ABC.BD

ABC.BD VOLUNTARY ORGANIZATION TO INCREASE PUBLIC AWARENESS.

“জেগে ওঠো বাংলাদেশ”
৫ই জানুয়ারি, ২০১৪ একটি ঐতিহাসিক দিন হতে যাচ্ছে। একদিকে গণতন্ত্রের কবর রচনা করে একতরফা নির্বাচন, একই সাথে Alliance of Bangladesh Citizens (ABC) এর যাত্রা শুরু। দুর্নীতি এবং হিংসামুক্ত একটি সমাজ ও দেশ এখন সময়ের দাবি। এই লক্ষেই আমরা নতুন প্রজন্মকে সাথে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চাই। আপনাদের সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ আগামি দিনকে সুন্দর করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

22/12/2017

অনেক দিন থেকেই একটা লিখা লিখব ভাবছি, আলসেমি করছি। এই ছোট্ট জীবনে পৃথীবির বেশ কিছু দেশে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছে যেগুলো আমাদের চেয়ে অনেক অনেক উন্যত। পাশের দেশ ভারতে যাওয়া হয় নি, কিন্তু বন্ধু বান্ধব্দের মাঝে অনেকেই গিয়েছে সেখানে।
এই সবগুলো দেশে একটা ব্যাপারে মিল খুঁজে পেয়েছি, আর তা হল, এরা প্রত্যেকে উন্নয়ন এর আগে তাদের দেশবাসির মাঝে জাতিগত কিছু মাইন্ড সেট এনে দিয়েছে। ব্যাপারটা এমন যে, "আমরা উন্নত হতে যাচ্ছি, সভ্য হতে যাচ্ছি, তাই এখন থেকে উন্নত ও সভ্য হয়ে চলাফেরা করতে হবে"। যেটা আমাদের দেশে কারও মাথায় কোনদিন আসেই নাই!!! জাগ্রত করা তো দূরে থাক।
অনেক দিন ধরেই ভাবছি, কেন আমাদের শহরগুলোর এই দুরবস্থা? কেন মানুষ যেখান সেখান দিয়ে ফ্রুত করে দৌড় দেয় রাস্তা পার হবার সময়? কেন যেখানে সেখানে ময়লা ফেলে সবাই? কাশ, থু থু, পানের পিক, প্রস্রাব এ ফুটপাথ এ বন্যা, সবাই নাক ঢেকে বিশ হাত ঘুরে যায়, কিন্তু বিকার নেই। চলছে নোংরামি, চলবে। দশ বারজন একসাথে হয়ে ছোট্ট মিছিল বানিয়ে ধীরে ধীরে রাস্তা পার হতে থাকে, ভাবটা এমন যে, পারলে আয়, লাগিয়ে দেখ!!! তোর গাড়ী এখানেই জ্বালিয়ে রেখে দেব!!! বাদ্ধ হয়ে গাড়ী ওয়ালা রা হয় থেমে যায়, অথবা ঘুরে যায়। মিছিলের ওপর গাড়ী চালানোর দায় কে ঘাড়ে নেবে? যদিও এ মিছিলের কেউই হয়ত রাজনীতি করে না। কিছু আসেও না তাতে। তারা রাস্তা জয় করে ফেলেছে। রাস্তা পার হবার পর এরা কেউ কাউকে চেনে না, যে যার মত আলাদা হয়ে যায়। অথচ ঠিক তাদের মাথার ওপরই রয়েছে কোটি কোটি টাকার ফুট ওভার ব্রীজ!!! কেউ বলার নেই!!??? কিচ্ছু বলার নেই?!!!
যাচ্ছি বাসের পেছন পেছন, বলা নেই কওয়া নেই, হঠাত করে মধ্য রাস্তায় ব্রেক। কোনরকমে বাইক নিয়ন্ত্রনে এনে বাসের পাশে যাই দেখার জন্য, কি এমন হল? দেখি আয়েশ করে দুজন নামছে! এ কী!!! বাস স্টপ কোথায় আর এরা নামে কোথায়?!! কেউ বলার নেই, কিচ্ছু বলার নেই!!!
এই আমরাই কেন বিদেশে গেলে বাস স্টপ এ নামি? কেন রাস্তা পার হবার জন্য লাইট জ্বল্যে পার হই? কেন মাঝরাতে নির্জন রাস্তায় লাল লাইটে থেমে যাই? কেন ডাস্টবিন ছাড়া ময়লা ফেলি না?
আমরা কিছু হলেই সরকারের দোষ দেই। কথায় কথায় আঙুল তুলে ফেলি। কিন্তু ভুলটা কোথায়? দোষটা কার? সিস্টেম এর না, কারন সিস্টেম আছে, ইম্পলিমেন্টশন নাই। কিন্তু সোর্স কোথায় এই ভাইরাসের? হ্যা, অসভ্যতাকে আমি ভাইরাস বলছি। কারন এক অসভ্য রাস্তায় মোতে, আরেক অসভ্য কিছু না বলে নাক ঢেকে ঘুরে যায়। অবশ্যই অসভ্যতা একটি ভাইরাস। কিন্তু এর জন্ম কোথায় আর কোথায় এর ভ্যাক্সিন?
বহুদিন ধরে মনে মনে খুঁজে চলেছি অসভ্যতার সোর্স। গিয়েছি দাদা বাড়ী। সেই পাবনা জেলার সুজানগর থানা। এখন কি অবস্থা বলতে পারব না, কিন্তু তখন রাস্তা বেশ ভাল ছিল সুজানগর থেকে পাবনা যাওয়ার রাস্তা। ১৯ কিলো, দশ মিনিট পরপর বাস আছে। সাধারণত একেক বাজারে একেক স্টপেজ, প্রত্যেকটি বাজারে বিশাল একেক জটলা। ৪০০-৫০০ ফিটের মধ্যে বাজারের মুখ, সেখানেই ট্রাক, বাস, ভ্যান, রিক্সা, মাছ, মুরগি, হুরাহুরি পারাপারি, সব সেই ৪০০-৫০০ ফিটের মদ্ধ্যেই। এটুক পার হতে আধা ঘণ্টা, আবার পরের বাজারে একই চিত্র। ১৯ কিলো যেতে আধা বেলা শেষ!!! শুধু তাই না, বাজার পার হওয়ার পর গাড়ী বেশ দ্রুত যাচ্ছে, হঠাত ব্রেক! উতসুক হয়ে সামনে তাকালাম, একজন নেমে গেল। আবার বাস যাচ্ছে, হঠাত ব্রেক। একজন হাত উঠিয়েছে। তাকে উঠানো হল। আমার প্রচন্ড মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। কন্ট্রাক্টর কে ডাকলাম। জিজ্ঞেস করায় ও বলল, প্রথমে যিনি নামলেন, তিনি ঐ গ্রামের মেম্বার, পরে যিনি উঠলেন, তিনি প্রাইমারী স্কুলের হেড মাষ্টার। উনাদের জন্য না থামালে সমস্যা আছে। আর টনাত করে আমার মাথায় খেলে গেল, পেয়েছি ভাইরাসের সোর্স!!!
"আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্যে"....
ভ্যাক্সিন ও পেয়ে গিয়েছি। পরে লিখব।

26/05/2017

বেশ কিছুদিন আগে কোথাও শুনেছিলাম, "দৃষ্টিভংগি বদলান, জীবন বদলে যাবে"। কথাটা খুব ভাল লেগেছিল। কিন্তু কি বা কোনটা বদলাতে হবে তা যদি আমরা না জানি তাহলে অবস্থাটা হবে অনেকটা পেটের ব্যাথা নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলে যদি উনি হাটুর ব্যাথার চিকিৎসা করে দেন, তার মত।

প্রথম প্রথম যখন বিদেশ থেকে আসলাম, অনেক বার আমি পানির বোতল শেষ করে খালি বোতল নিয়ে ঘুরতাম, কারন ডাস্টবিন পেতাম না। বন্ধুরা হাসত। বলত, আরে ফেলত। ওসব এখানে চলে না। বাদ্ধ হয়ে পরে রাস্তায় যে কোন জায়গায় ফেলে দিতাম, কিন্তু মনের কোনে থেকে যেত অপরাধবোধটা।

তারপর আবার যখন বিদেশে যেতাম, তখন খালি বোতল হাতে নিয়ে ভাবতাম দেশের কথা। ওখানে চাইলেও যেখানে সেখানে ফেলতে পারতাম না, আসলে প্রয়জন হত না, কারন প্রতিটি মোড়ে মোড়ে ময়লার বিন, দোকানের সামনে, বাসার সামনে, পার্ক গুলোয় প্রতি ২০-২৫ ফিট পর পর ডাস্টবিন। এমনকি ওখানে নিজেদের গাড়ির মদ্ধে পর্যন্ত ছোট একটা ডাস্টবিন রাখে ওরা।
যানজট এর কারনে দেশে এসে একটা মোটর বাইক কিনলাম। তাও সেই ২০১১ সনের কথা। প্রথম প্রথম কেউ সাইড চাইলে সাইড দিয়ে দিতাম। পরে দেখলাম, আমাকে কেউ সাইড দেয় না। আমার বাইকে যারা উঠত তারা বলত, আরে ভাই যান তো। এর মাঝেই নিজের জায়গা ঠেলে গুতিয়ে করে নিতে হবে। ধীরে ধীরে জোড় করে নিজের অভ্যেস পরিবর্তন করলাম, নিজের জায়গা কাউকে ছাড়ব না। পারলে সামনের চাকা ঠেলে দিয়ে আরেকজনকে ঠেকিয়ে রাখা শুরু করলাম। একদম পাকা পোক্ত বাঙালি।
এর পর আবার যখন বিদেশে গেলাম, চাইলেও আরেকজনকে আটকাতে পারতাম না, কারন যাকে আটকানোর কথা ভাবছিলাম, সে গাড়ি থামিয়ে আমাকে ইশারা করছে আগে যাবার জন্য। অবচেতন মন থেকেই আমিও সুযোগ পেলেই থেমে আরেকজনকে আগে যেতে দেয়া শুরু করলাম।

কোন এক কারনে একদিন বাইক ছাড়া বের হয়েছি ঢাকায়। বাসের জন্য অপেক্ষা করছি ফুটপাথে। বাস ও এলো, কিন্তু আমার আর তাতে চড়া হল না। কারন আমি ফুটপাথে আর বাস মদ্ধ রাস্তায়। কারন যারা বাসের জন্য অপেক্ষা করছিল, তারা রাস্তার অর্ধেক দখল করে রেখেছে। বাসের সম্ভব হল না ফুটপাথ পর্যন্ত ভেড়ানো। বাস যখন এলো, তখন অনেকটা সেই বাইকের মত, কে কার আগে যাবে, হাত দিয়ে ঠেলে, কেনু দিয়ে গুঁতো মেরে যে যেভাবে পারল নিজের জায়গা করে নিল বাসে। প্রায় এক ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকার পর আমার সাথে থাকা চাচাত ভাই বলল, ভাই এটাই আমাদের দেশ, এখানে এভাবেই করতে হবে, তা না হলে আজ সারাদিন এখানেই দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। তাই আমিও নেমে গেলাম রাস্তায়। বাসের অপেক্ষা। এলো বাস, মারো ধাক্কা, খাটাও জোড়, দু তিন জনকে ঠেলে সরিয়ে বীরের মত উঠে গেলাম বাস এ। কিন্তু ভেতরে ভেতরে ধিক্কার দিতে থাকলাম নিজেকে।

এর বেশ কিছুদিন পর বাসের জন্য দাঁড়িয়ে আছি আমেরিকার কানেকটিকাটের স্ট্যামফোর্ড এ। কেউ রাস্তায় দাঁড়িয়ে নেই, সবাই ফুটপাথে। আমার সাথে আরও ৫-৬ জন বিদেশী দাঁড়িয়ে। সবাই এক লাইনে দাঁড়ানো, আমি লাইনে ২ নং সিরিয়ালে। সামনে দাঁড়ানো মদ্ধ্য বয়স্ক এক সাদা লোক। লাইনের সবার পেছনে এক গর্ভবতি যুবতি এসে দাঁড়াল। আমার সামনের লোকটা আমাকে জিজ্ঞেস করলেন ইংরেজীতে, মেয়েটিকে আমাদের সামনে নিয়ে এলে কি তোমার কোন আপত্তি আছে? আমি বললাম, না, আমার কোন আপত্তি নেই। তিনি মেয়েটিকে ইশারা করে লাইনে সবার সামনে ডাকলেন। মেয়েটি লাইনের সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সামনে গিয়ে দাড়াল। বাস এলে আমাদের সবারই তাতে জায়গা হয়ে গেল। কোন হাতাহাতি নেই, গুঁতো মারা নেই, ঠেলাঠেলি নেই।

আমাদের যদি সত্যি আমাদের দেশটাকে এগিয়ে নিতে হয়, তাহলে সবার আগে আমাদের পাশের মানুষ গুলিকে আগে যেতে দিতে হবে। তাহলে আরেকজন আপনাকে আগে যেতে দিবেন। আসুন, আমরা এবার আগে নিজে না গিয়ে, অন্য কাউকে আগে যেতে দেই।

16/03/2014

our member omik saved a baby's mom's life by giving O+ blood at sohrawardi hospital. thanks to him and we are so proud that our blood donation is going so well. জেগে ওঠো বাংলাদেশ।।।

14/03/2014

today our founding members Imran and Rabeya saved another life by arranging AB+ group of blood. জেগে ওঠো বাংলাদেশ।

14/03/2014

আজ আমাদের মেম্বার ইমরান ও রাবেয়া জিবন বাচালেন আরো একজন অসহায় রোগির AB+ রক্তের যোগান দিয়ে। জেগে ওঠো বাংলাদেশ....

13/03/2014

our meeting is on tomorrow at 5 pm. please let everyone know about it.

09/03/2014

আজো ABC এর ফাউন্ডিং মেম্বার সাইদুর রহমান মতিন ল্যাব এইড হাস্পাতাল এ একজন রোগির জিবন বাচালেন নিজের রক্ত দিয়ে। গত ৫ তারিখ আমাদের আরেকজন মেম্বার রাশেদ বারডেম হাস্পাতালে রক্ত দিয়েছেন। এভাবেই ABC ণী:সারথ ভাবে অসহায় মানুসদের পাশে দারাচ্ছে প্রতিদিন। আসুন, ABC টে জোগ দিন, আমাদের হাতকে আরো শক্তিসালি করুন।

07/03/2014

dear members and friends, we need to have a meeting about the activities of 26th march. please let us know when can we have it. some of us want to have meeting on next Friday the 13th. so, please like or comment...

02/03/2014

We made a plan about Shyamoli area and will soon start our traffic control works there. just need a few more members and teams before we get to work. soon we will post the current pictures here on our page.

28/02/2014

today our members donated O+ blood to a little child in High Tech Hospital in mirpur, Dhaka. thanks to Rabeya and Imran for their effort. hats off to the donor and saving a child's life. this is what ABC does, working for the people and by the people.

24/02/2014

প্রতি বছর শ্বাস্থ খাতে সরকারের বাজেট ৬৫ হাজার কোটি টাকা! যা দিয়ে প্রতিটি থানায় স্কয়ার মানের একটি করে হাস্পাতাল করা সম্ভব। কোথায় যায় এই টাকা? কে বাঁচাবে আমার দেশের লক্ষ কোটি মানুষ কে? এই দাইত্য এখন আমাদেরি নিতে হবে....

Address

Dhaka
1207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ABC.BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ABC.BD:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram