাওড়া বা শালিমার স্টেশন থেকে মুম্বাই যাওয়ার বেশ কিছু ভালো ট্রেন আছে। আপনার গন্তব্য স্টেশন হবে ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ টার্মিনাস (CSMT) বা লোকমান্য তিলক টার্মিনাস (LTT)।
* গীতাঞ্জলি এক্সপ্রেস (Gitanjali Express - 12860): প্রতিদিন হাওড়া থেকে ছাড়ে। গন্তব্য CSMT।
* জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস (Jnaneswari Express - 12102): শালিমার থেকে LTT।
* হাওড়া-মুম্বাই মেল (Howrah-Mumbai Mail - 12321): হাওড়া থেকে CSMT।
* দুরন্ত এক্সপ্রেস (Duronto Express): দ্রুত পৌঁছানোর জন্য ভালো।
* টিপস: মুম্বাই পৌঁছাতে প্রায় ৩০-৩৫ ঘণ্টা সময় লাগে, তাই টিকিট অনেক আগে থেকে কনফার্ম করে রাখা ভালো।
* বিমান (Flight): দ্রুত যেতে চাইলে কলকাতা বিমানবন্দর (CCU) থেকে মুম্বাই (BOM) এর সরাসরি ফ্লাইট নিতে পারেন। সময় লাগবে প্রায় ২.৫ - ৩ ঘণ্টা।
৩. স্টেশন থেকে হাসপাতালে পৌঁছানো
টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালটি মুম্বাইয়ের লোয়ার প্যারেল (Parel) এলাকায় অবস্থিত।
* CSMT বা LTT স্টেশন থেকে: ট্যাক্সি বা ক্যাব (Ola/Uber) নিয়ে সরাসরি ‘টাটা মেমোরিয়াল হসপিটাল, প্যারেল’ যেতে পারেন।
* লোকাল ট্রেন: মুম্বাইয়ের লোকাল ট্রেন খুব সস্তা ও দ্রুত। আপনার গন্তব্য স্টেশন হবে প্যারেল (Parel) বা দাদর (Dadar)। দাদর থেকে ট্যাক্সি করে হাসপাতালে যাওয়া খুব সহজ।
৪. হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসার ধাপ
হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য দুটি ক্যাটাগরি বা বিভাগ আছে: জেনারেল (General) এবং প্রাইভেট (Private)। আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন।
ধাপ ১: রেজিস্ট্রেশন (Registration)
* হাসপাতালের ‘গোল্ডেন জুবিলি ব্লক’ (Golden Jubilee Block) বা প্রধান ভবনে গিয়ে নতুন রোগীদের জন্য ফর্ম ফিলাপ করতে হয়।
* সকাল ৭টা-৮টার মধ্যে লাইনে দাঁড়ানো ভালো, কারণ প্রচুর ভিড় হয়।
* ফর্ম জমা দেওয়ার পর আপনাকে একটি স্মার্ট কার্ড (Smart Card) এবং একটি ফাইল দেওয়া হবে। এই কার্ডটি খুব যত্ন করে রাখবেন, পরবর্তী সব কাজে এটি লাগবে।
ধাপ ২: ডাক্তার দেখানো (Doctor Consultation)
* ফাইলের নম্বর অনুযায়ী আপনাকে নির্দিষ্ট ওপিডি (OPD) বা ডাক্তারের কাছে পাঠানো হবে।
* ডাক্তার আপনার পুরোনো রিপোর্ট দেখবেন এবং প্রয়োজনে নতুন করে বায়োপসি বা স্ক্যান করতে দেবেন।
ধাপ ৩: টেস্ট এবং রিপোর্ট
* হাসপাতালের ল্যাবরেটরিতে টেস্ট করাতে হতে পারে। রিপোর্টের জন্য কয়েকদিন সময় লাগতে পারে।
* বায়োপসি স্লাইড রিভিউ করতে দিলে তার রিপোর্ট আসতে ৭-১০ দিন সময় লাগতে পারে।
ধাপ ৪: চিকিৎসার পরিকল্পনা
* সমস্ত রিপোর্ট আসার পর ডাক্তাররা মিলে সিদ্ধান্ত নেবেন যে কী চিকিৎসা (সার্জারি, কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশন) প্রয়োজন। এটাকে ‘জয়েন্ট ক্লিনিক’ বা বোর্ড মিটিং বলা হয়।
৫. থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা (Accommodation)
মুম্বাইয়ে থাকা বেশ খরচসাপেক্ষ। তবে রোগীদের জন্য কিছু কম খরচের ব্যবস্থাও আছে:
* হাসপাতালের আশেপাশে অনেক ধরমশালা (Dharamshalas) আছে (যেমন- নানক সরণ, গডগে মহারাজ ধরমশালা ইত্যাদি) যেখানে কম খরচে থাকা যায়। তবে এগুলোতে সিট পাওয়া কঠিন।
* হাসপাতালের সোশ্যাল ওয়ার্কার বা ‘হেল্প ডেস্ক’-এ কথা বললে তারা থাকার জায়গার খোঁজ দিতে পারেন।
* প্যারেল বা দাদর এলাকায় কিছু লজ বা গেস্ট হাউস আছে, বাজেট অনুযায়ী খোঁজ নিতে পারেন।
জরুরি কিছু পরামর্শ:
১. ধৈর্য ধরুন: টাটা মেমোরিয়ালে প্রচুর রোগী আসেন, তাই প্রতিটি ধাপে (টেস্ট, ডাক্তার দেখানো) সময় লাগতে পারে। হাতে সময় নিয়ে যাবেন।
২. একজন সঙ্গে রাখুন: রোগীর সাথে সবসময় একজন সুস্থ ও সক্ষম ব্যক্তি (Attendant) থাকা খুব জরুরি যিনি দৌড়াদৌড়ি করতে পারবেন।
৩. অনলাইন রেজিস্ট্রেশন: ভিড় এড়াতে যাওয়ার আগে tmc.gov.in ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করে নিতে পারেন।
৪. ভাষা: হিন্দি বা ইংরেজি জানা থাকলে সুবিধা হবে, তবে সমস্যা হলে হেল্প ডেস্কের সাহায্য নিন।
সংগৃহীত

18/11/2025
📢 জরায়ু ক্যান্সার: নীরব ঘাতক নয়, সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য! 🛡️মহিলাদের মধ্যে ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হলো ...
18/11/2025

📢 জরায়ু ক্যান্সার: নীরব ঘাতক নয়, সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য! 🛡️

মহিলাদের মধ্যে ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হলো জরায়ু ক্যান্সার (Cervical Cancer)। তবে এটি এমন একটি ক্যান্সার যা টিকা (Vaccine) এবং নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের (Screening) মাধ্যমে ৯০%-এরও বেশি ক্ষেত্রে প্রতিরোধ করা সম্ভব! সচেতন হোন এবং সঠিক পদক্ষেপ নিন।

জরায়ু ক্যান্সার কী? (What is Cervical Cancer?)

জরায়ু ক্যান্সার হলো জরায়ুমুখের (Cervix) কোষগুলিতে অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট ক্যান্সার। জরায়ুমুখ হলো জরায়ুর নিচের অংশ যা যোনিপথের সাথে যুক্ত থাকে। সাধারণত, জরায়ুমুখের স্বাস্থ্যকর কোষগুলিতে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসতে শুরু করে, যা একসময় ক্যান্সারে রূপান্তরিত হয়। এই প্রক্রিয়াটি বছরের পর বছর ধরে চলতে পারে।

কেন হয় জরায়ু ক্যান্সার? (Why does Cervical Cancer happen?)

জরায়ু ক্যান্সারের প্রায় ৯৯% ক্ষেত্রে হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস (HPV) নামক একটি সাধারণ ভাইরাসের সংক্রমণ দায়ী। HPV একটি যৌনবাহিত ভাইরাস, যার অনেক রকম স্ট্রেন আছে। কিছু নির্দিষ্ট উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ HPV স্ট্রেন (যেমন HPV 16 এবং HPV 18) জরায়ুমুখের কোষে অস্বাভাবিক পরিবর্তন ঘটায়, যা ক্যান্সারের দিকে নিয়ে যায়।

🦠 প্রধান কারণ ও ঝুঁকির কারণসমূহ: (Causes & Risk Factors)

HPV সংক্রমণ: এটিই প্রধান কারণ। অনিরাপদ যৌন মিলন বা একাধিক যৌন সঙ্গীর ক্ষেত্রে HPV সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
কম বয়সে যৌন সম্পর্ক শুরু করা: অল্প বয়সে যৌন সম্পর্ক শুরু করলে জরায়ুমুখের কোষগুলি বেশি সংবেদনশীল থাকে, যা HPV সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।
একাধিক যৌন সঙ্গী: নিজের বা সঙ্গীর একাধিক যৌন সঙ্গী থাকলে HPV সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: HIV/AIDS আক্রান্ত ব্যক্তি বা যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের ক্ষেত্রে HPV সংক্রমণ ক্যান্সারে রূপান্তরের ঝুঁকি বেশি থাকে।
ধূমপান: ধূমপান জরায়ু ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়, কারণ এটি জরায়ুমুখের কোষকে HPV সংক্রমণের প্রতি আরও সংবেদনশীল করে তোলে।
দীর্ঘদিন ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল ব্যবহার: ১০ বছরের বেশি সময় ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল ব্যবহার করলে ঝুঁকি সামান্য বাড়তে পারে, তবে এটি বিতর্কের বিষয়।
একাধিক সন্তান জন্মদান: এটিও একটি সম্ভাব্য ঝুঁকির কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

🛑 জরায়ু ক্যান্সারের লক্ষণসমূহ: (Symptoms)

প্রাথমিক পর্যায়ে জরায়ু ক্যান্সারের সাধারণত কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। লক্ষণগুলো সাধারণত তখনই দেখা যায় যখন ক্যান্সার একটু অগ্রসর হয়।
অস্বাভাবিক যোনি রক্তপাত:
মাসিকের মাঝামাঝি সময়ে বা অনিয়মিত রক্তপাত।
যৌন মিলনের পর রক্তপাত।
মেনোপজের পর রক্তপাত।
অস্বাভাবিক যোনি স্রাব: দুর্গন্ধযুক্ত, পাতলা, জলীয়, বা রক্ত মিশ্রিত স্রাব।
তলপেটে বা শ্রোণী অঞ্চলে ব্যথা: পেটের নিচের অংশে বা কোমরের নিচের দিকে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা বা অস্বস্তি।
যৌন মিলনের সময় ব্যথা বা অস্বস্তি।
উন্নত পর্যায়ে: প্রস্রাবে রক্ত, পায়ুপথে রক্ত, পা ফুলে যাওয়া, ওজন হ্রাস, ক্লান্তি ইত্যাদি।

✅ প্রতিরোধ ও প্রতিকার: (Prevention & Treatment)

প্রতিরোধ (Prevention):
HPV টিকা (HPV Vaccine): ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর। প্রাপ্তবয়স্করাও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এই টিকা নিতে পারেন। এটি HPV-এর উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ স্ট্রেনগুলির সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
নিয়মিত স্ক্রিনিং (Regular Screening):
প্যাপ স্মিয়ার (Pap Smear): ২১ বছর বয়স থেকে শুরু করে প্রতি ৩ বছর অন্তর এই পরীক্ষা করানো উচিত (যদি ফল স্বাভাবিক থাকে)। এটি জরায়ুমুখের কোষের অস্বাভাবিক পরিবর্তনগুলি (Pre-cancerous changes) শনাক্ত করে।
HPV DNA Test: ৩০ বছর বয়স থেকে প্যাপ টেস্টের সাথে HPV টেস্ট করানো যেতে পারে, যা ৫ বছর অন্তর করা হয়।
নিরাপদ যৌন সম্পর্ক: কনডম ব্যবহার HPV সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে।
ধূমপান ত্যাগ: ধূমপান বর্জন জরায়ু ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
✅ চিকিৎসা (Treatment):
জরায়ু ক্যান্সারের চিকিৎসা ক্যান্সারের পর্যায়, রোগীর বয়স এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উপর নির্ভর করে। প্রধান চিকিৎসা পদ্ধতিগুলি হলো:
সার্জারি: প্রাথমিক পর্যায়ে জরায়ুমুখের অস্বাভাবিক কোষ বা জরায়ুর অংশবিশেষ অপসারণ করা।
রেডিয়েশন থেরাপি: উচ্চ-শক্তির রশ্মি ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষগুলিকে মেরে ফেলা।
কেমোথেরাপি: ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার জন্য ওষুধ ব্যবহার করা।
টার্গেটেড থেরাপি ও ইমিউনোথেরাপি: কিছু নির্দিষ্ট উন্নত ক্ষেত্রে এই ধরনের থেরাপি ব্যবহার করা হয়।
নিজের যত্ন নিন, সচেতন হোন এবং নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আপনার একটি সিদ্ধান্ত আপনার জীবন বাঁচাতে পারে ।

Copy from online.

11/11/2025

🩸 ভ্যারিকোজ ভেইন কী?
পায়ের শিরা ফুলে যাওয়া, মোচড়ানো বা কালচে হয়ে যাওয়াই ভ্যারিকোজ ভেইন। এটি সাধারণত তখন হয় যখন শিরার ভাল্ভ দুর্বল হয়ে যায় এবং রক্ত সঠিকভাবে উপরে উঠতে পারে না।

💢 লক্ষণসমূহ:

পায়ের শিরা ফোলা ও বেঁকে যাওয়া

ভারী বা ব্যথাযুক্ত অনুভূতি

পায়ে ফোলা, চুলকানি বা জ্বালাপোড়া

রাতে খিঁচুনি

ত্বকের রঙ পরিবর্তন বা ক্ষত

💉 চিকিৎসা:
✅ লেজার ট্রিটমেন্ট (Laser Treatment):
আধুনিক, ব্যথাহীন ও নিরাপদ পদ্ধতি
কোন কাটাছেঁড়া নেই 🔥
দ্রুত আরোগ্য লাভ 💫
একই দিনে বাড়ি ফেরা সম্ভব 🏠

🌿 অন্যান্য চিকিৎসা:

স্ক্লেরোথেরাপি

রেডিওফ্রিকোয়েন্সি অ্যাব্লেশন (RFA)

কমপ্রেশন থেরাপি

💪 প্রতিরোধ:

দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা এড়িয়ে চলুন

নিয়মিত ব্যায়াম করুন

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন

পা উঁচু করে বিশ্রাম নিন

👨‍⚕️ চিকিৎসা নিন একজন অভিজ্ঞ ভাসকুলার সার্জনের পরামর্শে।
ভ্যারিকোজ ভেইনের আধুনিক চিকিৎসা এখন বাংলাদেশেই সম্ভব! 🇧🇩

ডা: রকিবুল হাসান অপু
চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক
ভাস্কুলার সার্জারি বিভাগ
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমউ)
সাবেক (পিজি) হাসপাতাল
ঢাকা

08/11/2025
“Fibroid Uterus (জরায়ুর ফাইব্রয়েড)” মহিলাদের মধ্যে খুবই সাধারণ একটি অক্ষতিকর (non-cancerous) টিউমার। এটি জরায়ুর পেশির...
05/11/2025

“Fibroid Uterus (জরায়ুর ফাইব্রয়েড)” মহিলাদের মধ্যে খুবই সাধারণ একটি অক্ষতিকর (non-cancerous) টিউমার। এটি জরায়ুর পেশির কোষ (smooth muscle) থেকে তৈরি হয় এবং আকারে ছোট মটর দানার মতো থেকে বড় বলের মতো পর্যন্ত হতে পারে।

👉 চলুন আজ আপনাদের “Fibroid Uterus (জরায়ুর ফাইব্রয়েড)” সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো-

🫧 Fibroid কী?

Fibroid (Leiomyoma / Myoma) হলো জরায়ুর ভেতরের বা বাইরের পেশির স্তরে তৈরি হওয়া শক্ত গাঁট বা গোটা।
এটি Cancer নয়, তবে অনেক সময় বড় আকারের হলে বিভিন্ন উপসর্গ ও জটিলতা তৈরি করে।

♉ ফাইব্রয়েডের ধরন (Types of Fibroid):

১️.Intramural fibroid:
➡️ জরায়ুর পেশির ভেতরে তৈরি হয় (সবচেয়ে সাধারণ)।

২️. Subserosal fibroid:
➡️ জরায়ুর বাইরের দিকে বেড়ে ওঠে।

৩️.Submucosal fibroid:
➡️ জরায়ুর ভেতরের আস্তরণের নিচে হয়, মাসিকের রক্তপাত বাড়ায়।

৪️.Pedunculated fibroid:
➡️ ডাঁটা-যুক্ত ফাইব্রয়েড, ঝুলে থাকতে পারে (মাঝে মাঝে ব্যথা সৃষ্টি করে)।

⚠️ ফাইব্রয়েড হওয়ার কারণ:

1. হরমোনজনিত প্রভাব (Estrogen ও Progesterone).

2. পরিবারে ফাইব্রয়েডের ইতিহাস।

3. স্থূলতা (Obesity).

4. দীর্ঘ সময় মাসিক চলা বা প্রজনন বয়সে দীর্ঘ সময় থাকা।

5. বাচ্চা না হওয়া বা দেরিতে সন্তান জন্ম দেওয়া।

6. বেশি সময় ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণ ওষুধ (Hormonal contraceptives) খাওয়া।

🚺 লক্ষণ (Symptoms):

অনেক সময় কোনো লক্ষণ থাকে না।
তবে যখন ফাইব্রয়েড বড় হয়, তখন দেখা যায়।

1. অতিরিক্ত মাসিক রক্তপাত (Menorrhagia).

2. মাসিকের সময় দীর্ঘস্থায়ী রক্তপাত।

3. পেটের নিচে ভারী ভাব বা ব্যথা।

4. প্রচুর প্রস্রাব হওয়া – ফাইব্রয়েড মূত্রথলিতে চাপ দেয়।

5. কোষ্ঠকাঠিন্য – অন্ত্রে চাপ পড়ে।

6. পেটে ফুলে থাকা বা গর্ভাবস্থার মতো লাগা।

7. বাঁজা সমস্যা বা গর্ভপাতের ঝুঁকি বৃদ্ধি।

🛄 নির্ণয় (Diagnosis):

1. Ultrasound (USG) – সবচেয়ে সাধারণ ও কার্যকর পরীক্ষা।

2. MRI / CT Scan – বিস্তারিত আকার ও অবস্থান জানতে।

3. USG for TVS– প্রয়োজন হলে দেখা যায় ভেতর থেকে।

💊 চিকিৎসা (Treatment):

চিকিৎসা নির্ভর করে বয়স, উপসর্গ ও ফাইব্রয়েডের আকারের উপর।

🔹 ১️.ওষুধে চিকিৎসা (Medical Treatment):

হালকা ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ঃ

👉 GnRH agonists (যেমন Leuprolide) → হরমোন কমিয়ে ফাইব্রয়েড ছোট করে।

👉 Tranexamic acid / NSAIDs → রক্তপাত কমায়।

👉 Oral contraceptive pills → হরমোন নিয়ন্ত্রণে রাখে।

⚠️ এসব ওষুধে ফাইব্রয়েড পুরোপুরি যায় না, শুধু সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ হয়।

🔹 ২️. সার্জিক্যাল চিকিৎসা (Surgical Treatment):

1. Myomectomy:
– শুধু ফাইব্রয়েড অপসারণ করা হয় (যাদের ভবিষ্যতে সন্তান নেওয়ার ইচ্ছা আছে)

2. Hysterectomy:
– জরায়ু পুরোপুরি কেটে ফেলা হয় (যাদের আর সন্তান নেওয়ার প্রয়োজন নেই বা ফাইব্রয়েড বড়)।

3. Uterine Artery Embolization (UAE):
– ফাইব্রয়েডে রক্তপ্রবাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়, ফলে এটি ছোট হয়ে যায়।

🏘️ ঘরোয়া যত্ন (Home & Lifestyle Remedies):

👉 যদিও ঘরোয়া উপায়ে ফাইব্রয়েড পুরোপুরি সারে না, তবে উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে:

1. ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার (সবজি, ফল, ওটস)।

2. পর্যাপ্ত পানি পান।

3. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।

4. চর্বি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কমানো।

5. গ্রিন টি – কিছু গবেষণায় দেখা গেছে এটি হরমোন ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

🧍‍♀️যে সকল জটিলতা হতে পারে:

👉 রক্তাল্পতা (Anemia).

👉 বন্ধ্যাত্ব বা গর্ভপাত।

👉 গর্ভাবস্থায় জটিলতা (Preterm labor, abnormal position of baby).

👉 পেটের ব্যথা ও মানসিক অস্বস্তি।

💬 সচেতনতা বার্তা:

“মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত হচ্ছে?
পেট সবসময় ভারী লাগে বা ফুলে আছে মনে হয়?” 🤔

এগুলো হতে পারে Fibroid Uterus এর লক্ষণ।

🔹 এটি ক্যান্সার নয়, তবে উপেক্ষা করলে বড় হতে পারে।
🔹 সময়মতো USG করে চিকিৎসা নিন।
🔹 নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসে ফাইব্রয়েড নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
সংগৃহীত

29/10/2025
24/10/2025

Address

39/1, B. B Avenue , K. B BAZAR SHOPING COMPLEX
Dhaka
1000

Telephone

+8801992010750

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AIMS Healthcare posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to AIMS Healthcare:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram