Dr. Md. Ibrahim Khalil

Dr. Md. Ibrahim Khalil নিঃসন্তান দম্পতি ও শারীরিক দূর্বলতা ?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেচাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট) আসনে পীর সাহেব চরমোনাই মনোনীত ইসলামী আন্দোলন ...
20/10/2025

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২
(নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট)
আসনে পীর সাহেব চরমোনাই মনোনীত
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর
জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী
ডাঃ মোঃ ইব্রাহিম খলিল-কে
হাতপাখা প্রতীকে ভোট দিন।

26/05/2022

সিলেটে বন্যাদুর্গতদের পাশে...

সিলেটে এমন বন্যা হবে কল্পনাও করিনি। পুরো সিলেট পানির নিচে। মানুষ দিশেহারা। আর্তমানবতার সেবায়ে গিয়েছিলাম জরুরী চিকিৎসা সেবা ও কিছু নগদ অর্থ নিয়ে। নিজে এক কোমর পানিতে নেমে কাজ করে দেখে আসলাম অসহনীয় দুর্দশা। অনেকেই ত্রাণ নিয়ে গেছেন, ছুটে চলেছেন বিপর্যস্ত মানবতার পাশে। কেউ নিজ অর্থায়নে, কেউ কালেকশন করে, কেউ অনলাইন অফলাইনে বিভিন্নভাবে কালেকশন করে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন সকলে।

এটা দেশপ্রেমিক ঈমানদারের দায়িত্ব, ভাইয়ের বিপদে ভাই এগিয়ে যাবে এটাই তো ইসলামের শিক্ষা। আমরা রোহিঙ্গাদের বিপদের সময় যেমন ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম, তাদের বুঝতে দেইনি তাদের থাকা খাওয়ার অভাব হবেনা, ঠিক তেমনি সিলেটি ভাইয়েরা বিত্তশালী হলেও এই বন্যার কঠিন বিপর্যায়ের সময় বুঝতে দেইনি, আমরাও যার যার অবস্থান হতে চেষ্টা করেছি সাধ্যমত তাদের পাশে থাকার!

বেশ কয়েকজন মানুষের সাথে আলাপ করে জানলাম, কেউ কোন ত্রাণই পায়নি এখনো, কেউ একবার পেয়েছে, কেউ এমনসব এলাকা আছে যেখানে কেউ যাবার চিন্তাও করেনি, চিকিৎসা সেবা নিয়ে কেউ যায়নিই আলাপ করে যা জানলাম। বন্যাদুর্গত এলাকায় কি কি রোগ হতে পারে, বন্যা নেমে গেলে কি কি রোগের প্রকোপ দেখা দিতে পারে, এমন অবস্থা বিবেচনা করেই কিছু জরুরী ঔষধ নিয়ে গিয়েছিলাম। খাবার স্যালাইন, জ্বর, সর্দি, কাশি, মাথাব্যাথা, ডায়রিয়া, আমাশয়, বদহজম, গ্যাস্ট্রিক, দুর্বলতা সহ জরুরী আরো কিছু ঔষধ।

এক বৃদ্ধ মহিলার কেউ নেই, ছোট একটা টিনের কুঠরিতে থাকে, চতুর্দিকে পানি, ঘর হতে কেবল পানি নেমেছে, দরজার কাছে পানি, ভাঙ্গা দরজার কাছে দাঁড়িয়ে কাঁপছে, প্রচণ্ড জ্বর, শরীরে সামান্য শক্তি নেয়, খায়নি কয় বেলা আল্লাহ্‌ই জানেন, কপালে হাত দিয়ে দেখি পুড়ে যাচ্ছে শরীর। অবস্থা দেখে যখন ঔষধ দিলাম, হাতে কিছু নগদ অর্থ Mohamamd Abu Sufian দিল, তখন ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো, কিছুক্ষণের জন্য সে থ হয়ে গেল! এই বিপদের সময় ঔষধ! চিন্তাই করতে পারেনি।

বৃদ্ধ মহিলার ঘরের সামনে যেতেই বিকট দূর্গন্ধের কারণে আমারদের এক ভাই বমি করে দিল। আমরা কেউই এসব পরিস্থিতে চলার অভ্যস্ত নই! বন্যার পানি ঘরে থাকার পর যখন পানি নামতে শুরু করে তখন ঘরে এমন দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়।

এরকম অসংখ্য মানুষ বিভিন্ন পরিস্থিতে দিন পার করছেন, একটি ঘটনা বলে উদহারণ দিলাম। পানিবন্দি মানুষ কতটা বিপদে আছে, কাছে থেকে না দেখলে তাদের কষ্টের ব্যাথা অনুধাবন করা যাবেনা।

আমি জীবনে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হইনি, কোমর পর্যন্ত পানিতে নেমে ঘরে ঘরে গিয়ে চিকিৎসা দেওয়া এটা আমার জীবনের প্রথম অভিজ্ঞতা। গুনাহগার বান্দা আমি, এই উছিলায় যদি মালিক ক্ষমা করেন, এই আশা নিয়েই তাদের পাশে গিয়েছি!

Mohamamd Abu Sufian কে ধন্যবাদ, বিপর্যস্ত মানবতার পাশে দাঁড়ানোর জন্য, চেষ্টা করেছে তার জায়গা হতে সাধ্যমত তাদের পাশে দাঁড়াতে। যে মানুষ মানুষের বিপদের সময় পাশে গিয়ে দাঁড়ায় সেই তো প্রকৃত মানুষ! মানুষ মানুষের জন্য, কে কি বলল এসব দেখে কি কারো অগ্রযাত্রা রুখতে পারে? আল্লাহ্‌র রেজামন্দির জন্য যারা কাজ করে, তাদের কেউই কিছু করতে পারেনা। বান্দার জন্য করলে আল্লাহ্‌ তার হয়ে যায়। প্রতিবন্ধকতা বা বিরোধীতা করে কেউ কারো অগ্রযাত্রা রুখতে পারেনা!

সাথে ছিলেন বিশিষ্ট আলেমেদীন Mozzammil Hok Sadi ও শামীম ভাই। ছোটরাও অনেক কষ্ট করেছে, আহনাফ আব্দুল্লাহ ও মাহবুব আল বারী তারাও ভালো ভুমিকা রেখেছে! সবাইকে আল্লাহ্‌ তায়ালা উত্তম প্রতিদান করবেন।

আরো বিস্তারিত লেখার ইচ্ছে ছিল, নিজের শরীরটাও ক্লান্ত, প্রখর রোদের তাপ মাথায়, কোমর পর্যন্ত পানিতে ভিজে এক দুয়ার হতে আরেক দুয়ারে যেতে হয়েছে, শরীরের পোশাক শুকাচ্ছে আবার ভিজছে এমন অবস্থার সম্মুখীন এর আগে না হওয়ায় অনেকটা অসুস্থতা অনুভব করছি!

সিলেটবাসী ভালো থাকুক, দ্রুত এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠুক দোয়া করি অন্তর থেকে। ত্রাণের কাজে সিলেটের যে ভাইয়েরা আন্তরিক সহযোগীতা করেছেন, সারারাত জার্নি করার পর যখন ক্লান্ত, তখন সকাল বেলায় ভিআইপি আপ্যায়ন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তাদের জন্য অন্তর হতে দোয়া রইল।

ভালো থাকুক সিলেট,
ভালো থাকুক আমার দেশ
প্রিয় বাংলাদেশ।

শায়েখে চরমোনাইর ঐতিহাসিক বক্তব্যটিএখনো কর্ণকুহরে ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। শায়েখে চরমোনাইর বিজয় দিবসের ভাষণটি বেশ প্রশংসা...
21/12/2020

শায়েখে চরমোনাইর ঐতিহাসিক বক্তব্যটি
এখনো কর্ণকুহরে ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।

শায়েখে চরমোনাইর বিজয় দিবসের ভাষণটি বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে, পক্ষে বিপক্ষের সকলেই একবাক্যে স্বীকার করেছেন বক্তব্যটি ছিলো একজন দূরদর্শী নেতার মত। বেশ কয়েকটি চ্যানেলে প্রচার করেছে, লক্ষ লক্ষ ভিউ এবং শেয়ার হয়েছে। সময় টিভিতেই 240,473 ভিউ, 2,397 কমেন্ট, 17,610 লাইক হয়েছে।

Abu Bakar Siddique এর ইউটিউব চ্যানেলে 276,397 ভিউ হয়েছে। এরকম কয়েকশ চ্যানেল হতে বক্তব্যটি লক্ষ লক্ষ ভিউ হয়েছে।

সময় টিভির লিংকে সাধারণ মানুষের কমেন্ট দেখে অভিভূত হলাম। আলেম ওলামা বা মাদ্রাসার ছাত্রদের কমেন্টের থেকে সাধারণ মানুষের কমেন্ট ছিলো অনেক বেশী। তারা তাদের মনের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছে, সাধুবাদ জানিয়েছে। আগামীর রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আশাবাদী মত দিয়েছে।

সফল নেতার বৈশিষ্টই হচ্ছে সাধারণ জনগণের মনের ভিতর জায়গা করে নেওয়া। শায়েখে চরমোনাই সেদিন যে যৌক্তিক ও দালীলিক বক্তব্য দিয়েছিলেন তা ইতিহাস হয়ে থাকবে। বিপ্লবী নেতার মামলার কথা শুনে, অল্প সময়ের ব্যবধানে, বিনা প্রচারে, শায়েখে চরমোনাইর ভালোবাসায় লক্ষ লক্ষ মানুষ পঙ্গপালের মত যেভাবে ছুটে এসেছিলো তা স্মরণীয় হয়ে থাকবে বাংলার ইতিহাসে। সেই ভাষণের মোহ এখনো কাটেনি আমার হৃদয় তন্ত্র হতে।

কিছু কমেন্ট শেয়ার করলাম,
যেগুলো সাধারণ জনগণ করেছে।

Mohammad Abid লিখেছেন-
আলহামদুলিল্লাহ, ইসলামের জয় হবে, ইসলামি শাসনতন্ত্র আন্দোলনের বিজয় হবে ইনশাআল্লাহ, সত্যিকারের দেশপ্রেমিক জেগে উঠেছে, আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, মহান আল্লাহর জন্য ফয়জুল করিম শায়েখকে ভালোবাসি।

Mohi Uddin
পুরোটাই কলিজা। হুজুরকে ধরলে দেশে আগুণ লাগবে, সাবধান!

Aj Style
ফয়জুল করিমের ডাকে রাস্তায় যত মানুষের ঢল নামে, তার তিন ভাগের এক ভাগও শেখ হাসিনার ডাকে মানুষ হয়না।

Game Bangla
মুফতি ফয়জুল করিম সাহেবের বক্তব্য সবসময়ই অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়, ধন্যবাদ সময় টিভিকে।

mahadi hassan kutial
ভালোবাসার আরেক নাম ফয়জুল করীম। আমরা আছি আপনার সাথে।

target Roke
আমাদের কলিজা প্রিয় শায়েখ, অন্তর থেকে ভালোবাসি, ইসলামের জন্য প্রিয় বাংলাদেশ, ইসলামি রাজনীতি করার জন্য সাহসী নেতার সাহসী বক্তব্য বাংলার এক মহান নেতা।

Mst Sumi
ফয়জুল করিম সাহেবের বক্তব্যটা শুনে মনটা ভরে গেল, ধন্যবাদ সময় টিভিকে।

Md Rubel
রাজনীতির জন্য ইসলাম ধর্ম ছেড়ে দেবোনা। জীবন দেবো তবু ইসলাম ধর্ম ছাড়বোনা। আমরা পীর সাহেবের সাথে আছি।

M.A mukit
অনেক অনেক মোবারকবাদ সময় টিভিকে, এধারা অব্যাহত থাকলে আমাদের ভালোবাসা অব্যাহত থাকবে। ইনশাআল্লাহ।

Md Mahabub
আমার জীবনে সবচেয়ে ভালো ভিডিও দেখলাম সময় টিভিতে। তাই সময় টিভিকে ধন্যবাদ জানাই।

MD Saiful
কি জ্বালাময়ী, আল্লাহ্‌ হুজুরের হায়াত বাড়িয়ে দিন।

azizul Hakim
এক ঐতিহাসিক ভাষনের সাক্ষী হলাম। আল্লাহু আকবর, ইসলামের জন্য শরীরের তাজা রক্তে রঞ্জিত করতে একবিন্দু দ্বিধা করবনা ইনশাআল্লাহ।

Abir Khan
সময় টিভিকে সত্যিটা তুলে ধরার জন্য অনেক ধন্যবাদ, ফয়জুল করিম সত্যিকারের দেশপ্রেমিক।

ireen chowdhury
সময় টিভি আসলেই অনেক সাহসী ও ইসলামের পক্ষে কাজ করছে এর জন্য সময় টিভি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ, আল্লাহ সময় টিভি কর্তৃপক্ষকে ইসলামের পক্ষে কাজ করার তাওফিক দান করুন-আমিন।

sultan media
আমার জীবনে প্রথম একটা ভিডিও দেখলাম সময় টিভিতে। তাই সময় টিভিকে অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

Hasan Zobaer
শায়েখের ভিতর প্রকৃত দেশপ্রেমের আদর্শ রয়েছে যেটা ছিল আমাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে।

Atik hasan
আমার অনেক ভালো লাগে এই হুজুরের সাহস ও কথাবার্তা দেখে, আল্লাহ হেফাজত করেন৷ আমিন।

Mashiur rahman Mamun
হ্যা আমরা হযরত উমরের অনুসারী, আমরা বীরের জাতি, জেলের ভয় দেখিয়ে লাভ নাই, আমরা বাঁচলে গাজী মরলে শহীদ। এদেশে ইসলামের শত্রুদের জায়গা হবেনা ইনশাআল্লাহ।

Forhad's Canvas
হুজুর এর ভাষণ শুনে শরীরের পশম দাঁড়িয়ে গেল। ইসলামের জন্য জীবন দিতে প্রস্তত।

kajal Arefin Ome
তোমরা ইসলামের পাখি ভয় নেই ১৬ কোটি মুসলমান তোমাদের সাথে আছে।

Tawhidur Rahman
জনসাধারণের হুংকার আর জনস্রোতের পরিমাণ কি বা কেমন তা আওয়াজ শুনে স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে।

Sumon Sumon
মরতে তো একদিন হবেই, আলেমদের ভালোবাসি, আলেমদের কিছু হলে জীবন দিয়ে প্রতিবাদ করে যাব।

Farid Hossain
যাই হোক ফয়জুল করিমের প্রতি ভালোবাসা বাড়লো!! মামুনুল হক তো দমে গেছে!!

Abdus Salam Munna
মাশাআল্লাহ্‌, আলেমদেরকে আল্লাহ জন্য ভালোবাসি, এরা আছে বলেই বাতিলরা ভয়ে থাকে।

Md Mukter
আলহামদুলিল্লাহ্ ৪৬ মিনিট ২৮ সেকেন্ড এর ভাষণ দেখলাম ইউটিউবে, অনেক অজানা তথ্য শুনলাম এই ভাষণের মাধ্যমে, ইতিহাস হয়ে থাকবে এই ভাষণ বাংলার মুসলমানের অন্তরে।

HM SHAKIL
এগিয়ে যান পীর সাহেব, একদিন রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন ইনশাআল্লাহ।

ali hasan
ভাইয়ের গর্জন দেখে কলিজাটা ঠান্ডা হলে গেলো। আগামীদিনে এমন সৎ নেককার ঈমানদার এদেশ পরিচালিত করবে ইনশাআল্লাহ।

NU TanVir
আমাদের দেহে প্রাণ থাকা পযর্ন্ত আমাদের শায়েখকে কেউ একটি টোকাও দিতে পারবে না।

MUKTA AHMED MONI
ধন্যবাদ সময় সংবাদ কে, ইদানীং ভালো কাজ করতেছে, মন থেকে দোয়া করছি আল্লাহ যেন আমার প্রানের বাংলাদেশ কে আরও উন্নত করে দেন, জাজাকাল্লাহ খায়ের, প্রিয় শায়েখ এগিয়ে যান।

Muhibur Rahman
চরমোনাই হুজুরের এই কথাগুলি শুনে অনেক উজ্জীবিত হই, এদের কথায় নিজের জীবন বিলিয়ে দিলেও নিজের জীবন সার্থক।

Abu Bakar
খানকায়ে যিনি পীর, ময়দানে তিনি বীর। পীর সাহেব চরমোনাইর মত এমন পীর যদি বাংলাদেশে আরো দু'একটা থাকতো, বাংলাদেশে নাস্তিকরা কথা বলার সাহস পেত না, ধন্যবাদ চরমোনাইয়ের পীরকে।

Safa Marwa
ইসলামের জন্য সাহসী বক্তব্য। আপনারা এতদিন পরে বুঝলেন, কিন্তু একটি গোষ্ঠী অনেক আগে থেকেই আপনার এই কথা বুকে ধারণ করেই জীবন দিয়েছেন। মৃত্যুকে তারাই ভয় পায় যাদের জীবন চলে দুনিয়ার কাজে।

Rezaul Haque
সময় টিভি কে অসংখ্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি, এই সত্যকে তুলে ধরার জন্য, চারিদিকে শুধু ঐক্যের আভাস মিলছে, হবেই হবে, হতেই হবে ইসলামের জয় ইনশাআল্লাহ।

Lablo Islam
চরমোনাই পীরের সাথে আছে দেশের জনগণ।

MD Hridoy Khan
অসংখ্য ধন্যবাদ সময় টিভিকে, একজন সাহসী মানুষের সাহসী বক্তব্য তুলে ধরার জন্য।

Jahid Hasan
বাঘের বাচ্চা চরমোনাই।

Be Honest
এ যুগের সালাউদ্দীন আইয়ুবী।

Md abul Bashar
শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে অনেক কিছু জানলাম, ফুল বক্তব্য শুনে।

MD Jony Mallick
ইনশাআল্লাহ্‌ বাংলাদেশ একদিন ইসলামী হুকুমত চালু হবে।

Jaanu Mahmud
কিসের ভয় মরতে একদিন হবে, সেই মরণ যদি হয় ইসলামের জন্য, মরতে পারবো কিন্তু ইসলামের অপমান হতে দেবনা ইনশাআল্লাহ্‌।

Md. Tanvir Ahmmed
যদি ইসলামকে দেশে কায়েম করতে চাই তাহলে আগে সকল ইসলামিক দলগুলোকে এক হতে হবে! ইনশাআল্লাহ আমাদের বিজয় আসন্ন।

Ebrahim Ahmead
ফয়জুল করিম হুুজুরকে পুরা শেখ মুজিব এর মত লাগে।

Abdullah Al Noman Chowdhury
সিংহের বাচ্চা সিংহ!

শায়েখে চরমোনাই জিন্দাবাদ।

17/12/2020

শায়েখে চরমোনাইর গতকালের
বিজয় দিবসের বক্তব্যটি কয়েকবার শুনলাম।

একজন বিচক্ষণ সাহসী বিপ্লবী নেতার ভাষণ যেমন হওয়া দরকার, ঠিক তেমনই বিজয় দিবসের দিনে জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়ে যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান, খাঁটি দেশপ্রেমিক, আগামীর রাষ্ট্রনায়কের পরিচয় দিয়েছেন শায়েখে চরমোনাই। বেশ কয়েকবার শুনেছি, অসম্ভব ভালো লেগেছে।

এর থেকে আর কি স্পষ্ট হতে পারে? নিজের, দলের, চিন্তা, চেতনার, শিক্ষা ও জ্ঞানের গভীরতার পরিচয় একেবারে স্পষ্ট করে জাতীর সামনে তুলে ধরে পোক্ত ঈমানের অধিকারী হিসেবে জানান দিলেন। জেল জুলুম হুলিয়া এসবের কোন পরোয়া করেন না, দেশের জন্য ইসলামের জন্য জীবন দিতে মোটেও ভয় পাননা। কেন ভয় পাবেন? তিনি সৈয়দ এছহাক রহঃ, সৈয়দ ফজলুল করীম রহঃ এর সন্তান।

শায়েখে চরমোনাইর সাহসী উচ্চারণ, তিনি বলেন, তোমরা মনে করেছো, মামলা আর জেলের তকমা লাগালে ইঁদুরের মত পালিয়ে যাবো?
ইঁদুরের বাচ্চা পালাতে পারে,
বিড়ালের বাচ্চা পালাতে পারে,
শিয়ালের বাচ্চা পালাতে পারে,
কিন্তু সৈয়দ এছহাক রহঃ, সৈয়দ ফজলুল করীম রহঃ এর সন্তান পালাতে পারেনা। হযরত ওমর রাঃ হযরত আবু বকর রাঃ এর সন্তান পালাতে পারেনা। মারা যাবো শির উঁচু করে মরবো। রক্ত দিব ইসলামের জন্য দিব, জীবন দিব ইসলামের জন্য দিব। এইদেশ রক্ষা করার জন্য জীবন দিব। সাম্য মানবিক মর্যাদা ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রয়োজনে রক্ত দিব ইনশাআল্লাহ্‌।

শায়েখে চরমোনাই নিয়মিত স্টাডি করেন, ইতিহাস অধ্যায়ন করেন, জেনে শুনে বুঝে কথা বলেন। এই বিপ্লবী নেতাকে গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নাই। হাতে হ্যান্ডকাফ লাগিয়ে দেখেন, শায়েখের ভক্তরা হ্যান্ডকাফ ছিঁড়ে মুক্ত করে আনবে, যেদিন গ্রেফতার হবে সেদিন আপনার গদি টিকিয়ে রাখতে পারবেন না ইনশাআল্লাহ্‌।

শায়েখে চরমোনাই জিন্দাবাদ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

17/12/2020

কওমী মাদ্রাসায় ছাত্রলীগের কমিটি গঠন নিয়ে,
শায়েখে চরমোনাই কি বললেন?

17/12/2020

যদি অন্যায় করে থাকি, জেলে দেন আপত্তি নাই'
কিন্তু এসব জেলের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নাই,
যদি মরতে হয়, শির উঁচু করেই মরব।
-মুফতী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম
শায়েখে চরমোনাই

মুক্তিযুদ্ধের ন'মাস দেশপ্রেমিক মুক্তিযােদ্ধারা চরমােনাই মাদ্রাসার রুমে অস্ত্র বােঝাই করে রেখেছিলেন।-মাওলানা ইউসুফ আলী খা...
12/12/2020

মুক্তিযুদ্ধের ন'মাস দেশপ্রেমিক মুক্তিযােদ্ধারা
চরমােনাই মাদ্রাসার রুমে অস্ত্র বােঝাই করে রেখেছিলেন।
-মাওলানা ইউসুফ আলী খান রহঃ

জামিয়া রশিদিয়া আলিয়া ও কওমি মাদরাসা চরমােনাই। সবুজ ঘাসের এক বিশাল প্রান্তকে ঘিরে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে কওমি ও আলিয়া মাদরাসা দু’টি। হযরত এসহাক (রহঃ)-এর হাতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আলিয়া মাদরাসাটি। আর তার পাশের কওমি মাদরাসাটির গােড়াপত্তন ও আজকের এই বিশাল অবস্থানে নিয়ে আসেন মরহুম মাওলানা ফজলুল করীম। আজ থেকে কয়েক যুগ আগে তিনি দু'ধারায় বিভক্ত মাদরাসা শিক্ষাকে সমন্বয় করতে এ কালজয়ী উদ্যোগটি গ্রহণ করেছিলেন।

জামিয়া রশিদিয়া আলিয়ার ভাইস প্রিন্সিপ্যাল মাওলানা ইউসুফ আলী খান। তিনি আলেমও মুক্তিযােদ্ধাও। তিনি ম্যাট্রিক পাস করেন বরিশাল বিএম কলেজ আর টাইটেল শর্ষিনা আলিয়া থেকে। তিনি হযরত এসহাক (রহঃ)-এর দুই মেয়েকে পালাক্রমে বিয়ে করেন (প্রথমজনের মৃত্যুর পর আরেকজনকে বিয়ে করেন)। আলিয়া মাদরাসার দোতলায় তার অফিস রুমে এসে হাজির হই আমরা। নিজেদের পরিচয় দেই। অনুমতি পেয়ে চেয়ার টেনে বসে পড়ি তার মুখােমুখি। তার সঙ্গে কথা বলি, গল্প করি, আড্ডা জমিয়ে ফেলি।

যে তথ্যগুলাে তখন আমরা উদ্ধার করতে পারি, সেগুলো ছিল এরকম:
মাওলানা ইউসুফ আলী খান সশস্ত্র লড়াইয়ে অবতীর্ণ না হলেও মুক্তিযুদ্ধে তার প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল অনেক বেশি। মুক্তিযােদ্ধাদের আশ্রয় দেওয়া, দেখা-শােনা করা, পরামর্শ দেওয়া, বিভিন্ন প্রয়ােজনে সঙ্গে থাকাসহ মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযােদ্ধাদের প্রতি অবদানের কথা অনস্বীকার্য। এছাড়াও তিনি ছিলেন মুক্তিযােদ্ধাদের কাজী-বিচারক। কেউ কোনাে অপরাধ করলে তার কাছে মােকদ্দমা দায়ের করা হতাে। তিনি সময় দিলে সবাই বিচারে হাজির হতাে। তার বিচার স্বতঃস্ফূর্তভাবে সবাই মেনে নিত। দ্বিমত পােষণ করত না কেউ।
মাওলানা ইউসুফ আলী খানের মুক্তিযােদ্ধাদের সঙ্গে এত ঘনিষ্ঠ হওয়ার পেছনে মরহুম পীর হযরত এসহাক (রহ.)-এর নসিহত-পরামর্শ ও হুকুম কাজ করেছে। জানা গেছে, ন' নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর এমএ জলিল ও ক্যাপ্টেন আবদুল লতীফ এর রীতিমত যাতায়াত ছিল মরহুম পীর সাহেব মাওলানা এসহাক (রহঃ)-এর কামরায়। সেক্টর কমান্ডার ছাড়াও অসংখ্য মুক্তিযােদ্ধা তার কাছে আসত, কথা বলত। পরামর্শ করত। গল্প করত। স্বাধীনতার গল্প, সাহসের গল্প।

তার প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা জামিয়া রশিদিয়াতেই ছিল মুক্তিযােদ্ধাদের শক্ত ঘাঁটি। এ মাদরাসায় তারা থাকত খেত। পরামর্শ করত, আড্ডা দিত। এখান থেকেই অস্ত্র হাতে বেরিয়ে যেত মুক্তিসেনারা শক্রর খোজে। আবার যুদ্ধে যারা বেঁচে যেত, জয়ী হতাে তারা ফিরে আসত মাদরাসার রুমে। থাকত, খেত, ঘুমাত। মাদরাসার পক্ষ থেকে ২/৩টি বড় বড় রুম ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল কেবল মুক্তিযােদ্ধাদের আপ্যায়নে, আতিথেয়তায়।

মাদরাসা থেকে দূরে বুখাইনগর এলাকায় একবার মুক্তিযুদ্ধের স্থানীয় শীর্ষ কর্তাদের নিয়ে মিটিং হয়। সেখানে মাওলানা ইউসুফ আলী খানের ডাক পড়ে। দাওয়াত আসে। তিনি হাজির হন। তখন একজন তাকে না চিনতে পেরে চিৎকার করে ওঠে- এ আবার কে? কোনাে টিকটিকি নয় তাে? সঙ্গে সঙ্গে কমান্ডার আবদুল হামিদ দাঁড়িয়ে গেলেন। বললেন- আরে আপনি এই মাওলানাকে চিনলেন না। মাওলানা ইউসুফ আলী খান আমাদের একান্ত নিজস্ব লােক। কোনাে ভয় নেই। ওই বৈঠকেই তাকে সর্বসম্মতিক্রমে মুক্তিযােদ্ধাদের কাজী-বিচারক নির্বাচন করা হয়।

চরমােনাই মাদরাসায় বরিশাল থানার অনেক কর্মকর্তা স্বপরিবারে থাকতেন। তাদের মাঝে অনেকে অফিসার, কেউবা দারগাও ছিলেন। বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ছিল। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তারা থানা থেকে অস্ত্রগুলি নিয়ে পালিয়ে আসে। আশ্রয়গ্রহণ করে। আর ফেরত যায়নি। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। দেশ স্বাধীন হয়ে গেলে সবাই নিজ নিজ পরিবার নিয়ে বাড়ি চলে যায় । হাতের অস্ত্রগুলি কি করবে ভেবে অস্থির। শেষ পর্যন্ত তারা অস্ত্রগুলাে বিশ্বস্ত মাওলানা ইউসুফ আলী খানের হাতে আমানত রেখে যায় এবং অনুরােধ করে যায় সুযোগমতো অস্ত্রগুলো থানায় জমা দিয়ে দেয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার কিছুদিন পর মাওলানা ইউসুফ আলী খান ওই এলাকার দারােগা আবদুল মান্নান-এর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলােচনা করেন। তার হাতে গচ্ছিত আমানত বন্দুক রিভলবার দারােগা আবদুল মান্নান-এর হাতে সোপর্দ করে দায়মুক্ত হন তিনি। পরিচয় দেন বিশ্বস্ততার, আমানতদারির ও দেশপ্রেমের।

স্বাধীনতার পর সরকারের পক্ষ থেকে চরমােনাই মাদরাসা বা পীর সাহেব হুজুর কিংবা মাওলানা ইউসুফ আলী খান কোন প্রকার চাপ বা কঠোরতার মুখােমুখি হননি। আর কোন অনুদান বা সাহায্য-সহযােগিতাও পাননি। দেশ স্বাধীন হয়ে গেলে শর্ষিনা, ফয়রার পীর এবং বরিশাল জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা বশীরুল্লাহ কারীদের সরকার গ্রেফতার করে। জেল হাজতে পাঠায়। কিন্তু চরমােনাই পীর বা মাওলানা ইউসুফ আলী খানের দিকে সরকার অভিযােগের আঙুল তুলেনি। কারণ তারা ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি। মাওলানা ইউসুফ আলী খানের একটি অভিব্যক্তি হলাে, আমরা এক সময় ব্রিটিশের নাগরিক ছিলাম। পরে হলাম পাকিস্তানের। তারপর বাংলাদেশের। আর এখন চাই ইসলামী হুকুমতের নাগরিক হতে।
বই -আলেম মুক্তিযোদ্ধার খোঁজে।

*আওয়ামীলীগের মাহবুবুল আলম হানিফ একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে তার জ্ঞান ও শিক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠে! একজন অসচেতন ইতিহাস অজানা লোক কিভাবে দলের শীর্ষ পদ পায় তা প্রশ্নবিদ্ধ! ইতিহাস জেনে কথা বলুন, ক্ষমতার জোরে কথা বলবেননা। ইতিহাস অস্বীকার করে কথা বললে, ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবেন!

বিএনপি শরীয়াহ আইনে বিশ্বাস করেনা,-মির্জা ফখরুল ২০১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর এই কথা বলেছিলেন। আজ বললেন,বিএনপির সাথে মৌলবাদের সম...
09/12/2020

বিএনপি শরীয়াহ আইনে বিশ্বাস করেনা,
-মির্জা ফখরুল
২০১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর এই কথা বলেছিলেন।

আজ বললেন,
বিএনপির সাথে মৌলবাদের সম্পর্ক নাই।

এরপরেও যারা তাহাদের সহিত সু-সম্পর্ক বজায় রাখিয়া দীনের ফায়দা খুঁজেন তাদের বলার কিছু নাই। শরীয়াহ আইনে বিশ্বাস করেনা একথা বলার পর ঈমান থাকে কি না জানিনা। ঈমানহারাদের সাথে যাদের জোট তাদের ঈমানের কি অবস্থা তা আল্লাহ তায়ালাই ভালই জানেন।

শায়েখ রহঃ এর কথাটি মনে পড়ল, তিনি বলেছিলেন, আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। বাস্তবেও তাই দেখছি, দিনশেষে ওরা ইসলামের বন্ধু নয়, ওরা ক্ষমতার রাজনীতি করে, ওরা আলেমদেরকে ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করে।

খতিবে বাঙ্গালেরা যদি বুঝতো!

সংবাদ সম্মেলনে পীর সাহেব চরমোনাই।দেশে চলমান অস্থিরতা ও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আয়োজিত সংবা...
08/12/2020

সংবাদ সম্মেলনে
পীর সাহেব চরমোনাই।

দেশে চলমান অস্থিরতা ও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য-

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।

বিসমিল্লাহীর রহমানির রাহিম।

নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লিতালা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বাদ।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!

গোটা বিশ্ব যখন করোনা মহামারির ছোবলে বিপর্যস্ত, বাংলাদেশ যখন করোনা পরিস্থিতির প্রথম ধাপ অতিক্রম করে ২য় ধাপের হুমকি সামলাচ্ছে, দেশের সাধারণ মানুষ যখন রুটি-রুজি যোগাড়ে হিমশিম খাচ্ছে, দ্রব্যমূল্য যখন আকাশচুম্বি, যখন নাগরিক সমস্যা মোকাবেলায় দলমতের উর্ধে উঠে জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশী, তখন দেশের একটি চিহ্নিত মহল কর্তৃক জনগণের মাঝে ঘৃণা ও বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রেক্ষিতে আজকের এই সংবাদ সম্মেলনে আপনাদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। আজকের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে আন্তরিকতার পরিচয় দেওয়ায় শুরুতেই সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।

প্রিয় সাংবাদিক বৃন্দ!
আপনারা জানেন, ইসলাম চরিত্রগত ভাবেই শান্তিবাদী একটি ধর্ম। পবিত্র কুরআনে পরিষ্কার ভাবেই জোর করে কারো ওপরে ধর্ম চাপাতে নিষেধ করা হয়েছে। ফলে ইসলাম তার সাড়ে চৌদ্দশত বছরের ইতিহাসে কখনোই কোন জনপদে শক্তি প্রয়োগ করে ইসলামের কোন বিধান চাপিয়ে দেয় নাই।
অনুরূপভাবে বাংলাদেশের সমাজকে অপরাধমুক্ত রাখতে, কর্মমুখি করতে, সমাজে শান্তি, শৃংখলা রক্ষা করতে, সমাজের মানুষের মাঝে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও সৌজন্যবোধ চর্চায় উলামায়ে কেরাম শান্তিপূর্ণভাবে যুগ-যুগ ধরে নিরলস চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!

আপনারা বর্তমান পরিস্থিতি জানেন। একটি সুবিধাভোগী মহল সাধারণ মুসলিম জনতার উত্থাপিত একটি মতামতকে কেন্দ্র করে গোটা দেশে লম্ফ-ঝম্ফ, হুমকি-ধমকি দিয়ে বিশৃংখলা তৈরীর চেষ্টা করছে। তাদের পেছনে বাংলাদেশের অর্জন, উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা বিনাশে কর্মরত কিছু দেশী-বিদেশী চক্রেরও ইন্ধন রয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
স্বপ্নের পদ্মা সেতু প্রকল্পের ঢাকা কেন্দ্রের প্রবেশ দ্বারে বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করে স্থাপিত হতে যাওয়া ভাস্কর্য নিয়ে একটি বিতর্ক তৈরী হয়েছে। ৫/৭টি মসজিদ মাদরাসার মিলন মোহনায়, দু’টি মসজিদের অবকাঠামো ভেঙ্গে এই পয়েন্টে ভাষ্কর্য স্থাপনের ফলে স্থানীয় ইমাম মুসল্লি ও তৌহিদী জনতা সেখানে ভাস্কর্যের বদলে বিকল্প কোন উত্তম পন্থায় বঙ্গবন্ধুকে স্মরণীয় করে রাখার দাবী জানিয়ে ছিলো।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
আপনারা জানেন, বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যমান আইন কানুন মেনেই তৌহিদী জনতা সমাবেশ করেছে এবং সেখানে শালীন ভাষাতেই যৌক্তিক ভাবে ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতা করা হয়েছে। একই সাথে বঙ্গবন্ধুকে সম্মান জানানোর বিকল্প পন্থাও প্রস্তাব করা হয়েছে। বিষয়টি একেবারেই স্বাভাবিক একটি নাগরিক প্রতিক্রিয়া। কিন্তু আমরা বিস্ময়ের সাথে লক্ষ করলাম, একটি সুবিধাভোগী মহল বিষয়টিকে কেন্দ্র করে দেশে চরম উস্কানী ও উত্তেজনা তৈরী করছে।

সরকার যেখানে প্রতিবাদ সমাবেশের অনুমতি দিয়ে যৌক্তিক আলোচনা ও মতামতের পরিবেশ সংযমের সাথে বজায় রেখেছে সেখানে জনবিচ্ছিন্ন সুবিধাভোগী শ্রেণিটি উলামায়ে কেরামকে সন্ত্রাসী ভাষায় গালিগালাজ করছে, ঢালাওভাবে অপবাদ দিচ্ছে। মাহফিলের মতো চিরায়ত ধর্মীয় সংস্কৃতিকে উগ্রপন্থায় প্রতিহত করার ঘোষণা দিচ্ছে। রাজপথে সন্ত্রাসী কায়দায় উগ্র বক্তব্য ও শ্লোগান দিচ্ছে। প্রকাশ্যে আলেমসমাজকে মারধর, অপমান এমনকি তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।

এহেন পরিস্থিতিতে আমরা পরিষ্কার করে জানাচ্ছি যে, উলামায়ে কেরামের দাবীর মধ্যে মরহুম বঙ্গবন্ধুর প্রতি কোন বিদ্বেষ ছিলো না, অসম্মানও ছিলো না। বরং বিষয়টি ছিলো দেশের প্রায় ৯০%জনগণের বোধ বিশ্বাসের সাথে সাংঘর্ষিক মুর্তি স্থাপন না করে অন্য কোন পন্থায় তাকে স্মরণ করার দাবী। যা অনেকটা মুসলিম রাষ্ট্রনায়ককে ইসলামের আলোকে দাফন কাফন না করে বিধর্মীয় পন্থায় তার শেষকৃত্য করার মতই নিন্দনীয় কাজ। আলেমসমাজ ও সাধারণ মুসলিম ধর্মপপ্রাণ জনগণ এ ক্ষেত্রে সরকারের কাছে নিজেদের প্রাণের আকুতি তুলে ধরতেই পারে। মানা না মানা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।
এই যৌক্তিক দাবীকে কেন্দ্র করেই তারা তাদের দীর্ঘ দিনের লালিত মূর্তি প্রীতি ও বিজাতীয় চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। বিষয়টিকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় উলামায়ে কেরামকে অপদস্থ করার হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছে। এসব কোন দেশপ্রেমিক মানুষের কাজ হতে পারে না।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে আজ ৫০বছর হতে চলছে। ঐক্যবদ্ধ এই জাতি মাত্র ৯মাসে দেশটাকে স্বাধীন করেছে। এখানকার মানুষের ভাষা-সংস্কৃতি-ধর্মও প্রায় এক। এমন ঐক্যবদ্ধতা যে কোন জাতির জন্যই গর্ভের। কিন্তু আমরা দুঃখের সাথে লক্ষ করছি, একটি মহল জনতার এই ঐক্যকে ছিন্নভিন্ন করতে চায়। বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ। দেশ পরিচালনায় প্রত্যেক নাগরিকের মতামত প্রকাশের ইখতেয়ার রয়েছে। সরকারের কোন কোন সিদ্ধান্তের গঠনমূলক সমালোচনা ও বিরোধিতা সভ্য সমাজের একটি বৈশিষ্ট্য। কিন্তু বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের কোন কাজের সংশোধনমূলক পরামর্শ প্রদান গঠণমূলক সামালোচনা বা বিরোধিতা করলেই চিহ্নিত মহলটি পাকিস্তানপন্থী, রাজাকার, আলবদর, সাম্প্রদায়িক, মৌলবাদী ইত্যাদি বলে ভিন্নমত পোষণকারীদের প্রতি হামলে পড়ে।

এতে করে জনগনের মধ্যে ক্ষোভ ও বিভাজন তৈরী হয়। আমরা মনে করি বিষয়টি জাতীর উন্নয়ন-অগ্রগতির পথে প্রধান অন্তরায়। প্রসঙ্গতঃ স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও তার পরিবার ৭১ সালে একনিষ্ঠভাবে মুক্তি সংগ্রামের সহযোগী ছিলেন। তার দরবার ছিলো এলাকার সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের আশ্রয়স্থল। বিষয়টি এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সর্বজন বিদিত। যারা এ বিষয়ে বিতর্ক তৈরি করছে, তারা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে মুক্তি যুদ্ধের চেতনাকে তামাশায় পরিণত করছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
উলামায়ে কেরাম কোরআন হাদিসের আলোকে তাদের মতামত জানান মাত্র। তারা কখনোই কাউকে আইন হাতে তুলে নিতে বলেন না। একই ধারাবাহিকতায় ধোলাইপাড়ের মুর্তি নিয়ে তারা তাদের অবস্থান জানিয়েছেন। এর সাথে দেশের অন্য মুর্তি ভাঙ্গার কোন সম্পর্ক নেই। বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনার সাথে উলামায়ে কেরামের মতামতকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে সম্পৃক্ত করা উলামা ও ইসলাম বিদ্বেষের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ মাত্র।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
এখানে আরেকটি বিষয় উল্লেখযোগ্য। মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে যারা তাঁর বেশি বিরোধিতা করেছে, বঙ্গবন্ধুর চামড়া খুলে নেয়ার হুমকি দিয়েছে, বঙ্গবন্ধু হত্যার ক্ষেত্র তৈরী করেছে, মৃত্যুর পরে আনন্দ-উল্লাস করেছে, তারাই আজ বঙ্গবন্ধুর সম্মান রক্ষার নামে অপসংস্কৃতি প্রসারে সবচেয়ে এগিয়ে। অবস্থা দৃষ্টে মনে হয়, এরা বঙ্গবন্ধুর কন্যা ও মূল আওয়ামীগের চেয়েও বেশী মুজিবভক্ত হয়ে গেছে। এখানে মনে হওয়া যৌক্তিক যে, বঙ্গবন্ধুর সম্মান তাদের উদ্দেশ্য না; বরং তাওহিদ বিরোধী মুর্তিবাদী আদর্শ বিস্তারই তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য। যা এদেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর চেতনা বিরোধী। তাছাড়া, সরকারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ করার এবং দেশের সামগ্রিক সম্প্রীতি ও শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করাও তাদের দূরবর্তী লক্ষ্য।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
ভাস্কর্য ও মূর্তি ইস্যুতে চরম উস্কানীর মুখেও দেশের শান্তি ও স্থিতিশিলতা বজায় রাখার স্বার্থে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সীমাহীন ধৈর্য্যরে পরিচয় দিয়ে এসেছে। কিন্তু এরই মাঝে গতকাল মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামের একটি ভূইফোড় সংগঠন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের নামে একটি জঘন্য মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। সঙ্গে আরো দুইজন বিশিষ্ট আলেম আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ও মাওলানা মামুনুল হকের নামেও মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আমরা বিষয়টিকে রাজনৈতিক ইস্যু মনে করিনি। যে কারনে ধৈর্য্যের সাথে পরিস্থিতি পর্যাবেক্ষণ করেছি মাত্র। আমরা আমাদের দলীয় ব্যানারে বা কোন সহযোগী সংগঠনের ব্যানারে কোন কর্মসূচিও দেইনি। উগ্রবাদী শক্তি ও তাদের উশৃঙ্খল সহযোগীরা আমাদের নিরবতাকে দুর্বলতা ভেবেছে। আমি সরকারকে এসব অন্যায় সীমালঙ্ঘনকারীদের নিবৃত করার অনু্েরাধ জানাই ও ক্ষমতাসীন সরকার এবং তাদের সুবিধাভোগী উগ্র সমর্থকদের সতর্ক করে বলতে চাই, এদেশের ধর্মপ্রাণ সাধারণ মুসলমানরা আজ ঐক্যবদ্ধ। শান্তিপ্রিয় ধর্মপ্রাণ মানুষের ধৈর্য্যেরও একটা সীমা আছে। আমরা অনেক অপমান সহ্য করেছি। সরকার যদি তাদের সুবিধাভোগী উগ্র সমর্থক এবং দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী শক্তিগুলোর বাড়াবাড়ি ও উস্কানীমূলক কর্মকান্ড বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সাধারণ দেশপ্রেমিক জনতা ও ধর্মপ্রাণ মানুষ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

সাংবাদিক বন্ধুগণ!
মূর্তি বা ভাস্কর্য নিয়ে বিরাজমান পরিস্থিতিকে আমরা দেশ বিরোধী অপশক্তির চক্রান্ত আকারে দেখছি। আমরা মনে করছি, ওরা বাংলাদেশের মানুষের ঐক্য বিনষ্ট করে ভিনদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়। সামাজিক ও ধর্মীয় অস্থিতিশীলতা তৈরী করতে চায়।

এ বিষয়টিতে সরকারের অবস্থান নিয়েও আমরা হতাশ। সাধারণ মানুষের নিয়মতান্ত্রিক একটি দাবীকে কেন্দ্র করে যখন কুচক্রিমহল দেশে উলামাদের বিরুদ্ধে উগ্রতা ছড়াচ্ছে, তখন তারা তা দমন না করে আরো উৎসাহ দিচ্ছে।
আমরা মনে করি, তাদের এই ভূমিকা বরং বঙ্গবন্ধুকে ছোট করছে। তাঁর সম্মানকে মানুষের চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক অবস্থানে ঠেলে দিয়েছে। অথচ এর কোন দরকার ছিলো না। জনগণ মনে করছে, সরকার তাদের ব্যর্থতা, দুর্নীতি এবং অনিয়ম আড়াল করতেই এই অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে।
পরিশেষে আজকের সংবাদ সম্মেলন থেকে আমরা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর দেশের বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী এবং মাওলানা মামুনুল হক এর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানাচ্ছি। পাশাপাশি যারা দেশের ওলামা সমাজকে এবং সম্মানিত ধর্মীয় ব্যক্তিদেরকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে, কটুক্তি করে, ব্যাঙ্গ কার্টুন প্রকাশ করে অপমান অপদস্ত করে, প্রাণ নাশের হুমকি দেয়, সংঘাত, মারামারি ও মল্লযুদ্ধের আহ্বান জানায় তাদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তির দাবি করছি।

আমরা আশা করছি সরকার আমাদের যৌক্তিক দাবী মেনে নিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির হাত থেকে রক্ষা করার উদ্যোগ গ্রহণ করবে। আর সরকার যদি ষড়যন্ত্রকারীদের নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়, তাহলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নিজেদের নিরাপত্তা, মর্যাদা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার রক্ষার প্রয়োজনেই দেশের জনগণ কে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবে।

আবারো সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করছি।

আল্লাহ হাফেজ!
মুফতি সৈয়দ মোহাম্মাদ রেজাউল করীম
(পীর সাহেব চরমোনাই)
আমীর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

ঈদ মোবারকঈদ মোবারকসকলকে ঈদুল ফিতরেরআন্তরিক শুভেচ্ছা।এবারের ঈদ ভিন্নরকম,সারাদেশ লকডাউন,ঈদের মাঠে নামাজ হবেনা,কোথাও ঘুরাও ...
24/05/2020

ঈদ মোবারক
ঈদ মোবারক

সকলকে ঈদুল ফিতরের
আন্তরিক শুভেচ্ছা।

এবারের ঈদ ভিন্নরকম,
সারাদেশ লকডাউন,
ঈদের মাঠে নামাজ হবেনা,
কোথাও ঘুরাও যাবেনা,
বেশী দাওয়াত খাওয়া যাবেনা,
বেশী দাওয়াতও দেওয়া যাবেনা।

মা নেই,
মা ছাড়া আমার এবারের ঈদ।

তবুও ঈদ মোবারক
সবাইকে ঈদ মোবারক।

দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুও আক্রান্তের রেকর্ডদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নি...
13/05/2020

দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু
ও আক্রান্তের রেকর্ড

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৬৯ জনে।

এই সময়ের মধ্যে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৬২ জন। এ নিয়ে সর্বমোট আক্রান্ত ১৭ হাজার ৮২২ জন।

করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা হিসাবে এটাই সর্বোচ্চ।

এছাড়া নতুন করে ২১৪ জনসহ মোট ৩ হাজার ৩৬১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

বুধবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন অধিদফতরটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

আহলান সাহলান,মাহে রমজান।সবাইকে রমজানুল মোবারকেরআন্তরিক শুভেচ্ছা।বছর ঘুরে আবার এলোমাহে রমজান।আসুন মাহে রমজানের পবিত্রতা র...
24/04/2020

আহলান সাহলান,
মাহে রমজান।

সবাইকে রমজানুল মোবারকের
আন্তরিক শুভেচ্ছা।

বছর ঘুরে আবার এলো
মাহে রমজান।

আসুন মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি,
বেশী বেশী আমল করি।

আজ হতে তারাবীহ,
তারাবীহ ২০ রাকাত আদায় করি।

আসুন মাহে রমজানের
যথাযথ হক আদায় করি।

Address

24/A, Purana Paltan
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Ibrahim Khalil posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md. Ibrahim Khalil:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Dr. Md. Ibrahim Khalil

DHMS Dhaka. Homoeopathic Consultant.