HealthMart24

HealthMart24 Healthmart24.com is an online medicine store with innovative ideas. Online Medicine Store in Bangladesh

22/04/2020

২২শে এপ্রিল, গত ২৪ ঘন্টায়
৩০৯৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে,
নতুন আক্রান্ত: ৩৯০ জন,
মৃত্যুবরন করেছেন ১০ জন,
সুস্থ হয়েছেন ৫ জন।

Getting bored at home? Solve this problem.
12/04/2020

Getting bored at home? Solve this problem.

দলে দলে যোগদান করে দুই জাহানের নেকি হাসিল করুন।
05/04/2020

দলে দলে যোগদান করে দুই জাহানের নেকি হাসিল করুন।

31/03/2020

#আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে যেই কাজে যে ব্যক্তির প্রয়োজন সেখানে তিনি নাই। তিনি আছেন অন্য সেক্টর এ। এই ছাড়া আমি আর কোন সমস্যা দেখি না।
ঢাকার বাহিরে বিভাগীয় শহরগুলোতে করোনা ভাইরাস এর টেস্ট করার ব্যবস্থা গ্রহণ করে হয়েছে। শুধুমাত্র কয়েকদিন এর ট্রেনিং দিয়ে এই টেস্ট এর জন্য জনবল প্রস্তুত করা হচ্ছে। কিন্তু বিষয়টা এতটা সহজ না। কিছু সামান্য ভুল ওই ব্যক্তি এবং দেশকে খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে ফেলতে পারে। RT-PCR করার জন্য আসলে যোগ্য Molecular Biologist এর প্রয়োজন।
নীচের ব্যাখ্যাটা আপনাকে এই টেস্ট এর বিষয়গুলো বুঝতে সাহায্য করবে।তাই টেস্ট এর ক্ষেত্রে যোগ্য ব্যাক্তির যুক্ত থাকা প্রয়োজন।

#এত নেগেটিভ রেজাল্টের পিছনে কারণ কি?

ডায়াগনস্টিক সায়েন্সে False Negative এবং False Positive রেজাল্ট বলে দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ বিষয় বিদ্যমান। আপনার শরীরে কোন রোগ জীবাণু বা রোগের উপস্থিতি বিদ্যমান কিন্তু সেটা নির্ণয় না করতে পারা হচ্ছে False Negative, আর আপনার শরীরে কোন রোগ জীবাণু বা রোগের উপস্থিতি নেই কিন্তু সেটার উপস্থিতি দেখানো হচ্ছে False Positive. তার বাইরে আরো দুটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হচ্ছে Sensitivity এবং Specificity। Sensitivity-র মাধ্যমে মূলত কত কম পরিমাণ রোগের উপাদান পজেটিভ রেজাল্ট প্ৰদৰ্শন করবে তা বুঝায়, আর আপনি কত সঠিকভাবে রোগটি নির্ণয় করবেন সেটা হচ্ছে Specificity। এ সকল নির্ণায়ক বিবেচনায় নিলে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি যাচাইয়ে RT-PCR-ই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সঠিক পদ্বতি। তার বাইরে এন্টিজেন-এন্টিবডি ভিত্তিক যে পদ্বতিগুলো আছে সেগুলো প্রচুর ভুল রেজাল্ট তৈরী করে বিধায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ে সেগুলো ব্যবহৃত হচ্ছেনা (যেমন গণস্বাস্থ্যের প্রস্তাবিত পদ্বতি; তবে করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে কি পরিমাণ বিস্তার লাভ করেছিল কিছুদিন পরে সেটা জানতে সহায়তা করবে)।

আপনি যদি সকল ধাপ সঠিকভাবে সম্পাদন করেন তবে RT-PCR প্রক্রিয়ায় আপনি সঠিকভাবে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি নির্ণয় করতে পারবেন। প্রাথমিক উপসর্গ নিয়ে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি নির্ণয়ে প্রতি তিনটি টেস্টের বিপরীতে একটি পজেটিভ রেজাল্ট পাচ্ছে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য। অন্যদিকে পুরো আমেরিকায় প্রতি পাঁচটি টেস্টের বিপরীতে একটি পজেটিভ রেজাল্ট আসছে। করোনা আক্রান্ত অন্যান্য দেশেও একই পরিসংখ্যান। কিন্তু বাংলাদেশে আমরা কি দেখছি!!!!! এখন পর্যন্ত IEDCR টেস্ট করেছে প্রায় ১২০০ জন সন্দেহজনক রোগীর নমুনা, আর পজেটিভ রেজাল্ট পেয়েছে কেবল ৪৯ টি। প্রতি ২৪ জনে কেবল একটি। করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা থেকে এখন দেখছি তার উপস্থিতি নির্ণয় পর্যন্ত চলছে লুকোচুরি । সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন উঠতে পারে তারা সঠিকভাবে টেস্টটি সম্পাদন করছে কিনা।

নিউইয়র্কে প্রতি ৩ জনে ১ টি, পুরো আমেরিকায় ৫ জনে ১ টি আর বাংলাদেশে প্রতি ২৪ জনে ১ টি পজেটিভ টেস্ট!!!!!!!! নিশ্চয় প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা এবং দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠা উচিত। নিন্দুকেরা অবশ্য মীরজাদীর লুকোচুরির বিষয়টি সামনে নিয়ে আসবে!!!!! আমি সেদিকে না গিয়ে বৈজ্ঞানিকভাবে কিভাবে নেগেটিভ রেজাল্ট আসতে পারে তা তুলে ধরব। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বা ল্যাবরেটরিতে যারা করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি নির্ণয় করতে চান তাদের কাজে লাগবে।
১. যেহেতু টেস্টের শুরুতেই আপনাকে ভাইরাসের RNA আলাদা করতে হবে এবং RNA গুলো খুবই সংবেদনশীল, সুতরাং আপনাকে খুবই সতর্ক থাকতে হবে যেন RNA নষ্ট না হয়ে যায়। মনে রাখবেন RAase এনজাইমের উপস্থিতি সর্বত্র। ক্ষনিকের ভূলে False Negative রেজাল্ট আসতে পারে।
২. Control, Control এবং Control. প্রথমত আপনাকে extraction control হিসেবে করোনা ভাইরাসের RNA আপনার নমুনার সাথে সমান্তরাল রেখে নিশ্চিত করতে হবে যে আপনার RNA আলাদাকরণ পদ্বতি সঠিকভাবে হয়েছে। বাংলাদেশে কীটের সাথে 'করোনা ভাইরাসের RNA' দিবে কিনা আমি নিশ্চিত নই। আপনার দেয়া ভাইরাসের RNA যদি আলাদা করতে না পারেন তাহলে ধরে নিবেন আপনার নমুনার RNA -ও আলাদা হয়নি। ফলশ্রুতিতে False Negative রেজাল্ট আসতে বাধ্য। আমার ধারণা বাংলাদেশে সেটাই হচ্ছে।
৩. Positive control হিসেবে করোনা ভাইরাসের DNA-বাহী plasmid নিন। এটা কীটের সাথে থাকতে পারে। করোনা ভাইরাসের DNA-বাহী plasmid PCR-সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা সেটা বলে দিবে।
৪. Reverse Transcriptase এনজাইম সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা সেটা জানার জন্য human -এর কোন অত্যাবশকীয় জিনের (gyrase অথবা RNA polymerase) একটি Control রাখুন।
৫. কমপক্ষে দুইটি Negative control রাখুন। Negative extraction control অবশ্যই রাখবেন।
৬. নিম্ন মানের টেস্ট কিটে False Negative রেজাল্ট আসতে পারে। চাইনিজ kit ব্যবহার না করাই ভালো।
৭. টেস্ট রিএজেন্ট বার বার ফ্রিজ থেকে বের করবেন না। বার বার Freeze-thaw টেস্ট কিটের কার্যকারিতা বিনষ্ট করে। False Negative রেজাল্টের সেটাও একটা কারণ।
৮. টেস্ট করার সময় RNA নিয়ে কাজ করার পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে এমন Microbiologist, Molecular Biologist, Biotechnologist কিংবা Biochemist সুপারভাইজার হিসেবে রাখুন।
৯. নিজেরা primer ডিজাইন করলে N প্রোটিনের জিনকে টার্গেট করুন। অন্যান্য জিনে মিউটেশনের হার খুব বেশি।
১০. প্রতিটি নমুনার একসাথে কমপক্ষে দুটি পরীক্ষা (duplicate ) করুন ।
(সংগৃহীত)

26/03/2020

বাসায় থাকেন, নিরাপদ থাকেন।

7 Steps to prevent the spread of COVID-19.Please share this post and save many lives with your responsibility.    -19   ...
20/03/2020

7 Steps to prevent the spread of COVID-19.
Please share this post and save many lives with your responsibility.

-19

Worth sharing
20/03/2020

Worth sharing

সচেতনতাই প্রথম।
09/03/2020

সচেতনতাই প্রথম।

04/03/2020

ইউনিসেফ বলেছে!

🎯করোনা মোটামুটি বড়সড় একটি ভাইরাস। তবুও খালি চোখে দেখা যাবে না, ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ লাগবে এটাকে দেখতে!

🎯এর আকারের কারনে বাজারে পাওয়া যায় এমন মাস্ক এটাকে প্রতিরোধ করতে স্বক্ষম হবে।

🎯যেহেতু এই ভাইরাসটি বাতাসে নয়, মাটিতে অবস্থান করে, তাই এটা বাতাসে ছড়ায় না।

🎯কোন ধাতব তলে বা বস্তুতে করোনা পড়লে প্রায় ১২ ঘন্টা জীবীত থাকতে পারে। তাই সাবান দিয়ে হাত ধুলেই যথেষ্ট হবে।

🎯কাপড়ে এই ভাইরাসটি প্রায় ৯ ঘন্টা জীবীত থাকতে পারে। তাই, কাপড় ধুয়ে নিলে বা রোদে ২ ঘন্টা থাকলে এটি মারা যাবে।

🎯হাতে বা ত্বকে এই ভাইরাসটি ১০ মিনিটের মতো জীবীত থাকতে পারে। তাই, এলকোহল মিশ্রিত জীবানু নাশক হাতে মেখে নিলেই জীবানুটি মারা যাবে।

🎯করোনা গরম আবহাওয়ায় বাঁচে না। ৭০ সেলসিয়াস তাপমাত্রা এটিকে মারতে পারে। কাজেই, ভাল না লাগলেও এখন বেশি বেশি গরম পানি পান করবেন, আইসক্রিম থেকে দূরত্ব বজায় রাখবেন।

🎯লবন মিশ্রিত গরম পানি দিয়ে গারগল করলে গলার মিউকাস পরিষ্কার হবার সাথে সাথে টনসিলের জীবানুসহ করোনাও দূর হবে, ফুসফুসে সংক্রমিত হবে না।

🎯আর, নাকে-মুখে আঙ্গুল বা হাত দেবার অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। কারন, মানব শরীরে জীবানু প্রবেশের সদর দরজা হলো নাক-মুখ-চোখ!

ধন্যবাদ!

Address

Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HealthMart24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram